ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 297 مشتركاً، محتلاً المرتبة 8 113 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 033 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 297 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 26 يونيو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 62، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -2، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 19.37‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 8.09‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 2 188 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 914 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 46.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 27 يونيو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 297
المشتركون
-224 ساعات
+47 أيام
+6230 أيام
أرشيف المشاركات
আলহামদুলিল্লাহ, নতুন এক সূর্য দেখতে পারবে পৃথিবী খুবই অল্প সময়ে। এটাই ইসলাম ও খিলাফত প্রতিষ্ঠার সঠিক মানহাজ ও পদ্ধতি। চ্যানেলটি জয়েন করতে পারেন ইনশাআল্লাহ

Repost from Al Firdaws
শাহাদাহ এজেন্সির তথ্যমতে, এই অপারেশনের সময় নাইটক্লাবটিতে একটি গোপন মিটিংয়ের জন্য একত্রিত হয়েছিল মোগাদিশু সরকারের একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সেনা অফিসার এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। নাইটক্লাবটিতে মোগাদিশু সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতি টের পেয়েই সন্ধ্যা বেলায় ভবনটি লক্ষ্য করে শক্তিশালী গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের মাধ্যমে একটি ইস্তে#শহাদী হামলা চালান মু*জাহি#দগণ। সুরক্ষিত এলাকাটিতে সফল গাড়ি বোমা বিস্ফোরণের পরপরই নাইটক্লাবটিতে ঢুকে পড়েন আশ-শা#বাবের ইনগিমাসী যো*দ্ধারা। ইনগিমাসী মু*জাহিদ#গণ ভবনে ঢুকেই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদেরকে বন্দুকের নলের সফল লক্ষ্যবস্তু বানাতে শুরু করেন, যা টানা ৬ ঘন্টা ধরে অব্যাহত থাকে। ফলশ্রুতিতে ভবনটির বিশাল অংশ ধ্বংস ও শত্রু বাহিনীর প্রচুর ক্ষয়ক্ষতির পাশাপাশি বহু কর্মকর্তা, অফিসার ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা হতাহত হয়েছে। আশ-শা#বাবের সামরিক কমান্ডের বিবৃতি অনুসারে: “এই অপারেশনে হতাহতদের মধ্যে অনেক রাজনীতিবিদ, সামরিক কর্মকর্তা, মন্ত্রণালয়ের কর্মচারী, গোয়েন্দা কর্মকর্তা এবং স্পেশাল ফোর্সের সদস্যরা রয়েছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে অন্তত ৫৪ জন এবং আহত হয়েছে আরও ৮৭ এরও বেশি। বিবৃতিতে যোগ করা হয়েছে: “সফল এই অপারেশনটি ঐসমস্ত মুসলমানদের পক্ষ্য থেকে প্রতিশোধ স্বরূপ চালানো হয়েছে, যারা সাম্প্রতিক সময়ে সেনাবাহিনী, গোয়েন্দা ও সরকারি কর্মকর্তাদের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন।” বিবৃতিতে মোগাদিশু প্রশাসনকে সতর্ক করে বলা হয়: “আমরা মোগাদিশু সরকারের সাথে যুক্ত এজেন্টদের আশ্বাস দিচ্ছি যে, মুসলমানদের উপর তোমাদের আরোপ করা প্রতিটি অপরাধের পরিণতি হবে ভয়ানক, যার তিক্ততা তোমরা ভোগ করবেন, ইনশাআল্লাহ”।

