ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 297 مشتركاً، محتلاً المرتبة 8 113 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 033 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 297 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 26 يونيو, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 62، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -2، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 19.37‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 8.09‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 2 188 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 914 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 46.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 27 يونيو, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 297
المشتركون
-224 ساعات
+47 أيام
+6230 أيام
أرشيف المشاركات
বাঙালি মুসলমান!

এই আন্দোলনে যারা নিহত হয়েছেন, তাদের পরিবারবর্গ ও আত্মীয়-স্বজনের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে হেফাজত মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান বলেন, আমরা নিহতদের মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। আমরা নিহতদের পরিবার, পরিজনদের ক্ষতিপূরণ প্রদাণ করতে এবং আহতদের দ্রুত সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকারের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি। এছাড়া এই আন্দোলনে যারা হতাহত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য তিনি হেফাজতের নেতাকর্মী ও দেশবাসীর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান। এ সময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা মুহিউদ্দিন রাব্বানী, মাওলানা নাজমুল হাসান কাসেমী, মাওলানা আহমদ আলী কাসেমী, মাওলানা মামুনুল হক, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মাওলানা খালেদ সাইফুল্লাহ আইয়ুবী, মুফতি মুনির হুসাইন কাসেমী, মুফতি বশিরুল্লাহ, মাওলানা আতাউল্লাহ আমিন, মাওলানা মুসা বিন ইজহার, মুফতি কামাল উদ্দিন, মুফতি জাকির হুসাইন কাসেমী, মুফতী আনিসুর রহমান ,মাওলানা আফসার মাহমুদ, মাওলানা রাশেদ বিন নূর, মাওলানা শরিফুল্লাহ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ। বার্তা প্রেরক মুফতী কিফায়াতুল্লাহ আজহারী প্রচার সম্পাদক হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ

