ar
Feedback
Md. Ajmine

Md. Ajmine

الذهاب إلى القناة على Telegram

যে নিজের আত্মাকে পরিশুদ্ধ করেছে সে সফল। [সূরা আশ-শামস 91:09]

إظهار المزيد
8 536
المشتركون
-724 ساعات
-107 أيام
-9530 أيام
أرشيف المشاركات
“টাকা যখন হাতে থাকবে কিন্তু অন্তরে থাকবে না, তখন তা তোমার কোনো ক্ষতি করতে পারবে না; এমনকি তার পরিমাণ যদি পাহাড়সমও হয়। কিন্তু সেই টাকা যখন তোমার অন্তরে আসন গেড়ে বসবে, তখন তা তোমার নিশ্চিত ক্ষতি করবে; এমনকি তোমার হাতে যদি একটি পয়সা কড়িও না থাকে।” ~ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) সূত্র: [মাদারিজুস সালিকীন: ১/৪৬৩]

উত্তম বিবাহের জন্য বা রিজিকের যদি শুধু একটা আমল সাজেস্ট করতে হয় তাহলে আমি এই আমল টাই সাজেস্ট করবো। ইস্তেগফার....ইস্তেগফার....ইস্তেগফার! প্রচুউউউউর ইস্তেগফার! অতিরিক্ত ইস্তেগফার করলে রিজিক যে কিভাবে বৃদ্ধি পেতে থাকবে। বিয়েও তো রিজিকের ই অংশ। তাই ইস্তেগফারের আমলটাকে শক্ত ভাবে আকড়ে ধরুন। ইস্তেগফার শুধু শুরু করে দেখুন কঠোর ভাবে। সুবহানাল্লহ! আপনি শুধু তাজ্জব হয়ে তাকিয়ে দেখবেন আর ভাববেন – “এও কি সম্ভব? কি করে সম্ভব হলো?” আল্লহু আকবর! আপনি শুধু শুরু করুন বিইযনিল্লাহ। আল্লহ সুবহানাহু ওয়া তা'আলা নিজেই কুরআনে এই কথা বলেছেন। আল্লহ যা বলেছেন, তা কি আর যেন তেন বা দূর্বল কথা হতে পারে? বলুন? আল্লহ ﷻ নিজেই বলেছেন– “অতঃপর আমি বলেছি, ‘তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই তিনি মহাক্ষমাশীল। তিনি তোমাদের ওপর প্রচুর বৃষ্টি বর্ষণ করবেন, তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি বৃদ্ধি করবেন, তোমাদের জন্য উদ্যান সৃষ্টি করবেন এবং তোমাদের জন্য নদী-নালা প্রবাহিত করবেন।’” — সূরা নূহ, আয়াত ১০–১২ এই আয়াতের উপর আমল করে দেখুন। জীবন বদলে যাবে ইন শা আল্লহ। আসুন এই পোস্ট দেখার সাথে সাথে ১০ বার ইস্তেগফার করে নেই। সম্ভব হলে সবচেয়ে উত্তম ইস্তেগফার অর্থাৎ সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার পাঠ করি। সাইয়্যেদুল ইস্তেগফার– اللَّهُمَّ أَنْتَ رَبِّي لَا إِلٰهَ إِلَّا أَنْتَ، خَلَقْتَنِي وَأَنَا عَبْدُكَ، وَأَنَا عَلَى عَهْدِكَ وَوَعْدِكَ مَا اسْتَطَعْتُ، أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ مَا صَنَعْتُ، أَبُوءُ لَكَ بِنِعْمَتِكَ عَلَيَّ، وَأَبُوءُ بِذَنْبِي، فَاغْفِرْ لِي، فَإِنَّهُ لَا يَغْفِرُ الذُّنُوبَ إِلَّا أَنْتَ উচ্চারণঃ আল্লাহুম্মা আংতা রব্বী, লা ইলাহা ইল্লা আংতা খলাক্বতানী ওয়া আনা আবদুক, ওয়া আনা ‘আলা আহদিকা ওয়া ওয়াদিকা মাসতাতো‘ত, আউযু বিকা মিং শাররি মা ছনা‘ত, আবূউ লাকা বি নি‘মাতিকা ‘আলাইয়্যা, ওয়া আবূউ বি যাম্বী, ফাগফির লী, ফা ইন্নাহু লা ইয়াগফিরুয যুনূবা ইল্লা