1 997
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
لا توجد بيانات7 أيام
-130 أيام
أرشيف المشاركات
1 997
এই আর্টিকেলে মনোবিজ্ঞানের দৃষ্টিতে দরিদ্র, মধ্যবিত্ত এবং ধনীদের মধ্যে ৫টি প্রধান পার্থক্যের কথা বলা হয়েছে। দেখে নিতে পারেন।
•
১. সময়ের দৃষ্টিভঙ্গি:
দরিদ্র: এদের চিন্তাভাবনা থাকে খুবই অল্প সময়ের জন্য—যেমন আজকের দিন বা এই সপ্তাহটি কীভাবে চলবে। টিকে থাকাই এদের মূল লক্ষ্য।
মধ্যবিত্ত: এরা সাধারণত বার্ষিক পরিকল্পনা করে। যেমন—মাসিক বেতন, বছরের ছুটি বা অবসরের পরিকল্পনা। এরা নিরাপদ জীবন পছন্দ করে।
ধনী: এরা কয়েক দশক বা পরবর্তী প্রজন্মের কথা চিন্তা করে কাজ করে। এরা এমন সিস্টেম বা সম্পদ তৈরি করতে চায় যা তাদের মৃত্যুর পরও টিকে থাকবে।
২. ঝুঁকির সাথে সম্পর্ক:
দরিদ্র: এদের কাছে ঝুঁকি মানেই ভয়ের বিষয়। কারণ হারানোর মতো কিছু থাকলে তা সরাসরি বেঁচে থাকার ওপর আঘাত করে।
মধ্যবিত্ত: এরা ঝুঁকি এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ মনে করে। বেতন, বিমা এবং নিরাপদ ঋণের মাধ্যমে এরা আর্থিক নিরাপত্তা খোঁজে।
ধনী: এরা মনে করে বড় কিছু অর্জনের জন্য ঝুঁকি নেওয়া জরুরি। তবে তারা অন্ধভাবে বাজি ধরে না, বরং 'ক্যালকুলেটেড রিস্ক' বা হিসেব কষে ঝুঁকি নেয়।
৩. শিক্ষার উদ্দেশ্য:
দরিদ্র: এদের কাছে শিক্ষা হলো বেঁচে থাকার বা ছোটখাটো কাজ পাওয়ার মাধ্যম।
মধ্যবিত্ত: এদের কাছে শিক্ষা মানে হলো বড় বড় ডিগ্রি বা সার্টিফিকেট অর্জন করা। এরা মনে করে ভালো ডিগ্রি মানেই ভালো চাকরি এবং সামাজিক মর্যাদা।
ধনী: এরা শিক্ষাকে দেখে বিশেষ জ্ঞান এবং নেটওয়ার্ক তৈরির মাধ্যম হিসেবে। এরা সারাজীবন শেখার মানসিকতা রাখে এবং ডিগ্রি অপেক্ষা 'আর্থিক শিক্ষা' (Financial Literacy) ও সমস্যা সমাধানের দক্ষতাকে বেশি গুরুত্ব দেয়।
৪. নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা:
দরিদ্র: এরা মনে করে তাদের জীবন ভাগ্য বা বাইরের পরিস্থিতির ওপর নির্ভরশীল। একে বলা হয় 'এক্সটারনাল লোকাস অফ কন্ট্রোল'।
মধ্যবিত্ত: এরা মনে করে কঠোর পরিশ্রম করলেই সাফল্য আসবে। অর্থাৎ, বেশি সময় কাজ করলে বেশি টাকা পাওয়া যাবে—এই রৈখিক চিন্তায় তারা বিশ্বাসী।
ধনী: এরা কেবল নিজের পরিশ্রম নয়, বরং অন্যদের সময়, টাকা এবং প্রযুক্তি ব্যবহার করে আয় বাড়ানোর চেষ্টা করে। এরা সময়ের সাথে আয়কে সরাসরি না বেঁধে বড় সিস্টেম তৈরির দিকে মন দেয়।
৫. সামাজিক সম্পর্ক:
দরিদ্র: এদের সামাজিক সম্পর্ক তৈরি হয় স্থানীয় আনুগত্য এবং একে অপরকে টিকে থাকতে সাহায্য করার মাধ্যমে।
মধ্যবিত্ত: এরা সমাজের সাথে তাল মিলিয়ে চলতে চায় এবং স্ট্যাটাস বজায় রাখার জন্য খরচ করে। অন্যের সাথে পাল্লা দিয়ে কেনাকাটা করা বা জীবনযাত্রার মান দেখানোই এদের বড় লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায়।
ধনী: এরা কৌশলগতভাবে সম্পর্ক তৈরি করে। তারা এমন মানুষের সাথে মেলামেশা করে যারা তাদের চিন্তাভাবনাকে চ্যালেঞ্জ জানায় এবং নতুন সুযোগ তৈরি করে দেয়। তাদের কাছে সম্পর্ক হলো এক ধরণের সম্পদ।
•
এই পার্থক্যগুলো জন্মগত নয়, বরং আমাদের চারপাশের পরিবেশ এবং অভাব বা প্রাচুর্যের অভিজ্ঞতার ফসল। সম্পদশালী হতে হলে নিজের এই মানসিক কাঠামো বা সাইকোলজি পরিবর্তন করা প্রথম ধাপ।
____
সূত্র: নিউ ট্রেডার ইউ
1 997
দেনমোহর বিয়ের আকদের পর প্রদান করাতে কোন সমস্যা নেই। তবে সহবাসের পূর্বে প্রদান করাই উত্তম। তবে যদি স্ত্রী দেনমোহর প্রদান করা ছাড়াই সহবাসের অনুমতি প্রদান করে তাহলে কোন সমস্যা নেই। বাকি স্ত্রী দেনমোহর প্রদান করা ছাড়া প্রথম সহবাসের পূর্বে বাঁধা প্রদান করতে পারবে। কিন্তু একবার সহবাস হয়ে গেলে আর বাঁধা দিতে পারবে না। কিন্তু স্বামীর জিম্মায় দেনমোহর আদায় না করলে তা ঋণ হিসেবে বাকি থেকে যাবে।
স্ত্রী যদি উক্ত দেনমোহর মাফ না করে, আর স্বামীও তা পরিশোধ না করে, তাহলে কিয়ামতের ময়দানে স্বামীর অপরাধী সাব্যস্ত হবে। তাই দেনমোহরের টাকা পরিশোধ করে দেয়া জরুরী।
وَآتُوا النِّسَاءَ صَدُقَاتِهِنَّ نِحْلَةً ۚ فَإِن طِبْنَ لَكُمْ عَن شَيْءٍ مِّنْهُ نَفْسًا فَكُلُوهُ هَنِيئًا مَّرِيئًا [٤:٤]
আর তোমরা স্ত্রীদেরকে তাদের মোহর দিয়ে দাও খুশীমনে। তারা যদি খুশী হয়ে তা থেকে অংশ ছেড়ে দেয়, তবে তা তোমরা স্বাচ্ছন্দ্যে ভোগ কর। [সূরা নিসা-৪]
فَمَا اسْتَمْتَعْتُم بِهِ مِنْهُنَّ فَآتُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ فَرِيضَةً ۚ وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ فِيمَا تَرَاضَيْتُم بِهِ مِن بَعْدِ الْفَرِيضَةِ ۚ إِنَّ اللَّهَ كَانَ عَلِيمًا حَكِيمًا [٤:٢٤]
অনন্তর তাদের মধ্যে যাকে তোমরা গ্রহণ করবে,তাকে তার নির্ধারিত হক দান কর। তোমাদের কোন গোনাহ হবে না যদি নির্ধারণের পর তোমরা পরস্পরে সম্মত হও। নিশ্চয় আল্লাহ সুবিজ্ঞ, রহস্যবিদ। [সূরা নিসা-২৪]
وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ الْمُؤْمِنَاتِ وَالْمُحْصَنَاتُ مِنَ الَّذِينَ أُوتُوا الْكِتَابَ مِن قَبْلِكُمْ إِذَا آتَيْتُمُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ [٥:٥]
তোমাদের জন্যে হালাল সতী-সাধ্বী মুসলমান নারী এবং তাদের সতী-সাধ্বী নারী, যাদেরকে কিতাব দেয়া হয়েছে তোমাদের পূর্বে, যখন তোমরা তাদেরকে মোহরানা প্রদান কর। [সূরা মায়িদা-৫]
وَلَا جُنَاحَ عَلَيْكُمْ أَن تَنكِحُوهُنَّ إِذَا آتَيْتُمُوهُنَّ أُجُورَهُنَّ [٦٠:١٠]
তোমরা, এই নারীদেরকে প্রাপ্য মোহরানা দিয়ে বিবাহ করলে তোমাদের অপরাধ হবে না। [সূরা মুমতাহিনা-১০]
1 997
বিয়ে আসলে একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্প।
বাদল সৈয়দ
No marriage is perfect—it is about adaptation.
