অন্য দৃষ্টি
前往频道在 Telegram
গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের ফেসবুক আইডির পোস্টগুলো আপডেট আসবে অটোমেটিক এবং শেয়ার করা হবে বিভিন্ন বিশ্লেষণমূলক লেখা।
显示更多📈 Telegram 频道 অন্য দৃষ্টি 的分析概览
频道 অন্য দৃষ্টি (@onnodristy) 孟加拉语 语言赛道中的 是活跃参与者。目前社区聚集了 13 571 名订阅者,在 新闻与媒体 类别中位列第 15 215,并在 孟加拉国 地区排名第 1 700 位。
📊 受众指标与增长动态
自 невідомо 创建以来,项目保持高速增长,吸引了 13 571 名订阅者。
根据 27 七月, 2026 的最新数据,频道保持稳定运转。过去 30 天订阅人数变化为 -329,过去 24 小时变化为 -4,整体触达仍然可观。
- 认证状态: 未认证
- 互动率 (ER): 平均受众互动率为 1.13%。内容发布后 24 小时内通常能获得 0.96% 的反应,占订阅者总量。
- 帖子覆盖: 每篇帖子平均可获得 153 次浏览,首日通常累积 130 次浏览。
- 互动与反馈: 受众积极参与,单帖平均反应数为 2。
📝 描述与内容策略
作者将该频道定位为表达主观观点的平台:
“গুরুত্বপূর্ণ লেখকদের ফেসবুক আইডির পোস্টগুলো আপডেট আসবে অটোমেটিক এবং শেয়ার করা হবে বিভিন্ন বিশ্লেষণমূলক লেখা।”
凭借高频更新(最新数据采集于 28 七月, 2026),频道始终保持新鲜度与高覆盖。分析显示受众积极互动,使其成为 新闻与媒体 类别中的关键影响点。
13 571
订阅者
-424 小时
-597 天
-32930 天
帖子存档
13 571
Repost from Society - Uncensored
বিমান বন্দরের থার্ড টার্মিনাল নির্মানে ৫শ টাকার চারাগাছ কেনা হয়েছে লাখ টাকায়, প্রতিটি গাছ যেগুলোর মূল্য সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা, সেগুলো ৩০,৫০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকায় কেনা হয়েছে।
জলাশয় কে পুকুর বানাতে খরচ ধরা হয়েছে ১০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ওখানে আগে থেকেই পুকুর ছিল, সেটা পরিষ্কার করে পুকুরে কনভার্ট করা হয়েছে দেখিয়ে খরচ দেখানো হয়েছে ১০ কোটি টাকা। এ যেন বাস্তবে পুকুর চুরি।
ফিতা কাটার আনুষ্ঠানিকতা বাবদ দেখানো হয়েছে ৪৪ কোটি টাকা, হয়তো ফিতার দামই দেখাইছে কয়েক কোটি, কিংবা ফুতা কাটার সময় ঝরি বা আতশবাজির মূল্যও কোটি টাকা দেখানো হয়েছে।
নির্মানকাজের গতি বাড়ানোর নামে খরচ দেখানো হয়েছে ২১৭ কোটি টাকা। এখানে হয়তো নির্মান কাজের নিচে রকেট লাগানো হয়েছে যাতে গতি বাড়ে। রকেটের দাম বেশিতো তাই খরচ বেড়েছে ২১৭ কোটি টাকা।
ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত তুলে নিয়েছে ৬৩০০ কোটি টাকা। এই পরিমান টাকা খোদ দেশের সবকটি সরকারি ইউনিভার্সিটি বাজেট পায় কিনা সন্দেহ।
ভিতরে যদি খুটিয়ে কুটিয়ে দেখে তাহলে আরো বহুত কোটি কোটি টাকার লুটপাট পাওয়া যেতে পারে। এভাবেই ১৩ হাজার কোটি টাকার থার্ড টার্মিনাল প্রকল্প হয়ে গেছে ২২ হাজার কোটি টাকা। এখনো শেষ হয়নি।
হরিলুট হয়েছে কিনা সেটা জানিনা তবে কোটি কোটি টাকা, জনগণের টাকা ঠিকাদার, রাজনৈতিক ব্যক্তি এবয সরকারি লোকজন মিলে যে খেয়েছে, সেটার সম্ভাবনাই বেশি।
জামায়াতের এমপির লুইচ্চাপনা আমার আপনার তেমন ক্ষতি করেনি যতটা করেছে এসব লুটপাট। আমার আপনার পকেটের কোটি কোটি টাকা এরা মেরে দিয়েছে অথচ আমরা পগে আছি কোথায় কে হোটেলে কি করলো সেটা নিয়ে.!
আমাদের কষ্টার্জিত টাকা মানুষ জলাশয় পরিষ্কার করে, গতি বাড়ানোর নাম করে, গাছের চাঁরা রোপন করে নিয়ে যাচ্ছে অথচ সে বিষয়ে আমাদের বিন্দুমাত্র ভ্রুক্ষেপ নাই.! তাও শ, হাজার, লাখ টাকা না, কোটি কোটি টাকা.!
আমরা নিজেদের অজ্ঞতার জন্য একটু লজ্জিতও হইনা.!