আংতা। অর্থঃ“হে আল্লাহ! আপনি আমার রব, আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই। আপনি আমাকে সৃষ্টি করেছেন এবং আমি আপনার বান্দা। আমি আমার সাধ্য অনুযায়ী আপনার অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতির ওপর অটল আছি। আমি আমার কৃতকর্মের অনিষ্ট থেকে আপনার আশ্রয় চাই। আপনার যে নিয়ামত আমার ওপর রয়েছে তা স্বীকার করছি এবং আমার গুনাহও স্বীকার করছি। অতএব আপনি আমাকে ক্ষমা করুন। নিশ্চয়ই আপনি ছাড়া গুনাহ ক্ষমা করার কেউ নেই।” আরও কিছু ছোট ইস্তেগফার দিচ্ছি। এগুলোও করতে পারেন ইন শা আল্লহ। ১. أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লহাল আযীম। অর্থ: আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করি। ২. أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহাল আযীমা ওয়া আতূবু ইলাইহি। অর্থ: আমি মহান আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে তওবা করি। ৩. رَبِّ اغْفِرْ لِي উচ্চারণ: রব্বিগফির লী। অর্থ: হে আমার রব! আমাকে ক্ষমা করুন। ৪. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي وَارْحَمْنِي উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লী ওয়ারহামনী। অর্থ: হে আল্লাহ! আমাকে ক্ষমা করুন এবং আমার প্রতি দয়া করুন। ৫. رَبِّ اغْفِرْ وَارْحَمْ وَأَنْتَ خَيْرُ الرَّاحِمِينَ উচ্চারণ: রব্বিগফির ওয়ারহাম, ওয়া আনতা খাইরুর রাহিমীন। অর্থ: হে আমার রব! ক্ষমা করুন, দয়া করুন; আপনিই সর্বশ্রেষ্ঠ দয়াকারী। ৬. اللَّهُمَّ إِنَّكَ عَفُوٌّ تُحِبُّ الْعَفْوَ فَاعْفُ عَنِّي উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা ইন্নাকা আফুউন তুহিব্বুল আফওয়া ফা'ফু আন্নী। অর্থ: হে আল্লাহ! আপনি ক্ষমাশীল, ক্ষমা করতে ভালোবাসেন; তাই আমাকে ক্ষমা করুন। ৭. أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতূবু ইলাইহি। অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছে তওবা করি। ৮. اللَّهُمَّ اغْفِرْ لِي ذَنْبِي كُلَّهُ উচ্চারণ: আল্লাহুম্মাগফির লী যাম্বী কুল্লাহু। অর্থ: হে আল্লাহ! আমার সকল গুনাহ ক্ষমা করে দিন। সবচেয়ে সহজ ও বেশি পড়া হয়: "أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ",(আস্তাগফিরুল্লহ) "أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ",(আস্তাগফিরুল্লহ ওয়া আতুবু ইলাইহ) এবং "أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ الْعَظِيمَ"(আস্তাগফিরুল্লহাল আযীম)। এগুলো চলতে-ফিরতে, কাজের ফাঁকে, কিংবা যে কোনো সময় পড়া যাবে ইং শা আল্লহ। লিখা ~ উম্মে আদন

হে আমাদের রব, আমরা যদি ভুলে যাই অথবা ভুল করি, তাহলে আপনি আমাদের পাকড়াও করবেন না। ☘️🤍 🎙️Sheikh Muhammad Al Luhaidan (Hafizahullah) #mdajmine

