ar
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

الذهاب إلى القناة على Telegram

🙂🙂🙂

إظهار المزيد
1 996
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-27 أيام
+430 أيام
أرشيف المشاركات
পুরুষ - নিজের খেয়াল রাখুন . ✅একটি লো ফ্যাট ডায়েট বেছে নিন ✅তেল চর্বি এড়িয়ে চলুন , সর্বনিম্ন যতটুকু চর্বি নিবেন তা প্রাণিজ চর্বি বাদ দিয়ে উদ্ভিজ্জ চর্বি গ্রহণ করুন। ✅বেশি বেশি সিজনাল ফল এবং সবজি খান ✅মাংস / গোস্ত বাদ দিয়ে তৈলাক্ত মাছ খান। সামুদ্রিক মাছ বেশি উপকারী। ✅চিনি ছাড়া সবুজ চা পান করুন প্রতিদিন ✅মদ্যপান ও ধূমপানের অভ্যাস থাকলে বর্জন করুন। ✅স্বাস্থ্যসম্মত ওজন ঠিক রাখুন। ✅প্রতিদিন ব্যায়াম করুন। সহজ ব্যায়াম প্রতিদিন ৩০ মিনিট জগিং করা। ✅ আনন্দে থাকুন , টেনশন মুক্ত থাকার জন্য রিলাক্সেশন এক্সারসাইজ উপকারী। @Dr. Faizul Haq

সতী-পর্দা (H-ymen) নারীর যোনি-পথ যে পাতলা আবরণ দ্বারা আবৃত থাকে মূলত সেটাই সতী পর্দা হিসাবে বিবেচিত। মাসিকের রক্ত যাওয়ার জন্য এই পর্দার মাঝখানে ছোট একটা ছিদ্র থাকে। ছিদ্র ছোট বড় গোলাকার, অর্ধাচন্দ্রাকার হয়ে থাকে। প্রথম মিলনে বা নারীর হস্ত-মৈথুনে বা অন্যকিছু কারনে এই পর্দা ছিড়ে যায়। প্রথম মিলনে নারীর যো-নিপথের পর্দা ছেদ কে অনেকেই সতী-চ্ছদ বলে মনে করে। আবার কিছু কিছু বিরল ক্ষেত্রে নারীর এই পর্দা শক্ত,অক্ষত থাকে ফলে পুরুষ মিলন করতে পারেনা। অনেক সময় সার্জারি করে ছিদ্র বড় করতে হয়। লিঙ্গের শীতলতার জন্য ও পর্দা ছেদেও সমস্যা দেখা যায়। অনেক নারী ই বিয়ের আগে অবাধ মেলামেশা করে ভবিষ্যত স্বামীর আমানত কে চরমভাবে নষ্ট করে দিছে। যেটাকে কুমারীত্ব হারানো বলে আর বর্তমানে এটা চরমভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। অনেক পুরুষ ই বাসর রাতে সতী-ত্ব নিয়ে চরম গবেষণা করে, নেতিবাচক ফল দেখে হতাশ হয়ে যায়, কেউ কেউ বিবাহ বিচ্ছেদ ও করে ফেলে। অনেক নির্দোষ নারীও মিথ্যা অপবাদের শিকার হয় যদিও তারা বিয়ের আগে কোন পুরুষের সংস্পর্শ পায়নি।আবার অনেক নারীই বিয়ের আগে কুমা-রীত্ব নষ্ট করে দিব্যি সংসার করে যাচ্ছে সহজ সরল স্বামী কিছুই বুঝে না। আবার অনেক স্বামী বুঝেও না বুঝের ভান করে। নারীর প্রথম মিলনে রক্তপাত হতেও পারে নাও পারে। যাদের মিলনে রক্তপাত হয় অন্তত স্বামীর এদিক থেকে মাথা ব্যথা কমে যায়। নারীর উচিত স্বামীর জন্য শতভাগ নিজের আমানত কে সুরক্ষিত রাখা। স্বামীদের ও উচিত বিয়ের আগে পরনারীর সাথে অবাধ মেলামেশা থেকে দূরে থাকা। আল্লাহ সহজ করুন আমিন। #DrSRKhan