তথ্যসূত্র: স্টারনিউজ
13 571
Repost from Society - Uncensored
+1
গতকাল স্পীকার যখন বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সাথে কথা বলেন তখন স্পীকারের সাথে ছিলেন বিমানবন্দর থানার ওসি কামরুল হাসান তালুকদার।
খুবই স্বাভাবিক প্রটোকল। কিন্তু এই কামরুল হাসান তালুকদার গুলশান থানার সাব-ইন্সপেক্টর থাকা অবস্থায় (গুলশান থানার মামলা নম্বর ৯ (৬) ২০১১), জনতা ব্যাংকের গাড়িতে আগুন দেওয়ার অভিযোগে এয়ার ভাইস মার্শাল (অব:) জনাব আলতাফ হোসেন চৌধুরী, এবং বর্তমান মাননীয় স্পিকার জনাব মেজর (অব:) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে।
পরবর্তীতে শুধুমাত্র এই লোকের মিথ্যা সাক্ষ্যের ভিত্তিতেই ০৭ জানুয়ারির নির্বাচনের আগে আলতাফ চৌধুরী ও মেজর হাফিজ সাহেবকে ২১ মাস করে সাজা দেওয়া হয়েছে। আপিল করে জামিন পাওয়ার আগে জেল খাটতে হয়েছে। - Habibur Rahman
13 571
Repost from Society - Uncensored
পার্টটাইম উকিল হিসেবে কিছু ইন্টারেস্টিং অভিজ্ঞতা শেয়ার করি। আমি অসংখ্য পারিবারিক ইস্যু ডিল করেছি, বয়োজ্যেষ্ঠ মানুষদের ২য় বিয়ে, দাম্পত্য কলহ এবং ডিভোর্স সংক্রান্ত অনেকগুলো ম্যাটার্স ডিল করেছি।
বিষয়টা খুব অকওয়ার্ড, মানে আলোচনা করা অস্বস্তিকর, তবুও এটা নিয়ে আলাপ হওয়া জরুরী।
আমরা অনেকেই মনে করি কেবল তরুণরাই যৌন হতাশায় ভোগে, আসলে ব্যাপারটা তা না। সমাজে অনেক বৃদ্ধ ও পৌঈবয়েসী পুরুষরাও যৌন অতৃপ্তি ও হতাশায় ভোগে এবং অনেকক্ষেত্রে এটি তাদের যৌনবিকার ও নৈতিক স্খলনের পথে চালিত করে।
এক্ষেত্রে পুরুষদের সবচেয়ে শত্রু তাদের জৈবিক গঠন।
নারীরা সাধারণত বয়স ৫০ এর ঘরে যেতেই মেনোপজে পৌঁছে যায়, এরপর তারা বেশিরভাগ সেক্সুয়ালি ইন্যাক্টিভ হয়ে যায়। এক্ষেত্রে তারা যৌনতায় পুরোপুরি অক্ষম না হলেও আগ্রহ হারিয়ে ফেলে।
পক্ষান্তরে পুরুষের ক্ষেত্রে তেমনটা ঘটেনা। শারিরীকভাবে সুস্থ থাকলে অনেক পুরুষ ৮০+ বয়সেও সেক্সুয়ালি সম্পূর্ণ সক্রিয় থাকে।
এক্ষেত্রে বিপদটা হল একজন ৮০ পার হওয়া পুরুষের স্ত্রীর বয়স হয় সাধারণত ৭০ থেকে ৭৪। কিন্তু ৭৫ বয়সী কোন নারীর প্রতি কোন পুরুষ শারীরিকভাবে আকর্ষণ বোধ করা, বা যৌনতৃপ্তি লাভ খুবই অস্বাভাবিক। ব্যাপারটা বাজে শোনালেও হিউম্যান বায়োলজি এটাই বলে।
এসব ক্ষেত্রে পুরুষরা সাধারণত লোকলজ্জার ভয়ে নিজেদের যৌনতাকে অনবদমিত রাখে, প্রিয়জনের সম্মান ও ভালবাসার তাগিদে নিজেকে সংবরণ করে। এটি প্রশংসনীয়। কারণ মানুষকে জীবনের সব স্তরেই সবর ধৈর্য্য ধরেই বেঁচে থাকতে হয়।
কিন্তু এই সংবরণ একটি উন্নত নৈতিক স্তর। সবার বেলায় এই নৈতিকতা কাজ করে না, বিশেষত স্মার্টফোন ও যৌন সুড়সুড়ির এই আধুনিক সময়ে আরো না। অনেক ক্ষেত্রেই মানুষ বায়োলজিক্যাল এনিমেলের মতোই আচরণ শুরু করে।
পশ্চিমা লিবারেল দুনিয়ায় যৌনতা একটি উন্মুক্ত ব্যাপার হওয়ায় দেখা যায় সেখানে সুগারড্যাডি একরকম মহামারী আকারে পৌঁছেছে। বেশিরভাগ সফল পুরুষ নিজের অর্জিত সম্পদ উদার হাতে সুন্দরী তরুণীদের পেছনে খরচ করে, প্রমোদ করে বেড়ায় এবং তা ওখানে খুব কমম। স্বাধীন আধুনিক মেয়েরাও লুজার ইয়ং ছেলের সাথে সময় নষ্ট না করে মিলিয়নিয়ার বুড়োদের সাথে সময় কাটিয়ে সারাজীবনের উপার্জন কামিয়ে নিচ্ছে।
কিন্তু আমাদের সমাজে বয়োজ্যেষ্ঠদের যৌনতা একটা ট্যাবু। কেউ এটি নিয়ে কথা বলতে চায়। But the deamon is there...
ট্রেডিশনাল ইসলামি কালচারে বুড়োদের ২য় বিয়ে খুবই কমন একটা ব্যাপার ছিল। কিন্তু এখনকার আধাখেঁচড়া মুসলিম সমাজে এই ব্যাপারটা নিতান্তই ট্যাবু।
বাংলাদেশী পুরুষদের গড় আয়ু কিন্তু বাড়ছে। আমরা যদি এটার প্রোপার এরেইঞ্জমেন্ট না করি, তাহলে তো যৌন হতাশাগ্রস্ত বৃদ্ধদের উৎপাত কিন্তু বাড়তে থাকবে।
বাস্তবতা হল বাংলাদেশের বড় বড় রাজনীতিবিদ, শিল্পপতি, আমলা এর সবাই বুড়ো বয়সে নামি-দামি হোটেল-রিসোর্টে অবৈধ সম্পর্কে হরহামেশা মোজমাস্তি করে বেড়ায়।
তাই এই যৌনতার বৈধ চ্যানেলিংটাও অত্যন্ত জরুরী। নাহলে বিপর্যয় অবশ্যম্ভাবী। - সংগৃহীত
13 571
Repost from Society - Uncensored
ট্রাম্প প্রশাসনের সাথে সৌদি আরবের বেসামরিক (শান্তিপূর্ণ) নিউক্লিয়ার চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার পরদিনই , অর্থাৎ আজকেই, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নতুন শর্ত জুড়ে দিয়েছেন।
তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে স্পষ্ট করে বলেছেন, এই চুক্তি অনুমোদন পাবে ঠিকই, কিন্তু তা সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করছে সৌদি আরবের আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগদানের উপর।
অর্থাৎ সৌদিকে ইসরায়েলের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে হবে। তিনি একই সাথে জানিয়েছেন যে চুক্তিতে ইউরেনিয়াম এনরিচমেন্টের অনুমতি থাকবে না।
