ch
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

前往频道在 Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

显示更多
801
订阅者
无数据24 小时
无数据7
-130
帖子存档
শিহাব খান - মেজর ঢিলা, সিলেট ৪৬৫৭. প্রশ্ন বর্তমানে গজল বা নাশীদকে ইসলামী সংগীত বলা হয় এবং এই ইসলামী সংগীতের নামে অনেক শিল্পী সেই সংগীতে মিউজিক ব্যবহার করে। এর মধ্যে বাংলাদেশের অনেক পরিচিত মুখ রয়েছে। এই ব্যাপারে শরীয়তের বিধান কী? উত্তর বাদ্য-বাজনা শোনা নাজায়েয। তাই হামদ-নাতের সাথে বাদ্য-বাজনা থাকলে ঐ হামদ-নাত শোনা জায়েয হবে না। এছাড়া হামদ-নাত, গজলের সাথে এটা যুক্ত করা বেয়াদবিও বটে। তাই এ থেকে বিরত থাকা কর্তব্য। তবে হামদ-নাত, গজল যদি সম্পূর্ণ বাজনা ও মিউজিক মুক্ত হয় এবং তার কথা যদি সহীহ হয়, শরীয়তের কোনো আকীদা বা নির্দেশের পরিপন্থী না হয় তাহলে তা বলা ও শোনা জায়েয। উল্লেখ্য যে, যারা হামদ-নাত বা ইসলামী ধাঁচের গজল পরিবেশন করবে তাদের দায়িত্ব হল এতে স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখা এবং গানের সুরে তা না বলা। তদ্রƒপ এসব ক্ষেত্রে অন্যদের পরিভাষা যেমন কনসার্ট, গান ইত্যাদি শব্দও পরিহার করা উচিত। -সহীহ বুখারী, হাদীস ৫৫৯০; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস ৩৬৮৫; মুসতাদরাকে হাকেম, হাদীস ৬৯০৮; খুলাসাতুল ফাতাওয়া ৪/৩৪৫; ফাতহুল কাদীর ৬/৪৮১; আলবাহরুর রায়েক ৭/৮৮; ইসলাম আওর মূসিকী, মুফতী মুহাম্মাদ শফী রাহ. মাসিক আল কাউসার রবিউল আউয়াল ১৪৪০ হিজরী ডিসেম্বর ২০১৮ ঈসায়ী http://t.me/pathofisla

🎤 মৃত্য ব্যক্তির ছবি সংরক্ষণ করা মুর্দার কবরে আযাব পাওয়ার কারণ। স্বামীর জন্য মৃত স্ত্রীর অথবা স্ত্রীর জন্য মৃত স্বামীর ছবি দেখা নাজায়েজ। কোন মহিলার জন্য তার মৃত স্বামীর ছবি দেখা জায়েজ নেই। কারণ মৃত্যুর সাথে সাথে তাদের বিবাহ ভেঙে যায় ফলে অপরিচিত পুরুষকে দেখা যেমন গুনাহ তেমনি মৃত স্বামীকে দেখাও তেমন গুনাহ। শরীয়ত এতটুকু ছাড় দিয়েছে যে মৃত্যুর সাথে সাথে দেখল এটা জায়েজ কিন্তু ছবি রেখে মাঝে মাঝে দেখে তাকে স্মরণ করবে এটা জায়েজ নেই। অনুরূপ স্বামীর জন্য মৃত স্ত্রীর ছবি দেখাও জায়েজ নেই। বহুত জরুরি মাসআলা। 🍂 মালফূজাত নং - ৭২ 🍂 ┈┈┈┈┈┈┈••✦✿✦••┈┈┈┈┈┈┈ হযরতওয়ালা শাইখুল হাদীস মুফতী মনসূরুল হক দামাত বারাকাতুহুম।

