ch
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

前往频道在 Telegram

显示更多
未指定国家未指定类别
1 099
订阅者
无数据24 小时
+227
+2630
帖子存档
খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ
খোঁজ নেওয়ার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ

সবারই এমন লাগে। আবার ওখানে যাওয়ার পাথেয়র কথা চিন্তা করলেই...
সবারই এমন লাগে। আবার ওখানে যাওয়ার পাথেয়র কথা চিন্তা করলেই...

হ্যাঁ, শীঘ্রই...
হ্যাঁ, শীঘ্রই...

এসব বিষয় আর বিয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে মুরুব্বীদের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম। কারণ, তাদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান অনেক সমৃদ্ধ। আমার পরামর্শ হলো,
এসব বিষয় আর বিয়ে সংক্রান্ত বিষয়ে মুরুব্বীদের পরামর্শ নেওয়াই উত্তম। কারণ, তাদের অভিজ্ঞতা, জ্ঞান অনেক সমৃদ্ধ। আমার পরামর্শ হলো, এই বিষয়ে আপনারা আলকাউসার ত্রৈমাসিক নারী সংখ্যায় পরামর্শ চেয়ে ইমেইল করতে পারেন। আবদুল মালেক সাহেবের বড় ভাই সেখানে খুব সুন্দর ও উপযোগী পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

মাকতাবাতুল হাসান থেকে অনূদিত সবগুলোই পড়তে পারেন।
মাকতাবাতুল হাসান থেকে অনূদিত সবগুলোই পড়তে পারেন।

মুমিনের ব্যাপারে সুধারণা রাখা ভালো। কিন্তু এত সুধারণা.... আল্লাহ যেন আপনাদের সুধারণা অনুযায়ী আমাকে জীবন গড়ার তাওফীক দেন। [আমি
মুমিনের ব্যাপারে সুধারণা রাখা ভালো। কিন্তু এত সুধারণা.... আল্লাহ যেন আপনাদের সুধারণা অনুযায়ী আমাকে জীবন গড়ার তাওফীক দেন। [আমি তো জানি আমি আসলে কেমন...]

বেশ ভালো লেগেছিল বইটা।
বেশ ভালো লেগেছিল বইটা।

একসময় জীবন ছিল বড়ই সরল। ভোরে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে রাতে বিছানায় শুয়ে পড়া পর্যন্ত সর্বত্রই ছিল পর্যাপ্ত প্যাডিং আর মার্জিন। স্বস্তির শ্বাস নেওয়ার মতো যত্রতত্র পড়ে ছিল সুপরিসর অবসর। ফজরের সালাতের পর, স্কুলে যাওয়ার পথে, ক্লাসের ফাঁকে, জোহরের পরে, মাগরিবের আগে, খেলার মাঠে, রাতের খাবার পের... সেই চিত্র পুরোটাই যেন বদলে গেল সময়ের আবর্তনে। কোথাও কোনো মার্জিন নেই। ভোরের জাগরণ থেকে রাতের শয়ন: কী এক অদ্ভুত জীবন-প্রবাহ, ব্যস্ততার কী এক সুদীর্ঘ বিস্তার। সারি সারি কাজ যেন যুদ্ধবিধ্বস্ত জনপদে ত্রাণের লাইনে দাঁড়িয়ে আছে অগণিত ক্ষুধার্ত বনি আদম। সুদীর্ঘ এই সারি যেন ফুরোতেই চায় না। কতবার নিয়ত করি, দিন-রাতের আনাচে-কানাচে কাজের ভাঁজে ভাঁজে তিলাওয়াত আর আজকারের চাষ করব। কিন্তু তাও আর হয়ে উঠছে কই... © Amimul Ehsan [আহা! আমার কথাগুলোই যেন বলল... ] [আব্বা তো দীর্ঘ ৮০ বছরের জীবন পরিবারের বোঝা বয়ে গেলেন। আমরা ২/৫ বছরের দায়িত্বেই নাজেহাল! উনি কীভাবে এতটা দিন, এত এত ভাইবোনের বোঝা বহন করলেন?! সব বাবারা কীভাবে এই বোঝা বহন করেন?! এসব ভাবলেই মাথা আউলায়া যায়।]

