Sadiqur Rahman Khan
الذهاب إلى القناة على Telegram
📈 نظرة تحليلية على قناة تيليجرام Sadiqur Rahman Khan
تُعد قناة Sadiqur Rahman Khan (@srkhan636) في القطاع اللغوي البنغالي لاعباً نشطاً. يضم المجتمع حالياً 10 264 مشتركاً، محتلاً المرتبة 4 839 في فئة السياسة والمرتبة 1 815 في منطقة بنغلاديش.
📊 مؤشرات الجمهور والحراك
منذ تأسيسه في невідомо، حقق المشروع نمواً سريعاً وجمع 10 264 مشتركاً.
بحسب آخر البيانات بتاريخ 06 أغسطس, 2025، تحافظ القناة على نشاط مستقر. خلال آخر 30 يوماً تغيّر عدد الأعضاء بمقدار -117، وفي آخر 24 ساعة بمقدار 0، مع بقاء الوصول العام مرتفعاً.
- حالة التحقق: غير موثّقة
- معدل التفاعل (ER): يبلغ متوسط تفاعل الجمهور 0%. وخلال أول 24 ساعة من النشر يحصد المحتوى عادةً N/A% من ردود الفعل نسبةً إلى إجمالي المشتركين.
- وصول المنشورات: يحصل كل منشور على متوسط 0 مشاهدة. وخلال اليوم الأول يجمع عادةً 0 مشاهدة.
- التفاعلات والاستجابة: يتفاعل الجمهور بانتظام؛ متوسط التفاعلات لكل منشور يبلغ 0.
📝 الوصف وسياسة المحتوى
يصف المؤلف القناة بأنها مساحة للتعبير عن الآراء الذاتية:
“ঝড়কে আমি করবো মিতে,ডরবো না তার ভ্রুকুটিতে............”
بفضل وتيرة التحديث المرتفعة (أحدث البيانات بتاريخ 07 أغسطس, 2025) تحافظ القناة على حداثتها ومستوى وصول مرتفع. وتُظهر التحليلات تفاعلاً نشطاً من الجمهور، ما يجعلها نقطة تأثير مهمة ضمن فئة السياسة.
10 264
المشتركون
لا توجد بيانات24 ساعات
-297 أيام
-11730 أيام
أرشيف المشاركات
10 264
হাসিনা যেমন ছোটলোক ছিলো, খুঁজে খুঁজে পুরস্কার দিতোও অমন ছোটলোকদের।
অথচ আজ ইউনূস সরকার কাদেরকে একুশে পদক দিয়েছে, দেখেছেন?
আমার দেশ সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, অভ্র কী বোর্ডের জনক মেহেদি হাসান খান, ফটো জার্নালিস্ট শহিদুল আলম।
হাসিনার আমলে মাহমুদুর রহমান নির্বাসিত ছিলেন, মেহেদি হাসান ছিলেন উপেক্ষিত। আর শহীদুল আলম ছিলেন নির্যাতিত। সড়ক আন্দোলনের সময় শহিদুল আলমকে গ্রেফতার করে রক্তাক্ত করা হয়েছিলো।
অযোগ্য মানুষ ক্ষমতায় থাকলে যোগ্য মানুষেরা পালাইয়া বেড়ায়।
আজ সেই সব নির্বাসিত আর নিপীড়িত মানুষদের কাজের মূল্যায়ন করা হলো।
যোগ্য লোকজনকে ক্ষমতায় বসালে এভাবেই যোগ্যদের মূল্যায়ন হয়।
৫ আগস্টের আগে দেশের এই সূর্যসন্তানগুলোকে পালাইয়া থাকতে হয়েছে। আর আজ দেশ তাদের বরণ করে নিলো পরম সম্মানে, অসীম আদরে।
এটাই পার্থক্য।
10 264
ধানমন্ডি ৩২ শেষ না, বরং শুরু হোক।
গতকাল হাসিনা ভাষণে আমাদের শহীদদের ছোট করেছে, দেশে আগুন জ্বালানোর ঘোষণা দিয়েছে।
এরপর হাসিনা যদি আবারও কথা বলে, টুঙ্গিপাড়া মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে।
যদি আবারও কথা বলে, ছাত্রলীগ যুবলীগের উপর ক্র্যাকডাউন চালাইতে হবে।
হাসিনাকে চুপ থাকতেই হবে।
ভারতের সাথে সরাসরি কথা বলতে হবে। হাসিনা এখন একজন ক্রিমিনাল, একজন রাষ্ট্রদ্রোহী। সে ভারতে বসে কথা বললে তার দায় শুধু আওয়ামীলীগ না, বরং ভারতকেও নিতে হবে।
আর ভারত যদি তাতেও কর্ণপাত না করে, তাহলে উলফা নেতা আর সেভেন সিস্টার্সের স্বাধীনতাকামী নেতাদের ঢাকায় আশ্রয় দেওয়া হোক।
হাসিনা ভারতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে শান্তিতে কথা বলতে পারলে উলফা নেতারা কেন ঢাকায় বসে শান্তিতে কথা বলতে পারবে না?
10 264
লাইভে আইসা মেঘমল্লার কোন ক্ষমা চাননি।
বরং তিনি আবারও বলেছেন, রেড টেরর করতেই হবে। আপনারা প্রিপারেশন নেন।
রেড টেরর মানে কী? মানে এস আলম গুড়াইয়া দেওয়া। বসুন্ধরা গ্রুপ উড়াইয়া দেওয়া। মানে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো উড়াইয়া দেবে ওরা।
ফলাফলটা কী হবে?
অনেকেই রাগ করেন যে ইউনূস কেন বসুন্ধরা এস আলম বন্ধ করে দিচ্ছে না?
উত্তর হলো, সম্ভব না। ইভেন সিন্ডিকেট ভাঙতেও কমপক্ষে দুই বছর লাগবে। বসুন্ধরা, এস আলম যদি তেল চাল ময়দা আমদানি বন্ধ করে, দুই মাসের মধ্যে দেশে দুর্ভিক্ষ লাইগা যাবে।
কারণ এভাবেই হাসিনা এদের হাতে পুরো দেশের ফুড সিস্টেম তুলে দিয়েছে। আমদানির এলসি খুলতে হয় ছয় মাস আগে। মানে আজ যদি একটা কোম্পানি খুলে আমি তেল আমদানি করতে চাই, সেই তেল আমি পাবো ছয়মাস পর।
এই ছয়মাস আপনাকে কে খাওয়াবে?
