ar
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

الذهاب إلى القناة على Telegram

🙂🙂🙂

إظهار المزيد
1 996
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
لا توجد بيانات7 أيام
-130 أيام
أرشيف المشاركات
আপনারা কোনদিন কোন ধর্ষকের বউকে বলতে শোনেন নাই যে তার জামাই নির্দোষ,সব মেয়ের দোষ?মেয়ে ফাসিয়েছে? পার্টনার কে নাক মুখ বন্ধ করে বিশ্বাস করা একটা অপরাধ। নিজের জন্য সবার জন্য। তাহলে কি পার্টনারকে বিশ্বাস করবো না?? করবো কিন্তু কখন প্রশ্ন করবো সেটাও জানতে হবে। তবে আমার ধারণা অধিকাংশ বাংগালি মহিলারা সেটা জানে না। তাদের কাছে জামাইরা কোনদিন চরিত্রহীন না। জামাই পরকীয়া করেছে? ওই বেডির দোষ। জামাই রেপ করেছে? মেয়ের চরিত্র খারাপ। জামাই মেরেছে? আমার নিজের দোষ। জামাই ইভটিজার? মেয়ের পোশাক খারাপ আজকে যখন এই পার্ভাটের বউ সাপোর্ট করলো আমি মোটেই অবাক হইনি। এই রিয়াকশনই স্বাভাবিক। মেয়েরা টয়লেটে গেলো কেন - এই কথা যে বলে নাই তাতেই বরং অবাক হয়েছি। বাসা থেকে টয়লেট করে আসবে এবং বাসায় যেয়ে টয়লেট করবে। এই মেয়ে একদম জেনেরিক রেসপন্স করেছে। এমন সাপোর্টিভ না হলে,প্রশ্ন করলে আবার আপনারাই গালি দেন যে মেয়েরা taka cara kecu chene na,hasband ke sapot dei na

এই আর্টিকেলে লেখক ৬০ জন সফল ব্যক্তির সাথে কথা বলে ১১টি অভ্যাসের কথা তুলে ধরেছেন, যা তাদের জীবন বদলে দিয়েছে। • ১. দিন শুরু করার জন্য একটি সহজ রুটিন রাখা: সফল ব্যক্তিরা খুব জটিল কিছু করেন না, বরং প্রতিদিন একই কাজ ধারাবাহিকভাবে করেন। যেমন: ঘুম থেকে উঠে পানি পান করা, হাত-পা টানটান (stretch) করা বা বিছানা গোছানো। এটি আপনার মস্তিষ্ককে দিনের শুরুতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার বাড়তি চাপ থেকে মুক্তি দেয়। ২. আগের রাতে পরের দিনের পরিকল্পনা করা: দিনের শেষে মাত্র ৫ মিনিট সময় নিয়ে পরের দিনের ৩টি প্রধান কাজ লিখে রাখুন। এতে সকালে ঘুম থেকে উঠে কী করবেন তা নিয়ে দ্বিধায় ভুগতে হয় না। প্রয়োজনীয় জিনিস (যেমন- ব্যাগ বা কাপড়) রাতেই গুছিয়ে রাখা ভালো। ৩. ঘুমকে গুরুত্ব দেওয়া: তারা ঘুমকে একটি জরুরি অ্যাপয়েন্টমেন্টের মতো দেখেন। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো এবং শোবার আগে স্ক্রিন (ফোন/ল্যাপটপ) থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করেন। ৪. প্রতিদিন শরীরচর্চা বা নড়াচড়া করা: বিশাল জিম সেশন নয়, বরং নিয়মিত ১০ মিনিট হাঁটা বা স্ট্রেচিং করার ওপর তারা জোর দেন। আসল উদ্দেশ্য হলো শরীরকে সচল রাখা, তা যত অল্প সময়ের জন্যই হোক না কেন। ৫. শক্তি বজায় রাখার মতো খাবার খাওয়া: যাতে কাজের মাঝে ক্লান্তি না আসে, সে জন্য তারা প্রোটিন ও ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেছে নেন এবং সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করেন। ৬. শুরুতেই একটি কঠিন কাজ শেষ করা: দিনের শুরুতেই সবচেয়ে বড় বা কঠিন কাজটি করে ফেললে আত্মবিশ্বাস বেড়ে যায় এবং সারাদিন আর সেই কাজের দুশ্চিন্তা থাকে না। ৭. ফোনের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা: অপ্রয়োজনীয় নোটিফিকেশন বন্ধ রাখা এবং ফোনের হোম স্ক্রিন থেকে আসক্তিকর অ্যাপগুলো সরিয়ে রাখা। ফোনে স্ক্রল না করে নিজের কাজে মনোযোগ দেওয়ার পরিবেশ তৈরি করা। ৮. সময়ের স্পষ্ট সীমানা নির্ধারণ করা: কখন কাজ করবেন আর কখন বিশ্রাম নেবেন, তার নির্দিষ্ট সময় থাকা উচিত। অন্যদের 'না' বলতে শেখা এবং নিজের বিশ্রামের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। ৯. নিয়মিত নতুন কোনো দক্ষতা শেখা: খুব বড় কিছু নয়, বরং প্রতিদিন অল্প অল্প করে কোনো নতুন বিষয় (যেমন- রান্না, ভাষা শেখা বা বই পড়া) শেখার অভ্যাস গড়ে তোলা। ১০. গুরুত্বপূর্ণ সম্পর্কগুলোতে বিনিয়োগ করা: অসংখ্য মানুষের সাথে নয়, বরং কাছের কয়েকজন বিশ্বস্ত মানুষের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখা। সপ্তাহে অন্তত একবার প্রিয়জনের খোঁজ নেওয়া মানসিক প্রশান্তি দেয়। ১১. সাপ্তাহিক 'রিসেট' বা পর্যালোচনা করা: সপ্তাহের শেষে একবার নিজের ঘর বা কাজের টেবিল গোছানো এবং আগামী সপ্তাহের কাজের তালিকা মিলিয়ে নেওয়া। এটি নতুন সপ্তাহে কাজ শুরু করা সহজ করে দেয়। • সফল হওয়ার জন্য কোনো জাদুকরী মন্ত্র নেই। ছোট ছোট অভ্যাস প্রতিদিন ধারাবাহিকভাবে পালন করাই হলো আসল রহস্য। _______ সূত্র: কটনউড সাইকোলজি

মোহাম্মদ বাহ আববা (Mohammed Bah Abba) ছিলেন নাইজেরিয়ার একজন শিক্ষক এবং উদ্ভাবক। তিনি দেখলেন যে, তার দেশের অনেক দরিদ্র পরিবার, বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলের মানুষ, বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় খাবার সংরক্ষণ করতে পারছেনা। খাবার দ্রুত পচে যাওয়ার কারণে কৃষক ও ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষতির সম্মুখীন হতো। এই সমস্যার সমাধান বের করতে গিয়ে তিনি আবিষ্কার করেন জিয়ার পট কুলার (Zeer Pot Cooler)। তিনি আফ্রিকার প্রচণ্ড গরমে খাবার সংরক্ষণ ও ঠান্ডা রাখার উপায় হিসেবে এই পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। জিয়ার পট কুলারের মূল কার্যনীতি হলো বাষ্পীভবনীয় শীতলীকরণ (Evaporative Cooling)। এটি দুইটি মাটির পাত্র দিয়ে তৈরি করা হয়। এটি দুটি মাটির পাত্রের মধ্যে বালি এবং পানি ব্যবহার করে পানির বাষ্পীভবনের মাধ্যমে শীতলীকরণ প্রক্রিয়া সৃষ্টি করে, যা বিদ্যুৎবিহীন প্রাকৃতিক রেফ্রিজারেশন সিস্টেম হিসেবে কাজ করে। জিয়ার পট তৈরির ধাপগুলো হলোঃ - একটি ছোট মাটির পাত্র এই পাত্রের চেয়ে বড় মাটির পাত্রের ভেতরে বসানো হয়। - এই দুই পাত্রের মাঝখানে বালি ভরে পানি ঢালা হয়। - কুলার সচল হলে পানি তাপ শোষণ করে বাষ্পীভূত হতে শুরু করে, ফলে ভেতরের পাত্র ঠান্ডা হয়ে যায়। - এর ফলে পাত্রের ভেতরের খাদ্যপণ্য যেমন শাকসবজি, দুধ, মাংস ইত্যাদি দীর্ঘ সময় সতেজ থাকে। সাধারণত যেখানে খাবার ১-২ দিনের বেশি টিকে না, সেখানে জিয়ার পট কুলার ব্যবহারের ফলে ফলমূল, শাকসবজি ও দুগ্ধজাত পণ্য প্রায় ১০-২০ দিন পর্যন্ত ভালো থাকে। বিদ্যুৎবিহীন গ্রামাঞ্চলের জন্য এটি একটি সস্তা ও কার্যকর পদ্ধতি। এটি কোনো বিদ্যুৎ বা কেমিক্যাল ব্যবহার করে না, ফলে এটি সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব। ১৯৯৫ সালে মাটির পাত্রের রেফ্রিজারেশন প্রযুক্তি- জিয়ার পট কুলার (Zeer Pot Cooler) সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেন নাইজেরিয়ার এই উদ্ভাবক মোহাম্মদ বাহ আববা। মোহাম্মদ বাহ আববার এই উদ্ভাবন বিশ্বব্যাপী স্বীকৃতি পায়। ২০০১ সালে তিনি Rolex Award for Enterprise পুরস্কার লাভ করেন। এই অর্থ দিয়ে তিনি নাইজেরিয়ার গ্রামাঞ্চলে জিয়ার পট কুলার ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দেন, যা অসংখ্য দরিদ্র পরিবারের জীবনমান উন্নত করতে সাহায্য করে। মোহাম্মদ বাহ আববার উদ্ভাবিত এই জিয়ার পট কুলার বিদ্যুৎবিহীন জায়গায় খাবার সংরক্ষণের একটি আশ্চর্যজনক সমাধান। এটি শুধুমাত্র নাইজেরিয়ায় নয়, বরং বিশ্বের অনেক দেশের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে। তবে, বাষ্পীভবনীয় শীতলীকরণ প্রযুক্তি নতুন কিছু নয়, এটি প্রাচীন মিশরীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের সভ্যতায় ব্যবহৃত হতো। মোহাম্মদ বাহ আববা এটিকে আধুনিক রূপ দেন এবং সাধারণ মানুষের জন্য সহজলভ্য করেন। প্রাচীন মিশরীয় ও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন সভ্যতায় এই ধরনের কৌশল ব্যবহারের প্রমাণ পাওয়া গেছে। কিন্তু আধুনিক সময়ে এটিকে জনপ্রিয় করেন মোহাম্মদ বাহ আববা। জিয়ার পট (Zeer Pot) নামটিও এসেছে আরবি শব্দ Zeer থেকে, যার অর্থ হলো মাটির পাত্র। মোহাম্মদ বাহ আববা যখন এই প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন, তখন তিনি প্রাচীন মিশর ও মধ্যপ্রাচ্যের মাটির পাত্রভিত্তিক কুলিং সিস্টেম থেকে অনুপ্রাণিত হন। মধ্যপ্রাচ্যে এবং উত্তর আফ্রিকায় পানি ঠান্ডা রাখতে বহু শতাব্দী ধরে জির" (Zir) বা জিয়ার (Zeer) নামে মাটির পাত্র ব্যবহার করা হতো। এই ঐতিহ্যের সাথে মিল রেখে তিনি তার উদ্ভাবনের নাম Zeer Pot Cooler রাখেন। Captain Green