বিয়ের উপকারিতা দুটো: ১. মানুষের বংশ পরম্পরা অব্যাহত রাখা। এটিই প্রধান উদ্দেশ্য। ২. শরীরের মাঝে সৃষ্ট হওয়া সেই পদার্থকে বিদূরিত করা, যা আটকে রাখলে শরীরের কষ্ট বাড়ে। এই যে একটি পদ্ধতি- যারা বুঝবান, তারা মূল উদ্দেশ্যটি বুঝতে পারেন। কিন্তু যারা মূর্খ, তারা শুধু এর স্বাদ ও লাজ্জত উপভোগ করে। প্রবৃত্তি তাড়িত হয়ে চলতে থাকে। এগুলোর আসল উদ্দেশ্য বোঝে না। তারা তাদের দীর্ঘ দীর্ঘ সময় এমন কাজে ব্যয় করে, যার মধ্যে কোনো উপকারিতা নেই। তাদেরকে যে উদ্দেশ্যে সৃষ্টি করা হয়েছে, সেগুলোই যেন তারা বোঝে না। জানে না। জানতে চায় না। তাদের প্রবৃত্তি এভাবে তাদের সম্পদ, লক্ষ্য ও দ্বীনকে নষ্টের দিকে নিয়ে যায়। অতঃপর এক সময় ধ্বংসের গহ্বরে গিয়ে নিক্ষিপ্ত হয়। এমন আরও বহু মানুষকে দেখেছি, যারা নতুন নতুন নারীর দিকে ধাবিত হয়, নিজের প্রবৃত্তির নতুন চাহিদা মেটাতে। কিংবা কেউ তার প্রতাপিত যৌ*ন চাহিদা মেটাতে গিয়ে অতি স*হবা*সের কারণে নিজেও ধ্বংস হয় এবং স্ত্রীকেও ধ্বংস করে ছাড়ে। এগুলো ঘটে একেবারে বুঝ-বুদ্ধি না থাকার কারণে। কিন্তু মানুষের এই যে খাদ্য গ্রহণ এবং তার মাঝের এই যে শাহওয়াত বা যৌ*ন চাহিদা- এগুলো কিসের জন্য? এগুলো প্রদত্ত হয়েছে দুনিয়ার এই সফর পাড়ি দেওয়ার সময় শরীরের সুস্থতার জন্য। এগুলো আসলে মজা বা স্ফূর্তির জন্য সৃষ্টি করা হয়নি। যতটুকু মজা বা শান্তি অর্জিত হয়, অনুভূত হয়—এগুলো মূলত একটি কৌশলের মতো। এর আকর্ষণেই মানুষ খাদ্য গ্রহণ করে—যাতে শরীর ঠিক থাকে। মানুষ স*হবা*স করে—যাতে বংশ পদ্ধতি ঠিক থাকে। খাদ্যের স্বাদ বা স*হবা*সের মজা এখানে কিছুতেই মূল উদ্দেশ্য নয়। নতুবা শুধু যদি এই স্বাদ ও মজাই উদ্দেশ্য হতো, তবে তো মানুষের চেয়ে পশু-প্রাণীই এগুলোর ক্ষেত্রে অধিক উপযুক্ত। চিন্তাহীনভাবে এগুলোই তারা বেশি আস্বাদন করতে সক্ষম। কিন্তু মানুষ...? সৌভাগ্যবান সেই ব্যক্তি, যিনি নিজেকে সৃষ্টির মূল উদ্দেশ্যগুলো, আসল বাস্তবতাগুলো বুঝতে পারেন। প্রবৃত্তির ডাকে অন্ধ উন্মাতাল হয়ে পড়েন না। . বই : হৃদয়ের দিনলিপি লেখক : ইমাম ইবনুল জাওযি রহ.

বহু মানুষ তাবলীগে গিয়ে তিন চিল্লা দিয়ে জুব্বা, পাগরী, সুরমা, বাবরীর সাথে বড়বড় দাড়ি— সেই জজবা নিয়ে ফিরে আসে। কিন্তু কয়েকমাসের মধ্যে দাড়ি চুল কাটছাট হতে শুরু করে, জুব্বার বদলে পাঞ্জাবী, পাগরী থেকে টুপি। ফজরের জামাত মিস। কিছুদিন পরে চুলদাড়ি কিছুই নাই, টিশার্ট আর জিন্স, জুমআর দিন ছাড়া মসজিদে আর দেখা মেলেনা। এমন অসংখ্য উদাহরণ আছে আমাদের চারপাশে। কিন্তু কেন এমন হয়? কী কারণ? মূল কারণ একটাই, সোহবতের অভাব। মানে আল্লাহওয়ালাদের সাহচর্যের অভাব। দ্বীনের বুজ আসার পরে এলাকার দু-একজন দ্বীনদার মানুষ খুঁজে নিতে হয়। প্রতিদিন এমন মানুষদের সাথে কিছুটা সময় কাটানো, কথা বলা, আড্ডা দেওয়া, চা খাওয়া — ব্যস এইটুকুই। পাশাপাশি পুরানো সার্কেলের দ্বীন বিমুখ গাফেল মানুষদের সঙ্গ এড়িয়ে চলা, মন থেকে গ্রহণ না করা। অনেকেই জিজ্ঞেস করেন, কিভাবে কী করলে হিদায়াত পাওয়া যেতে পারে? সবাইকে উপরোক্ত গ্রহণ আর বর্জনের নীতি বুঝিয়ে দেই। সোহবত এমনই এক দামী জিনিসের নাম। রাসূলের সোহবত যারা পেয়েছেন, তারা সাহাবী হয়ে গেছেন। সাহাবীদের সোহবত যারা পেয়েছেন, তারা তাবেঈ হয়ে গেছেন। বিষয়টা এইরকম.. সোহবতের কারণেই নামাজ রোজা হজ্জ জাকাতের সুযোগ না পেয়েও অনেকে সাহাবীর মর্যাদা পেয়েছেন, আর ঐ সোহবতের অভাবে লক্ষ কোটি আমল ইবাদত করেও সাহাবী হওয়া সম্ভব হয়নি, হবেনা। নবীর ওয়ারিশগণের সোহবতে থাকুন, বেঁচে যাবেন। © মাঈদুল ইসলাম শুভ

অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর আমাদের সিলেট।
অপরূপ সৌন্দর্যে ভরপুর আমাদের সিলেট।