Abdullah bin bashir
الذهاب إلى القناة على Telegram
📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir
تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 319 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 895 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 063 في منطقة بنغلاديش.
📊 مؤشرات الجمهور والحراك
منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 319 مشتركاً.
بحسب آخر البيانات بتاريخ 30 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 60، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -1، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.
- حالة التحقق: غير موثّقة
- معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 14.01%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.87% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
- وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 587 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 665 مشاهدة.
- التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.
📝 الوصف وسياسة المحتوى
يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
“প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট”
بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 31 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.
11 319
المشتركون
-124 ساعات
+47 أيام
+6030 أيام
أرشيف المشاركات
11 319
আমাদের সাথে জামিয়া আবু বকরে পড়েছেন, দীর্ঘদিন যাবত কুরআনের খেদমত করছেন, আজ ভাইটি খুবই অসুস্থ। হার্টে রিং পড়ানো লাগবে। অপারেশনসহ যাবতীয় খরচ লাগবে প্রায় তিন লক্ষ টাকার উপরে। স্বল্প বেতনে চাকরি করা ভাইয়ের জন্য এটা অসম্ভব প্রায়। আমরা সকলে যদি সামান্য কিছু করে এগিয়ে আসি তাহলে ইনশাআল্লাহ ভাইয়ের অপারেশনের টাকাটা মেনেস হয়ে যাবে।
আমি ব্যক্তিগতভাবে টাকাটা উঠাচ্ছি, যারা ভাইকে সাহায্য করতে ইচ্ছুক নিম্নের নাম্বারে টাকাটা পাঠাবেন।
.
01866067867
.
বি.দ্র. এই ফাণ্ডে যাকাতের টাকাও দেওয়া যাবে।
11 319
দ্বীনকে বিজয় করতে চাই এমন প্রত্যেক ভাই কেনো আমরা ইতেকাফ করবো?
.
আপনি যে কালিমা বিশ্বাস করেন, এই কালিমাই আপনাকে পুরো পৃথিবীর সকল শক্তির শত্রুতে পরিনত করেছে। একজন মুসলমান যতই নিজেকে সুশীল ও সহনশীল ইত্যাদি হাবিজাবি পরিচয় দিক, সে শুধু একটি কালিমা—লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ, এই কথাটুকু বিশ্বাস করার কারণে শত্রুতে পরিনত হয়েছে তামাম দুনিয়ার সকল শক্তির সাথে। এই শত্রুতা এই কালিমা ত্যাগ করা পর্যন্ত চলতেই থাকবে।
কালিমার এই শত্রুদের শক্তির ব্যাপারে আমাদের ধারণা নাই বললেই চলে। আমি যতই সচেতন হই, পৃথিবীর যেখানে ও যত সুরক্ষিত জায়গায় থাকি, এই কালিমার শত্রুরা আমাকে ধ্বংস করার সক্ষমতা রাখে।
.
বিপরীত দিকে এই কালিমার মাধ্যমে আমি বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নিয়েছি এমন এক মহান শক্তিধর সত্তাকে, যিনি আসমান ও যমীনের সৃষ্টিকর্তা। যার আদেশ ছাড়া একটি গাছের পাতাও নড়ে না৷ কালিমার শত্রুদের সকল শক্তি যদি এক সাথে করা হয়, তাহলে কালিমা পড়ার দ্বারা যাকে বন্ধু বানিয়েছি, তার সামনে একটি মাছির ডানার সমানও কোনো মূল্য রাখে না৷
এই বন্ধু যদি সিন্ধান্ত নেন আমাকে জীবিত রাখার, তাহলে তামাম দুনিয়ার সকল শত্রু তাদের হাজারো প্রচেষ্ঠার সবটুকুর সর্বোচ্চ দিলেও আমার একটি পশমও ছিড়তে পারবে না৷
আর ইতেকাফ হলো সে শক্তিধর রবের সাথে সম্পর্ক করার সবচেয়ে সহজ একটি মাধ্যম। পুরো দশটিদিন সে মহান রবের ঘরে, দুনিয়ার সকল সম্পর্ক ছিন্ন করে আমি তাকে পাওয়ার জন্য যখন বসে যাবো, তখন অবশ্যই তিনিই হয়ে যাবেন আমার জন্য যথেষ্ট। এটাই হলো ইতিকাফের গূঢ় রহস্য। দেখুন ইবনে রজম হাম্বলি ইতিকাফের এই গূঢ় রহস্যের কথাই বলছেন ইতিকাফের পরিচয়ে,
قطع العلائق عن الخلائق للاتصال بالخالق
স্রষ্টার সাথে সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য সৃষ্টির সাথে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করাই হলো ইতেকাফ। -লাতায়েফুল মাআরেফ
.