অনেক তথাকথিত 'হারবাল', ‘ন্যাচারাল’ বা ‘ক্লিন’ ব্র্যান্ডের পণ্যে এমন উপাদান থাকে, যেগুলো শরীরের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে বিপজ্জনক হতে পারে। এগুলোর মধ্যে কিছু উপাদান হরমোনের ভারসাম্য বিনাশ, ত্বকে জ্বালাভাব, চুলকানি বা অ্যালার্জির মতো সমস্যা তৈরি করতে পারে; এমনকি কিছু উপাদান ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়াতে পারে বলে গবেষণায় দেখা গেছে! গ্রাহক যখন এসব পণ্যকে নিরাপদ মনে করে নিয়মিত ব্যবহার করে, তখন ক্ষতিটা আরও চরমে পৌঁছায়! অর্গানিক ফুড, হারবাল মেডিসিন, হার্বাল কসমেটিকস, পিওর ফুড, মিনারেল ওয়াটার, ইকো ফ্রেন্ডলি প্রোডাক্ট এসব শব্দর সঙ্গে মোটামুটি সবাই পরিচিত। সুন্দর মোড়ক, সবুজ রং কিংবা ‘ন্যাচারাল, ‘নন-টক্সিক’, ‘ক্লিন’ জাতীয় শব্দ দেখে সবাই আশ্বস্ত হয়। কিন্তু ভেতরের উপাদান বা প্রস্তুতের প্রক্রিয়া নিয়ে সচেতন না হলে প্রতারিত হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। গ্রিনওয়াশিং এভাবেই সাধারণ গ্রাহকদের বিভ্রান্ত করে। লোকে মনে করে, তারা যেসব পণ্য ব্যবহার করছেন, সেগুলো স্বাস্থ্যকর, প্রাকৃতিক বা পরিবেশবান্ধব। অথচ বাস্তবে তারা হয়তো প্রতিদিনই ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করছে নিজেদের অজান্তে। ভদ্দরনোকদের আবার ব্র‍্যান্ড ছাড়া চলে না! অন্তত যেকোনো পণ্য কেনার আগে পুরো উপাদান তালিকা খুঁটিয়ে দেখা জরুরি। অনেক কোম্পানি ‘ফ্র্যাগরেন্স’, ‘প্রোপ্রাইটারি ব্লেন্ড’ বা ‘বোটানিক্যাল কমপ্লেক্স’ এই ধরনের অস্পষ্ট শব্দ ব্যবহার করে স্বচ্ছতাকে পুরোপুরি এড়িয়ে যায়। এগুলোর ভেতরে অসংখ্য কেমিক্যাল লুকিয়ে থাকতে পারে, যেগুলোর প্রভাব আপনার শরীর বা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। তাই যদি কোনো ব্র্যান্ড উপাদান গোপন রাখে কিংবা খোলামেলা তথ্য না দেয়, তাহলে বর্জন করাই উত্তম। পণ্যের মোড়কে ‘ন্যাচারাল,’ ‘বোটানিক্যাল’, ‘কেমিক্যাল-ফ্রি’, ‘নন-টক্সিক’ এই ধরনের শব্দ অনেক সময় চোখে পড়ে। আসলে এই শব্দগুলোর বেশির ভাগের কোনো নির্দিষ্ট আইনগত সংজ্ঞা নেই। অর্থাৎ, কোনো ব্র্যান্ড চাইলে নিজের ইচ্ছেমতো শব্দগুলো ব্যবহার করতে পারে, কোনো সার্টিফিকেশন ছাড়াই। Captain Green

২০ শতকের শেষ দিকে, সরকারি বিভিন্ন বিধিনিষেধ ও আইন পাস করা হচ্ছিল পরিবেশ ও মানুষকে ক্ষতির হাত থেকে বাঁচানোর জন্য। কিন্তু নিওলিবারেল অর্থনীতির জনক মিলটন ফ্রিডম্যান ব্যাপারটাকে ভিন্নভাবে দেখেছিল। তার মতে, এই বিধিনিষেধগুলো শুধু বিভিন্ন করপোরেশনকে ক্ষতিগ্রস্থই করছে না, বরং তাদের এমন কিছু করতে বাধ্য করছে যা তাদের করার কথা না। তার মত হলো, এই করপোরেশনগুলোর একমাত্র সামাজিক দায়িত্ব তাদের শেয়ারহোল্ডারদের জন্য মুনাফা সঞ্চার করা! ১৯৮৫ সালে পরিবেশসচেতনতা ছড়িয়ে দিতে একটি বিজ্ঞাপনের সিরিজ বের হয়, যার নাম 'পিপল ডু ক্যাম্পেইন'। ১৯৯১ সালে এই বিজ্ঞাপনের সিরিজটি পুরস্কারও লাভ করে! কিন্তু একটু হাত ঢুকালেই বের হয়ে আসে থলের বেড়াল! এ ধরনের ক্যাম্পেইন মূলত বড় বড় কিছু কোম্পানির ঘটানো মারাত্মক পরিবেশ দূষণ লুকানোর অস্ত্র! ১৯৮৫ সালে শেভ্রন নামক তেল কোম্পানির শোধনাগার থেকে মিলিয়ন ব্যারেল তেল লিক হওয়ার মাধ্যমে স্থানীয় ভূগর্ভস্থ পানি দূষিত হওয়ার সংবাদ প্রকাশিত হয়। ১৯৮৮ তাদের আরেকটি প্লান্ট থেকে বি/ষা/ক্ত পদার্থ নির্গমনের অভিযোগ আসে। আবার ১৯৯১ সালে Clean water & clean air act এর মাধ্যমে দোষী সাব্যস্ত হয়! ভঙ্গুর হয়ে যাওয়া পাবলিক ইমেজ রক্ষা করার জন্য ওরা বছরে মিলিয়ন ডলার খরচ করে এসব ক্যাম্পেইন পরিচালনা করে! এ ধরনের ক্যাম্পেইন বিভিন্ন করপোরেশনের জন্য অনেক কমন, যদি সেটা মাল্টিন্যাশনাল কোনো করপোরেশন হয়। তারা বিক্রি বাড়ানোর জন্য এবং ব্র্যান্ড ইমেজ তৈরি করার জন্য গ্রিনওয়াশিং করে থাকে, পরিবেশ নিয়ে মিষ্টি মিষ্টি কথা বলে। অথচ পরিবেশ ধ্বংসের পেছনেই ওদের ভূমিকা ব্যাপক! যেকোনো প্রকৃত পরিবর্তন, যেকোনো কার্যকর একশনের মানে হলো পুঁজিবাদী এই ধারাকে পরিবর্তন করে ফেলা। প্রকৃত সমাধান যেমন- স্থানীয় স্বনির্ভর উৎপাদন, কৃষি অর্থনীতি, পরিবেশবান্ধব অর্থনীতি এসবের মানে হলো মুনাফার চেয়ে মানুষ ও পরিবেশকে প্রাধান্য দেওয়া। এ সবকিছুই কোম্পানিগুলোর জন্য দুর্যোগ বয়ে আনবে! তাই বিভিন্ন বড় কোম্পানিদের যখন আপনি মনভুলানো পিআর ক্যাম্পেইন ও মার্কেটিংয়ের মাধ্যমে পরিবেশ নিয়ে ভাবতে দেখবেন তখন যা বুঝার বুঝে নিতে হবে! যদি এসব কোম্পানি নানা কৌশলে আমাদের বিশ্বাস অর্জন করতে পারে যে ওরা ভালো কিছু করছে, তখন ওরা এই সুযোগে যা ইচ্ছা তাই করতে পারবে! এটাই নিওলিবারেলিজম, যা মূলত নিয়ন্ত্রণবিহীন মুক্তবাজার অর্থনীতির থিওরি প্রদান করে। যেটা বর্তমান বৈশ্বিক বাণিজ্যের ভিত্তি। এর মূল বক্তব্য হলো, সবকিছুর ওপরে মুনাফা! যার কারণে ওদের কাছে করপোরেট মুনাফা বৃদ্ধির স্বার্থে গ্রিনওয়াশিংয়ের মাধ্যমে জনগণকে বিভ্রান্ত করা খারাপ কিছুনা! পুঁজিবাদী অর্থনীতিতে একটি কোম্পানির প্রাথমিক লক্ষ্য হলো শেয়ারহোল্ডার ও পুঁজিবাদী শ্রেণির জন্য মুনাফা অর্জন করা। এর ব্যত্যয় ঘটিয়ে, নীতিনৈতিকতার বালাই রেখে পরিবেশ ও মানুষের জন্য কিছু ছেড়ে দেওয়া মানেই আরো কম ইনভেস্টর, কম মুনাফা এবং শেষমেষ দেউলিয়াত্ব! আজ জনগণ গ্রিনওয়াশিং, ক্লিনওয়াশিং এর শিকার! এই ওয়াশিং এমন এক মগজ ধোলাই প্রক্রিয়া, যেখানে ভোক্তার সামনে যেকোনো পণ্যকে অনেক বেশি পরিবেশবান্ধব কিংবা প্রাকৃতিক হিসেবে দেখানো হয় কিন্তু আসলে পণ্যটি সে রকম নয়, ক্ষেত্রবিশেষে উল্টোটিও হতে পারে! ক্লিনওয়াশিং সাধারণত স্কিন কেয়ার, হাইজিন এবং মেকআপ পণ্যগুলোতে ব্যবহৃত হয়। এই কৌশলের মাধ্যমে একটি পণ্যকে ‘ক্লিন’, ‘নন-টক্সিক’, ‘ন্যাচারাল’ ইত্যাদি বলা হয়; অথচ এই দাবির পেছনে সুনির্দিষ্ট উপাদান বা তথ্য দেওয়া হয় না। বড় বড় কোম্পানি কেবল শব্দের খেলায় নিজেদের পণ্যকে ‘ক্লিন’ দাবি করে থাকে। অনেক সময় পণ্যের গায়ে বড় করে লেখা থাকে ‘প্যারাবেন ফ্রি’, যা দেখে ক্রেতার মনে স্বস্তি তৈরি হবে। কিন্তু একটু খেয়াল করলে দেখা যাবে, ঐ একই পণ্যের ইনগ্রেডিয়েন্টসে ‘ফ্র্যাগরেন্স’ বা ‘পারফিউম’ উল্লেখ করা হয়েছে। এই এক শব্দের আড়ালেই লুকিয়ে থাকতে পারে শত শত কেমিক্যাল, যেগুলোর নাম প্রকাশে একটা কোম্পানির কোনো বাধ্যবাধকতা নেই! এর মধ্যে অনেক উপাদান আবার মানুষের হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন ঘটার কিংবা অ্যালার্জির কারণ হতে পারে! আবার অনেক ব্র্যান্ড দাবি করে, তাদের মাসকারা বা অন্যান্য মেকআপ পণ্য ‘ন্যাচারাল’। কিন্তু আসলে সেগুলোতে রং বা ঝলমলে ভাব আনার জন্য ব্যবহৃত হয় মাইকা বা অন্যান্য খনিজ উপাদান, যা প্রাকৃতিক হলেও পরিবেশবান্ধব নয় এবং অনেক ক্ষেত্রে শিশু শ্রমের মাধ্যমে এসব আহরণ করা হয়! এছাড়া কিছু কিছু পণ্যে লেখা থাকে ‘প্রোপ্রাইটারি ব্লেন্ড’ বা ‘বিশেষ মিশ্রণ’, যেটা আসলে পন্যের রাসায়নিক উপাদান সিক্রেট রাখার কৌশল। এভাবে ব্র্যান্ডটি বলে দেয়, তারা সব উপাদান দেখাতে পারবে না; কারণ এটি তাদের নিজস্ব ফর্মুলা! অথচ এতে গ্রাহকগণ বুঝতেই পারেন না, তাদের ত্বক বা শরীর কিসের কিসের সংস্পর্শে আসছে! আর সেগুলো স্বাস্থ্য ও পরিবেশের জন্য বি/ষা/ক্ত কিনা!