এইজন্যই উড়িয়ে দেওয়া, গুড়িয়ে দেওয়ার অর্থই হলো, দেশকে দুর্ভিক্ষে ফেলে পুরো দেশকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া।
প্লাস এসব গ্রুপে লাখ লাখ কাজ করে তাদের সংসার চালায়। এদের চাকরি চলে গেলে এরা কী করে খাবে? লাখ লাখ বেকার যদি রাস্তায় নামে, কোন সরকার টিকতে পারবে?
পারবে না। সুযোগ কে নেবে? ইন্ডিয়া।
এস ঋলম,বসুন্ধরাকে থামানোর ওয়ে তাই দীর্ঘমেয়াদি। প্রথমত এদের দুর্নীতির তদন্ত করে চাপে রাখা। ঐ সময় লোন দিয়ে দিয়ে নতুন কোম্পানীদের ঐ ফিল্ডে নিয়ে চলে আসা। প্রতিযোগিতা বাড়াইয়া দেওয়া।
দুই তিন বছরের মধ্যে অল্টারনেটিভ ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়াইয়া গেলে এখানকার এমপ্লোয়িকে ঐখানে চাকরি দিয়ে এসব গ্রুপ শাটডাউন করা।
এইটাই ওয়ে। তাহলে দুর্ভিক্ষ হবে না। কারো কাজ যাবে না। দেশের টাকা দেশেই থাকবে। অন্য দেশ থেকে এসব এনে খেতে হবে না। একটা চমৎকার ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়াবে। বিদেশি বিনিয়োগ আসবে।
আমি যতদূর জানি, ইউনূস নিজেও সেই চেষ্টাই করছেন।
এই সময় মেঘ মল্লার বলতেছে বসুন্ধরা উড়াইয়া দাও, এস আলম উড়াইয়া দাও। যাতে লাখ লাখ লোক বেকার হয়ে সরকারের পতন ঘটায়, চাল, ডাল, তেলের জন্য ইন্ডিয়ার কাছে হাত পাততে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ ভয় পাইয়া চইলা যাবে। কোথায় যাবে? ভারতে।
ভারত আমাদের বিনিয়োগ নিয়ে বেশি দামে আমাদের কাছে চাল, আটা, তেল বেচবে। সাথে বোনাস হিসেবে দিয়ে দেবে হাসিনাকেও।
সাধারণ মানুষও ভাববে যে হাসিনাই ভালো ছিলো।অন্তত হাসিনার সময় তো দুর্ভিক্ষ হয় নাই।
মেঘমল্লারের এই রেড টেররের সব বেনিফিট পাবে ভারত আর শেখ হাসিনা।
ওর স্ট্যাটাসের চে ওর লাইভটা আরো বেশি ভয়ঙ্কর। এতো প্রকাশ্যে এমন সন্ত্রাসের ঘোষণা আমি আমার জীবনে কোনদিন দেখি নাই।
সরকার যদি এইদিকে নজর না দেয়, আর সত্যি সত্যিই মেঘ মল্লার বসুন্ধরা আর এস আলম উড়াইয়া দেয়, দুর্ভিক্ষ আর হাসিনার প্রত্যাবর্তন থেকে কেউই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।
10 264
লাইভে আইসা মেঘমল্লার কোন ক্ষমা চাননি।
বরং তিনি আবারও বলেছেন, রেড টেরর করতেই হবে। আপনারা প্রিপারেশন নেন।
রেড টেরর মানে কী? মানে এস আলম গুড়াইয়া দেওয়া। বসুন্ধরা গ্রুপ উড়াইয়া দেওয়া। মানে, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো উড়াইয়া দেবে ওরা।
ফলাফলটা কী হবে?
অনেকেই রাগ করেন যে ইউনূস কেন বসুন্ধরা এস আলম বন্ধ করে দিচ্ছে না?
উত্তর হলো, সম্ভব না। ইভেন সিন্ডিকেট ভাঙতেও কমপক্ষে দুই বছর লাগবে। বসুন্ধরা, এস আলম যদি তেল চাল ময়দা আমদানি বন্ধ করে, দুই মাসের মধ্যে দেশে দুর্ভিক্ষ লাইগা যাবে।
কারণ এভাবেই হাসিনা এদের হাতে পুরো দেশের ফুড সিস্টেম তুলে দিয়েছে। আমদানির এলসি খুলতে হয় ছয় মাস আগে। মানে আজ যদি একটা কোম্পানি খুলে আমি তেল আমদানি করতে চাই, সেই তেল আমি পাবো ছয়মাস পর।
এই ছয়মাস আপনাকে কে খাওয়াবে?
এইজন্যই উড়িয়ে দেওয়া, গুড়িয়ে দেওয়ার অর্থই হলো, দেশকে দুর্ভিক্ষে ফেলে পুরো দেশকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া।
প্লাস এসব গ্রুপে লাখ লাখ কাজ করে তাদের সংসার চালায়। এদের চাকরি চলে গেলে এরা কী করে খাবে? লাখ লাখ বেকার যদি রাস্তায় নামে, কোন সরকার টিকতে পারবে?