কোনো বিয়েই নিখুঁত নয়—এটা মানিয়ে নেওয়ার গল্প।
কেন কথাটি বললাম?
নিচে বলছি—
১)
আপনার জীবনসঙ্গী আপনার সঙ্গে জীবন কাটাতে এসেছেন। আপনার চাহিদামতো নিজেকে শতভাগ বদলে ফেলতে আসেননি। সেটি সম্ভবও নয়।
২)
মানুষ হিসেবে তিনি আলাদা।
তাঁর গড়ন আলাদা।
বেড়ে ওঠা আলাদা।
নিজস্ব সত্তা আলাদা।
এমনকি তাঁর ঘুমানোর ধরনও আলাদা।
বিয়ের পর এগুলো বদলে যাবে—এই আশা করা ভুল।
৩)
তাঁর জীবনের নিজস্ব লক্ষ্য থাকবে।
বন্ধু সার্কেল থাকবে।
কিছু অভ্যাস থাকবে।
শখ থাকবে।
বিয়ের মাধ্যমে আপনি তাঁর জীবনের সঙ্গী হয়েছেন—এর মানে এই নয় যে তিনি এসব বৈশিষ্ট্য হারিয়ে ফেলবেন।
“You are an addition to your partner’s life, not an alternative.”
আপনি তাঁর জীবনের নতুন ‘মাত্রা’—ব্যক্তিসত্তার বিকল্প নন।
৪)
বিয়ে মানে—
দুজনের চিন্তা এক হবে, তা নয়।
দুজনের পছন্দ এক হবে, তা নয়।
দুজনের বাচ্চা শাসনের পদ্ধতি এক হবে, তা নয়।
দুজনের পছন্দের খাবার এক হবে, তা নয়।
দুজনের অনেক ভিন্নতা থাকবে। এটাই স্বাভাবিক।
৫)
পৃথিবীর অর্ধেক জনসংখ্যা পুরুষ, অর্ধেক নারী। আপনার সঙ্গে বিয়ে হয়েছে বলে তিনি বিপরীত লিঙ্গের অর্ধেক মানুষকে অস্বীকার করে জীবনযাপন করবেন—সেটা সম্ভব নয়।
শুধু খেয়াল রাখতে হবে, এই মেলামেশা যেন শালীনতা ও ধর্মীয় অনুশাসনের সীমারেখা অতিক্রম না করে।
৬)
আপনি একটি পরিবার থেকে এসেছেন।
তিনি আরেকটি পরিবার থেকে এসেছেন।
দুজনেরই নিজের পরিবারের প্রতি আলাদা টান থাকবে, ভালোবাসা থাকবে।
বিয়ে করার অর্থ নিজ পরিবারকে ভুলে গিয়ে আপনার পরিবারে লীন হয়ে যাওয়া নয়। এরকম আশা করা অশান্তির অন্যতম বড় কারণ।
বিয়ে হচ্ছে একটি দীর্ঘমেয়াদি পবিত্র প্রকল্প।
এই প্রকল্পের নাম—‘দাম্পত্য’।
এই প্রকল্পের কর্মী দুজন—স্বামী এবং স্ত্রী।
এই দীর্ঘমেয়াদি প্রকল্পের পথ পুষ্পশোভিত নয়। অনেক কাঁটাও থাকে। এই কাঁটাগুলো এড়াতে না পারলে প্রকল্পটি টেকে না। লোকলজ্জার ভয়ে হয়তো টিকে আছে বলে দেখাতে হয়, কিন্তু ভেতরে ভেতরে তা ধ্বসে পড়ে।
এই কাঁটাগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়ংকর কাঁটা কোনটি জানেন?
—একে অপরের ওপর অযৌক্তিক মালিকানা জারি করার চেষ্টা।
এই চেষ্টা বাদ দিয়ে মানিয়ে নিতে পারলে, বিয়ে নামের প্রকল্পটি পটে আঁকা ছবির মতো সুন্দর হয়ে ওঠে।
সেজন্যই বলছিলাম- 'কোনো বিয়েই নিখুঁত নয়-এটি মানিয়ে নেওয়ার গল্প।'
(একটি বিদেশী ভিডিও চিন্তাটির জন্ম দেয়। তারপর আমি নিজের মতো করে লিখেছি। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ কথা বলি- তাহলো, মানিয়ে নেওয়ারও সীমা আছে, সেটা আমি বুঝি। এব্যাপারে আগে লিখেছিলাম।
ছবিটি কল্পিত)
#আসুনমায়াছড়াই
#BadalSyed
1 997
‼️হযরত সাইয়্যিদুনা আবুদ্ দারদা ( رضی اللہ تعالیٰ عنہ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একদা সাইয়্যিদুনা রসূলুল্লাহ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ -এঁর নিকট বসেছিলাম এবং দুনিয়াতে যা কিছু সংঘটিত হচ্ছে- এ ব্যাপারে আলাপ-আলোচনা করছিলাম।¹ তখন সাইয়্যিদুনা রসূলুল্লাহ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ বললেন....
“তোমরা যখন শুনবে যে, কোন পাহাড় তার নিজের জায়গা থেকে সরে গেছে তাতে তোমরা বিশ্বাস করতে পারো। কিন্তু যখন শুনবে যে, কোন মানুষের (সৃষ্টিগত) স্বভাব-চরিত্রের পরিবর্তন ঘটেছে তাতে বিশ্বাস স্থাপন করবে না। কেননা মানুষ সেদিকেই প্রত্যাবর্তন করবে যার উপর তার সৃষ্টি হয়েছে।” ²
📕মুসনাদে আহমাদ: ২৬৯৫৩। মিশকাত শরীফ: ১১৬
ـــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــــ
#টীকাঃ
[¹] অর্থাৎ দুনিয়ার ঘটনাবলী পূর্ববর্তী ফয়সালা অনুযায়ী হচ্ছে, না ঘটনাচক্রে হচ্ছে? কিন্তু এ আলোচনা তর্ক-মুনাযারা হিসেবে ছিলো না; বরং গবেষণার জন্য ছিলো। এ জন্য সাইয়্যিদুনা হুযুর পাক ﷺ শুনতে রইলেন, বারণ করেননি; বরং একটি মাসআলার চূড়ান্ত ফয়সালা করে দিয়েছেন।
[²] মাসআলার সারকথা হলো যে, দুনিয়ার ঘটনাবলী পূর্ববর্তী ফয়সালা (অদৃষ্টলিখন) অনুযায়ী সংঘটিত হচ্ছে এবং ওই ফয়সালাই অটল, যাতে পরিবর্তন অসম্ভব। স্মর্তব্য যে, মানুষের দু'টি অবস্থা রয়েছে:
এক :'স্বত্তাগত' (ذاتی)।
দুই: 'গুণগত (وَصَفِى)
গুণগত (وَصَفِی) অবস্থাদি দিনরাত পরিবর্তিত হতে থাকে। কাফির মু'মিন হয়ে যায়, ফাসিক মুত্তাক্বী হয়, কৃপণ দানশীল হয়ে যায়, কাপুরুষ বীরপুরুষ হয়।
কখনো বুযুর্গদের সংস্পর্শের কারণে, কখনো ইলমের বরকতে, আবার কখনো নিরেট আল্লাহ ﷻ এঁর কুদরতে (এ পরিবর্তন ঘটে)। কিন্তু মূল অবস্থা কখনো পরিবর্তিত হতে পারে না। যদি কখনো সাময়িকভাবে বদলেও যায়, তাহলে তা স্থায়ী হবে না।
আগুনের উপর পানি গরম হয়ে যায়। কিন্তু সেখান থেকে সরানোর সাথে সাথে আবার ঠান্ডা হয়ে যায়। এখানে মূল অবস্থার কথা বলা হয়েছে। আর جبلّت (পাহাড়) দ্বারা ওই স্বভাবের কথা বুঝানো উদ্দেশ্য, যা আল্লাহ ﷻ এঁর জ্ঞানে রয়েছে, যা'তে পরিবর্তন ও পরিবর্ধন অসম্ভব।
📕মিরআতুল মানাজীহ শরহে মিশকাত শরীফ। হাদীস নং ১১৬
মানুষের মৌলিক প্রকৃতি অপরিবর্তনীয়। আর তাসাউফি শিক্ষা হলো—আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মানুষ তার আসল ফিতরাহ্-তে ফিরে যায়। পাহাড়ের স্থানচ্যুতি সম্ভব হলেও মানুষের সৃষ্টিগত স্বভাব পরিবর্তন অসম্ভব, কারণ সে সর্বদা তার আসল সত্তার দিকে প্রত্যাবর্তন করে।
1 997
৪. সুফিবাদের সারকথা: "খিদমতে খালক"
সুফিবাদের একটি বড় অংশ হলো সৃষ্টির সেবা। সুফিদের মতে, কেবল তসবিহ টিপলেই আল্লাহকে পাওয়া যায় না, বরং আল্লাহর সৃষ্টিকে ভালোবাসলে তবেই স্রষ্টাকে পাওয়া সহজ হয়। এ কারণেই বড় বড় সুফিদের খানকায় সবসময় ক্ষুধার্তদের জন্য লঙ্গরখানা বা খাবারের ব্যবস্থা থাকত।