মনে রাখবেন, কালিমার এত বিশাল শক্তিধর শত্রুর বিরুদ্ধে লড়তে হলে কালিমার মাধ্যমে বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করে নেওয়া আমার রব আল্লাহ সুবহানু ওয়া তাআলার সাথে সম্পর্ক বাড়ানো ছাড়া আমাদের হাতে বিকল্প কোনো অপশন নেই। রবের সাথে সম্পর্ক ছাড়া এক মুহুর্তও আমি আমার শত্রুর বিরুদ্ধে দাঁড়াতে পারবো না। আর যখন সম্পর্ক হয়ে যাবে, তখন আমার শত্রু হয়ে যাবে আমার সামনে মৃতজন্তুরূপ!
.
তাই দ্বীনের বিজয় যদি বাস্তবিকই আমি চাই, আমার জন্য ইতেকাফে বসা বাধ্যতামূলক করে নিতে হবে।
.
এতটুকুই কী আমাদের জন্য যথেষ্ট নয়, যে রাসুলকে সে মহান রব দ্বীনকে বিজয়ের জন্য প্রেরণ করেছেন, যার ব্যাপারে ঘোষণা করেছেন, মহান শক্তিধর রব তাকে নিজে সকল বিপদ থেকে রক্ষা করবেন, সে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি মদিনায় যাওয়ার পর কখনো ইতিকাফ ছাড়েন নি। দ্বীনকে বিজয় করার মহান দায়িত্ব ও ব্যস্ততা তাকে ইতিকাফ থেকে কখনোই বিরত রাখতে পারেননি! তাহলে আমি কেনো ইতিকাফ ছেড়ে দিবো? কোন অজুহাতে ছাড়বো!...
.
আল্লাহ আমাদের প্রতিটি ভাইকে দ্বীনের বিজয়ী সৈনিক হিসেবে কবুল করুক। আমীন৷
11 319
ইফতারির খাওয়ার আগের দোয়া তো আমরা খুব পড়ি, কিন্তু ইফতারি খাওয়ার পর যে দোয়া আছে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ইফতারি খাওয়ার পরও দোয়া পড়তেন, সে দোয়া পড়ার চর্চা আমাদের ভিতর নেই। অথচ সনদের বিচারর ইফতারির আগের দোয়া থেকে পরের দোয়া পড়ার রিওয়ায়েত বেশি মজবুত।
আমাদের ইফতারির আগের দোয়া পড়ার মত পরের দোয়া পড়ারও একটা পরিবেশ করে তুলতে হবে।
-মুফতি আব্দুস সালাম সাহেব দা.বা.
ফরিদাবাদ মাদরাসা
11 319
আমি পাকিস্তানকে ইসলামি রাষ্ট্র মনে করি না৷ যারা এটাকে ইসলামি রাষ্ট্র মনে করে তাদেরকে আমি মুবাহালার আহবান করলাম, আমি মুফতি তাকী উসমানী, ফজলুরসহ আরো যত আলেম পাকিস্তানকে দারুল ইসলাম মনে করে, তাদেরকে মুবাহালা ও বহসের জন্য চ্যালেঞ্জ করলাম।
.