সন্তান প্রসবের সময় পর্দার ব্যাপারে অসতর্কতা সন্তান প্রসবের সময় দাই বা নার্সের সম্মুখে কেবল জরুরত পরিমাণই কাপড় খোলা যাইবে। উহার অতিরিক্ত নহে। চিকিৎসার কারণেও যদি দেহের কোন অংশ আবরণমুক্ত করিতে হয় তবে সেই ক্ষেত্রেও জরুরতের কথাটি স্মরণ রাখিবে। যেমন রানের উপর যদি ফোঁড়া হয় এবং ডাক্তারকে দেখাইতে হয় তবে কেবল ফোঁড়ার জায়গাটুকুই দেখাইবে, বেশী দেখাইবে না। এইরূপ অবস্থায় কোন পুরাতন কাপড় দ্বারা সমস্ত দেহ আবৃত করিয়া শুধু ফোঁড়ার জায়গাটুকু কাটিয়া দিলে ডাক্তার শুধু ফোঁড়ার জায়গাটুকু দেখিয়া লইবেন, আশেপাশে আদৌ দেখিতে পারিবেন না। কিন্তু চিকিৎসক ব্যতীত অন্য কোন পুরুষ বা নারী ঐ ফোঁড়ার জায়গাটুকুও দেখিতে পারিবে না। অথচ মূর্খ মেয়েলোকেরা প্রসবকালে এইভাবে উলঙ্গ করিয়া লয় যে, উপস্থিত সকল মহিলারাই দেখিতে থাকে। এই গর্হিত পাপ-প্রথা সম্পূর্ণরূপে বর্জন করিবে। ইহা সম্পূর্ণ হারাম। রাসূলে আকরাম সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করিয়াছেন, সতর যে দেখিবে ও যে দেখাইবে, উভয়ের উপরই আল্লাহ্‌র লা'নত পড়িবে। এই বিষয়ে সকলেরই সতর্ক হওয়া আবশ্যক। গর্ভকালে এবং অন্য কোন কারণে যদি ধাত্রী দ্বারা পেট মালিশ করাইবার প্রয়োজন হয় তবে সেই ক্ষেত্রেও নাভীর নিচের অংশ খোলা জায়েয নহে। কোন কাপড় রাখিয়া উহার উপর দিয়া মালিশ করাইবে। বিনা প্রয়োজনে ধাত্রীকেও দেখানো যাইবে না। সাধারণতঃ পেট মালিশ করাইবার সময় ধাত্রীতো দেখে বটেই, সেই সঙ্গে মা, বোন, খালা, ফুফু, দাদী, নানী, চাচী, মামী, ননদ ইত্যাদি বাড়ির অন্যান্য মহিলারাও দেখে। ইহা সম্পূর্ণ নাজায়েজ। কাফের নারীদিগকেও পর্দা করিতে হইবে। তাহাদের সামনেও কেবলমাত্র হাতের পাতা, পায়ের পাতা এবং মুখ ব্যতীত দেহের অপর কোন অংশ এমনকি মাথার একটি চুলও খোলা জায়েজ নহে। সুতরাং ধাত্রী যদি হিন্দু-খ্রীস্টান ইত্যাদি অমুসলমান হয়, তবে প্রসবের সময় কেবল আবশ্যকীয় স্থান ব্যতীত হাতের কব্জির উপরের অংশ, পায়ের গোছা, গলা ও মাথা ইত্যাদি দেখাইলে গুণাহগার হইবে। তরবিয়তে আওলাদ (ইসলামের দৃষ্টিতে সন্তান প্রতিপালন) -হযরত থানভী রহ. পৃষ্ঠা ৩১ প্রকাশনায়ঃ মুহাম্মাদী লাইব্রেরী চকবাজার, ঢাকা-১২১১ Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ২৫/০৩/২০ ঈ. http://t.me/pathofisla

র পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/DtaWMZGNhlQGpu4OYZhuyr *আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹

মহান শিক্ষক আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী রহ. একদম তাজা ঘটনা। উসতাযে মুহতারাম নূর হোছাইন কাসেমী রহিমাহুল্লাহ তখন অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে শয্যাশায়ী। ফুসফুসের চার ভাগের প্রায় তিন ভাগই অকেজো। বেশ কষ্ট হচ্ছে। এমন সময় মোবাইলে রিং বেজে উঠল। ওপাশ থেকে কোনো এক মাদরাসার মুহতামিম সাহেব জানাচ্ছেন, ‘হুজুর, আপনি যেই নতুন উসতায পাঠিয়েছেন, সে তেমন যোগ্য না। তার শিক্ষকতা মানসম্পন্ন নয়। ছাত্ররা আমার কাছে শেকায়েত করছে।’ শরীরের এমন সংকটাপন্ন হালতেও উসতাযে মুহতারাম সম্পূর্ণ সুস্থির কণ্ঠে বললেন, ‘বাজি, ও নতুন মানুষ। মাত্র পড়াশুনা করেছে। ওকে আমি জানি, ছেলেটা আলেম হিসেবে মন্দ না। নতুন মানুষ তো, এজন্যে গুছিয়ে উঠতে সময় লাগছে। আপনি ছাত্রদেরকে সবর করতে বলুন। আর তাকে সহায়তা করুন।’ এভাবেই উসতাযে মুহতারাম প্রতিটি ছাত্রকে পাখির ছানার মতো সুনিবীড় তত্ত্বাবধান করতেন। জীবনের নতুন পথে হাত ধরে হাঁটতে শেখাতেন। হোঁচট খেলে পরম মমতায় আগলে নিতেন। তাদের শিক্ষকতা শেখাতেন, ইসলামি রাজনীতি শেখাতেন। মাদরাসা কীভাবে পরিচালনা করতে হয়; কীভাবে সংসার চালাতে হয়, কীভাবে সন্তান প্রতিপালন করতে হয়, এমন বিষয়গুলোও তিনি ধরে ধরে শেখাতেন। মনে পড়ে, একদিন তিনি আমাকে কীভাবে মাঠ ঝাড়ু দিতে হয়, ঝাড়ুর হাতল কীভাবে ধরতে হয়, ময়লা কোন পাশ থেকে কোন পাশে নিতে হয়, সে বিষয়টিও হাত ধরে শিখিয়েছেন। . আমার নিজের ঘটনা বলছি। আমি ২০০৫ সালে সদ্য দারুল উলূম দেওবন্দ থেকে প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনার পাঠ চুকিয়ে দেশে এসেছি। হুজুর আমাকে মুদাররিস বানিয়ে পাঠালেন নরসিংদীর অন্যতম প্রাচীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জামিয়া ইসলামিয়া ইসলামপুরে। সন্দ্বীপি হযরত রহ. মাদানিনগর মাদরাসা প্রতিষ্ঠা করার আগে নরসিংদীতে এই সুবিশাল জামিয়া গড়ে তুলেছিলেন। আমাদের বারিধারা-সুবহানিয়ার সিলেবাসে ‘শরহে জামী’ কিতাবটি পাঠ্যভুক্ত ছিল না। কিন্তু এই নতুন কর্মস্থলে এসে জানতে পারলাম, আরও সাতটি কিতাবের সঙ্গে এই অপঠিত কিতাবটিও আমাকে পড়াতে হবে। একদম নতুন মানুষ হিসেবে অস্বস্তিতে পড়ে গেলাম। প্রথমে ভাবলাম, কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে পরিবর্তন করিয়ে নেব। পরক্ষণেই সিদ্ধান্ত নিলাম, না, হিম্মত হারালে চলবে না। আমি বিকেলে মাদরাসা থেকে ছুটি নিয়ে সোজা বারিধারা মাদরাসায় চলে এলাম। হুজুরের সামনে হাজির হয়ে সমস্যা মেলে ধরলাম। হুজুর তাঁর সেই চিরচেনা স্মিত হাসির গোলাপরাঙা আভা ছড়িয়ে দিয়ে বললেন, ‘বাজি, আজ তোমাকে আমি এক বসাতেই শরহে জামী পড়িয়ে দিচ্ছি।’ অথচ সামনে কোনো কিতাব নেই। বাজি আমাকে এক ঘণ্টায় পুরো কিতাবের ‘মুলাখখাস’ (সারনির্যাস) বলে দিলেন। কোন কোন আলোচনাগুলো গুরুত্বপূর্ণ, সেখানে মোটা দাগে কি কি পয়েন্ট রয়েছে, কোন মূলনীতিগুলো সামনে রাখলে অমুক অমুক মাসআলা ‘হল’ (নিরসন/সমাধান) হয়ে যাবে।’ আমি মন্ত্রমুগ্ধের মতো হযরতের অসামান্য আলোচনা শুনে গেলাম। আলহামদুলিল্লাহ, পরবর্তীকালে আর কখনই আমার সেই কিতাব পড়াতে সমস্যায় পড়তে হয়নি। .. উসতাযে মুহতারাম প্রায়সময় বলতেন, ‘আপনারা প্রতিটি কিতাব পড়াবেন ‘ফন’ (শাস্ত্র) হিসেবে। অর্থাৎ এমনভাবে পড়াবেন, যেন ওই শাস্ত্র পুরোটাই ছাত্র-শিক্ষক, সকলের নখদর্পণে চলে আসে।’ কওমি মাদরাসার পাঠকারিকুলামে অন্তর্ভুক্ত সকল কিতাব হুজুর প্রথম জীবনে এ পরিমাণ অধ্যয়ন করেছেন যে, প্রতিটি কিতাব যেন হুজুরের চোখের সামনে সেলুলয়েডের ফিতার মতো ভেসে বেড়াতো। হুজুর আফসোস করে বলতেন, ‘বাজি, এখন তো আমি মুহতামিম হয়ে গেছি। নয়তো দেখিয়ে দিতাম, মুদাররেসি কাকে বলে।’ .. হুজুর অপরাধের শাস্তি হিসেবে বোর্ডিংয়ের খাবার বন্ধ করার ঘোরতর বিরোধী ছিলেন। ছাত্রদের মারধর করা, ‘গাধা’ ইত্যাদির মতো কোনো ধরনের অসম্মানসূচক শব্দ বলা হুজুর খুবই অপসন্দ করতেন। হুজুর বলতেন, ‘শিক্ষক যেন এ কথা মনে না করে যে, আমি পড়ানোর মাধ্যমে ছাত্রদের ওপর ইহসান (দয়া) করছি; বরং শিক্ষককে মনে করতে হবে, এ ছাত্র পড়ার জন্যে আমার সামনে হাঁটু পেতে বসার মাধ্যমে উল্টো আমার ওপর দয়া করেছে।’ ... আসলে পৃথিবীতে কারো স্থান কখনই শূন্য থাকে না। প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মের বেড়াজালে কাউকে না কাউকে এসে সেই শূন্য পদে বসে দায়িত্ব পালন করতে হয়। বারিধারা-সুবহানিয়া মাদরাসার মুহতামিমের শূন্য পদে কেউ একজন নিশ্চয়ই বসবেন। হেফাজতের মহাসচিবের শূন্য পদ অচিরেই ভরাট হয়ে যাবে। জমিয়তও নিশ্চয়ই দলের এই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদ শূন্য ফেলে রাখবে না। কিন্তু বাস্তবতা হলো, উসতাযে মুহতারাম নূর হোছাইন কাসেমী যেই মাকামের মনীষী ছিলেন, জাতির যেই দরদী অভিভাবক ছিলেন, সময়ের যেই আপোষহীন রাহবার ছিলেন, দেওবন্দিয়্যাত ও জমিয়তের যেই নিষ্কলঙ্ক মুয়াজ্জিন ছিলেন, যেই মানুষ গড়ার কারিগর ছিলেন, সেই শূন্যতা কখনই পূরণ হবে না। এই অসাধারণ- অসামান্য- অনন্য- অনবদ্য –অনুপম মানুষটিকে জাতি অনন্তকাল খুঁজবে। যতবারই কোনো সংকট জাতির সামনে এসে দাঁড়াবে, ভেজা চোখগুলো অবশ্যই বলবে, আহ, আজ যদি ‘বাজি’ থাকতেন! লিখেছেন মুহতারাম আব্দুল্লাহ আল-ফারূক হাফি. Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এ