Repost from Al Firdaws
আল-কা#য়েদা পূর্ব আফ্রিকা ভিত্তিক ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী হা*রাকা#তুশ শা*বাবের সামরিক নেতৃত্ব নিশ্চিত করেছে যে, সোমালিয়ার রাজধা
আল-কা#য়েদা পূর্ব আফ্রিকা ভিত্তিক ইসলামি প্রতিরোধ বাহিনী হা*রাকা#তুশ শা*বাবের সামরিক নেতৃত্ব নিশ্চিত করেছে যে, সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুতে পশ্চিমা সমর্থিত সামরিক বাহিনীর একটি নাইটক্লাবে বড় ধরনের সামরিক অপারেশন পরিচালনা করছেন দলটির মু*জাহি#দগণ। এতে মোগাদিশু সরকারের ঊর্ধ্বতন ৫৪ সামরিক ও গোয়েন্দা কর্মকর্তা নিহত হয়েছে। সোমালিয়ার রাজধানী মোগাদিশুর "আব্দ" শহরের ভারী সুরক্ষিত এলাকায় অবস্থিত ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের "বিগ ভিউ" নামক নাইটক্লাব, যার আশপাশে বেসামরিক নাগরিকদের আসা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। মোগাদিশু সরকারের এমন একটি ভারী সুরক্ষিত এলাকার সমস্ত নিরাপত্তা বাধাকে বাইপাস করেই গত ২ আগস্ট শুক্রবার সন্ধ্যায়, বিগ ভিও নাইটক্লাব লক্ষ্য করে সফল অপারেশন পরিচালনা করেছেনন হা*রাকা#তুশ শা*বাব মু*জাহি#দিন।

কী হচ্ছে কাসেমপুর কারাগারে। দেখুন, https://www.youtube.com/watch?v=77RxHqr6LSo

কাসেমপুর জেলহত্যা নিয়ে কী কেউ কথা বলার নাই! সেখানে ত্রিশের উপর নাকি হত্যা করে ফেলছে, কিন্তু স্বীকার করছে না! ছয় লাশ এখন পর্যন্ত বের হয়ে আসছে। ইন্ডিয়ার ও আওয়ামীলীগের দালাল জেলসুপার এখনো ভিতরে আছে। আগামীকাল আলেম সমাজ সেখানে যাবে সবাই চলেন।

এটা নিয়ে এখন সবাই কথা বলা উচিত। ইস্কনের লোক আমাদের ভাইদের ধরে ধরে হত্যা করছে! এরা একেকজন এদেশের ইসলামের জন্য স্বর্ণ স্বরূপ। স
এটা নিয়ে এখন সবাই কথা বলা উচিত। ইস্কনের লোক আমাদের ভাইদের ধরে ধরে হত্যা করছে! এরা একেকজন এদেশের ইসলামের জন্য স্বর্ণ স্বরূপ। স

সমন্বকরা কী করতেছে জানিনা, সময় হলেই সব প্রকাশ পাবে। কিন্তু প্রাইভেট ভার্সিটিগুলোকে একদমই আলোচনায় না রাখাটা ভালো কিছুর ইঙ্গিত
সমন্বকরা কী করতেছে জানিনা, সময় হলেই সব প্রকাশ পাবে। কিন্তু প্রাইভেট ভার্সিটিগুলোকে একদমই আলোচনায় না রাখাটা ভালো কিছুর ইঙ্গিত বহন করে না, অথচ পুরো থেমে যাওয়া আন্দোলনকে এরাই উঠিয়ে এনেছে।