আমি আফগান তালেবান ও পাক তালেবান উভয়কেই হক ও প্রকৃত মুজাহিদ মনে করি। যারা এদেরকে ভুল, বা খারেজি মনে করে তাদেরকে আমি চ্যালেঞ্জ করলাম, আসুন বসুন আমার সাথে।
আসুন, আমরা উভয় মুবাহালা করি, যদি আমি ভুল হই, তাহলে আল্লাহ যেনো আমাকে ধ্বংস করে দেয়, আর আপনারা ভুল হলে আল্লাহ আপনাকে ধ্বংস করে দেয়।
.
মৃত্যু তো একদিন সবাইরই আসবে, কেউ তা থেকে বাঁচতে পারবো না। আমাদের উচিত, সত্যি কথা বলা। সত্যকে স্বীকার করে যাওয়া।
-মাওলানা আব্দুল আজিজ গাজি হাফিজাহুল্লাহ
খতিব, লাল মসজিদ, ইসলামাবাদ, পাকিস্তান
লিংক :
https://youtu.be/-wgCWWKKLYQ?si=mmMfRVKtFLsKZlhW
11 319
Repost from Shamsul Arefin Shakti Official
বাতিলের নানান আদর্শিক লেয়ার আছে। হকের কোন লেয়ার নেই। বাতিলের সাথে নানান মাত্রায় হক মিশ্রিত থাকলেও দিনশেষে সেটা বাতিলই। হকে বাতিলের সামান্যতমও মিশ্রণ থাকবে না। এই দীনকে নবিজি যেভাবে বুঝেছেন ও বুঝিয়েছেন। সাহাবিরা তাঁর থেকে যেভাবে বুঝেছেন ও মেনেছেন, ঐটাই হক। অবিমিশ্র হক।
পরবর্তী যুগে নতুন নতুন সমস্যায় আলিমদের মাঝে দলিলভিত্তিক মতপার্থক্য হয়েছে সেগুলোও হক। কেননা তা কুরআন-হাদিসের দলিলভিত্তিক মতভেদ।
বাতিল বন্ধু হিসেবেও আসতে পারে। আবু তালেব থাকবে, গিরিপথে বয়কটে সাহায্যকারী মমতাময় মুশরিক থাকবে, খৃষ্টান বাদশাহ নাজাশী থাকবে (অমুসলিম অবস্থায়), আকাবার বাইআতের আগে নানান আকৃষ্ট গোত্র থাকবে যারা বুঝতেসে নবিজি হক কিন্তু গ্রহণ করবে না, অত্যধিক বিবেকবান কাফির থাকবে, থাকবে আবু জাহল-আবু লাহাব। দিনশেষে এরা সবাই বাতিল। সবাই একটা বিষয়ে একমত : লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, মুহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ-কে মানা যাবে না। আপনাকে অনেক আদর করবে, অনেক পক্ষে বলবে, কিন্তু আপনার মূল এজেন্ডার সাথে আবু তালেবও ঐ পরিমাণই দ্বিমত, যে পরিমাণ আবু জাহল।
অবশ্যই সবার সাথে আমাদের আচরণ সমান হবে না। কিন্তু আদর্শিক ক্ষেত্রে এটা মনে রাখতে হবে। এরা কেউ আল্লাহকে সার্বভৌম (ভাবার্থে ইলাহ) এবং নবিজিকে সুপ্রিম লীডার (ভাবার্থে রাসূল) মনে করে না। আল্লাহ-রসুলকে সেকেলে মনে করে, অচল মনে করে। যারা আল্লাহকে ইলাহ ও নবিজিকে রসুল পুরোপুরি মেনেছে ও সঠিক স্থানে অধিষ্ঠিত করতে চায়, তাদেরকে এরা লীগ বা শাহবাগের চেয়েও বড় শত্রু মনে করে। আদর্শের জায়গায় এরা সব এক।