ওয়াজ মাহফিলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ইসলাহী নসীহত -শাইখুল হাদীস মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা: বিষয়ঃ ০১. নামাযের পরে উচ্চস্বরে দু'আ না করা ০২. সমকামিতা যেভাবে আমাদের যুবসমাজকে ধ্বংস করছে ০৩. সন্তানের তরবিয়তের জন্য পিতা-মাতার কঠোর নজরদারির প্রয়োজন ০৪. সন্তানের হাতে আদর করে মোবাইল দেয়ার কুফল ০৫. সন্তান কম নেয়ার কুফল ০৬. কিয়ামতের দিন ছবি ধারণকারীদের ভয়াবহ শাস্তি হবে (মোবাইলের স্ক্রিনে নিজের স্ত্রী-সন্তানের ফটো রাখা বড় অন্যায়) ০৭. সন্তানের মুহাব্বতে, তাদের সুস্থতার জন্য, তাদের অন্যায় আবদার রক্ষা করতে গিয়ে নিজের ঈমান-আমলকে না খোয়ানো স্থানঃ ঘিওর,মানিকগঞ্জ http://t.me/khanqaSN

আয় আল্লাহ্! আমাদেরকে গজব🔥🔥🔥 থেকে হিফাযত করেন দুই বছরের কিছু কম বা বেশী হবে। একদিন কানে ভেসে এলো গানের সুর। প্রথম বুঝতে একটু বেগ পেতে হলো। তো যখন বুঝতে পারলাম তখন যতটুকু মনে পড়ে খুব সম্ভবত ইসতেগফার পড়তে পড়তে কানে আঙুল দিলাম। একসময় খেয়াল করলাম যে আল্লাহ্ তা'আলার নামও শুনা যাচ্ছে। তো পরে বিষয়টা স্পষ্ট হলো যে এটি গজল(!)। তখন যে আমার মনের অবস্থা কি হয়েছিল তা আর কি বলবো! এই হলো বর্তমান গজব!!! (গজলের) অবস্থা। একসময় কিছু ইসলামী সাংস্কৃতিক সংগঠনের নাম শুনলেও অন্তরে প্রশান্তি অনুভুত হতো। ২/১ বছর আগেও যে ধারা অব্যাহত ছিলো কিন্তু কালের পরিক্রমায় এসব সংগঠনের অবস্থাদৃষ্টে এখন বারবার এই কথা মনে হচ্ছে যে এদের রূহানীয়াত একদম শেষ হয়ে গেছে। এদের কাছ থেকে যা কখনো আশা করিনি তা এখন নির্মম সত্য হিসেবে দেখা দিয়েছে। শরীয়তবিরোধী কার্যকলাপ এখন এদের নিত্যদিনের সাধারণ ব্যাপার মাত্র ! আমরা অনেকেই এদের পরিচয় ভালোভাবে জানি। হামদ নাত গযলের নামে মিউজিকের (ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক যা ইয়ারফোন ছাড়া সহজে বুঝা যায় না কিন্তু মনের ভিতরে দীর্ঘস্থায়ী আলোড়ন সৃষ্টি করে) প্রচার যেগুলো দ্বারা হাজার মানুষ গুণাহের অনূভুতিটুকুও হারিয়ে ফেলছে, ইচ্ছাকৃত ছবি তোলা যা কবীরা গুণাহ সেগুলো আবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নির্লজ্জভাবে প্রচার করা। এসকল কর্মকান্ডের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে মাদরাসা পড়ুয়া তালেবে ইলমগণ যারা এধরণের মডার্ণ গজব(!!!) শুনতে শুনতে অভ্যস্ত হয়ে ইলমে দ্বীন অন্বেষণে উদাসীন হয়ে পড়ছে যে অভ্যাস তারা সহজে ত্যাগও করতে পারছে না। আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদেরকে এই ধরণের নব্য গজব(!!!) থেকে হিফাযত করেন। আর তাদেরকেও এ থেকে ফিরে আসার খুব তাওফিক দান করেন। আমিন। Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ০৩/০২/১৯ ঈ. http://t.me/pathofisla

