ar
Feedback
The Globe Squad (BD)

The Globe Squad (BD)

الذهاب إلى القناة على Telegram

কোরআন, হাদিস, সালাফদের মতামত এবং আধুনিক বিজ্ঞানের আলোকে নব্য ফিতনাবাজ ও তাকফিরী সমতলবাদী, মহাকাশ বিজ্ঞান অস্বীকারকারী এবং কন্সপাইরেসি থিওরিষ্টদের মূর্খতা খন্ডন করা আমাদের মূল উদ্দেশ্য।

إظهار المزيد
644
المشتركون
+124 ساعات
+67 أيام
+5230 أيام
أرشيف المشاركات
বাটপার সমতলকামী’র কাটছাট জালিয়াতির সংক্ষিপ্ত জবাব। রাফীউদ্দীন আদ-দেহলভী (মৃ. ১২৩৩ হি.) রাহিমাহুল্লাহ’র সম্পূর্ণ বক্তব্য হল: আ
বাটপার সমতলকামী’র কাটছাট জালিয়াতির সংক্ষিপ্ত জবাব।
রাফীউদ্দীন আদ-দেহলভী (মৃ. ১২৩৩ হি.) রাহিমাহুল্লাহ’র সম্পূর্ণ বক্তব্য হল:
আহলুস শরীয়াহ (শরীয়তের অনুসারীগন) মহান আল্লাহর বাণী, যেমন: 'তিনি পৃথিবীকে বিছানা করেছেন' (الْأَرْضَ فِرَاشًا - আল আর্দ্বা ফিরাশা), 'তিনি একে বিস্তৃত করেছেন' (دَحَاهَا - দাহাহা), এবং 'একে সমতল করা হয়েছে' (سُطِحَتْ - সুতিহাত)—ইত্যাদি থেকে বোঝেন যে পৃথিবী একটি সমতল পৃষ্ঠ। অন্যদিকে, প্রজ্ঞাবান পণ্ডিত ও দার্শনিকগণ সঠিক প্রমাণের মাধ্যমে পৃথিবীর গোলাকারত্ব প্রমাণ করেন; ফলে বাহ্যিকভাবে একটি মতবিরোধ রয়েছে বলে মনে হয়। ​তবে এই বিরোধের নিরসন এভাবে করা হয় যে, প্রতিটি অঞ্চলে পৃথিবীর যতটুকু অংশ মানুষের অনুভবের আওতায় বা দৃষ্টিগোচর হয়, তা সমতল পৃষ্ঠের মতোই। কারণ, কোনো গোলক যত বিশাল হয়, তার পরিধির অংশগুলোর বক্রতা ততই কম বা অদৃশ্য মনে হয়। সুতরাং, ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য অনুভূতির বিচারে পৃথিবীর অংশবিশেষ 'সমতল', আর বুদ্ধি ও যুক্তির বিচারে সামগ্রিকভাবে তা 'গোলাকার'। [সিদ্দিক হাসান খান রাহিমাহুল্লাহ স্বীয় তাফসীরে তার থেকে বর্ণনা করেছেন; ফাতহুল বায়ান ফি মাকাসিদিল কুরআন, ১৫/২০৮] https://shamela.ws/book/37458/11570