পারবে না। সুযোগ কে নেবে? ইন্ডিয়া।
এস ঋলম,বসুন্ধরাকে থামানোর ওয়ে তাই দীর্ঘমেয়াদি। প্রথমত এদের দুর্নীতির তদন্ত করে চাপে রাখা। ঐ সময় লোন দিয়ে দিয়ে নতুন কোম্পানীদের ঐ ফিল্ডে নিয়ে চলে আসা। প্রতিযোগিতা বাড়াইয়া দেওয়া।
দুই তিন বছরের মধ্যে অল্টারনেটিভ ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়াইয়া গেলে এখানকার এমপ্লোয়িকে ঐখানে চাকরি দিয়ে এসব গ্রুপ শাটডাউন করা।
এইটাই ওয়ে। তাহলে দুর্ভিক্ষ হবে না। কারো কাজ যাবে না। দেশের টাকা দেশেই থাকবে। অন্য দেশ থেকে এসব এনে খেতে হবে না। একটা চমৎকার ইন্ডাস্ট্রি দাঁড়াবে। বিদেশি বিনিয়োগ আসবে।
আমি যতদূর জানি, ইউনূস নিজেও সেই চেষ্টাই করছেন।
এই সময় মেঘ মল্লার বলতেছে বসুন্ধরা উড়াইয়া দাও, এস আলম উড়াইয়া দাও। যাতে লাখ লাখ লোক বেকার হয়ে সরকারের পতন ঘটায়, চাল, ডাল, তেলের জন্য ইন্ডিয়ার কাছে হাত পাততে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ ভয় পাইয়া চইলা যাবে। কোথায় যাবে? ভারতে।
ভারত আমাদের বিনিয়োগ নিয়ে বেশি দামে আমাদের কাছে চাল, আটা, তেল বেচবে। সাথে বোনাস হিসেবে দিয়ে দেবে হাসিনাকেও।
সাধারণ মানুষও ভাববে যে হাসিনাই ভালো ছিলো।অন্তত হাসিনার সময় তো দুর্ভিক্ষ হয় নাই।
মেঘমল্লারের এই রেড টেররের সব বেনিফিট পাবে ভারত আর শেখ হাসিনা।
ওর স্ট্যাটাসের চে ওর লাইভটা আরো বেশি ভয়ঙ্কর। এতো প্রকাশ্যে এমন সন্ত্রাসের ঘোষণা আমি আমার জীবনে কোনদিন দেখি নাই।
সরকার যদি এইদিকে নজর না দেয়, আর সত্যি সত্যিই মেঘ মল্লার বসুন্ধরা আর এস আলম উড়াইয়া দেয়, দুর্ভিক্ষ আর হাসিনার প্রত্যাবর্তন থেকে কেউই আমাদের বাঁচাতে পারবে না।
10 264
ডক্টর ইউনূসের সাথে বৈঠকে অংশ না নেওয়াটা বিএনপির ঐতিহাসিক একটা ভুল হইতে যাইতেছে।
৭১ কে ডিজঔন করে জামায়াত যে পাপ করছিলো, ২৪ কে অস্বীকার করে বিএনপিও সেইম ভুলটাই করতে যাইতেছে।
৫ আগস্টের পরেই বিএনপি স্বীকার করেছিলো যে ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বেই এই অভ্যুথান হয়েছে। এটাই ঐতিহাসিক সত্য। ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি কে? আমি ৫ আগস্টের আগ থেকে জানতাম না। আমি চিনতাম নাহিদ, আসিফ, সার্জিস আর হাসনাতদের।
২৪ এর নেতৃত্ব এদের হাতেই ছিলো, এদের হাতেই থাকবে। কারণ জেনারেশন জি দল চেনে না, শিবির চেনে না, নির্বাচন চিনে না। এরা আন্দোলনে গেছে রাগ থেকে। এই রাগকে ড্রাইভ করেছে নাহিদ সার্জিসরাই।
জামায়াত বা বিএনপিকে এই আন্দোলনের কোন কৃতিত্ব নিতে হলে এদের সাথে সমঝোতার মাধ্যমেই নিতে হবে। এই গেমটা বুঝতে পেরেই শিবির সার্জিসকে প্রধান অতিথি করে নিয়ে গিয়ে বলাইছে যে এই আন্দোলনে শিবিরের উজ্জ্বল ভূমিকা ছিলো।
এই সেইম কথাটাই জামায়াতের আমির বা শিবির সভাপতি বললে সবাই হাসাহাসি করতো।
সেইম পরিস্থিতি বিএনপির জন্যও।
সালাহউদ্দিন আহমদ বা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আন্দোলনের সময় কোথায় ছিলো, জেন জি জানে। জানে বলেই, ফখরুল যতই বলুক যে বিএনপির অনেক অবদান আছে, ছাত্রনেতারা না বললে ঐটা বিশ্বাস কেউই করবে না।
এইটাই ইতিহাসের একটা ডার্ক সাইড।
যেমন ধরেন, ৭১। ৭১ এ যুদ্ধ সবাই মিলেই করেছে। আওয়ামীলীগের ম্যাক্সিমাম নেতাই ভারতে ছিলো। বাট যুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়া ৫ জনই ছিলো আওয়ামীলীগের। সো, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সার্টিফিকেট শুধু আওয়ামীলীগই দিতে পারে।
বিএনপিকে তাই বলতে হয়, বঙ্গবন্ধু নিজে জিয়াউর রহমানকে বীর উত্তম খেতাব দিয়েছিলেন। এবং আওয়ামীলীগ যাকে ইচ্ছা মুক্তিযোদ্ধা বানায়, যাকে ইচ্ছা রাজাকার। আপনি হুমায়ূনের জোছনা ও জননীর গল্প পড়ে দেখেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মানেই আওয়ামীলীগের ইতিহাস। অথচ আওয়ামীলীগের চে স্যাক্রিফাইস সাধারণ মানুষ বেশিই করেছিলো।
২৪ এও আন্দোলন মানেই ছাত্রনেতারা। চবিতে রাফি, ঢাবিতে নাহিদ হাসনাত সার্জিস জাবিতে আরিফ সোহেল। এরাই এই আন্দোলনের মুখ। গল্প , উপন্যাস কবিতায় এদের নামই বারবার আসবে, ইতিহাসে আসবে।
এই গল্পের কোথাও বিএনপি থাকবে না যদি এরা একবার অস্বীকার করে যে না, আন্দোলনে বিএনপি ছিলোই না। প্রমাণ হিসেবে মির্জা ফখরুল ২৩ তারিখ থেকে টানা বলে গেছেন, এই আন্দোলনে বিএনপি নাই।
এইগুলাই আজ থেকে ৫ বছর পর বৈষম্য বিরোধীরা মানুষের সামনে নিয়ে যাবে।
আওয়ামীলীগের বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দীন, কামরুজ্জামান, মনসুর আলীদের ছাড়া যদি কেউ মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র রেডি করে, হবে?