যালিম কওমের ধ্বংস অনিবার্য.....🤲 #mdajmine

“তুমি যদি এমন এক জামানায় বসবাস করে থাকো— যেখানে মানুষ আমল ছাড়া কেবল মুখের কথায় সন্তুষ্ট থাকে এবং আমল ছাড়া কেবল বইয়ের স্তূপ নিয়েই তৃপ্ত থাকে; তবে জেনে রেখো; তুমি ইতিহাসের নিকৃষ্টতম সময়ে নিকৃষ্টতম মানুষদের মাঝে বাস করছ।” ~সুফিয়ান ইবনে উইয়ায়নাহ (রহ.) সূত্র: [ইবত্বালুল হিয়াল: ১/৩৪]

আল্লাহর পরিকল্পনা সবসময় আমাদের পরিকল্পনার চেয়ে উত্তম। 🎙️Sheikh Muhammad Al Luhaidan (Hafizahullah) #mdajmine

সহজে জান্নাতে যাওয়ার জন্য কুরআন হাদিসে যে চারটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে— 🤍🌷 ১. শির্ক মুক্ত থাকা ২. ফরজ পালন করা ৩. হারাম থেকে দূরে থাকা ৪. বান্দার হক নষ্ট না করা - আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর রহিমাহুল্লাহ..

শুধুমাত্র তিনটি জিনিসের জন্য রবের কাছে বান্দার হিসাব দিতে হবে না: (১) লজ্জাস্থান হেফাজতের জন্য এক টুকরা কাপড়। (২) বেঁচে থাকার জন্য যৎসামান্য খাবার। (৩) মাথা গোজার মত একটি ঘর। এছাড়া সব কিছুর হিসাবই কেয়ামতের দিন বান্দাকে দিতে হবে। ~হাসান বসরী (রাহিমাহুল্লাহ) সূত্র: [কিতাবুয যুহদ: ২২১]

আজ বেজোড় রাত এবং জুম'আর রাত একত্রিত হয়েছে। বেশ কয়েকটি বর্ণনায় পাওয়া যায়, যদি জুম‘আর রাত কোনো বিজোড় রাতের সাথে মিলে যায়, তবে সে রাতটি লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। ইমাম ইবন রজব হাম্বলি (রহ.) তাঁর লাতায়িফুল মা‘আরিফ গ্রন্থে ইবনু হুবাইরাহ (রহ.) থেকে বর্ণনা করে বলেন—"যদি জুম‘আর রাত কোনো বিজোড় রাতের সাথে মিলে যায়, তাহলে অন্যান্য রাতের তুলনায় এই রাতটিতে লাইলাতুল কদর সংঘটিত হওয়ার বেশি আশা করা যায়।" ইবনু তাইমিয়া (রহ.) বলেন—"যদি জুম‘আর রাত শেষ দশকের কোনো বিজোড় রাতের সাথে মিলে যায়, তাহলে ইনশাআল্লাহ সেটি লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।" শাইখ আবদুল আজিজ ইবনু বায (রহ.)-এর একটি বক্তব্যও এমন আছে। তিনি বলেন—"কিছু আলেম বলেছেন, যদি বিজোড় রাতগুলোর মধ্যে কোনোটি জুম‘আর রাতে পড়ে, তাহলে সেটি আরও বেশি গুরুত্ববহ এবং লাইলাতুল কদর হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি। তাই আমাদের উচিত, এসব রাতের বিশেষ যত্ন নেওয়া এবং বিশেষ করে এই রাতে ইবাদতে অধিক পরিশ্রম করা।" —মাহমুদ বিন নূর #ilmannafiya