অথচ সৌদি আরব এতদিন ধরে স্পষ্ট অবস্থান নিয়ে এসেছে যে, ফিলিস্তিনিদের জন্য স্বাধীন ও আলাদা রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার একটা বিশ্বাসযোগ্য ও নির্দিষ্ট পথ না হওয়া পর্যন্ত তারা আব্রাহাম অ্যাকর্ডে যোগ দেবে না। এই শর্ত সৌদি নীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে।
এখন প্রশ্ন হলো— ট্রাম্পের এই নতুন শর্ত সৌদি আরব কীভাবে নেয়, এবং ফিলিস্তিন ইস্যুতে তাদের দীর্ঘদিনের অবস্থান থেকে তারা সরে আসবে কি না।
মিডল ইস্ট ইজ ইভলভিং! এখানে এভ্রিবডি ইজ পাকা খেলোয়াড়। আমি পাকা খেলোয়াড় বলেছি, ভালো আর ফেয়ার বলিনি। - সাবিনা আহমেদ
13 571
মাদরাসার প্রাপ্তবয়স্ক ছাত্রীদের ফুটবল দল গঠন করে খেলায় অংশগ্রহণ করার নির্দেশ দিয়েছে বিএনপি সরকার।
‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ’ নামক টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণের নিমিত্তে দাখিল (এসএসসি) ও আলিম (এইচএসসি) লেভেলের ছাত্রীদের জন্য এই নির্দেশ ইস্যু করা হয়েছে।
একজন মুসলিম হিসেবে আমি ছেলে দর্শকদের সামনে স্কুল/মাদরাসার ছাত্রী এমনকি অমুসলিম মেয়েদের ফুটবল খেলাও সমর্থন করতে পারিনা৷
সেখানে মাদরাসার ছাত্রী, যারা বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠানে পড়েই ধর্মীয় বিধিবিধানের মধ্যে থাকার জন্য, তাদেরকে এই গোল্ডকাপে আংশগ্রহনের নির্দেশ দেওয়া অত্যন্ত গর্হিত নির্দেশ।
এই নির্দেশ প্রত্যাহারের আহ্বান জানাই। সচেতন মুসলিমদের এই নির্দেশ প্রত্যাখ্যান ও প্রতিবাদ করা উচিত।
13 571
Repost from Society - Uncensored
২০১৩ সালে ফরমালিন মেশানোর মিথ্যা অভিযোগে প্রায় ৬০ হাজার টন (৬ কোটি কেজি) আম ও মাছ ধ্বংস করে দেয় সরকারি আমলারা।
কিন্তু পরে চেক করে দেখা গেলো, যে মেশিন দিয়ে ফরমালিন টেস্ট করেছে, সেটা মূলত ফল ও মাছে ফরমালিন টেস্ট করার মেশিনই না।
আপনাদের অনেকের কাছে এটা নরমাল ভুল মনে হতে পারে, কিন্তু আমরা যারা এসব টেস্টিং নিয়ে কাজ করেছি, তাদের কাছে এটা বিশাল বড় ভুল। এটা সিস্টেমেটিক এরর, ক্রিটিকাল ফান্ডিংস। যাকে Major Non-Conformity (NC) বলা হয়। একটা ল্যাবের এক্রিডেশন বাতিল হওয়ার জন্য এরকম একটা ঘটনা যথেষ্ট।
যারা কোয়ালিটি কন্ট্রোল ল্যাবে কাজ করেছেন, তারা জানেন, একটা নতুন মেশিন কিনে এনেই, পরদিন, আপনি টেস্ট শুরু করতে পারবেন না। এখানে বিশাল প্রসিডিওর আছে।
ISO/IEC 17025:2018 এক্রিডেটেড ল্যাব, এর কথা বলি। একটা মেজর কোয়ালিটি কন্ট্রোল মেশিন ( e.g. HPLC) নতুন আনলে, সেটা দিয়ে টেস্ট শুরু করার আগে, বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা আছে, সেটা সম্পন্ন করতে কমপক্ষে ৩ জন স্টাফের প্রায় ১ মাস সময় লাগতে পারে। এবং কয়েক শত পেজের রিপোর্ট রেডি করতে হয়।
আর কিছু পন্ডিত আমলা কি করেছে দেখেন, কোন বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়াই, নতুন একটা মেশিন কিনে এনেই, ফরমালিন টেস্ট শুরু করে ৬ কোটি কেজি আম ও মাছ ধ্বংস করে ফেললেন, লাখ লাখ কৃষক ও ব্যবসায়ীকে পথে বসিয়ে দিলে। শত শত লোকের জেল জরিমানা হলো। সারাদেশে দেশি মাছ ও ফল এ খেতে আতংক ছড়িয়ে পরলো।
কিন্তু পরে দেখা গেলো, এই মেশিনই ঠিক নেই, ভুল রিডিং দেয়। False positive result!
সবচেয়ে মজার কথা এখনো বলি নাই, যেহেতু তাদের সিস্টেমেটিক ভুলের কারনে, এত কৃষকের ক্ষতি হলো, স্বাভাবিকভাবেই তারা ক্ষতিপূরণ ডিজার্ভ করেন, কিন্তু বলা হলো, কৃষকরা কোন ক্ষতিপূরণ পাবেন না, কারণ আইনে নাই! আর সেসব আমলারা সরল বিশ্বাসে এসব করেছেন, অতএব তাদের কেউ কোন শাস্তি পাবেন না!
ISO/IEC 17025:2018 এক্রিডেটেড ল্যাবে একটা নতুন মেশিন আনলে রেগুলার টেস্ট শুরু করার আগে, কি কি টেস্ট ও প্রসিডিউর মেইনটেইন করতে হয়, আগ্রহীরা কমেন্টসে সংক্ষেপে দেখতে পারেন। - কপিড
13 571
গাজী নজরুলের ঘটনায় সবচেয়ে বড় ভিক্টিম ওই মেয়েটা। তার লাইফ তো শেষ। যেভাবে তার পার্সোনাল ভিডিও ধারন করে, ছড়ানো হয়েছে মেয়েটার জন্য খুব খারাপ লাগছে। সবচেয়ে ন্যাক্কারজনক হল, কয়েকটি বাদে বাকিসব মেইনস্ট্রিম মিডিয়াও ছবিটা প্রচার করেছে।
একটা অল্প বয়সী মেয়ের ৭৫ বছর বয়সী বুড়াকে খুশি মনে বিয়ে করার কথা না। তার স্বপ্নের যে পুরুষ, সে নিশ্চয় তরুণ সুদর্শন।
তাহলে মেয়েটা কেনো বিয়ে করেছে? কারণ, অভাব। মেয়েটার বাপ কিছু জমি জমা পেয়েছে। তাই বিয়ে দিয়েছে। মেয়েটার একটা চাকরি দরকার ছিল, তা পাবে আশায় বিয়ে করেছে।
নজরুলে এই বিয়ে আইনে অবৈধ না হলেও, অনৈতিক। আরেকজনের দারিদ্র্যের সুযোগ নিয়ে করা বিয়ে। নজরুলকে এর ফল পাচ্ছে। কিন্তু মেয়েটাকে কে জাস্টিস দেবে?
তার যে আপন মামা শুধুমাত্র কিছু টাকার জন্য ভাগ্নির ব্যক্তিগত মুহুর্ত মোবাইলে ধারন করে, বাইরে থেকে লোক এনে ব্যক্তি মুহুর্তে ঢুকে যায়, হেনস্তা করে টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং প্রত্যাশিত বাকি টাকা না পেয়ে ভিডিও ছেড়ে দেয়- এর বিচারটা তো হওয়া দরকার। এ দাবিটা কেন আমরা ভুলে যাচ্ছি?
