uz
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Kanalga Telegram’da o‘tish

Ko'proq ko'rsatish
Mamlakat belgilanmaganToif belgilanmagan
1 220
Obunachilar
+424 soatlar
+347 kun
+4630 kun
Postlar arxiv
পেজ ডিলিট করব না। দীর্ঘদিন থেকে চালাচ্ছি তো, একটা মায়া জন্মে গেছে। নিয়ত আর এখলাছের প্রচুর ঘাটতি আছে। তবে, কোনোভাবে পেজটা হাতছ
পেজ ডিলিট করব না। দীর্ঘদিন থেকে চালাচ্ছি তো, একটা মায়া জন্মে গেছে। নিয়ত আর এখলাছের প্রচুর ঘাটতি আছে। তবে, কোনোভাবে পেজটা হাতছাড়া হয়ে গেলে খুশিই হব। অনলাইন থেকে দূরে যাওয়াটা আরও সহজ হবে। যেভাবে একেবারে দূরে চলে গেছেন সাজিদ ইসলাম ভাইসহ আরও অনেকেই।

photo content

🟩 ভালো বই এমন এক সঙ্গী, যা অমঙ্গল, অকল্যাণ ও ক্ষতির দিকে তোমাকে প্রলোভন দেখায় না। এটা এমন এক বন্ধু যা তোমাকে বিরক্ত করে না। এটা এমন এক প্রতিবেশি, যে তোমার ক্ষতি করে না। এটা এমন এক অপরিচিত ব্যক্তি যে তোষামোদ করে তোমার থেকে কোনো সুবিধা বাগিয়ে নিতে চায় না। এটা ছলনা ও মিথ্যার মাধ্যমে তোমাকে প্রতারণা করে না। বই তোমার অনুভূতিকে শক্তিশালী ও মেধাকে তীক্ষ্ণ করে। 🟩 বই-পুস্তক অধ্যয়ন করে যদি সঠিকরূপে উপকৃত হতে চাও, তবে অনেক বিষয় একসাথে পড়ে মস্তিষ্ককে বিক্ষিপ্ত করো না। বরং প্রথমে সুন্দর একটি রুটিন তৈরি করে নাও। অতঃপর সে অনুযায়ী সামনে অগ্রসর হও। যদিও তা পরিমাণে অল্প হয়। 🟩 বই পড়ার সুযোগ যিনি পান, তিনিই সৌভাগ্যবান। কারণ, পৃথিবীর বাগান থেকে তিনি ফল সংগ্রহ করেন এবং জগতের বিস্ময়াবলি অবলোকন করেন। কালের গন্ডি পেরিয়ে নানা জায়গায় ঘুরে বেড়ান। 🟩 মানুষের সর্বোত্তম সঙ্গী বই। তাই বই, জ্ঞান ও জ্ঞানীকে স্থায়ী বন্ধুরূপে গ্রহণ করো। 🟩 সেসব বই-পুস্তক পাঠ করো না, যা উৎকণ্ঠা ও ব্যাকুলতা নৈরাশ্য ও অস্থিরতা সৃষ্টি করে। 🟩 তোমার ঘরের গ্রন্থাগারটি তোমার জন্য সবুজ-শ্যামল বাগিচা স্বরূপ। তুমি সেখানে, বিজ্ঞ-প্রাজ্ঞ, জ্ঞানী-গুণী আলেম-উলামা, কবি-সাহিত্যিকদের সঙ্গে বিচরণ করো। 🟩 সব সময় বই সাথে রেখো। সময়ের সংরক্ষণ ও অবসরকে কাজে লাগাতে বইয়ের বিকল্প নেই। 🟩 পাঠের কিছু উপকারিতা হলো, এতে জবান খোলে, জ্ঞান বৃদ্ধি পায়, অন্তর পরিষ্কার হয়, দুশ্চিন্তা দূর হয়। 🟩 দালান-কোঠা ও ধন-ঐশ্বর্য থেকে সেই বই উত্তম, যা দ্বারা বোধশক্তি শাণিত হয়, হৃদয়ে আনন্দ জাগে, নফসে শক্তি সঞ্চার হয়; যা বক্ষকে করে উন্মুক্ত ও চিন্তা-চেতনাকে করে পরিচ্ছন্ন। 🟩 ধর্মদ্রোহীদের বই-পুস্তক পড়ো না। তাদের বই-পুস্তকে সেই সব ময়লা-আবর্জনা ও নোংরামি থাকে, যা অন্তরকে কলুষিত করে; এমন বিষ থাকে, যা আত্মাকে হত্যা করে ফেলে। এসবের চিকিৎসা হচ্ছে ইলমে ওহী; যার দ্বারা আত্মা সুস্থতা লাভ করে। 🟩 ইতিহাস পড়ো। ইতিহাসের বিস্ময়কর বিষয়গুলো নিয়ে ভাবো। তার দূর্লভ-দুষ্প্রাপ্য বিষয় নিয়ে গবেষণা করো। উপভোগ করো ও উপকৃত হও ইতিহাসের ঘটনাবলি ও বৃত্তান্ত থেকে। -আয়েয আল কারনী বই : তুমিও পারবে। হুদহুদ প্রকাশন