পৃথিবীর বক্রতা অনুসরণ করতে বিমানের সামনের অংশ নিচু (Nose Down) করতে হবে ‘এই ভ্রান্ত ধারণার জবাব: সমতলকামীরা একটি প্রশ্ন উত্থাপন করে থাকে যে, “পৃথিবী যদি গোলাকার হয়, তাহলে পাইলটকে কেন সবসময় বিমানের সামনের অংশ নিচু করতে হয় না?” এর জবাব হলো, বিমানকে এমন একটি ট্রেনের সঙ্গে তুলনা করা যায়, যা দুটি রেললাইনের ওপর দিয়ে চলে। ট্রেন যেমন রেলপথ অনুসরণ করে এবং গাড়ির মতো তার চালকের স্টিয়ারিং হুইলের প্রয়োজন হয় না, তেমনি বিমানও বায়ুমণ্ডলকে অনুসরণ করে। বিমান তার ইঞ্জিনের মাধ্যমে উৎপন্ন উত্তোলন শক্তি (Lift)-এর ওপর নির্ভরশীল। বিমানের উচ্চতা কমানো বা বাড়ানোর প্রয়োজন হলে, সে উদ্দেশ্যে ইঞ্জিনের ঘূর্ণনের গতি পরিবর্তন করা হয়। আর যদি বিমান একটি নির্দিষ্ট গতিতে চলতে থাকে, তাহলে সেটি একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা বজায় রাখবে। অতএব, তার নিচের পৃথিবীর পৃষ্ঠ যদি সরল হয়, তাহলে তার গতিপথ সরল হবে; আর পৃথিবীর পৃষ্ঠ যদি গোলাকার হয়, তাহলে তার গতিপথও গোলাকার হবে। ঠিক যেমন ট্রেনের চাকা রেললাইনের তুলনায় একটি নির্দিষ্ট সমতলতা বজায় রাখে। একই বিষয় জাহাজ বা নৌকার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। জাহাজ সমুদ্রের তুলনায় তার গতিপথ বজায় রাখে। সুতরাং পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির কারণে সমুদ্রের পৃষ্ঠ যদি বাঁকানো হয়, তাহলে জাহাজের গতিপথও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাঁকবে। কারণ, প্লবন শক্তি (Buoyant force) এবং ওজনের শক্তি (Weight force)-এর ভারসাম্য জাহাজকে পানির পৃষ্ঠের ওপর একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় রাখে। একইভাবে, বিমানের ওপর বায়ুর উত্তোলন শক্তি এবং তার ওজনের মধ্যে ভারসাম্য থাকার কারণে বিমান পুরো সময় একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা বজায় রাখে। আর যদি কোনো নাবিক সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তার জাহাজকে আরও ওপরে তুলে নিতে চান, তাহলে তিনি তা করতে পারবেন না। কারণ, তখন ওজনের শক্তি প্লবন শক্তির চেয়ে বেশি হয়ে যাবে। প্লবন শক্তি নির্ভর করে জাহাজের পানির সংস্পর্শে থাকা অংশ এবং জাহাজের মোট আয়তন ও মোট ভরের মধ্যকার অনুপাতের ওপর। একইভাবে, কোনো পাইলট যদি বিমানকে বায়ুমণ্ডল থেকে অত্যন্ত উচ্চ উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান, তাহলেও উত্তোলন শক্তি তা সম্ভব করতে পারবে না। কারণ, উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায়। ফলে উচ্চতর স্তরে উত্তোলন শক্তি কমে যাবে এবং ওজনের শক্তি উত্তোলন শক্তিকে অতিক্রম করবে। তখন বিমান নিচে নেমে আসবে। অতএব, বিমান তার জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ উচ্চতার সীমা অতিক্রম করতে পারে না। পাইলটদের বক্তব্য অনুযায়ী: যদি দীর্ঘ যাত্রার সময় বিমানের সামনের অংশের এই ঊর্ধ্বমুখী ঝোঁক পরিবর্তন না করা হয়, তাহলেও বিমান তার উচ্চতা বজায় রাখবে। সুতরাং বিমানের সামনের অংশের ঝোঁকের পরিবর্তনের সঙ্গে তার গতিপথ সরল না বক্র—এই বিষয়টির কোনো সম্পর্ক নেই। এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো অবতরণের সময় বিমানের সামনের অংশের উচ্চতা পরিবর্তন। অনতরণের সময় বিমান Nose Down করেনা, বরং উচ্চতার পরিবর্তন করে। (আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞানী) ◾ সমতলকামীরা এমন অনেক ভিডিও প্রচার করে, যেগুলোতে কিছু পাইলট নাকি পৃথিবীকে ফ্লাট বলেছেন। বাস্তবতা হল: কোন পাইলটই পৃথিবীকে ফ্লাট বলেনা। সমতলকামীরা যেসব ভিডিও প্রচার করে, সেগুলো প্রত্যেকটাই কাটছাট করে প্রসঙ্গ বিকৃত করা ভিডিও। যাত্রীরা অনেকসময় কৌতুহলবসত পাইলটদের জিজ্ঞেস করে যে, “পৃথিবী সমতল নাকি গোলাকার”। তখন পাইলটরা মজা করে বলে যে, “হ্যা! সমতল।” এই কথা শুনে যাত্রীরা অবাক হলে তখন পাইলটরা আসল সত্যটা তুলে ধরেন (অর্থাৎ পৃথিবী গোলাকার।) সমতলকামীরা এইসব ভিডিওর পাইলটদের (মজা করে) ’সমতল’ বলা অংশটুকু কেটে নিজেদের পক্ষে প্রমান হিসাবে প্রচার করে। এমন একটি ভিডিও নিচের লিংকে দেখুন। পাইলট প্রথমে মজা করে ‘সমতল’ বলেছে, অতঃপর মূল সত্যটা খোলাসা করেছে— যাত্রী: এই পৃথিবীর আকৃতি কেমন? পাইলট: (মজা করে) সমতল! তবে আমাদের এটা গোপন রাখার কথা। আপনি কি জানতেন যে কলম্বাসের আসলে ৪টি জাহাজ ছিল? যাত্রী: না। পাইলট: তার কাছে ছিল 'নিনিয়া' (Niña), 'পিন্টা' (Pinta), 'সান্তা মারিয়া' (Santa Maria), আর একটা ছিল যেটা পৃথিবীর প্রান্ত থেকে নিচে পড়ে গিয়েছিল। 😀 যাত্রী: এটা সত্যি সত্যি তো সমতল না, তাই তো? পাইলট: শুধু মাঝখানের অংশটা। যাত্রী: মাঝখানের অংশটা? পাইলট: হ্যাঁ, মাঝখানটা সমতল। যাত্রী: মাঝখান বলতে কী বোঝাচ্ছেন? পাইলট: মাঝখানটা সমতল। যেমন ধরুন এখন আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, এই জায়গাটা সমতল। https://t.me/globeearthbd/2893