আগামীকাল বাদ জুমা দেশব্যাপী দোয়ার আহ্বান জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী দেশের চলমান উদ্বেগজনক পরিস্থিতিতে আগামীকাল বাদজুমা দেশব্যাপী দোয়া করার আহ্বান জানিয়েছেন । আজ (১ আগষ্ট) বৃহস্পতিবার বা'দ আসর জামিআতুল মানহাল উত্তরায় মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে হেফাজত আমীর ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করে এ আহ্বান জানান । তিনি বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বৈষম্যবিরোধী কোটা সংস্কার ছাত্র আন্দোলনকে ঘিরে দেশব্যাপী নিরীহ ছাত্রদের সাথে প্রশাসনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে শত শত ছাত্র-জনতা নিহত হয়েছেন, হাজার হাজার মানুষ আহত হয়েছেন। যৌক্তিক এ আন্দোলনকে দমন করার জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কর্তৃক ছাত্র জনতার ওপর বলপ্রয়োগ ও বেপরোয়া নির্যাতন চালানো হচ্ছে। এছাড়া বিপুলসংখ্যক শিক্ষার্থী ও সাধারণ জনতাকে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমীরে হেফাজত আরও বলেন, চলমান নাজুক পরিস্থিতিতে আসুন আমরা সকলেই আমাদের কৃতকর্মের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই। আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন। আমি দেশের সকল মসজিদের ইমাম ও খতীবদেরকে কূনুতে নাজেলা পড়ে দেশ ও জাতির কল্যানে এবং বিচার বহির্ভূত জুলুম থেকে নিরস্ত্র মানুষকে হেফাজতের জন্য দু’আ করার জন্য বিশেষভাবে আহবান জানাচ্ছি। বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে মহাসচিব আল্লামা শায়েখ সাজিদুর রহমান গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, নিয়ন্ত্রিত গণমাধ্যম ও ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে সমগ্র দেশকে গোটা বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে নির্মম ও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের যে কালো ইতিহাস রচনা করা হয়েছে, তার পূঙ্খানুপুঙ্খ তথ্য তাৎক্ষণিক জানা সম্ভব হচ্ছিল না। পরবর্তিতে বিভিন্ন মিডিয়ার কল্যাণে যেসব তথ্য উঠে এসেছে, সেগুলো রীতিমতো রোমহর্ষক ও মানবাধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। এ পরিস্থিতিতে দেশের সর্বত্র আতঙ্কময় ভয়াবহ এক অরাজক পরিস্থিতি বিরাজ করছে। দেশে নেমে এসেছে চরম বিপর্যয়। তিনি বলেন, ইসলামে কুরআন হাদিসের আইন বহির্ভূত সব রকম হত্যা, রক্তপাত, অরাজকতা, সন্ত্রাস ও সহিংসতাকে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআ'লা বলেন, কেউ যদি কোনো মুসলমানকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করে, তাহলে তার শাস্তি চিরস্থায়ী জাহান্নাম। আর আল্লাহ তার প্রতি ক্রোধাণ্বিত হবেন, তাকে লা'নত করবেন এবং তার জন্য তিনি মহাশাস্তি প্রস্তুত করবেন। (সূরা নিসা- আয়াত নং ৯৩) আরেক আয়াতে আল্লাহ বলেন, নরহত্যা বা পৃথিবীতে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ডের অপরাধে অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া কেউ কাউকে হত্যা করলে সে যেন দুনিয়ার সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে হত্যা করল; আর কেউ কারও প্রাণ রক্ষা করলে সে যেন পৃথিবীর সমগ্র মানবগোষ্ঠীকে প্রাণে রক্ষা করল। (সূরা মায়িদাহ-আয়াত নং ৩২) হত্যা এমন একটি জঘন্য অপরাধ, যা আল্লাহর কাছে কঠিন ও মারাত্মক গুনাহ হিসেবে বিবেচিত এবং এর শাস্তি অত্যান্ত ভয়ানক। আল্লাহ তাআ'লা এই ব্যাপারে আমাদেরকে কুরআনুল কারিমে সতর্ক করেছেন। তিনি আরো বলেন, সরকার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল- ছাত্রদের কাউকে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হবে না, মামলাও দেবে না; কিন্তু সারা দেশে ছাত্রদের বিরুদ্ধে মামলা দেওয়া হচ্ছে এবং নির্বিচারে গ্রেপ্তার ও হয়রানি করা হচ্ছে। একদিকে সরকার সহানুভূতির কথা বললেও অন্যদিকে ছাত্র জনতার ওপর হামলা ও মামলা অব্যাহত রেখেছে। আমরা সরকারের এই আচরণের তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। দেশের এই উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে উত্তোরণের জন্য অবিলম্বে সরকারকে সব ধরনের রাজনৈতিক অপকৌশল, নির্যাতন, নিপীড়ন এবং অহেতুক হামলা ও মিথ্যা মামলার হয়রানি বন্ধ করতে হবে। সরকারের প্রতি তিনি জোর দাবি জানিয়ে আরো বলেন, দ্রুত সময়ে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেশের পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও স্থিতিশীল করুন। সাথে সাথে ছাত্রদের যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে তা বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে দেশে শান্তি শৃংখলা ফিরিয়ে আনুন। কোটা সংস্কার ছাত্র আন্দোলনে দেশজুড়ে যেই নির্মম নির্যাতন ও হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটেছে, তার নিরেপক্ষ তদন্ত নিশ্চিত করুন। সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য তদন্ত সাপেক্ষে দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ আইনানুগ ব্যবস্থা নিন। এছাড়া এখন পর্যন্ত যারা নিখোঁজ রয়েছে তাদের সন্ধান দিন এবং জনসম্মুখে দ্রুত হাজির করুন। তিনি বলেন, গত কয়েকদিনে দেশ ও জাতির জান-মালের যে সীমাহীন ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা বর্ণনা করা অসাধ্য ব্যাপার। এই সংঘাত এবং অরাজকতা এখনই বন্ধ করতে হবে। কালক্ষেপণ করার বিন্দুমাত্র সুযোগ নেই। মনে রাখতে হবে, এ দাবি এখন শুধুমাত্র ছাত্রদের দাবি নয়। এটা আজ জাতীয় দাবিতে পরিণত হয়েছে। তাই আমরা সরকার প্রধানসহ দায়িত্বশীল মহলের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি, আপনারা এ বিষয়ে সর্বোচ্চ বিনম্রতার পরিচয় দিয়ে সর্বাগ্রে ছাত্র জনতার যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নিন। এছাড়া প্রশাসনের দায়িত্বরত ব্যক্তিদের প্রতি আহবান থাকবে, বিক্ষোভকারী ছাত্র জনতার সাথে সর্বোচ্চ সহনশীল আচরণ করুন।