এমপির গাড়ির চালক হিসেবে মামাই ভাগ্নিকে নিয়ে যান এমপির কাছে। এরপর ওই চাকরি চাওয়ার সূত্র ধরে বাকি সব কিছু। মেয়ের বাবা কিছু পেলেও, মামা 'বঞ্চিত' হয়। এই ক্ষোভ থেকে ঘটনাটি ঘটনায়।
- রাজিব আহমদ
সাংবাদিক
13 571
স্বজনপ্রীতি ও আসাবিয়াত কতভাবে আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে তা বলে শেষ করা যাবে না। আমি শুধু একটা উদাহরণ দেই। আমাদের এক এমপি প্রার্থী কয়েকদিন আগে একটি স্টেটমেন্ট দিয়েছেন তাঁর ফেসবুক টাইমলাইনে।
এমপি প্রার্থীর এলাকার এক বিএনপি নেতা অবৈধ নিয়োগ পেয়েছেন। তিনি প্রথমে অবৈধ নিয়োগ পছন্দ করেন না বলে জানিয়েছেন। এরপর বলেছেন, যেহেতু তিনি নিজের এলাকার তাই ঐ বিএনপি নেতাকে তিনি ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানাতে চান। এটাই আসাবিয়াত। অপরাধ করলেও তার পক্ষে আছি যেহেতু আমার এলাকার লোক।
এছাড়াও আসাবিয়্যাত চর্চার হাজারো উদাহরণ আছে, যা বলে শেষ করা যাবে না। আমরা নিজেরা যখন কোনো দায়িত্ব পাই তখন আশে পাশে সব নিজেদের আত্মীয় ও এলাকার লোক দিয়ে পরিপূর্ণ করে ফেলি। আল্লাহ তায়ালা ক্ষমা করুন।
সমস্যা চিহ্নিত হলে সমাধানও বের হয়ে যায়। আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয়ই আমাদের উদ্ধার করবেন পাপ-পঙ্কিলতা থেকে যদি আমরা চাই। এজন্য অবশ্যই স্বজনপ্রীতি পরিহার করতে হবে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতিতে থাকতে হবে।
ইহ দিনাস সিরাতল মুস্তাকিম
13 571
Ahmed Afgani
অনেক হয়েছে, আসুন আত্মপর্যালোচনা করি।
১. সাতক্ষীরার এমপি গাজী নজরুল সাহেবের ঘটনা জামায়াতের জন্য ট্রাজেডি। এতে জনশক্তিরা দুমড়ে মুচড়ে গিয়েছে। জামায়াত তার স্বাতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলেছে।
২. জামায়াতের বেশিরভাগ মানুষ জামায়াত করে দুনিয়াতে বেনিফিটেড হয় না। এবং বেনিফিটেড হওয়ার জন্যও জামায়াত করে না। আমরা জামায়াত করি আল্লাহর আনুগত্যের মধ্যে থাকার জন্য। জাহান্নাম থেকে বাঁচার উপায় হিসেবে আমরা রাজনীতি করি।
৩. জামায়াতের কিছু কিছু নেতাদের কর্মকান্ডে মনে হচ্ছে, আমরা বুঝি সুযোগের অভাবে সৎ।
কেন এমন হয়েছে? নেতা অথবা এমপিরা কেন নৈতিক অথবা অন্যান্য দুর্নীতিতে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে?
আমি মনে করি নজরুল সাহেবের ঘটনা বিচ্ছিন্ন কোনো ঘটনা নয়। এটা আমাদের সামগ্রিক অপরাধ। বিশেষভাবে কেন্দ্রীয় সংগঠনের অবহেলা এর জন্য দায়ি।
১. অন্যায়কে প্রশ্রয় দেওয়া।
আমানতদারিতার অভাব অথবা অন্য কোন দোষত্রুটি দেখা সত্বেও প্রতিবিধান না করা। বিশেষ করে নেতাদের ছোট খাটো অপরাধ কে হালকা করে দেখা হচ্ছে। এতে নেতারা তাদেরকে জবাবদিহীতার উর্ধে ভাবতে পছন্দ করছেন।
২. সংগঠন ও রাজনীতিকে আলাদা করে দেখা।
আমরা ভাবতে শুরু করেছি, সংগঠন পরিশুদ্ধ মানুষ দিয়ে পরিচালনা করা, এটা ঠিক আছে। কিন্তু জনপ্রতিনিধি হওয়ার ক্ষেত্রে ছাড় দেওয়া যায়। দুঃখজনকভাবে এই প্রবণতাকে কেন্দ্র থেকেও ছাড় দেওয়া হয়েছে। লোকজন এমপি নমিনেশন পাওয়ার জন্য রীতিমতো লবিং করা শুরু করেছে। অনেকেই লবিং অনুযায়ী নমিনেশন পেয়েছেন। কেন্দ্র এটা প্রশ্রয় দিয়েছে।
এর প্রভাব নিচের দিকে পড়েছে। এখন সারাদেশে মেয়র, কাউন্সিলর, উপজেলা / ইউনিয়ন চেয়ারম্যান হওয়ার জন্য লবিং এর প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে গিয়েছে। সংগঠনে নেতৃত্ব লোভী, করাপ্ট লোকদের আধিপত্য বেড়েছে। দুঃখজনকভাবে টাকা পয়সা থাকা নেতৃত্বের জন্য বিবেচিত গুণে পরিণত হয়েছে। যার টাকা আছে এবং যে সংগঠনে মোটা অংকের টাকা দেয় তার অপরাধ দেখেও না দেখার ভান করা হচ্ছে।
যে জনপ্রতিনিধি হওয়ার জন্য সামাজিক কাজ করছে এবং অন্যান্য কসরত করছে তাকেও যোগ্যতর নেতা হিসেবে ভাবা হচ্ছে। এসবই হচ্ছে সেক্যুলার চিন্তাভাবনার ফসল। যে চিন্তা রাজনীতি ও ধর্মকে আলাদা করে দিতে চায়। শুধু তাই নয়, এই দুষ্ট লোকেরা হামেশাই বলছে, জামায়াতের আলাদা পলেটিক্যাল উইং খুলতে। যাতে রাজনীতিতে নৈতিকতা ও ধর্মের কোনো প্রভাব না থাকে। দুঃখজনক।
কেন্দ্র এবার মনোনয়ন দেওয়ার ক্ষেত্রে যেনতেনভাবে জিতে আসতে পারবে, এই নীতিকে প্রাধান্য দিয়েছে। এর নেগেটিভ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
৩. শিরকী রীতিনীতির সাথে একাত্মতা।
শিরক বড় অপরাধ। আল্লাহ তায়ালা এই অপরাধ ক্ষমা করবেন না বলেই ঘোষণা দিয়েছেন। এখন যদি আমরা ইসলামী আন্দোলন হয়ে শিরকী রীতিনীতি প্র্যাকটিস শুরু করি তবে অবশ্যই আল্লাহ তায়ালা আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতে লাঞ্ছিত করবেন। লোকে কী বলবে, সাংবাদিকরা কী বলবে, বিদেশী কূটনীতিকরা কী বলবে এজন্য আমরা শিরকী রীতিনীতি শুরু করেছি যা গর্হিত অপরাধ।
অথচ আল্লাহ তায়ালা রাসূল সা.কে বলেন, তুমি লোকভয় করছিলে, অথচ আল্লাহ এর বেশী হকদার যে, তুমি তাঁকে ভয় করবে। (সূরা আহযাব ৩৭)
"তোমরা কি তাদেরকে ভয় কর? অথচ আল্লাহই সর্বাধিক হকদার যে, তোমরা তাঁকে ভয় করবে, যদি তোমরা মুমিন হও।" (সূরা আত-তাওবাহ, আয়াত ১৩)
আমরা শহীদ মিনার ও স্মৃতিসৌধে গিয়ে যা করেছি তা নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা পছন্দ করার কথা না। আল্লাহ তায়ালা আমাদের ক্ষমা করুন।
আল্লাহ তায়ালা জানিয়েছেন, আমরা তখনই সিরাতল মুস্তাকিমের দেখা পাবো যখন মানুষকে ভয় করা ছেড়ে দিয়ে আল্লাহকে পরিপূর্ণভাবে ভয় করতে শিখবো।
