ch
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

前往频道在 Telegram

显示更多
未指定国家未指定类别
1 099
订阅者
无数据24 小时
+237
+2630
帖子存档
এদিক-সেদিক ছোটাছুটি না করে কুরআনকে যথার্থভাবে আঁকড়ে ধরো। কারণ, কুরআন হচ্ছে আমাদের জন্য পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ নিয়ামত। সান্ত্বনা ও স্বস্তি লাভের একমাত্র স্থান। যে এর ওপর আমল করবে তার সামনে উন্মুক্ত হয়ে যাবে পৃথিবীর সব ধরনের জ্ঞানভান্ডার। তাকে অবহিত করা হবে শ্রেষ্ঠ উম্মত বলে। যাদের উদ্দেশ্য মানুষকে অসৎপথ থেকে সৎপথে নিয়ে আসা। [কুরআন অনুধাবন : পদ্ধতি ও সতর্কতা, ১৪৬]

মাসলামা ইবনে আবদুল মালেক (৬৬হি. ১২১ হি.) এক যুদ্ধে একবার একটা দুর্গ ঘেরাও করলেন। দুর্গের দেয়ালে একটা ছিদ্র ছিল। ওই ছিদ্র দিয়ে ঢুকে কেউ যদি দরজা খুলে দিতে পারে তাহলে দুর্গটি জয় হয়ে যায়। তিনি উপস্থিত সৈন্যদেরকে জিজ্ঞেস করলেন, কে আছ এই ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করে ফটকের দরজা খুলে দিবে? কেউ দাঁড়াল না। তারপর অপরিচিত এক সৈন্য এসে ছিদ্র দিয়ে প্রবেশ করে দরজা খুলে দিল। এবং দুর্গটি বিজিত হলো। বিজয়ের পর মাসলামা ঘোষণা দিলেন, ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবকটি কোথায়? কেউ এল না। তিনি রক্ষীকে নির্দেশ দিলেন, যখন যুবকটি আসে তাকে যেন অবশ্যই তার সামনে উপস্থিত করে। কিছুক্ষণ পর রক্ষীর নিকট এক লোক এসে বলল, আমি কি আমীরের সাক্ষাৎ পেতে পারি? রক্ষী জিজ্ঞেস করল, তুমি কি সেই ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবক? লোকটি বলল, আমি তোমাদেরকে সেই যুবক সম্পর্কে সংবাদ জানাতে পারি। রক্ষী তাকে মাসলামার সামনে নিয়ে গেল। মাসলামা জিজ্ঞেস করলেন, তুমি কি সেই ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবক? লোকটি বলল, ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবক তিন শর্তে তোমাদের সামনে আসতে রাজি হয়েছেন : এক. তার নাম লেখা যাবে না। দুই. তাকে কোনো পুরস্কার দেওয়া যাবে না। তিন. তার বংশ-পরিচয় জানতে চাইবে না। মাসলামা তিন শর্ত মেনে নিলে যুবকটি বলল, হ্যাঁ, আমিই সেই ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবক। এরপর থেকে মাসলামা প্রত্যেক নামাযের পর এই বলে দোয়া করতেন, হে আল্লাহ, আমাকে ওই ছিদ্র দিয়ে প্রবেশকারী যুবকের সাথে রেখো। [তালেবে ইলমের জীবন গড়ার পাথেয় : ১৩-১৪]