এদেশের প্রধান শত্রু ভারত কীভাবে আমাদের রক্ত দিয়ে তামাশা করছে, এদেশের হিন্দু সমাজ কেন চুপ এটাও স্পষ্ট হচ্ছে। বিবিসির আজকের নিউ
এদেশের প্রধান শত্রু ভারত কীভাবে আমাদের রক্ত দিয়ে তামাশা করছে, এদেশের হিন্দু সমাজ কেন চুপ এটাও স্পষ্ট হচ্ছে। বিবিসির আজকের নিউজটি দেখুন, “বিবিসির নিজস্ব অনুসন্ধানে বা ভারতেরও বিভিন্ন নির্ভরযোগ্য ফ্যাক্ট-চেকিং সাইটের প্রতিবেদনেও দেখা গেছে, এই সব ভিডিওর বেশির ভাগই অনেক পুরনো – যেগুলোকে বিকৃত ন্যারেটিভে পেশ করা হচ্ছে। এর অনেকগুলোতেই সম্পূর্ণ ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছে, কিংবা একটা ঘটনার ছবি বা ভিডিও সম্পূর্ণ অন্য ঘটনার বলে চালানো হচ্ছে। সোজা কথায়, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ঘটনাবলীর সঙ্গে সম্পর্কিত দাবি করে ভারতে যে সব পোস্ট ছড়িয়ে পড়েছে – তার বেশির ভাগই এখন ‘ফেক নিউজ’ বলে দেখা যাচ্ছে বা প্রমাণিত হচ্ছে। এই সব পোস্টের অনেকগুলোতেই দাবি করা হয়েছে ওই আন্দোলনের চরিত্র ছিল ‘হিন্দু-বিরোধী’ বা ‘ভারত-বিরোধী’, যদিও তার সমর্থনে কোনও নির্ভরযোগ্য প্রমাণ তারা দিতে পারেননি।”

আলিমগণের মজলুমিয়াতের ইতিহাস অনেক পুরানো। ছাত্ররা, তোমাদেরও আগে এই ভূখণ্ডে আলিমগণ নির্যাতিত হয়েছেন, হচ্ছেন। তাঁরা নির্যাতন-হত্
+1
আলিমগণের মজলুমিয়াতের ইতিহাস অনেক পুরানো। ছাত্ররা, তোমাদেরও আগে এই ভূখণ্ডে আলিমগণ নির্যাতিত হয়েছেন, হচ্ছেন। তাঁরা নির্যাতন-হত্যা-গুমের অভিজ্ঞতায় আমাদের পূর্বসুরি। তাঁরা সরাসরি এই আন্দোলনে নামলে বিশ্বব্যাপী যে সাড়া তোমরা পাচ্ছো, সেটা নাও পেতে পারতে। তাই নেপথ্যে থেকে তাঁরা তোমাদের সাথে ছিলেন। এখনও আছেন। আলেমরা নেই, এটা ভেবো না। তোমাদের আন্দোলনের সুবিধার জন্যই তারা সরাসরি নেই। গুটিকয়েক হাড্ডিখোর সমগ্র আলিমসমাজের প্রতিনিধি না। এই গুটিকয়েক পাচাটা তো আলিমদের রক্তের সাথেও বেঈমানি করেছে। অতএব, তাঁরা সবসময়ই তোমাদের সাথে আছেন।