কুরআনে যাকে বলা হয়েছে 'তাজকিয়া' বা আত্মশুদ্ধি, সেটিই মূলত সুফিবাদের মূল কথা। স্রষ্টাকে খুঁজে পেতে হলে আগে নিজের মন থেকে হিংসা, বিদ্বেষ আর লোকদেখানো ইবাদত দূর করতে হয়। আল্লাহ আমাদের অন্তরকে পবিত্র রাখার তাওফিক দিন আমিন।" SSF 🧘
#সুফিবাদ #তাসাউফ #আত্মশুদ্ধি #ইসলামিক_জীবন #আল্লাহর_প্রেম #সুফি #আধ্যাত্মিকতা #শান্তি #Sufism #Tasawwuf #SpiritualAwakening #IslamicPost #PeaceOfMind
1 997
পবিত্র কুরআনে 'সুফিবাদ' (Sufism) বা 'সুফি' (Sufi) শব্দটি সরাসরি বা আক্ষরিকভাবে উল্লেখ নেই। তবে সুফিবাদের মূল ভিত্তি বা নির্যাস—যেমন আত্মশুদ্ধি, আধ্যাত্মিকতা এবং আল্লাহর সান্নিধ্য লাভ—এসব বিষয়ে কুরআনে প্রচুর আয়াত রয়েছে।
এই বিষয়ে বিস্তারিত কিছু তথ্য নিচে দেওয়া হলো:
১. 'সুফি' শব্দটির উৎপত্তি ও কুরআন
'সুফি' শব্দটি মূলত একটি পারিভাষিক শব্দ, যা রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর যুগের বেশ পরে জনপ্রিয় হয়েছে। এর উৎপত্তি নিয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে (যেমন: 'সুফ' বা পশমি বস্ত্র, অথবা 'সাফা' বা পবিত্রতা)। যেহেতু এটি একটি পরবর্তীকালে সংজ্ঞায়িত পরিভাষা, তাই কুরআনে এই নির্দিষ্ট শব্দটি পাওয়া যায় না।
২. কুরআনে সুফিবাদের সমার্থক ধারণা
সুফিবাদ মূলত যে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করে, কুরআনে সেগুলোকে ভিন্ন নামে ডাকা হয়েছে:
তাজকিয়া (Self-Purification): সুফিবাদের প্রধান লক্ষ্য হলো অন্তর পবিত্র করা। কুরআনে বলা হয়েছে:
সে-ই সফলকাম হবে, যে নিজের নাফসকে পরিশুদ্ধ (তাজকিয়া) করবে।" (সূরা আশ-শামস, আয়াত: ৯)
ইহসান (Excellence in Faith): জিবরাঈল (আ.)-এর প্রসিদ্ধ হাদিসে 'ইহসান' এর কথা বলা হয়েছে, যা সুফিবাদের মূল স্পিরিট। অর্থাৎ, এমনভাবে ইবাদত করা যেন আপনি আল্লাহকে দেখছেন।
তাকওয়া ও জিকর: সারাক্ষণ আল্লাহর স্মরণে থাকা এবং লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকেও আল্লাহকে ভয় করা।
৩. আধ্যাত্মিকতা নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আয়াত
সুফি সাধকগণ সাধারণত নিচের আয়াতগুলোকে তাদের দর্শনের ভিত্তি হিসেবে দেখেন:
বিষয়ের নাম কুরআনের আয়াত (সারমর্ম) রেফারেন্স👇
আল্লাহর নৈকট্য "আমি তার (মানুষের) ঘাড়ের শাহরগ অপেক্ষাও অধিক নিকটবর্তী।" সূরা ক্বাফ, আয়াত: ১৬
অন্তরের শান্তি "জেনে রেখো, আল্লাহর জিকিরেই অন্তরসমূহ প্রশান্তি লাভ করে।" সূরা আর-রাদ, আয়াত: ২৮
আল্লাহর ভালোবাসা "তিনি তাঁদের ভালোবাসেন এবং তাঁরাও তাঁকে ভালোবাসে।" সূরা আল-মায়েদাহ, আয়াত: ৫৪
👉 মূল কথা
সহজভাবে বলতে গেলে, নাম হিসেবে সুফিবাদ কুরআনে নেই, কিন্তু কাজ হিসেবে (যেমন: বিনয়, আল্লাহর ভালোবাসা, এবং অন্তরের পরিচ্ছন্নতা) এটি ইসলামের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ইসলামের প্রাথমিক যুগে একে 'ইহসান' বা 'তাজকিয়ায়ে নাফস' বলা হতো, যা পরবর্তী সময়ে 'সুফিবাদ' বা 'তাসাউফ' নামে পরিচিতি পায়।
🧘 সুফিবাদের ইতিহাস এবং এর চর্চা বা সাধনার পদ্ধতিগুলো বেশ গভীর এবং বৈচিত্র্যময়। নিচে এর মূল পর্যায় এবং চর্চার প্রধান দিকগুলো সহজভাবে তুলে ধরা হলো:
১. সুফিবাদের ঐতিহাসিক বিবর্তন
সুফিবাদ হুট করে আসেনি, বরং এটি সময়ের সাথে বিকশিত হয়েছে:
প্রাথমিক যুগ (যুগ-১): রাসুলুল্লাহ (সা.) এবং সাহাবীদের যুগে আলাদা কোনো নাম ছিল না। তারা অতি সাধারণ জীবনযাপন (জুহদ) এবং গভীর ইবাদতে নিমগ্ন থাকতেন। একে বলা হতো 'আহলে সুফফা'-দের আদর্শ।
সংজ্ঞায়িত যুগ (যুগ-২): হিজরি দ্বিতীয় ও তৃতীয় শতাব্দীতে যখন মুসলিম সাম্রাজ্যে বিলাসিতা বেড়ে যায়, তখন একদল মানুষ দুনিয়াবিমুখ হয়ে আধ্যাত্মিক সাধনায় মন দেন। এ সময় হাসান বসরী (র.), রাবেয়া বসরী (র.) এবং জুননুন মিসরীর মতো সাধকগণ প্রসিদ্ধ হন।
প্রাতিষ্ঠানিক যুগ (যুগ-৩): ১০ম শতাব্দীর পর থেকে সুফিবাদ বিভিন্ন 'তরিকায়' বা ধারায় বিভক্ত হয়। বড় বড় সুফি সাধকগণ (যেমন: বড় পীর আব্দুল কাদের জিলানী, খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী) নির্দিষ্ট নিয়মে শিষ্যদের তালিম দিতে শুরু করেন।
২. সুফিবাদের মূল চর্চা (সাধনার পদ্ধতি)
একজন সুফি বা আধ্যাত্মিক সাধক সাধারণত চারটি স্তরের মধ্য দিয়ে নিজেকে গড়ে তোলেন:
শরীয়ত (Shariat): ইসলামের বাহ্যিক আইন (নামাজ, রোজা, হালাল-হারাম) কঠোরভাবে পালন করা। এটি সুফিবাদের ভিত্তি।
তরিকত (Tariqat): একজন পীর বা মুর্শিদের নির্দেশনায় বিশেষ জিকর এবং ধ্যানের মাধ্যমে অন্তরের রোগ (অহংকার, লোভ, হিংসা) দূর করা।
হাকিকত (Haqiqat): সাধনার এক পর্যায়ে যখন অন্তরের পর্দা সরে যায় এবং সৃষ্টির পেছনের সত্য উন্মোচিত হয়।
মারেফত (Ma'rifat): আল্লাহর পরিচয় ও তাঁর সাথে গভীর আধ্যাত্মিক সংযোগ স্থাপন করা।
৩. প্রধান চারটি সুফি তরিকা
উপমহাদেশে এবং বিশ্বজুড়ে চারটি প্রধান তরিকা বা সিলসিলা সবচেয়ে বেশি পরিচিত:
কাদেরিয়া: হযরত আব্দুল কাদের জিলানী (র.) প্রতিষ্ঠিত। এটি জিকির ও কঠোর শৃঙ্খলার ওপর জোর দেয়।
চিশতিয়া: খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী (র.)-এর মাধ্যমে ভারতীয় উপমহাদেশে এটি ব্যাপক জনপ্রিয় হয়। তারা বিনয়, মানবসেবা এবং অনেক ক্ষেত্রে সুফি সংগীতের (কাওয়ালি) মাধ্যমে আধ্যাত্মিক ভাব জাগিয়ে তোলেন।
নকশবন্দিয়া: এই তরিকাটি সাধারণত 'খফী' বা মৌন জিকিরের জন্য পরিচিত। তারা সুন্নাহর কঠোর অনুসরণে গুরুত্ব দেয়।
সোহরাওয়ার্দিয়া: শেখ শাহাবুদ্দিন সোহরাওয়ার্দী (র.) এর প্রবর্তক। এই তরিকাটি ইলম (জ্ঞান) এবং ইবাদতের সমন্বয়ে পরিচালিত।
1 997
দুপুরবেলা ৩৫ ডিগ্রির গরমে আপনি ১টা সেভেনাপ, মোজো কিংবা কোকের বোতলে ২টা চুমুক মারেন কেন?
