Abdullah bin bashir
الذهاب إلى القناة على Telegram
📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir
تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 319 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 895 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 063 في منطقة بنغلاديش.
📊 مؤشرات الجمهور والحراك
منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 319 مشتركاً.
بحسب آخر البيانات بتاريخ 30 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 60، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -1، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.
- حالة التحقق: غير موثّقة
- معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 14.01%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.87% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
- وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 587 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 665 مشاهدة.
- التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.
📝 الوصف وسياسة المحتوى
يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”
بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 31 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.
11 319
المشتركون
-124 ساعات
+47 أيام
+6030 أيام
أرشيف المشاركات
11 319
এই রমাদানের শুরুতে মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ক দুইদিনের দুটো দরস নেওয়ার তাওফিক হয়েছিলো। এক ভাই দরস সম্পর্কে নিজের একটি মন্তব্য এখানে বলেছেন, তার মন্তব্য কতটুকু যথাযথ আর কতটুকু অতিরঞ্জিত তা জানি না। তবে আপনারা মুনাসিব মনে করলে শুনতে পারেন।
প্রথম মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/11uun5V--u8bdCX6nTZiHD6vP379jKxBk/view
দ্বিতীয় মুহাজারা :
https://drive.google.com/file/d/13-OJRPneE5MdPcjEBFWP9kVFz7Zzp9bB/view
11 319
বিস্তারিত তো বই পড়ার পরেই বলা যাবে, তবে বইয়ের মূল লেখক ড. সামে আমেরিকে পূর্বে যতটুকু পড়েছি, তা থেকে এতটুকু বলতে পারবো, সে যে বিষয়ে কলম ধরে সে বিষয়ে সেটাই হয় সবচেয়ে বেষ্ট। আর বিজ্ঞানবাদ নিয়ে তো বাংলাভাষায় কোনো কাজ নেই বললেই চলে। তাই এটা মিস দিয়েন না। এটা প্রতিটি বিজ্ঞানমনস্ক ছাত্রদের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব।
11 319
প্রচলিত ইসলামি ব্যাংকিং বইয়ের ফ্রেশ দুটো কপি ইমার্জেন্সি দরকার আজকের মধ্যে, কোনো ভাই যদি ব্যবস্থা করে দিতে পারেন তাহলে চির কৃতজ্ঞ থাকবো।
.
বি.দ্র. বইটি প্রকাশনীতে স্টক আউট। ঈদের আগে নতুন প্রকাশের সম্ভবনা নেই।
যারা দিতে পারবেন এই নাম্বারে যোগাযোগ করবেন ইনশাআল্লাহ।
01727270406
11 319
রমজানের বরকতময় দিনগুলো ইবাদত ও আমলের ছায়ায় আমরা অতিক্রম করছি, আলহামদুলিল্লাহ। তবু গাযযার মাটিতে আমাদের মুসলিম ভাই-বোনদের ওপর ইসরাইলি বর্বর আগ্রাসন অব্যাহত রয়েছে, বরং প্রতিদিন তা আরও তীব্রতর হচ্ছে। প্রিয় ভাই, এই নিষ্ঠুর বাস্তবতা যেন আপনার ইবাদতে শিথিলতা না আনে, আমলের দ্বার রুদ্ধ না করে।