রাজনৈতিক আলেম, দরসি আলেম ও মুহতামিম . কিছু বাস্তব ভিত্তিক সিন্ধান্ত নেয়া আর বেয়াদবি এক না। আমি আমার নিজের জীবনের জন্য কিছু সিন্ধান্ত নিতে চাই, হয়তো সেটা ভুল প্রমাণিত হবে। হয়তো বা একা হলেও জীবনের কোনো সময় হয়তো আমি সঠিক প্রমাণিত হবো। এখানে যে সিন্ধান্ত আমি নিজের জন্য নিচ্ছি এটা আমার অল্প কিছু পড়াশোনা, ইতিহাসের কিছু পাতার শিক্ষা ও নিজের জীবনের দেখা অভিজ্ঞতা থেকে নিবো। ১. কওমী মাদরাসায় দরসের সাথে পূর্ণ যুক্ত এমন কোনো ব্যক্তি যদি জাতীয় পর্যায়ের পাওয়ারের কোনো রাজনৈতিক দলের আমীর হয় তাহলে আমি সে আলেমকে ও ঐ রাজনৈতিক দলকে সম্পূর্ণ একটি কাঙ্গাল ও ব্যর্থ দল মনে করবো। এবং এই দলের কোনো ডাকে কখনোই সারা দিবো না। চাই তাদের ডাক যতই যৌক্তিক হোক না কেন। কেন? এর অনেক কারনই আছে, এখন আ বিস্তারিত লেখার সময় নেই। সময়ে সময়ে লেখবো। একটা প্রশ্ন শুধু করি, আজ পর্যন্ত এই প্রচলিত দরসে যুক্ত থেকেছে এমন কয়জন সফল রাজনীতি আছে এই দুনিয়ায়, যিনি পরবর্তীতে ক্ষমতায় বড়ধরনের কোনো কিছু করতে পেরেছেন? মাদানী রহ.-এর নাম নিবেন? এছাড়া আর কে? আর উনি কী ক্ষমতার বিচারে আসলেই সফল? আসলেই যে মাকসাদ আমাদের ক্ষমতার সেখানে কী উনি উল্লেখযোগ্য কিছু করতে পেরেছে? যদি আপনার সবগুলো প্রশ্নের উত্তর ইতিবাচক হয় তাহলে আমি বলবো আর কে আছে এমন? আমাদের দেশের কেউ কী মাদানীর মত আপনি ইসলামের ক্ষমতার জন্য লড়াইয়ের মহান কাজ করবেন আবার দরসের মসনদও ছাড়বেন না, এরমানি আপনি আসলে কিছুই ছাড়তে চান না, বা আসলে আপনি রাজনীতিকে তেমন গুরুত্বই দেন না। মনে করেন করা দরকার তাই করা, আসল কাজ তো দরস। 'আসল কাজ দরস' এই চিন্তার কারনেই আপনি রাজনীতিতে সম্পূর্ণ ব্যর্থ। ২. হেফাজত বা কোনো রাজনৈতিক দলে কোনো আমীর বা নায়েবে আমীর যদি কোনো মুহতামিম থাকে তাহলে আমি এই দলের ব্যর্থতার ব্যাপারে মোটামুটি নিশ্চিত। এবং উনাদের ডাকে কখনোই কোনো কুরবানিতে শরীক হবো না। কারণ আপনি একটি প্রতিষ্ঠানের মুহতামিম হলে সাধারণ ভাবেই আপনি বৃহত্তম স্বার্থে উম্মাহের জন্য কোনো সিন্ধান্ত নিতে পারবেন না। এটা পরিক্ষিত বিষয়। এইদুটি বিষয় পড়ে স্বাভাবিক প্রশ্ন আসবে তাহলে তো আপনি ক্বওমীর সব রাজনীতি ও কার্যক্রম থেকে নিজেকে সরিয়ে নিলেন। একঅর্থে 'জি' সরিয়ে নিলাম। এর অন্যতম কারন ক্ষমতার জন্য আমাদের কওমী যে পদ্ধতি অবলম্বন করছে হাজার বছরেও এর ফলাফল হবে শুন্য। তাই এই মুসলিমবঙ্গকে সামনের তুফান থেকে রক্ষা করতে হলে এখন থেকেই ভিন্ন পথে কিছু ভাবতে হবে, ফিকহ ,ইতিহাস ও বিশ্বের বাস্তবতার আলোকে ভাবতে হবে। বা যারা ভেবে রেখেছেন তাদের পথে আসতে হবে। তাই আমি এভাবেই এখন থেকে আমার ছাত্রদের গড়বো। এবং আশপাশের মানুষকে এভাবেই চিন্তা করতে, ভাবতে উৎসাহিত করবো। যদি চিন্তা সঠিক হয়, উম্মাহের কল্যাণে হয় তাহলে অবশ্যই এটা উম্মাহ গ্রহণ করবে। আর যদি অকাল্যাণ থাকে তাহলে আমার সাথে তাও দাফন হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। অনেক কথাই গুছিয়ে বলতে পারিনি। আমার উপস্থাপনের দূর্বলতার কারনে। তবে যা বলেছি অনেক ভেবেই ও বিভিন্ন বিষয় ও সফল ব্যক্তিদের লক্ষ্য করেই বলছি। মোল্লা ওমর যদি দরস থেকে উঠে আবার দরসেই ফিরে যেতো। এই ক্ষমতার কাজকে মহান মনে না করতো তাহলে....!