এজন্যই কেউ শাপলাকে বাংলাদেশ দিয়ে রিপ্লেস করে, কেউ শাপলাকে ইনসাফ-ইনকিলাব জাতীয় অস্পষ্ট শব্দে নাকচ করে। কেউ শাপলাকে আবারও ম্যাসাকারের হুমকি দেয় এবং এজন্য শাপলাই দায়ী মনে করে। কেউ শাপলার গণহত্যাই প্রাপ্য মনে করে, হাসিনাকে এজন্য অন্তত কৃতজ্ঞতা দেয়। এরা সবাই ঐ জায়গায় এক। সব মানবো, শুধু আল্লাহ-রসুলকে দূরে রেখে আসো, এখানে এনো না। সেক্যুলারিজমকে নাপাক করো না ওনাদেরকে এনে। তাহলেই তোমাদের সাথে ডায়লগ হবে, তোমাদেরকে স্টেক দেবো, হাত গুটাবো না। শাপলাটা রেখে এসো। শাপলা এখন আর চলে না।
11 319
Repost from Reality Check BD
এক সময়ে এই ঢাকা ইউনিভার্সিটি শাহবাগকে তার বুকে জায়গা দিয়েছিল! আজ সেই ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকেই শাহবাগের কবর দে ... ভেসে আসছে! প্রশ্ন করুন কেন? এসব ঘটনা কেবল ঘটে যাবার জন্য, ফেসবুকে লাইক শেয়ার দেয়ার জন্য ঘটেনা। এগুলো আমাদের অনেক কিছু শিখিয়ে দিয়ে যায়। আমরা যদি তা ধরতে ব্যর্থ হই তবে মাশুল আমাদেরকেই দিতে হবে।
11 319
প্রমাণ পাওয়ার পরেও কী এদেশের হুজুরদের হত্যার অপরাধে কাউকে শাস্তি দেওয়া হবে?
11 319
ইসলামে মুরতাদ থেকে যিন্দিকের বিধান কঠোর। কারণ মুরতাদের বিষয়টা স্পষ্ট থাকে। সবাই বুঝে, অমুকে ইসলাম ধর্ম ত্যাগ করেছে। কিন্তু যান্দাকা হলো নিজের কুফরকে ইসলামের আবরণে প্রকাশ করা, যার কারণে সাধারণ মানুষ যিন্দিকদের ধোকা বুঝতে পারে না৷ ফলে তাদের ধোকায় পড়ে নিজেদের ঈমান খুইয়ে ফেলে।
.
মাহফুজ যে পালংবাদের অনুসারী ফিকহে ইসলামের দৃষ্টিতে এটা যান্দাকার অন্তর্ভুক্ত। কারণ নদিয়ার ইসলাম ইত্যাদি এগুলো মূলত কুফর, যা ইসলামের নামে মানুষকে গিলানো হয়।
.
মাহফুজ মূলত এই যান্দাকাকে খুবই চাতুরতার সাথে মানুষকে খাওয়াবে, মানুষের ঈমান হরণের চেষ্টা করবে, এবং এই সবকিছু করবে জুলাই বিপ্লবের দোহাই দিয়ে।
.
তাই মাহফুজকে শক্তিশালী হতে দেওয়ার আগেই ওর কোমর ভেঙ্গে চিরতরে পঙ্গু করে দিতে হবে৷
.