বিছানায় শুয়ে মাত্র ২ মিনিটেই ঘুম "মিলিটারি স্লিপ মেথড" ঘুম আসবে মাত্র ২ মিনিটেই মিলিটারি মেথড জানলে দু’মিনিটে ঘুমিয়ে পড়তে পারবেন। ‘রিলাক্স অ্যান্ড উইন: চ্যাম্পিয়নশিপ পারফরম্যান্স’ নামক একটি বইতে দু’মিনিটে ঘুম আসার এই পদ্ধতির উল্লেখ রয়েছে। মূলত সেনাবাহিনীর কর্মীদের জন্য এই পন্থার উদ্ভব হয়। ইউনাইটেড স্টেটস নেভি প্রি-ফ্লাইট স্কুল সেনাকর্মীদের জন্য একটি রুটিন তৈরি করে যা মেনে চলার পর সেনাকর্মীরা দু’মিনিট বা তারও কম সময়ে ঘুমিয়ে পড়তে শুরু করেন। কয়েক সপ্তাহ প্র্যাক্টিসের পর এমনটা সম্ভব হয়। এই মেথড মেনে চললে কফিই হোক বা গুলির তীব্র শব্দ কোনও কিছুই তাঁদের ঘুম আসায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারবে না। Military Sleep Method মার্কিন সেনার কৌশলে শরীরকে পরিমিত আরাম, শ্বাসপ্রশ্বাস ঠিক রাখা ও কল্পনার ক্ষমতার উপরে জোর দেওয়া হয়। প্রথমে বিছানার শুয়ে পড়ুন। চোখ বন্ধ করে মুখ শিথিল করুন। মুখে কোনও রকম পেশি যেন সংকুচিত না হয় সেই দিকে নজর রাখুন। টেনশনমুক্ত হোন। ঘাড় ও কাঁধ শিথিল করুন। অনুভব করুন বিছানায় ডুবে যাচ্ছেন আপনি। তারপর আপনার ডান হাতের উপরের অংশ থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে আপনার বাইসেপ, বাহু এবং হাতের আঙ্গুলগুলো শিথিল করুন। বাম হাতেও একই পদ্ধতির পুনরাবৃত্তি করুন। শিথিল প্রক্রিয়া চলাকালে গভীরভাবে শ্বাস নিতে ভুলবেন না। গভীর ভাবে শ্বাস নিন। ৪-৭-৮ পদ্ধতি মেনে চলুন অর্থাৎ ৪ সেকেন্ড ধরে শ্বাস নিন, ৭ সেকেন্ড ধরে রাখুন আর ৮ সেকেন্ড ধরে নিশ্বাস ছাড়ুন। এ বার পায়ের পেশিগুলো শিথিল করুন। এবার নীল আকাশের নীচে একটা বড় ঝিলে ভাসমান নৌকোয় শুয়ে আছেন আপনি। অথবা বন্ধ ঘরে দোলনায় ঝুলছেন। ইমাজিন করুন। তখনও ঘুম না এলে ১০ সেকেন্ড ধরে ‘চিন্তা করব না’ কথাটি আওড়াতে থাকুন। ১০ সেকেন্ড পর পর নিজেকে বলুন "কিছুই চিন্তা করা যাবে না" এটা করতে থাকলে আপনি কোনো কিছু নিয়েই বেশিক্ষণ চিন্তা করতে পারবেন না। আপনার মস্তিষ্ক একসময় হাল ছেড়ে দিবে। মনে রাখবেন, অনুশীলনের উপর নির্ভর করে এই পদ্ধতি। দ্রুত ঘুমানোর চেষ্টা করুন বা করুন, শরীর শিথিল না হলে আপনি এমনিতেও ঘুমাতে পারবেন না। ঘুমানোর জন্য শরীর শিথিল ও মন চিন্তামুক্ত হওয়াটা জরুরী। কৌশল কতটা কার্যকর - শুরুতে এই কৌশলে হয়তো সফল হবেন না। নবম দিনে আপনার শরীর অভ্যস্ত হয়ে উঠবে। এতটাই নিজেকে ক্লান্ত অনুভব করবেন যে ঘুম আসতে বাধ্য। সূত্র: ইঙ্ক

আজকে গোসল করেছেন? শীতকালে নিয়মিত গোসলের প্রয়োজনীয়তা কতটুকু? কতদিন পর পর গোসল করা স্বাস্থ্যকর? শরীর পরিষ্কার রাখার পাশাপাশি শরীরের ময়লা ও দুর্গন্ধ দূর করার জন্য মানুষ নিয়মিত গোসল করে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই নিয়মিত গোসল করার প্রচলন আছে। তবে ত্বক বিশেষজ্ঞদের মতে সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ঘনঘন গোসল করার প্রয়োজন নেই। গোসল করলে ত্বক পরিষ্কার হয়, মৃত কোষ, ব্যাকটেরিয়া দূর হয়। তাছাড়া গোসল করলে রক্ত চলাচল বৃদ্ধি পায়, ক্লান্তি দূর হয়, ইমিউন ফাংশন উন্নত হয়। স্বাভাবিক ও স্বাস্থ্যকর ত্বকে নির্দিষ্ট স্তরের তেল, ভালো ব্যাকটেরিয়া ও অন্যান্য মাইক্রো অরগার্নিজমের ভারসাম্য থাকে। গোসল করার ফলে শরীর থেকে উপকারী ব্যাকটেরিয়া ও তেল অপসারণ হয়ে যায়, বিশেষত গোসলের পানি যদি গরম থাকে। এর ফলে ত্বক শুষ্ক হয়ে ফেটে যায়, চুলকানি দেখা দেয়। শুষ্ক, ফাটা ত্বকে ব্যাকটেরিয়া ও অ্যালার্জেন এর সংক্রমণ বৃদ্ধি পায়। এর ফলে ত্বকে ইনফেকশন দেখা দেয়। গোসল করার জন্য ব্যবহৃত সাবান মূলত তেল বা চর্বি ও অ্যালকালাইন জাতীয় পদার্থ দিয়ে তৈরি। সাবান ত্বক থেকে সব ধরনের তৈলাক্ত পদার্থ, ব্যাকটেরিয়া দূর করে দেয়। এর ফলে ত্বকে অনুজীবের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যায়৷ আমাদের ইমিউন সিস্টেম প্রতিরক্ষামূলক অ্যান্টিবডি ও ইমিউন মেমরি তৈরির জন্য কিছু অনুজীব ও ত্বকের ময়লার সাহায্য নেয়। বার বার গোসল করলে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার কার্যক্ষমতা হ্রাস পায়। তাছাড়া আমরা নিয়মিত যে পানি দিয়ে গোসল করি তাতে লবণ, ভারী ধাতু, ক্লোরিন, ফ্লোরাইড ও অন্যান্য রাসায়নিক থাকে যা ত্বকে নানা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। শীতকালে ঠান্ডা পানি দিয়ে গোসল করার ভয়ে অনেকে নিয়মিত গরম পানি দিয়ে গোসল করেন। সবান ও গরম পানি দিয়ে গোসল করার ফলে ত্বকের বাইরের অংশে থাকা ফ্যাটি এসিড স্তর ও সেবাম (তেল) এর স্তর নষ্ট হয়ে যায়। এর ফলে শীতকালে ত্বক ফেটে যায়, খুশকি উঠে। তবে যেসব মানুষ বাহিরের পরিবেশে কাজ করেন তাদের দেহ প্রতিনিয়ত ধুলাবালি, ব্যাকটেরিয়ার সংস্পর্শে আসে, ঘাম হয়। এর জন্য তাদের নিয়মিত গোসল করা অনিবার্য। অনেক দিন গোসল না করলে দেহ থেকে দুর্গন্ধ ছড়ায়। পাশাপাশি তেল, ঘাম ও মৃতকোষ দিয়ে ত্বকের লোমকূপ বন্ধ হয়ে মুখে ব্রণ দেখা দেয়। শীতের ভয়ে অনেকে কয়েক মাস গোসল না করে থাকার চিন্তা করেন। এর ফলে Dermatitis Neglecta (DN) হতে পারে। ডিএন হলে ত্বকে মৃত কোষ, তেল, ঘাম এর বাদামী স্তর তৈরি হয় যা দূর করতে পরবর্তীতে বেশ খাটনি পোহাতে হয়। science bee পরিশেষে বলা যায়, পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা ও সুস্বাস্থ্য রক্ষার জন্য নিয়মত গোসল করলে বরং হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই একদিন পর পর বা শরীর খুব বেশি নোংরা না হলে সপ্তাহে একবার বা দুইবার গোসল করলেই চলে। #science_bee #বিজ্ঞান #স্বাস্থ্য #গোসল #bangladesh #image