+1

+1

পৃথিবীর বক্রতা অনুসরণ করতে বিমানের সামনের অংশ নিচু (Nose Down) করতে হবে ‘এই ভ্রান্ত ধারণার জবাব: সমতলকামীরা একটি প্রশ্ন উত্থাপন করে থাকে যে, “পৃথিবী যদি গোলাকার হয়, তাহলে পাইলটকে কেন সবসময় বিমানের সামনের অংশ নিচু করতে হয় না?” এর জবাব হলো, বিমানকে এমন একটি ট্রেনের সঙ্গে তুলনা করা যায়, যা দুটি রেললাইনের ওপর দিয়ে চলে। ট্রেন যেমন রেলপথ অনুসরণ করে এবং গাড়ির মতো তার চালকের স্টিয়ারিং হুইলের প্রয়োজন হয় না, তেমনি বিমানও বায়ুমণ্ডলকে অনুসরণ করে। বিমান তার ইঞ্জিনের মাধ্যমে উৎপন্ন উত্তোলন শক্তি (Lift)-এর ওপর নির্ভরশীল। বিমানের উচ্চতা কমানো বা বাড়ানোর প্রয়োজন হলে, সে উদ্দেশ্যে ইঞ্জিনের ঘূর্ণনের গতি পরিবর্তন করা হয়। আর যদি বিমান একটি নির্দিষ্ট গতিতে চলতে থাকে, তাহলে সেটি একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা বজায় রাখবে। অতএব, তার নিচের পৃথিবীর পৃষ্ঠ যদি সরল হয়, তাহলে তার গতিপথ সরল হবে; আর পৃথিবীর পৃষ্ঠ যদি গোলাকার হয়, তাহলে তার গতিপথও গোলাকার হবে। ঠিক যেমন ট্রেনের চাকা রেললাইনের তুলনায় একটি নির্দিষ্ট সমতলতা বজায় রাখে। একই বিষয় জাহাজ বা নৌকার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। জাহাজ সমুদ্রের তুলনায় তার গতিপথ বজায় রাখে। সুতরাং পৃথিবীর গোলাকার আকৃতির কারণে সমুদ্রের পৃষ্ঠ যদি বাঁকানো হয়, তাহলে জাহাজের গতিপথও স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাঁকবে। কারণ, প্লবন শক্তি (Buoyant force) এবং ওজনের শক্তি (Weight force)-এর ভারসাম্য জাহাজকে পানির পৃষ্ঠের ওপর একটি নির্দিষ্ট উচ্চতায় রাখে। একইভাবে, বিমানের ওপর বায়ুর উত্তোলন শক্তি এবং তার ওজনের মধ্যে ভারসাম্য থাকার কারণে বিমান পুরো সময় একটি নির্দিষ্ট উচ্চতা বজায় রাখে। আর যদি কোনো নাবিক সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে তার জাহাজকে আরও ওপরে তুলে নিতে চান, তাহলে তিনি তা করতে পারবেন না। কারণ, তখন ওজনের শক্তি প্লবন শক্তির চেয়ে বেশি হয়ে যাবে। প্লবন শক্তি নির্ভর করে জাহাজের পানির সংস্পর্শে থাকা অংশ এবং জাহাজের মোট আয়তন ও মোট ভরের মধ্যকার অনুপাতের ওপর। একইভাবে, কোনো পাইলট যদি বিমানকে বায়ুমণ্ডল থেকে অত্যন্ত উচ্চ উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান, তাহলেও উত্তোলন শক্তি তা সম্ভব