এমন দুনিয়াবিমুখ মনীষী আমরা কি আর পাব? (স্মৃতিচারণ : আল্লামা নূর হোসাইন কাসেমী রহ.) ১৯৯৪ সনে আমি বারিধারা মাদরাসায় নাহভেমির জামাতে ভর্তি হই। তখন আমি ছিলাম বারো-তেরো বছরের বালক। অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার কারণে বাজার-সদাই নিয়ে হুজুরের বাসায় যেতাম। আজকের মাদানি এভিনিউ নামের যেই চওড়া সড়কটি নতুন বাজার মোড় থেকে ভেতরের দিকে প্রবেশ করেছে, তা সামনের যেই মোচড়ে এসে বাঁ দিকে কাঁচা বাজারের দিকে টার্ন নিয়েছে, ঠিক সেখানে একটি ব্যাংক ছিল। সম্ভবত জনতা ব্যাংক। সেই ব্যাংকের পেছনের একটি বাসায় হুজুর ভাড়া থাকতেন। মনে পড়ে, যাওয়ার পথটি প্রায়সময় কাদা কাদা থাকতো। উঠানে চিকন পরতের শেওলা পড়ায় সবসময় পিচ্ছিল থাকতো। সন্তর্পণে পা টিপে আসা-যাওয়া করতে হতো। অবশ্য তিন-চার মাস পর সেই বাসা ছেড়ে আরো ভেতরের দিকে ফাঁসের টেক মহল্লার একটি বাসায় ওঠেন। ওই বাসাতেই হুজুরের পরিবারের সঙ্গে আমরাও থাকতে শুরু করি। আব্বা তখন তাঁর নিজ হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান দারুল উলূম নূরবাগ, খিলগাঁও তালতলা থেকে ইস্তফা দিয়ে চলে এসেছেন। দুটো পরিবার নির্মাণাধীন একটি বিল্ডিংয়ের নিচ তলার এক ইউনিট ভাড়া নিয়ে যৌথভাবে থাকতে শুরু করি। তখনই হুজুরের দু’ ছেলে ও দু’ মেয়ে। হুজুর কিন্তু ততদিনে ঢাকায় অন্তত দু’ যুগ অতিবাহিত করেছেন। ফরিদাবাদ মাদরাসা ও মালিবাগ মাদরাসায় হাদিসের অধ্যাপনার পাঠ চুকিয়ে বারিধারা মাদরাসাও প্রতিষ্ঠা করেছেন প্রায় ৬ বছর হলো। অর্থাৎ তিনি তাঁর সংসার জীবনের প্রায় বিশ বছরের লম্বা সময় কাটিয়ে ফেলেছেন। আমার পরিস্কার মনে আছে, আমাদের দু’ রুমের জিনিসপত্র গুছিয়ে আমি যখন আম্মার হাত ধরে পাশের অংশে হুজুরের বাসায় প্রবেশ করি, তখন আমার বালক চোখদুটোও বিস্ময়ে অবাক হয়েছিল। তিন রুমের ঘরে জিনিস বলতে একটি বড় চৌকি আর একটি কাঠের মিটসেফ। চৌকির ওপর পাতলা তোষক পাতা। মিটসেফের সামনের জালির উপরের ডান পাশের এক কোণা ছেঁড়া থাকায় ভেতরের হাড়ি-পাতিলগুলোও দিব্যি দেখা যাচ্ছিল। একটা সংসার শুধু একটি চৌকি আর একটি মিটসেফ দিয়ে চলতে পারে, আমার বালক মনের কাছেও সেটা ছিল চরম বিস্ময়ের প্রতিপাদ্য। মনে পড়ে, আবু বকর নামে শরীয়তপুরের একজন বড় ভাই তখন দাওরায়ে হাদিস জামাতে পড়তেন। আমাদের ছাত্রদের মাঝে বলাবলি হতো, হুজুরের বাসার সিংহভাগ বাজার-সদাই তিনি নিজের পকেটের টাকা দিয়ে কিনে পাঠাতেন। পরবর্তীকালে আল্লাহ হুজুরের জন্যে অফুরন্ত নিআমতের দুয়ার খুলে দিয়েছিলেন। ভক্তরা মিলে ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্যে গাড়ি কিনে দিয়েছিল। বারিধারা মাদরাসার আর্থিক অবস্থাও পূর্বের তুলনায় স্বাভাবিক হয়ে আসে। কিন্তু মহান মানুষটির সেই সাদাসিধে জীবনাচারের মাঝে কোনো পরিবর্তন আসেনি। রাজধানীর সর্বাধিক বিত্তশালী অধ্যুষিত গুলশান-বারিধারায় জীবনের শেষ চল্লিশটি বছর কাটিয়ে দেবার পরেও এই মহান মানুষটি যখন গত পরশু পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছেন, তখনও তাঁর পরিবারটি অবস্থান করছে একটি ভাড়া বাসায়। ঢাকায় কোনো জায়গা নেই, বাড়ি নেই। এমনকি নিজের হাতে গড়া দুটি দেশখ্যাত প্রতিষ্ঠান জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা ও জামিয়া সুবহানিয়া মাহমুদনগর, তুরাগ, ঢাকার কোনোটিতেই তার দু’ ছেলের একজনও কর্মরত নন। বলুন, আমরা আমাদের সমকালে এমন নজির কি খুব বেশি দেখাতে পারব? লিখেছেন- মুহতারাম আব্দুল্লাহ আল-ফারূক হাফি. Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/DtaWMZGNhlQGpu4OYZhuyr *আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹

হযরতওয়ালা করাচী রহ. এর মালফূয শুনুন তাঁরই সুযোগ্য খলিফা আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ মুহাম্মাদ শামসুজ্জামান ছাহেব দা: বা: পীর ছাহেব টাঙাইলের হযরতের জবান থেকে। হযরতওয়ালা দা: বা: বলেন, হযরতওয়ালা করাচী রহ. বলতেন, আমার খানক্বাহ, মাদরাসা, মসজিদ যা দেখো এগুলো সব নজরের হেফাযতের বদলে আল্লাহ্‌ আমাকে দিয়েছেন।" https://t.me/pathofisla