মনে রাখুন, আমাদের সৃষ্টিই করা হয়েছে আল্লাহ তাআলার ইবাদতের জন্য। এটাই চূড়ান্ত উদ্দেশ্য। আমরা হয়তো আমাদের ভাইদের সাহায্য করার ইবাদতে অক্ষম-অসহায়, আর আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তিনি কাউকেই তার সাধ্যাতীত দায়িত্ব দেন না’, কিন্তু এর কারণে যে ইবাদতগুলোতে আমাদের সক্ষমতা রয়েছে, সেগুলোয় যেনো আমরা পিছে না থেকে যাই। আর আল্লাহর কাছে আমাদের দুআর দরজা তো খোলা। হতে পারে, আপনার আমার অন্তর নিংড়ানো একটি দুআ আল্লাহর রহমত হয়ে গাযযাবাসীদের উপর বর্ষিত হবে। আমরা যদি সরাসরি তাদের সাহায্যে সক্ষম না হই, তবু অন্তত ইবাদতে অবিচল থাকি—এই বরকতপূর্ণ দিনগুলোর ইবাদত আমাদের হৃদয়ে হিম্মত ও সাহস সঞ্চার করবে, অন্তর আলোকিত করবে, গাফিলতি দূর করবে এবং সম্ভব হলে, আমাদেরকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর শক্তি যোগাবে।
আর যারা মুসলিমদের শত্রুদের সহযোগিতা করছে, কাফেরদের সাথে গাঁট বেঁধেছে, প্রকৃত লজ্জা তো তাদের পাওয়া উচিত! তাদের উচিত নিজেদের এই নিকৃষ্ট কর্মের প্রতি ঘৃণা অনুভব করা। এরা যেন জেনে রাখে—তাদের এই বিশ্বাসঘাতকতা কোনো সুফল বয়ে আনবে না; বরং এর ভয়াবহ পরিণতি তাদের নিজেদের ওপরই আপতিত হবে। এরা মূলত আল্লাহর শত্রুদের পক্ষ নিয়ে আল্লাহর বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। যেভাবে আল্লাহর ইবাদত করা উচিত, তারা সেভাবে শত্রু-নেতাদের ইবাদত করছে। এরপরও এই লোকগুলো নিজেদের অন্তঃসারশূন্য এই আমলের মাধ্যমে আল্লাহর রহমত ও জান্নাত প্রত্যাশা করে! অথচ আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আল্লাহ তো শুধু মুত্তাকীদের আমলই কবুল করেন।’ তাই, এদের জন্য সর্বোত্তম হলো এখনই আল্লাহর কাছে তাওবা করা, নতুবা লাঞ্চনা ও নিন্দা তাদের অবধারিত নিয়তি।
আর প্রথম দুই দলের ব্যাপারে কথা হলো, ‘কল্যাণময় কাজে আপনারা পরষ্পর প্রতিযোগিতা করুন, সর্বশক্তি দিয়ে চেষ্টা করুন।’
-ইয়াদ আল-কুনাইবি
অনুবাদ : জাহিদ হাসান
11 319
দুইদিন আগে তালেবদের হাতে বন্দি থাকা এক আমেরিকান নাগরিককে মুক্তি দিয়েছে তালেবান প্রশাসন। খবরের শিরোনাম ছিলো, ‘বিশেষ মানবিক কারণে এক আমেরিকানকে মুক্তি’। এর একদিন পরই আমেরিকা আফাগানের তিন মোষ্ট ওয়ান্ডেট হক্কানীদের ধরিয়ে দেওয়ার জন্য যে অর্থ ঘোষণা করেছিলো তা প্রত্যাহার করে নিয়েছে।
.
আফগান পাহাড়ি মোল্লারা বেশ কিছু আমেরিকানদের বন্দি করে রেখেছে শুরু থেকেই। দোহা চুক্তিতে তাদের মুক্তির বিষয়টি তালেবরা প্রত্যাহার করে৷
.
বিশ্লেষকরা শুরু থেকেই বলছিলো, এই বন্দিগুলো থাকার কারণে আফগান নয়, বরং আমেরিকাই তালেবদের কাছে চাপে আছে।
.
এখন একেকটি তুরুপের তাস ফেলছে আর একেকটি বিশাল বিশাল স্বার্থ উদ্বার করে নিচ্ছে।
.
বৈশ্বিক খেলায় মোল্লাদের মুভগুলো কতটা পরিপক্ষ তা এগুলো একটু গভির থেকে দেখলেই বুঝা যায়!
11 319
শাফিনের বুদ্ধিমত্তা ও মেধা বেশ ভালো। গত কয়েক দিনে ছেলেটিকে বেশ পছন্দ করে ফেলেছি। তার পর্যবেক্ষণশক্তিও চমৎকার। সে বলল-...