পাঠকের উদ্দেশে পাঁচটি পরামর্শ! রাবী' আস সামলালী। বিদগ্ধ একজন আরব লেখক। চমৎকার উপস্থাপনায় তিনি পাঠকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। বই-পাঠ, বই-সংগ্রহ প্রভৃতি বিষয়ে তাঁর পরামর্শগুলো খুবই ফলপ্রসূ মনে হয়। এ সম্বন্ধে তিনি একাধিক বইও রচনা করেছেন। এখানে বিক্ষিপ্ত পাঁচটি পরামর্শ তুলে ধরা হলো: ১. দৈনিক যদি আপনি মাত্র দুই পৃষ্ঠা করে পড়তে থাকেন, তাহলে বছর শেষে আপনার পাঠের পরিধি সাত শ পৃষ্ঠা হয়ে গেল। চিন্তা করে দেখুন! দৈনিক যদি মাত্র দশ পৃষ্ঠা করে পাঠ করেন, তাহলে এর পরিমাণ কেমন হবে? ২. প্রকৃত পাঠাভ্যাস হলো, আপনি বইটি এমন আগ্রহ, আকর্ষণ ও মনোযোগ দিয়ে পড়বেন যেন আপনি কোনো বিপদ থেকে নিজের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে আসছেন। ৩. আমরা বইপত্র সংগ্রহ করি; না ঘর সাজানোর জন্য কিংবা গর্ববোধ করবার জন্য। বরং বই সংগ্রহ করি নিজেদেরকে এই দোষ থেকে বের করে আনবার জন্য, 'আর মানুষ তো অজ্ঞ এবং অত্যাচারী'। ৪. প্রবীণদের বই পড়বার আগে নবীনদের বই পড়তে শুরু কোরো না; যাতে ভালো-মন্দ এবং শুদ্ধ-অশুদ্ধ যাচাই-বাছাই করবার যোগ্যতা তৈরি হয়। ৫. অধিক বই সংগ্রহ করা কখনো আপনার জন্য পেরেশানি এবং মনোযোগহীনতার কারণ হয়ে যেতে পারে। সেজন্য নির্দিষ্ট পরিমাণে বই সংগ্রহ করুন। প্রথমে নিজের পাঠাগারে বিদ্যমান বইগুলো দিয়েই পাঠ শুরু করুন। ভালো করে ২০টি বই পাঠ করা ১০০টি বই সংগ্রহ করবার চেয়েও উত্তম; যেগুলো আপনি হয়তো একনজর দেখবারই সুযোগ পাবেন না! . বই : ইলম চয়নিকা (২) লেখক : মাহফুয আহমদ

কোনোটা পড়েছেন?
+3
কোনোটা পড়েছেন?