জুলাইয়ের সমন্বয়করা যদি এদেশের রাজনীতির ‘র’ও ঠিকমতো বুঝে, মানুষের ভালোবাসা নিয়ে এদেশে রাজনীতি করতে চায় তাহলে মাহফুজকে তাদের সরাতেই হবে। অন্যথায় অচিরেই তারা হাসিনার মত বা তার থেকেও বেশি ঘৃণার পাত্র হবে।
11 319
মাহফুজ এদেশের মুসলিমদের জন্য এক ভয়ংকর শত্রু৷ এবং ইসলাম ও ওয়েস্ট সম্পর্কে পড়াশোনা করা শত্রু। তার ব্যাপারে কোনো জাহালাতের ওজর চলবে না৷ তাকে শত্রু মনে করা এদেশের প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য।
হাঁ, এই শত্রুর সাথে কীভাবে ডিল করা হবে, তার হাত থেকে ও তার তৈরি দলের হাত থেকে ইসলাম ও মুসলমানকে কীভাবে রক্ষা করতে হবে, এটা দায়িত্বশীলরা নিজেদের অবস্থান ও শক্তি ভেদে ভিন্নরকম সিন্ধান্ত নিবে, তবে তাকে শত্রু যারা মনে করবে না, তারা অবশ্যই এদেশের মুসলিমের প্রতিনিধি হওয়ার যোগ্যতা রাখবে না। সে ভিন্ন কোনো কমিনিটির হয়তো প্রতিনিধি, যে নিজেকে মুসলিমদের প্রতিনিধি সাজিয়ে মুসলিমদের ধোকা দিচ্ছে৷
11 319
একজন সাধামাটা মোল্লা কীভাবে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ গোয়ান্দা বাহিনীকে যাষ্ট মূলা খাইয়ে তাদের সামারিক ঘাটি উড়িয়ে দিলো!
এফবিআইয়ের সাবেক এজেন্ট কামরান ফরিদির এই পডকাস্ট শুনে অবিশ্বাস্য এক অনুভূতি নিয়ে বসে আছি!
https://youtu.be/eS8ZmovY7vo?si=D7QLdY3i5FOkhsv9
11 319
তাহাজ্জুদ বিষয়ক এই বইটা দিলে বেশ আগ্রহ তৈরি করে। রমাদানের মাস, কিয়ামুল লাইলের মাস—তারাবিহ, তাহাজ্জুদের মাস।
এই অফারে বইটি সংগ্রহ করতে পারেন। ইনশাআল্লাহ ফায়দা হবে।
অর্ডার লিংক :
https://www.facebook.com/share/15uZ3whmsu/
11 319
মাহফুজের বিরোধিতা আমি কেন করি এবং কেন তাকে ক্ষতিকর মনে করি? একটা ঘটনা বলি৷ তাহলে বুঝবেন।
আপনারা জানেন যে, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সংস্কার নিয়ে আমরা জুলাই-পরবর্তী সময়ে কিছুদিন আন্দোলন করেছিলাম। এই সংস্কারের জন্য অনেকগুলো বিষয়ের সাথে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় ছিল ইফাতে যোগ্য একজন ডিজির নিয়োগ। এটা হলে সংস্কারের কাজ অনেক সহজ হতো এবং ইফা তার মূল চরিত্রে ফিরে আসতে পারত। কারণ সরকারী এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অতীতে বহু খেদমত হয়েছে, এখনো হবার মতো প্রচুর সুযোগ আছে। কিন্তু অযোগ্য আর দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কারণে সেটা হচ্ছে না৷ আমরা ধর্ম উপদেষ্টার কাছেও লিখিতভাবে এই দাবীগুলো পেশ করেছিলাম। তিনিও আশ্বাস দিয়েছিলেন এবং চেষ্টার ব্যাপারে আন্তরিক ছিলেন।