আপনি যদি নিজের কাজ করার ক্ষমতা বাড়াতে চান এবং জীবনকে আরও গুছিয়ে নিতে চান, তবে এই বইগুলো আপনার জন্য সহায়ক হবে। • ১. Atomic Habits (অ্যাটোমিক হ্যাবিটস) - জেমস ক্লিয়ার: এই বইটি মূলত ছোট ছোট অভ্যাসের শক্তি নিয়ে। লেখক দেখিয়েছেন কীভাবে প্রতিদিন মাত্র ১% উন্নতি আপনাকে দীর্ঘমেয়াদে বিশাল সাফল্য এনে দিতে পারে। এটি খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করে ভালো অভ্যাস গড়ার একটি কার্যকরী নির্দেশিকা। ২. Deep Work (ডিপ ওয়ার্ক) - ক্যাল নিউপোর্ট: বর্তমান যুগে আমরা সবসময় স্মার্টফোন বা সোশ্যাল মিডিয়া দিয়ে বিভ্রান্ত (distracted) থাকি। এই বইটি শেখায় কীভাবে গভীর মনোযোগ দিয়ে কঠিন কাজগুলো দ্রুত এবং নিখুঁতভাবে শেষ করা যায়। মনোযোগ ধরে রাখার কৌশল শিখতে এটি সেরা বই। ৩. The 5 AM Club (দ্য ফাইভ এএম ক্লাব) - রবিন শর্মা: সকাল ৫টায় ঘুম থেকে ওঠার উপকারিতা নিয়ে এই বইটি লেখা। লেখক একটি কাল্পনিক গল্পের মাধ্যমে দেখিয়েছেন কীভাবে ভোরে ঘুম থেকে উঠে দিনের প্রথম সময়টা নিজের শরীরের ও মনের যত্নে ব্যয় করলে সারাদিন অনেক বেশি কাজ করা সম্ভব। ৪. Indistractable (ইন্ডিস্ট্র্যাক্টেবল) - নির ইয়ার: আমরা চাইলেও অনেক সময় কাজে মন দিতে পারি না। এই বইটিতে লেখক আলোচনা করেছেন কেন আমরা বারবার বিভ্রান্ত হই এবং কীভাবে নিজের মনোযোগের ওপর নিয়ন্ত্রণ ফিরে পাওয়া যায়। প্রযুক্তির এই যুগে এটি খুবই প্রয়োজনীয় একটি বই। ৫. Essentialism (এসেনশিয়ালিজম) - গ্রেগ ম্যাককিউন: সব কাজ করার চেষ্টা না করে শুধুমাত্র সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলোতে মনোযোগ দেওয়াই হলো এসেনশিয়ালিজম। এই বইটি আপনাকে শেখাবে কীভাবে অপ্রয়োজনীয় কাজগুলোকে 'না' বলতে হয় এবং নিজের শক্তি সঠিক জায়গায় খরচ করতে হয়। ৬. Eat That Frog! (ইট দ্যাট ফ্রগ!) - ব্রায়ান ট্রেসি: যাঁদের কাজ জমিয়ে রাখার (Procrastination) অভ্যাস আছে, তাঁদের জন্য এই বইটি। বইটির মূল কথা হলো— দিনের সবচেয়ে কঠিন এবং গুরুত্বপূর্ণ কাজটি সবার আগে শেষ করে ফেলুন। এতে আপনার আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং বাকি কাজগুলো সহজ মনে হবে। ৭. The 80/20 Principle (দ্য ৮০/২০ প্রিন্সিপল) - রিচার্ড কখ: এই নিয়মটি হলো— আমাদের জীবনের ৮০ শতাংশ ফলাফল আসে মাত্র ২০ শতাংশ কাজ থেকে। এই বইটি পড়লে আপনি বুঝতে পারবেন কোন ২০ শতাংশ কাজ আপনার জন্য সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ, যাতে আপনি কম পরিশ্রমে বেশি সাফল্য পেতে পারেন। • এই বইগুলো শুধু পড়ার জন্য নয়, বরং বইয়ের কৌশলগুলো জীবনে প্রয়োগ করলে আপনি ২০২৬ সালে নিজেকে আরও দক্ষ এবং সফল হিসেবে গড়ে তুলতে পারবেন। _______

★আমার সাথে সাক্ষাতের আগে অবশ্যই একটা কাগজে ভালো করে আপনার সকল সমস্যা লিখে নিয়ে আসতে হবে , পূর্বের কোন চিকিৎসার কাগজপত্র থাকলে তাও সাথে করে নিয়ে আসতে হবে । ★ কিছু কিছু রোগের চিকিৎসা আমি করিনা , যেমন- দাত এর চিকিৎসা করিনা , পিত্তথলির পাথরের চিকিৎসা করিনা , মোটা হওয়ার কোন ওষুধ দেইনা , টাক মাথায় চুল গজানোর জন্য কোনো ওষুধ দেই না । এরকম আরো অনেকগুলো সমস্যা আছে । কি কি রোগের চিকিৎসা করা হয় তা দেখার জন্য কমেন্টে দেওয়া আমার ওয়েবসাইটের লিংক ক্লিক করুন। ★ চেম্বারে সরাসরি রোগী দেখি , অনলাইনেও রোগী দেখি (ভিজিট প্রযোজ্য )

ডায়াবেটিস থাকলে মধু খাওয়া যাবে না , উচ্চ রক্তচাপ থাকলে 2 চা চামচ এর জায়গায় চূর্ণ 1 চা-চামচ খেতে হবে। . ★ মাসিক চলাকালীন সময়ে কি স্ত্রী সহবাস করা যাবে ? উত্তর - ইসলাম ধর্মে ও মেডিকেল সাইন্স এ মাসিক চলাকালীন সময়ে সহবাস করা নিষিদ্ধ। . ★ গর্ভ অবস্থায় কি আমি আমার স্ত্রীর সাথে সহবাস করতে পারব ? উত্তর- প্রথম তিন মাস ও শেষের তিন মাস সহবাস করা যাবে না। এরমধ্যে এর সময় সহবাস করা যাবে তবে তা খুব সতর্কতার সাথে। . ★ রাস্তায় পোস্টার / কেবল টিভির ডিশ এর বিজ্ঞাপনে / ইদানিং ফেসবুকে ইউটিউবে দেখা যায় বিভিন্ন হারবাল/আয়ুর্বেদিক/ইউনানী/হোমিও প্রতিষ্ঠান চুক্তিতে , গ্যারান্টি দিতে চিকিৎসা করে।এমনকি তারা বলে 3 দিনে অথবা 7 দিনে 100% গ্যারান্টি তে রোগ ভালো করে দেবে তারা। তাদের কাছে কি যাওয়া যাবে ? উত্তর- মেডিকেল আইন অনুযায়ী 100% গ্যারান্টি অথবা চুক্তিতে 3 দিন বা 7 দিনে চিকিৎসা করা বা এজাতীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করা বেআইনি। যারা এগুলো করে তারা রোগীদের সাথে প্রতারণা করার জন্য এমন মুখরোচক কথা দিয়ে বিজ্ঞাপন করে। তাদের কাছে যাওয়া যাবে না। এমনকি ইদানিং ফেসবুকে বা ইউটিউবে বিভিন্ন ফুড সাপ্লিমেন্ট বা ডায়েটারী সাপ্লিমেন্ট বিভিন্ন দেশের নাম দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে এগুলোর কোন সাইডএফেক্ট নাই। এগুলো থেকে দূরে থাকতে হবে । এগুলো উপকার করতে পারবে না উল্টা ক্ষতি করবে। আজীবনের জন্য যৌন অক্ষমতা তৈরি করে ফেলবে এই জাতীয় প্রতিষ্ঠান , ফুড সাপ্লিমেন্ট/ডায়েটারী সাপ্লিমেন্ট ,ওষুধগুলো। . ★ আমি মোটা হতে চাই,স্বাস্থ্য ভালো করার জন্য একটি ওষুধের নাম বলে দিন ? উত্তর- পৃথিবীতে মোটা হওয়ার জন্য সত্তিকারের কোনো ওষুধ নেই। বাজারে মোটা হওয়ার জন্য যেসকল ওষুধ আছে বা রুচিবর্ধক যেসকল ওষুধ আছে তা সব কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি করা। এতে স্টেরয়েড ব্যবহার করা হয়েছে । মোটা হতে চাইলে আগে দেখতে হবে পেটের বা হজমের কোন সমস্যা আছে কিনা , হজমের সমস্যা দূর করার পর প্রচুর পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। বেশি করে ভাত, ডাল, ডিম, মাছ, মাংস/গোস্ত , দুধ , ছোলা বুট সিদ্ধ করা খেতে হবে। সাথে দেশি ফল খেতে হবে। পর্যাপ্ত শাকসবজি রাখতে হবে প্রতিবার খাবারের সাথে। এরপরেও যদি স্বাস্থ্য ভালো না হয় তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে সরাসরি দেখা করতে হবে। কিন্তু বাজার থেকে নিজে নিজে স্বাস্থ্য মোটা করার কোন ওষুধ খাওয়া যাবেনা। . এই তথ্যগুলো অনেকে জানে না । তাই লজ্জা না পেয়ে লেখাটি শেয়ার করুন। . . . ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha Hijama/ Cupping Therapist Advanced Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU) Trained on Therapeutic Counselling (Department of Clinical Psychology, University of Dhaka) . . আমার ২টি চেম্বার: 1️⃣ ধামরাই ইসলামপুর চেম্বার: এ-৩৮/১ , ইসলামপুর, ধামরাই, ঢাকা ( নবীনগর স্মৃতিসৌধের পাশে, ধামরাই ইসলামপুর সরকারি হাসপাতাল ও গোডাউন মোড়ের মাঝে আমবাগান মসজিদের গলি ) সোম,মঙ্গল,বুধ,বৃহস্পতি,শুক্র সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা 2️⃣ সাভার চেম্বার: সি - ৯৮ (২য় তলা ), ফ্ল্যাট # ডি,মজিদপুর রোড, সাভার ,ঢাকা ( অন্ধ মার্কেটের দক্ষিণ পাশে, স্বপ্ন সুপারশপ এর সাথে,মজিদপুর রোড, আল বারাকা সুপার মার্কেটের অপজিটে) শনি ও রবি সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা বিঃ দ্রঃ সাক্ষাতের আগে অবশ্যই ফোন দিয়ে সময় নিয়ে আসতে হবে । . 🔴 সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে! ✅ আমাদের মোবাইল নাম্বার: 01972859950, 01712-859950 এই নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন। . আমার ওয়েবসাইট: www.faijulhuq.comwww.faijulhuq.info . 🟩 আমার কাছে চিকিৎসা নেওয়ার আগে নিচের বিষয়গুলো পড়ুন: ★ আমি কোন গ্যারান্টি দিয়ে চিকিৎসা করিনা। ★ আমার কাছে সব রোগী ভালো হয় না , পৃথিবীতে এমন কোন ডাক্তার নাই যার কাছে সকল রোগী ভালো হয় । ১০ জন রোগীর মধ্যে যদি ৮ রোগী আমার চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয় , তাহলে এই ৮ জন রোগীর কাছে আমি অনেক ভালো ডাক্তার কিন্তু বাকি যে ২ জন রোগী ভালো হয়নি তাদের কাছে আমি চরম খারাপ ডাক্তার। এটা শুধু আমার বেলায় না সকল ডাক্তারদের বেলায় প্রযোজ্য। আমার চিকিৎসার অভিজ্ঞতা ২৩ বছর , এই ২৩ বছরে যেমন অনেক রোগী আমার চিকিৎসায় ভালো হয়েছেন তেমনি অনেক রোগী ভালো হননি । ★ আমি যে ওষুধ দেই তা ন্যাচারাল মেডিসিন হওয়ার কারণে দ্রুত রেজাল্ট পাওয়া যায় না , ধৈর্য ধরে ওষুধ খেতে হয় । যারা এখন খাবেন এখন ভাল হবেন এই টাইপের রেজাল্ট চান তারা আমার কাছে না আসলে ভালো । চিকিৎসার ক্ষেত্রে যার ধৈর্য্য আছে আমার কাছে তারা দেখা করতে পারেন । ★ সকল রোগ ওষুধে ভালো হয় না (যেমন কিছু সাইকোসেক্সুয়াল ডিস্ফাংশন ) এক্ষেত্রে কাউন্সিলিং , মনো চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। তখন সময় আরো বেশি লাগে ।