হবে না। উল্টো ঐটা হাস্যকর হবে।
কাউকে ক্রেডিট নিতে হলে বরং ঐ লোকজনকে উপরে বসাইয়া তারপর ক্রেডিট নিতে হবে।
২৪ এর ঘোষণাপত্রও তাই। এইখানে যদি সার্জিসের বসে পড়ে কানতে কানতে আমি কোথাও যাবো না, এখানেই বসে থাকবো না থাকে, নাহিদের গুম না থাকে, এক দফার ঘোষণা থাকে, ঐ ঘোষণাপত্র জুলাই এর ঘোষণাপত্র হবেই না।
বরং ছাত্রদের করা এই ঘোষণাপত্র থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়ে বিএনপি এই আন্দোলনের পুরো ক্রেডিট অফিশিয়ালি ছাত্রদের হাতে দিয়ে দিলো। ৭১ যেমন আওয়ামীলীগের আছে, ২৪ তেমন এদের হয়ে গেল।
৭১ এর বিপক্ষ শক্তি হয়ে যে ভুলটা জামায়াত করেছিলো, ২৪ এর বিপক্ষ শিবিরে যোগ দিয়ে সেইম ভুলটাই বিএনপিও করতে যাইতেছে।
এখন এই ভুলের সুবিধা কতটুকু কাজে লাগাতে পারবে, সেইটা অবশ্য ছাত্রদের রাজনৈতিক বুদ্ধির উপরেই পুরোপুরি নির্ভর করবে।
10 264
ডক্টর ইউনূসের সাথে বৈঠকে অংশ না নেওয়াটা বিএনপির ঐতিহাসিক একটা ভুল হইতে যাইতেছে।
৭১ কে ডিজঔন করে জামায়াত যে পাপ করছিলো, ২৪ কে অস্বীকার করে বিএনপিও সেইম ভুলটাই করতে যাইতেছে।
৫ আগস্টের পরেই বিএনপি স্বীকার করেছিলো যে ছাত্রনেতাদের নেতৃত্বেই এই অভ্যুথান হয়েছে। এটাই ঐতিহাসিক সত্য। ঢাবি ছাত্রদলের সভাপতি কে? আমি ৫ আগস্টের আগ থেকে জানতাম না। আমি চিনতাম নাহিদ, আসিফ, সার্জিস আর হাসনাতদের।
২৪ এর নেতৃত্ব এদের হাতেই ছিলো, এদের হাতেই থাকবে। কারণ জেনারেশন জি দল চেনে না, শিবির চেনে না, নির্বাচন চিনে না। এরা আন্দোলনে গেছে রাগ থেকে। এই রাগকে ড্রাইভ করেছে নাহিদ সার্জিসরাই।
জামায়াত বা বিএনপিকে এই আন্দোলনের কোন কৃতিত্ব নিতে হলে এদের সাথে সমঝোতার মাধ্যমেই নিতে হবে। এই গেমটা বুঝতে পেরেই শিবির সার্জিসকে প্রধান অতিথি করে নিয়ে গিয়ে বলাইছে যে এই আন্দোলনে শিবিরের উজ্জ্বল ভূমিকা ছিলো।
এই সেইম কথাটাই জামায়াতের আমির বা শিবির সভাপতি বললে সবাই হাসাহাসি করতো।
সেইম পরিস্থিতি বিএনপির জন্যও।
সালাহউদ্দিন আহমদ বা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আন্দোলনের সময় কোথায় ছিলো, জেন জি জানে। জানে বলেই, ফখরুল যতই বলুক যে বিএনপির অনেক অবদান আছে, ছাত্রনেতারা না বললে ঐটা বিশ্বাস কেউই করবে না।
এইটাই ইতিহাসের একটা ডার্ক সাইড।
যেমন ধরেন, ৭১। ৭১ এ যুদ্ধ সবাই মিলেই করেছে। আওয়ামীলীগের ম্যাক্সিমাম নেতাই ভারতে ছিলো। বাট যুদ্ধের নেতৃত্ব দেওয়া ৫ জনই ছিলো আওয়ামীলীগের। সো, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সার্টিফিকেট শুধু আওয়ামীলীগই দিতে পারে।
বিএনপিকে তাই বলতে হয়, বঙ্গবন্ধু নিজে জিয়াউর রহমানকে বীর উত্তম খেতাব দিয়েছিলেন। এবং আওয়ামীলীগ যাকে ইচ্ছা মুক্তিযোদ্ধা বানায়, যাকে ইচ্ছা রাজাকার। আপনি হুমায়ূনের জোছনা ও জননীর গল্প পড়ে দেখেন। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস মানেই আওয়ামীলীগের ইতিহাস। অথচ আওয়ামীলীগের চে স্যাক্রিফাইস সাধারণ মানুষ বেশিই করেছিলো।
২৪ এও আন্দোলন মানেই ছাত্রনেতারা। চবিতে রাফি, ঢাবিতে নাহিদ হাসনাত সার্জিস জাবিতে আরিফ সোহেল। এরাই এই আন্দোলনের মুখ। গল্প , উপন্যাস কবিতায় এদের নামই বারবার আসবে, ইতিহাসে আসবে।
এই গল্পের কোথাও বিএনপি থাকবে না যদি এরা একবার অস্বীকার করে যে না, আন্দোলনে বিএনপি ছিলোই না। প্রমাণ হিসেবে মির্জা ফখরুল ২৩ তারিখ থেকে টানা বলে গেছেন, এই আন্দোলনে বিএনপি নাই।
এইগুলাই আজ থেকে ৫ বছর পর বৈষম্য বিরোধীরা মানুষের সামনে নিয়ে যাবে।
আওয়ামীলীগের বঙ্গবন্ধু, তাজউদ্দীন, কামরুজ্জামান, মনসুর আলীদের ছাড়া যদি কেউ মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণাপত্র রেডি করে, হবে?
হবে না। উল্টো ঐটা হাস্যকর হবে।
কাউকে ক্রেডিট নিতে হলে বরং ঐ লোকজনকে উপরে বসাইয়া তারপর ক্রেডিট নিতে হবে।
২৪ এর ঘোষণাপত্রও তাই। এইখানে যদি সার্জিসের বসে পড়ে কানতে কানতে আমি কোথাও যাবো না, এখানেই বসে থাকবো না থাকে, নাহিদের গুম না থাকে, এক দফার ঘোষণা থাকে, ঐ ঘোষণাপত্র জুলাই এর ঘোষণাপত্র হবেই না।
বরং ছাত্রদের করা এই ঘোষণাপত্র থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়ে বিএনপি এই আন্দোলনের পুরো ক্রেডিট অফিশিয়ালি ছাত্রদের হাতে দিয়ে দিলো। ৭১ যেমন আওয়ামীলীগের আছে, ২৪ তেমন এদের হয়ে গেল।
৭১ এর বিপক্ষ শক্তি হয়ে যে ভুলটা জামায়াত করেছিলো, ২৪ এর বিপক্ষ শিবিরে যোগ দিয়ে সেইম ভুলটাই বিএনপিও করতে যাইতেছে।
এখন এই ভুলের সুবিধা কতটুকু কাজে লাগাতে পারবে, সেইটা অবশ্য ছাত্রদের রাজনৈতিক বুদ্ধির উপরেই পুরোপুরি নির্ভর করবে।
10 264
ওষুধ, গ্যাস আর পোশাকে ভ্যাট বাড়াইয়া আমার আপনার পকেট থেকে তুলবে ১২ হাজার কোটি টাকা।
কেন? কারণ দেশের উন্নয়ন করতে হবে। আমাকে আপনাকে ইকটু কষ্ট করতে হবে।
আর সেই মাস থেকেই সরকারি আমলারা মহার্ঘ ভাতা পাবেন ৭ হাজার কোটি টাকা।
এইবার বুঝলেন তো?