এখানকার ধনীদের অনেককে আপনি তুলনা করতে পারেন লখনৌর নবাবদের সাথে। ধনে কিংবা মনে-দুদিক থেকেই নবাবদের সমকক্ষ তারা। কিছু ক্ষেত্রে তো তারা নবাবদের চেয়েও এগিয়ে। নবাবরা শুধু বাইজি নাচাতেন, তারা বাইজি ও হুজুর একসাথে নাচান। তাদের বিলাসবহুল ভিলায় বাইজি ও হুজুর দু-দলকেই ডেকে নেয়া হয় সমান আন্তরিকতায়। ধর্ম কিংবা হুজুর কোনোটির প্রতিই তাদের বিশেষ আবেগ নেই, কাজ উদ্ধার হলে বাইজি ও হুজুর দু-দলকেই ছুঁড়ে ফেলা হয় সমান নির্মমতায়। ধর্ম এখানে প্রভাব বিস্তারের হাতিয়ার মাত্র, ধর্ম ছাড়া সামাজিক প্রভাবটা ঠিক জমে না।
এ জন্য দেখবেন সবাই-ই দু-হাতে ধর্মের পৃষ্ঠপোষকতা করছে।
আন্তর্জাতিক নাহু-সরফ সম্মেলন হোক কিংবা তারকীব মেরামত সেন্টার-সবকিছু পরিচালিত হয় তাদের বদান্যতায়। তারা আসেন বিনীত ভঙ্গিতে, অনুচ্চ স্বরে বলেন-পরকালের সঞ্চয় হিসেবে এই সামান্য কাজগুলো করছেন, আল্লাহ যদি কবুল করেন সেটাই হবে জীবনের বড় পাওয়া। মুহুর্মুহু হাততালিতে তাদের কণ্ঠ প্রায় চাপা পড়ে যায়, মালিকুদ্দৌলাহ ও ইয়ামিনুদ্দৌলাহ খেতাবে ভূষিত করা হয় তাদের, ঠিক তখনই হয়তো দুজন দরিদ্র ব্যক্তি তাদের মালিকানার জমি হারান, একজনকে উচ্ছেদ করা হয় তার ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থেকে, কাউকে ঘর থেকে ডেকে নিয়ে খুন করা হয় নির্মমভাবে। মজলুমরা ছুটে আসেন তারকীব মেরামত সেন্টারের মালিকের কাছে; যিনি একটু আগেই জালিমকে ইয়ামিনুদ্দৌলা উপাধি দিয়েছিলেন। মেরামত সেন্টারের অধিপতিরাও খেলা শিখে গেছেন। কী করে দুদিকে সন্তুষ্ট রাখতে হয়, সেই শিক্ষা তো জালিমের কাছ থেকেই পেয়েছেন তারা। অশ্রুভেজা কণ্ঠে মজলুমকে সাথে নিয়ে মুনাজাত ধরেন তারা, আল্লাহ, জালিমকে ধ্বংস করে দিন। মজলুমের জন্য উত্তম ফয়সালা করুন। মজলুম বিদায় নিলে জালিমকে কল করে তারা জিজ্ঞেস করেন, ভাইজান, ঠিকমতো বাসায় পৌঁছাতে পেরেছেন তো? পথে কোনো সমস্যা হয়নি তো?'
