আকাবির-কথন
Kanalga Telegram’da o‘tish
Ko'proq ko'rsatish
Mamlakat belgilanmaganToif belgilanmagan
1 221
Obunachilar
+424 soatlar
+347 kun
+4630 kun
Postlar arxiv
1 221
সাবেক সহকর্মীর লেখা বই। উপন্যাস। পড়িনি। উনার কোনো বই আজও পড়া হয়নি। লেখালেখির জন্য তিনি সিলেটে পরিচিত। দেশব্যাপী প্রসিদ্ধ লেখক এমন নন। তবুও, সুযোগ হলে বইটা ছুঁয়ে দেখতাম। ফেইসবুক মারফত ছবিটা সামনে এলো।
এই সুবাদে মনে পড়ে গেল কয়েকজন সহকর্মীর কথা, যারা ব্যক্তিগতভাবে আমার জন্য আন্তরিক শুভাকাঙ্ক্ষী ছিলেন। চাতলপাড়ি, স্যার, বরুমা...
1 221
এসব বই রচনা কিংবা পাঠের মূল প্রতিপাদ্য এই নয় যে, বিয়ে করতে সক্ষম কোনো পুরুষ বা নারী বিয়ে করা থেকে বিরত থাকার প্রেরণা নেবেন। বরং এ-জাতীয় বইয়ের আসল লক্ষ্য হলো, দ্বীনি ইলম সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণে আমাদের পূর্বসূরি মনীষীদের যে অবিশ্বাস্য কুরবানী ছিল সেগুলো পাঠকদের জানিয়ে দেওয়া। সুতরাং আমাদের উচিত, এসব জেনে ইলম অর্জনের পথে আরও উৎসাহী ও অনুপ্রাণিত হওয়া।
[ইলম চয়নিকা : ২/৩৪১]
1 221
আবদুল মালেক সাহেব দা. বা.-কে দেখলে যতটা পুরানা ধাঁচের বুযুর্গ লাগে, ঠিক ততটাই রুচিতে আমাদের চেয়েও বেশি আপডেট। যে কাজের জন্য যে যোগ্য, সে কাজে তাকেই লাগান। মারকাযের প্রতিষ্ঠানের জন্য একজন রুচিশীল ভালো ডিজাইনারের দরকার ছিল। পেয়েছেনও এ সময়ের সেরা একজনকে। আলকাউসারসহ মারকাযের বইগুলোর প্রচ্ছদ, সেটিং দেখলে সেটা সহজে বোঝা যায়। বাঁধাইয়েও রুচির ছাপ ফুটে উঠছে।
আলকাউসার, আলকাউসার নারী ও শিশুকিশোর সংখ্যা সংগ্রহ করবেন অবশ্যই, দরকার হয় বই পরে কিনবেন। এগুলো খাজানা।
1 221
ইলম, তাকওয়া ও জিহাদী আদর্শের উজ্জ্বল প্রতীক সাত জন মহান সংগ্রামী সাধকের সুপাঠ্য ও সংক্ষিপ্ত জীবনকথা এই বইয়ে উঠে এসেছে।
মাওলানা শাহ ইসমাইল শহীদ রহ., মাওলানা কাসেম নানুতুবী রহ.,মাওলানা সাইয়্যেদ হুসাইন আহমদ মাদানী রহ., শাইখুল হাদীস আল্লামা আজিজুল হক রহ., মুফতী ফজলুল হক আমিনী রহ., মাওলানা মুহিউদ্দীন খান রহ., নূর হোসাইন কাসেমী রহ.-এর সংক্ষিপ্ত জীবনকথা নিয়ে রচিত এই বই।
আরবী ভাষার প্রসিদ্ধ প্রবাদ 'রুহবানুল লাইল ফুরসানুন নাহার' 'রাতের সাধক দিনের ঘোড়সওয়ার' কথাটির উজ্জ্বল প্রতীক ছিলেন তারা। ঈমান ও আদর্শের পক্ষে অসত্যের বিরুদ্ধে তাঁরা আজীবন লড়াই করেছেন। ফলে তাঁরা উপমহাদেশের ঈমানদার উম্মাহর হৃদয়ের অক্ষয় আসনে সমাসীন হয়ে আছেন। এ বইয়ের নাম মূলত তাদের চরিত্রেরও শিরোনাম।
1 221
আমার অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, কামব্যাক কখনো স্ট্রাকচারড রুটিনে আসে না। অমুক বছরের প্রথম দিন বা তমুক মাসের প্রথম দিন থেকে শুরু করবো—এটা নিতান্তই ক্ষীণ বাস্তবতা নির্ভর। বরং কোনো এক পড়ন্ত বিকেলে একা হাটতে হাটতে, অথবা গভীর রাতে—যখন ঘুমের সাথে আপনার যোজন যোজন দূরত্ব—ঠিক ওই সময়টাতে আল্লাহ আপনার মনে সুবুদ্ধির উদয় ঘটালেন। আপনি ভাবলেন— নাহ, এইভাবে চলতে পারে না। এইডা একটা মানুষের জীবনের সিস্টেম হইতে পারে না। সেই থেকেই আপনি নিলেন আপনার প্রথম পদক্ষেপ।
ব্যস, যাত্রা শুরু। Welcome on board.