এই পোস্টে অনেক ১৮+ শিক্ষামূলক লেখা আছে , তাই সতর্কতার সাথে পড়ুন। এ বিষয়ে এলার্জি থাকলে দূরে থাকা বাঞ্ছনীয়। . ★ লিঙ্গ বড় করা যায় ? উত্তর- না . ★ লিঙ্গ মোটা করা যায়? উত্তর- না . ★ লিঙ্গ লম্বা করা যায় ? উত্তর- না . ★ ওয়াইফের সাথে/গার্লফ্রেন্ডের সাথে কথা বললে লিঙ্গের মাথায় আঠালো পদার্থ / বীর্য চলে আসে, কি ওষুধ খাব ? উত্তর- এটা স্বাভাবিক বিষয়, কোন রোগ না, তাই ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। আঠালো যে পদার্থ আসে তা বীর্য না। . ★ পায়খানা করার সময় কোথ দিলে প্রস্রাবের সাথে আঠালো বা বীর্যের মত পদার্থ বের হয়। কি করব ? উত্তর- এটা স্বাভাবিক বিষয় , কোন রোগ না , তাই ওষুধ খাওয়ার প্রয়োজন নেই। . ★ আমার স্বপ্নদোষ হচ্ছে, খুব টেনশন এ আছি। মাসে কতবার স্বপ্নদোষ হওয়া স্বাভাবিক ? উত্তর- স্বপ্নদোষ একটি স্বাভাবিক বিষয়। মাসে ৮ থেকে ১০ বার স্বপ্নদোষ হলেও টেনশনের কোন কারণ নেই। টেনশন ফ্রি থাকুন পুষ্টিকর খাবার খান। রাতে ঘুমানোর আগে প্রস্রাব করে ঘুমাবেন। কোন খারাপ চিন্তা করবেন না। . ★ আমার লিঙ্গ ছোট আমি কি বিয়ে করতে পারব ? উত্তর- উত্থিত অবস্থায় / উত্তেজিত অবস্থায় লিঙ্গ ৩.৫ ইঞ্চির চেয়ে বেশি হলে তা স্বাভাবিক। . ★ উত্থিত অবস্থা ছাড়া / উত্তেজিত অবস্থা ছাড়া আমার লিঙ্গ খুব ছোট হয়ে থাকে । কি করব ? উত্তর- কথিত অবস্থা ছাড়া বা উত্তেজিত অবস্থা ছাড়া লিঙ্গ ছোট হয়ে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। দেখতে হবে ঠিকভাবে উত্থান হয় কিনা। ঠিকভাবে উত্থান হলে টেনশনের কোন কারণ নেই। . ★ লিঙ্গে একটা মালিশ ব্যবহার করতে চাই , ভালো কোম্পানির একটা মালিশের নাম বলে দেন উত্তর- পৃথিবীতে যত লিঙ্গের মালিশ আছে , তা লিঙ্গ বড় করা অথবা মোটা করা অথবা দীর্ঘ করার জন্য কোন কাজ করে না । তাই কোন মালিশ ব্যবহার করার প্রয়োজন নেই। . ★ দেশের বড় বড় নামকরা কয়েকটি কোম্পানি লিঙ্গ বড় করার , বক্রতা দূর করার , ও মজবুত করার জন্য ক্রিম বা তেল বাজারে নিয়ে এসেছে । আপনি বললেন এগুলো কোন কাজ করে না তাহলে তারা কেন নিয়ে আসলো ? উত্তর- তারা কেন নিয়ে আসছে উত্তর আমার কাছে নাই । তাদের কাছে আছে। তবে আমরা বুঝি এ বিষয়ে আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান কি বলছে তা। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে কোন মালিশ বা অয়েল/ তেল লিঙ্গ বড় বা মোটা করতে পারেনা। আমার প্রায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার আলোকে আমি দেখেছি ,এই তেল বা মালিশ বা ক্রিম রোগীকে মানসিক তৃপ্তি প্রদান করে ,মানসিক প্রশান্তির জন্য দেয়া যায় কিন্তু এর দ্বারা কোন রেজাল্ট আসে না। . ★ লিঙ্গ আগা মোটা গোড়া চিকন , এ সমস্যার জন্য কি করব ? উত্তর - এটা কোন সমস্যা না। স্বাভাবিক। এর জন্য কোন মেডিসিন ব্যবহার করতে হবে না। . ★আমার লিঙ্গ এক দিকে একটু বাকা , এর জন্য কি ওষুধ ব্যবহার করব ? উত্তর- লিঙ্গ একটু বাঁকা এটা পার্সোনাল লাইফে কোন সমস্যা করবে না , এটার জন্য কোন মেডিসিন প্রয়োজন নেই। . ★ গরমে আমার অন্ডকোষ ঝুলে যায়। এটাকি কোন রোগ ? উত্তর- অন্ডকোষ গরমে ঝুলে যাবে আবার ঠান্ডায় বা শীতে ছোট হয়ে যাবে । এটাই স্বাভাবিক। . ★ আমার বীর্য পাতলা হয়ে গেছে। আমি কি বাবা হতে পারব ? উত্তর - বীর্য পাতলা অথবা ঘন হওয়ার সাথে বাবা হওয়ার সম্পর্ক নেই। বিশ্বের মধ্যে শুক্রের পরিমাণ, গুণগত মান ঠিক আছে কিনা তার উপর নির্ভর করে আপনি বাবা হতে পারবেন কিনা। সিমেন এনালাইসিস নামের একটা বীর্য পরীক্ষা আছে। যা চাইলে করে দেখতে পারেন আপনার বাসার পাশের কোন ভাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন আপনি বাবা হতে পারবেন কি পারবেন না। . ★ সপ্তাহে 2 বার হস্তমৈথুন করি , আমার কি কোনো সমস্যা হবে ? উত্তর- মেডিকেল সাইন্স বলে পরিমিত (সপ্তাহে 2 বার হস্তমৈথুন ) করলে শারীরিক কোনো সমস্যা হয় না। কোন কোন ক্ষেত্রে যৌন সমস্যার চিকিৎসা হিসেবে হস্তমৈথুনকে ব্যবহার করা হয়। তবে যেহেতু হস্তমৌথুন একটি অস্বাভাবিক প্রক্রিয়া , তাই অতিরিক্ত অবশ্যই খারাপ। . ইসলাম ধর্মে হস্তমৈথুন হারাম। তাই , হস্তমৈথুন করবেন না । ধর্মীয় অনুশাষন ও বিধি-বিধান মেনে চলুন। দ্রুত বিয়ে করে ফেলুন । . ★ আমি আগে অনেক হস্তমৈথুন করেছি, এখন আর করিনা । কি করলে আগের হস্তমৈথুনজনিত গ্যাপ পূরণ হবে। উত্তর- হস্তমৈথুন জনিত গ্যাপ বলতে কিছু নাই । আপনি ,১) টেনশন ফ্রি থাকুন ২) পুষ্টিকর খাবার খান ৩) সকালে ও রাতে চার/পাঁচটা খোরমা খেজুর 2 চা চামচ খাঁটি মধু সহ খাবেন। . ★ আমার একটু যৌন দুর্বলতা মনে হচ্ছে , আমি কি খেতে পারি ? আপনি ,১) অশ্বগন্ধা চূর্ণ ২) শিমুল মূল চূর্ণ ৩) শতমূলী চূর্ণ ৪) তেতুল বীজ চূর্ণ একসাথে সবগুলো মেশাবেন। একসাথে বিছানোর পর এখান থেকে 2 চা চামচ পাউডার 2 চা চামচ মধুর সাথে মিশাবেন , মিশিয়ে হালুয়ার মতো তৈরি করে ফেলবেন। সকালে খাবার পর খাবেন ও রাতে খাবার পর খাবেন।

বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া যতটা সহজ, কিন্তু বিবাহিত জীবন আনন্দিত করা ততটা সহজ নয়, বিবাহ এমন এক বন্ধন যাহা তোমাকে স্বর্গ-নরক দেখাতে সক্ষম হয়৷ কখনো যদি মনে করো একজন অন্যজনের হৃদয়ে আবে হায়াতের পানি পেয়েছো, তবে তাহা একে অপরের হৃদয়ে লেনাদেনা করিবে কিন্তু এ পানি হইতে একটু পানিও পান করিবেনা৷ তোমরা তোমাদের হৃদয় আদান-প্রদান করিও কিন্তু ভুলেও একে অপরের হাতে হৃদয় সঁপে দিও না, যদি তা করো তবে নরক অতি নিকটে'ই৷ তোমরা একে অপরের উপরে ঢলে পরবে তবুও নিজেরা থাকবে স্বতন্ত্র। সজাগ থেকো, আবেগের বসে স্বর্গের দরজা ভেবে নরকের দরজা খুলতে যেওনা, এটি তোমার জীবন মরনের প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়৷ _বুদ্ধ মুহাম্মদ কৃষ্ণ

এছাড়াও, এই প্রটোকলে আরো কিছু সহজ অভ্যাস রয়েছে— - Hydration পানি হলো শরীরের প্রাকৃতিক ডিটক্সিফায়ার। পর্যাপ্ত পানি পান করা লিভার ও কিডনিকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে, যা ত্বকের উপর চাপ কমায়। - Regular Exercise নিয়মিত ব্যায়াম রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে, স্ট্রেস হরমোন (কর্টিসল) কমায় এবং স্বাভাবিক মলত্যাগে সাহায্য করে। এই সবকটিই অন্ত্র ও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। - Patience অন্ত্র মেরামত এবং ত্বকের উন্নতি হতে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস, এমনকি বছরও লাগতে পারে। কিন্তু সময় লাগা মানে এই না যে, আপনি সুস্থ হবেন না বা এই প্রটোকল কার্যকর না। মনে রাখা জরুরি যে, এটি একটি জার্নি, ইন্সট্যান্ট সমাধান না! আপনার অসুস্থতা অনুযায়ী চিকিৎসা ও সমাধান পেতে প্রয়োজনে একজন প্রাকৃতিক চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ এর শরনাপন্ন হোন। Captain Green

কেন কৈশোর পেরিয়ে যাওয়ার পরও আপনার মুখে ব্রণ উঠেই চলেছে? কেন ক্রিম, মলম, ফেসওয়াশ ব্যবহার করেও আপনার অ্যাকনি, একজিমা, সোরিয়াসিস, চুলকানি সারছে না? যদি মনে করেন এসব আপনার ত্বকের দোষ, তার মানে আপনি নিজের দেহ সম্পর্কে কিছুই জানেন না! সবাই ত্বকের সমস্যাকে শুধু ত্বকের সমস্যা হিসেবেই ভাবে। কিন্তু আসলে আপনার মুখে ব্রণ ওঠা, ত্বকে চুলকানি, একজিমা দেখা দেওয়া, কিংবা সোরিয়াসিসের মতো অটোইমিউন সমস্যা এগুলো বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সূত্রপাত হয় পেটের ভেতরে! বলা যেতে পারে, আপনার ত্বক আসলে আপনার পেটের ডিসপ্লে স্ক্রিন! ভেতরে কী ঘটছে, তা সবার আগে ত্বকেই প্রকাশ পায়! এই কানেকশনকে বলা হয় 'গাট-স্কিন এক্সিস'। অন্ত্র (Gut) হলো শরীরের ফিল্টার ফ্যাক্টরি ও প্রধান বর্জ্য নিষ্কাশন কেন্দ্র। এর কাজ ভালো জিনিস রক্তে পাঠানো, আর খারাপ জিনিস শরীর থেকে বের করে দেওয়া। রক্ত হলো শরীরের ভেতরের নদী। এই নদী ফ্যাক্টরি থেকে পুষ্টি নিয়ে যায় এবং বর্জ্য বয়ে নিয়ে আসে। ত্বক হলো শরীরের সবচেয়ে বড় নিষ্কাশন পথ (Largest Elimination Organ)। যখন লিভার ও অন্ত্র ঠিকমতো বর্জ্য সামলাতে পারে না, তখন তা ত্বকের মাধ্যমেই ঠেলে বের হয়, ফলে তৈরি হয় ইনফ্লামেশন, ব্রণ, র‍্যাশ ইত্যাদি। সমস্যা শুরু হয়, যখন অন্ত্রের দেয়াল (Gut Barrier) বিধ্বস্ত হয়। স্ট্রেস, প্রসেসড ফুড, রিফাইন্ড তেল, ঘুমের অভাব, অ্যান্টিবায়োটিক এসব কারণে অন্ত্রের দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে intestinal permeability বাড়ে (একে লিকি গাট নামেও বলা হয়)। ফলে হজম না হওয়া খাদ্য, টক্সিন, ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া, বর্জ্য সরাসরি রক্তে ঢুকে টক্সিন ওভারলোড ঘটায়! তখন লিভার এই বি/ষ পরিষ্কার করতে গিয়ে হাঁপিয়ে ওঠে। লিভার যখন টক্সিন পরিষ্কার করে কুলিয়ে উঠতে পারে না, তখন শরীর তার সবচেয়ে বড় নিষ্কাশন পথ ত্বক দিয়ে ঘাম ও তৈলাক্ত পদার্থর সঙ্গে রক্তের টক্সিন বাইরে পুশ করে দিতে চায়! আর এই পুশ করার সময়ই ত্বকে সৃষ্টি হয় অসহ্য ইনফ্লামেশন! যাকে বাইরে থেকে ব্রণ, লাল চাকা চাকা একজিমা, সোরিয়াসিস, চুলকানি ইত্যাদি রুপে দেখা যায়! আপনার ত্বকের প্রতিটি সমস্যার ধরনের সঙ্গে পেটের গন্ডগোলের একটি নির্দিষ্ট প্যাটার্ন আছে— - ব্রণ (Acne) এর কারণ হতে পারে গাট মাইক্রোবায়োমের ভারসাম্যহীনতা (Dysbiosis), ইনসুলিন স্পাইক, ইনফ্লামেশন। পেটের ভালো-খারাপ ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যহীনতা, অর্থাৎ পেটের ভেতরে খারাপ ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বেড়ে গেলে মুখে ব্রণ দেখা যায়। - একজিমা এর কারণ হতে পারে লিকি গাট, ইমিউন সিস্টেমের অতিপ্রতিক্রিয়া। হজম না হওয়া খাবার রক্তে ঢুকে ইমিউন সিস্টেমকে উত্তেজিত করে তোলে। এই উত্তেজনা ত্বকে চুলকানি, শুষ্কতা ও লালচে ভাব তৈরি করে। - সোরিয়াসিস এর কারণ হতে পারে অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া, অন্ত্রের ইনফ্লামেশন ও মাইক্রোবায়োম বিপর্যয়। অটো-ইমিউন ডিজঅর্ডারে আপনার শরীরের ইমিউন সিস্টেম ভুল করে ত্বকের কোষকেই আক্রমণ করে। বেশিরভাগ অটো-ইমিউন সমস্যা শুরু হয় পেটের সেই লিকি গাট থেকেই! বাইরে কৃত্রিম ক্রিম, লোশন, মলম মাখলে ক্ষতি ছাড়া, লাভ নেই! স্কিন ডিজিজ কোনো অভিশাপ না, এটা আপনার শরীরের হিলিং রেসপন্স। আপনার ত্বককে সুন্দর, মসৃণ ও উজ্জ্বল করতে হলে দেহের সেই ফিল্টার ফ্যাক্টরি অন্ত্রকে ঠিক করাই একমাত্র উপায়। আপনার ত্বকে সব সমস্যা চিরতরে ঠিক হয়ে যাবে, এজন্য শুধু আপনার ভেতরটা ঠিক করতে হবে! ত্বক সুস্থ করতে হলে 'গাট হিলিং প্রটোকল' প্রয়োজন। এমন একটা প্রটোকল হলো '4R Healing' (remove, repair, reinoculate, relax)— - Remove সব ক্ষতিকর, অপ্রাকৃতিক জিনিস বাদ দিন। চিনি, প্রসেসড ফুড, রিফাইন্ড অয়েল (সয়াবিন, সানফ্লাওয়ার, কর্ন, রাইস ব্র্যান), বাইরের ভাজাপোড়া এগুলো পেটের খারাপ ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, ইনফ্লামেশন ও লিকি গাট তৈরি করে। অনেকের ক্ষেত্রে দুগ্ধজাত খাদ্য ও আটা, ময়দা ত্বকের প্রদাহ বাড়ায়। প্রয়োজনে ৩–৪ সপ্তাহ ডায়েটে গ্লুটেন ও ডেইরি বাদ দিয়ে শরীরের অবস্থা দেখুন। - Repair অন্ত্রের দেয়াল মেরামত করুন। হাড়ের স্যুপে (বোন ব্রোথ) থাকা কোলাজেন ও গ্লুটামিন অন্ত্রের ক্ষতিগ্রস্ত দেয়াল মেরামতের জন্য সেরা। প্রোটিন, কোলাজেন, ওমেগা-৩, জিঙ্ক সমৃদ্ধ খাবার খান। ভিটামিন ডি পেতে রোদে যান। - Reinoculate ভালো ব্যাকটেরিয়া ফিরিয়ে আনুন। প্রোবায়োটিক (টক দই, কেফির, ফারমেন্টেড ফুড) ও প্রিবায়োটিক (রসুন, পেঁয়াজ, ফল, শাকসবজি, হোলগ্রেইন, বাদাম, বীজ) খান। প্রোবায়োটিক ভালো ব্যাকটেরিয়া বাড়ায়, আর প্রিবায়োটিক ভালো ব্যাকটেরিয়াদের বেঁচে থাকার খাবার। - Relax স্ট্রেস কমান। ব্রিদিং এক্সারসাইজ, মেডিটেশন করুন। ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমান। ঘুম হলো গাটের প্রধান মেরামতের সময়। রাত জাগা বা অপর্যাপ্ত ঘুম সরাসরি অন্ত্রের দেয়ালের ক্ষতি এবং প্রদাহ সৃষ্টি করতে পারে।