আমরা এখন আর আমাদের দীন জানার চেষ্টা করি না, আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কথা ভাবি না এবং এই বিস্ময়কর পৃথিবী নিয়ে চিন্তা করার মত
আমরা এখন আর আমাদের দীন জানার চেষ্টা করি না, আমাদের সৃষ্টিকর্তা আল্লাহর কথা ভাবি না এবং এই বিস্ময়কর পৃথিবী নিয়ে চিন্তা করার মতো সামান্য সময়ও রাখি না। আমরা এতটা ব্যস্ত থাকি, এতটা গিলতে থাকি অনুভূতি বা তথ্যের ভান্ডার, যার বেশিরভাগই আমাদের কোনো উপকারে আসে না! ফলে আমাদের চিন্তার জগৎ ক্রমেই সংকীর্ণ হয়ে পড়ছে। আপনি এসব বিভ্রান্তির উৎসগুলো থেকে নিজেকে সরিয়ে নিন। যা সত্যিই প্রয়োজনীয় ও উপকারী, তার জন্য আপনার মস্তিষ্ক ও হৃদয়ে স্থান তৈরি করুন। আমরা কোনো কম্পিউটার না, যার মেমোরি বা প্রসেসর আপগ্রেড করা যায়। আমাদের মস্তিষ্কের একটা সীমা আছে, সেই সীমার মধ্যে কী রাখব, সেটা বেছে নেওয়ার দায়িত্বটা একান্তই আমাদের। আপনি জীবনের একটি স্পষ্ট পরিকল্পনা সাজান। আপনি কী হতে চান? কোন পথে হাঁটতে চান? আপনার হয়তো সময় কম, তবুও তাড়াহুড়ো করবেন না। শান্তভাবে ভাবুন, কোন তথ্য ও কোন বিষয় আপনার প্রয়োজনীয় ও উপকারী। সিদ্ধান্ত নিন, ঠিক কোন মানুষদের কথা আপনি শুনবেন। এই বিশ্ব এক বিশাল গ্রন্থ, যার প্রতিটা পাতায় কিছু না কিছু শেখার আছে, কিন্তু সব একসাথে পড়া যায় না। [ডোপামিন : ১১৬]

এটাই ফাইনাল কি না জানি না। আমার ভালোই লাগছে। বইটাও দারুণ। তানযীল ভাইয়ের এসব কাজ দারুণ। আমি চাইব তিনি যেন তাবলীগওয়ালাদের মালফু
এটাই ফাইনাল কি না জানি না। আমার ভালোই লাগছে। বইটাও দারুণ। তানযীল ভাইয়ের এসব কাজ দারুণ। আমি চাইব তিনি যেন তাবলীগওয়ালাদের মালফুয ও বয়ান নিয়ে আরও কাজ করেন। উমেদ/দারুল ফিকর থেকে আসবে। আসামাত্রই সংগ্রহ করে নিয়েন।

ছবিগুলো দারুণ লাগে। আপনার সংগ্রহে যদি সুন্দর সুন্দর ছবি থাকে, তাহলে শেয়ার করতে পারেন আমার সাথে।
+2
ছবিগুলো দারুণ লাগে। আপনার সংগ্রহে যদি সুন্দর সুন্দর ছবি থাকে, তাহলে শেয়ার করতে পারেন আমার সাথে।

নেক কাজের তাওফীক না হওয়া, সিদ্ধান্ত ভুল হওয়া, সত্য বিষয় অস্পষ্ট থাকা এবং অন্তরের বিনষ্টতা, যিকিরে শিথিলতা, সময়ের অপচয়, সৃষ্টিজীবের ঘৃণা, বান্দা ও তার প্রভুর মধ্যকার দূরত্ব, দুআ কবুল না হওয়া, অন্তর রূঢ় হওয়া, জীবন ও জীবিকার মাঝে বরকত না থাকা, ইলম থেকে মাহরুমী, লাঞ্ছনা ও শত্রুকর্তৃক অপদস্থতা অন্তরের সংকোচন, অন্তরকে বিনষ্ট করে ও সময়কে অপচয় করে এধরনের মন্দ সঙ্গীর পাল্লায় পতিত হওয়া, দীর্ঘ অস্থিরতা ও পেরেশানী, জীবনযাপনের সংকীর্ণতা, অন্তরের বিষণ্ণতা... এসব কিছু জন্ম লাভ করে গুনাহ ও আল্লাহর স্মরণ থেকে উদাসীনতার ফলে। যেভাবে ফসল জন্ম লাভ করে পানি থেকে এবং অগ্নিকাণ্ড সংঘটিত হয় আগুন থেকে। [মাওয়ায়েযে ইমাম ইবনুল কায়্যিম রহ. : ৩০-৩১]