ঠিক কাদের উন্নয়নকে দেশের উন্নয়ন বলা হয়?
10 264
পিলখানা ম্যাসাকার করার জন্য ভারত থেকে কিলার ভাড়া করে আনা হয়েছিলো।
এক অংশকে খেলোয়াড় সাজিয়ে আর আরেক অংশকে সাজানো হয়েছিলো রোগী। এম্বুলেন্সে করে ঢোকানো হয়েছিলো পিলখানাতে।
এই খবরটা যেদিন পাবলিশ হলো, ঠিক সেদিনই ভারতের সেনাপ্রধান বললেন, নির্বাচিত সরকার এলেই ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক হবে।
ঠিক এভাবেই তো ২০০৯ এ ভারতের সমর্থনে আওয়ামীলীগ এসেছিল।
এবারও বেশ কিছু রাজনৈতিক দল আর ভারতের চাওয়া মিলে গেল। সংস্কার না, জাস্ট ভোট হোক। পরেরটা নিশ্চয়ই ঠিকঠাক হয়েই গেছে?
ভারত বাংলাদেশের সাথে স্বাভাবিক সম্পর্কের কথা বললে আপনাদের কী হয় জানি না, আমার খুব ভয় লাগে।
কারণ, ২০০৯ এও তো সম্পর্ক স্বাভাবিক ছিলো, ২০১৩ তেও ছিলো, ২০১৪ এও ছিলো। ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিক করলেই বাংলাদেশে ম্যাসাকার হয়, গণহত্যা হয়।
তাই ভারত যখন নির্বাচন চায়, সম্পর্ক স্বাভাবিক করতৈ চায়, আমরা যারা বাংলাদেশের পক্ষের মানুষ, আমাদের চিন্তিত হওয়ার যথেষ্ট কারণ আছে বৈকি।
10 264
শাহেদ নামের এক বাচ্চা ছেলে মাথায় গুলি খেয়ে স্মৃতিশক্তি হারিয়ে ফেলেছিলো।
৫ মাসেও জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন ওর হাতে চিকিৎসার টাকা পৌঁছাতে পারেনি।
শাহেদের স্মৃতি ফিরে আসেনি।
আমি চাই, ওর স্মৃতি বরং আর না ফিরে আসুক।
স্মৃতি ফিরে আসলেই ওকে দেখতে হবে, যেই সার্জিস আলমের ডাকে যাইয়া ও গুলি খেয়ে আসছে, সেই সার্জিস আলম এখন অমুক অনুষ্ঠান, তমুক অনুষ্ঠান নিয়ে এতোটাই ব্যস্ত থাকেন যে, গুলি খেয়ে স্মৃতি হারানো বিপ্লবীর কাছে আসার সময় তার হয় নাই।
শাহেদ জেনে যেত, সে তো গুলি খেয়ে স্মৃতি হারাইছে। কিন্তু তার নেতারা গুলি না খেয়েই স্মৃতি হারিয়ে বসে আছে। আহত যোদ্ধাদের স্মৃতির চেয়ে ক্যামেরায় মুখ দেখানো যাদের কাছে এখন বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
এই অশ্লীল, নগ্ন সত্যটা জানার চে বরং শাহেদের মতো জুলাই বিপ্লবটা ভুলে যাওয়াই এখন বেশি স্বস্তির মনে হয়!!
আই উইশ, এখনও চিকিৎসার টাকা না পাওয়া যোদ্ধাদেরও বিস্মৃতির রোগ হোক। তারাও শাহেদের মতো জুলাই আন্দোলন ভুলে যাক।
ওতে আর কিছু না হোক, আহতদের ব্যথা না কমুক, সার্জিসদের প্রতারণার গ্লানিটা তো কিছুটা কমবে!!
10 264
দুইটা খবর খেয়াল করেন।
১। শেখ রেহানা নিজেই ব্যাংক লুটের নেতৃত্ব দিতেন।
২। ময়মনসিংহ কৃষি ইউনিভার্সিটির "সাধারণ শিক্ষার্থীরা" বঙ্গমাতা হলের নাম ফেরত চেয়ে বিক্ষোভ করেছে।
ব্যাংক লুটের টাকা উদ্ধার করতে যদি না পারেন, আর দুদিন পর শেখ হাসিনার নাম বাতিলের প্রতিবাদেও কথিত সাধারণ শিক্ষার্থীরা কাছা খুলে নেমে পড়বে মাঠে।
বাকৃবির ঐ হলের ছাত্রীদের পার হেড কত টাকা করে দিয়েছে ছাত্রলীগ যে এরা এক খুনি পরিবারের নাম পুনর্বহালের দাবিতে বিক্ষোভ করার সাহস পায়?