দাম্পত্য জীবনে সঙ্গীর সঙ্গে মিলন খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার! তবে যখন তখন নয়, মিলনের একটি উপযুক্ত সময়ও আছে। হয়তো ভাবছেন মিলনের জন্যে সঠিক সময় রাত। কিন্তু এই ধারণাও আপনার ভুল কারণ, মিলনের জন্য সঠিক সময় একেবারে ভোররাত। ঠিক যখন সাধারণত আপনি হাঁটাহাঁটি কিংবা যোগব্যায়াম শুরু করার পরিকল্পনা করেন অর্থাৎ ভোর ৫টা ৪৮ মিনিট। গবেষকদের মতে, এটিই সঙ্গমের সবচেয়ে উত্তম সময়। এই সময় ‘অর্গাজম’ হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে। এছাড়া এসময় নারী এবং পুরুষ উভয়েরই টেস্টোস্টেরনের মাত্রা থাকে তুঙ্গে, যা যৌনমিলনের পূর্বশর্ত। সেক্স থেরাপিস্ট জেরাল্ডিন মায়ারসের মতে, ‘এই সময় উভয়ের কর্মশক্তির মাত্রাও থাকে সর্বোচ্চ। মানসিকভাবে, এই সময় জীবনের চাহিদাগুলো নিয়ে দুশ্চিন্তা কম থাকে বলে এটি মিলনের যথাযথ সময়।’ সূর্যের আলো মস্তিষ্কের হরমোন নিয়ন্ত্রণকারী অংশ ‘হাইপোথ্যালামাস’কে উদ্দীপ্ত করে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ায়। গবেষকরা বলেন, ‘আমাদের বডি-ক্লক ‘সার্কাডয়ান রাইমস’ নামক জৈবিক প্রক্রিয়া পরিচালনা করে যা আমাদের মানসিকতা এবং কর্মশক্তির মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করে।’ এমনকি একজন পুরুষ ঘুম থেকে জেগে ওঠার আগ থেকেই তার টেস্টোস্টেরনের মাত্রা তুঙ্গে থাকে। দিনের অন্যান্য সময়ের তুলনায় শতকরা ২৫ থেকে ৫০ ভাগ বেশি। এই বর্ধিত টেস্টোস্টেরন মাত্রার কারণে বেশিরভাগ পুরুষেরই সপ্তাহে দুই থেকে তিনবার যৌনাঙ্গ উত্থিত অবস্থায় ঘুম ভাঙতে পারে।’ দিন গড়ানোর সঙ্গে ধীরভাবে পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন তৈরি হতে থাকবে। কারণ মাংসপেশী গঠন এবং শুক্রাণু তৈরিতেও এই হরমোন প্রয়োজন হয়। এমন সব পরামর্শ অথবা ব্লগের জন্য জয়েন করুন - https://www.facebook.com/groups/149192167228573 #konna #কন্যা #sexeducation #sexed #sexy #love #sex #kad #lesbian #hotmodel #sexpositive #sexualhealth #k #n #tiktok #sn #b #porn #t #m #kiss #p #sexystyle #tesettur #girl #netflix #memes #selflove #follow #instagram

ঘুম... শত শত রিসার্চ আর্টিকেল আছে, যেখানে ঘুম কি, ঘুম কম হলে কি হয়, ঘুমের সাথে যে আমাদের লাইফস্প্যান জড়িত, সেসব নিয়ে অনেক আলোচনা হয়। আমরা সবাই রাতে ভাল ঘুমাতে চাই, কিন্তু এটা করাটা আজকের এই সোশাল মিডিয়া আর নোটিফিকেশানের যুগে বেশ বিরল। একটা ভালো ঘুম আপনার মন কে সতেজ করতে পারে, আপনার কাজের মোটিভেশান বাড়াতে পারে, আপনার সারাটা দিন, আপনাকে প্রফুল্ল রাখতে সাহায্য করতে পারে... কিভাবে আমরা ঘুমকে ভালো করতে পারি? কিছু টিপস! প্রতিদিন, একটা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়ার অভ্যাস করা। যেমন, রাত ১০ টা বাজলেই, ফোন সাইলেন্ট করে, বিছানায় চলে যাওয়া। এবং, সকালে একই সময়ে ঘুম থেকে উঠা। অন্তত ৬-৮ ঘন্টা প্রতি রাতে টানা ঘুমানোর চেষ্টা করা। নিশ্চিত করুন, যে, আপনার বেডরুমটি শান্ত, অন্ধকার, আরামদায়ক এবং কমফোর্টেবল তাপমাত্রায় থাকে। বেডরুম থেকে ইলেকট্রনিক ডিভাইস, যেমন টিভি, কম্পিউটার এবং স্মার্ট ফোনগুলি সরান। শোবার আগে ভারি খাবার, এবং ক্যাফেইন এড়িয়ে চলুন। আমাদের বাংলাদেশের সবচে বাজে অভ্যাস, রাত ১০ টায় ডিনার করা। এটা ঘুমের সমস্যার অন্যতম কারন বলে আমার মনে হয়। ম্যাক্সিমাম রাত ৮ টার মধ্যে খাওয়া শেষ করুন। খাওয়া এবং বিছানায় যাওয়ার মাঝে, অন্তত ২ ঘন্টার গ্যাপ দিন। ঘুমানোর আগে আগে, পানিও বেশি খাবেন না। খেলে, রাতে বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘুম ভেঙ্গে যাবে! শারিরিক ভাবে এক্টিভ থাকুন। দিনের বেলা, শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা, আপনাকে রাতে আরও সহজে ঘুমাতে সাহায্য করতে পারে। নিচের ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন, ২ টা হরমনের কথা বলা আছে। নরমালি, রক্ত পরিক্ষার মাধ্যমে, তাদের পরিমান মাপা যায়। তাদের রক্তের লেভেল, আমাদের ব্রেইনের কিছু স্পেসিফিক যায়গা থেকে নিয়ন্ত্রিত হয়(ছবিতে দেয়া আছে)। মোটামুটি এই দুই হরমোনের আপ-ডাউনের মাধ্যমে আমাদের ঘুম নিয়ন্ত্রিত হয়। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় এইযে উঠা নামা, এটাকেই সারকেডিয়ান রিদম (Circadian Rhythm) বলে। শুধুমাত্র এই দুটি হরমোনই নয়, আমাদের শরীরের আরো হাজারো প্রক্রিয়া, এই সারকেডিয়ান রিদম দ্বারা পরিচালিত হয়। সেটা আরও অনেক ডিপ ব্যপার! পরে কোন একদিন ওই ব্যপারে আলাপ হবে, কেমন? রেফারেন্স কমেন্ট এ দেয়া আছে। @Life Research Bangla