"সুতরাং তোমরা তাদের (মানুষের) ভয় করো না, বরং আমাকেই ভয় কর, যাতে আমি তোমাদের প্রতি আমার নেয়ামত পূর্ণ করি এবং যাতে তোমরা সুপথপ্রাপ্ত হও।" (সূরা আল-বাকারাহ, আয়াত ১৫০)
৪. মুশরিকদের সহযোগীদের সেলিব্রেট করা।
সূরা মায়েদায় আল্লাহ তায়ালা বলেন, আপনি অবশ্যই ঈমানদারদের জন্য মানুষের মধ্যে সবচেয়ে বড় শত্রু হিসেবে পাবেন ইহুদী ও মুশরিকদেরকে। সেই ইহুদি ও মুশরিকদের (জ্যাকব, ইন্দিরা, আরোরা) সাথে একাত্ম হয়ে যারা লড়াই করে এবং পরবর্তীতে ইসলামী আন্দোলনের কর্মী হয়ে ঐ লড়াইকে সেলিব্রেট করবেন এটা নিশ্চয়ই আল্লাহ তায়ালা পছন্দ করবেন না।
আমাদের সংগঠনে নেতৃত্ব পর্যায়ে থেকেও যারা নৈতিক স্খলনের সাথে যুক্ত হয়েছেন তারা ইহুদি ও মুশরিকদের সাথে একাত্ম হয়ে লড়াই করা লোক। তাদের থেকে সাবধান হওয়া দরকার। তাদের পরিশুদ্ধ করানো দরকার।
৫. স্বজনপ্রীতি ও আসাবিয়্যাতের প্রশ্রয়
রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন : ‘সে আমাদের দলভুক্ত নয়, যে আসাবিয়্যাহর (জাতীয়তাবাদ) দিকে ডাক দেয়, বা আসাবিয়্যাহর কারণে লড়াই করে কিংবা আসাবিয়্যাহর কারণে মৃত্যুবরণ করে।’(আবু দাউদ : ৫১২১)
তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসুল, ‘আসাবিয়্যাহ কী’? তিনি উত্তরে বললেন, ‘আসাবিয়্যাহ হলো অন্যায়-অবিচার ও জুলুমের ক্ষেত্রে তুমি তোমার সম্প্রদায়কে সহযোগিতা করবে।’(আবু দাউদ : ৫১১৯)
13 571
Ahmed Afgani
ভাইরাল ভিডিও ও আমাদের করণীয়
সাতক্ষীরা-৪ আসনের জামায়াতে ইসলামীর এমপি গাজী নজরুল ইসলামকে নিয়ে একাধিক ভিডিও সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। এই নিয়ে সমাজে নানান প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। অবশেষে নৈতিক স্খলনের দায়ে জামায়াত তাকে বহিষ্কার করেছে। এরকম ভিডিওর ব্যাপারে আমাদের করণীয় কী?
১. যাচাই না করে অবিশ্বাস বা বিশ্বাস না করা
কুরআনে আল্লাহ বলেছেন, কোনো সংবাদ পেলে তা যাচাই করে নিতে, না হলে অজান্তে কারো ক্ষতি করে পরে অনুশোচনা করতে হতে পারে (সূরা হুজুরাত, ৪৯:৬)। ভাইরাল ভিডিও বা স্ক্রিনশট মাত্রই সত্য, এটা ঠিক নয়। এডিট, প্রেক্ষাপট বিচ্যুতি, বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচারও হতে পারে। আবার সত্যও হতে পারে।
আমরা অনেক সময় এই প্রবণতা দেখেছি। নিজে থেকেই রায় দিয়ে দিচ্ছি। কেউ যাচাই ছাড়াই ভিক্টিমকে অপরাধী ঘোষণা করে দিচ্ছি। আবার কেউ কেউ যাচাই ছাড়াই ভিক্টিমকে নির্দোষ ঘোষণা করে দিচ্ছি। এআই বলে উড়িয়ে দিচ্ছি। দুইটাই সঠিক কর্মপন্থা নয়। অপেক্ষা করা উচিত ভিক্টিম আত্মপক্ষ সমর্থন করে কী বলে? এরপর যাচাই করে সঠিক ঘটনা জানতে হবে। নিজে থেকে ইচ্ছেমতো রায় দেওয়া যাবে না।
এই ঘটনায় দুটো ব্যাপার ঘটেছে। কেউ এআই বলে ভিডিও অস্বীকার করেছে, কেউ যাচাই ছাড়াই দোষী সাব্যস্থ করেছে। দুইটাই গর্হিত কাজ।
২. সুধারণা রাখা
নিশ্চিত প্রমাণ ছাড়া কারো ব্যাপারে খারাপ ধারণা পোষণ করা নিষিদ্ধ। রাসূলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করেছেন যে ধারণা (সন্দেহ) সবচেয়ে বড় মিথ্যার উৎস হতে পারে।
৩. গীবত ও অপবাদ ছড়ানো থেকে বিরত থাকা
কারো অনুপস্থিতিতে তার সম্পর্কে নেগেটিভ আলোচনা করা (এমনকি সত্য হলেও) গীবত, আর মিথ্যা অভিযোগ দেওয়া "কযফ"। যা ইসলামে একটি গুরুতর অপরাধ, বিশেষ করে ব্যভিচারের মিথ্যা অভিযোগের ক্ষেত্রে (সূরা নূর, ২৪:৪)। যাচাই ছাড়া কাউকে দোষী সাব্যস্ত করে প্রচার করাও এই নীতির আওতায় পড়ে।
৪. ভিডিও/তথ্য শেয়ার করার ক্ষেত্রে সতর্কতা
যাচাই ছাড়া কোনো ভিডিও বা তথ্য ফরওয়ার্ড/শেয়ার করা থেকে বিরত থাকা উচিত। কেননা মিথ্যা বা অর্ধসত্য তথ্য ছড়ানোর দায়ও ছড়ানোকারীর ওপর বর্তায়।
৫. দোষ ঢেকে রাখা, তবে ব্যতিক্রম আছে
সাধারণভাবে কারো ব্যক্তিগত দোষ প্রকাশ না করার প্রতি ইসলাম উৎসাহ দেয়। কিন্তু যিনি জনপ্রতিনিধি (এমপি) এবং যার কর্মকাণ্ড জনস্বার্থ ও জবাবদিহিতার সাথে যুক্ত, সেক্ষেত্রে বৈধ তদন্ত ও জবাবদিহিতা চাওয়া (বিশেষত সংশ্লিষ্ট দল বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে) সিতর লঙ্ঘন নয় বরং ন্যায়বিচারের অংশ।
৬. সঠিক পথে সমাধান খোঁজা
ব্যক্তিগতভাবে বিচার করে রায় দেওয়ার বদলে বিষয়টি তদন্তকারী প্রতিষ্ঠান, দল বা আইনি প্রক্রিয়ার হাতে ছেড়ে দেওয়া উচিত, যেমন জামায়াত নিজেই বলেছে তারা তদন্ত করবে।
যখনই এ ধরনের কোনো ভিডিও বা স্ক্যান্ডাল সামনে আসবে, একজন সচেতন ও দায়িত্বশীল মানুষ হিসেবে আমাদের উচিত:
১. ভিডিওটি শেয়ার না করা।
২. গুজব ও এআই ভিডিও বলে উড়িয়ে না দেওয়া
৩. সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যাক্তি চর্চায় অংশ না নেওয়া।
৪. সত্যতা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির প্রতি খারাপ ধারণা পোষণ না করা।
এসব বিষয়ের সত্যতা উদ্ঘাটন এবং বিচার করার দায়িত্ব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আদালতের। সাধারণ মানুষ হিসেবে এগুলো নিয়ে চর্চা করা বা রায় দেওয়া আমাদের কাজ নয়। এ ধরনের ভাইরাল কনটেন্ট দেখে তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে না পৌঁছানো, শেয়ার/মন্তব্যে সতর্ক থাকা, এবং তদন্ত ও যাচাইয়ের সুযোগ দেওয়াই ইসলামসম্মত পথ।
13 571