যাইদ ইবনু আসলাম রাহিমাহুল্লাহ বর্ণনা করেন : এক লোক আলিমদের কাছে ঘুরে ঘুরে বলছিল, 'কে আমাকে এমন আমল বলে দেবেন যা আমি সবসময় করতে পারব? কারণ, আমি দিন-রাতের প্রতিটি মুহূর্ত আল্লাহর জন্য কাজ করে যেতে চাই।' তাকে উত্তর দেওয়া হলো, 'তোমার প্রয়োজন পূর্ণ করছি। তুমি যতটুকু পারো ভালো কাজ করতে থাকো। যখন ক্লান্ত হয়ে যাবে বা কাজ ছেড়ে দেবে তখন ভালো কাজের ইচ্ছে পোষণ করবে। কেননা, ভালো কাজের ইচ্ছে পোষণকারী ওই ব্যক্তির মতো, যে ভালো কাজ করে।' ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল রাহিমাহুল্লাহর ছেলে আব্দুল্লাহ তার বাবার কাছে বলেছিলেন, 'বাবা, আমাকে উপদেশ দিন।' জবাবে তিনি বললেন, 'ছেলে আমার, তুমি ভালো কাজের ইচ্ছে পোষণ করবে। মনে রেখো, যতদিন তুমি ভালো কাজের ইচ্ছে পোষণ করবে ততদিন তুমি ভালোই আছ।' [জীবন পথে সফল হতে : ১৩০]

ইসলামিয়া কুতুবখানা
ইসলামিয়া কুতুবখানা

জীবনের অংক কারোরই মিলে না। আল্লাহ কেন এমনটা করেন, আল্লাহই ভালো জানেন। তবে আল্লাহ যা-ই করেন, আমাদের ভালোর জন্যই করেন। মানুষের
জীবনের অংক কারোরই মিলে না। আল্লাহ কেন এমনটা করেন, আল্লাহই ভালো জানেন। তবে আল্লাহ যা-ই করেন, আমাদের ভালোর জন্যই করেন। মানুষের অনেক দিক, অনেক কিছু নিয়ে মাঝেমধ্যে ভাবি, কোনোকিছুরই হিসাবের কূল পাই না। আল্লাহ আপনার সংসারজীবনকে সুখময় করে দিন।

আপা, একটা মহৎ উদ্দেশ্য নিয়ে আপনার কাছে এসেছি। আপনার মেয়েটাকে আমাদের বড় পছন্দ হয়েছে। -আমাদের মেয়েকে কোথায় দেখেছেন, সে তো খাস পর্দা করে? -জি, আপা আপনার মেয়ে খাস পর্দা করে সেটা আমরা জানি। তার ছবিটা আমরা অনলাইনে পেয়েছি। -অনলাইনে? অসম্ভব। আমাদের মেয়ের কোনো ছবি অনলাইনে নেই। -জি, আপু, আপনার কথা সত্য। তার পুরো ছবি অনলাইনে নেই। -তাহলে কোথায় পেয়েছেন? -আমরা ফেসবুক থেকে তার মেহেদীরাঙা ডানহাতের ছবি নিয়েছি। ওয়াটসএ্যাপ থেকে তার চেহারার একাংশের ছবি, ইনস্টাগ্রাম থেকে আরেকাংশের ছবি নিয়েছি। স্ন্যাপশট থেকে বামহাতের ছবি নিয়েছি। টুইটারে তার দীঘল কালো চুলের ছবি পেয়েছি। আলতা ও ঘুঙুর পরা পায়ের ছবি পেয়েছি ইমোতে। পাজলের মতো বিচ্ছিন্ন অংশগুলো জোড়া লাগিয়ে পুরো ছবিটা পেয়েছি। মা শা আল্লাহ, আপনার মেয়েটা অনেক সুন্দর, লাজুক আর ‘পর্দানশীন’। আল্লাহ তাআলা তাকে আরো পর্দানশীন বানিয়ে দিন। © আতীক উল্লাহ [এই মানুষটা আবার অনলাইনে একটিভ হোক—খুব করে চাইতাম। দাওয়াতি, হাসিমজাক, নিত্যনতুন শিক্ষণীয় লেখায় আবার ফেইসবুক জমে উঠুক—এটাই কামনা।]