আল্লাহর পরিকল্পনায় কোনো তাড়াহুড়া নেই, কোনো ভুল সময়ও নেই। আমরা অনেক সময় অপেক্ষাকে 'বিলম্ব' বা 'দেরি' মনে করে হতাশ হই, অথচ আল্লাহ সেটিকে আমাদের জন্য 'প্রস্তুতির সময়' বানিয়ে দেন। তাই কখনো হতাশ হবেন না। যে দোয়াটি আজও পূরণ হয়নি বলে আপনার মনে হচ্ছে, সেটিও মহান রবের অসীম জ্ঞানের মধ্যেই আছে। আল্লাহ কখনো দেরি করেন না; সবকিছু তাঁর নির্ধারিত সর্বোত্তম সময়েই আমাদের জীবনে আসে। 📖 পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেন: "অথচ এমনও হতে পারে যে, তোমরা কোনো বিষয় অপছন্দ করছ, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর। আর হতে পারে তোমরা কোনো বিষয় পছন্দ করছ, অথচ তা তোমাদের জন্য অকল্যাণকর। আল্লাহ জানেন, আর তোমরা জানো না।" (— সূরা বাকারাহ: ২১৬) কষ্টের সময়গুলোতে সবর (ধৈর্য) ধারণ করাই মুমিনের বৈশিষ্ট্য। কারণ, আল্লাহ নিজেই আমাদের সান্ত্বনা দিয়ে বলেছেন: "নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই রয়েছে স্বস্তি।" (— সূরা ইনশিরাহ: ৫) দোয়ার ক্ষেত্রে আমাদের কখনো নিরাশ হওয়া উচিত নয়। রাসূলুল্লাহ (ﷺ) আমাদের তাড়াহুড়ো করতে নিষেধ করেছেন: "তোমাদের প্রত্যেকের দোয়া কবুল করা হয়, যদি সে তাড়াহুড়ো না করে এবং একথা না বলে যে— 'আমি দোয়া করলাম কিন্তু আমার দোয়া কবুল হলো না'।" (— সহীহ বুখারী: ৬৩৪০, সহীহ মুসলিম: ২৭৩৫) আপনার কাজ শুধু খালেস নিয়তে দোয়া করে যাওয়া এবং রবের উপর পূর্ণ তাওয়াক্কুল (ভরসা) রাখা। হয়তো তিনি আপনাকে আপনার চাওয়ার চেয়েও উত্তম কিছু দেওয়ার জন্য এই মুহূর্তে প্রস্তুত করছেন! আলহামদুলিল্লাহ। #শিক্ষা

আমাদের প্রাপ্ত সম্পদ ও জ্ঞান কোনো একক কৃতিত্ব নয়, বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে দেওয়া এক মহান আমানত ও পরীক্ষা। এর উদ্দেশ্য একটাই—আমরা কি মানুষের সেবায় নিয়োজিত হচ্ছি, নাকি অহংকারে মত্ত হচ্ছি? ইতিহাস সাক্ষী, যুল-কারনাইন যখন এক বিশাল সাম্রাজ্য ও ক্ষমতার অধিকারী হয়েছিলেন, তখনও তাঁর পা মাটিতেই ছিল। তিনি অবলীলায় বলেছিলেন—‘আমার প্রতিপালক আমাকে যে সামর্থ্য দিয়েছেন, তাই উৎকৃষ্ট’। নিয়ামত পেয়ে অহংকারী না হয়ে আল্লাহর দিকে ঝুঁকে পড়াই একজন মুমিন নেতৃত্বের প্রধান বৈশিষ্ট্য।" — নোমান আলী খান অহংকার ও নিয়ামতের পরীক্ষা নিয়ে আল্লাহর বাণী: "আমি তোমাদেরকে মন্দ ও ভালো দ্বারা বিশেষভাবে পরীক্ষা করে থাকি।" (সূরা আল-আম্বিয়া, আয়াত: ৩৫) অহংকারের পরিণতি নিয়ে রাসুলুল্লাহ (সাঃ) এর সতর্কবার্তা: রাসুলুল্লাহ (সাঃ) বলেছেন: "যার অন্তরে অণু পরিমাণ অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ৯১)

