uz
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Kanalga Telegram’da o‘tish

Ko'proq ko'rsatish
Mamlakat belgilanmaganToif belgilanmagan
1 099
Obunachilar
Ma'lumot yo'q24 soatlar
+227 kunlar
+2630 kunlar
Postlar arxiv
মাঠভর্তি গরু, গাছের ছায়ায় রাখালরা আড্ডা দিচ্ছে, এই চমৎকার দৃশ্যটা গ্রাম থেকে কীভাবে যে হারিয়ে গেল... এখন আর এত গরুও দেখা যায়
মাঠভর্তি গরু, গাছের ছায়ায় রাখালরা আড্ডা দিচ্ছে, এই চমৎকার দৃশ্যটা গ্রাম থেকে কীভাবে যে হারিয়ে গেল... এখন আর এত গরুও দেখা যায় না, রাখালও দরকার পড়ে না।

photo content

সৌদিতে কাল থেকে রোজা। আজ প্রথম সাহরি। জীবনের প্রথম দেশের বাইরে রোজা...

photo content

photo content

photo content

photo content

photo content

সুনামগঞ্জ লঞ্চঘাট। রেডমি নোট সেভেন প্রো। [পুরানা সবকিছুই সুন্দর...]
সুনামগঞ্জ লঞ্চঘাট। রেডমি নোট সেভেন প্রো। [পুরানা সবকিছুই সুন্দর...]

photo content

হযরত বলেন, টেনশন আল্লাহর একটা নেয়ামত। এটা না থাকলে মানুষ অনেক কিছুই পেত না। পরীক্ষার টেনশন না থাকলে পড়ত না; ব্যবসার টেনশন না থাকলে ব্যবসা ভালো করে করবে না; চরিত্র ঠিক করার টেনশন না থাকলে চরিত্র ঠিক করবে না ইত্যাদি। সুতরাং টেনশন যথাযথ জায়গায় হলে এটা খারাপ না। দুনিয়া টেনশনের জায়গা। কেবল জান্নাতে কোনো টেনশন থাকবে না। এখন মানুষ বেশি টেনশন করে কেন? দেখুন, সংসারে কামাই-রোযগারের ব্যাপারে স্ত্রীর কোনো টেনশন নাই। কারণ সে এটা তার অভিভাবক স্বামীর উপর ছেড়ে দিয়েছে। স্বামী যেভাবে পারে, তা করবে। কর্মচারীরা মাস শেষে বেতন পাবে। এ নিয়ে তার কোনো টেনশন নাই। সেটি তার অভিভাবক বসের ব্যাপার। বস যেভাবে পারে ম্যানেজ করবে। এরকম বাবার অধীনে থাকলে ছেলে-মেয়েদের টেনশন থাকে না। তারা মনে করে তাদের একজন অভিভাবক আছে। একজন অভিভাবক থাকলে টেনশন কমে যায়। তেমনি আমাদের একজন অভিভাবক আছে। আমাদের অভিভাবক কে? আল্লাহ। তিনি আমার ব্যাপারে যা ভালো, তা-ই করছেন। সুতরাং আমার এত টেনশন কিসের? এজন্য কুরআনে এসেছে, যে আল্লাহর উপর ভরসা করবে, আল্লাহই তার জন্য যথেষ্ট। [আত্মার পাথেয় : ৪০-৪১]

উস্তাযে মুহতারাম হযরত মাওলানা মুহাম্মাদ অবদুল মালেক ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম থেকে জেনেছি, তাঁর মুহতারামা আম্মা আমাদের দাদিজান আউয়াল ওয়াক্তে নামায আদায় করেন। সিহহাত ও আফিয়াতের সাথে আল্লাহ তাআলা তাঁর ছায়াকে আমাদের ওপর দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর করুন। এক্ষেত্রে তাঁর কর্মপদ্ধতিতে আমাদের জন্য রয়েছে অনন্য পাথেয়। হুজুরের মুখ থেকে কয়েকবার শুনেছি, একবার দাদিজান যোহরের পর রান্না করছিলেন। হয়তো রাতের রান্না আগেভাগে সেরে ফেলছেন। চুলা জ্বালতে দেরি হচ্ছে। তখন তিনি আফসোস করে বলছেন, নামাযের বেলা গেল। তাঁকে বলা হল, কেবলই তো আপনি যোহর নামায আদায় করলেন; কোন নামাযের কথা বলছেন? তিনি বললেন, আসর নামায। অর্থাৎ যোহর নামাযের পরই তিনি আসর নামাযের ফিকির করছেন। চুলা জ্বালতে দেরি হচ্ছে; তাতে রান্না দেরি হয়ে যাবে এবং আসর নামায আউয়াল ওয়াক্তে পড়া যাবে না- এই শঙ্কা তাঁকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছে। তাই তিনি আফসোস করে চোখের পানি ছেড়ে বলছেন, নামাযের বেলা গেল। দাদিজানের সময় সচেতনতাও ওয়াক্তমতো নামায আদায়ের ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা রাখে। এক্ষেত্রেও তাঁর কর্মপদ্ধতি অনেক ফলপ্রসূ। আমাদের নামাযে বিলম্ব হওয়ার একটি কারণ হল, এমন মনে করা যে, এখনো তো অনেক সময় বাকি আছে। এভাবে এখনো অনেক সময় আছে করতে করতে নামায চলে যায় একেবারে শেষ ওয়াক্তে; বরং মাকরূহ ওয়াক্তে। এক্ষেত্রে দাদিজানের কর্মপদ্ধতি হল, ঘড়ির কাঁটা ১২টা পার হলেই তিনি বলেন, ১টা বেজে গেছে। ৩টা পার হলেই বলেন, ৪টা বেজে গেছে। অর্থাৎ নামায যেহেতু ১টার মধ্যে পড়ব বা ৪টায় পড়ব, সুতরাং এখন থেকেই আমাকে নামাযের প্রস্তুতি নিতে হবে। এভাবেই তাঁর দিল সব সময় পড়ে থাকে জায়নামাযে। [আলকাউসার নারীসংখ্যা : ৩৬, মার্চ-মে ২০২৬]

কিন্তু করছি এটাই...
কিন্তু করছি এটাই...