একটু শরীর ঠান্ডা হয়, শান্তি লাগে, এইজন্য তো?
এইকারণেই অতি ক্ষতিকর জানার পরেও কোল্ড ড্রিংক্সে চুমুক মারতে হয় আপনার।
কিন্তু এসবের একটা উত্তম বিকল্প রয়েছে যেটা একইসাথে গরমে প্রশান্তিদায়ক, ভীষণ স্বাস্থ্যকর এবং তৈরি করাও সহজ।
এটা খেতে জানলে আপনার কোল্ড ড্রিংক্সে চুমুক মারতে চাওয়ার তাড়না মরে যাবে চিরতরে।
পাঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাট, উত্তর প্রদেশ প্রভৃতি অঞ্চলে প্রচণ্ড গরমে শরীর ঠান্ডা রাখতে আর হজম ঠিক রাখতে মৌরি (সৌঁফ) ও মিছরি দিয়ে পানীয় বানানোর প্রচলন রয়েছে। এই পানীয়ের নাম হলো "Saunf ka Sharbat"।
ইংরেজিতে এই শরবত "Fennel Cooling Drink" নামে পরিচিত।
বাংলায় এই শরবতের নাম হতে পারে "মৌরি শরবত"।
এই শরবতের উপকরণগুলো হচ্ছে- মৌরি, তালমিছরি, বিটলবণ, এলাচ এবং কালো গোলমরিচ।
এই উপকরণগুলো একসাথে গুঁড়া করে প্রি-মিক্সড শরবতের পাউডার বানিয়ে নিলে খুবই উত্তম হয়।
যখনই গরমে প্রশান্তি দরকার ১ গ্লাস জলে কয়েক চামচ পাউডার গুলে পান করে ফেলবেন।
১ বার বানিয়ে কাঁচের বয়ামে বা এয়ারটাইট কনটেইনারে সংরক্ষণ করলে এই পাউডার ৩-৪ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।
এই Saunf ka Sharbat Powder বা মৌরি শরবতের গুঁড়া বানানোর পদ্ধতি:
- উপকরণগুলো এই অনুপাতে নিন— মৌরি ১ কাপ (১০০ গ্রাম), তালমিছরি ১ কাপ (১০০ গ্রাম), বিট লবণ ২ টেবিল চামচ (২০ গ্রাম), সবুজ এলাচ প্রায় ১০-১২টা (১০ গ্রাম) এবং কালো গোলমরিচ ১ টেবিল চামচ (১০ গ্রাম)।
- মৌরি, এলাচ ও কালো গোলমরিচ আলাদা আলাদা ভাবে খুব হালকা আঁচে ১-২ মিনিট নাড়ুন (ড্রাই রোস্ট), যেন ভেজাভাব বা কাঁচা গন্ধ চলে যায়। খুব বেশি ভাজবেন না, শুধু গরম হওয়া পর্যন্তই।
- ঠান্ডা হলে মৌরি, তালমিছরি, বিটলবণ, এলাচ ও কালো গোলমরিচ একসাথে গ্রাইন্ডার/মিক্সিতে মিহি পাউডার করে নিন।
- এই পাউডার শুকনো কাচের বয়ামে বা এয়ারটাইট কনটেইনারে সংরক্ষণ করুন। এটা সরাসরি রোদে রাখবেন না ও ভেজা কিছু দিয়ে স্পর্শ করবেন না।
অস্থির গরমের সময় ১ গ্লাস (২০০-২৫০ ml) ঠান্ডা জলে ১-২ চা চামচ (প্রায় ৫–৭ গ্রাম) এই পাউডার মিশিয়ে সৌঁফ কা শরবত তৈরি করুন। চাইলে একটু লেবুর রসও দিতে পারেন।
এই উত্তম পানীয়টি পান করলে আপনার প্রশান্তিও হবে, স্বাস্থ্যের উপকারও হবে।
আয়ুর্বেদে মৌরি, মিছরি, বিটলবণ, এলাচ এবং কালো গোলমরিচ —এই উপকরণগুলোর বিস্তারিত গুণাগুণ বর্ণিত আছে।
- মৌরি: শীতল, রুচি বৃদ্ধি করে, হজম বাড়ায়।
- মিছরি: মিষ্টি, ঠান্ডা, কাশি ও গলা ব্যথায় উপকারী, পিত্তনাশক।
- বিটলবণ: জঠরাগ্নি (হজমের আগুন) বাড়ায়।
- এলাচ: মুখের গন্ধ দূর করে, হৃদয় প্রশান্ত করে।
- কালো গোলমরিচ: হালকা ঝাঁঝালো, হজমে সহায়ক।
এরপর, আয়ুর্বেদে "দীপনীয়" (পাচনশক্তি বাড়ানো), "পাচনীয়" (হজম সহায়ক) এবং "ত্রিশ্ণা নাশক" (তৃষ্ণা বা ডিহাইড্রেশন কমানো) ওষুধের বর্ণনায় মৌরির উল্লেখ রয়েছে।
Captain Green
1 997
আজকাল আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করলে প্রায় অর্ধেকের বেশি মানুষের রিপোর্টে একটি কমন টার্ম দেখা যায়— Grade-1 Fatty Liver। এখন প্রশ্ন হলো এটি কি ‘স্বাভাবিক’ কোনো রিপোর্ট, নাকি বড় বিপদের প্রথম সংকেত?
লিভার হলো শরীরের প্রধান মেটাবলিক হাব। কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, হরমোন এবং ইনসুলিন-এর সমন্বয় ঘটে। আপনার লিভারে চর্বি জমা মানে হলো আপনার শরীরের প্রধান ইঞ্জিনটি জট পাকিয়ে যাচ্ছে। বর্তমান মেডিকেল টার্মে একে বলা হয় MASLD (Metabolic Associated Steatotic Liver Disease)—যা সরাসরি মেটাবলিক ডিসফাংশন-এর সাথে যুক্ত।
আপনার রক্তের সুগার, SGPT বা SGOT হয়তো এখনো রিপোর্টে “নরমাল” লেখা আছে। কিন্তু লিভাররের চর্বি তখনই আপনাকে জানিয়ে দিচ্ছে— ভেতরে ভেতরে আপনার মেটাবলিজম আর আগের মতো কাজ করছে না। যখন লিভারে চর্বি জমে, তখন শরীর ধীরে ধীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স-এর দিকে চলে যায়।
এর ফলে কী হয়?