একটা বিষয় দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্পষ্ট বুঝতে হবে। আমাদের দেশে যেই ক্ষমতায় আসুক, চাই সেকুলার আসুক বা ইসলামি শাসক—ভারত কখনোই আমাদের শান্তিতে বসবাস করতে দিবে না। ভারত হলো এদেশের নিরাপত্তা ও শান্তির পথে সবচেয়ে বড় বাধা। ভারত হলো এই অঞ্চলের সাপের মাথা। এটা আমাদের মনের মধ্যে একদম গেথে নিতে হবে। ভারত কিছুতেই চাইবে না, তার পাশের একটি দেশ সামরিক ও অর্থনীতিতে শক্তিশালী হোক। এজন্য আমাদের প্রতিটি নাগরিককে দেশ হিসেবে ভারতকে চূড়ান্ত ঘৃণা করা ছাড়া উপায় নেই। এটা জাতীয়তাবাদী দৃষ্টিতেও যেমন, ইসলামের দৃষ্টিতেও গুরুত্ব অনেক। তাই এদেশে ভারত বিরোধী ক্যাম্পেইন বাড়াতেই হবে, সাথে ভারতের স্বার্থেও ধীরে ধীরে আঘাত করার মত মানসিকতা তৈরি করতে হবে। আর বর্তমান সময়ে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো এদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তাকে আরো জোরদার করা। সাথে ভারত এদেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে আওয়ামিলীগের মাধ্যমে হিন্দুত্ববাদী বিজিপির যে এজেন্ডার কাজকে এগিয়ে এনেছিলো তাকে ধ্বংস করে দেয়া। তাই এই বিষয়ে পুরো দেশ ব্যাপি আওয়াজ তুলতে হবে। মাহফিলের বক্তরা ও বিভিন্ন কন্টেন ক্রিয়েটররা এই বিষয়টাতে প্রচুর কাজ করতে হবে।

একটা বিষয় দেশের প্রতিটি নাগরিককে স্পষ্ট বুঝতে হবে। আমাদের দেশে যেই ক্ষমতায় আসুক, চাই সেকুলার আসুক বা ইসলামি শাসক—ভারত কখনোই আমাদের শান্তিতে বসবাস করতে দিবে না। ভারত কিছুতেই চাইবে না, তার পাশের একটি দেশ সামরিক ও অর্থনীতিতে শক্তিশালী হোক। এজন্য আমাদের প্রতিটি নাগরিককে দেশ হিসেবে ভারতকে চূড়ান্ত ঘৃণা ক

দেখুন অযথা ফ্যান্টাসি আর দাবি কেউ তুলবেন না। এই আন্দোলন কখনোই দ্বীন কায়েমের কোন আন্দোলন ছিল না। এই আন্দোলন কখনোই গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের আন্দোলন ছিল না। এটা ছিল সাধারণ ছাত্র জনতার অধিকার থেকে জন্ম নেয়া স্বৈরাচার ও জালেমের পতনের আন্দোলন। পতনের পরের সরকারও যে কোন সেকুলার হবেন কিংবা লিবারেল- সেটাও আমাদের অনুমেয় ছিল। এই আন্দোলনে আমাদের নির্দিষ্ট কিছু বেনিফিট ও কারণ ছিল: ১। দীর্ঘদিনের জালেম শাসকের অপসারণ ২। রাজাকার, শিবির, জঙ্গি ইত্যাদি ট্যাগিং সন্ত্রাসের বিলুপ্তি ৩। ৭১ কেন্দ্রিক জমিদারি ভাষ্য ও শাসনের বিলুপ্তি ৪। প্রকাশ্য ইসলাম ও মুসলিমবিদ্বেষী বুদ্ধিজীবি ও মিডিয়া শ্রেণির আধিপত্যের বিনাশ। ৫। ইসলাম নিয়ে কাজ করার জন্য তুলনামূলক স্বাধীন পরিবেশ ও সুযোগ লাভ আমাদের হাতে এখন কাজ করার অনেক সুযোগ ও সম্ভাবনা আসবে নানা কারণে। একদম তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত এতোদিন পর্যন্ত যেই রাজনৈতিক বলয় প্রতিষ্ঠিত ছিল, সেটা ধ্বসে পরেছে। সেখানে এখনো সদ্য অপসারিত বলয়ের মত কোন গ্রুপ রিপ্লেইসড হতে পারেনি। তাছাড়া তরুণ প্রজন্মের চিন্তাচেতনার জায়গাটিও উর্বর ভূমি হয়ে আছে। এসব জায়গায় আমাদের কাজ করার অনেক সুযোগ তৈরি হয়েছে। এখন যারা এখানে কাজ করতে পারবে, আগামীদিনে তারাই গণমানুষ ও প্রজন্মের চেতনা ও আদর্শের পরিচালক হবে। আমাদের ভবিষ্যতের করণীয় এর দিকে মনোযোগী হয়ে এখনই তৎপরতা শুরু করতে হবে। তাৎক্ষণিকভাবে আমাদের এখন বিশেষভাবে যেই কাজগুলো দরকার: ১। আগামী শাসনকাঠামোতে ইসলাম ও মুসলিমদের স্বার্থরক্ষার জন্য শক্তিশালী প্রতিনিধিত্ব তৈরি করা। ২। বিগত ১৫ বছরে বন্দি আলেম ও ইসলামপন্থী মানুষদের মুক্ত করা ৩। মসজিদের মিম্বারগুলোকে স্বাধীন হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা ©