আলেম সমাজ কি করতে পারেন? আলেম ও মাদ্রাসার ছাত্ররা দলবেঁধে রাস্তায় নামাটা এই সময়ে উপযুক্ত ও প্রজ্ঞাপূর্ণ কর্মসূচি নয়। কারণ এই পৃথিবীতে সাধারণ ছাত্র ও শিক্ষকদের রক্তের যেই মূল্য, সেটা আলেম, মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্রদের নেই। অতীতে অনেক ঘটনা এই বাস্তবতার সাক্ষী। তারা গ্রেপ্তার হলে তাদেরকে ছুটিয়ে আনার মতও কেউ থাকে না এই দেশে। তথাপি আলেমদের ভূমিকা ছাত্রদের পক্ষে থাকাটা নানাবিধ কারণে জরুরী। দলবেঁধে রাস্তায় না নেমে আলেমরা যা যা করতে পারেন: ১। রাজনৈতিক ও অরাজনৈতিক সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে কড়া বিবৃতি ও সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ছাত্রদের ৯ দফা বাস্তবায়নের পক্ষে অবস্থান প্রকাশ। ২। বিভিন্ন ফোরাম ( যেমন লেখক ফোরাম) থেকে বিবৃতি ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন। ৩। শহীদ পরিবার ও আহতদের সেবা প্রদান এবং সাক্ষাত। ৪। মসজিদে দোয়া ও আলোচনা। এই ক্ষেত্রে মুসল্লিদের সহযোগী ও সাহসী হতে হবে। মসজিদের ইমাম সাহেবকে সে পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে সুযোগ দিতে হবে কিংবা বাধ্য করতে হবে। পাশাপাশি ইমাম সাহেবকেও সাহদিকতার সাথে আন্তরিক ইচ্ছা রাখতে হবে। পাশাপাশি আগ থেকে টার্গেটেড মুসল্লিদের সাথে নিয়ে অবস্থান তৈরি করে রাখতে পারলে ভাল হয়। ৫। সোস্যাল এক্টিভিস্ট, জনপ্রিয় বক্তা, শিক্ষাবিদ, লেখক ইত্যাদি ব্যক্তিরা সাধারণ ছাত্র জনতার মাঝে গিয়ে বক্তব্য প্রদান। ৬। "নিপীড়ন বিরোধী আলেম সমাজ" এই শিরোনামে জনপ্রিয় ও তরুণ আলেমসহ ৫ নং উল্লেখিত ব্যক্তিদের মানববন্ধন। ৭। ইসলামী সঙ্গীত শিল্পীদের পক্ষ থেকে গানে গানে প্রতিবাদ কর্মসূচি। তবে এসব শান্তিপূর্ণ কর্মসূচীতেও বাঁধা ও আটকের মসিবত আসতে পারে। সেজন্য বিশৃঙ্খল ও বিচ্ছিন্নভাবে কিছু করা যাবে না। সুগঠিত হয়ে পোগ্রাম বাস্তবায়ন করতে হবে এবং গ্রেপ্তার এড়ানোর চেষ্টা সহ আইনী সহায়তার প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে হবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল, অত্যাধিক গরম হুমকি-ধমকি ও অগোছালো কিছু উচ্চারণ করা যাবে না। বক্তব্য, দাবি, শ্লোগান ইত্যাদি আগ থেকেই চিন্তা ও প্রজ্ঞার সাথে প্রস্তুত রাখতে হবে।

আগামীকাল জুম্মাতে মাজলুম জনসাধারণের জন্য দোয়া করতে মসজিদের ইমাম ও খতিবের সাথে মসজিদ কমিটিকে চাপ প্রয়োগ করুন। ইমাম সাহেবদের আশ্বস্ত করুন, আমরা যুবসমাজ আপনার সাথে আছি। আর কমিটিকে চাপ প্রয়োগ করুন। থ্রেটের উপর রাখুন, যদি দোয়া করতে না দেয়া হয় তাহলে তাকে কমিটির পদ থেকে বের করে দেয়া হবে। সে হবে খুনিদের সহযোগী। এলাকার যুব সমাজ আওয়াজ তুললে অবশ্যই কমিটি ভয় পেতে বাধ্য। আর প্রিয় ইমাম ও খতিব সাহেব হযরত! চিৎকার, চেচামেচি বা জ্বালাময়ী কোনো বক্তব্য আপনার থেকে এখন কাম্য না এবং দরকারও নেই। ঠাণ্ডা মাথায় মানুষকে জুলুমের গুনাহ, জুলুমের সহযোগী হওয়ার গুনাহ, ছাত্রদের দাবীর ন্যায্যতা, ইসলামে অন্যায়ভাবে খুন, গুমের গুনাহ ইত্যাদি বিষয়গুলো ঠাণ্ডা মাথায় মুসল্লিদের বলুন। সরকারকে নাম নিয়েই বলতে হবে, এমনটা জরুরি না৷ আপনি নিরপেক্ষভাবে শুধু বিষয়গুলোর উপর ফোকাস রাখুন। যদি হাজার হাজার সরকারি চাকরিজীবী চাকরি চলে যাওয়ার ভয় মাথায় নিয়ে আওয়াজ তুলতে পারে, যাদের অনেকের হয়তো এর পিছনে আখিরাতের প্রতিদানের কোনো পরোয়া নেই, আর আপনার সামনে আখিরাতের বিশাল প্রতিদান, রিজিকের মালিক আল্লাহ এমন স্পষ্ট ওয়াদা থাকা সত্ত্বেও আপনি কিছুই বলতে পারবেন না, বা ভয় পাবে এই ওজর কী আসলেই মেনে নেয়ার মত? মজলুমের সহযোগী হন, উম্মাহের সামগ্রিকতায় প্রাসঙ্গিক হোন, এতে আপনার ইজ্জত কমবে না, বরং সচেতন ইমাম হিসেবে ইনশাআল্লাহ ইজ্জত বাড়বে। আল্লাহ এদেশের ইসলাম ও মুসলমানের জন্য কল্যাণের ফায়সালা করুক। আমীন

