uz
Feedback
আকাবির-কথন

আকাবির-কথন

Kanalga Telegram’da o‘tish

Ko'proq ko'rsatish
Mamlakat belgilanmaganToif belgilanmagan
1 208
Obunachilar
+224 soatlar
+77 kun
+2930 kun
Postlar arxiv
আমাদের জীবন সহজীকরণের সবচেয়ে সহজ উপায় হচ্ছে আমাদের চারপাশের বস্তুগত বিশৃঙ্খলা দূর করা। অনাড়ম্বরতা ইসলামের একটা অংশ। এটা আমাদের সহজাত প্রবৃত্তি। আমরা যখনই এই অনাড়ম্বরতা থেকে বের হয়ে আসি তখনই আমাদের জীবনে বিশৃঙ্খলা ও ভোগান্তির সূচনা হয়। আমরা যখন বুঝতে পেরে এই ভোগান্তি থেকে বের হয়ে আসতে চাই তখন সর্বপ্রথম আমাদের বস্তুগত জঞ্জালাদি দূর করার মাধ্যমেই শুরু করা উচিত। তত্ত্বীয় মনোবিজ্ঞানের একটি মজার নীতি হলো, চিন্তাভাবনাকে কাজে রূপান্তর করার চেয়ে কাজের চিন্তাভাবনা করা সহজ। -শায়খ হুসাইন আবদুস সাত্তার [সুন্নাহ ও সুস্থতা : ৭২]

এর দুই-তিন দিন পর তিনি আমাকে বললেন— مولوی علی! میں نے آپ کی درخواست پوری کر دی۔ মৌলভী আলী! আমি আপনার আবেদন পূরণ করেছি। আমি তাঁর কথার অর্থ বুঝতে পারলাম। আর আশ্চর্যের বিষয় হলো—এর দুই-তিন দিন পরই আমাকে সংবাদ দেওয়া হলো— আমার সেই প্রিয় ছাত্র আলী আহমদ কিয়ানী সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে গেছে। যতটুকু আমি জানি, এরপর আর তার এই অসুস্থতা দেখা দেয়নি। এ ঘটনাকে আপনারা সায়্যিদ সুলাইমান নদভী রহ.-এর কারামত মনে করুন কিংবা অন্য কোনোভাবে ব্যাখ্যা করুন—আমি শুধু ঘটনাটি যেভাবে ঘটেছিল, সেভাবেই উল্লেখ করলাম। কিন্তু আফসোসের বিষয় হলো, এই অসাধারণ মেধাবী ও প্রতিভাবান তরুণের জীবন খুব বেশি দীর্ঘ হলো না। ১৯৫০ ঈসায়ী সালে, একেবারে অল্প বয়সেই তার ইলমের সেই অগ্নিশিখা চিরতরে নিভে গেল। সত্যিই হৃদয় থেকে আফসোস বেরিয়ে আসে— حسرت ان غنچوں پہ ہے جو بن کھلے مر گئے আফসোস সেই কুঁড়িগুলোর জন্য, যারা ফুটে ওঠার আগেই ঝরে গেল। এই ঘটনা যখনই আমার মনে পড়ে, তখন একজন উস্তাদ হিসেবে আমার অন্তর ভারাক্রান্ত হয়ে ওঠে। কারণ আলী আহমদ কিয়ানীর মতো প্রতিভাবান ছাত্রের কাছ থেকে আমরা অনেক কিছু আশা করেছিলাম। তার মধ্যে আমরা ভবিষ্যতের একজন বড় আলেম, লেখক ও দ্বীনের খাদেমকে দেখতে পেয়েছিলাম। কিন্তু মানুষের জীবন ও তার পরিণতি আল্লাহর হাতে। আমরা কেবল ঘটনাগুলো দেখি, আর আল্লাহ তাআলা জানেন সেগুলোর প্রকৃত রহস্য। তবুও এ ঘটনা আমাকে ছাত্র-উস্তাদের সম্পর্কের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক মনে করিয়ে দেয়—ইলমের সঙ্গে আদব, মেধার সঙ্গে বিনয় এবং প্রতিভার সঙ্গে উস্তাদ ও মুরব্বিদের সম্মান থাকা কতটা জরুরি। একজন ছাত্র যতই মেধাবী হোক, যতই যোগ্য হোক, তার ইলম তখনই সৌন্দর্য লাভ করে, যখন তার সঙ্গে থাকে আদব ও বিনয়। আর একজন উস্তাদের হৃদয়ে একজন যোগ্য ছাত্রের জন্য যে ভালোবাসা, আশা ও মমতা থাকে—আলী আহমদের ঘটনাটি তারও এক মর্মস্পর্শী উদাহরণ। ©

