আকাবির-কথন
Kanalga Telegram’da o‘tish
Ko'proq ko'rsatish
Mamlakat belgilanmaganToif belgilanmagan
1 221
Obunachilar
+424 soatlar
+347 kun
+4630 kun
Postlar arxiv
1 221
ইমাম হাতিম আল-আসাম (রহ.) ছিলেন তাবিয়ি যুগের একজন বিখ্যাত ইসলামি ব্যক্তিত্ব। তিনি তাঁর যুহদ বা দুনিয়াবিমুখতার জন্য অধিক পরিচিত ছিলেন।
একবার তাঁকে জিজ্ঞেস করা হয়, আপনি কীভাবে তাওয়াক্কুল অর্জন করেছেন?
তিনি জবাবে বলেন, চারটি বিষয়ের মাধ্যমে।
প্রথমত, আমি জেনেছি আমার জন্য বরাদ্দকৃত রিজিক অন্য কেউ খেতে পারবে না। এতে আমার অন্তর প্রশান্ত হয়ে গেছে।
দ্বিতীয়ত, আমি জেনেছি আমার জন্য নির্ধারিত কাজ অন্য কেউ করবে না। ফলে আমি কাজে ব্যস্ত হয়ে গেছি।
তৃতীয়ত, আমি জেনেছি মৃত্যু যেকোনো সময় এসে পড়বে। ফলে আমি তার ব্যাপারে প্রস্তুতি নিয়েছি।
চতুর্থত, আমি জেনেছি, আমি আল্লাহর দৃষ্টির বাইরে নই। ফলে আমি (কৃতকর্মের ব্যাপারে) লজ্জিত থেকেছি।
(ইমরান রাইহান ভাইয়ের 'খিলাফাহ' বই থেকে)
1 221
মৃত্যুর স্মরণ অন্তরের আমল। আর তুমি যখন জিহ্বা নাড়িয়ে জিকির করো, তখন তা যদি অন্তরে প্রভাব না ফেলে, তবে এই জিকিরে কী ফায়দা হবে?
তুমি যখন মৃত্যুকে স্মরণ করবে, এই ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার অসারতা সব সময় তোমার সামনে জেগে থাকবে। স্ত্রী-পুত্র কিংবা ধনসম্পদ সবকিছুকেই যে তোমাকে একদিন ছাড়তে হবে এবং নেক আমল ছাড়া যে তোমার সঙ্গে কিছুই থাকবে না, তা সর্বক্ষণ তোমার মনে ঘুরপাক খাবে। ফলে সব সময় আখিরাতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়ার একটি দুর্নিবার বাসনা তোমার হৃদয়কে আলোকিত করে রাখবে।
বর্ণিত আছে, ইবনে মুতি একদিন তার বাড়ির দিকে তাকালেন। বাড়িটির সৌন্দর্য তাকে ভীষণ মুগ্ধ করল। তারপর তিনি কেঁদে কেঁদে বললেন, যদি মৃত্যু না থাকত, তবে আমি তোমাকে নিয়ে আনন্দিত হতাম। যদি সংকীর্ণ কবরই আমার আসল ঠিকানা না হতো, তবে তোমাকে দেখে আমি চোখ জুড়াতাম। এই বলতে বলতে তার কান্নার বেগ আরও বেড়ে গেল।
[জীবনের ওপারে : ৪৬]
