ar
Feedback
Abdullah bin bashir

Abdullah bin bashir

الذهاب إلى القناة على Telegram

প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

إظهار المزيد

📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Abdullah bin bashir

تُعد قناة Abdullah bin bashir (@abdullahbinbashir) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 11 329 مشتركاً، محتلاً المرتبة 7 901 في فئة الدين والقيم الروحية والمرتبة 2 063 في منطقة بنغلاديش.

📊 مؤشرات الجمهور والحراك

منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 11 329 مشتركاً.

بحسب آخر البيانات بتاريخ 28 أغسطس, 2026، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار 67، وفي آخر 24 ساعة بمقدار -8، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.

  • حالة التحقق: غير موثّقة
  • معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 15.07‎%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً 5.70‎% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
  • وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 1 708 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 646 مشاهدة.
  • التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 35.

📝 الوصف وسياسة المحتوى

يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
প্রয়োজনীয় পিডিএফ ও ব্যক্তিগত নোট

بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 29 أغسطس, 2026) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة الدين والقيم الروحية.

11 329
المشتركون
-824 ساعات
+157 أيام
+6730 أيام
أرشيف المشاركات
বাংলাদেশে অনেক পতিতালয় চালু আছে। জামাত ইসলামী ক্ষমতায় আসলে এই পতিতাগুলোর কি করা হবে এ ব্যাপারে কেউ প্রশ্ন করতেছে না কেনো?? ©

منهج قسم دورة الحديث الشريف.pdf3.22 MB

‘আমাদের দাওয়া দুই বছর হওয়া উচিত’ আমাদের অনেক চিন্তাশীল মুরব্বিদের ভাবনা এটা। কিন্তু মুরব্বিদের এমন চিন্তা থাকলেও কেউ সাহস করে
‘আমাদের দাওয়া দুই বছর হওয়া উচিত’ আমাদের অনেক চিন্তাশীল মুরব্বিদের ভাবনা এটা। কিন্তু মুরব্বিদের এমন চিন্তা থাকলেও কেউ সাহস করে বা ইত্যাদি আনুষঙ্গিক কারণে দাওরা দুবছর খুলছেন না। মারকাযুস সহওয়া আলইসলামিয়া শিক্ষাসচিব মাওলানা আবরার সিদ্দিক সাহেব ও সেখানকার মুরব্বিগণ সময়ের এই তাকাজা অনুভব করেছেন এবং সাহসের সাথে আগামী বছর দাওরা খুলে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। আল্লাহ তাদের সৎ সাহস আরো বাড়িয়ে দিক এবং এই মুবারক কাজটিকে উম্মতের জন্য কল্যাণকর করুক। আমীন। . যে সমস্ত তালেবে ইলম ভাইরা দাওরার পর উলুমুল হাদিস পড়তে আগ্রহী নন বা সময় পাবেন না, তাদেরকে আমি বিশেষভাবে এই দুই বছরের দাওরায় পড়ার জন্য বলবো। দুই বছরে বেশ পরিকল্পিতভাবে উলুমুল হাদিসের মৌলিক সবগুলো বিষয় ও হাদিসের কিতাবগুলোর সমস্ত অধ্যায়গুলো সুন্দভাবে পড়া হয়ে যাবে। . বি.দ্র. যে সকল ছাত্ররা দ্বিতীয় বছরে হাইয়া পরীক্ষা দিতে আগ্রহী হবে তারা পরীক্ষা দিতে পারবে। মাদরাসা কর্তৃপক্ষের এই বিষয়ে উৎসাহ বা অনুৎসাহ কোনোটিই থাকবে না। ছাত্ররা নিজ ব্যবস্থাপনায় যদি পরিক্ষা দিতে চায় তাহলে পরিক্ষা দিতে পারবে।