বাংলাদেশে যে কয়টা ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ আর আওয়ামীলীগের ফ্যাসিবাদকে চাষাবাদ করা হতো, এর মধ্যে অন্যতম হলো ময়মনসিংহের কৃষি ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস।
সমস্যা হলো, ইউনূসের অথর্ব সরকার না পেরেছে আওয়ামীলীগ নেতাদের ব্যাংক লুটের টাকা উদ্ধার করতে, না পেরেছে হলে হলে অবস্থান করা ছাত্রলীগকে যথেষ্ট ভয় দেখাইতে।
ফলাফল হলো, ৫ আগস্টের আগে এরা ফ্যাসিবাদের পক্ষে ছিলো। আর মাত্র ৫ মাসের ব্যবধানে এরা শেখ পরিবারের জন্য রাস্তায় নেমেছে, যে শেখ পরিবার স্বাধীনতার পর থেকে এখন পর্যন্ত স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিটা গণহত্যায় নেতৃত্ব দিয়েছে।
বিক্ষোভের ভিডিও চেক করেন। ঐ হলের ছাত্রীদের একাউন্ট চেক করেন।ঐ সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে কতজনের নাম ছাত্রলীগের কমিটিতে আছে, চেক করেন।
৫ আগস্টের আগে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কতটুকু কী করেছে, আমরা জানি।
বাট ৫ আগস্টের পরেও এরা যখন খুনি শেখ পরিবারের জন্য রাস্তার নেমেছে, এদের এই দুঃসাহসের জবাব না দিতে পারলে সেইটা জুলাই বিপ্লবের শহীদদের প্রতি জঘন্যতম অবিচার হবে।
২০০০ ছেলে মেয়ে প্রাণ দিয়ে একটা দেশ স্বৈরাচারমুক্ত করলো। আর সেই দেশে "৩৬ শে জুলাই" নামের সাইনবোর্ড মুছে ফেলার জন্য বিক্ষোভ করলো ছাত্রী নামধারী এক পাল জানোয়ার। এই জানোয়ারের বিক্ষোভ দেখার জন্য আমার ভাই বোনেরা প্রাণ দিয়েছে?
10 264
বিএনপি নেতা সকালে দাবি করলো, এই অভ্যুথান বিএনপি করেছে। ৯৫% আন্দোলনকারী বিএনপির। এখানে ছাত্রদের কোন অবদান নাই।
আবার ঐ নেতাই বিকেলে বললো, ৭১ বাঘ। ২৪ বিলাই।
মানে কী দাঁড়াল তাহলে?
৯৫% বিএনপির নেতাকর্মী মিলে বিড়াল প্রসব করেছে?
10 264
অথচ বিপ্লবী সরকার হলে আইন কানুন বা সংবিধানের তোয়াক্কা না করে ব্যাংক লুটেরা আর টাকা পাচারকারীদের টাকা নিয়ে কোষাগারে দেওয়া যাইতো।
দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাদের কাস্টডিতে এনে ঘুষের টাকা, জমি উদ্ধার করে কোষাগারে রেখে ঋণ শোধ করা যাইতো।
আওয়ামীলীগের স্থাবর অস্থাবর সব সম্পত্তি বিক্রি করে দিয়ে টাকা সরকারে দিয়ে দেওয়া যাইতো।
কেউই করে নাই কাজটা।
ফলাফল হলো, আওয়ামীলীগের টাকার ভাগ সবাই পাইছৈ। কর্মকর্তাদের টাকার ভাগ সবাই পাইছে। পুলিশ থেকে সচিব সবার থেকেই টাকা খাওয়া গেছে।
আওয়ামীলীগের টাকা সবাই খাইতে পারলেও রাষ্ট্র খাইতে পারে নাই। খাইতে দেওয়া হয় নাই। রাষ্ট্র টাকা খাইতে পারলে তখন অন্যরা খাইতে পারতো না যে!!
এখন, সবার পেট ভরলেও কোষাগার তো ভরে নাই। আইএমএফ টাকা পায়, রাশিয়া পায়, চীন পায়।
টাকা কই থেকে আসবে?
জনগনের পকেট থেকে। রেস্টুরেন্টে ভ্যাট, ইন্টারনেটে ভ্যাট, পোশাকে ভ্যাট, ওষুধে ভ্যাট।
অথচ বিপ্লবী সরকার হলে এই টাকা তোলা যাইতো আওয়ামীলীগের কাছে থেকেই। জনগনের পকেট আর কাটার দরকার পড়তো না।
ঐটা করতে দেওয়া হলো না।
আইন, সংবিধানের কথা বলে রাষ্ট্রকে দূরে রেখে নেতারা ঠিকই ব্যাংক দখল করতে থাকলেন।
নেতাদের পকেট ঠিক থাকলো।
রাষ্ট্র আবারও শুরু করলো জনগণের পকেট কাটা। জনগন, স্রষ্টার এক দুর্বল সৃষ্টি। গরীবের বৌ।সবার ভাবী। জনগণকে ব্যাকাপ কেউই দেয় না। ইভেন, আইনও না।
৫ আগস্টের আগে আর পরে পার্থক্য নিয়ে হাজারটা কথা বলা যাবে।
বাট বিপ্লবী সরকার না করতে পারার দিনই নিশ্চিত হয়ে গেছিলো, ৫ আগস্টের পর যত যাই কিছু পরিবর্তন হোক বা না হোক, জনগণের পকেট আর নেতাদের পকেটে কোন পার্থক্য থাকবে না।
এক পক্ষের পকেট কেটে আরেক পক্ষের পকেট ভরা, এই অভিশাপ আরো কতদিন বয়ে বেড়াতে হবে, কে জানে!!
10 264
মিজানুর রহমান আজহারীর নাম প্রথম বিকৃত করেছিলেন আওয়ামীলীগের মুরাদ।
বলেছিলেন, ঐ আজহারি না আহাজারি, কে যেন আছে?
আজ আবারও আজহারীর নাম বিকৃত করলেন বিএনপি নেতা দুদু।
একই টোন। বললেন, আজহারি না মাজহারি বলেছে....
অথচ তারেক রহমান আর খালেদা জিয়ার দেখা হওয়ার দিন মিজান আজহারী খুব সুন্দর একটা পোস্ট করেছিলেন।
ঐতিহাসিক কাল থেকেই জিয়াউর রহমান আর খালেদা জিয়া আলেম ওলামাদের সম্মান করে চলেছেন। বাংলাদেশের মুসলমান জনগোষ্ঠী বিএনপির একটা বিরাট ভোটব্যাংক।
হুজুরদের যে আওয়ামীলীগ পছন্দ করতো না, নাম বিকৃত করতো, গালিগালাজ করতো, এটার মূল কারণ ছিলো এটাই।
বাট এদের সাপোর্ট আর ভোট পাওয়ার পরেও বিএনপি নেতা দুদু কেন আজহারীর নাম বিকৃত করলেন, কেন আওয়ামীলীগ স্টাইলে কথা বললেন, এই প্রশ্নটা বিএনপির লোকজনের মধ্যে থেকেই আসা উচিত।
মুরাদকে মানুষ কি পরিমান ঘৃণা করেছে এই টাইপের কথার পর, আপনারা ভুলে গেছেন? নাকি ঐ ঘৃণা নিজের উপর টেনে নেওয়ার শখ হইছে?