আপনি যা খান, শরীর তা শক্তি হিসেবে ব্যবহার না করে চর্বি হিসেবে জমাতে শুরু করে। ওজন কমানো কঠিন হয়ে পড়ে, বিশেষ করে পেটের ভিসেরাল ফ্যাট। সারাক্ষণ ক্লান্তি লাগে, দুপুরের পর শরীর আর চলতে চায় না। ডায়েট “ফলো” করলেও ফল আসে না—কারণ সমস্যাটা ক্যালরির না, সমস্যাটা মেটাবলিক।
ফ্যাটি লিভারের কিছু লক্ষণ আছে, যেগুলো অনেক সময় রিপোর্টের আগেই শরীর দেখাতে শুরু করে—
পেটের ডান দিকের উপরের অংশে ভারী ভাব বা অস্বস্তি। বিকেলের দিকে তীব্র ক্লান্তি। ঘাড়ের পেছনে বা বগলে কালচে দাগ (Acanthosis nigricans)—এটি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স-এর একটি ক্লিনিক্যাল মার্কার। মিষ্টি বা রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেটের প্রতি অস্বাভাবিক ক্র্যাভিং।
অনেক সময় শুধুমাত্র আল্ট্রাসাউন্ড নয়— HbA1c, triglyceride, fasting insulin বা HOMA-IR দেখলেই বোঝা যায় সমস্যার গভীরতা কোথায়।
অনেকেই মনে করেন, “আমি তো বেশি তেল–চর্বি খাই না, তাহলে ফ্যাটি লিভার কেন?”এটাই সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা।
ফ্যাটি লিভারের প্রধান শত্রু চর্বি নয়— প্রধান শত্রু হলো অতিরিক্ত চিনি, সাদা চাল, ময়দা এবং ফ্রুক্টোজ। বিশেষ করে কোল্ড ড্রিংকস, জুস, প্রসেসড ফুডের ফ্রুক্টোজ সরাসরি লিভারে গিয়ে চর্বি হিসেবে জমা হয়।
ভালো খবর হলো— ফ্যাটি লিভার একটি পুরোপুরি রিভার্সিবল কন্ডিশন, যদি আপনি শুরুতেই ধরতে পারেন। সঠিক পুষ্টি ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনে লিভারকে আবার সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে আনা সম্ভব।
প্রথম ধাপ হলো— চিনি ও রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট কমানো। ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং লিভারে জমে থাকা চর্বি ব্যবহার করতে সাহায্য করে। ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ স্বাস্থ্যকর ফ্যাট লিভারের ইনফ্ল্যাম্যাশন কমাতে সহায়ক। শাকসবজি ও ফাইবার লিভারের স্বাভাবিক ডিটক্সিফিকেশন পাথওয়েকে সাপোর্ট করে।
দীর্ঘ সময় বসে থাকা—ডায়েট ঠিক থাকলেও—ফ্যাটি লিভার ঠিক হওয়ার পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তাই রেগুলার ফিজিক্যালি এক্টিভ থাকা জরুরি। মাসল এক্টিভ থাকলে লিভারের উপর মেটাবলিক চাপ কমে।নিয়মিত হাঁটার পাশাপাশি সপ্তাহে এটি লিস্ট ৩দিন স্ট্রেংথ ট্রেইনিং করা এক্ষেত্রে খুব ই কার্যকরী।
মনে রাখবেন, লিভার সুস্থ না থাকলে ওজন, হরমোন, সুগার—কোনোটাই নিয়ন্ত্রণে আসে না। আপনার রিপোর্টে যদি ফ্যাটি লিভার লেখা থাকে— একে অবহেলা নয়, গুরুত্ব দিন। তাই আজই আপনার মেটাবলিক হেলথের দিকে মনোযোগ দিন।
📞আপনার হেলথ কন্ডিশন অনুযায়ী পার্সোনালাইজড ডায়েট প্ল্যান পেতে অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্টের জন্য পেজে ইনবক্স করুন।
Tanzima Mukti
Clinical Nutritionist
KGN Medicare Limited
#FattyLiver #Grade1FattyLiver #MetabolicHealth #InsulinResistance #MASLD #LiverHealth #BellyFat #NutritionistBangladesh #SubclinicalMetabolicIssues
1 997
এই আর্টিকেলে এমন ১১টি অভ্যাসের কথা বলা হয়েছে, এগুলো যদি আপনার মধ্যে থাকে, তাহলে প্রমাণিত হয় যে- আপনি একজন গড়পড়তা মানুষের চেয়ে বেশি সফল।
•
১. আপনি নিজের আসল সত্তাকে প্রকাশ করেন:
অধিকাংশ মানুষ অন্যদের খুশি করতে বা সমাজে খাপ খাইয়ে নিতে নিজের আসল রূপ লুকিয়ে রাখে। আপনি যদি নিজের দুর্বলতা এবং শক্তি উভয়কেই মেনে নিয়ে লোকদেখানো আচরণ বাদ দিয়ে নিজের মতো চলতে পারেন, তবে আপনি সফল।
২. আপনি নিজের ভুল থেকে শিক্ষা নেন:
সফল মানুষ মানেই যে সে কখনো ভুল করে না তা নয়। বরং তারা ভুল করলে ভেঙে না পড়ে তা থেকে শিক্ষা নিয়ে ঘুরে দাঁড়াতে পারে। নিজের ভুল স্বীকার করার মানসিকতা একটি বড় অর্জন।
৩. আপনার গভীর ও অর্থপূর্ণ সম্পর্ক আছে:
আপনার অনেক বন্ধু থাকার চেয়ে এমন অল্প কিছু মানুষ থাকা বেশি জরুরি যাদের সাথে আপনি নিরাপদ বোধ করেন এবং যারা আপনাকে বিচার না করেই ভালোবাসে। এমন সম্পর্ক থাকা মানসিক সমৃদ্ধির লক্ষণ।
৪. আপনি একাকীত্ব উপভোগ করতে পারেন:
একা থাকা মানেই নিঃসঙ্গ হওয়া নয়। আপনি যদি নিজের সঙ্গ উপভোগ করতে পারেন এবং অকারণে বাইরের বিনোদনের ওপর নির্ভরশীল না হন, তবে বুঝবেন আপনি মানসিকভাবে অনেক শক্তিশালী।
৫. সাফল্যের নিজস্ব সংজ্ঞা তৈরি করেছেন:
সমাজ বা পরিবার সাফল্যের যে মাপকাঠি (টাকা, গাড়ি, পদবি) ঠিক করে দিয়েছে, আপনি তা অন্ধভাবে অনুসরণ না করে নিজের জীবনের লক্ষ্য নিজে ঠিক করেছেন। আপনি জানেন আপনার কাছে শান্তির মানে কী।
৬. আপনি 'না' বলতে শিখেছেন:
অনিচ্ছা সত্ত্বেও কাউকে খুশি করতে 'হ্যাঁ' বলা বন্ধ করা একটি বড় সাফল্য। নিজের সীমানা নির্ধারণ করতে পারা এবং নিজের সময়কে গুরুত্ব দেওয়া অত্যন্ত জরুরি।
৭. আপনি বর্তমান মুহূর্তে বাঁচেন:
অতীতের আফসোস বা ভবিষ্যতের দুশ্চিন্তায় ডুবে না থেকে বর্তমান মুহূর্তকে উপভোগ করতে পারা একটি বিরল গুণ। আপনি যদি আজকের দিনটি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে পারেন, তবে আপনি সফল।
৮. আপনি অন্যদের সাফল্যে আনন্দিত হন:
হিংসা না করে অন্যের উন্নতিতে খুশি হতে পারা বড় মনের পরিচয়। এটি প্রমাণ করে যে আপনি নিজের অবস্থানে আত্মবিশ্বাসী।
৯. আপনি নিজের স্বাস্থ্যের যত্ন নেন:
সফলতা কেবল টাকা উপার্জনে নয়, নিজের শরীর ও মনের যত্ন নেওয়াও এর অংশ। আপনি যদি নিয়মিত শরীরচর্চা ও পুষ্টিকর খাবার খেয়ে নিজেকে সুস্থ রাখেন, তবে আপনি সঠিক পথে আছেন।
১০. আপনি সাহায্য চাইতে দ্বিধা করেন না:
সবকিছু একা করার চেষ্টা না করে প্রয়োজনে অন্যের সাহায্য চাওয়া দুর্বলতা নয়, বরং বুদ্ধিমত্তার পরিচয়। এটি আপনার বিনয় ও শেখার মানসিকতাকে প্রকাশ করে।
১১. আপনি ছোট ছোট বিষয়ে কৃতজ্ঞ থাকেন:
প্রতিদিনের সাধারণ আনন্দগুলোর (যেমন: এক কাপ চা বা সুন্দর একটি সকাল) জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা জীবনের প্রতি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গির বহিঃপ্রকাশ।
•
আসল সাফল্য কেবল ব্যাংক ব্যালেন্স দিয়ে মাপা যায় না। আপনি যদি মানসিকভাবে শান্ত থাকেন, নিজের প্রতি সৎ থাকেন এবং প্রিয়জনদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখেন, তবে আপনি অনেকের চেয়ে অনেক বেশি সফল।
___
1 997