বুঝলাম, শাফিন একটু উত্তেজিত হয়ে পড়ছে। মৃদু কণ্ঠে বললাম-
'তবে তাদের দ্বারা কিছু কাজও তো হচ্ছে। এই হিসেবে বিষয়টি ইতিবাচক।'
'হ্যাঁ, অবশ্যই ইতিবাচক। ইতিবাচক বিষয়ের তালিকা তো অনেক লম্বা। সবকিছু আমার জানাও নেই। আপনি দেশে থাকাকালে যদি আন্তর্জাতিক নাহু-সরফ সম্মেলন হয়, তাহলে আপনাকে নিয়ে যাব। সেখানকার আয়োজকরা আপনাকে এমন হাজার হাজার ইতিবাচক দিক শুনাতে পারবে।' কণ্ঠে কিছুটা শ্লেষ মিশিয়ে বলল শাফিন। আমি আর কথা বাড়ালাম না।
হোটেলে ফেরার পথে শাফিনের সাথে নানা বিষয়ে আলোচনা হচ্ছিল।
কথায় কথায় সে জানাল, সমালোচনার ব্যাপারে বাংলাদেশের লোকজন কিছু অদ্ভুত ধারণা পোষণ করে। বেশিরভাগ লোকজন চায় অন্যকে প্রকাশ্যে সমালোচনা করতে; কিন্তু কেউ তার সমালোচনা করুক-এটা সে চায় না। অন্যকে সমালোচনা করার সময় তারা ইহকাকুল হক ও ইবতালুল বাতিলের শিরোনাম দেয়, এবং সবাইকে বলে দ্বীনের স্বার্থে এই সমালোচনা গ্রহণ করতে। কিন্তু তার নিজের বিপক্ষে কোনো সমালোচনা এলে সে এটাকে হিংসা-বিদ্বেষ বলে চালিয়ে দেয়। অন্যের সমালোচনা প্রকাশ্যে করতে আগ্রহী হলেও নিজের ব্যাপারে সবাই চায় সমালোচনা গোপনে হোক। শাফিন জানাল, অনেক সময় লোকজন বলে বসে, আপনি সমালোচনা করার আগে তার সাথে আলোচনা করেননি কেন? কিংবা ইনবক্সে জানাতে পারতেন। এই কথাটি তখনই বলা হয়, যখন নিজের বা নিজের দলের কারও বিরুদ্ধে সমালোচনা হয়। বিপক্ষ দলের ক্ষেত্রে প্রকাশ্য সমালোচনাকে সবাই-ই উৎসাহ দেন।
*ইবনে বাতুতার বাঙ্গালাহ সফর ২.০
লেখক: ইমরান রাইহান
প্রকাশন : উমেদ প্রকাশন
11 319
আজ যারা বসুন্ধারার আয়োজনে গিয়েছেন, তাদের একটা সম্ভাব্য তালিকা যদি কোনো ভাই দিতেন, বা করতে পারতেন, তাহলে আমার জন্য বেশ উপকার হতো। বিশেষত যে মুরব্বি এই আয়োজনের মূলে ছিলো, অথবা যে আয়োজনের দায়িত্বে ছিলো তাদের নামটা দিলো ভালো হতো, আমি এই জীবনে তাদের দরসে কস্মিনকালেও বসতাম না। আমার কোনো ছাত্রকেও এদের কাছে পাঠানো থেকে বিরত থাকতাম।
.
তরুন যে আলেমরা গেছেন তাদের তালিকাটা বিশেষভাবে দরকার। যেনো এদেশের সামনের গাইরাতহীন মুরব্বিগুলোকে এখন থেকেই চিনে রাখতে পারি।
11 319
যারা বসুন্ধারার মালিকদের মত ভূমিদস্যু ও সন্ত্রাসীদের গুণগান গায় তারা আর যাইহোক, এদেশের ইসলাম ও মুসলমানদের মুরব্বি হওয়ার যোগ্যতা রাখে না৷
দিলে পাথরের থেকেও ভারি কিছু রেখে হলেও এই সত্য মানতে হবে!
.
11 319
পশ্চিম ও পশ্চিমের মানব সন্তানরা আফগানের নারী শিক্ষা নিয়ে কত যে হামতাম করে তা সকলেই জানি। কিন্তু নিরপেক্ষতার ধ্বজাধারীরা কখনোই দুমুখী কথা শুনবে না।
.