10 264
বসুন্ধরার মালিকের কেক খেয়ে হলের গরীব ছাত্রলীগ ধরে মারধোরের ফায়দাটা আসলে কী?
ওবায়দুল কাদেরকে পালাতে দেওয়া হইছে। গুলি করা ওসি জেলখানা থেকে পালাইতেছে। আওয়ামীলীগের মন্ত্রী এমপি সচিবরা পালাইসে। ব্যবসায়ীরা এখনও পালাচ্ছে। কেউ কেউ আবার বসুন্ধরার মালিকের মতো কেক নিয়ে নতুন রাজনৈতিক সহবাস করতেছে।
আর হলে বা টিএসসিতে গরীব ছাত্রলীগ এক কাপ চা খাইলে নাকি বিপ্লব শেষ হয়ে যায়। জুলাই নাকি হেরে যায়?
জুলাই তো হেরে যায় তখন, যখন ছাত্রদের সন্ত্রাসী বলা কালের কন্ঠ পেপারকে বিএনপি জামায়াত বা বৈবিছাআ যাইয়া বিপ্লবের পক্ষের বলে আসে। যখন ওবায়দুল কাদের তিন মাস পর পালাইয়া যাইতে পারে, বিপ্লব তখন হাইরা যায়।
ঐটা নিয়ে কাউকে কিছু বলতে দেখেছেন?
না দেখেন নাই।
টাকা ওয়ালা আওয়ামীলীগের কেক খাইতে কারো কোন সমস্যা হচ্ছে না, অথচ গরীব এক ছাত্রলীগের পোলা এক কাপ চা খাইলে বিপ্লবীদের মাথায় মাল উঠে যাচ্ছে, এই নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত লইয়া আমরা কী করিব?
10 264
প্রশ্ন শুনলেই রেগে যাওয়া হইলো হাসিনা সিন্ড্রোম।
"সবকিছু ছেড়েছুড়ে চলে যাই, কাজটা তাইলে তুমিই করো" টাইপের কথাবার্তাও হাসিনার কথাবার্তা।
জুলাই ফাউন্ডেশন নিয়ে তোলা প্রশ্নের উত্তর সার্জিস যেভাবে দিয়েছেন, তার এখনই সাবধান হওয়া উচিত। শুধু তার না, বৈষম্য বিরোধী নেতাদের সবারই চিন্তার জায়গাটা নিয়ে সাবধান হওয়া উচিত।
জুলাই ফাউন্ডেশন এখন পর্যন্ত একটা ব্যর্থ অর্গানাইজেশন। এই দায় অবশ্যই সার্জিস আর স্নিগ্ধর ওপর পড়ে।
৩ মাস পরেও যেহেতু এরা কাজ ঠিকঠাক করতে পারতেছে না, সো, এই দুইজনেরই উচিত ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করা। তারপর কোন এক্সপার্টকে এখানে এপয়েন্ট করা, যারা ২৪ ঘন্টা সময়ই এখানে দিতে পারবে।
প্রয়োজনে বিদেশ থেকে এনজিও বিশেষজ্ঞ আনেন। এই কাজটার উপরেই কিন্তু জুলাই বিপ্লবের সফলতা আর ব্যর্থতা নির্ভর করতেছে। এইটা এভাবে রেখে বিপ্লবের স্পিরিট ছড়ানো সম্ভব না।
সব কাজ আপনাদেরই করতে হবে, এইটা আরো বড় ডিজাস্টারাস মেন্টালিটি। এই মেন্টালিটি হাসিনা আর মুজিবের ছিলো। অথচ আপনারা বিপ্লবী, আপনাদের কাজ আন্দোলন করা। টেকনিক্যাল কাজের জন্য এক্সপার্ট আনেন।
এই সেইম কাজটাই মুজিব করেছিলো ৭২ এ। এক্সপার্ট না বসাইয়া জায়গায় জায়গায় আওয়ামীলীগ বসাই দিছিলো। বাট রাস্তার আন্দোলন আর প্রতিষ্ঠান চালানো যেহেতু এক জিনিস না, সেহেতু অল্প কিছুদিনের মধ্যেই মুজিবসেনারা সব প্রতিষ্ঠান বেঁচে খেয়ে নেয়।
এই রাগগুলো এক হয়েই ১৫ আগস্টের প্লট তৈরি হয়। বিপ্লবী মুজিব পরিণত হয় সবচে ঘৃণ্য একজন মানুষে।
অথচ মুজিব বুঝেনও নাই যে কখন তিনি বিপ্লবী থেকে ফ্যাসিস্ট হয়ে গেছেন। বুঝেন নাই, কখন তিনি বাংলাদেশের সবচে জনপ্রিয় মানুষ থেকে ঘৃণ্যতমতে পরিণত হয়েছেন।
মুজিবের চে বেশি জনপ্রিয়তা এই পৃথিবীতে খুব কম নেতার ছিলো। জাস্ট মিসম্যানেজমেন্ট এই মুজিবকে দ্য ফলেন ডিকটেটরে পরিণত করে ফেলেছিলো।
আমাদের ছাত্রনেতাদের উচিত আরেকজন মুজিব হওয়ার হাত থেকে নিজেদের রক্ষা করা। মুজিব তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। আপনারা ঐটাও পাবেন না, কথাটা মনে রাইখেন।
10 264
ফেলানীর বিয়ে ঠিক হয়েছিলো।
১০ বছর দিল্লীতে গৃহকর্মীর কাজ করে বিয়ে করার উদ্দেশ্যে বাবার সাথে করে সে দেশে ফিরছিলো।
কিন্তু কাঁটাতার বেয়ে নামতে গিয়ে পা আটকে যায়। ভয়ে চিৎকার করে উঠে। বিএসএফ সাথে সাথে গুলি করে ফেলানীকে মেরে ফেলে।
যে হাতে মেহেদী থাকার কথা ছিলো, সেই রক্তাক্ত হাত নিয়ে ফেলানী ঝুলে থাকে কাঁটাতারে।
তখন আমরা বুঝিনি, ঐ ফেলানীই আসলে ছিলো বাংলাদেশ। গত ১৫ বছর ধরে যেই রক্তাক্ত বাংলাদেশকে ভারত ঝুলিয়ে রেখেছে কাঁটাতারে।
যখন ইচ্ছা পানি দিয়ে ডুবায়, যখন ইচ্ছা পানি আটকায়, পাখির মতো গুলি করে মানুষ মারে, যখন খুশি চুক্তি করে দেশ লুট করে।
ফেলানীর সাথে বাংলাদেশের আসলে খুব বেশি পার্থক্য কি আছে?