সেই সময় ঢাকা ইউনিভার্সিটির একজন অধ্যাপক, যিনি আবার আলেমও, ইফার ডিজি হিসেবে নিয়োগের কাজ অনেকদূর এগিয়ে যায়। তিনি ধর্মীয় এবং জেনারেল উভয় লাইনেই পড়াশোনা করা মানুষ হবার পাশাপাশি জুলাই আন্দোলনেও সরব ছিলেন। সবমিলিয়ে তার নিয়োগপত্র প্রায় চূড়ান্ত ছিল৷ তার নিয়োগের ব্যাপারে ধর্মউপদেষ্টার পক্ষ থেকে সাক্ষরকৃত ফাইল চলে যায় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে। আমরা চূড়ান্ত মুহুর্তের জন্য অপেক্ষা করতে থাকি। কিন্তু সেই মুহুর্ত আর আসে না৷ পরে জানতে পারি, মাহফুজ আলমের কারণে সেই ফাইল ওখানে আটকে দেওয়া হয় এবং ইফার ডিজি হিসেবে তার নিয়োগও স্থগিত হয়৷ এর পরিবর্তে কিছুদিনের জন্য একজন সচিবকে সাময়িক সময়ের জন্য ডিজির পদে নিয়োগ দেওয়া হয়, পরে অন্য একজন আসে।
মাহফুজ চায়নি এই প্রতিষ্ঠান পুরোপুরি ঐতিহ্যবাদী কোন 'মোল্লা' এর হাতে চলে যাক। এতে করে ইসলামপন্থীরা শক্তিশালী হবে ও তাদের কর্মতৎপরতা বৃদ্ধি পাবে৷ এটা সে কোনভাবেই চায় না৷ হয়ত এর কারণে তার 'নদীয়ার ইসলাম' প্রচার-প্রসার বাধাগ্রস্ত হবে৷ (তার এই না চাওয়ার আরো একটা ঘটনা আপনারা অনেকেই জানেন৷ যেটা লিখেও পরে আবার কোন এক কারণে সরিয়ে ফেলতে হয়েছিল আমাদেরকে।)
ইফার মাধ্যমে ইসলামের জন্য এদেশে সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক কী পরিমাণ কাজ করা সম্ভব এটা আমাদের কল্পনারও বাইরে। কিন্তু বছরের পর বছর এই প্রতিষ্ঠানটাকে পঙ্গু বানিয়ে রাখা হয়েছে। পঙ্গুত্ব কাটিয়ে ওঠার যে সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল সেটাকেও মাহফুজ গং গলা টিপে হত্যা করেছিল।
আব্দুল্লাহ আল মাসুদ
11 319
Repost from Shamsul Arefin Shakti Official
+3
দ্রুত বিচার সম্ভব একমাত্র ইসলামী শরীয়া বিচারব্যবস্থায়।
১.
অপরাধীর অপরাধ প্রমাণ হয়ে গেলে 'অপরাধীর মানবাধিকার' একটা বুলশিট আলাপ। এসব ন্যাকামি ইসলামে নাই। পুরো রিপোর্ট পশ্চিমের পা-চাটামি রিপোর্ট। তার মাঝেও কিছু বাস্তবতা উঠে এসেছে।
২.
রাষ্ট্রপক্ষের আর আসামিপক্ষের উকিলের একচেটিয়া আধিপত্য খর্ব করে দীর্ঘসূত্রিতা খতম করা যায় একমাত্র এই ব্যবস্থায়। কেননা, কেইস ফাইল করা থেকে নিয়ে একদম রায় দেয়া পর্যন্ত প্রতিটি স্টেপে বিচারক স্বয়ং হাজির থাকেন। বিচারককে ভূগোল বুঝানোর কাউকে দরকার হয় না। বিচারক কনভিন্সড, ব্যস রায় হয়ে যাবে। কথা ও প্রশ্নের মারপ্যাঁচে ফেলে সাক্ষীকে কনফিউজ করে বাকচাতুর্য দিয়ে মামলা ঘুরিয়ে দেবার সুযোগ নেই।
সব প্রমাণ থাকার পরও ৯০ দিন কেন লাগবে আছিয়ার ধর্ষণ মামলায়? এই আমলাতন্ত্র বৃটিশ কমন ল' এর তরিকা। এইজন্য সুপ্রীম কোর্টে ৩১ লাখ মামলা ঝুলে আছে, ৩১ লাখ অপরাধী ঘুরে বেড়াচ্ছে, ৩১ লাখ বাদী ভয়ে ভয়ে দিন কাটায়। অপরাধ কমবে কীভাবে।
ওদিকে তালেবান কোর্ট মাসে ২ লাখ মামলা নিষপত্তি করে অপরাধ কমিয়ে এনেছে। শরীয়া কোর্ট ছাড়া এসব স্বপ্ন অর্থহীন।
11 319
হামাস যে মোসাদের সৃষ্টি এব্যাপারে যেকানে কারো ইখতিলাফ নেই, সেখানে আসিফ-শক্তিরা ‘ড়’-এর সৃষ্টি সেটা নিয়ে কেনো ইখতিলাফ হবে!