আমার দেখা দীর্ঘ ১৬ বছরের আল্লামা নূর হোসাইন কাছেমী (রহ:) ┈┈┈┈┈┈┈••✦✿✦••┈┈┈┈┈┈┈ হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম। @MuftiMasudKasemi

লটর পটর ঈমানদারদের জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করা নাজায়েজ। মুফতি মনসুরুল হক সাহেব দামাত বারাকাতুহুম। বয়ান পেতে @islamijindegi সংক্ষিপ্ত বয়ান @sunnahbd Apps play store play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi ★প্রিয়জনদের কাছে শেয়ার করে সদকায়ে জারিয়ায় শরিক হোন। জাযাকাল্লাহ্★

রক্তে লেখা ইতিহাস... নূর হুসাইন কাসেমি রহ.কে তাঁর ছাত্ররা কী পরিমাণ ভালোবাসেন, তা কখনো শব্দ ও ভাষার ব্যঞ্জনায় বলে বোঝাতে পারব না। কখনো কখনো সেই ভালোবাসার কাছে পিতার প্রতি সন্তানের ভালোবাসাও হেরে যেতো। দুটো ঘটনা বলছি। ১৯৯৬ সালে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বারিধারা মাদরাসার বর্তমান ক্যাম্পাস হাতছাড়া হয়ে যায়। তখন মাদরাসার সকল ছাত্র-শিক্ষক বিনা শর্তে নিজেকে হুজুরের হাতে সমর্পণ করে দেয়। সবার এককথা, ‘হুজুর যেখানে যাবেন, আমরা সবাই সেখানে যাব।’ অনেক চড়াই-উৎরাই আর সংগ্রামী সময় কাটিয়ে হুজুর অবশেষে চলে আসেন তুরাগ নদীর পাড়ে, ধউর এলাকায়। এখানে মাদরাসার জন্যে এক খণ্ড জমি পান। সেই জমির ওপর তখন ছিল মোটে একটি টিনশেড ছোট্ট মসজিদ। যার ভেতরে বড়জোর চল্লিশ-পঞ্চাশজন নামায পড়তে পারবে। আর তার পশ্চিমে ছিল একটি পরিত্যাক্ত মুরগিখামার। খামারের ছাদ এতোটাই নিচু ছিল যে, আমার মতো চৌদ্দ-পনেরো বছরের কিশোরের মাথাও ছাদের সঙ্গে লেগে যেত। সেই পরিত্যাক্ত মুরগিখামার আর ছোট্ট মসজিদেই হুজুর শুরু করেন নতুন বিদ্যাপীঠ ‘জামিয়া সুবহানিয়া মাহমুদনগর।’ হালের চোখধাঁধানো মসজিদ আর আলীশান মাদরাসা ভবন দেখে কেউ কল্পনাও করতে পারবে না যে, সূচনালগ্নে কত সংগ্রাম, কষ্ট আর ক্ষুধার ভেতর দিয়ে শুরু হয়েছিল এই নতুন বিদ্যাপীঠের অগ্রযাত্রা। আমরা তখন শরহে বেকায়া জামাতের ছাত্র। জীবনের সবচেয়ে সংকটের মুহূর্তে ছোট-বড় নির্বিশেষে সকল ছাত্র কীভাবে অষ্টপ্রহর বাজির সঙ্গে নিজেকে সেপ্টে রেখেছিল, সেই জীবনকাহিনি এ যুগের বিচারে নিঃসন্দেহে অনন্য ইতিহাস। মনে পড়ে, * সে বছর মাদরাসার আর্থিক অবস্থা এতোটাই নাজুক ছিল যে, দু’ বেলা কখনই ভালো খাবারের বন্দোবস্ত করা সম্ভব হতো না। এমনও হতো যে, দুপুরে বোর্ডিং থেকে শুধু ভাত দেওয়া হয়েছে। মসুর ডালটুকুও দেওয়া সম্ভব হয়নি। এমন ঘটনা একদিন-দুদিন নয়, দিনের পর দিন অজস্রবার হয়েছে। এমনকি বেতন দিতে না পারার কারণে বাবুর্চিরা চাকরি ছেড়ে চলে গেলে পালাবদল করে একেক দিন একেক ক্লাসের ছাত্ররা রান্না করত। * মসজিদে বড়জোর চল্লিশ থেকে পঞ্চাশজন আর মুরগির পরিত্যাক্ত খামারে আরো পঞ্চাশ-ষাটজন ঘুমাতে পারত। অবশিষ্ট প্রায় তিন-চারশো ছেলেকে বাইরে গাছের নিচে ঘুমুতে হতো। মনে পড়ে, পুকুরপাড়ে কোনো গাছের নিচে চার কোণায় চারটি কঞ্চি গেড়ে তাতে মশারি ঝুলিয়ে ঘুমাতাম। খোলা আকাশের নিচে সবুজ প্রকৃতির কোলে ঘুমুতে পারাটা অবশ্যই পরম শান্তির। কিন্তু ব্যাঘাত ঘটতো কোনো রাতে বৃষ্টি নেমে এলে। পড়ি-মরি করে কোনোমতে বিছানা গুটিয়ে মসজিদে বা খামারে দৌড়ে চলে আসতাম। সে রাতে আর আমাদের কারো শয্যা পেতে ঘুমানোর সৌভাগ্য হতো না। * বছরের শেষ দিকে শুরু হয় একটি টিনশেড ভবন তৈরির কাজ। অর্ধাহারে-অনাহারে দিন কাটিয়ে দেওয়া সেই ছাত্ররাই বিকেলে বা সন্ধ্যায় ট্রাক থেকে বালু কেটে নির্মাণাধীন ভবনের ভেতরে ফেলে আসতো। দলে দলে মাথায় ইট বহন করে জায়গামতো পৌঁছে দিতো। অজস্র তালিবুল ইলমের হাড়ভাঙা পরিশ্রমের ফসল আজকের জামিয়া সুবহানিয়া। বারিধারা মাদরাসার সূচনাটাও ছিল সে রকম। দুটো মাদরাসার সূচনাতেই জড়িয়ে আছে 'বাজি'র ভালোবাসায় নিজের সর্বস্ব উজাড় করে দেওয়া ছাত্রদের অসামান্য ত্যাগ-কুরবানি ও আত্মবিলোপের দাস্তান। * মনে পড়ে, সে বছর ছাত্রদের জন্যে গোসলের কোনো ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি। মাদরাসা সংলগ্ন পুকুরগুলো ব্যবহারের উপযোগী ছিল না। অগত্যা দু’ কিলোমিটার হেঁটে তুরাগ নদীতে গোসল করতে হতো। আমরা গোসল শেষে ভেজা লুঙ্গি মাথার ওপর দু’ হাত মেলে ছড়িয়ে রাখতাম। দেখা যেত, মাদরাসায় ফেরার আগেই বাতাসে উড়ে উড়ে আমাদের লুঙ্গিগুলো শুকিয়ে যেত। . এভাবে প্রতিদিন আমাদেরকে খাবার, ঘুম, গোসল ও প্রাকৃতিক কর্মসম্পাদন ইত্যাদির ক্ষেত্রে পদে পদে তীব্র সংকটের মুখোমুখি হতে হয়েছে। তখন প্রচণ্ড কষ্ট হতো। অবর্ণনীয় ঝামেলা পোহাতে হতো। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, বাজির ডাগর ডাগর চোখ, সফেদ শুভ্র চেহারা, ভারিক্কি দৃষ্টি, দরাজ কণ্ঠ আর সামান্য খুঁটিয়ে হাঁটার দৃশ্যগুলো দেখতে পেলে সবার সব কষ্ট এক নিমিষেই পানি হয়ে যেতো। তাঁকে দেখলে ছাত্ররা ভুলে যেত অনাহারী পেটের ক্ষুধার জ্বালা আর শিক্ষকরা ভুলে যেতো মাসের পর মাস বেতন না পেয়ে সংসারের আগুনে পোড়ার তীব্র যাতনা। মনে হতো, এই ফেরেশতাসিফাত মানুষটির দিকে তাকিয়ে থেকে আজীবন এ কষ্ট সয়ে যেতে পারব, হাসিমুখে। লেখক- মুহতারাম আব্দুল্লাহ আল ফারুক হাফি. Whatsapp এ *"ইসলামী জীবন''* গ্রুপ(এখানে বিভিন্ন ইসলামী বিষয় লেখা আকারে পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে *জয়েন হোন নিচের লিংকে* ♥♥♥ https://chat.whatsapp.com/DqWgu4ZW8a75zt0yzmq8yp *আলোকিত জীবন ওয়েবসাইট ভিজিট করুন* alokitojibon.ga 🌹