বিজয় কখনো ভয় দিয়ে হয় না, তবে বিজয়ের অন্যতম শর্ত হলো সতর্কতা, সতর্কতা ও শত্রুর চালের পালটা চাল চালতে না পারলে হাজারো সম্ভবনা থাকলেও তা মাঠে মারা যাবে এটাই দুনিয়ার নির্মম সত্য। . সরকারের পিছনের যে মূলশক্তি তারা কিন্তু সরকারকে দিয়ে খুবই ঠাণ্ডা মাথায় তাদের পদক্ষেপগুলো নেয়াচ্ছে, এই বিষয়ে সকলের পূর্ণ সতর্ক থাকতে হবে, কয়েকটি ঘটনা আজ ঘটে গেছে . ১. জামাত-শিবির নিষিদ্ধ, হঠাৎ এখনই কেন নিষিদ্ধ করলো, এই বিষয়গুলো ছাত্র সমাজ, আলেম, আন্দোলনের সাথে যুক্ত সকলের খুব গোড়া থেকে বুঝতে হবে, দরকার হলে সরকারের ভিতরের আপনজনদের থেকে সরকারের মুল উদ্দেশ্য বুঝতে হবে। ২. মুক্তিযুদ্ধের পুতেরা হঠাৎ আজ কোটার পক্ষে মাঠে নামলো। স্বাভাবিক এদের সরকারই নামিয়েছে, কেন নামিয়েছে, সেগুলোর বাস্তবিক বিশ্লেষণ আন্দোলের সমন্বয়ক ও সমর্থকদের স্পষ্ট বুঝতে হবে, এই চাল কেন চাললো সরকার। ৩. যে কেউ আন্দোলনে একত্বতা জানালে অবশ্যই থাকে সাধুবাদ দিতে হবে, তবে তাদেরকে কাছে টানার ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে, বিশেষত, যাদের পূর্ব রেকর্ড আছে স্বার্থের জন্য দালালি করার তাদের বিষয়ে পূর্ণ সতর্ক থাকতে হবে, যেমন আজ নাটক-সিনেমার শিল্পীরা নেমেছে, এদের ব্যাপারে, যে সকল শিক্ষকরা সারাজীবন ছাত্রদের বিরোধিতা আর ক্ষমতার দালালি করছে তাদের এখন সমর্থনের উচু আওয়াজকে সন্দেহের দৃষ্টিতে দেখতে হবে। . একটি কথা মনে রাখতে হবে, আওয়ামীলীগকে যদি পলক, ওবাইদুল কাদের আর ঐ নারীর বাহ্যত আচরণ দেখে ফাতরা মনে করে অপরিনামদর্শী মনে করাই হবে পরাজয়ের অন্যতম কারন। কেননা তাদের সিন্ধান্তদাতারা দূর্বল নয়। তাই আন্দোলনকারী ও সমর্থনে এগিয়ে আসা প্রতিটি সদস্যকে পূর্ণ সজাগ থাকতে হবে। বিপরীত দলের প্রতিটি চালকে শেষ করে পালটা চাল দিতে পারলে বর্তমানে এগিয়ে থাকা এই ফলকে ঘরে তোলা সম্ভব। আল্লাহ এদেশের ইসলাম ও মুসলমানের সহায়ক হোক। আমীন।

মুসলিম বঙ্গ
মুসলিম বঙ্গ

এরপরেও খুনি বলা যাবে না!!
এরপরেও খুনি বলা যাবে না!!