যে বিষয়ে ইখতেলাফ নাই, সে বিষয়ে আমাকে জিজ্ঞাসা করবেন না।
11 319
সোমালিয়ায় বিদ্রোহী গোষ্ঠী হারাকাশ শাবাব দ্রুত রাজধানী মোগাদিসুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, মোগাদিসুর আশপাশের বেশ কিছু অঞ্চলের গোত্রনেতা শা/বা/বের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করেছেন। এতে স্পষ্ট, পশ্চিমা সমর্থিত সরকার জনসমর্থন হারিয়ে ফেলেছে। অন্যদিকে, তাদের বাহিনী ছত্রভঙ্গ হয়ে পালিয়ে যাচ্ছে।
.
রাজধানীর দক্ষিণ সংযোগস্থলে ইতিমধ্যেই তীব্র লড়াই শুরু হয়েছে। সরকারি বাহিনীর প্রতিরক্ষা দুর্বল হয়ে পড়েছে, এবং শাবাব পরিকল্পিত সামরিক কৌশলের মাধ্যমে ধীরে ধীরে রাজধানীর দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এদিকে, সাধারণ জনগণের মধ্যে উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে।
.
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর মোগাদিসুর পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ জানিয়েছে। তারা তাদের নাগরিকদের সতর্ক করে দিয়েছে যে, যেকোনো মুহূর্তে সেখানে ব্যাপক হামলা হতে পারে, এবং তারা সবাইকে নিরাপদে সরিয়ে নেয়ার সক্ষমতা রাখে না। এরই মধ্যে বেশ কিছু দেশ মোগাদিসু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ফ্লাইট বাতিল করেছে, ফলে বর্হিবিশ্বের সঙ্গে কার্যত বিচ্ছিন্ন হতে শুরু করেছে সোমালিয়া।
.
দেশটির চলমান সংকটের মূল কারণ পশ্চিমাদের চাপিয়ে দেয়া দুর্নীতিগ্রস্ত সরকার। জনগণ বারবার প্রতিশ্রুতি পেলেও বাস্তবে কোনো পরিবর্তন আসেনি। বরং, প্রশাসনের অযোগ্যতা ও দমননীতি সাধারণ মানুষকে শাবাবের দিকে ঠেলে দিয়েছে। শাবাবের কৌশলগত সফলতা কেবল তাদের সামরিক শক্তিতে সীমাবদ্ধ নয়; তারা জনগণের আস্থা অর্জন করতেও সচেষ্ট। ইতোপূর্বে যখনই তারা কোনো অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে, সেখানেই তুলনামূলক কার্যকর প্রশাসন প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছে।
.