কোনো কল্যাণ করতে পারে না। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, সমাজ কেন চুপ? সমাজ চুপ কারণ আমরা লজ্জা আর দ্বীনদারিতার সংজ্ঞাকে গুলিয়ে ফেলেছি। আমরা মনে করি, ঘরের কথা বাইরে বলাটা বেহায়াপনা। কিন্তু জুলুম সহ্য করা দ্বীনদারি নয়। ইসলামে আত্মরক্ষার অধিকার সবার আছে। একজন নারী যখন তার স্বামীর বিকৃত যৌনাচারের শিকার হন, তখন তিনি কেবল শারীরিকভাবেই লাঞ্ছিত হন না, তার আত্মবিশ্বাস, তার ঈমানি শক্তি এবং তার মানসিক প্রশান্তি—সবই ধূলিসাৎ হয়ে যায়। এই অবস্থায় তাকে বলা যে ‘তোমাকে হাশর পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে’—এটি এক ধরনের নিষ্ঠুরতা। ইসলামি ফিকহ অনুযায়ী, স্বামী যদি স্ত্রীর জন্য ক্ষতিকর হন (তা শারীরিক বা মানসিক যেভাবেই হোক), তবে স্ত্রী ‘খুলা’ তালাক বা কাজীর মাধ্যমে বিচ্ছেদ চাওয়ার পূর্ণ অধিকার রাখেন। এবং এই ক্ষতির কারণে তিনি ক্ষতিপূরণও দাবি করতে পারেন। এটিই তো ইহকালীন বিচারের একটি অংশ। আরও গভীরে ভাবুন, কুরআনে আল্লাহ তায়ালা মুমিন পুরুষদের চরিত্র বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, তারা তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করে, কেবল তাদের স্ত্রী ও দাসী ছাড়া। এই ‘হেফাজত’ মানে কেবল জিনা থেকে বিরত থাকা নয়, বরং এর ব্যবহারকে শরিয়তসম্মত রাখা। পর্নোগ্রাফির অনুকরণে স্ত্রীকে ব্যবহার করা লজ্জাস্থানের হেফাজত নয়, বরং এটি তার অপব্যবহার। যারা এই যুক্তি দেন যে, ‘বাইরে জিনা করার চেয়ে স্ত্রীর সাথে যা খুশি করা ভালো’—তারা শয়তানের ধোঁকায় আছেন। হারাম কখনো হারামের বিকল্প হতে পারে না। মলদ্বারে সঙ্গম বা পিরিয়ড চলাকালীন সঙ্গম—এগুলো স্পষ্ট হারাম। স্ত্রীকে এই হারামে বাধ্য করা মানে তাকে জাহান্নামের পথে ঠেলে দেওয়া। আর যে স্বামী তার স্ত্রীকে জাহান্নামের পথে ঠেলে দেয়, সে ‘কাওয়াম’ বা অভিভাবক হওয়ার যোগ্যতা হারায়। রাষ্ট্র তাকে অভিভাবকত্ব থেকে সরিয়ে দিতে পারে এবং তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে পারে। সমসাময়িক প্রেক্ষাপটে, নারীদের সুরক্ষা আইন বা পারিবারিক সহিংসতা প্রতিরোধ আইনগুলো যদি ইসলামের মৌলিক নীতির সাথে সাংঘর্ষিক না হয়, তবে সেগুলো মেনে চলা এবং প্রয়োগ করা প্রতিটি নাগরিকের দায়িত্ব। অসুস্থ অবস্থায় জোরপূর্বক মিলনকে যদি আমরা ‘ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স’ হিসেবে চিহ্নিত করি, তবে ইসলাম এর পূর্ণ সমর্থন দেবে। কারণ ইসলাম এসেছে সহিংসতা দূর করতে, বাড়াতে নয়। যেই স্বামী তার স্ত্রীর চোখের পানিকে উপেক্ষা করে নিজের কামনার আগুন নেভাতে ব্যস্ত, সে মূলত আবু লাহাব বা আবু জাহেলের উত্তরসূরি, মোহাম্মদী আদর্শের অনুসারী নয়। তাকে থামানো, তার হাত ধরে প্রতিহত করা সমাজের এবং রাষ্ট্রের দায়িত্ব। রাসূল (সা.) বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যখন কোনো অন্যায় হতে দেখে, সে যেন তা হাত দিয়ে প্রতিরোধ করে।’ ঘরের ভেতরের এই অন্যায় প্রতিরোধ করার দায়িত্ব আমাদের সবার। পরিশেষে বলব, এই অন্ধকার থেকে বেরিয়ে আসার পথ একটাই—কুরআনের আলোয় ফিরে আসা এবং নফসকে নিয়ন্ত্রণ করা। স্বামীদের বুঝতে হবে, স্ত্রী কোনো বাজারের পণ্য নয় যে তাকে ছিঁড়েখুঁড়ে খেতে হবে। তিনি আমানত। আর আমানতের খেয়ানতকারীকে আল্লাহ মুনাফিক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। অসুস্থতা, অপারগতা এবং মানবিক সীমাবদ্ধতাকে সম্মান জানানোই প্রকৃত পৌরুষ। পর্নোগ্রাফি আসক্ত বিকৃত মস্তিষ্কের পুরুষদের চিকিৎসার প্রয়োজন এবং প্রয়োজন কঠোর শাসন। ইসলামি অনুশাসনে এই বিকৃতির কোনো স্থান নেই, থাকার প্রশ্নই আসে না। যারা ধর্মের দোহাই দিয়ে এই পৈশাচিকতাকে জায়েজ করতে চায়, তারা ইসলামের শত্রু। তাদের মুখোশ উন্মোচন করা এবং ইহকালেই তাদের বিচারের মুখোমুখি করা সময়ের দাবি। হাশরের বিচার তো আছেই, কিন্তু দুনিয়াতে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা করাও আল্লাহর নির্দেশ। নারীর সম্মান, সুরক্ষা এবং তার ইচ্ছার মর্যাদা দেওয়া সেই ইনসাফেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। আসুন, আমরা আমাদের দৃষ্টিকে সংযত করি, আমাদের বিবেককে জাগ্রত করি। আমাদের ঘরগুলো হোক জান্নাতের টুকরো, জাহান্নামের গহ্বর নয়। অসুস্থ স্ত্রী যখন স্বামীর দিকে তাকাবেন, তার চোখে যেন ভয়ের বদলে ভরসা দেখতে পান—এটাই ইসলামের শিক্ষা, এটাই মানবতার দাবি। [অসুস্থ স্ত্রীর অধিকার ও জালিম স্বামী] লেখা: Syed Mucksit Ahmed