১। জামায়াত সংসদে ভালো কিংবা খুব ভালো পারফর্ম করছে, এটা বলার সুযোগ নেই। অধিকাংশ সদস্যের বক্তব্য শুনে মনে হয় উনারা 'রুলস অব বিজনেস', সচিবালয় বিধিমালা কিংবা মন্ত্রণালয়গুলোর 'অ্যালোকেশন অব বিজনেস' পড়েননি। বিএনপি এমপিরা পড়ে ফেলেছেন তাও নয়, কিন্তু সরকারি দল হওয়ায় তারা মন্ত্রী-সচিবের কাছে এক্সেস পান, ফোনেই নিজেদের সুবিধা এবং এলাকার দাবি ও দেনদরবার সেরে ফেলেন। বিরোধী দল চাহিবামাত্র বরাদ্দ পায় না বলে তাকে সংসদেই চাইতে হয়। তাই কোন বিষয় উপজেলা, জেলা, বিভাগ, মন্ত্রণালয় কিংবা সংসদের কোথায় উত্থাপন করতে হবে, এই ইনস্টিটিউশনাল নলেজ ছাড়া বিরোধী রাজনীতি অচল।
২। জামায়াতকে ঠিক করতে হবে সে গতানুগতিক রাজনীতি চায়, নাকি ‘রাজনীতির বয়ান’ দখল করতে চায়। ন্যারেটিভ তৈরির রাজনীতিতে দলটির এমপিদের অপ্রস্তুত মনে হয়েছে আমার কাছে (জামায়াত আমির শফিকুর রহমান সাহেব ও নিজামী সাহেবের ছেলে ব্যতিক্রম, বাকিদের পারফরম্যান্স নজরে পড়েনি)। ন্যারেটিভভিত্তিক রাজনীতির জন্য বহু ডোমেইনে পড়ালেখা, ইন্টেলেকচুয়াল সংযোগ, মাস কমিউনিকেশনের ভাষা ও যুক্তির উপর দখল লাগে। ক্ষমতাকে রাইট টাইমে, রাইট প্রশ্ন করার মত উইট, জ্ঞান এবং সাহস লাগে।
৩। জামায়াতের দরকার একদল পলিসি মেকার, অধিক পরিমাণে ধর্মীয় ঘরানার নেতা নয়। সামাজিক সুরক্ষা, দারিদ্র্য বিমোচন, যোগাযোগ, কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জলবায়ু, নদী-পানি ব্যবস্থাপনা- কোন খাতে জামায়াতের মহাপরিকল্পনা কী এবং এসবের ২য়/৩য় বিকল্প কী, এসব ডোমেইন নলেজ লাগবে। ভালো পলিসি মেকারের মন্ত্রণালয় ভিত্তিক অতীত-বর্তমান কাজের নলেজ লাগে, প্রজেক্ট গুলোর ভুলত্রুটি জানা লাগে, আগের নেয়া পলিসি ও আইনের সীমাবদ্ধতা, সাফল্য-ব্যর্থতা জানা লাগে, বিভিন্ন প্রজেক্ট ও পাইলটের ফলাফল জানা লাগে, পাশাপাশি, আইন-পলিসি, দপ্তর-সংস্থার ইনস্টিটিউশনাল ক্যাপাসিটি জানতে হবে। আপনাকে বলতে হবে, ওমুকে এটা করেছিল, সেটা সফল বা ব্যর্থ হয়েছে, তাই সরকারি দলের এটাও ব্যর্থ হবে বা সফল হবে- এমন রাজনৈতিক-প্রশাসনিক ডমিনেন্স লাগবে, আপনার অভিজ্ঞতার কমতিকে নলেজ দিয়ে বিট করা লাগবে।
একটা কথা সবাইকে বলি, সাধারণভাবে সততা মহা মূল্যবান, কিন্তু প্রস্তুতিহীন সততা রাষ্ট্র চালাতে কাজে আসে না। মিশন ও ভিশন লেস সততা জনতার কল্যাণ বয়ে আনে না। আপনাকে রাইট টাইমে রাইট কাজ করতে হবে। সরকার না করলে তাকে চ্যালেঞ্জ জানাতে হবে।
-ফাইজ তাইয়েব আহমেদ
13 571
ধন্যবাদ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে।
আমরা জানি, এটা মানুষের গড়া ও মানুষ দ্বারা পরিচালিত একটি সংগঠন। শয়তানের প্ররোচনা কিংবা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকারে পরিণত হয়ে যেতে পারেন কেউ কেউ। কিন্তু সংগঠন তার নীতি, আদর্শ ও পলিসি থেকে বিচ্যুত হবে না এতটুকু।
একজন তৃতীয়বার নির্বাচিত এমপি। একজন সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং তুমুল জনপ্রিয় একজন নেতা। তার নিজ এলাকার প্রতিটি ইঞ্চি মাটিতে রয়েছে তার অবদানের ছোয়া। কিন্তু সংগঠন এসবের কোন কিছুই বিবেচনায় নেয়নি।
আশা করি অন্যান্য রাজনৈতিক দল এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নেবে। ইলেকশনের সময় অনেক বড় দলের অনেকের কাপড়চোপড় ছাড়া অনেক কিছু বের হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাদের কিছুই হয়নি। তারা যথারীতি ইলেকশন করেছেন এবং সমাজের সর্বত্র নারী-পুরুষ সবার কাছে তারা সমাদৃত হচ্ছে্ন এখনো ।
প্রায়ই বড় রকমের দুর্নীতি, টাকা-পয়সার লেনদেন ও হেরফের-এর ঘটনা শুনি বিভিন্ন অঙ্গনে। আশা করি সবাই এভাবে প্রকাশ্যে জড়িতদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। নিজেদের শুধরিয়ে নিবেন। ভেতর বাহির ক্লিন রেখে রাজনীতি বা জনগণকে নসিহা করবেন।
- আবু সালেহ ইয়াহিয়া
13 571
Repost from বাঁশেরকেল্লা - Basherkella
ধন্যবাদ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকে।
আমরা জানি, এটা মানুষের গড়া ও মানুষ দ্বারা পরিচালিত একটি সংগঠন। শয়তানের প্ররোচনা কিংবা দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের শিকারে পরিণত হয়ে যেতে পারেন কেউ কেউ। কিন্তু সংগঠন তার নীতি, আদর্শ ও পলিসি থেকে বিচ্যুত হবে না এতটুকু।
একজন তৃতীয়বার নির্বাচিত এমপি। একজন সম্মানিত বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং তুমুল জনপ্রিয় একজন নেতা। তার নিজ এলাকার প্রতিটি ইঞ্চি মাটিতে রয়েছে তার অবদানের ছোয়া। কিন্তু সংগঠন এসবের কোন কিছুই বিবেচনায় নেয়নি।
আশা করি অন্যান্য রাজনৈতিক দল এ ঘটনা থেকে শিক্ষা নেবে। ইলেকশনের সময় অনেক বড় দলের অনেকের কাপড়চোপড় ছাড়া অনেক কিছু বের হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু তাদের কিছুই হয়নি। তারা যথারীতি ইলেকশন করেছেন এবং সমাজের সর্বত্র নারী-পুরুষ সবার কাছে তারা সমাদৃত হচ্ছে্ন এখনো ।
প্রায়ই বড় রকমের দুর্নীতি, টাকা-পয়সার লেনদেন ও হেরফের-এর ঘটনা শুনি বিভিন্ন অঙ্গনে। আশা করি সবাই এভাবে প্রকাশ্যে জড়িতদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। নিজেদের শুধরিয়ে নিবেন। ভেতর বাহির ক্লিন রেখে রাজনীতি বা জনগণকে নসিহা করবেন।
- আবু সালেহ ইয়াহিয়া
13 571
জামায়াতের একজন এমপি অনৈতিক কাজের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
এই ঘটনা জামায়াতের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। কারণ জামায়াত একটি ইসলামী দল। ইসলামের নৈতিক সীমারেখা ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় পরিসরে প্রতিষ্ঠা করাই এই দলের উদ্দেশ্য। কাজেই এই দলের নেতা-পর্যায়ের লোকজন যদি নিজেরাই অনৈতিক জীবনযাপন করেন, তাহলে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠবে।