হাসান আলী নদভী রহ. নিজেই ঘটনাটি বর্ণনা করেছেন— ১৯৪৩ সাল। সে সময় দারুল উলূম নদওয়াতুল ওলামায় ছাত্রদের মধ্যে একটি আন্দোলন শুরু হয়েছিল। অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয় হলো, এই আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়েছিল আমাদেরই কয়েকজন ঘনিষ্ঠ ও প্রিয় ছাত্র। অথচ তাদেরকে দারুল উলূমের সেরা ছাত্রদের মধ্যে গণ্য করা হতো। তাদের নিয়ে আমাদের অনেক আশা ছিল, অনেক স্বপ্ন ছিল। আমরা মনে করতাম, ভবিষ্যতে তারা দ্বীনের অনেক বড় খেদমত করবে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিল আমার অত্যন্ত প্রিয় ও ঘনিষ্ঠ ছাত্র আলী আহমদ কিয়ানী। আমার দশ বছরের শিক্ষকতা জীবনে এবং পরবর্তীতে নায়েবে মু‘তামাদ ও মু‘তামাদ হিসেবে দায়িত্ব পালনের সময়েও আমি বহু ছাত্র দেখেছি। কিন্তু আলী আহমদ কিয়ানীর চেয়ে অধিক মেধাবী, যোগ্য ও শান্ত স্বভাবের কোনো ছাত্র আমার চোখে পড়েনি। সে ছিল— ذہین، ذی استعداد، سلیم الطبع অর্থাৎ অত্যন্ত মেধাবী, অসাধারণ প্রতিভাবান এবং স্বভাবগতভাবে শান্ত ও নির্মল প্রকৃতির। আরবি দ্বিতীয় কিংবা তৃতীয় বর্ষ থেকেই তার প্রতিভার এমন প্রকাশ ঘটেছিল যে, নাহু-সরফে তার কোনো ভুল হওয়া প্রায় অসম্ভব ছিল। একবার তার পরীক্ষার খাতা দেখে—তখন সে সম্ভবত আরবি দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় বর্ষে পড়ে—আমার উস্তাদ খলিল আরব সাহেব এতটাই মুগ্ধ হয়েছিলেন যে তিনি বলেছিলেন— یہ کاپیاں مجھے دے دو اور جتنا کہو میں ندوہ کے لیے چندہ لے آؤں এই খাতাগুলো আমাকে দিয়ে দাও। তুমি যত টাকা চাও, আমি নদওয়ার জন্য তত টাকা চাঁদা তুলে আনব। চতুর্থ ও পঞ্চম বর্ষে পৌঁছে সে রীতিমতো আরবিতে বক্তৃতা দিতে শুরু করেছিল। হাজার হাজার শের ও কবিতা তার মুখস্থ ছিল। আল্লামা ইকবাল, কবি আকবর, জাফর আলী খান প্রমুখ কবির কবিতা সে অনর্গল আবৃত্তি করতে পারত। আমার বেশ কিছু আরবি লেখাও সে অনুবাদ করেছিল। এমন মেধাবী ও প্রতিভাবান এই তরুণ যখন ছাত্র আন্দোলনের পর পাকিস্তানের করাচিতে গিয়েছিল, তখন অল্প বয়স হওয়া সত্ত্বেও করাচির ইলমি অঙ্গনে আল্লামা কিয়ানী নামে বেশ পরিচিতি লাভ করেছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে সে—ইচ্ছায় হোক কিংবা অনিচ্ছায়—ছাত্র আন্দোলনের নেতৃত্বে চলে এসেছিল এবং বিক্ষোভের নেতৃত্ব দিয়েছিল। এতে তার সকল উস্তাদের মনে, বিশেষ করে আমার মনে, গভীর কষ্টের সৃষ্টি হয়েছিল। কারণ সে শুধু আন্দোলনে অংশগ্রহণই করেনি; বরং এর নেতৃত্বও দিয়েছিল। আর সবচেয়ে বড় কষ্টের বিষয় ছিল—এই আন্দোলন সায়্যিদ সুলাইমান নদভী রহ.