উত্তর হলো—অবশ্যই আছে এবং তা অত্যন্ত কঠোর। ইসলামি ফিকহ শাস্ত্রে ‘তাজির’ বা বিচারকের বিবেচনাপ্রসূত শাস্তির একটি বিশাল অধ্যায় রয়েছে। যেই অপরাধের জন্য কুরআনে নির্দিষ্ট কোনো হুদুদ (যেমন চুরির জন্য হাত কাটা) নেই, কিন্তু যা সমাজের জন্য ক্ষতিকর বা অন্যের ওপর জুলুম, তার জন্য শাসক বা বিচারক কঠোর শাস্তির বিধান করতে পারেন। একজন স্বামী যদি তার স্ত্রীর অসুস্থতার সুযোগ নিয়ে বা তাকে জিম্মি করে এমন আচরণ করেন যা তার শারীরিক বা মানসিক স্বাস্থ্যের হানি ঘটায়, তবে ইসলামি আইনে সেই স্বামী অপরাধী। স্ত্রী যদি কাজীর (বিচারক) কাছে অভিযোগ করেন যে তার স্বামী তাকে অসুস্থ অবস্থায় জোরপূর্বক ব্যবহার করেছেন বা বিকৃত যৌনাচারে বাধ্য করেছেন, তবে বিচারক সেই স্বামীকে দৈহিক শাস্তি, কারাদণ্ড, এমনকি জনসমক্ষে লজ্জিত করার মতো দণ্ডও দিতে পারেন। ইসলাম কখনোই নারীর ওপর এই পাশবিকতাকে ‘পারিবারিক বিষয়’ বলে এড়িয়ে যায় না। বিশেষ করে, বিকৃত যৌনাচার, যেমন মলদ্বারে সঙ্গম, ইসলামে হারাম এবং জঘন্য অপরাধ। রাসূলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো নারীর মলদ্বারে সঙ্গম করে, সে অভিশপ্ত।’ অন্য বর্ণনায় এসেছে, আল্লাহ তায়ালা কেয়ামতের দিন ওই ব্যক্তির দিকে রহমতের দৃষ্টিতে তাকাবেন না। এখন চিন্তা করুন, যেই কাজের জন্য স্বয়ং আল্লাহর রাসূল লানত দিয়েছেন এবং আল্লাহ মুখ ফিরিয়ে নেবেন বলেছেন, সেই কাজটিকে রাষ্ট্র বা সমাজ কীভাবে লঘু করে দেখতে পারে? এটি কেবল পরকালীন বিষয় নয়। ইসলামি রাষ্ট্রে এমন বিকৃত রুচির মানুষের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া ওয়াজিব। কারণ, এই ধরনের আচরণ কেবল একটি নারীর মর্যাদা হানি করে না, বরং পুরো প্রজন্মের রুচি ও ফিতরাতকে ধ্বংস করে দেয়। পর্নোগ্রাফি দেখে যারা এই ধরনের কাজ করে, তারা মূলত লুত (আ.)-এর কওমের স্বভাব নিজেদের মধ্যে ধারণ করছে। তাদের এই বিকৃতি প্রতিরোধের জন্য ইহকালীন শাস্তির ব্যবস্থা থাকাটা ইসলামের ‘সাদদুজ যারাই’ (মন্দের পথ রুদ্ধ করা) নীতির অন্তর্ভুক্ত। আমাদের বুঝতে হবে, ইসলাম নারীকে কেবল ভোগের বস্তু হিসেবে সৃষ্টি করেনি। ইসলাম নারীকে দিয়েছে সর্বোচ্চ সম্মান। তার শরীরের ওপর তার অধিকারকে স্বীকৃতি দিয়েছে। অসুস্থতা হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে একটি পরীক্ষা। এই সময়ে স্বামীর দায়িত্ব ছিল সেবা করা, কপালে জলপট্টি দেওয়া, রাত জেগে পাশে বসে থাকা। অথচ সেই সময়ে যে স্বামী তাকে ভোগ করতে চায়, সে মানুষ নামের কলঙ্ক। তার এই আচরণের বিচার চাওয়ার অধিকার স্ত্রীর আছে। আমাদের প্রচলিত সমাজব্যবস্থায় হয়তো নারীরা লজ্জায় মুখ খোলেন না, অথবা তথাকথিত পারিবারিক সম্মানের ভয়ে চুপ থাকেন। কিন্তু এর মানে এই নয় যে, ইসলাম তাদের চুপ থাকতে বলেছে। হযরত উমর (রা.)-এর শাসনামলে আমরা দেখেছি, পারিবারিক অসঙ্গতি নিয়েও নারীরা সরাসরি খলিফার দরবারে অভিযোগ করেছেন এবং তিনি তার সমাধান দিয়েছেন। আজকের দিনেও যদি কোনো নারী তার স্বামীর এই পৈশাচিক আচরণের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন, তবে শরিয়তের দৃষ্টিতে তিনি কোনো অন্যায় করবেন না। বরং এই জুলুম প্রতিরোধ করাটাই ঈমানের দাবি। যুক্তি এবং আবেগের মিশেলে যদি আরেকটু গভীরে যাই, তবে দেখব—একজন অসুস্থ মানুষের ওপর জবরদস্তি করাকে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানও ‘ট্রমা’ বা মানসিক আঘাত হিসেবে চিহ্নিত করে। ইসলাম মানুষের ‘আকল’ বা বুদ্ধিমত্তা এবং ‘নফস’ বা প্রাণের সুরক্ষাকে শরিয়তের অন্যতম উদ্দেশ্য (মাকাসিদুশ শরিয়ত) হিসেবে নির্ধারণ করেছে। এখন কোনো স্বামীর আচরণ যদি স্ত্রীর মানসিক ভারসাম্য নষ্ট করে বা তার অসুস্থতাকে বাড়িয়ে প্রাণনাশের কারণ হয়, তবে সেই স্বামী কি শরিয়তের দৃষ্টিতে অপরাধী নন? অবশ্যই অপরাধী। এবং এই অপরাধের শাস্তি হিসেবে তাকে সংশোধনাগারে পাঠানো, বেত্রাঘাত করা বা স্ত্রীর কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া—সবই ইসলামি বিচারব্যবস্থার এখতিয়ারভুক্ত। সুতরাং যারা বলেন, ‘স্বামীর শরীরের ওপর অধিকার আছে, তাই তিনি যা খুশি করতে পারেন’—তারা মূলত ইসলামের অপব্যাখ্যা করছেন এবং নিজেদের প্রবৃত্তির পূজা করছেন। আমাদের যুবকদের মগজ ধোলাই করে দিয়েছে পশ্চিমা পর্ন ইন্ডাস্ট্রি। তারা শেখাচ্ছে যে, যৌনতা মানেই ভায়োলেন্স, চিৎকার আর আধিপত্য। অথচ আমাদের রাসুল (সা.)-এর সিরাত দেখুন। তিনি আয়েশা (রা.)-এর সাথে দৌড় প্রতিযোগিতা করছেন, একই পাত্র থেকে পানি পান করছেন, স্ত্রীর উরুতে মাথা রেখে শুয়ে থাকছেন। এই যে কোমলতা, এই যে মায়া—এটাই হলো ইসলামের রোমান্স। যেই রোমান্সে সম্মান নেই, যেই রোমান্সে অপরের কষ্টের অনুভূতি নেই, তা ইসলাম নয়, তা হলো পৈশাচিকতা। অসুস্থ স্ত্রীর সাথে জবরদস্তি করা সেই পৈশাচিকতারই চূড়ান্ত রূপ। ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা না থাকার কারণে হয়তো আজ আমরা হাতেনাতে এর শাস্তি দেখতে পাচ্ছি না, কিন্তু এর মানে এই নয় যে ইসলামে এর বিধান নেই। একটি আদর্শ ইসলামি সমাজে এমন স্বামীদের সামাজিকভাবে বয়কট করা এবং আইনের আওতায় আনা জরুরি। কারণ, ঘরের ভেতর যে পুরুষটি অত্যাচারী, সে সমাজের জন্যও নিরাপদ নয়। যে তার অর্ধাঙ্গিনীর অসুস্থতা বোঝে না, সে মানবতার

আমরা যে সময়ে বসবাস করছি, তাকে এক কথায় ‘যৌনতার মহামারীকাল’ বললে খুব একটা ভুল হবে না। মানুষের পকেটে পকেটে এখন পৃথিবী, আর সেই কৃত্রিম পৃথিবীর নীল বিষে আসক্ত হয়ে আছে আমাদের তরুণ থেকে শুরু করে মাঝবয়সী পুরুষদের একটি বিশাল অংশ। যে চোখের কাজ ছিল সৃষ্টির মাঝে স্রষ্টাকে খোঁজা, সেই চোখ এখন ব্যস্ত নিষিদ্ধ পল্লীর ডিজিটাল সংস্করণ গিলতে। এই বিষাক্ত আসক্তি যখন একজন পুরুষের মগজে বাসা বাঁধে, তখন তার কাছে ‘স্ত্রী’ আর রক্ত-মাংসের মানুষ থাকেন না, তিনি হয়ে ওঠেন কেবল নিজের বিকৃত কামলিপ্সা চরিতার্থ করার একটি যন্ত্রমাত্র। অথচ ইসলামি জীবনব্যবস্থায় দাম্পত্য ছিল প্রশান্তির নীড়, কুরআনের ভাষায় যা ‘লিবাছ’ বা একে অপরের পরিচ্ছদ। কিন্তু যখন পর্দার আড়ালে পর্নোগ্রাফির করাল গ্রাস প্রবেশ করে, তখন সেই প্রশান্তির নীড়টি পরিণত হয় নির্যাতনের কারাগারে। একজন স্বামী যখন বাইরের জগত থেকে, ইন্টারনেট থেকে নোংরা সব দৃশ্য দেখে এসে নিজের স্ত্রীর ওপর সেই ফ্যান্টাসি প্রয়োগ করতে চান, তখন তিনি মূলত তিনটি অপরাধ একসাথে করেন। প্রথমত, তিনি চোখের জিনাহ করছেন এবং নিজের ফিতরাত বা স্বভাবজাত পবিত্রতা নষ্ট করছেন; দ্বিতীয়ত, তিনি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের নির্দেশিত শালীনতার সীমা লঙ্ঘন করছেন; এবং তৃতীয়ত, তিনি তার স্ত্রীর ওপর এমন এক মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার চালাচ্ছেন যা ইসলামের দৃষ্টিতে স্পষ্ট জুলুম। কুরআনুল কারিমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিন মুমিনদের নির্দেশ দিয়েছেন দৃষ্টি অবনত রাখতে এবং লজ্জাস্থানের হেফাজত করতে। এটি কেবল রাস্তার বেগানা নারীর জন্য নয়, বরং ইন্টারনেটের কৃত্রিম নারীদেহের ক্ষেত্রেও সমভাবে প্রযোজ্য। যে স্বামী এই নির্দেশ অমান্য করে নীল ছবির সাগরে ডুব দেয়, তার রুচি এবং মননশীলতা এতটাই বিকৃত হয়ে যায় যে, স্বাভাবিক দাম্পত্য সম্পর্ক তাকে আর তৃপ্তি দেয় না। সে তখন পশুর মতো আচরণ শুরু করে, আর ইসলামে পশুর আচরণের কোনো স্থান নেই। রাসূলুল্লাহ (সা.) স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, ‘তোমাদের কেউ যেন তার স্ত্রীর ওপর পশুর মতো ঝাঁপিয়ে না পড়ে (পশুর মতো মিলিত না হয়)। বরং তাদের উভয়ের মাঝে যেন একজন ‘দূত’ থাকে।” জিজ্ঞাসা করা হলো, “হে আল্লাহর রাসূল! সেই দূতটি কী?” তিনি বললেন, “চুম্বন এবং (প্রেমময়) কথোপকথন।’ যেই ধর্মে মিলনের আগে ভালোবাসার দূত প্রেরণের কথা বলা হয়েছে, সেই ধর্মে পর্নোগ্রাফির অনুকরণে স্ত্রীর ওপর জবরদস্তি বা বিকৃত যৌনাচার চালানো কীভাবে বৈধ হতে পারে? আমাদের সমাজের একটি বড় সমস্যা হলো, আমরা দ্বীনের আংশিক পালন করি এবং সুবিধামতো ব্যাখ্যা দাঁড় করাই। অনেক পুরুষ মনে করেন, বিয়ের মাধ্যমে স্ত্রীর ওপর তার নিরঙ্কুশ মালিকানা প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে। এই মালিকানার দম্ভ থেকেই তারা স্ত্রীর অসুস্থতা, শারীরিক অক্ষমতা বা মানসিক অবস্থাকে তোয়াক্কা করেন না। অথচ ইসলামে বিয়ে কোনো মালিকানা স্বত্ব নয়, বরং এটি একটি পবিত্র চুক্তিনামা যার ভিত্তি হলো ভালোবাসা ও করুণা। আল্লাহ তায়ালা কুরআনে দাম্পত্যের উদ্দেশ্য বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, ‘যাতে তোমরা তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করো।’ এখন প্রশ্ন হলো, একজন অসুস্থ স্ত্রীকে জোরপূর্বক বিছানায় টেনে নেওয়া, জ্বরে বা ব্যথায় কাতরাতে থাকা শরীরটার ওপর নিজের পাশবিক জেদ চাপিয়ে দেওয়া—এটা কি প্রশান্তি? নাকি এটি সেই স্ত্রীর জন্য আজাব? যিনি অসুস্থ, তিনি তো শরিয়তের দৃষ্টিতেই ‘মাজুর’ বা অক্ষম। আল্লাহ যেখানে অসুস্থ ব্যক্তিকে দাঁড়িয়ে নামাজ পড়ার বাধ্যবাধকতা থেকে মুক্তি দিয়েছেন, সেখানে একজন স্বামী কোন যুক্তিতে অসুস্থ স্ত্রীর ওপর নিজের কামনার বোঝা চাপিয়ে দিতে পারেন? এটি কি আল্লাহর দেওয়া বিধানের চেয়েও নিজের নফসকে বড় মনে করা নয়? অনেকেই হয়তো তর্কের খাতিরে বলবেন, হাদিসে তো স্বামীকে খুশি রাখার ব্যাপারে অনেক তাকিদ দেওয়া হয়েছে। ফেরেশতারা লানত দেন বলে যে হাদিসটি প্রচলিত, সেটিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অনেক জালিম স্বামী নিজের অপকর্মকে জায়েজ করতে চান। কিন্তু তারা হাদিসটির প্রেক্ষাপট এবং ইসলামের ‘লা দারা ওয়ালা দিরা’ (ক্ষতি করাও যাবে না, ক্ষতি সহ্যও করা যাবে না) নীতিটি বেমালুম ভুলে যান। ইসলামে কোনো ইবাদত বা আনুগত্যই নিজের জীবন বা শরীরকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিয়ে করার বিধান নেই। স্ত্রীর অসুস্থতার সময় তাকে জোর করা, তার অনিচ্ছায় এমন কোনো কাজ করা যা তার স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়—এটি স্পষ্টতই বান্দার হক নষ্ট করা। আর বান্দার হক নষ্ট করার অপরাধ আল্লাহ ক্ষমা করেন না, যতক্ষণ না সেই বান্দা ক্ষমা করে। তাই যারা মনে করেন স্ত্রীর অসুস্থতায় জোরজবরদস্তি করলে কোনো গুনাহ নেই, তারা মূলত বোকার স্বর্গে বাস করছেন। এই জুলুমের বিচার শুধু হাশরের ময়দানেই হবে না, বরং ইহকালেও এর প্রতিবিধান থাকা আবশ্যক। এখানেই আসে সেই মোক্ষম প্রশ্নটি—‘অসুস্থ অবস্থায় বা অনিচ্ছায় জোরপূর্বক মিলনের শাস্তি কি ইসলামে নেই?