আফগানের নারী শিক্ষা নিয়ে আরবী ভাষায় খুব চমৎকার একটি ডকুমেন্ট তৈরি করেছে ‘আফগানিস্তান বিল-আরাবিয়্যাহ’। ডকুমেন্টটা যারা পারেন সুন্দর বাংলা সাবটাইটেল যুক্ত করে ছোট ছোট ক্লিপ তৈরি করে প্রচার করা উচিত।
https://youtu.be/1QV_DDk7DzI?si=8rDcO3FU7hJPBzVR
11 319
বিভিন্ন নিউজ থেকে যে তথ্য আসছে, সোমালিয়ায় শাবাবের যোদ্ধারা বিভিন্ন পথ দিয়ে রাজধানীতে প্রবেশ করছে দ্রুতবেগে। যদি আল্লাহর তাকবিনি নেজাম ভিন্ন না হয় তাহলে ইনশাআল্লাহ দ্রুতই আফ্রিকা থেকে নতুন সংবাদ আসবে।
.
জামাতে ইসলামের তুর্কি ফ্যানবয় ভাইরা আফগানের তালেবান শাসনকেও উগ্র ইসলাম হিসেবেই দেখে। তুর্কীতে থাকা ইসলাম নিয়ে গবেষণা করা জামাতের বড় বড় পিএইচডি হোল্ডাররা এগুলো প্রকাশ্যেই লেখে। সুতরাং, সোমালিয়ার শাবাবদের যে এরা আরো উগ্র হিসেবে দেখবে, লেখালেখি করবে, ভিতরে ভিতরে জ্বলে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবে, এটাই স্বাভাবিক। তাই পেরেশানীর কিছু নেই।
.
11 319
মূলত নিউজটা ছিলো এমন, ‘ইজরাইলকে ধ্বংস করতে হামাসকে ড্রোন ও সামরিক সহায়তা দিয়েছে মুসলিম বিশ্বের অবিভাবক এরদোয়ান।’
কিন্তু উগ্রবাদীরা মিথ্যা সংবাদ ছড়িয়ে এই মহান মানুষকে বদনাম করছে।
11 319
সমস্ত ইহুদিদের একদিন আমরা ফিলিস্তনের ভুখণ্ডে হত্যা করবো। ওদের প্রতিটি পুরুষ-নারী-বৃদ্ধ, সবাইকেই হত্যা করবো। সেদিন কোনো সুশীলের সুশীলতা দেখার আমাদের প্রয়োজন হবে না ইনশাআল্লাহ।
.
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই ভবিষ্যদ্বানী নিয়ে ইনশাআল্লাহ সেদিন আর কোনো মুমিনের অন্তরে কোনো খটকা থাকবে না। কারণ এর আগেই মুমিন-মুনাফিকের পথ আলাদা হয়ে যাবে।
11 319
পাকিস্তান আর্মির কারনামা! হাহা! ইসলামের ওয়াহেদ সেনাবাহিনী!!
https://madhyaprachya.com/2025/3011/
11 319
ইসলামি শাসনব্যবস্থা এতটাই জনবান্ধন ও মানবজাতীর জন্য উপকারী যে, আপনার শত্রুও আপনার প্রশংসা করতে বাধ্য।
.
নীচের নিউজটি দেখুন, মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের সুস্থ করে, কর্ম শিখিয়ে প্রায় পঁচিশ হাজার করে টাকা দেওয়া হচ্ছে যেনো, সেই মানুষগুলো ব্যবসা করতে করতে পারে!!
কল্পনা করা যায় এগুলো!
.
কালবেলার মত পত্রিকাও বলছে, এটা ইসলামি সুশাসনের ফল! এবার বুঝেন অবস্থা!!
https://youtu.be/MRqGi94i2zo?si=14KjEHdWtQokDum0
11 319
কাফের বলতে কাদিয়ানী, হিযবুত তাওহীদ, সেকুলার, লিবারেল ও গণতন্ত্রের মৌলিক আদর্শে বিশ্বাসী সবাই অন্তর্ভুক্ত।
বইটি যদি সংগ্রহ করতে চান আরকি,
https://www.facebook.com/photo/?fbid=1129317652538460&set=a.602514198552144
11 319
হাটহাজারী মাদরাসার দাওয়াহ বিভাগের দায়িত্বশীল মাওলানা সাইদ আহমদ সাহেব, এই ফতোয়া দিয়েছেন। শুধু, এই ধরনের কথা বলার কারণে কত আলেমকে দাঁড়িটুপি পড়া মানুষরা...