আগষ্টের প্রথমদিনই এগুলো কি শুরু হলো!?
আগষ্টের প্রথমদিনই এগুলো কি শুরু হলো!?

আগষ্ট এই উপমহাদেশের জন্য বড়ই গুরুত্বপূর্ণ একটি মাস। বহু ইতিহাস এই মাসে সময়ে হয়েছে। সর্বশেষ, তালেবানদের বিজয় ছিলো। আর আমাদের জন্য এই আগষ্ট নতুন কি নিয়ে আসছে তা সময়ই বলে দিবো। আমরা আল্লাহর কাছে কল্যাণের জন্য সর্বাত্মক দোয়া করি।

বিশেষভাবে আলেম ও তালেবদের প্রতি বার্তা কিছু জরুরি কথা লিখব। একটা বার্তা জানতে পেরেছি। সেটাই জানাব। তার আগে ভূমিকাস্বরূপ কয়েকটা কথা বলি। লীগ কখনোই আলেমদের সুনজরে দেখেনি। এর ভুরিভুরি উদাহরণ আছে। এটা আপনারাও ভাল করে জানেন যে, ইসলাম ও মুসলিমদের আত্মপরিচয়কে এরা কতটা অপছন্দ করে। শুরুতে তারা চেয়েছিল, প্রশাসনকে না নামিয়ে শুধু ছাত্রলীগ দিয়ে ছাত্রদের দমন করতে। সেটা ব্যর্থ হবার পর চেয়েছে পুলিশ দিয়ে দমন করতে। সেটাও ব্যর্থ হবার পর বিজিবি নামিয়েছে। সেটাও ব্যর্থ হবার পর সেনাবাহিনী নামিয়েছে। আর বাদ রইলো কী? কিছুই না। এখন আর নামানোর মতো কিছু তাদের হাতে নেই। সর্বোচ্চ বল প্রয়োগ যা করার, সেটাও তারা করেছে। তবুও ছাত্র-জনতাকে নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। এই পর্যায়ে এসে তারা আপনাদের শরণাপন্ন হচ্ছে। আপনাদেরকে নিয়ে 'শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষায় আলেমদের করণীয়' বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করছে। তারা আপনাদেরকে পছন্দ না করলেও এটা বুঝে যে, আপনাদের মধ্যে অন্য মাত্রার একটা শক্তি লুকিয়ে আছে। আপনারা মিম্বার-মেহরাবের যিম্মাদার। এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষজন আপনাদের শ্রদ্ধা করে ও আপনাদের কথা শুনে। আজকে ধর্মমন্ত্রীর বাসায় কিছু চিহ্নিত তথাকথিত আলেমদেরকে নিয়ে 'শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষায় আলেমদের করণীয়' বিষয়ক সেমিনার করেছে। এই শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষার মানে কী সেটা আপনারা ভাল করেই জানেন। তবুও সংক্ষেপে বললে, শত শত নিহত মানুষের রক্ত ও আরও শত শত আহত চোখ হারানো/লেংড়া হওয়া মানুষের ক্ষতকে ভুলে যাবার প্রতি নিজ কওমকে আহ্বান করা। মূলত এটি শান্তি রক্ষা নয়, ভক্ষকদের রক্ষা করা। সম্প্রতি আমরা জানতে পেরেছি, কোন কোন এলাকার ইমাম/খতিব/মাদরাসার মুহতামিমদেরকে প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাতির করে দাওয়া করা হচ্ছে বিভিন্ন কমিউনিটি সেন্টার/হলরুমে। তাদেরকে কেন ডাকা হচ্ছে এটা জানা কথা। মুহতামিমদের প্রতি নির্দেশ থাকবে মাদরাসার ছাত্রদের যেন তারা নিষ্কৃয় করে রাখে, ইমাম/খতিবদের প্রতি নির্দেশ থাকবে তারা যেন কথিত শান্তি রক্ষায় সাধারণ মুসলিম জনতাকে নিষ্কৃয় হতে বলে। আপনারা কোন কালেই তাদের কাছে এত বরিত ছিলেন না। তাদের পায়ের তলায় আজ মাটি নেই এবং কোন কিছু দিয়েই জ্বলে উঠা আগুনকে নিভাতে পারছে না বলেই আপনাদের কাছে ধর্না দিচ্ছে। আপনারা এই ফাঁদে পা দিবেন না। পারলে সরাসরি মুখের উপর না করে দিবেন, না পারলে কৌশলে পাশ কেটে যাবেন। তবুও জালিমের জুলুমের পক্ষপাতিত্ব করবেন না। আল্লাহ তাআলা আপনাদের সবাইকে নিরাপত্তার চাদরে আবৃত করে রাখুন। আমীন।