photo content

পাপবোধ যদি উঠে যায় তবে আস্তে আস্তে ঈমানও চলে যায়। শুরু হয় পর্নগ্রাফি দিয়ে। আগেও দেখত মানুষ, কিন্তু এত সহজপ্রাপ্য ছিল না। খারাপ জিনিসের সহজপ্রাপ্ততা সবচেয়ে বেশী বিপদের বিষয়। গুনাহ করার মানসিকতা স্বাভাবিক হতে থাকলে এর পরবর্তী ধাপ হচ্ছে লিভ টুগেদার বা বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়ানো। দেশে এই কালচার শুরু হয়েছে, যা নিয়ে মেইনট্রিম পত্রিকায় বিস্তারিত অনেক প্রতিবেদনও প্রকাশ পেয়েছে। যে শিক্ষা, জীবনব্যবস্থা আমরা গড়ে তুলছি তাতে নিজের সন্তান, তাদের সন্তানদের জন্য কঠিন সময় অপেক্ষা করছে। দিনশেষে সবাইকে তো কবরেই তো যেতে হয়। নিজে নিজে কিছুটা ইসলাম প্র্যাক্টিশ করতে পারলেই আমরা অনেকেই তৃপ্তি অনুভব করতে থাকি; অন্যদের চেয়ে কত ভাল আমি, এসব চিন্তা মাথায় এসে যায়... একজন মুসলিম শুধু নিজে ধর্ম পালন করে না; অন্যদেরও কল্যাণের পথে দাওয়াত দেয়া বড় কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। অন্তত নিজের পরিবার, বংশধরদের কি অবস্থা হতে পারে, সেই অবস্থা চিন্তা-ভাবনা করে পরিকল্পনা করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে। বাকীটা আল্লাহর ইচ্ছে। এটা কতো না দারুন ব্যাপার হবে যদি কেউ পার্থিব এবং পারলৌকিক উভয় জীবনেই সফলতা লাভ করে। ইসলাম প্র্যাক্টিশে জীবনে আসে শৃংখলা , আর তাতে অন্তর পবিত্র হয়। এর ফলে পরিবারেও শান্তি বিরাজ করে। অনেক যশ খ্যাতি অর্জন করলেও কিন্তু সেই কাংখিত সুখ সচারাচর ধরা দেয় না। কিন্তু দরিদ্র হয়েও সুখে জীবনটা পার করে দেয়া যায় যদি আল্লাহর প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা যায়। #সন্তান_প্রতিপালনে_এ_যুগের_চ্যালেঞ্জ #sorowar_parenting