আলী বিন আবী ত্বালিব, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ ও আবূ হুরায়রা (রাযিয়াল্লাহু আনহুম) থেকে বর্ণিত। তাঁরা বলেছেন, ‘রাসূল (ﷺ) হিল্লাকারী এবং যার জন্য হিল্লা করা হয় উভয়কে অভিসম্পাত বা লানত করেছেন’ (তিরমিযী, হা/১১১৯, ১১২০; আবূ দাঊদ, হা/২০৭৬; ইরওয়াউল গালীল, ৬ষ্ঠ খণ্ড, পৃ. ৩০৮-৩০৯)।
রাসূলুল্লাহ (ﷺ) অভিসম্পাত বা লা‘নত করেছেন সে সব নারীদের, যারা উল্কি আঁকায় এবং উল্কি আঁকার জন্য নির্দেশ দেয়। আর যে নারী নিজের চুলের সাথে অন্যের চুল মিলায় এবং যে নারী এরূপ করার আদেশ করে। আর যে সূদ খায় এবং সূদ খাওয়ায়, আর যে হিল্লা করে এবং যার জন্য হিল্লা করা হয় (নাসাঈ, হা/৩৪১৬, ৩৪২০; মুসনাদ আহমাদ, হা/১৩৬৪, ৪২৮৩, ৪২৮৪, ৪৪০৩, সনদ ছহীহ; ইরওয়াউল গালীল, হা/১৮৯৭)।
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, আমি কি তোমাদের ভাড়াটে পাঁঠা সম্পর্কে অবহিত করব না? তাঁরা বললেন, হ্যাঁ, হে আল্লাহর রাসূল (ﷺ)! তিনি বলেন, সে হল হিল্লাকারী। আল্লাহ হিল্লাকারী এবং যার জন্য হিল্লা করা হয় তাদের উভয়কে অভিসম্পাত বা লা‘নত করেছেন (ইবনু মাজাহ, হা/১৯৩৬; মুসতাদরাক হাকিম, হা/২৮৪৩-২৮৪৪, সনদ হাসান; ছহীহুল জামি‘, হা/২৫৯৬)। অন্য হাদীছে এসেছে, রাসূল (ﷺ)-এর যুগে এটাকে যিনা হিসাবে গণ্য করা হত (মুসতাদরাক হাকিম, হা/২৮৪৫; উমদাতুত তাফসীর, ১ম খণ্ড, পৃ. ২৮৩; ইরওয়াউল গালীল, হা/১৮৯৮)। ওমর (রাযিয়াল্লাহু আনহু) হিল্লা সম্পর্কে বলেন, ‘আমার নিকট হিল্লাকারী এবং যার জন্য হিল্লা করা হয় তাদের পেশ করা হলে, আমি তাদেরকে ‘রজম’ বা প্রস্তরাঘাত করব’ (মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক, হা/৩৬১৯১; বায়হাক্বী, আস-সুনান আল-কুবরা, হা/১৪১৯১; ইগাসাতুল লাহফান লি ইবনুল ক্বাইয়্যিম, ১ম খণ্ড, পৃ. ৪১১, সনদ ছহীহ)।
তবে হ্যাঁ, ত্বালাক প্রাপ্তা নারীর ইদ্দাত শেষ হওয়ার পর কোন পুরুষ যদি তাকে স্বেচ্ছায় বিয়ে করে, ত্বালাক দেওয়ার পরিকল্পনা বা বৈধ করার উদ্দেশ্য ছাড়াই সহবাস করে এবং পরবর্তীতে যদি দ্বিতীয় স্বামী কোন কারণে তাকে স্বেচ্ছায় ত্বালাক দেয় বা মারা যায়, সেক্ষেত্রে প্রথম স্বামী তাকে আবার বিয়ে করতে পারবে (সূরা আল-বাক্বারাহ : ২৩০)। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-কে এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, যে তার স্ত্রীকে তিন ত্বালাক দিয়েছে, ফলে সে অন্য পুরুষকে বিয়ে করে তার সাথে নির্জনবাস করে, অতঃপর সহবাস ব্যতীতই স্বামী তাকে ত্বালাক দেয়, সে কি পূর্বের স্বামীর জন্য হালাল হবে? নবী (ﷺ) বললেন, ‘প্রথম স্বামীর জন্য হালাল হবে না, যতক্ষণ না সে অপরের সহবাসের স্বাদ গ্রহণ করে এবং সে তার সহবাসের স্বাদ গ্রহণ করে’ (ছহীহ বুখারী, হা/৫২৬১, ৫২৬৫, ৫৭৯২; ছহীহ মুসলিম, হা/১৪৩৩)
1 997
- রোদে প্রতিদিন ১০–১৫ মিনিট থাকুন। ভিটামিন D ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করবে।
- মানসিক দুশ্চিন্তা ও ঘুমের অভাব কোলাজেন উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। চাপ বা দুশ্চিন্তা কর্টিসল হরমোন বাড়িয়ে দেয়, যা কোলাজেন ভাঙনের গতি বাড়িয়ে দেয়। পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবেও কোলাজেন ক্ষয় হয়। ঘুমের সময় শরীরের কোষ মেরামত হয়, যা কোলাজেন উৎপাদনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
Captain Green
1 997
শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, বরং যৌবন ও স্বাস্থ্য বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য হচ্ছে 'কোলাজেন'!
৩০ বছরের পর যখন শরীর স্বাভাবিকভাবে কম কোলাজেন তৈরি করতে শুরু করে, তখন খাদ্য থেকেই এটি পাওয়া অত্যন্ত জরুরি হয়ে যায়।
কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার ও ভিটামিনসমূহ শরীরে নতুন কোলাজেন তৈরি করে, ফলে ত্বক টানটান, গ্লো করা এবং যৌবনদীপ্ত থাকে।
কোলাজেন হলো দেহের স্ট্রাকচারাল প্রোটিন। এটা ত্বক, হাড়, পেশি, চুল, নখ, চোখ, রক্তনালী, জয়েন্ট এ সবকিছুর জন্য কাঠামো তৈরি করে।
সোজা কথায়, এটা দেহের প্রাকৃতিক আঠা, যা সবকিছুকে শক্তভাবে একসাথে ধরে রাখে।
শরীরের মোট প্রোটিনের প্রায় ৩০ শতাংশই কোলাজেন দ্বারা গঠিত!
শরীরে ২৮ প্রকারেরও বেশি কোলাজেন রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৮০-৯০ শতাংশই হলো টাইপ-১, ২, ৩, ৫ এবং ১০ কোলাজেন।
শরীর নিজেই প্রাকৃতিকভাবে কোলাজেন তৈরি করে।
তবে ২০-৩০ বছর বয়সের পর থেকে দেহে কোলাজেন উৎপাদন কমতে শুরু করে।
বিশেষ করে, নারীদের ক্ষেত্রে মেনোপজ পরবর্তী সময় ও হরমোন পরিবর্তনের কারণে কোলাজেন পতন ত্বরান্বিত হয়।
এই প্রক্রিয়াকে আরো বেশি তরান্বিত করে ফ্রি র্যাডিক্যালের প্রভাব, সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মি, ধূমপান, মদ্যপান, চিনি, রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট, রিফাইন্ড ফুড, জাংকফুড ইত্যাদি!
এর ফলাফল হিসাবে দেখা দেয়–
- ত্বকের বলিরেখা, শুষ্কতা, ঝুলে পড়া, ফাইন লাইন
- ঠোঁট, চুল পাতলা হয়ে যাওয়া, পড়ে যাওয়া
- হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া (osteoporosis), জয়েন্টে ব্যথা ও শক্ত ভাব
অনেকেই ভাবে, হাড় মানে শুধুই ক্যালসিয়াম। কিন্তু আসলে হাড়ের গঠন অনেকটা স্টিল ও কংক্রিটের মতো।
কোলাজেন হলো স্টিলের মতো, এটি হাড়ের ভেতরে ফাইবার নেটওয়ার্ক তৈরি করে, যা হাড়কে নমনীয়তা ও কিছুটা ইলাস্টিসিটি দেয়।
আর,
ক্যালসিয়াম ও অন্যান্য মিনারেল হলো কংক্রিটের মতো, এগুলো কোলাজেন ফ্রেমওয়ার্কের ফাঁকা জায়গাগুলো ভরে দেয়, ফলে হাড় শক্ত ও টেকসই হয়।
যদি কোলাজেন না থাকে, তাহলে হাড় ভঙ্গুর হয়ে যাবে, একটু চাপেই ভেঙে যাবে।
আর যদি ক্যালসিয়াম না থাকে, তাহলে হাড় নরম ও বাঁকানো হয়ে যাবে।
হাড়ে কোলাজেন ও ক্যালসিয়াম দুটিই সমান জরুরি।
এ কারণেই হাড়ের জন্য শুধু ক্যালসিয়াম খেলেই হবে না; প্রোটিন, ভিটামিন C, ভিটামিন D এবং কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবারও লাগবে।
বয়সের সঙ্গে কোলাজেন কমে যাওয়া স্বাভাবিক, তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপন করলে এই প্রক্রিয়া ধীর করা সম্ভব।
যেমন- পর্যাপ্ত প্রোটিন ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টযুক্ত খাবার গ্রহণ, পর্যাপ্ত পানি পান, ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলা, নিয়মিত ব্যায়াম।
ভিটামিন সি কোলাজেন সংশ্লেষণের একটি অপরিহার্য কো-ফ্যাক্টর।