বাঙ্গালী মুসলমানের মন! ঈমানী ঝলক দিয়ে উঠতেছে লাইনটি থেকে!
বাঙ্গালী মুসলমানের মন! ঈমানী ঝলক দিয়ে উঠতেছে লাইনটি থেকে!

আজকের হাড্ডি খাওয়া অনুষ্ঠানের অংশগ্রহণকারী দালালদের তালিকা ও সেখানের কারগুজারী “ধর্মমন্ত্রী মো. ফরিদুল হক খান বলেছেন, কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে আলেমরা খুবই দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়েছেন। দেশের শান্তি-সম্প্রীতি রক্ষায় আলেমরদের এভাবে সবসময় ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ” প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করতে হিবে আলেমদের যে আমরা উনার সাথে আছি, “ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি হুছামউদ্দিন চৌধুরী বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে আলেম- ওলামারা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেই আছেন সে বিষয়ে আলেমদের পক্ষ থেকে তাকে আশ্বস্ত করতে হবে। এছাড়া, মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা যাতে কোন সংঘাতে জড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়ে মাদ্রাসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।” দালালদের সংক্ষিপ্ত তালিকা : বায়তুল মোকারম জাতীয় মসজিদের খতিব মুফতি রুহুল আমিন, দারুল উলুম রামপুরা মাদ্রাসার মুহতামিম মাওলানা ইয়াহইয়া মাহমুদ, হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের নায়েবে আমির অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান চৌধুরী, জাতীয় ইমাম সমাজের সভাপতি মাওলানা আব্দুর রাজ্জাক আজহারী, ঢাকা নেছারিয়া কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা কফিল উদ্দিন সরকার সালেহী। আরও ছিলেন, বাহাদুরপুরের পীর মাওলানা আবুল হাসান আব্দুল্লাহ, তেজগাঁও রেলওয়ে মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা মুজিবুর রহমান ফয়জী, মাওলানা ওয়াহিদুজ্জামান নকশবন্দী মাওলানা মাজহারুল ইসলাম, মাওলানা মুস্তাকিম বিল্লাহ হামিদী, মাওলানা বেলায়েত হোসেন আল ফিরোজী, মাওলানা রুহুল আমীন সিরাজী, মাওলানা এমদাদুল্লাহ কাসেমী, নানুপুরের পীরের প্রতিনিধি মাওলানা শওকত বিন হানিফ ও সিলেটের সৈয়দ মবনু প্রমুখ।

এগুলো দেখলে শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যায়, ইংরেজরা কী রেখে যেতে চাইছিলো আর দায়ী আলেমরা তা কী বানিয়ে দিয়েছে!
এগুলো দেখলে শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যায়, ইংরেজরা কী রেখে যেতে চাইছিলো আর দায়ী আলেমরা তা কী বানিয়ে দিয়েছে!

গতকাল বলেছিলাম, সরকার শেষমুহুর্তে আলেমদের বেইজ্জতি করার চূড়ান্ত কাজ করে যাচ্ছে, আর সেটার সহযোগী হিসেবে কিছু হাড্ডিখোর কাজ করে
গতকাল বলেছিলাম, সরকার শেষমুহুর্তে আলেমদের বেইজ্জতি করার চূড়ান্ত কাজ করে যাচ্ছে, আর সেটার সহযোগী হিসেবে কিছু হাড্ডিখোর কাজ করে যাচ্ছে!

সলিমুল্লাহ আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। পুরোটাই শুনতে হবে। https://youtu.be/kWr9A5DgbSQ?si=EhaqDaqGrnfBczD3

সলিমুল্লাহ তো আগুন ধরিয়ে দিলো!