ইদানিং খুব শংকা হয়; আমার অনাগত বংশধররা ইসলামে থাকতে পারবে কিনা তা নিয়ে। দাদা মারা যাওয়ার পর আব্বা নানা ফ্যামিলির প্রভাবে বড় হয়েছিলেন। যেহেতু সেই পরিবার দেশের কমিউনিস্ট আইডিওলজি গোড়াপত্তনে ভূমিকা রেখেছে তাই সংগত কারনে আব্বাও ছাত্রজীবনে সেটি দ্বারা অনুপ্রাণিত ছিলেন। ছাত্র ইউনিয়ন করতেন। ছোটবেলায় আব্বাকে সালাত আদায় করতে দেখিনি, রোজাও রাখতেন না, যদিও আল্লাহর প্রতি ঈমান ছিল। যে লেভেলে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ছিল তা সম্ভবত এই সময়ের বাহ্যিকভাবে প্র্যাক্টিশ করা অনেক মুসলিমদের তুলনায় বেশী হতে পারে। তিনি খাবার খাওয়ার শেষে আর পানি পান করে যেভাবে শ্রদ্ধাভরে আলহামদুলিল্লাহ পড়তেন, তা এখনো বিশেষভাবে মনে পড়ে, অন্তরে গেঁথে যেত। ইসলাম প্র্যাক্টিশিং নানার খুব কাছের সন্তান ছিলেন আম্মা। অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে- আম্মা উনাদের ভাই-বোনদের তুলনায় অন্যরকম ছিলেন। এজন্য দুষ্টামি করে বলতাম, আম্মা, তোমাকে হয়ত পালক এনেছিল। আব্বা যেহেতু সালাত আদায় বা ইসলামের বেসিকসও পালন করতে অভ্যস্ত ছিলেন না, তাই আম্মার মাঝেও অলসতা কাজ করত। পুরো বাসায় ভাইয়া শুধু সালাত আদায় করতেন। এটা ৮০'র দশকের প্রথম দিকের কথা, তখন প্রাইমারিতে ভর্তি হয়েছি। পরিবারে ইসলাম ফিরে আসার টার্নিং পয়েন্ট ছিল আম্মার পরিবর্তন। তখন সবেমাত্র আমরা জামালপুর বদলি হয়ে এসেছি। কোন বাসায় বেড়াতে গিয়ে আম্মাকে একজন তালীমে নিয়ে যান যা তাবলীগের মাধ্যমে আয়োজিত হতো। প্রথম দিন তাবলীগের বয়ান শুনে আম্মা বাসায় এসে কান্না শুরু করলেন, নিজের কেউ মারা গেলে যেমনটি করে থাকেন। তখন আমি ক্লাস ফো'রে পড়ি। আম্মার কানতেছে দেখে ভাবতেছিলাম আব্বা ব্যবহারে হয়ত কষ্ট পেয়েছেন। জিজ্ঞাসা করলে তিনি আমাকে জড়িয়ে দেন কাঁদলেন, বললেন তিনি এতদিন আল্লাহর হুমুক মানেনি, আল্লাহর কাছে কি জবাব দিবেন? আম্মার এই অবস্থা দেখে দেখলাম আব্বার অন্তরও বেশ নরম। আম্মা বললেন, তুই নামাজ পড়বি, বাদ দিবি না। সেইদিন থেকে সালাত শুরু করলাম। কিভাবে সালাত আদায় করতে হয় তা জানতাম না। আব্বা উৎসাহ নিয়ে শিখিয়ে দিলেন। ফজরে সালাতেও আব্বা ডেকে দিতেন যদিও তিনি তখনো সিনসিয়ারলি শুরু করেননি। বাসা থেকে বাইরে যাওয়ার আগে ভাবতাম, সালাত আদায় করার ব্যবস্থা আছে কিনা। তখন ক্লাস সিক্সে। এক বিয়ের অনুষ্ঠানে গিয়ে সালাত আদায় করার জায়গা পাচ্ছি না। আম্মাও আমার সালাত আদায় কিভাবে করব তা নিয়েও টেনশন করতেন। অবশেষে বিয়ের পাটিতে বসা থাকা কনের পাশেই সালাত আদায় করলাম। খেলার মাঠে সালাত আদায় করার বিশেষ ব্যবস্থা নিয়ে যেতাম। প্রয়োজনে ব্যাগে করে লুংগিও নিয়ে যেতাম। সেই থেকে আম্মা তালিমে যেতেন, সন্তানদের নাম লেখাতেন যেন আমরা বড় হয়ে তাবলীগে যাই। এটা প্রতি সপ্তাহেই। আম্মার প্রার্থনা আর আব্বা উতসাহে ক্লাস নাইনে প্রথম তাবলীগে গেলাম। আব্বার চাকুরী জীবনের সততা এবং কর্মনিষ্ঠার কারনে অফিসের বসরা অন্যরকমের সমীহ করতেন। এদের মধ্যে একজন তাবলীগী ছিলেন। তিনিও আব্বাকে বয়ান শুনতে দাওয়াত দিতেন। আব্বা আমাকে সাথে একদিন বয়ান শুনতে নিয়ে যান। সন্তানরা তাবলীগে যাক তা আব্বা বাধার দেয়ার পরিবর্তে উতসাহ দিতেন। বলতেন- ইসলামের পথে থাকলে খারাপী থেকে রক্ষা পাবে। এজন্য উনার অফিসের কলিগদের সন্তানদেরও জামাতে পাঠাতে উৎসাহ দিতেন। এই তাবলীগের উছিলায় অনেক সাধারন মানুষ ইসলামে ফিরে আসতে পেরেছে। বর্তমানে টিপিক্যাল তাবলীগে না গেলেও তাবলীগের আবহে কারনে পুরো পরিবারে কিছুটা ইসলামিক ভাবধারা গড়ে উঠেছে। ভাইয়ার ছেলে অস্ট্রেলিয়া কুরআনের হাফিজ হয়েছে তাতে তাবলীগ আবহের বড় ভূমিকা রয়েছে, ভাই-বোন, তাদের সন্তানরাও ইসলামের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, প্র্যাক্টিশ করতে চেষ্টা করে। যেখানে চিন্তা এবং শংকার বিষয়- আগের দিনগুলোতে ইসলাম প্র্যাক্টিশ করার ইস্যু তেমন জোড়দার না থাকলেও ইসলামের আবহ ছিল। স্কুলের কারিকুলামে ইসলামিক ভাবধারা ছিল, সমাজেও ছিল। কিন্তু গত ২০ বছরে এত বেশী পরিবর্তন হয়েছে যে আমাদের সন্তানদের জেনারেশন ইসলামে থাকতে পারবে কিনা তা নিয়ে ভয় হয়। কিছু মানুষ ধর্ম পালন করছে। ইসলামি পোষাক (জাস্ট একটা পোষাক হিসেবে অনেকে পড়ে) পড়েও ট্রান্স- সম--কা-মি-তা ভাবধারা অন্তরে অন্তরে পোষণ করে এমন লোকও তৈরী হচ্ছে… সন্তান প্রতিপালনে এ যুগের বইটি লিখতে গিয়ে দেশের কিছু পরিবর্তন সম্পর্কে স্পষ্ট ধারনা হয়েছে যা নিয়ে শংকা, উতকন্ঠা কাজ করে। অন্যদিকে প্রবাসী বন্ধু-বান্ধবদের সাথে ব্যক্তিগত আলোচনায় তারাও অনেক শংকিত। নিজের সন্তানকেও নাকি চেনা যায় না। ট্রান্স ইস্যু মারাত্নক শংকার কারন হয়ে গেছে প্রবাসী পিতামাতাদের জন্য। স্কুলে ট্রান্স বাথরুম চালু করেছে, ছোট্ট সন্তানরা এসে মা'কে বলে মেয়ে-মেয়ে বিয়ে হতে পারে, আবার ছেলে-ছেলেও। তাছাড়া ডিজিটাল সেক্সুয়াল কনটেণ্টের মহাসাগরে ভাসছে পুরো পৃথিবী। সবার পকেটে পকেটে এখন ঝুঁকি।