সারাদিন সেলিব্রেট করে এই শেষরাতে আবিষ্কার করলাম শেখ হাসিনা আসলে ক্ষমতায়ই আছে। সিরিয়াসলি। ১। বাংলাদেশের রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ নির্বাহি ক্ষমতার অধিকারী ছুপ্পু। এর ইতিহাস জানেন? পঁচাত্তরের পরে যখন লীগের নাম নেওয়ার কেউ ছিলো না তখন থেকে সে লীগ সামলেছে। শেখ মুজিব ও হাসিনার প্রতি তার ৫০ বছরের লয়ালিটি আছে। মাত্র এক মিনিটে শেখ হাসিনার পদত্যাগপত্র প্রত্যাহার করলেই হাসিনা আবার প্রধানমন্ত্রী। আর এটা করতে পারে এরকম বিশ্বস্ততা দেখানোর পরেই ছুপ্পু প্রেসিডেন্ট হয়েছে। ২। রাষ্ট্রের প্রধান ওয়াকার। আর্মিতে কী ধরণের রাজনীতিকিকরণ হয়েছে সবই জানেন। একটা ভিসি হতে হাসিনাকে কী পরিমাণ চাটা লাগে, সেখানে সেনাপ্রধান? হাসিনার জন্য ওয়াকার একটা বুলেটও নিতে রাজি। ৩।  ১৪ ঘন্টা পরেও সংসদ বহাল। সাড়ে তিনশো এমপির কেউ পদত্যাগ করেনি। ৪। মন্ত্রীপরিষদ আগামী সরকার আসা পর্যন্ত কার্যকর। অর্থ্যাৎ সরকারের সম্পূর্ণ মেকানিজম অক্ষত। একটা এমপি, একটা বিচারক মারা যায়নি। শ্রীলংকারটার সাথে এটাই পার্থক্য। আওয়ামী লীগ এই মুহুর্তে একটা ওয়ার্কিং প্রবাসী সরকার এবং পরবর্তিতে দেশে এসে খুব ভালোভাবে সরকার চালাতে পারবে। সেটা হলে শুধু কোর্ট দিয়ে কতজনকে মারা হবে আইডিয়া পেতে বিডিআর বিদ্রোহের বিচারের দিকে তাকান। Ahmad Khan

কেউ কি আজ বাজারে গিয়েছেন? ঢাকায় আজ আমার এলাকার কাঁচা বাজারে এক দিনে জিনিস পত্রের দাম প্রায় অর্ধেক হয়ে গেছে। বেগুনের দাম ছিল ৮০ টাকা। আজ নিয়েছে ৫০ টাকা। চিচিংগার দামও অনেক কম নিয়েছে। বিক্রেতাকে জিজ্ঞেস করলাম - কি ব্যাপার, দাম কি কমে গিয়েছে? বিক্রেতা হেসে বললেন - আগে তো সিন্ডিকেট ছিল। এখন আর নাই। তাহলে চিন্তা করে দেখেন- এরা কি পরিমাণ খেয়েছে! আমরা এমন দেশই গড়বো, যেখানে কৃষক, শ্রমিক, মেহনতি মানুষও পেট ভরে তিন বেলা খেতে পারবে।