পশ্চিমা শক্তিগুলো একদিকে "স্থিতিশীলতা" বজায় রাখার কথা বললেও, বাস্তবে তারা নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্যই সোমালিয়ায় হস্তক্ষেপ করে আসছে। মার্কিন সামরিক উপস্থিতি, ড্রোন হামলা ও গোয়েন্দা কার্যক্রমের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করা হয়েছে, যার ফলে প্রতিরোধ তীব্রতর হয়ে উঠেছে। পরিস্থিতি গতিধারা বলছে, সোমালিয়ায় দ্রুত পটপরিবর্তন ঘটবে ইনশাআল্লাহ। যেটি কেবল সোমালিয়ার অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতিই বদলে দেবে না, বরং গোটা পূর্ব আফ্রিকার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণই পাল্টে দেবে বিইযনিল্লাহ।
লেখেছেন, মধ্যপ্রাচ্য বিশ্লেষক সাঈদ আবরার
11 319
মুসলিম উম্মাহের উপর জিহাদ ফরজ একটি বিধান—হয় তা ফরজে কিফায়াহ হিসেবে হবে অথবা ফরজে আইন, এই বিধান কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মাহের সর্বসম্মত মত। কেউ যদি জিহাদের ফরজিয়াতকে অস্বীকার করে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।
বিশিষ্ট হানাফি ফকিহ মাওসিলি রহিমাহুল্লাহ (মৃত্যু: ৬৮৩) লেখেন,
والجهاد فريضةٌ مُحكَمةٌ يَكْفُرُ جَاحِدُها، ثَبَتَتْ فَرضيَّتُهُ بالكتاب والسُّنةِ وإجماع الأمة.
জিহাদ একটি মুহকাম ফরজ বিধান, যার ফরজিয়াত কুরআন, সুন্নাহ ও উম্মতের ইজমা দ্বারা প্রমাণিত, কেউ এর ফরজিয়াতকে অস্বীকার করলে কাফের হয়ে যাবে। -আল-ইখতিয়ার লি-তালিলিল মুখতার ৭/৭, সলাহ আবুল হাজের তাহকিককৃত নুসখা
11 319
প্রকাশনীর পক্ষ থেকে বইয়ের জন্য ক্যাপশন লেখে দিতে বলেছে। বলে দিলাম।
দেখেন আপনারা যা ভালো মনে করেন।
বই অর্ডারের লিংক :
https://www.facebook.com/photo/?fbid=1129317652538460&set=a.602514198552144
11 319
মারকাযুস সাহওয়াতে সিয়াসাত বিষয়ে আমার দ্বিতীয় মুহাজারার লিংক, (শুনার আগে অবশ্যই মনে রাখবেন, এগুলো আমার অগোছালো কিছু পড়াশোনার অগোছালো কিছু কথাবার্তা। আর কোনো ভুল নজরে পড়লে অবশ্যই জানাবেন ইনশাআল্লাহ। চির কৃতজ্ঞ থাকবো)
https://drive.google.com/file/d/13-OJRPneE5MdPcjEBFWP9kVFz7Zzp9bB/view
11 319
একটা স্পষ্ট বিষয় আমাদের মাথায় কঠিনভাবে ঢুকিয়ে রাখতে হবে, যেকোনো দাওয়াহ, যেকোনো মতাদর্শে সশস্ত্র দাওয়াতের বা দর্শনের কনসেপ্ট নেই, সে দাওয়াহ, সে মতাদর্শ অসম্পূর্ণ। এবং তা কখনোই দুনিয়ার বুকে বিজয় হতে পারবে না৷ আর সেই সশস্ত্র কাজ হতে হয়, নিজ মতাদর্শের আলোকে লম্বা সময় তৈরা হওয়া লোকদের দিয়ে, যারা সশস্ত্র কাজের পরের অবস্থানকে নিজেদের মতাদর্শের মত সামলে নিতে পারবে।
এখন সে সশস্ত্র অবস্থা কীভাবে শুরু হবে, কখন হবে, সেটা সম্পূর্ণ ভিন্ন আলাপ।
সুতরাং, যাদের দাওয়াতে সশস্ত্রের চিন্তা ও দর্শন নেই, বা এটাকে অপছন্দের দৃষ্টিতে দেখেন, তারা বিচ্ছিন্ন কিছু কাজ করলেও তাদের দ্বারা পূর্ণাঙ্গ বিপ্লব কখনোই সম্ভব না।
সিরাতে পাওয়া যায়, বহু সাহাবায়ে কেরাম শুরু থেকেও মক্কার কাফেরদের বলতো, তোদেরকে একদিন আমরা জবাই করবো।