পাত্রী দেখার ক্ষেত্রে লক্ষণীয় বিষয় হলো - . ১) দেখাটা শুধু চেহারা, হাতের কব্জি ও পা দেখবে, ২) নির্জনে দেখবে না; বরং সাথে মেয়ে বা ছেলের কোনো মাহরাম থাকবে, ৩) দেখবে শুধু ছেলে বা অন্য কোনো নারী। ছেলের পিতা, ভাই বা অন্য কেউ দেখবে না, ৪) ছবি আদান-প্রদান না করা ভালো। কারণ তা অন্যের হাতে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে, ৫) দেখার পর পছন্দ না হলে দোষ চর্চা করবে না, ৬) ছেলে সরাসরি হাতে স্পর্শ করবে না। মুসাহাফা করবে না, ৭) নির্ভরযোগ্য মহিলা দ্বারাও দেখার কাজ সম্পন্ন করা যাবে। অন্দরে সে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে পাত্রীকে দেখবে। তার কোনো দোষ আছে কি না, ৮) যথাসম্ভব তা চুপিসারে হলে ভালো হয়, ৯) দেখার পর্ব এত অধিক আনুষ্ঠানিক করবে না যে, পাত্রীর পরিবারের উপর তা বোঝা হয়ে যায়, বিশাল মেহমানদারীর আয়োজন করতে হয়, ১০) দেখার পর ফোনে কথাবার্তা বলা যাবে না। বিবাহ ঠিক হলেও নয়। . [ মাওলানা আব্দুল্লাহ মাসুম, কুরআন ও সুন্নাহর দর্পণে দাম্পত্য জীবনের আলোকিত পথ, পৃ : ১০৪-১০৫]

সংসারের অশান্তি দুনিয়ার জাহান্নাম। যে জাহান্নামের অংশীদার মাত্র দুইজন। সাথে পুড়তে থাকে সন্তানেরা। কিছু অশান্তি চরম পরিণতি বা বিচ্ছেদ ছাড়া সমাধান সম্ভব নয়। অবশিষ্টগুলো চরম ধৈর্য্য বা গন্ডারের চামড়া বানালেই রোধ করা সম্ভব। সংসারে ঝগড়া বিবাদ করে কেউ কখনো জয়লাভ করতে পারেনি। প্রকারান্তরে হেরে যাওয়া ছাড়া। স্বামী স্ত্রী কখোনই কেউ কারো শত্রু হতে পারে না। এটা হওয়া মোটেই উচিৎ নয়। "আমি হারব না" এই মনোভাবই ধ্বংস নামিয়ে আনে সংসারে। সংসারে মাত্র দুটি মানুষই যদি একে অপরেকে শত্রু ভাবেন, তাহলে দুনিয়া সামলাবেন কী করে!! ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে, দুই শত্রুর যে কোন একজনের পিছনে যদি রক্তের সম্পর্ক নামক অন্য এক বা একাদিক ইন্ধনদাতা থাকে, তবে সেখানে অশান্তির আগুনে জ্বলা ছাড়া আর কোন রাস্তা থাকে না। প্লিজ, নিজে শেষ হয়ে নিজ সন্তানদের শেষ করবেন না। এমনিতেই সামাজিক অবক্ষয়ে ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে আমাদের সন্তানেরা। এর উপর বাবা মা' হয়ে আগুনে ঘি ঢালবেন না। ব্রোকেন ফ্যামিলির বাচ্চারা জানে, কষ্ট আর হাহাকার কী জিনিস!! দুই দিনের দুনিয়ায় কবরে যাওয়া পর্যন্ত স্বামী স্ত্রী, একে অপরের পাশে থাকবেন, বাচ্চারা বাবা মায়ের আদর ভালবাসা পাবে, এটাই তো হওয়া উচিৎ। আমি এ কথাগুলো পুঁথিগত বিদ্যা, বা মুখস্থ কিংবা কারো দেখে বলিনি। আমার সংসার জীবনে যা পালন করে চলেছি, সেটাই বলেছি। ৩০ বছরের সংসার জীবনে স্ত্রীর সাথে আমি কখনো ঝগড়া বা উচ্চস্বরে চিৎকার করে কথা বলিনি। আপনারাও পারবেন ইনশাআল্লাহ। ©Milon Sir

ভালো স্পাউজ কয়জন পায়? ফেসবুক হলো শো অফের জায়গা। কত জুটিকে দেখলাম, সারাদিন ফেবুতে হাবি হাবি / বউ বউ করে মাতিয়ে রাখে। অথচ ভেতরে কিচ্ছু নাই। কিছুদিন পরই ছাড়াছাড়ি হয়ে যায়। সবাই সোলমেইট পায় না। কারো স্বামী খারাপ তো কারো বউ খারাপ। স্বামী স্ত্রী সম্পর্কটাই একটা পরীক্ষা মনে হয়। স্ত্রী খারাপ হলে লুত আলাইহিস সালামের মতো হয়ে যান। জঘন্য সম~@~কা~মী~দের সহযোগী স্ত্রীকেও তিনি সহ্য করে গেছেন। কতটা ধৈর্যশীল হতে পারেন তা স্বামী হিসেবে এক্সাম্পল সেট করে গেছেন। আবার আছিয়া আলাইহিস সালাম সর্বকালের জ~@~ঘ~ন্য ব্যক্তি ফেরাউনের সাথে সংসার করে গেছেন। শত অত্যাচারেও ঈমান হারাননি। কষ্ট সহ্য করেছেন। সবর করেছেন। সব কষ্টের বিনিময়ে জান্নাতে প্রিয় রবের পাশে একটা ঘর চেয়েছেন। খারাপ স্বামী পেয়েও কীভাবে সবর করা যায় তার এক্সাম্পল সেট করে গেছেন। স্পাউজ চক্ষু শীতলকারী নাও হতে পারে। সেজন্য সবর করতে হয় আর দুয়া চালিয়ে যেতে হয়। رَبَّنَا هَبۡ لَنَا مِنۡ اَزۡوَاجِنَا وَ ذُرِّیّٰتِنَا قُرَّۃَ اَعۡیُنٍ وَّ اجۡعَلۡنَا لِلۡمُتَّقِیۡنَ اِمَامًا. (সূরা ফুরকান : ৭৪) - ড. উম্মে বুশরা সুমনা