আমাদের ফকিহগণ কুরআন-সুন্নাহের আলোকে যে শরিয়াহকে সংরক্ষণ করে গিয়েছেন মোটাদাগে বলা যায় জামাতে ইসলামির কেন্দ্রীয় ব্যক্তিরা ও জামাত নীতিনির্ধারকরা এই শরীয়ার বড় ধরনের বিরোধী। আফগানে হাজার হাজার আলেমদের সরাসরি তত্ত্বাবধানে যে শরিয়াহ প্রতিষ্ঠা আছে জামাতের ভাইদের কাছে এগুলো উগ্রপন্থা। এগুলো জামাতের ভাইদের আলোচনায় এক স্পষ্টভাবেই থাকে। এই পয়েন্টটা মাথায় রাখলে জামাতের অনেক স্লোগান বুঝতে সহজ হবে।

মাওলানা যুবায়ের সাহেবরা যেই কথাগুলো পড়ে পড়ে নষ্ট হয়েছেন।
মাওলানা যুবায়ের সাহেবরা যেই কথাগুলো পড়ে পড়ে নষ্ট হয়েছেন।

حقيقة الدارين.pdf5.54 MB

'ইখতিলাফুদ দারাইন' এটি একটি পিএইচডি থিসিস। থাইল্যান্ডের প্রসিদ্ধ আলেম ইসমাইল লুতফি পাটানি বা জাভাকিয়া সাহেবের। এটি উনার কিং সাউদ ইউনিভার্সিটির পিএইচডি থিসিস। লেখক বর্তমানে থাইল্যান্ডের জালায় একটি ইসলামি ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর।

গণতন্ত্রের কুফল ও না-থাকার সুফল।
গণতন্ত্রের কুফল ও না-থাকার সুফল।

দ্বিতীয় বইটি হলো সৌদির জামিয়া মালিক খালেদের প্রফেসরের। দ্বিতীয় বইটি বিষবস্তুতে আরো চমৎকার ও আরো মুদাল্লাল। বিশেষত, দারের কোনো
দ্বিতীয় বইটি হলো সৌদির জামিয়া মালিক খালেদের প্রফেসরের। দ্বিতীয় বইটি বিষবস্তুতে আরো চমৎকার ও আরো মুদাল্লাল। বিশেষত, দারের কোনো অস্তিত্ব কুরআন হাদিসে নাই, দারের বিভাজন ফকিহরা ততক্ষণ করেছেন, তৃতীয় দারের অস্তিত্ব,  বিশেষত যারা মনে করে বর্তমানে আর দারুল হারব থেকে হিজরতের বিধান নাই তাদের বেশ জোরালো খণ্ডন করেছেন। . যাইহোক, একটি বিশেষ কাজের জন্য বইগুলো ছাপানো হয়েছে। সকলের কাছে দোয়া চাই, আল্লাহ যেনো কাজটি করার তাওফিক দান করেন।

দার সংক্রান্ত দুটো থিসিস ফটোকপি করলাম। . প্রথম থিসিসটি থাইল্যান্ডের প্রসিদ্ধ আলেম ইসমাইল লুতফি পাটানি বা জাভাকিয়া সাহেবের। এট
দার সংক্রান্ত দুটো থিসিস ফটোকপি করলাম। . প্রথম থিসিসটি থাইল্যান্ডের প্রসিদ্ধ আলেম ইসমাইল লুতফি পাটানি বা জাভাকিয়া সাহেবের। এটি উনার কিং সাউদ ইউনিভার্সিটির পিএইচডি থিসিস। লেখক বর্তমানে থাইল্যান্ডের জালায় একটি ইসলামি ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর। . থিসিসটি কয়েকটি দিক থেকেই চমৎকার। প্রথমত, আমাদের কিছু নষ্ট চিন্তার মানুষদদের মধ্যে প্রায় একটি আলাপ উঠে, দারের পার্থক্য শুধু অল্প কিছু মাসআলার মধ্যে। বর্তমানে দারের পার্থ্যকের বিশেষ প্রয়োজন নাই। লেখক থিসিসটিতে বেশ জোরালোভাবে এই বিষয়টি খণ্ডন করেছেন এবং দেখিয়েছেন, দারের কারণে কত অসংখ্য মাসআলায় বিধানে পার্থক্য হয়। উদাহরণ হিসেবে উনি শুধু বিবাহ ও মুআমালাতের অধ্যায়টি আলোচনা করেছেন। দ্বিতীয়ত, আরেকদল দাবী করে দুই দারের এই যে পার্থক্য এটা শুধুই পরবর্তী ফকিহদের, কুরআন সুন্নাহতে এর কোনো ভিত্তি নেই। লেখক বেশ জোড়ালোভাবে বলেছেন এগুলো মূলত প্রাচ্যাবাদদের বানানো গল্প। যারা এগুলো বলে তারা প্রাচ্যবাদ প্রভাবিত। তৃতীয়, বর্তমানে বহু আলেমদেত থেকেও শুনবেন, দুই দারের সাথে আরেকটি তৃতীয় দারের অস্তিত্বের কথা বলতে। লেখক জোরালো ভাষায় বেশ দলিল-আদিল্লার মাধ্যমে এই মতের খণ্ডন করেছেন। .