Sheikh umair shamim #mdajmine

মুত্তাকিদের জন্য রয়েছে জান্নাত.... #mdajmine

Surah Al-Ahzab Ayat 31–35 Recitation Umar Sildinskiy 🤍 #mdajmine

আমার মৃত্যুর পরের দিনও সব কিছু স্বাভাবিক থাকবে, শুধু আমি থাকব না। #mdajmine

"আল্লাহ যখন আপনাকে সম্পদ বা জ্ঞান দেন, তখন তিনি আসলে আপনাকে পরীক্ষা করছেন যে আপনি এর মাধ্যমে মানুষকে সাহায্য করছেন নাকি নিজের অহংকার বাড়াচ্ছেন। যুল-কারনাইন বিশাল ক্ষমতার অধিকারী হয়েও বলেছিলেন—'আমার রব আমাকে যা দিয়েছেন সেটিই আমার জন্য যথেষ্ট'। এটিই একজন মুমিন নেতার আসল পরিচয়।" — উস্তাদ নোমান আলী খান আল-কোরআনের আলো ক্ষমতা, সম্পদ আর জ্ঞান পেয়ে একজন মুমিনের মানসিকতা কেমন হওয়া উচিত, তা মহান আল্লাহ সুলাইমান (আঃ)-এর জবানিতে কোরআনে এভাবে তুলে ধরেছেন: "এটি আমার রবের অনুগ্রহ, যাতে তিনি আমাকে পরীক্ষা করতে পারেন যে—আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি নাকি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।" — (সূরা আন-নামল, আয়াত: ৪০) যুল-কারনাইন কিংবা সুলাইমান (আঃ)-এর মতো মহৎ শাসকরা বিপুল ক্ষমতার অধিকারী হয়েও নিজেদের আল্লাহর দাস মনে করতেন। অথচ কারুন তার সম্পদের অহংকার করে বলেছিল—"এসব তো আমি আমার জ্ঞান ও দক্ষতাবলে পেয়েছি।" পরিণতিতে তাকে সম্পদসহ মাটির নিচে ধসিয়ে দেওয়া হয়েছিল (সূরা আল-কাসাস)। তাই মনে রাখবেন, আপনার যোগ্যতা কেবল একটি উছিলা মাত্র; মূল দাতা একমাত্র আল্লাহ। প্রিয় নবীর (সাঃ) বাণী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাদের সতর্ক করে বলেছেন, সামান্যতম অহংকারও জান্নাতে যাওয়ার পথে বাধা হতে পারে: "যার অন্তরে কণা পরিমাণও অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" — (সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ৯১) বিপরীতে, আল্লাহ প্রদত্ত সম্পদ ও জ্ঞান দিয়ে যিনি মানুষের উপকার করেন, তার প্রশংসা করে নবীজী (সাঃ) বলেন: "কেবল দুই ব্যক্তির ক্ষেত্রে ঈর্ষা (পজিটিভ প্রতিযোগিতা) করা জায়েজ: এক ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন এবং তা ন্যায়ের পথে অকাতরে ব্যয় করার ক্ষমতা দিয়েছেন; আর অন্য ব্যক্তি, যাকে আল্লাহ হিকমাহ (জ্ঞান) দান করেছেন এবং সে অনুযায়ী সে বিচার-ফয়সালা করে ও তা মানুষকে শিক্ষা দেয়।" — (সহীহ বুখারী, হাদিস নং: ৭৩; সহীহ মুসলিম, হাদিস নং: ৮১৬) জ্ঞান ও সম্পদ আমানত: আপনার ডিগ্রি, আপনার মেধা কিংবা আপনার ব্যাংকের টাকা—এগুলো আপনার শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ নয়, বরং আপনার পরীক্ষার প্রশ্নপত্র। সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন: আল্লাহ আপনাকে উপরে উঠিয়েছেন অন্যকে টেনে তোলার জন্য, উপর থেকে তাদের ছোট করে দেখার জন্য নয়। বিনয়ী হোন: যত বেশি নিয়ামত পাবেন, আল্লাহর দরবারে তত বেশি মাথা নত করুন। ফলবতী গাছ যেমন ফলে ভরপুর হলে নিচের দিকে ঝুঁকে পড়ে, একজন প্রকৃত মুমিনের আচরণও তেমন হওয়া উচিত। হে আল্লাহ! আপনি আমাদের যে নিয়ামত দিয়েছেন, তা যেন আমাদের অহংকারী না করে বরং আপনার প্রতি কৃতজ্ঞ এবং মানুষের প্রতি দয়াশীল করে তোলে। আমীন। #শিক্ষা