টেলিভিশনের নিউ ভার্সন হচ্ছে মোবাইল (ইউটিউব)..... একটা সময় এমন ছিল যখন সাধারণ দ্বীনদার মানুষও টেলিভিশন দেখাকে, টেলিভিশনের সামনে বসাকে অন্যায় মনে করতো। চাই সেখানে ওয়াজ হোক বা অন্য কোন দ্বীনী প্রোগ্রাম হোক। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, এখন সাধারণ দ্বীনদার তো দূরের কথা যাদের দায়িত্ব ছিল দ্বীন মানুষের নিকট পৌঁছানো, ইলমে ওহী মানুষের নিকট পৌঁছানো তারাও ঘন্টার পর ঘন্টা মোবাইলের সামনে বসে ইউটিউব বা অন্য কিছুর মাধ্যমে যা ইচ্ছা তা-ই দেখতে থাকে। এখানে শুধু পার্থক্য এতোটুকুই যে, টিভির স্ক্রিনটা বড় আর মোবাইলের স্ক্রিনটা ছোট। মোবাইল হচ্ছে টিভির নিউ ভার্সন। এটাকে পকেট ভার্সনও বলা যায়। আগে সবাই চাইলেই টিভি দেখতে পারতো না কিন্তু এখন পকেটে পকেটে টিভি। টিভি দেখতে বিদ্যুতের সরাসরি সংযোগ দরকার হয় অর্থাৎ টিভি ইচ্ছা করলে সবসময় দেখা যায় না কিন্তু মোবাইলে কোন কিছু দেখতে চাইলে ইচ্ছা করলেই দেখা যায়। অর্থাৎ টিভি দেখতে যে এরেঞ্জমেন্টের দরকার হয় মোবাইলে সেই ধরণের কোন এরেঞ্জমেন্টের দরকার হয় না। ফলে অনেকের কাছে এই ধারণা বদ্ধমূল হয়ে গেছে যে, ওতো মোবাইলই দেখছে! যে টিভি আগে দূর থেকে দেখা হতো সেই টিভি এখন মানুষ হাতে নিয়ে মজা করে যেভাবে ইচ্ছা সেভাবে দেখছে যা স্বাদ (!!!) আর মজাকে (!!!) বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এভাবে নিজেদের অলক্ষ্যেই আমরা কেউ আমাদের দ্বীনদারীকে হারাচ্ছি, কেউবা বিয়ে করার অনুপযুক্ত হয়ে পড়ছে আর কেউবা অন্যকেও এই পথে আনার জন্য প্রত্যক্ষভাবে না হলেও কাজে-কর্মে পরোক্ষভাবে উদ্বুদ্ধ করছে ইত্যাদি। আয় কারিম! আমাদেরকে সঠিক বুঝ দান করেন। হেদায়েত দান করেন। ঈমানী মওত নসীব করেন। আমিন। Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯 ১৩/০৮/২০ ঈ. http://t.me/pathofisla