‘কথা কথাই, এডা আমার বিরুদ্ধে যাক আর তোর বিরুদ্ধে যাক’ ফরিদাবাদ মাদরাসার মুহাদ্দিস ও মুফতি মাওলানা ইউনুস সাহেব দা.বা. এই কথাটি একবার মাদরাসাতু আলীতে এসে বলেছিলেন। . এই ভূমিকার উদ্দেশ্য হলো ইসলাম ও পশ্চিমা সভ্যতা বইটি লেখার বিভিন্ন বিভিন্ন তালেবে ইলমরা বইটি সংগ্রহ করে দেখা করতে আসে। যখন জিজ্ঞাসা করি কোন জামাতে পড়েন, তখন বিস্ময়ের সাথে আবিষ্কার করি, একটা উল্লেখযোগ্য অংশ প্রথম/দ্বিতীয়/ তৃতীয় বর্ষের ছাত্র। তারা ভাবেন আমার বই নিয়ে এসেছেন ভেবে খুশি হবো। কিন্তু যখন কিছু কথা শুনিয়ে দেই চেহারা কালো হয়ে যায়। যখন বলি, এখন তো আপনার আমার এই বই পড়ার সময় না। এখন তো আপনি আরবী গদ্যের বই পড়বেন। নাহু সরফের মৌলিক ইস্তিদাদ তৈরিতে সময় দিবেন। ভালো গদ্যের বাংলা বই পড়বেন? তখন অবাক হয়ে থাকিয়ে থাকে! এই কার কাছে আসলাম বলে কেউ কেউ একে অপরের দিকে চোখাচোখি করে! আফসোস লাগে তখন খুব। . কাফিয়া বা তৃতীয়/চতুর্থ বর্ষের আগ পর্যন্ত একজন তালেবে ইলমের কেনো এখনই বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়ে জানতে হবে? এগুলো এখন না জানলে কী তার জীবনে বড় কোনো ক্ষতি হয়ে যাবে? এগুলো জানার কী এখনই শেষ সময়? এই সময়গুলো তো মৌলিজ ইস্তেদাদের সময়—যত বেশি পারা যায় আরবী গদ্যের বই পড়া, নাহু সরফের মৌলিক বিষয়গুলোকে একদম মুখস্ত করে ফেলা, ভালো বাংলা গদ্যের বই পড়ে নিজের বাংলা বলা ও লেখাকে সুন্দর করা। এর বাহিরে যদি একান্ত কিছু পড়তেই হয় তাহলে সিরাত, খুলাফায়ে রাশেদিনদের ইতিহাস, মুসলিম উম্মাহের ইতিহাস, বিশেষত ভারত বর্ষের ইতিহাস পড়াটা অত্যন্ত জরুরি। . উপরোক্ত বিষয়গুলো মজবুত হলেই না একজন তালেব মজবুতির সাথে বুদ্ধিবৃত্তিক বিষয়গুলো ধরতে পারবে, আধুনিক কুফর ও যানদাকাগুলোর সঠিক বাস্তবতা বুঝতে পারবে? . প্রিয় তালেবে ইলম ভাইরা! কিতাব সংগ্রহ অত্যন্ত ভালো গুণ। কিন্তু মনে রাখবেন আপনাকে যদি কারুনের সম্পদও দেওয়া হয়তাও আপনি কিতাব সংগ্রহ করে শেষ করতে পারবেন না। তাছাড়া একজীবনে সবকিছু পড়েও আপনার পক্ষে শেষ করা সম্ভব না। তাই জীবনের মৌলিক যোগ্যতা তৈরি হয় এমন বিষয়ের উপর প্রথম ফোকাস দেন। . অনেক জায়গায় এটাতেও অবাক হই যে, অনেক উস্তাদরাও নাকি এগুলো সংগ্রহ করতে বলেন! প্রিয় উস্তাদগণ! তালেবে ইলমদের জীবনের এই কয়েকটা বছর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, এই সময়টা তার কাছে মৌলিক ইস্তেদাদ অর্জন করা ছাড়া সবই ভালো লাগে, তাই তাদের যতই খারাপ লাগুক এই সময়গুলোতে তাদেরকে মৌলিক ইস্তিদাদ তৈরি হয় এমন বিষয়তেই সীমাবদ্ধ রাখুন।

গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো অনৈক্য। যেটাকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে পছন্দনীয় বিষয় বলা হয় সেটাই গণতন্ত্রের সবচেয়ে খারাপ দিক।
গণতন্ত্রের মূল ভিত্তিই হলো অনৈক্য। যেটাকে গণতন্ত্রের সবচেয়ে পছন্দনীয় বিষয় বলা হয় সেটাই গণতন্ত্রের সবচেয়ে খারাপ দিক।

মাওলানা যাকারিয়া আব্দুল্লাহ সাহেবের লিখিত একটি সিরাতের কিতাব আসতেছে। এটা আমাদের সকলের জন্য এক বিশেষ সুসংবাদ। হযরতের মত এমন রুচিশীল—যার উস্তাদ তাকে মাজমাউল মাহাসিন বলেছেন—মানুষের হাতে সিরাতের কাজ হওয়াটা বাংলাভাষার জন্যও একটা বিশেষ সৌভাগ্যের। . বইটির প্রি-অর্ডার চলছে, এখন নেন বা পড়ে সিরাতটি অবশ্যই সংগ্রহ করা ও অন্যকে এই সিরাতের সংবাদ দেওয়াটা আমাদের একটি দায়িত্বও বটে। . জীবনের কোনো মারহালায় আল্লাহ আমাকে হযরতের ছাত্র হওয়ার যোগ্যতা ও তাওফিক দান করুন। আমীন।

‏طالبان سے میری مراد صرف افغانستان ہی کے طلبہ نہیں پاکستان کے طلبہ بھی ہیں۔ جب افغانستان کے طالبان یہ کام کر سکتے ہیں تو پاکس
‏طالبان سے میری مراد صرف افغانستان ہی کے طلبہ نہیں پاکستان کے طلبہ بھی ہیں۔ جب افغانستان کے طالبان یہ کام کر سکتے ہیں تو پاکستان کے طالبان یہ کام کیوں نہیں کر سکتے، ضرور کریں گے ان شاء اللہ تعالیٰ، اور پھر یہ نہیں کہ یہاں کے طالبان الگ ہوں گے اور وہاں کے طالبان الگ، بلکہ یہ سب مل کر پوری دنیا پر اسلامی حکومت قائم کریں گے اس لئے کہ امارت اسلامیہ تو پوری دنیا میں ایک ہی ہوا کرتی ہے، سب مجاہدین کا ایک ہی “لشکری محمدی” ہوگا اور دنیا میں امارت اسلامیہ کا ایک ہی مرکز ہو گا اور ایک ہی امیر المؤمنین۔ خطبات الرشید