কোলাজেন উৎপাদন অপ্টিমাইজ করতে ভিটামিন সি সমৃদ্ধ খাবারের সাথে কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত।
কোলাজেন সমৃদ্ধ খাবারের তালিকা–
- হাড়ের ঝোল (Bone Broth)
পশুপাখির হাড়, হাটু-গোড়ালির হাড় (পায়া)
মাছের মাথা, মাছের চামড়া, ছোট মাছ, হাঁস-মুরগির চামড়া ও পা
- অঙ্গপ্রত্যঙ্গ (Organ Meats)
পশুপাখির লিভার (কলিজা), কিডনি, গিলা (হৃদপিণ্ড), মগজ (Brain)
- হোল প্রোটিন
ডিম, মাছ, মাংস, ডাল।
- পশুপাখির চামড়া কোলাজেনের ভাল উৎসগুলোর একটি। গরু ছাগলের চামড়া রান্না করে খাওয়া যায়। হাঁস-মুরগির চামড়াসহ মাংস খাওয়া যায়।
- মাছের মধ্যে কোলাজেন সবচেয়ে বেশি থাকে স্কিন, কাঁটা, মাথায় ও ছোট মাছে।
শুধু কোলাজেন খেলেই হবে না, শরীরে যাতে এটি উত্তমরূপে এবজর্ব হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।
এর জন্য প্রয়োজন–
- ভিটামিন-সি
লেবু, কাচা মরিচ, আমলকী, টমেটো, ক্যাপসিকাম, ব্রোকলি
- তামা, জিংক সমৃদ্ধ খাবার
বাদাম, তিল, যকৃত (লিভার), বীজ, ডাল, ছোলা, ডিম
- সালফার সমৃদ্ধ খাবার
পেঁয়াজ, রসুন, ডিম, বাঁধাকপি, ব্রকলি, ফুলকপি
- অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সমৃদ্ধ খাবার
কালো চাল, লাল চাল, সবুজ শাক, হলুদ, গ্রিন টি, হার্বাল টি
সবচেয়ে উত্তম হলো ব্যালান্সড ডায়েট ফলো করা, যেখানে মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, শাকসবজি, ফলমূল, বীজ এর সমন্বয় থাকে।
কোলাজেন বাড়ানোর জন্য এই খাবারগুলো খেলে যেমন ভালো, তেমনি চিনি, রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেটযুক্ত, রিফাইন্ড ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ এতে কোলাজেন তৈরি হওয়ার হার কমে যায় এবং শরীরে ইনফ্লামেশন হয়।
ভেতর ঠিক না রেখে বাইরে থেকে ক্রিম-লোশন মেখে কোনো লাভ নাই।
- দিনে অন্তত ২–৩ লিটার পানি পান করুন। কোলাজেন হাইড্রেশনের জন্য পানি দরকার। পর্যাপ্ত পানি পান না করলে ত্বকের আর্দ্রতা কমে যায়, ফলে কোলাজেন ভাঙন দ্রুত ঘটে।
- ধূমপান, অতিরিক্ত চিনি, জাঙ্ক ফুড বাদ দিন। এগুলো কোলাজেন ভেঙে দেয়। অস্বাস্থ্যকর খাবার (প্রক্রিয়াজাত খাবার, চিনি, রিফাইন্ড খাবার) কোলাজেন উৎপাদন বাধাগ্রস্ত করে।
1 997
১০ জন রোগীর মধ্যে যদি ৮ রোগী আমার চিকিৎসা নিয়ে ভালো হয় , তাহলে এই ৮ জন রোগীর কাছে আমি অনেক ভালো ডাক্তার কিন্তু বাকি যে ২ জন রোগী ভালো হয়নি তাদের কাছে আমি চরম খারাপ ডাক্তার। এটা শুধু আমার বেলায় না সকল ডাক্তারদের বেলায় প্রযোজ্য।
আমার চিকিৎসার অভিজ্ঞতা ২৩ বছর , এই ২৩ বছরে যেমন অনেক রোগী আমার চিকিৎসায় ভালো হয়েছেন তেমনি অনেক রোগী ভালো হননি ।
★ আমি যে ওষুধ দেই তা ন্যাচারাল মেডিসিন হওয়ার কারণে দ্রুত রেজাল্ট পাওয়া যায় না , ধৈর্য ধরে ওষুধ খেতে হয় । যারা এখন খাবেন এখন ভাল হবেন এই টাইপের রেজাল্ট চান তারা আমার কাছে না আসলে ভালো । চিকিৎসার ক্ষেত্রে যার ধৈর্য্য আছে আমার কাছে তারা দেখা করতে পারেন ।
★ সকল রোগ ওষুধে ভালো হয় না (যেমন কিছু সাইকোসেক্সুয়াল ডিস্ফাংশন ) এক্ষেত্রে কাউন্সিলিং , মনো চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে। তখন সময় আরো বেশি লাগে ।
★আমার সাথে সাক্ষাতের আগে অবশ্যই একটা কাগজে ভালো করে আপনার সকল সমস্যা লিখে নিয়ে আসতে হবে , পূর্বের কোন চিকিৎসার কাগজপত্র থাকলে তাও সাথে করে নিয়ে আসতে হবে ।
★ কিছু কিছু রোগের চিকিৎসা আমি করিনা , যেমন- দাত এর চিকিৎসা করিনা , পিত্তথলির পাথরের চিকিৎসা করিনা , মোটা হওয়ার কোন ওষুধ দেইনা , টাক মাথায় চুল গজানোর জন্য কোনো ওষুধ দেই না । এরকম আরো অনেকগুলো সমস্যা আছে । কি কি রোগের চিকিৎসা করা হয় তা দেখার জন্য কমেন্টে দেওয়া আমার ওয়েবসাইটের লিংক ক্লিক করুন।
★ চেম্বারে সরাসরি রোগী দেখি , অনলাইনেও রোগী দেখি (ভিজিট প্রযোজ্য )
1 997
বিবাহিতদের যৌন শিক্ষা
(১৮+ একটি সেক্স এডুকেশন বিষয়ক লেখা )
.
যৌনভাব প্রকাশের চমৎকার অংশ হলাে শৃঙ্গার এবং কখন কি করতে হবে তার কোনাে নির্দিষ্ট ছক নেই । সুতরাং সঙ্গমে প্রস্তুত হয়েছে কিনা দম্পতিরা নিজেরাই তা বুঝে নেবে । গড়পড়তা মানের একজন নারী তার সাড়া দেয়ার চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছায় প্রায় বিশ মিনিট শৃঙ্গারের পর ।
.
কোনাে কোনাে অভিজ্ঞ স্ত্রীর ক্ষেত্রে মাত্র দশ থেকে পনের মিনিট বা সামান্য বেশি সময় প্রযােজন হয় , আর যৌন সমস্যায় আক্রান্ত মহিলার প্রয়ােজন হয় চল্লিশ থেকে পঞ্চাশ মিনিট । তাৎক্ষণিকভাবে কোনাে প্রতিক্রিয়া না দেখালে কোনাে স্বামীর ভাবা উচিৎ নয় যে তার স্ত্রী অস্বাভাবিক অথবা শীতল । কারণ একজন মহিলা সাড়া দেয় পুরুষের চাইতে দেরীতে , সুতরাং তাকে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে কারণ সেও যৌন অভিজ্ঞতার স্বাদ নিতে সক্ষম ।
.
মহিলারা সাধারণত অভিযােগ করে যে তাদের স্বামীরা তাদের প্রস্তুত করতে পৰ্মাপ্ত সময় দেয়না । কেউ কেউ তাে বলেন যে তারা প্রস্তুতই হন না । যে সব স্ত্রীকে জোর করে পর্যাপ্ত প্রস্তুতির সময় না দিয়ে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করা হয় , তাদের মনে হয় স্বামীর ইচ্ছে পূরণের জন্য তাদের দেহ ব্যবহার করা হয়েছে । তার প্রয়ােজনের প্রতি কোনাে খেয়ালই করা হয়নি । অথচ, সারাদিনে সামান্য রােমান্টিক কোমলতা , রাতে সামান্য একটু বেশি সময় দিলে পুরাে ধারণাই বদলে যেতে পারে ।
.
যে স্বামীর দ্রুত স্খলন হয়ে যায় এবং যিনি কোনাে শৃংগার করেন না , সে পুরুষকে স্বী ভাবে অশিক্ষিত কুৎসিত বলে । অথচ এ স্বামীটিই হয়তাে নিজেকে দারুণ খেলােয়াড় বলে মনে করে এবং স্ত্রীর চূড়ান্ত তৃপ্তিকে স্ত্রী যতটা বলে তার চাইতে অনেক বেশি বাড়িয়ে বলে । সত্য হলাে এসব দ্রুত প্রেমিকরা কখনাে প্রত্যাশিতদের তালিকায় পড়ে না ।
.
পুরুষও শৃংগার থেকে লাভবান হতে পারে । স্ত্রী সাড়া দেয়ায় , আনন্দিত হওয়ায় নিজের জন্যও পাবে প্রচুর আনন্দ । আদর , উত্তেজক চিন্তায় অথবা দর্শনে তার যৌনাঙ্গের উত্তেজনার পর , সে উত্তজনার দ্বিতীয় পর্যায়ে পৌঁছাবে যার স্থায়িত্ব বিশ মিনিটেরও বেশি হতে পারে ।
.
শৃংগারে দম্পতিদের দুজনেরই ভালােবাসার নাটক করা উচিৎ যা তারা দুজনে পছন্দ করে । সাধারণত স্বামী ভালােবাসার নানারকম নানা কলা দিয়ে শুরু করতে চায় , তবে অনিচ্ছুক পার্টনারের উপর তা জোর করে চাপিয়ে দেয়া ঠিক নয় । এখানে দুজনের আনন্দ পাওয়া হলাে মূল চাবিকাঠি , এবং দুজনের পছন্দ হলেই তবে নানা রকম কলা নিয়ে পরীক্ষা নিরীক্ষা হতে পারে ।
.