কিন্তু সত্য হলো, মানুষের সমাজে এ ধরনের ভুলত্রুটি ও পদস্খলন থাকবেই। শুধু অতি ভালো মানুষের দল একটি কাল্পনিক ইউটোপিয়া। এই ভুলত্রুটি ও পদস্খলনকে ম্যানেজ করেই সব দলকে সামনে এগোতে হবে। জামায়াতও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। বরং এখন তুলনামূলকভাবে ক্ষমতার আরও কাছাকাছি যাওয়ার কারণে জামায়াতের মধ্যে এ ধরনের সমস্যা আগের চেয়ে আরও বাড়তে পারে।
একটা বড় প্রশ্ন হলো, ইসলামী দলের লোকেরাও যদি এ রকম বড় ধরনের অনৈতিক কাজ করতে পারে, তাহলে সমাজের অন্যান্য মানুষের ভুলত্রুটি নিয়ে তারা যে আঙুল তোলে, মোরাল পুলিশিং করে, সেটি কি গ্রহণযোগ্যতা হারায় না? নিশ্চিতভাবেই হারায়। এখানেই ধার্মিক মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। যাদেরকে তারা 'কম ধার্মিক' বলে মনে করে, তাদের ব্যাপারে অতিরিক্ত জাজমেন্টাল মনোভাব কমাতে হবে। মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা যে ইসলামে সুরক্ষিত, এটি সমাজের সব মানুষের জন্য—এমনকি নামাজ না পড়া বা ধর্মচর্চায় অনিয়মিত মুসলমানদের জন্যও।
ইসলাম অনুশীলনকারী বহু মানুষের মধ্যেই অন্যদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সম্মানের প্রতি এই শ্রদ্ধাবোধের ঘাটতি আছে। কিন্তু দিনের শেষে শয়তান যেহেতু আপনাকেও প্রলুব্ধ করতে পারে, ফাহিশা কাজ যেহেতু আপনার দ্বারাও হতে পারে, কাজেই আরেকজনের ব্যাপারে এত বড় বিচারক হয়ে লাভ কী? বরং পাপের প্রতি সিরিয়াস হন। পাপী আপনি নিজেও, আপনার আশপাশের ভাই-বোনেরাও। আরেকজনের দিকে আঙুল কম তুলে, বরং নিজের পাপের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান, তওবা করুন।
আর দল হিসেবে নিয়ম-শৃঙ্খলার ব্যাপারে আপসহীন হন। যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো সময় অপরাধ করতে পারে। কিন্তু অপরাধ প্রমাণিত হলে কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। দলের নেতা-কর্মীরা যখন বুঝবে, ধরা পড়লে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ—তখন এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।
- মির্জা গালিব
13 571
Repost from বাঁশেরকেল্লা - Basherkella
জামায়াতের একজন এমপি অনৈতিক কাজের অভিযোগে দল থেকে বহিষ্কৃত হয়েছেন।
এই ঘটনা জামায়াতের জন্য অত্যন্ত লজ্জার। কারণ জামায়াত একটি ইসলামী দল। ইসলামের নৈতিক সীমারেখা ব্যক্তি, সমাজ এবং রাষ্ট্রীয় পরিসরে প্রতিষ্ঠা করাই এই দলের উদ্দেশ্য। কাজেই এই দলের নেতা-পর্যায়ের লোকজন যদি নিজেরাই অনৈতিক জীবনযাপন করেন, তাহলে স্বভাবতই প্রশ্ন উঠবে।
কিন্তু সত্য হলো, মানুষের সমাজে এ ধরনের ভুলত্রুটি ও পদস্খলন থাকবেই। শুধু অতি ভালো মানুষের দল একটি কাল্পনিক ইউটোপিয়া। এই ভুলত্রুটি ও পদস্খলনকে ম্যানেজ করেই সব দলকে সামনে এগোতে হবে। জামায়াতও এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। বরং এখন তুলনামূলকভাবে ক্ষমতার আরও কাছাকাছি যাওয়ার কারণে জামায়াতের মধ্যে এ ধরনের সমস্যা আগের চেয়ে আরও বাড়তে পারে।
একটা বড় প্রশ্ন হলো, ইসলামী দলের লোকেরাও যদি এ রকম বড় ধরনের অনৈতিক কাজ করতে পারে, তাহলে সমাজের অন্যান্য মানুষের ভুলত্রুটি নিয়ে তারা যে আঙুল তোলে, মোরাল পুলিশিং করে, সেটি কি গ্রহণযোগ্যতা হারায় না? নিশ্চিতভাবেই হারায়। এখানেই ধার্মিক মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। যাদেরকে তারা 'কম ধার্মিক' বলে মনে করে, তাদের ব্যাপারে অতিরিক্ত জাজমেন্টাল মনোভাব কমাতে হবে। মানুষের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা যে ইসলামে সুরক্ষিত, এটি সমাজের সব মানুষের জন্য—এমনকি নামাজ না পড়া বা ধর্মচর্চায় অনিয়মিত মুসলমানদের জন্যও।
ইসলাম অনুশীলনকারী বহু মানুষের মধ্যেই অন্যদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও সম্মানের প্রতি এই শ্রদ্ধাবোধের ঘাটতি আছে। কিন্তু দিনের শেষে শয়তান যেহেতু আপনাকেও প্রলুব্ধ করতে পারে, ফাহিশা কাজ যেহেতু আপনার দ্বারাও হতে পারে, কাজেই আরেকজনের ব্যাপারে এত বড় বিচারক হয়ে লাভ কী? বরং পাপের প্রতি সিরিয়াস হন। পাপী আপনি নিজেও, আপনার আশপাশের ভাই-বোনেরাও। আরেকজনের দিকে আঙুল কম তুলে, বরং নিজের পাপের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান, তওবা করুন।
আর দল হিসেবে নিয়ম-শৃঙ্খলার ব্যাপারে আপসহীন হন। যে কোনো ব্যক্তি যে কোনো সময় অপরাধ করতে পারে। কিন্তু অপরাধ প্রমাণিত হলে কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া যাবে না। দলের নেতা-কর্মীরা যখন বুঝবে, ধরা পড়লে রাজনৈতিক ক্যারিয়ার শেষ—তখন এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে।
- মির্জা গালিব
13 571
Repost from Society - Uncensored
+5
বাংলাদেশের আর্জেন্টিনা ভক্তদের জন্য গতকাল রাতে আমি লজ্জায় Twitter থেকে বেরিয়ে পড়েছি। সামান্য একটু স্ক্রল করলেই দেখি কেউ না কেউ আমাদের নাম ধরে এদের নিয়ে কিছু লিখে রেখেছে।
প্রখ্যাত ফিলিস্তিনি বৃটিশ ডক্টর অ্যাক্টিভিস্ট থেকে শুরু করে SNEAKO পর্যন্ত, আমি সামান্য যেটুকু সময় স্ক্রল করেছি, সবাইকে আমাদের নিয়ে সমালোচনা করতে দেখেছি।
এরা আমাদের নাম বলতে যেটুকু ছিল দুনিয়ায়, তা ডুবিয়ে দিয়ে এসেছে গত কয়েকদিনে। - Revan M
13 571
Repost from Iftekhar Jamil
ছফার 'বাঙালি মুসলমানের মন' : কী ও কেন?