মুনাসিব পরামর্শ দিতে পারেন। https://www.facebook.com/share/p/1CPX2GipTD/

পডকাস্টটা খুব শেয়ার হওয়া উচিত https://youtu.be/VaecShqLyaI?si=y-90X8FeGMmSUue8

একটি বিষয়ে অভিজ্ঞদের সুচিন্তিত মতামত চাই। https://www.facebook.com/share/p/1DYxgpYFKZ/

এই কিতাব সংগ্রহ না করে কোনো উপায় নাই।
এই কিতাব সংগ্রহ না করে কোনো উপায় নাই।

Repost from Al Firdaws
সেই সময়ে এই ভূমিকাকে সামনে রেখে ইসলামাবাদ বিপুল পরিমাণ সামরিক ও আর্থিক সহায়তা লাভ করলেও এর মানবিক ও রাজনৈতিক মূল্য বহন করতে হয়েছে আফগানিস্তানকে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে পাকিস্তান আফগানিস্তানে পরিত্যক্ত অস্ত্রের বিষয়টিকে অতিরঞ্জিত করে একটি জরুরি নিরাপত্তা সংকট হিসেবে তুলে ধরছে। এর মাধ্যমে তারা ওয়াশিংটনের সঙ্গে আবারও নিরাপত্তা সহযোগিতার দ্বার খুলতে চাইছে—যার মধ্যে রয়েছে গোয়েন্দা বিনিময়, সামরিক সম্পৃক্ততা, রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তার এবং শেষ পর্যন্ত আর্থিক ও কৌশলগত সুবিধা অর্জন। বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, নিজ দেশের অভ্যন্তরীণ সমস্যা ও নিরাপত্তা সংকটের মূল কারণগুলো স্বীকার ও সমাধান করার পরিবর্তে পাকিস্তান সেগুলোকে আন্তর্জাতিক রূপ দিতে চাইছে। ইসলামাবাদ ওয়াশিংটনকে বোঝানোর চেষ্টা করছে যে, তাদের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সমস্যাগুলো আসলে যুক্তরাষ্ট্রের সমস্যা, যার উৎস নাকি আফগানিস্তান। আফগানিস্তানকে দোষারোপ করে আবারও বিদেশি সমর্থন ও সুবিধা আদায়ের এই প্রচেষ্টা আঞ্চলিক বাস্তবতা ও অভিজ্ঞতার আলোকে বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে। পাকিস্তানের নিজ ব্যর্থতার দায় অন্যের ঘাড়ে চাপানোর এই কৌশল আর কতদিন তারা প্রয়োগ করবে তা পাকিস্তানের জনগণের ধৈর্যসীমার উপর নির্ভর করবে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

Repost from Al Firdaws
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের রেখে যাওয়া সামরিক সরঞ্জামকে কেন্দ্র করে নতুন করে কূটনৈতিক অপতৎপরতা শুরু করেছে পাকিস্তান। ওয়াশিং
আফগানিস্তানে যুক্তরাষ্ট্রের রেখে যাওয়া সামরিক সরঞ্জামকে কেন্দ্র করে নতুন করে কূটনৈতিক অপতৎপরতা শুরু করেছে পাকিস্তান। ওয়াশিংটনে দাখিল করা একটি লবিং নথির মাধ্যমে ইসলামাবাদ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সংশ্লিষ্ট মার্কিন মহলের কাছে সহযোগিতার প্রস্তাব দিয়েছে। ২০২৫ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ফরেন এজেন্টস রেজিস্ট্রেশন অ্যাক্টের আওতায় ওয়াশিংটনে দাখিল করা একটি লবিং নথিতে পাকিস্তান যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের আহ্বান জানিয়েছে, যেন আফগানিস্তানে অবশিষ্ট মার্কিন সামরিক অস্ত্র উদ্ধার বা নিষ্ক্রিয় করতে ইসলামাবাদের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করা হয়। নথিতে ব্যবহৃত ভাষা ও বয়ান স্পষ্টভাবে ২০০১ সালের পরবর্তী সময়ের সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ, যেখানে পাকিস্তান নিজেকে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন তথাকথিত সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধের অগ্রসারির মিত্র হিসেবে উপস্থাপন করেছিল।