© রহমতুল্লাহ সজল
1 221
আমরা যারা জন্মগতভাবেই ঈমানের তাওফীক লাভ করেছি, ঈমানদীপ্ত সাক্ষাৎকার টাইপের বই আমাদের জন্য মাঝেমধ্যে পড়া দরকার।
1 221
আমি যদি ২০ বয়সী আমাকে পেতাম তাহলে কিছু উপদেশ দিতাম।
১. একজন বিজ্ঞ আলেমের কাছে নিজেকে সোপর্দ করো। কোনো আল্লাহওয়ালা পীর সাহেব হলে ভালো। মুহাক্কিক আলেম+পীর হলে উত্তম। তার কাছে নিজেকে সমর্পণ করা নিয়ে কোনো ধরনের দ্বিধা করবে না। দেরিও করবে না।
২. যে বইগুলো সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেগুলো আগে পড়ে শেষ করবে।
৩. ঈমান তাজা হওয়ার বইগুলো প্রতিদিন ২ পৃষ্ঠা হলেও পড়বে।
৪. ভার্সিটির পড়াশোনাকে অবহেলা করো না। দুনিয়াবি কাজকে শতভাগ গুরুত্ব দিয়ে করবে। তা নিয়ে উদাসীনতা তোমার দ্বীনকে দুর্বল করবে। দ্বীন দুনিয়া দুটোই বোঝেন এমন মধ্যপন্থী বড়ভাই বা শিক্ষকের পরামর্শ নিয়ে সিদ্ধান্ত নেবে।
৫. মা-বাবার পায়ের কাছে নিয়মিত কিছু সময় কাটাবে।
৬. প্রতিদিন বা নিয়মিত দ্বীনী বয়ানে বসবে। মহল্লার জাহেল কোনো তাবলীগের সাথির ছয় নম্বরের বয়ান হলেও। কিছু কথা হলেও পাবে, যা ঈমানকে শক্তিশালী করে।
৭. ইখতিলাফী মাসআলা নিয়ে জীবনের ১ মিনিট সময়ও নষ্ট করবে না।
৮. তাবলীগের কাজকে তার সকল সীমাবদ্ধতা মেনে নিয়েই করতে থাকো। অন্ধ ভক্ত হয়ো না। তবে কাজও ছেড়ো না।
৯. নিজেকে আজকের জায়গায় ভেবো না। তুমি বিপুল সম্ভাবনাময় মানুষ। সময়ে তুমি লাখো মানুষকে নেতৃত্ব দেবে। নিজেকে সেভাবে তৈরি করো।
১০. পরিবারে দ্বীনদারী আনার জন্য জানপ্রাণ চেষ্টা করো। নাহয় আজীবন আফসোস করবে।
১১. রাতে আগে আগে ঘুমানো হাজারো কল্যাণের চাবিকাঠি। এই অভ্যাসকে নিজের জন্য গ্রহণ করো।
১১. নিজেকে ভুলে যেও না। প্রতিদিন মুহাসাবা করো। নিজের হিসাবকিতাব করতে থাকো। আখিরাতকে ভুলে যেও না।
© মুহাম্মদ হোসাইন
1 221
মজলিসে যদি কল্যাণকর বিষয়ের আলোচনা ও আল্লাহ তাআলার জিকির করা না হয়, তবে শয়তান এসে কথাবার্তার গতি পাপ ও অশ্লীলতার দিকে ঘুরিয়ে দেয়। কখনো উসকে দেয় পেটের চাহিদা, কখনো জাগিয়ে তোলে যৌন-পিপাসা।
আহনাফ বিন কাইস বলেন :
খাবার আর নারীর আলোচনা থেকে আমাদের মজলিসগুলোকে পবিত্র রাখো। যে ব্যক্তি অধিক পরিমাণে পেটের ক্ষুধা ও যৌন চাহিদা প্রসঙ্গে কথা বলে তাকে আমি ঘৃণা করি।
(সংযত জবান সংহত জীবন : ২৫)
1 221
যার প্রত্যাশা যত দীর্ঘ হয়, তার আমল তত কম হয়; আর যে ব্যক্তি আখিরাতের কথা ভুলে যায়, সে নিজের আমলের হিসেব নেওয়ার প্রয়োজন বোধ করে না।
-শায়খ আবদুল মালিক আল কাসিম
[সংযত জবান সংহত জীবন : ২৫]
1 221
এত হাসাহাসি করো কেন, হে মানুষ। এমনও তো হতে পারে, তোমার কাফনের কাপড় এসে গেছে ধোপার হাতে।
-আব্দুল্লাহ বিন সা'লাবাহ রহ.