প্রস্তুত প্রণালী: - খেজুর বা কিশমিশ ভালোভাবে ধুয়ে নিন। - খেজুরের বিচি বের করে কুচি করুন (যদি খেজুর ব্যবহার করেন)। - প্রাকৃতিক উপাদানে তৈরি কোনো পাত্রে খেজুর বা কিশমিশ রেখে এক গ্লাস পানি ঢালুন। - পাত্র ঢেকে ১০-১২ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন (সকালে তৈরি করলে রাতে পান করুন, আর রাতে তৈরি করলে সকালে পান করুন)। - ভিজানোর পর খেজুর বা কিশমিশ ছেঁকে একটু পিংক সল্ট ও জমজমের পানি যোগ করার ইচ্ছা থাকলে তা করে পানিটা পান করুন। - আপনি চাইলে ছেঁকে রাখা খেজুর বা কিশমিশ দিয়ে দ্বিতীয় রাউন্ডের জন্য পানিতে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। অথবা আপনি চাইলে মিশ্রণটি ব্লেন্ডারে ব্লেন্ড করে পান করতে পারেন কিংবা নরম খেজুর বা কিশমিশ চিবিয়ে খেয়ে নিতে পারেন। অথবা ফেলে দিতে পারেন। গুরুত্বপূর্ণ টিপস: - নবীয মূলত পানিতে ভিজিয়ে খাওয়ার মাধ্যমেই সুন্নাহ পরিপূর্ণ হয়। অতিরিক্ত উপাদান ও প্রক্রিয়া (যেমন ব্লেন্ড) ব্যক্তিগত পছন্দের বিষয়, তবে মূল পদ্ধতিই শ্রেষ্ঠ। - নবীয ১২ ঘন্টার বেশি ভিজিয়ে রাখা উচিত নয়, কারণ তাতে গাঁজন প্রক্রিয়ায় অ্যালকোহল হয়ে যেতে পারে। - ছেঁকে নেওয়ার পর নবীয ফ্রিজে ২-৩ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। কিন্তু রুম তাপমাত্রায় ১২ ঘণ্টার বেশি সময় নাবীয রেখে দেবেন না। - যদি নবীযের গন্ধ বা স্বাদ পরিবর্তন হয়, তবে তা পান করা উচিত নয়। নবীজি (সাঃ) এক দিনের বেশি নাবীয জমিয়ে রাখতেন না। তাই সুন্নাহ অনুযায়ী, ১০-১২ ঘণ্টার মধ্যে পান করাই উত্তম। নাবীয পানের উপকারিতা: - রোজার সময় হঠাৎ খাবারের সময়সূচি পরিবর্তনের কারণে অনেকের পেটে অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা দেয়। নবীয এই সমস্যা সমাধানে সাহায্য করতে পারে। - খেজুর বা কিশমিশ পানিতে ভিজিয়ে রাখলে তাদের ভিটামিন ও মিনারেল পানিতে ছেড়ে দেয়। এই পুষ্টিগুণে ভরপুর পানি দেহে সহজে শোষিত হয়। - নবীয একটি অ্যালকালাইন পানীয়, যা শরীরের অ্যাসিডিটি কমায় এবং টক্সিন বের করে দেয়। - নাবীযে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করে। - নবীযে থাকা প্রাকৃতিক ফলের শর্করা শরীরের এনার্জি বুস্ট করে। - নবীয মস্তিষ্ককে উজ্জীবিত রাখে, স্মৃতিশক্তি বাড়ায়, বিষণ্ণতা দূর করে ও মন ভালো রাখে। Captain Green

নাবীয (Nabeez) এমন একটি প্রাকৃতিক পানীয়, যা প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সাঃ) সকালে ও রাতে পান করতেন। হযরত আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত: "রাসূলুল্লাহ (সাঃ) এর জন্য সকালে নাবীয তৈরি করা হতো। যখন রাত হতো, তিনি তা পান করতেন। অতঃপর রাতে নাবীয তৈরি করা হতো। যখন সকাল হতো, তিনি তা পান করতেন।" (সুনান আবু দাঊদ, কিতাবুশ শারাবাহ, বাবু ‍ফী সিফাতিন নাবীয, হাদীস নং ৩৭১২)। নাবিয শুধু স্বাস্থ্যের জন্যই ভালো নয়, বরং নবীজি (সাঃ)-এর সুন্নাহ অনুসরণের একটি অংশও বটে। এটি খেজুর/কিশমিশ/ডুমুর পানিতে ভিজিয়ে রেখে তৈরি করা হয়। এই পানীয় অত্যন্ত পুষ্টিকর এবং হাইড্রেটিং, যা পান করলে শরীর হাইড্রেট হয় এবং সারাদিন এনার্জি প্রদান করে। আর কিছুদিনের মধ্যেই রমজান আসছে। এটি রমজান মাসে সাহরি ও ইফতারের সময় বিশেষভাবে উপকারী। রমজান এগিয়ে যাওয়ার সাথে সাথে বেশিরভাগ মানুষের সাহরি ও ইফতারে ভালোমতো খাবার গ্রহণ করাটা কষ্টকর হয়ে উঠতে থাকে। কারণ রোজাদারদের একটি কমন সমস্যা হলো পেটে অ্যাসিডিটি বা গ্যাসের সমস্যা। এই সমস্যা সমাধানে নবীজি (সাঃ)-এর একটি প্রিয় পানীয় 'নবীয' ট্রাই করা আপনার জন্য উত্তম হতে পারে। নবীয একটি অ্যালকালাইন টনিক, যা শরীর থেকে টক্সিন বের করে, পেটের অ্যাসিডিটি কমায় এবং হজমশক্তি উন্নত করে। Biomedical and Pharmacology Journal-এ একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণায় নাবীযের পানিতে থাকা সক্রিয় যৌগের গুণগত ও পরিমাণগত বিশ্লেষণ করা হয়। আজওয়া খেজুরের শাঁস ৫ গ্রাম ১০০ মিলি পানিতে ১৮ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখা হয়। এরপর পানি ছেঁকে নবীয পানি সংগ্রহ করে গবেষণা চালানো হয়। গবেষণায় দেখা গেছে, নবীয পানিতে ফ্ল্যাভোনয়েড, স্যাপোনিন, অ্যালকালয়েড এবং ট্যানিনের মতো সক্রিয় যৌগ উপস্থিত রয়েছে। নবীয পানিতে পাওয়া সক্রিয় যৌগগুলোর অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা রয়েছে: - ফ্ল্যাভোনয়েড: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি এবং কোলেস্টেরল কমানোর বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। - স্যাপোনিন: ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। - অ্যালকালয়েড: ব্যথানাশক এবং অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। - ট্যানিন: অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি, অ্যান্টি-ডায়রিয়াল এবং অ্যান্টিসেপটিক বৈশিষ্ট্য সম্পন্ন। নাবিয তৈরির প্রক্রিয়াকে বিজ্ঞানে বলা হয়- ম্যাকারেশন (Maceration)। যেখানে কোনো কঠিন পদার্থ (ফল, ভেষজ বা অন্যান্য) একটি তরল পদার্থে (পানি, তেল বা অন্যান্য) নির্দিষ্ট সময় (১২ ঘন্টা, ২৪ ঘন্টা বা তার বেশি) ধরে ভিজিয়ে রাখা হয়, যাতে সেই কঠিন পদার্থের সক্রিয় উপাদানগুলো তরলে মিশে যায়। এই প্রক্রিয়ায় তরল পদার্থটি কঠিন পদার্থের পুষ্টিগুণ, সুগন্ধ এবং অন্যান্য উপাদান শোষণ করে নেয়। ভিজানোর পর কঠিন পদার্থের উপকারী উপাদানগুলো তরলে মিশে যায়, তখন কঠিন পদার্থটি ছেঁকে তরল পদার্থটি আলাদা করে নেওয়া হয়। কিভাবে বানাবেন এই নাবীয? আপনি একা মানুষ হলে কুইক ১-৩টা খেজুর বিচি ফেলে কুচি করে এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখবেন। গ্লাসটা ঢেকে রাখবেন। ১০-১২ ঘন্টা পরে খেজুরগুলো ছেঁকে শুধু পানিটা খাবেন। সকালে তৈরি করলে রাতে খাবেন, আবার রাতে তৈরি করলে সকালে খাবেন। নাবীয তৈরির জন্য পানি ব্যবহার করাই সুন্নাহ। দুধ ব্যবহার করতে যাবেন না। খেজুরের মত কিশমিশ দিয়েও নাবীয বানানো যায়। তবে কখনোই দুটো একসাথে মিশিয়ে নাবিয বানাতে যাবেন না। হাদিসে খেজুর ও কিসমিস একসাথে মিশিয়ে নাবীয তৈরি করতে নিষেধ করা হয়েছে। হানাফি মাযহাবে খেজুর ও কিসমিস একসাথে মিশিয়ে নাবীয তৈরি করা মাকরুহ। এর পেছনে সম্ভাব্য কারণ হলো এতে পানীয়টি দ্রুত গাঁজিয়ে উঠতে পারে এবং মদে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। খেজুর বা কিসমিস পৃথকভাবে ভিজিয়ে নাবীয তৈরি করা জায়েজ। হযরত আবু কাতাদাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত: "নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খুরমা (পাকা খেজুর) ও আধাপাকা খেজুর এবং খুরমা ও কিসমিস একত্রিত করতে নিষেধ করেছেন। আর এগুলো প্রত্যেকটিকে পৃথক পৃথকভাবে ভিজিয়ে 'নাবীয' তৈরি করা যাবে।" (সহীহ বুখারী, পর্ব ৭৪, অধ্যায় ১১, হাঃ ৫৬০২; সহীহ মুসলিম, পর্ব ৩৬, অধ্যায় ৫, হাঃ ১৯৮৮) হযরত আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত: "রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: 'যে ব্যক্তি নাবীয (খেজুর বা আঙ্গুর ভেজানো পানি) পান করতে ইচ্ছুক, সে যেন কিসমিস বা শুকনো খেজুর কিংবা কাঁচা খেজুর দিয়ে পৃথক পৃথকভাবে (ভিজিয়ে নাবীয বানিয়ে তা) পান করে।' রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে নিষেধ করেছেন, আমরা যেন কাঁচা খেজুর শুকনো খেজুরের সাথে না মিশাই, অথবা কিসমিস খুরমার সাথে না মিশাই, কিংবা কিসমিস কাঁচা খেজুরের সাথে না মিশাই।" (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং: ১৯৮৮, ইসলামিক ফাউন্ডেশন সংস্করণ)। নবীয তৈরির পদ্ধতি: উপকরণ: - ৩-৫টি খেজুর বা কিছু কিশমিশ - ১ গ্লাস বিশুদ্ধ পানি - একটুখানি পিংক সল্ট (ঐচ্ছিক) - একটু যমযমের পানি (ঐচ্ছিক)