আজ ৭ জানুয়ারি। ফেলানী খাতুন হত্যার ১৪ বছর হয়ে গেল।
বিচার করতে চেয়েছে অনেকবার। বিচার কারোরই হয়নি।
ফেলানী খাতুন হত্যার বিচার নিছক একটা বিচার না। ফেলানী বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বের প্রতীক।
ফেলানীর বিচার যদি বাংলাদেশ নিশ্চিত করতে না পারে, তবে দিনশেষে এই দেশের স্বাধীনতা এবং সার্বভৌমত্বও ঐ রক্তাক্ত অবস্থায় কাঁটাতারে অমন করে ঝুলতেই থাকবে।
প্রমাণ হবে, পিন্ডির থেকে স্বাধীনতা পেলেও দিল্লীর থেকে স্বাধীনতা আমরা আদায় করতে পারিনি।
10 264
খালেদা জিয়া অবশেষে বিলেত যাচ্ছেন।
রাস্তার দুই পাশে হাজার হাজার নেতাকর্মী খালেদার নাম ধরে স্লোগান দিতেছে।
খুব সম্ভবত এমন রাজকীয় এক যাত্রার জন্যই আল্লাহ তাআলা খালেদা জিয়াকে এতোটা অপেক্ষা করালেন।
হাসিনার ফ্যাসিবাদের আমলে এই রাজকীয় যাত্রাটা সম্ভব হতো না। খালেদা ১৫ দিনের জন্য দেশ ছাড়লেই ডাইনিটার কুটনা মার্কা ছোটলোকি কথাবার্তা শুরু হয়ে যাইতো।
শেখ হাসিনা পালায় না বলা ডাইনিটা আজ পালিয়ে আছে ভারতে। দেশের মানুষ ওর নাম শুনলেও এখন ছবিতে যাইয়া জুতা মারে।
আর খালেদা জিয়া দেশ ছাড়ছেন হাজারো নেতা কর্মীর ভালোবাসা আর ১৮ কোটি মানুষের দোয়া আর শুভকামনা নিয়ে, একজন রাজনীতিবিদের জীবনে এর বেশি আর কী ই বা চাওয়ার থাকতে পারে?
সারাটা জীবন সংগ্রামে আর আন্দোলনে আপোষহীন এই মহিয়সী নারীকে আল্লাহ যেন আমাদের কাছে সুস্থ অবস্থায় ফিরিয়ে দেন।
খালেদা অসুস্থ থাকলে বাংলাদেশ যে সুস্থ থাকে না, ২০১৮ থেকে ২৩ এর ভয়ঙ্কর ৫ টা বছর আমাদের বুঝিয়ে দিয়ে গেছে খুব ভালো করেই।
খালেদা জিয়াকে সুস্থ হতে হবে, ফিরে আসতে হবে, হাল ধরতে হবে আমাদের নতুন বাংলাদেশের।
বাংলাদেশ রাষ্ট্রের মেরুদন্ডও একদিন খালেদার মেরুদন্ডের মতোই শক্ত হয়ে উঠবে, এই স্বপ্ন নিয়েই তো আমাদের নিত্য বেঁচে থাকা।
10 264
শহীদ ফারহান ফাইয়াজের বোনকে এসে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে বলতে হলো, তাঁর ভাই কোন দলের হয়ে শহিদ হয় নাই। সাধারণ একজন ছাত্র হিসেবেই সে শহিদ হয়েছে।
গতকাল শহিদ ফারহান ফাইয়াজকে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের অফিশিয়াল পেইজ থেকে বিএনপির শহিদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিলো।
মাঝেমধ্যেই খুব লজ্জা লাগে। ঘৃণা হয়। কষ্টে বুকের ভেতরটা ফেটে যায়।
৫ মাস হয় নাই একটা বিপ্লব হয়ে গেছে। রক্তের দাগ শুকায়নি। এখনও বহু শহিদ পরিবার নিজের সন্তানের, ভাইয়ের রক্তমাখা শার্ট রোদে দেয়। এখনও শহিদের পরিবাররা স্বাভাবিক হতে পারেনি।
অথচ তখন একজন শহিদের বোনকে এসে ফেসবুকে পোস্ট দিতে হচ্ছে যে তাঁর ভাই কোন দলের রাজনীতি করতো না।
শহিদদের নিয়েও ব্যবসা শুরু হয়ে গেলো। শহিদের ফ্যামিলির থেকে ইভেন কনসেন্ট নেয় নাই, একবার জিজ্ঞেস করে নাই, নাম ঢুকাইয়া দিছে।
টকশোতে যাইয়া বিএনপির নেতারা কাল থেকে নির্লজ্জের মতো বলতে শুরু করেছেন যে ঐ লিস্টের সবাই নাকি বিএনপির। এটা নাকি বিএনপির ত্যাগ।
আমার খুব জানতে ইচ্ছে করে, শহিদ ফারহান যদি জানতে পারতেন, তাঁর লাশ নিয়ে এই নোংরামিটা এরা করবে, তাহলে কি তিনি দেশের জন্য প্রাণ দিতে রাজি থাকতেন?
কী অভাগা এক দেশে জন্মাইছি আমরা।
এখানে শহীদদের স্বপ্ন নিয়ে কেউ কথা বলে না, আন্দোলনের স্পিরিট নিয়ে কোন কথা হয় নাই, শুধু ঐ লাশ চুরি করার রাজনীতিটা খুব ভালো করেই হয়। আগে এক দল করেছে, এখন অন্য দল করতেছে।
আরো বোঝা গেল, এই দেশের রাজনীতিতে মানুষের দাম, স্বপ্নের দাম না থাকলেও লাশের দাম আছে। খুব ভালোভাবেই আছে।
শহীদ ফারহান ফাইয়াজ, আমাদের ক্ষমা করবেন। খুব সম্ভবত ভুল একটা দেশের জন্য আপনি আপনার মূল্যবান প্রাণটা কুরবানি করে গেলেন, যেই কুরবানির মর্যাদা আমরা রাখতে ব্যর্থ হয়েছি।