-এর ব্যক্তিত্ব ও দায়িত্বের ওপর আঘাত হানছিল। অথচ তিনি তখন নদওয়ার অন্যতম প্রধান মুরব্বি ও পৃষ্ঠপোষক ছিলেন। নদওয়ার জন্য তিনি নিজের বুক পেতে রেখেছিলেন। নদওয়ার ভবিষ্যৎ এবং এখানকার তালিবে ইলমদের তারবিয়ত নিয়ে তাঁর অন্তরে ছিল অনেক বড় বড় স্বপ্ন। এই আন্দোলনের কারণে সায়্যিদ সাহেব মনে অত্যন্ত ব্যথা পেলেন। তাঁর মনে হচ্ছিল, নদওয়ার জন্য তিনি যে স্বপ্ন দেখেছেন, যে পরিশ্রম করেছেন এবং যে মেহনত ও প্রচেষ্টা চালিয়েছেন—সেগুলো যেন তাঁর চোখের সামনে রক্তাক্ত হয়ে যাচ্ছে। তিনি অত্যন্ত ব্যথিত ও ভারাক্রান্ত হয়ে পড়লেন। এর কিছুদিন পর আলী আহমদ কিয়ানী হঠাৎ মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে পড়ল। তার অবস্থার এতটাই অবনতি হলো যে, তাকে রশি দিয়ে বেঁধে রাখতে হতো। একদিন তার বড় ভাই চিকিৎসার জন্য আমার ভাই ডাক্তার সায়্যিদ আব্দুল আলী সাহেবকে তাদের বাড়িতে নিয়ে গেলেন। বিশেষ সম্পর্কের কারণে আমিও তাঁর সঙ্গে গেলাম। আমি সেখানে গিয়ে যখন আমার সেই প্রিয় ছাত্রকে রশি দিয়ে বাঁধা অবস্থায় দেখলাম, তখন চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না। যে যুবক একসময় তার প্রখর মেধা, সুস্থ বিবেচনাবোধ ও অসাধারণ প্রতিভার কারণে সহপাঠীদের কাছেও ঈর্ষার পাত্র ছিল—আজ তার এই কী করুণ দশা! আমি তাকে দেখে অত্যন্ত মর্মাহত হলাম। আমার ভাই ডাক্তার সাহেব তাকে পরীক্ষা করে প্রেসক্রিপশন লিখে দিলেন এবং আমরা সেখান থেকে ফিরে এলাম। এদিকে সায়্যিদ সুলাইমান নদভী সাহেবও এ ঘটনায় এতটাই মর্মাহত ছিলেন যে, তিনি আর দারুল উলূমে অবস্থান করছিলেন না। তিনি আমাদের ঘরেই অবস্থান করছিলেন। একদিন আমি একান্তে হযরতের কাছে আরজ করলাম, হযরত! আমার মনে হচ্ছে, আলী আহমদের মুখ থেকে আপনার ব্যাপারে কোনো বেয়াদবিমূলক কথা বেরিয়ে গিয়েছিল। হয়তো এই বিশৃঙ্খলার ঝাপটায় সে আবেগতাড়িত হয়ে পড়েছিল এবং কোনো কটুবাক্য উচ্চারণ করে ফেলেছিল। হয়তো জযবা নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে আপনার সঙ্গে কোনো বেয়াদবিমূলক আচরণও করে ফেলেছিল। এরপর আমি হাদিস শরিফের এই বাণী উল্লেখ করলাম— مَنْ آذَى لِي وَلِيًّا فَقَدْ آذَنْتُهُ بِالْحَرْبِ যে আমার কোনো ওলীকে কষ্ট দেয়, আমি তার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করি। আমি বললাম, আপনি তো তার মুহসিন, তার মুরব্বি, তার সুহৃদ ও অভিভাবকসুলভ ব্যক্তি। সায়্যিদ সাহেব অত্যন্ত বিনয় ও নম্রতার সঙ্গে উত্তর দিলেন میں کیا چیز ہوں؟ আমি আর কী? আমি দ্বিতীয়বারও তাঁর কাছে আলী আহমদের জন্য দুআর আবেদন করলাম। কিন্তু সায়্যিদ সাহেব চুপ থাকলেন।