যার জন্য আপনি পাহাড় সরালেন, দিনশেষে সে বলল—'আমি কি বলেছিলাম সরাতে?'—অকৃতজ্ঞ মানুষের জন্য নিজের জীবন উৎসর্গ করবেন না; এরা সুবিধাবাদী, এরা ফুলের মধু খেয়ে ফুলকেই লাথি মারে। Stop Crossing Oceans for People Who Wouldn't Jump a Puddle for You আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় ভুল হলো—আমরা ভুল মানুষের জন্য সঠিক কাজটা করি। আপনি হয়তো কারো বিপদে নিজের সব কাজ ফেলে, পকেটের শেষ টাকা দিয়ে, এমনকি নিজের সম্মান বাজি রেখে তাকে সাহায্য করলেন। আপনি ভাবলেন, মানুষটা অন্তত মনে রাখবে। কিন্তু বিপদ কেটে যাওয়ার পর সেই মানুষটাই যখন আপনাকে চিনতে পারে না বা উল্টো আপনার দোষ খোঁজে, তখন মনে হয়—"মাটিতে টাকা ফেললেও শব্দ হতো, কিন্তু এই মানুষের পেছনে সময় নষ্ট করে কোনো লাভ হলো না।" মনে রাখবেন, অকৃতজ্ঞ মানুষ কখনো বদলায় না, তারা শুধু শিকার বদলায়। #MotivationalQuotesBangla সাপকে যতই দুধ-কলা দিয়ে পোষেন না কেন, সে ছোবল মারবেই—কারণ ওটা তার স্বভাব। ঠিক তেমনি, সুবিধাবাদী মানুষকে আপনি কলিজা কেটে খাওয়ালেও তারা বলবে—"লবণ কম হয়েছে।" তাই নিজের উদারতাকে সস্তা করবেন না। উপকার করা মহৎ গুণ, কিন্তু অযোগ্য মানুষের উপকার করা হলো নিজের পায়ে কুড়াল মারার সমান। 🛡 কেন অকৃতজ্ঞদের থেকে ১০ হাত দূরে থাকবেন? 🔥 ১. স্মৃতির মেয়াদ খুব কম (Short Memory) এরা আপনার হাজারটা উপকার মনে রাখবে না, কিন্তু যেদিন একটা ছোট উপকার করতে পারবেন না—সেদিন আপনার আগের সব ভালো কাজ ধুয়েমুছে সাফ করে দেবে। এদের মেমোরি কার্ডে 'কৃতজ্ঞতা' নামক ফোল্ডারটাই নেই। 🔥 ২. এনার্জি চোষক (Energy Vampires) এই মানুষগুলো আপনার জীবনের পজিটিভ এনার্জি চুষে নেয়। এদের জন্য আপনি যত করবেন, এরা তত চাইবে। এরা হলো তলাবিহীন ঝুড়ির মতো—আপনি যতই ঢালুন, কোনোদিন ভরবে না। এদের খুশি করতে গিয়ে আপনি নিজেই নিঃস্ব হয়ে যাবেন। #MotivationalQuotesBangla 🔥 ৩. আত্মসম্মান রক্ষা (Self Respect) যে আপনার সময়ের মূল্য দেয় না, যে আপনার ত্যাগের কদর বোঝে না—তার পেছনে ঘোরার মানে হলো নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দেওয়া। নিজেকে পণ্য বানাবেন না যে চাইলেই ব্যবহার করা যায়। সাহায্য তাদেরই করুন, যারা অন্তত "ধন্যবাদ" বলার যোগ্যতা রাখে। 🌟 শেষ কথা তাই আজ থেকে প্রতিজ্ঞা করুন— কারও জন্য মোমবাতি হয়ে নিজেকে গলাবেন না। মানুষ চিনতে শিখুন। যে আপনার বিপদে ছিল না, তার বিপদেও আপনার থাকার দরকার নেই। এটা স্বার্থপরতা নয়, এটা বাস্তবতা। নিজেকে বলুন— 👉 "আমি দয়ালু, কিন্তু আমি বোকা নই।" কারা এমন অকৃতজ্ঞ মানুষের পাল্লায় পড়েছেন? কমেন্টে লিখুন— "WRONG PERSON" 💔 ❌কপি পেস্ট করবেন না। ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন✅ #UngratefulPeople #FakeFriends #LifeLessons #RealityCheck #BanglaMotivation #SelfRespect #SmartLiving #MotivationalQuotesBangla #Kolkata #Dhaka 🔒 Disclaimer: This post is created for Motivational/inspirational/ information purposes only. Do not copy our post otherwise legal action will be taken. কপি পেস্ট করা নিষেধ, কপি করে কালেক্টেড বলে নিজের পেজে/প্রোফাইলে চালাবেন না। অন্যথা আপনাকে কপিরাইট ভায়োলেশনের স্ট্রাইক দেওয়া হবে। 🖼

পাচনতন্ত্রের পার্টগুলোর মধ্যে বৃহদন্ত্র (Large Intestine) মানবস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ 'গাট মাইক্রোবায়োম' এর মূল বসবাসস্থল। মানবদেহে অণুজীবের সংখ্যা দেহের কোষের সংখ্যার প্রায় সমান বা সামান্য বেশি (১:১ বা ১.৩:১ অনুপাতে)! প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে কোষ আছে গড়ে প্রায় ৩০ ট্রিলিয়ন। আর, প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে অণুজীব আছে গড়ে প্রায় ৩৯ ট্রিলিয়ন! গাটে (বিশেষ করে বৃহদান্ত্রের কোলনে) সবচেয়ে বেশি অণুজীব থাকে—দেহের মোট অণুজীবের প্রায় ৮০–৯০%। বাকিটা থাকে মুখগহ্বর, ত্বক, যোনি ইত্যাদি স্থানে। গাট মাইক্রোবায়োম (Gut Microbiome) হলো বৃহদন্ত্রের প্রধান পার্ট কোলনে (Colon) বসবাসকারী ট্রিলিয়ন-ট্রিলিয়ন অণুজীবের একটি জটিল সমষ্টি (মাইক্রোবিয়াল কমিউনিটি)। এই অণুজীবগুলোর মধ্যে প্রধানত থাকে: ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস, ফাঙ্গাই, প্রোটোজোয়া এবং অন্যান্য অণুজীব। সহজ করে বললে–গাট মাইক্রোবায়োম হলো আমাদের পেটের ভেতরে থাকা উপকারী ও ক্ষতিকর জীবাণুদের এক বিশাল জনবসতি। গাট মাইক্রোবায়োম হলো একটা জীবাণুর শহর। সেই শহরের সবচেয়ে বড় জনগোষ্ঠী হলো গাট ব্যাকটেরিয়া। গাট মাইক্রোবায়োমে থাকা অণুজীবদের মধ্যে ৯০–৯৫% হলো ব্যাকটেরিয়া, বাকি ৫–১০% হলো ভাইরাস, ছত্রাক, প্রোটোজোয়া ইত্যাদি। এই জীবাণুগুলো একসাথে আমাদের শরীরের এক রকম ‘সিক্রেট অঙ্গ’ হিসেবে কাজ করে! এই গাট মাইক্রোবায়োমের প্রধান কাজগুলো হচ্ছে: – খাবার হজমে সহায়তা করে। মানবদেহ নিজে যেসব খাদ্য (ফাইবার, রেজিস্ট্যান্ট স্টার্চ, কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট) হজম করতে পারেনা গাট মাইক্রোবায়োম সেগুলো ফার্মেন্টেশন করে শর্ট-চেইন ফ্যাটি অ্যাসিড (SCFA) তৈরি করে। SCFA কোলন কোষের প্রধান শক্তির উৎস। গাট ব্যাকটেরিয়া ভিটামিন ও নানা যৌগ সংশ্লেষণ (Synthesis) করে। যেমন: ভিটামিন K (রক্ত জমাট বাঁধার জন্য অপরিহার্য), বি ভিটামিন (বায়োটিন, ফোলেট, থায়ামিন), অ্যামিনো অ্যাসিড ইত্যাদি। এছাড়াও, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন শোষণে সাহায্য করে। – দেহের ইমিউন সিস্টেমকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। বাচ্চাকাল থেকে গাট মাইক্রোবায়োম দেহের ইমিউন সিস্টেম বিকাশে সহায়তা করে, ইমিউনিটিকে শেখায় কোনটা বন্ধু আর কোনটা শত্রু। এজন্য, অন্ত্রের অণুজীবদের ভারসাম্য (Gut Microbiome Balance) যদি নষ্ট হয় তখন ইমিউন সিস্টেম বিভ্রান্ত হয়ে নিজের শরীরকেই আক্রমণ করতে পারে, যার ফলে অটোইমিউন রোগ দেখা দিবে। (অটোইমিউন ডিজিজ এমন এক অবস্থা, যেখানে দেহের ইমিউন সিস্টেম ভুল করে নিজেরই সুস্থ কোষ, টিস্যু বা অঙ্গকে শত্রু ভেবে আক্রমণ করে। এমন কিছু অটোইমিউন রোগ হলো: টাইপ ১ ডায়াবেটিস, রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, সেলিয়াক ডিজিজ, হ্যাশিমোটোস থাইরয়ডাইটিস ইত্যাদি।) এছাড়াও, উপকারী ব্যাকটেরিয়া স্থান ও পুষ্টির জন্য প্রতিযোগিতা করে রোগ সৃষ্টিকারী (প্যাথোজেনিক) ব্যাকটেরিয়াকে দমন করে। – গাট-ব্রেইন অ্যাক্সিস (Gut-Brain Axis) এর মাধ্যমে মানসিক স্বাস্থ্য ও মস্তিষ্কের কার্যক্রম প্রভাবিত হয়। গাট মাইক্রোবায়োম সেরোটোনিন (৯০% ই গাটে তৈরি হয়!), GABA (অ্যাংজাইটি কমানোর নিউরোট্রান্সমিটার) ও ডোপামিনের মতো নিউরোট্রান্সমিটার উৎপাদন উদ্দীপিত করে। যা মানসিক স্বাস্থ্য (ডিপ্রেশন, অ্যাংজাইটি), স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কের কার্যক্রমকে প্রভাবিত করে। এরকম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের সাথে গভীর সংযোগ থাকার কারণে গাট মাইক্রোবায়োমকে 'দ্বিতীয় মস্তিষ্ক' বলা হয়! Captain Green

৪–৬ মাসের প্রেগনেন্ট( অন্তঃসত্ত্বা) হলে আপনি পেতে পারেন সরকারি ভাতা! প্রতিমাসে ৮৫৫টাকা করে টোটাল ৩০,৬০০টাকা। ৩৬মাস অবধি টাকা পাবেন!❤️ ২য় সন্তানের ক্ষেত্রেও আপনি ভাতা পাবেন।তৃতীয় সন্তানের ক্ষেত্রে পাবেন না! 💚💚 কে কে আবেদন করতে পারবেন? 👉 বর্তমানে গর্ভাবস্থার ৪–৬ মাস চলছে 👉বয়স ২০-৩৫ মধ্যে হতে হবে 👉 ANC (Antenatal Care) কার্ড আছে(যেকোন সরকারি হসপিটাল থেকে সংগ্রহ করবেন) 👉 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) রয়েছে 👉 ইউনিয়ন পরিষদের আওতাভুক্ত 💚💚 কিভাবে আবেদন করবেন? নিজ নিজ ইউনিয়ন পরিষদ,উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়,পৌর ডিজিটাল সেন্টার অথবা সিটি কপোরেশন অফিসে যাবেন। অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে, ইউনিয়ন পরিষদের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবেদনটি সাবমিট করবেন। ❌কোনরকম আর্থিক লেনদেন করবেন না! 💚💚 যে কাগজপত্র লাগবে: 👉 ANC কার্ড (গর্ভকালীন চেকআপ কার্ড) 👉 জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) 👉নিজস্ব সচল মোবাইল নম্বর, ব্যাংক একাউন্ট ও অন্যান্য মৌলিক তথ্য ⏰ গুরুত্বপূর্ণ সময়সীমা: 🗓️ প্রতি মাসের ১–২০ তারিখের মধ্যে আবেদন করতে হবে ➡️ সময় পার হলে সেই মাসে আবেদন গ্রহণ নাও হতে পারে অনেক মা সঠিক সময়ে আবেদন না করায় এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। তাই 👉 তাই ৪ মাস পূর্ণ হলেই দেরি না করে ইউনিয়ন পরিষদে যোগাযোগ করুন 👉 ANC চেকআপ নিয়মিত করুন—এটি শুধু ভাতার জন্য নয়,সন্তান ঠিকমত বড় হচ্ছে কিনা সার্বিক অবস্থা জানার জন্য❣️ ANC কার্ড কেমন হয় সেটির ছবি দিয়ে দিচ্ছি।