যৌন বিষয়ক পন্ডিত হারবার্ট মাইল , সন্দেহপ্রবণ দম্পতিদের জন্য নিজের উপদেশগুলাে দিয়েছেন , ' সমাজে এবং কমিউনিটিতে পারস্পরিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বিনয় হলাে গুণের রাণী , কিন্তু বেডরুমের একান্ত গােপনীয়তায় , বন্ধ দরজার আড়ালে এবং সত্যিকার বৈবাহিক ভালােবাসায় বিনয় বলে কিছু নেই । স্বামী স্ত্রী দুজনে ভালােবাসায় , যৌনতায় যেমন খুশি মজা পায় তেমন করতে পারে । "
.
তবে একটি বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে । যৌন অভিজ্ঞতাগুলাে এমন যেন হয় যাতে স্বামী স্ত্রী দুজনেই মজা পায় । কেউ কখনাে অন্যজন যা চায়না তা জোর করে চাপিয়ে দেবেন না । ভালােবাসায় জোরের কিছু নেই ' ।
.
.
.
ডাঃ মোঃ ফাইজুল হক
Gov. Registered Ayurvedic , Unani and Homoeopathic Physician , Ayurved Tirtha
Hijama/ Cupping Therapist
Advanced Trained on Cognitive-Behavior Therapy for Depression (DU)
Trained on Therapeutic Counselling
(Department of Clinical Psychology, University of Dhaka)
.
.
আমার ২টি চেম্বার:
1️⃣ ধামরাই ইসলামপুর চেম্বার:
এ-৩৮/১ , ইসলামপুর, ধামরাই, ঢাকা
( নবীনগর স্মৃতিসৌধের পাশে, ধামরাই ইসলামপুর সরকারি হাসপাতাল ও গোডাউন মোড়ের মাঝে আমবাগান মসজিদের গলি )
সোম,মঙ্গল,বুধ,বৃহস্পতি,শুক্র সকাল ১০ টা থেকে রাত ৯ টা
2️⃣ সাভার চেম্বার:
সি - ৯৮ (২য় তলা ), ফ্ল্যাট # ডি,মজিদপুর রোড, সাভার ,ঢাকা
( অন্ধ মার্কেটের দক্ষিণ পাশে, স্বপ্ন সুপারশপ এর সাথে,মজিদপুর রোড, আল বারাকা সুপার মার্কেটের অপজিটে)
শনি ও রবি সকাল ১০ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা
বিঃ দ্রঃ সাক্ষাতের আগে অবশ্যই ফোন দিয়ে সময় নিয়ে আসতে হবে ।
.
🔴 সতর্কতা: কিছু প্রতারক আমার ছবি-ভিডিও ব্যবহার করে প্রতারণা করছে!
✅ আমাদের মোবাইল নাম্বার:
01972859950,
01712859950
এই নাম্বার ছাড়া আমাদের কোন নাম্বার নাই। সতর্ক থাকবেন, সাবধান থাকবেন।
🟩 আমার কাছে চিকিৎসা নেওয়ার আগে নিচের বিষয়গুলো পড়ুন:
★ আমি কোন গ্যারান্টি দিয়ে চিকিৎসা করিনা।
★ আমার কাছে সব রোগী ভালো হয় না , পৃথিবীতে এমন কোন ডাক্তার নাই যার কাছে সকল রোগী ভালো হয় ।
1 997
শ্বাস-প্রশ্বাস যত দ্রুত হবে, যৌন মিলনের স্থায়িত্ব তত কম হবে; শ্বাস-প্রশ্বাস যত শান্ত ও ধীর হবে, এটি তত দীর্ঘস্থায়ী হবে। আর যৌন মিলন যত দীর্ঘস্থায়ী হবে, যৌনতাকে সমাধির দ্বার বা অতিচেতনার (superconsciousness) একটি মাধ্যম হিসেবে গড়ে তোলার সম্ভাবনা তত বাড়বে। আমি আগেই বলেছি, যৌন- সমাধিতেই মানুষের মধ্যে অহংহীনতা এবং কালহীনতার বোধ জাগ্রত হয়। শ্বাস-প্রশ্বাস অত্যন্ত ধীর হওয়া উচিত। শ্বাসের ধীরগতি উপলব্ধির গভীর থেকে গভীরতর দিগন্ত উন্মোচন করবে।
যৌন মিলনের সময় মনে রাখার মতো আরেকটি বিষয় হলো আপনার সচেতনতা বা মনোযোগ দুই চোখের মাঝখানে, আজ্ঞা চক্রে (agnichakra) নিবদ্ধ থাকা উচিত। যদি সেখানে মনোযোগ স্থির থাকে, তবে চূড়ান্ত আনন্দের (climax) স্থায়িত্ব দীর্ঘ করা যায় এমনকি তিন ঘণ্টা পর্যন্ত। আর এই ধরনের যৌন মিলন একজন মানুষকে ব্রহ্মচর্যের মাটিতে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে কেবল এই জীবনের জন্য নয়, পরবর্তী জীবনের জন্যও। একজন নারী লিখেছেন যে বিনোবা (ভাবে) একজন ব্রহ্মচারী, এবং জিজ্ঞাসা করেছেন আমি কি মনে করি তিনি কখনও সমাধির অভিজ্ঞতা পাননি? তিনি আরও লিখেছেন যে যেহেতু আমিও একজন ব্রহ্মচারী এবং অবিবাহিত, তাই হয়তো আমারও সমাধির অভিজ্ঞতা নেই। যদি সেই নারী এখানে উপস্থিত থাকেন তবে আমি তাকে বলতে চাই যে বিনোবা, আমি বা অন্য কেউ যৌনতার প্রকৃত অভিজ্ঞতা ছাড়া ব্রহ্মচর্যের স্তর এবং তাৎপর্য উপলব্ধি করতে পারে না। আমি তাকে আরও বলতে চাই যে এই অভিজ্ঞতা এই জীবনের হতে পারে, অথবা গত জীবনেরও হতে পারে। যে ব্যক্তি এই জীবনে ব্রহ্মচর্য লাভ করেছেন, তা কোনো গভীর যৌন মিলনের অভিজ্ঞতার কারণেই সম্ভব হয়েছে এবং অন্য কিছুর জন্য নয়। এটাই একমাত্র ব্যাখ্যা। যদি কোনো ব্যক্তি গত জীবনে যৌনতার গভীর অভিজ্ঞতা অর্জন করে থাকেন, তবে তিনি এই জীবনে যৌনতা থেকে মুক্ত হয়ে জন্মগ্রহণ করবেন; এমনকি কল্পনায়ও যৌনতা তাকে বিচলিত করবে না। উল্টো, অন্য মানুষেরা যৌনতা নিয়ে কেন এমন আচরণ করে তা দেখে তিনি অবাক হবেন; তিনি বিস্মিত হবেন যে মানুষ যৌনতার জন্য এত পাগল কেন। এমন ব্যক্তিকে এমনকি পুরুষ এবং নারীর মধ্যে পার্থক্য বোঝার জন্যও পরিশ্রম করতে হবে।
যদি কোনো ব্যক্তি মনে করেন যে তিনি শৈশব থেকেই ব্রহ্মচারী হতে পারবেন, যৌনতার কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই তিনি ব্রহ্মচারী থাকবেন, তবে তিনি স্নায়ুরোগী (neurotic) হয়ে পড়বেন। যারা সবসময় ব্রহ্মচর্যের কথা আওড়ান, ব্রহ্মচর্য পালনের জন্য চিৎকার করেন, তারা মানুষের বিচ্ছিন্নতা বা ভাঙন সৃষ্টি করছেন। এর থেকে ধ্বংস ছাড়া আর কিছুই আসবে না। ব্রহ্মচর্য চাপিয়ে দেওয়া যায় না; ব্রহ্মচর্য কেবল অভ্যন্তরীণ অভিজ্ঞতার নির্যাস হিসেবে বিকশিত হয়। ব্রহ্মচর্য হলো এক শান্ত ও গভীর অভিজ্ঞতার ফল আর সেই অভিজ্ঞতা হলো যৌনতার। যদি যৌনতার সময় কেউ একবারও পূর্ণ সত্যের সন্ধান পায়, তবে সে জীবনের অনন্ত যাত্রার জন্য যৌনতা থেকে মুক্তি পায়...........
বই: From Sex to Superconsciousness
মূল: ওশো রজনীশ
অনুবাদ: আধ্যাত্মিক জগতের বাণী
বইটির বাংলা অনুবাদ পিডিএফ কিনতে মেসেজ করুন আমাদের পেজে👉 আধ্যাত্মিক জগতের বানী পিডিএফ লাইব্রেরী
#osho #motivation #দর্শন #selfimprovement
متاح الآن! بحث تيليغرام 2025 — أهم رؤى العام 