===================================== এটিএম বুথ থেকে জাল ও ছেঁড়া নোট পেলে যা করবেন.. ---------------------------------------------------------------- ~ টাকা গুনে নেওয়ার সময় যদি কোন জাল বা ছেঁড়া নোট পান, একটু সতর্ক হোন যেন আপনি ভুলে পকেটে হাত না দেন এবং বুথ থেকে বের না হন। টাকার পরিমাণ কম হলেও একই কাজ করুন। ~ নোটটি আপনার ২ হাতে ধরে এটিএম মেশিনের উপরে বসানো ক্যমেরার সামনে এমনভাবে ধরুন যেন, নোটের ছেঁড়া অংশ ও নম্বর ক্যামেরাতে দেখা যায়। মূলত আপনি এটিএম থেকেই নোটটি পেয়েছেন তার প্রমাণ হিসেবে এমনটি করতে হবে। টাকার পরিমাণ কম হলে, ক্যামেরার সামনে টাকাগুলো ধীরে ধীরে গুনে দেখান। ~ এরপর বুথ থেকে বের না হয়ে, বাইরের সিকিউরিটি গার্ডকে ডেকে বিষয়টি অবহিত করুন। ~ সিকিউরিটি গার্ডের নাম, বুথের তত্ত্বাবধানকারী নিকটস্থ ব্যাংক শাখার নাম ও এটিএম মেশিনের নম্বরটি সংগ্রহ করুন। ~ ব্যাংক আওয়ারের মধ্যে হলে, নিকটস্থ ব্যাংক শাখা গিয়ে ক্যাশ কাউন্টারে অভিযোগ করুন। অভিযোগের সময়, বুথের লোকেশন ও লেনদেনের সঠিক সময় জানান। লেনদেনের সময় আপনার মোবাইলের মেসেজ ইনবক্সে পাবেন যদি এসএমএস এলার্ট চালু থাকে। ~ প্রয়োজনে, বুথের নাম্বার, সিকিউরিটি গার্ডের নাম, আপনার ব্যাংক একাউন্ট নম্বরও জানাতে পারেন। ~ সামান্য ছেঁড়া নোট হলে, ক্যাশ কাউন্টার থেকেই আপনাকে ছেঁড়া নোটটি পরিবর্তন করে দিবে। তবে জাল টাকা বা একদম অব্যবহৃত নোটের ক্ষেত্রে, একটি আবেদন ফরমে বিস্তারিত সকল তথ্য দিয়ে আবেদন করুন। ফর্মটি ব্যাংক থেকেই আপনাকে দিবে। @Abdullah Al Jaber

ED (ইরেক-টাইল ডিস-ফাংশন) বিশেষ অঙ্গ শক্ত না হওয়া বর্তমানে অনেক ছেলেদের বিয়ে করতে ভয় হয় শুধু মাত্র পর্যাপ্ত পরিমানে বিশেষ অঙ্গ শক্ত হচ্ছেনা বলে। চলুন দেখে নেয়া যাক ইরেকটাইল ডিসফাংশন এর কিছু কারণ।। -যেকোনো ধরনের Heart disease -High cholesterol level -Hypertension -diabetes -Obesity -Smoking -Low testosterone level - Gonadal agenesis 👉👉এছাড়াও, হতাশা, উদ্বিগ্নতা , মানসিক চাপ, সম্পর্কের জটিলতা, পার্টনারের অপমান এই সমস্ত কারণেও উক্ত সমস্যা হতে পারে। ‌ 👉👉বাংলাদেশী পুরুষদের মধ্যে, হতাশা উদ্বিগ্নতা সম্পর্কে জটিলতা অথবা মানসিক চাপ জনিত কারণেই এই সমস্যাটি বেশি দেখা যায়।। ✅✅দাম্পত্য জীবনের সমস্যা বা যৌ-ন সমস্যাকে মানুষ একসময় গোপন সমস্যা হিসেবে আখ্যায়িত করতো।কিন্তু বর্তমানে এই সমস্যাগুলোকে সাধারন সমস্যার মতোই মনে করা হচ্ছে। 🔥 মনে রাখবেন, একদিন অথবা এক সপ্তাহ পারলেন না, তারমানে এই নয়, আপনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন অথবা আপনার পক্ষে আর সম্ভব না।। আবার পার্টনার, হয়তো একদিন সন্তুষ্ট হলেন না, সন্তুষ্ট না হওয়ার কারণে, ইচ্ছামতো অপমান করলেন, আত্মবিশ্বাস ধ্বংসের পর্যায়ে নিয়ে গেলেন, এমনটি করলে ইরেকটাইল ডিসফাংশন আরো বৃদ্ধি পায়।। ✅👉 অনেকে ইরেকটাইল ডিসফাংশন এবং প্রিম্যাচিউর ইজাকুলেশনের সাথে মিলিয়ে ফেলেন।। দুটি সমস্যা দুই রকম।। ✅✅🔥 এই ধরনের সমস্যা হলে, অতি দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।। রাস্তাঘাটে/বিভিন্ন ফার্মেসিতে যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট খেয়ে, নিজের জীবনকে হুমকির মুখে ফেলবেন না।। ওগুলো আপনাকে সাময়িক আনন্দ দেবার বদলে,‌ স্থায়ীভাবে আপনার যৌন জীবনকে শেষ করে দেবে।। 🔥🔥 মনে রাখবেন প্রত্যেকটি যৌ-ন সমস্যা চিকিৎসাযোগ্য।।‌ শরীরের অন্যান্য অঙ্গগুলো যেমন অসুস্থ হয়ে পড়ে সাময়িকভাবে, ঠিক তেমনি নারী ও পুরুষের গোপন অঙ্গ প্রত্যঙ্গ সাময়িকভাবে অসুস্থ হতে পারে। 🔥🔥মনে রাখবেন Erectile dysfunction কোন লজ্জা বা হাসি ঠাট্টার বিশয় না।মাঝেমধ্যে সুস্থ পুরুষের ও বিশেষ অঙ্গ দৃঢ় নাও হতে পারে। যদি দিনের পর দিন এই সমস্যা হতে থাকে, তাহলে সেটা সমস্যা।। ✅👉🔥 ইরেকটাইল ডিসফাংশন লজ্জায় লুকিয়ে সঠিক চিকিৎসা ও পরামর্শ না করলে লস আপনার।। ডাঃ শেখ সালাহ উদ্দিন এমবিবিএস (ঢাকা) সিএমইউ(আল্ট্রা) জেনারেল ফিজিশিয়ান ও সনোলজিস্ট কন্ট্রিবিউটর , ২০ মিনিট মেডিকেল