আল্লাহকে পাওয়ার সহজ উপায় . আল্লাহর ভয় অর্জন করতে পারলে বান্দার জীবনে তাকওয়া, আল্লাহর সাহায্যকামনা এবং নিচু আশা-এগুলোও এসে যায়। এই দিকে আল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে হবে-এই ঈমান দৃঢ় হলে যুহদও এসে যায়। এভাবে আল্লাহর মারেফত থেকে আসে মহব্বত, ভয় ও আশা। . অল্পেতুষ্টি থেকে আসে আল্লাহর ফয়সালার প্রতি সন্তুষ্টি। যিকির থেকে আসে অন্তরের জীবন। তাকদিরের বিশ্বাস থেকে আসে তাওয়াক্কুল। সর্বদা আল্লাহর নাম ও সিফাতের প্রতি দৃষ্টি রাখলে তৈরি হয় মারেফত। . তাকওয়া থেকে যুহদও তৈরি হয়। তওবা ও সর্বদা যিকিরে তৈরি হয় মহব্বত। আল্লাহর ফয়সালায় সন্তুষ্টি থাকলে শোকরও আসবে। বান্দার সংকল্প দৃঢ় হলে এবং সবর থাকলে সকল হাল ও মাকাম সৃষ্টি হয়। ইখলাস ও সত্যবাদিতা-একটি অপরটিকে তৈরি করে। . মারেফতে চরিত্র তৈরি হয়। ফিকিরে আসে সংকল্প। মুরাকাবার কারণে সময় কাজে লাগানোর গুরুত্ব, লজ্জা, ভয় ও আল্লাহমুখিতা সৃষ্টি হয়। নফসকে তুচ্ছ ও নির্জীব করলে অন্তর হয় জীবন্ত ও মর্যাদাবান। . যে ব্যক্তি নিজের আসল অবস্থা অনুধাবন করতে পারে এবং তা নিয়ে অসন্তুষ্ট থাকে, আল্লাহর প্রতি তার লজ্জা কাজ করে; তখন প্রাপ্ত নেয়ামতকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মনে হয়, আর নিজের আমল অঢেল হলেও কম মনে হয়। . অন্তর ও জবান থেকে আত্মগর্ব মিটিয়ে দিলে এবং ঠিকঠাক অন্তজ্ঞান অর্জন করলে ঈমান সুদৃঢ় হবে। আর সঠিক অন্তজ্ঞান অর্জিত হয় আল্লাহ তাআলার নিদর্শনাবলি যথাযথ পর্যবেক্ষণ করলে। . ভাবছেন, এত কিছু মনে রাখবো কীভাবে? তাহলে এ সবগুলোর চাবিকাঠি মনে রাখুন। মাত্র দুটি বিষয় সবগুলোর চাবিকাঠি- -এক-অন্তরকে দুনিয়ার ঠিকানা থেকে স্থানান্তর করে আখেরাতের ঠিকানায় স্থিত করা। . -দুই-এরপর পূর্ণ মনোযোগের সাথে কুরআনের বক্তব্যগুলো এবং সেগুলোর ব্যাখ্যা উদ্‌ঘাটন ও অনুধাবনে মগ্ন হওয়া। কুরআনের প্রত্যেক আয়াত থেকে নিজের ভাগ গ্রহণ করা। প্রতিটি আয়াতকে নিজের অন্তরের রোগের ওপর প্রয়োগ করা। . এটাই আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছার সংক্ষিপ্ত ও সহজ পথ। এ পথ নিরাপদ। এতে ভয়-শঙ্কা নেই, ক্ষুধা-তৃষ্ণা নেই। অন্যান্য পথের মতো বিপদাপদ নেই। এ পথের যাত্রীদের হেফাজত করে আল্লাহর নিয়োজিত ফেরেশতারা। আর এই পথের গুরত্ব কেবল সে-ই বুঝতে পারবে, যে অন্য সব পথের ঝুঁকি, শঙ্কা ও ওত পেতে থাকা ডাকাতদের ব্যাপারে অবগত আছে। . ‘সংক্ষিপ্ত মাদারিজুস সালিকীন’ বই থেকে নেয়া...