মসজিদগুলো আওয়ামীলীগ মুক্ত করা আমাদের অনেক বড় দায়িত্ব। এখানে পিছিয়ে গেলে অনেক কিছুই হাত ছাড়া হয়ে যাবে। এখানে এগিয়ে থাকলে আমরা সামনে অনেক শক্তি সঞ্চয় করতে পারবো।১৩-এর পর আলেমদের নিয়ে লীগারদের অনেকগুলো প্রজেক্টের একটা ছিলো মসজিদগুলো ওদের নিয়ন্ত্রনে নেয়া। এদেরকে তালিকা করে করে মসজিদ থেকে বের করে দেয়া এখন সময়ের অন্যতম দাবী।

ভারত নিজেকে এক বড় শক্তি মনে করে। সাউথ এশিয়াতে 'চীনকে থামাও' দায়িত্ব ভারতকে দেয়া হোক, এবং আমেরিকা এখানে সরাসরি নাক না গলাক- এটাই চায়ত ভারত। তাই আমেরিকা এত বছর ধরে বাংলাদেশের দায়িত্ব ভারতের হাতে রাখতে দিল। ভারত বাংলাদেশে থেকে সকল সুবিধাও পেল। কিন্তু ২০২১ এ 'দ্য বার্মা এক্ট' পাস করার পর আমেরিকা বাংলাদেশকে নিজের হাতে নিতে চাইল। শেষ নির্বাচনে আমেরিকার ভূমিকা আমরা দেখেছি। কন্টেইনমেন্ট অফ চায়না পলিসির জন্য এই এক্ট তৈরি করা হয়। এখন বাংলাদেশ নিয়ে চীন কি করবে? আমেরিকার জন্য দু:খজনক হলেও, দিন শেষে চীন এই গেইমে জিতবে৷

অনেক কওমীর তরুনদের আইডল! আল্লাহ আমাদের এমন পথভ্রষ্টতা থেকে হেফাজত করুন।
অনেক কওমীর তরুনদের আইডল! আল্লাহ আমাদের এমন পথভ্রষ্টতা থেকে হেফাজত করুন।

জামাতে ইসলামী বিচক্ষণ একটি দল৷ তারা তাদের হারানো সম্পদগুলো খুঁজে খুঁজে বের করতেছেন৷ এটা অবশ্যই তাদের কর্তব্য এবং দায়িত্ব৷ তাদেরকে স্যালুট জানাই৷ দশ বছর আগে গুম হয়ে যাওয়া অফিসারদেরকে এক রাতেই মুক্ত করতে পেরেছেন৷ আলহামদুলিল্লাহ আমাদের উলামায়ে কেরামদের মধ্যেও হক কথা বলার কারণে যালিম সরকারের রোষানলে পড়ে দীর্ঘ দিন কারাগারে আছেন এমন সংখ্যা একেবারে কম নয়৷ মিথ্যা মামলা নিয়ে জেলে আছেন এমন সংখ্যাও বেশ বড়৷ তাদের নাম, পরিচয়গুলো দিন আমরা আওয়াজ তুলবো, বড়দের প্রতি আহ্বান করে মুক্তির ব্যাপারে জোড়ালো প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবো৷ আমি কয়েক জনের নাম দিচ্ছি ১, মুফতি জসিম উদ্দীন রাহমানী হাফি: ২, আলী আকবার সাহেব মাদানী নগর মাদারা ৩, আমিরুল ইসলাম, আধার রাতের বন্দিনির লেখক আরো কারা কারা এই তালিকায় আছেন নাম জানাতে পারেন

আলহামদুলিল্লাহ।
আলহামদুলিল্লাহ।

৩. শুধু সে না, জঙ্গি মামলাসহ বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় আটককৃত আলেম উলামাদের সহজে ছাড়ানোর একটি সুবর্ণ সুযোগ যাচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা উদ্যোগ নিন। জামায়াত তাদেরটা করে নিচ্ছে। কওমিরা নিজেদের ভাইদের মুক্তির ব্যবস্থা করুন।

কাশেমপুর কারাগারে নাকি বন্দিদের হত্যা করা হচ্ছে! এই দিকটায় সকলের খেয়াল করেন। বাস্তব হিলে দ্রুত পদক্ষেপ নেন।