এই হাদীস সবারই জানা উচিত। عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: ” ثَلَاثٌ جِدُّهُنَّ جِدٌّ وَهَزْلُهُنَّ جِدٌّ: الطَّلَاقُ، وَالنِّكَاحُ، وَالرَّجْعَةُ “ হযরত আবূ হুরায়রা রাঃ থেকে বর্ণিত। রাসূল সাঃ ইরশাদ করেছেন- তিনটি বিষয় এমন যে, ইচ্ছেকৃত করলে ইচ্ছেকৃত এবং ঠাট্টা করে করলেও ইচ্ছেকৃত বলে ধর্তব্য হয়। তা হল, ১/ তালাক ২/ বিবাহ ৩/ তালাকে রেজয়ীপ্রাপ্তা স্ত্রীকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা। {সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদীস নং-২০৩৯, সুনানে আবু দাউদ, হাদীস নং-২১৯৪} ভিডিওটি দেখা যেতে পারে- https://youtu.be/X9eHuaHIlts

প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় ফরজ গোসলের বিধান প্রশ্ন: রাতে স্বপ্নদোষ হলে এই শীতের সকালে গোসল সম্ভব নয়। তাহলে এ ক্ষেত্রে নামাজ পড়তে চাইলে কী করা উচিত? উত্তর: স্বপ্নদোষ হওয়া বড় নাপাকির অন্তর্ভুক্ত। এ থেকে পবিত্রতার জন্য গোসল করা ফরজ। সুতরাং এমনটি ঘটলে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার সময় পানি গরম করে গোসল করতে হবে। কিন্তু যদি এমন পরিস্থিতির মধ্যে থাকেন যে, সেখানে পানি গরমের কোনো ব্যবস্থা নেই এবং ঠাণ্ডা পানিতে গোসলের কারণে অসুস্থ হওয়ার কিংবা রোগ-ব্যাধি বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা আছে তাহলে এক্ষেত্রে পবিত্র মাটি দ্বারা তায়াম্মুম করা জায়েজ। কিন্তু পানি গরমের ব্যবস্থা থাকলে তায়াম্মুম করা জায়েজ হবে না। ◆ আল্লাহ তাআলা বলেন, فَاتَّقُوا اللَّهَ مَا اسْتَطَعْتُم “তোমরা যথাসাধ্য আল্লাহকে ভয় করো।” [সূরা তাগাবুন: ১৬] ◆ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, إِذَا أَمَرْتُكُمْ بِأَمْرٍ فَأْتُوا مِنْهُ مَا اسْتَطَعْتُمْ “আমি যদি তোমাদেরকে কোন বিষয়ে আদেশ করি তাহলে সাধ্য অনুসারে তা পালন করবে।” [সহিহ বুখারি] ◆ হাদিসে আরও এসেছে, প্রখ্যাত সাহাবী আমর ইবনুল আস রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, احتَلمتُ في ليلةٍ باردةٍ في غزوةِ ذاتِ السُّلاسلِ فأشفَقتُ إنِ اغتَسَلتُ أن أَهْلِكَ فتيمَّمتُ، ثمَّ صلَّيتُ بأصحابي الصُّبحَ فذَكَروا ذلِكَ للنَّبيِّ صلَّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ فقالَ: يا عَمرو صلَّيتَ بأصحابِكَ وأنتَ جنُبٌ ؟ فأخبرتُهُ بالَّذي مَنعَني منَ الاغتِسالِ وقُلتُ إنِّي سَمِعْتُ اللَّهَ يقولُ:( وَلَا تَقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا ) فضحِكَ رسولُ اللَّهِ صلَّى اللَّهُ عليهِ وسلَّمَ ولم يَقُلْ شيئًا “যাতুস সালাসিল যুদ্ধের সময় এক প্রচণ্ড শীতের রাতে আমার স্বপ্নদোষ হয়। আমার ভয় হল, আমি যদি গোসল করি তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হব। তাই আমি তায়াম্মুম করে লোকজনকে নিয়ে সালাত আদায় করলাম। পরে তারা বিষয়টি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জানালে তিনি বললেন, "হে আমর, তুমি নাকি জুনুবি (নাপাক) অবস্থায় তোমার সাথীদের নিয়ে সালাত আদায় করেছো?" তখন আমি গোসল না করার কারণ সম্পর্কে তাঁকে অবহিত করলাম এবং বললাম, আমি আল্লাহর এই বাণী শুনেছি, (আল্লাহ বলেছেন,) وَلَا تَقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا “আর তোমরা নিজেরা নিজেদের হত্যা করো না। নিশ্চয় আল্লাহ তোমাদের প্রতি বড়ই দয়াবান’’ (সূরা নিসা: ২৯)। একথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাসলেন এবং কিছুই বললেন না।” [আবু দাউদ-সহিহ] এই হাদিসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সম্মতির মাধ্যমে এমন পরিস্থিতিতে তায়াম্মুম করার বৈধতা প্রমাণিত হয়। ❑ শাইখ আব্দুল্লাহ বিন বায রাহ. বলেন, إذا كان في محل لا يستطيع فيه تدفئة الماء وليس هناك كن يستكن به للغسل بالماء الدافي وخاف على نفسه فإنه يصلي بالتيمم ولا حرج عليه “যদি সে এমন জায়গায় থাকে যেখানে সে পানি গরম করতে পারে না এবং গরম পানি দিয়ে গোসল করার জন্য সেখানে এমন কোনো ঘর না থাকে যেখানে (ঠাণ্ডা থেকে) আত্মরক্ষা করবে এবং (ঠাণ্ডা পানি ব্যবহারের কারণে) শারীরিক ক্ষতির আশঙ্কা থাকে তাহলে তাকে তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করবে। এতে কোনও আপত্তি নেই।” [binbaz] 🔸উল্লেখ্য যে, এই বিধান স্বপ্নদোষের পাশাপাশি স্বামী-স্ত্রী মিলন কিংবা জাগ্রত অবস্থায় বীর্যপাতের মাধ্যমে জুনুবি (নাপাক) হওয়ার ক্ষেত্রে, মহিলাদের ঋতুস্রাব থেকে পবিত্র হওয়া ও প্রসূতি নারীর পবিত্রতার জন্য গোসলের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য আল্লাহু আলাম। -আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল #abdullahilhadi