photo content

photo content

আজ আরেকটা সিক্রেট বলি। দুআ কবুলের সিক্রেট। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল রহিমাহুল্লাহ একবার এক শহরে গেলেন। সেখানে যেতে যেতে রাত হয়ে যায়। তিনি একটা মসজিদে শুয়ে পড়লেন। কিন্তু মসজিদের দারোয়ান এসে ইমামকে না চিনে মসজিদ থেকে বের হয়ে যেতে বলে। কিন্তু ইমাম অনুরোধ করলেন রাতটা কাটাতে দেয়ার। সে শুনল না। এমনকি ইমাম আহমাদকে টেনেহিঁচড়ে মসজিদ থেকে বের করে মসজিদে তালা লাগিয়ে দিলো। অগত্যা তিনি এক রুটির দোকানে গিয়ে দোকান মালিকের কাছে অনুমতি চেয়ে সেখানে শুয়ে পড়লেন। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বল হঠাৎ খেয়াল করলেন রুটিওয়ালা প্রত্যেকটা রুটি বেলে হাতে থাবা দিয়ে তন্দুরে লাগাতে লাগাতে বলছে: আস্তাগফিরুল্লাহ! আস্তাগফিরুল্লাহ! ইমাম অবাক হলেন। যদিও তিনি এই হাদিস জানেনই যে ইস্তিগফার পড়লে শুধু গুনাহ মাফ হয় তা না। ছোটবড় যাবতীয় দুআও কবুল হয়। তাই তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন: তোমাকে দেখলাম অনেক ইস্তিগফার পড়ছো। ভাই! তুমি কি তোমার অত্যাধিক ইস্তিগফারের ফসল পেয়েছো? রুটিওয়ালা খুবই সাধারণ ভঙ্গিতেই উত্তর দিলো: হ্যাঁ জনাব! আমি যত দুআ করেছি এই পর্যন্ত সব দুআই আল্লাহ তায়ালা কবুল করেছেন। শুধু একটা দুআ এখনো বাকী। ইমাম জানতে চাইলেন: কী সেই দুআ? এরপর রুটিওয়ালা যা বলল তা পড়ে আমি আম্মারুল হক বসা থেকে দাঁড়িয়ে গেছি 'আল্লাহু আকবার' বলে। রুটিওয়ালা কী বললেন জানেন? সে বলল: সেই দুআটা হলো: ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বলকে যেন আল্লাহ পাক আমার এই দুই চোখ দিয়ে দেখায়। ইয়া সুবহান! আল্লাহু আকবার! ইমাম বললেন: আমিই আহমাদ ইবনে হাম্বল। আল্লাহ তায়ালা তার এক রুটিওয়ালা বান্দার ইস্তিগফারের পুরষ্কার দিয়ে তার দুআ কবুল করাতে কি আয়োজনটাই না করলেন! ইমাম আহমাদকে সেই শহরে এনে মসজিদ থেকে দারোয়ানকে দিয়ে বের করিয়ে রুটিওয়ালার দোকানে এনে শোয়ালেন। চিন্তা করা যায়! এজন্যই তো হুযুরে আকরাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: مَن لَزِمَ الاستغفارَ ، جعل اللهُ له من كلِّ ضِيقٍ مَخْرَجًا ، ومن كلِّ هَمٍّ فَرَجًا، ورَزَقَهُ من حيثُ لا يَحْتَسِبُ যে ব্যক্তি ইস্তিগফারকে আবশ্যিক করে নেবে আল্লাহ তায়ালা তাকে সমস্ত পেরেশানী থেকে উদ্ধার করবেন। সমস্ত দুশ্চিন্তা থেকে শান্তি দেবেন। এমন জায়গা থেকে রিযিক দিবেন যা সে ধারণাও করে না। [আবু দাউদ ১৫১৮] এবার বলুন কার কী চাওয়ার আছে আল্লাহর কাছে। ইস্তিগফার করবেন না? © আম্মারুল হক

চাচাতো বোন মুহসিনা, যে ছিল আমার সামান্য বড়, ক্লাস ফাইভে থাকতে মারা গেল, আজ থেকে প্রায় ১৯/২০ বছর আগে। বন্ধু উমর ফারুক তার মিশকাতে পড়ালেখাকালীন মারা গেল। চাচাতো ভাই বেলাল পানিতে ডুবে মারা গিয়েছিল সেই কবে, ভুলেই গেছি। গত বছরদুয়েক আগে তাগড়া যুবক, সম্পর্কে ভাগনা, সেও মারা গেল। আমি এখনো গাফলতির ঘুমে বিভোর, দুনিয়ার নেশায় ব্যস্ত...

photo content
+1

photo content
+6