করতে পারবে না। কারণ, উচ্চতা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায়। ফলে উচ্চতর স্তরে উত্তোলন শক্তি কমে যাবে এবং ওজনের শক্তি উত্তোলন শক্তিকে অতিক্রম করবে। তখন বিমান নিচে নেমে আসবে। অতএব, বিমান তার জন্য নির্ধারিত সর্বোচ্চ উচ্চতার সীমা অতিক্রম করতে পারে না। পাইলটদের বক্তব্য অনুযায়ী: যদি দীর্ঘ যাত্রার সময় বিমানের সামনের অংশের এই ঊর্ধ্বমুখী ঝোঁক পরিবর্তন না করা হয়, তাহলেও বিমান তার উচ্চতা বজায় রাখবে। সুতরাং বিমানের সামনের অংশের ঝোঁকের পরিবর্তনের সঙ্গে তার গতিপথ সরল না বক্র—এই বিষয়টির কোনো সম্পর্ক নেই। এর সবচেয়ে বড় প্রমাণ হলো অবতরণের সময় বিমানের সামনের অংশের উচ্চতা পরিবর্তন। অনতরণের সময় বিমান Nose Down করেনা, বরং উচ্চতার পরিবর্তন করে। (আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞানী) ◾ সমতলকামীরা এমন অনেক ভিডিও প্রচার করে, যেগুলোতে কিছু পাইলট নাকি পৃথিবীকে ফ্লাট বলেছেন। বাস্তবতা হল: কোন পাইলটই পৃথিবীকে ফ্লাট বলেনা। সমতলকামীরা যেসব ভিডিও প্রচার করে, সেগুলো প্রত্যেকটাই কাটছাট করে প্রসঙ্গ বিকৃত করা ভিডিও। যাত্রীরা অনেকসময় কৌতুহলবসত পাইলটদের জিজ্ঞেস করে যে, “পৃথিবী সমতল নাকি গোলাকার”। তখন পাইলটরা মজা করে বলে যে, “হ্যা! সমতল।” এই কথা শুনে যাত্রীরা অবাক হলে তখন পাইলটরা আসল সত্যটা তুলে ধরেন (অর্থাৎ পৃথিবী গোলাকার।) সমতলকামীরা এইসব ভিডিওর পাইলটদের (মজা করে) ’সমতল’ বলা অংশটুকু কেটে নিজেদের পক্ষে প্রমান হিসাবে প্রচার করে। এমন একটি ভিডিও নিচের লিংকে দেখুন। পাইলট প্রথমে মজা করে ‘সমতল’ বলেছে, অতঃপর মূল সত্যটা খোলাসা করেছে— যাত্রী: এই পৃথিবীর আকৃতি কেমন? পাইলট: (মজা করে) সমতল! তবে আমাদের এটা গোপন রাখার কথা। আপনি কি জানতেন যে কলম্বাসের আসলে ৪টি জাহাজ ছিল? যাত্রী: না। পাইলট: তার কাছে ছিল 'নিনিয়া' (Niña), 'পিন্টা' (Pinta), 'সান্তা মারিয়া' (Santa Maria), আর একটা ছিল যেটা পৃথিবীর প্রান্ত থেকে নিচে পড়ে গিয়েছিল। 😀 যাত্রী: এটা সত্যি সত্যি তো সমতল না, তাই তো? পাইলট: শুধু মাঝখানের অংশটা। যাত্রী: মাঝখানের অংশটা? পাইলট: হ্যাঁ, মাঝখানটা সমতল। যাত্রী: মাঝখান বলতে কী বোঝাচ্ছেন? পাইলট: মাঝখানটা সমতল। যেমন ধরুন এখন আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে আছি, এই জায়গাটা সমতল। https://t.me/globeearthbd/2893