ক) জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক উত্থান পাল্টে দেয় অনেক হিসাব-নিকাশ। বাঙালি জাতিবাদী/বামপন্থীরা অনেকটা হতভম্ব হয়ে যান। ঠিক এই প্রেক্ষাপটেই ছিয়াত্তর সালে আহমদ ছফা বাঙালি মুসলমানের মন প্রবন্ধটা লেখেন। বাঙালি মুসলমানরা কেন জাতিবাদী ধারায় না গিয়ে ধর্মীয়ধারায় ঝুঁকে পড়ল, আহমদ ছফা সে নিয়ে বিরক্ত ও বিব্রত ছিলেন। এই প্রেক্ষাপট দেখে বলা যায়, লেখাটা ছিল প্রতিক্রিয়াশীল ও প্রোপাগান্ডামূলক।
খ) ছফা এই লেখায় ধর্মের সাথে সমাজ-রাজনীতির সম্পর্ক বিষয়ে আলোকপাত করার চেষ্টা করেছেন। এটাই মূলত লেখার মূল থিসিস। তিনি মনে করতেন, বাঙালিরা নির্যাতন থেকে বাঁচতে ধর্মত্যাগ করেন, এই মনন-চৈতন্য থেকেই তারা ইসলামগ্রহণ করেছেন। কিন্তু ইসলাম তাদেরকে মাঝে মাঝে রাজনৈতিকভাবে উত্তেজিত করতে পারলেও সামাজিক-বুদ্ধিবৃত্তিক মুক্তি দিতে পারেনি, নীচুতলার বাঙালি মুসলমানরা থেকে গেছেন ঠিক আগের ‘সামাজিক’-’বুদ্ধিবৃত্তিক’ শ্রেণীতেই। এখানে এসেই ধরতে পারবেন, ছফার থিসিসটা প্রথাগত বাম-জাতিবাদী চিন্তার সিলসিলা।
গ) কেন বাঙালি মুসলমানরা বাম-জাতিবাদী সামাজিক-মনস্তাত্ত্বিক পরিবর্তনকে গ্রহণ করলো না, স্বাগত জানালো না, আহমদ ছফা এই প্রশ্ন না তুলে বলটা ঠেলে দিচ্ছেন বাঙালি মুসলমানের কাঁধেই। তিনি বলতে চাচ্ছেন, দায়টা প্রধানত বাম-জাতিবাদীদের নয় ; এটা মূলত বাঙালি মুসলমানদের সমস্যা। যেহেতু তারা গরীব, পিছিয়ে পড়া মানুষ, তাই তাদের মনন-চিন্তায় কোন উন্নতি ঘটেনি। ছফা আক্ষেপ করেন, ‘এক পা যদি এগিয়ে আসে, তিন পা পিছিয়ে যেতে হয়। মানসিক ভীতিই এই সমাজকে চালিয়ে থাকে। দু-বছরে কিংবা চার বছরে হয়তো এ অবস্থার অবসান ঘটানো যাবে না, কিন্তু বাঙালি মুসলমানের মনের ধরন-ধারণ এবং প্রবণতাগুলো নির্মোহভাবে জানার চেষ্টা করলে এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসার একটা পথ হয়তো পাওয়াও যেতে পারে।’
ঘ) বাঙালি মুসলমানের মন প্রবন্ধের কয়েকটি বিশেষ দিক : * পুথিসাহিত্যকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দিয়েছেন, অথচ এটি ছিল অনেক গৌণ বিষয়। পাশাপাশি বিকল্প পুথিধারাগুলোর কথা এড়িয়ে গেছেন। * ব্রিটিশ আমলে দারিদ্রের প্রেক্ষিতে বাঙালি মুসলমানদের মধ্যে যে মনস্তাত্ত্বিক নীচতা তৈরি হয়েছিল, ছফা একে বাঙালি মুসলমানদের ঐতিহাসিক বৈশিষ্ট্য বলে উল্লেখ করেছেন, যেটি অত্যন্ত হতাশাজনক। * তৎকালীন ধর্মীয় চিন্তা-সংস্কৃতিকে কোনভাবেই গুরুত্বের চোখে দেখেননি ; আশরাফ বা উর্দুভাষী সংস্কৃতি বলে চালিয়ে দিয়েছেন। * আরবে ইসলাম উন্নত সভ্যতার জন্ম দিয়েছে, পাশাপাশি পুথিসাহিত্যে ইসলামের অনেক বিকৃতি ঘটেছে। ছফা অবশ্য এই দুটি বিষয়ের স্বীকৃতি দিয়েছেন।
13 571
Repost from Society - Uncensored
CNN হয়তো এই দৃশ্যটি আপনাকে দেখাবে না। এক ইসরায়েলি settler বন্দুক তাক করে ফিলিস্তিনি কৃষককে বলছে— "এই জমি এখন আমার। বের হয়ে যাও। আর কখনও ফিরে এসো না।"
যে কৃষকের পরিবার প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে সেই জমিতে চাষ করেছে, তাকে উচ্ছেদ করা হচ্ছে। আর যে ব্যক্তি তাকে তাড়িয়ে দিচ্ছে, তিনি পূর্ব ইউরোপ থেকে এসে বসতি স্থাপন করেছেন..
13 571
Sharif Muhammad (Facebook)
আমেরিকার রাজনীতিতে প্রভাব পড়তে শুরু করেছে।
হিংস্রাবিলকে টাকা-পয়সা ও অস্ত্রের যোগান দিতে এখন তারা ভয় পায়। জনমত ঘুরছে, ট্যাক্সদাতাদের মনোভাবের বাইরে গিয়ে বেশিদিন সে দেশে রাজনীতি করা যাবে না।
হিংস্রাবিলকে সমর্থন দিতে তাই ডেমোক্রেটরা ভয় পাচ্ছে।...
.