প্রথমে একটা সুসংবাদ দিয়ে দেই। কে জানি আকাবির-কথন নামে একটা ওয়েবসাইট করে ফেলছে আকাবির-কথনের লেখা সংরক্ষণের জন্য! আল্লাহ তায়ালা
প্রথমে একটা সুসংবাদ দিয়ে দেই। কে জানি আকাবির-কথন নামে একটা ওয়েবসাইট করে ফেলছে আকাবির-কথনের লেখা সংরক্ষণের জন্য! আল্লাহ তায়ালা তাকে উত্তম বিনিময় দান করুন। চতুর্দিকে যখন ফুটবল নিয়ে চলছে মাতামাতি, তখন ছেলেমেয়েদের আবারও বইয়ের টেবিলে নিয়ে যেতে মাকতাবাতুল হাসান দিচ্ছে বিভিন্ন বইয়ের উপর বিশাল ডিসকাউন্ট! (ডিসকাউন্ট দেখতে তাদের পেজ থেকে ঘুরে আসতে পারেন) যাকগে, এখানে মাকতাবাতুল হাসানের একগুচ্ছ নির্বাচিত আছে। এখান থেকে আপনি কয়টা পড়েছেন? কয়টা বই আপনার সংগ্রহে আছে?

স্মার্টফোন, আরও সুনির্দিষ্ট করে বললে স্যোশাল মিডিয়া মানুষকে কর্মহীন স্বপ্নবিলাসী বানিয়ে দিয়েছে। এখানে বাকপটুতা পরিশ্রমের ওপর প্রাধান্য পেয়েছে। নিজের কাজের প্রতি উদাসীনতা ও অন্যের কাজের ওপর সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম সমালোচনার প্রবণতা এখানে প্রসার পেয়েছে। এই ব্যাধি আমাদের ভেতরে ভেতরে অচল করে দিচ্ছে। যুবকদের যেকোনো বাস্তব দুর্যোগ মোকাবিলা করার সক্ষমতা ধীরে ধীরে শেষ হয়ে যাচ্ছে। অলস স্কুলিং; নিজের প্রতি সুধারণা; নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ, আকর্ষণীয় আর চমৎকার করে উপস্থাপনের প্রবণতা কেবলই বাড়ছে। এমন মানুষ হয়তো খুঁজে পাওয়া যাবে না, যে ইন্টারনেটের কারণে কিছু-না-কিছু দ্বীনী ক্ষতির সম্মুখীন হয়নি। কারণ, এটা অনিয়ন্ত্রিত পরিবেশ। এখানে ব্যবহারকারীর হাতের বাইরে অনেক কিছু হতে পারে। সে না চাইলেও অনেক কিছু দেখতে বাধ্য হতে পারে। এমন অনেক কন্টেন্ট তার কাছে আসতে পারে, যা তাকে চুম্বকের মতো টেনে নিয়ে যাবে গুনাহের কাছে; অন্তত বেহুদা ব্যস্ততায় তো লিপ্ত করবেই। ফেসবুকে এমন ভূরি ভূরি মানুষ আছেন, যারা বারেবার সিদ্ধান্ত নেন, এখান থেকে দূরে সরে যাবেন। কিন্তু এ যে এক চক্র; যেখানে বারেবার ফিরে আসে আসক্ত মানুষেরা। যেন এ থেকে মুক্তি নেই। মরণ-চক্র। ঘুরে ঘুরে ফিরে আসাই এর নিয়তি। [কল্পিত কারাবাস : ৩৬]