সমতল পৃথিবীর মডেলে দিন-রাত 😄
+1
সমতল পৃথিবীর মডেলে দিন-রাত 😄

পৃথিবীর_গতি_ও_আবর্তন_মুহাম্মদ_আলী_আস_সাবূনী.pdf19.42 MB

পৃথিবীর_গতি_ও_আবর্তন_মুহাম্মদ_আলী_আস_সাবূনী.doc3.16 MB

photo content

বাঙ্গু সমতলকামীদের জীবিত ইমামদের মধ্যে এই তিনজন বর্তমানে বেশ ট্রেন্ডিংয়ে আছে বলা যায়। চেনেন এদেরকে?
১. [নিচে] নাম ‘এরিক দুবে’ (খ্রিস্টান)। একে বর্তমানে সমতলকামীদের টপ লিডার বলা যায়। মদখোর এবং সম্ভবত সমকামি’ও। ২. [উপরে বামে] নাম ‘কমলপ্রীত সিং’ (শিখ ধর্মের)। ইন্ডিয়ার পাঞ্জাবের বাসিন্দা। কট্টর সমতলকামী। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিউ ব্যাবসা করে, নিয়মিত সমতল পৃথিবীর পক্ষে গাঁজাখুরি যুক্তি দিয়ে ছাইপাস ভিডিও বানায়। তার দলিল হল 'শিখ ধর্মের ধর্মগ্রন্থ ‘‘গুরু গ্রন্থ সাহিব জি, গুরবাণী, আসা দি বার, জপ সাহিব, অকাল উস্তত, চণ্ডী দি বার, ভাই গুরদাস জির 'বার' ইত্যাদি। বাঙ্গু সমতলকামীরা এর ভিডিও শেয়ার করে দলিল হিসাবে। ৩. [উপরে ডানে] নাম ‘চানাক্য তিওয়ারি’ (হিন্দু)। ইন্ডিয়ার এই অটিস্টিকমার্কা ছেলেটাও কট্টর সমতলকামী। সোশ্যাল মিডিয়ায় কনটেন্ট বানায় সমতল পৃথিবীর পক্ষে, ভিউ ব্যাবসা করে। এদের ভিউয়ার হল ভারত ও বাংলাদেশের সমতলকামী মূর্খরা। — সমতলকামীদের এরকম আরও বেশ কয়েকজন ইমাম আছে (নাস্তিক/বিধর্মী)। আমরা যেখানে ’গোলাকার পৃথিবী’ মতের পক্ষে শাইখ বিন বায, আলবানী, ইবনে উসাইমিন, আল-ফাওযান এর মত সমসাময়িক আলেমদেরকে দলিল হিসাবে প্রচার করি, সেখানে সমতলকামীদের ইমামদের অবস্থা দেখুন! অথচ এরাই এটাকে আকিদার মৌলিক বিষয় বলে প্রচার করে বেড়ায়, এরাই ‘গোলাকার’ বলার কারণে অন্যকে কাফের বলে। 🙆‍♂️