১১-১২-২০২০ইং 🍀জুম'আর বয়ান🍀 স্থানঃ খিলগাও বাজার জামে মসজিদ, ঢাকা। বয়ানের বিষয়- খোদপছন্দী এর ক্ষতি ও তার চিকিৎসা। বয়ান পেশ করছেন- মুহিউসসুন্নাহ মুজাদ্দিদে-দীন মাওলানা শাহ আবরারুল হক রহ. এর বিশিষ্ট খলিফা হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দামাত বারাকাতুহুম প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস, জামি'আ রাহমানিয়া মাদরাসা,ঢাকা। রেকর্ডের মান- ভালো।(23.40 Mb) ━━━━━━ • ✿ • ━━━━━━ ✿সকল বয়ান লিংক: http://t.me/islamijindegi ✿প্রবন্ধ ও কিতাব লিংক: http://t.me/darsemansoorboyan ✿ইসলামী যিন্দেগী ওয়েবসাইট: http://www.islamijindegi.com ✿দারসে মানসূর ওয়েবসাইট: http://www.darsemansoor.com ✿ইসলামী যিন্দেগী এ্যাপ: http://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi

প্রিয় হযরত! গত সপ্তাহখানিক আগে আমি একটি সপ্ন দেখে ছিলাম। এক আলেমের সামনে আমি এবং সাথে কিছু ছাত্র ভাই উপুস্থিত ছিলাম, এমতাবস্থায় দেখলাম,‌ঐ আলেমর সাথে আল্লাহ তায়া’লার সাথে মোবাইলে কথা হচ্ছে। মোবাইলে নেট ব্যবহারের ব্যাপারে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা তাকে বললেন, ইন্টারনেট ব্যবহার করা ছেড়ে দাও, সেই আলেম, ভালো ভালো জিনিস দেখার ব্যাপারে অযুহাত পেশ করল। কিন্তু আল্লাহ তাকে নিষেধ করলেন। এই সপ্ন দেখার পর, সকালে ঘুম থেকে উঠে ইউটিউব, এফবি কেটে ফেলে দিয়েছি। কিন্তু দু'চার দিন পর, বর্তমান অবস্থা দেখার জন্য, আবার ইউটিউব ইনিস্টেল করে দেখেই আবার কেটে দিচ্ছি। এর পর টেলিগ্রামে আপনার ৩মিনিটের বয়ানটা পাই, সেটা শুনার পর। পুরা দমে চেষ্টা করে যাচ্ছি, এই নেশাকে ছাড়তে। প্রিয় হজরত! ধরে রাখতে পারি যেন এই তাওবা। দোয় চাই। বড়দের সাথে কথা বলতে পারিনা। লেখায় বেয়াদবি হলে ক্ষমার দরজাটা খোলা রাখা চাই।

স্বামী স্ত্রীকে ছাড়ে নাই,শ্বশুরবাড়ি থেকে স্ত্রীকে অন্য জায়গায় বিবাহ দিয়ে দিয়েছে,এখন কি করনীয়? মাসায়েল নং-২৯৯৫ ┈┈┈┈┈┈┈••✦✿✦••┈┈┈┈┈┈┈ হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম। @MuftiMasudKasemi

প্লিজ , ওকে , সরি ,লাঞ্চ, ব্রেকফাস্ট, ও থ্যাংক ইউ, এগুলো বলবো না। যে নিজের মেয়ের দোষ- ত্রুটি প্রচার করে তার মেয়েকে কেউ বিবাহ করে না। মাসায়েল নং-২৯৯৪ ┈┈┈┈┈┈┈••✦✿✦••┈┈┈┈┈┈┈ হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম। @MuftiMasudKasemi

প্রাণীর ছবি, সেলফি সম্পর্কে- https://t.me/videoharam পোষ্ট নং ১৪৩৯ b