photo content

বইটা আসলেও দারুণ। তানতাভীর সব বই কোনো প্রকাশনী একবারে আনলে সেই হতো।
বইটা আসলেও দারুণ। তানতাভীর সব বই কোনো প্রকাশনী একবারে আনলে সেই হতো।

আখতার ফারুক সাহেবের বাংলা অসাধারণ। এটা তারই অনুবাদ। নাশাতের প্রকাশক আহসান ইলিয়াস ভাই এটার ভালো প্রশংসা করেছিলেন। সংগ্রহ করা হ
আখতার ফারুক সাহেবের বাংলা অসাধারণ। এটা তারই অনুবাদ। নাশাতের প্রকাশক আহসান ইলিয়াস ভাই এটার ভালো প্রশংসা করেছিলেন। সংগ্রহ করা হলেও পড়া হয়নি। আখতার ফারুক সাহেবের আরও বেশকিছু ভালো অনুবাদ আছে।

photo content

বই : এখন যৌবন যার ২ (উমেদ থেকে প্রকাশিতব্য)
বই : এখন যৌবন যার ২ (উমেদ থেকে প্রকাশিতব্য)

থানভী রহ. বলেন, আমি এক বুযুর্গকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ওলামায়ে কেরামের আধ্যাত্মিকতার পথে খুব কম মুজাহাদা করতে হয় এবং তাঁদের খুব তাড়াতাড়ি উদ্দেশ্য সাধন হয়, এর কারণ কী? সে বুযুর্গ অত্যন্ত চমৎকার জবাব দিয়েছেন যে, এরা সবচেয়ে বেশি মুজাহাদা করে। এই ছাত্রজীবন তো মুজাহাদাই বটে! এর দৃষ্টান্ত হলো, যে দিয়াশলাইকে অনেক বছর রোদ দেওয়া হয়েছে, তা সামান্য তাপ পেতেই জ্বলে উঠবে, আর যে সবসময় আদ্রতারই দেখা পেয়েছে, কখনো রোদের মুখোমুখিই হয়নি, তা অতি কষ্টেই জ্বলবে। (ইফাযাতুল ইয়াওমিয়‍্যা, খণ্ড : ৪, পৃষ্ঠা : ২৭) [উলামায়ে কেরামের উদ্দেশ্যে হযরত থানভী রহ.-এর বাণী : ১৩]

হযরত জুনাইদ বাগদাদী রহিমাহুল্লাহ বলতেন, মানুষের জন্য কল্যাণের সকল পথ বন্ধ, তবে যারা রাসূলের অনুসরণ করবে, তার সুন্নাহ মেনে চলবে এবং তাঁর সুন্নাহ আঁকড়ে ধরবে, তার জন্যে কল্যাণের সব দরজা খোলা থাকবে। [মাওয়ায়েযে জুনাইদ বাগদাদী : ৩১]