photo content

7 Days in Space - Prince Sultan bin Salman.pdf8.62 MB

যুবরাজ_সুলতান_বিন_সালমান_হাফিজাহুল্লাহ.png2.84 MB

photo content

প্রথম আরব ও মুসলিম মহাকাশচারী যুবরাজ সুলতান বিন সালমান একটি সাক্ষাৎকারে পৃথিবীকে গোলাকার বলেছেন (তিনি মহাকাশ থেকে স্বচক্ষে পৃথিবীকে গোলাকার বা বলাকার দেখেছেন): সাংবাদিক: মহামান্য যুবরাজ সুলতান বিন সালমান, আপনাকে স্বাগতম। শুভ সন্ধ্যা আবু সালমান, আপনি কেমন আছেন? যুবরাজ সুলতান: ভালো, আলহামদুলিল্লাহ। সাংবাদিক: আবু সালমান, যেহেতু আপনি প্রথম আরব ও মুসলিম মহাকাশচারী, তাই লক্ষ লক্ষ মানুষ আপনার কাছে একটি প্রশ্ন জানতে চায়— মহাকাশ থেকে আপনি পৃথিবীকে কেমন দেখেছেন? যুবরাজ সুলতান: এ বিষয়ে আমার 'মহাকাশে সাত দিন' (سبعة أيام في الفضاء - 7 Days in Space) নামে একটি বই আছে এবং আমার ওয়েবসাইটে এ নিয়ে ডকুমেন্টারিও আছে। তবে সংক্ষেপে বলতে গেলে, অনেক দূর থেকে দেখলে পৃথিবীকে আপনি যতটা বড় মনে করেন, তার চেয়ে ছোট দেখায়। আমি দেখেছি যে পৃথিবীর সব মানুষ আসলে এক। আর দেশগুলোর মধ্যে এখন যে সীমানাগুলো আছে, সেগুলো কেবল প্রশাসনিক সুবিধার জন্য তৈরি; মানুষকে আলাদা করার জন্য নয়। আর আমি আমাদের দেশটিকে সবচেয়ে সুন্দর দেশ হিসেবে দেখেছি। সাংবাদিক: আপনি কি পৃথিবীকে গোলাকার দেখেছেন নাকি সমতল? যুবরাজ সুলতান: না, নিশ্চিতভাবেই এটি গোলাকার (গোলক)। আমরা পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিণ করছিলাম, আমরা প্রতি ৯০ মিনিটে একবার পৃথিবীর চারদিকে ঘুরতাম। প্রতিদিন আমরা ১৬টি সূর্যোদয় এবং ১৬টি সূর্যাস্ত দেখতাম। (এরপর তিনি মহাকাশে নামাজ পড়ার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন) আমরা যেখান থেকে (পৃথিবী থেকে) যাত্রা শুরু করেছিলাম, সেখানকার সময় অনুযায়ী নামাজ পড়তাম, কারণ সেখানে সময় পাওয়া যায় না। আপনি 'আল্লাহু আকবার' বলে নামাজ শুরু করে কিরাত পড়তে পড়তেই মক্কা পার হয়ে যাবেন। আমাদের মহাকাশযানের গতি ছিল ২৯,০০০ (কিলোমিটার/ঘণ্টা)। সাংবাদিক: মহামান্য, তাহলে চূড়ান্ত উত্তর কী— আপনি কি পৃথিবীকে সমতল দেখেছেন নাকি গোলাকার? যুবরাজ সুলতান: আমি তো বললামই যে, আমরা একটি গোলকের চারদিকে ঘুরছিলাম। কেউ বলেনি যে এটি সমতল। পৃথিবীকে সমতল বলাটা আসলে একটা বানানো কথা। কোরআনের জ্ঞান এবং বিজ্ঞান—উভয় দিক থেকেই এটা প্রমাণিত এবং সুপরিচিত যে পৃথিবী গোলাকার। [বইটির আরবি ও ইংরেজি সংস্করন পড়ুন] https://7days-space.com/en/home/

+1

মহাকাশচারী_‘আলী_আল_কারনি_এবং_রায়ানা_বারনাউয়ি.png3.38 MB

photo content

সৌদি আরবের দুজন তরুন মুসলিম মহাকাশচারী আলী আল-কারনি এবং রায়ানা বারনাউয়ি একটি সাক্ষাৎকারে পৃথিবীকে গোলাকার বলেছেন। তারা ২০২৩ সালের ২১ মে মহাকাশ সংস্থা অ্যাক্সিওম স্পেসের 'অ্যাক্সিওম-২' (Ax-2) মিশনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে (ISS) ভ্রমণ করেন। উপস্থাপক: শেষ প্রশ্ন, পৃথিবী কি গোলাকার নাকি সমতল? আলী আল-কারনি: পৃথিবী, পৃথিবী নিঃসন্দেহে গোলাকার। অর্থাৎ, এর অনেক ভৌত, বৈজ্ঞানিক বা গবেষণামূলক প্রমাণ রয়েছে, তবে পৃথিবী গোলাকার এবং আমরা খুব শীঘ্রই আপনাদের সাথে একটি ভিডিও শেয়ার করব ইনশাআল্লাহ। উপস্থাপক: রায়ানা? রায়ানা বারনাউয়ি: সত্যি বলতে, আমরা একে গোলাকারই দেখেছি।