Repost from N/a
মাকতাবাতুল হাসান একসময় শুধু আরবি বই সেল করত। পাশাপাশি টুকটাক বাংলা বই বের করলেও সিরিয়াস ছিল না। তাদের সবচাইতে হিট বইয়ে অনুবাদ
মাকতাবাতুল হাসান একসময় শুধু আরবি বই সেল করত। পাশাপাশি টুকটাক বাংলা বই বের করলেও সিরিয়াস ছিল না। তাদের সবচাইতে হিট বইয়ে অনুবাদগত টুকটাক ভুল ছিল। একজন বড় লেখক তার স্মৃতিচারণে সেই বই নিয়ে ভদ্রভাবে সমালোচনা করেছিলেন। সেটা আবার আমি রাকিব ভাইয়ের দৃষ্টিগোচর করলাম। এরপর থেকে এত সিরিয়াস হলেন যে, ইসলামি বই বাজারে হাসানকে সেরার পর্যায়ে নিয়ে গেলেন সব দিক দিয়েই। যাকগে, রাকিব ভাইয়ের সাথে সেই অনেক আগে থেকেই সম্পর্ক। মফস্বলের গাঁয়ে থেকেও অনলাইনের বদৌলতে অনেক বড় মানুষদের সাথে সম্পর্ক হয়েছিল। তারা জাস্ট বইয়ের সাথে সম্পৃক্ত হওয়ায় যেভাবে মূল্যায়ন করেছেন, তা অকল্পনীয়। যাকগে, এই সিরিজটার জন্য রাকিব ভাইকে বোধহয় আমার চেয়ে বেশি কেউ বিরক্ত করেনি। দেশে থাকলে বের হওয়ার প্রথম ২/৩ দিনেই সিরিজটা সংগ্রহ করে হাতে পেয়ে যেতাম হয়তো। এই সিরিজটা আসলে প্রতি ঘরেই থাকা উচিত। তালীম করা উচিত সবার মাঝে।

photo content

বইটা পড়েছেন, কিংবা জানেন? বইটা আন্ডার রেটেড। খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বই। তাকী উসমানী সাহেবের এই বইটার অনুবাদ অবশ্যই সুন্দর। তব
বইটা পড়েছেন, কিংবা জানেন? বইটা আন্ডার রেটেড। খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা বই। তাকী উসমানী সাহেবের এই বইটার অনুবাদ অবশ্যই সুন্দর। তবুও আমি চাই আরও ২/৩ টা ভালো প্রকাশনী থেকে আসুক। মারকায থেকে এলে তো সোনায় সোহাগা।

photo content

আবু হাযেম রহ. বলেন, যে বান্দা আল্লাহর সাথে সম্পর্ক ঠিক রাখে, আল্লাহ তা'আলা বান্দাদের সাথে তার সম্পর্ক সংশোধন করে দেন। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ তা'আলার সাথে সম্পর্ক নষ্ট করে, আল্লাহ বান্দাদের সাথে তার সম্পর্ক নষ্ট করে দেন। একজনকে সন্তুষ্ট রাখা সবাইকে সন্তুষ্ট রাখা অপেক্ষা অধিক সহজ। সুতরাং তুমি যখন আল্লাহর সাথে সম্পর্ক ঠিক করে নিবে, সবাই তোমার প্রতি ধাবিত হয়ে যাবে। আর যদি আল্লাহর সাথে সম্পর্ক নষ্ট করো, তাহলে সবাই তোমাকে অপছন্দ করবে। [মাওয়ায়েযে আবু হাযেম সালামাহ ইবনে দীনার রহ. : ২৩]

আবু হাযেম রহ. বলেন, বাতেনের উপর যাহেরের প্রভাবের তুলনায় যাহেরের উপর বাতেনের প্রভাব বেশি শক্তিশালী। কাজের উপর কথার প্রভাবের তুলনায় কথার উপর কাজের প্রভাব অনেক বেশি। [মাওয়ায়েযে আবু হাযেম সালামাহ ইবনে দীনার রহ. : ৩৯]