7 877
Підписники
-124 години
-287 днів
-8430 днів
Архів дописів
7 877
পশ্চিমবঙ্গে ঈদ কোরবানীর পর আজানেও বাধা -
-
আমাদের পার্শ্ববর্তী পশ্চিমবঙ্গে ভাল নেই মুসলিমরা, প্রতিনিয়ত তাদেরকে কোনঠাসা করার জন্য গে'রু'য়া স/ন্ত্র|সী বাহিনী নতুন নতুন ষ'ড়যন্ত্র নিয়ে মাঠে নামছে। তাদের মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার জন্য যা করা দরকার সবই করছে।
নানান ধরণের ষড়ন্ত্র করছে। কয়দিন আগে প্রকাশ্যে ঈদের নামাজ ও গরু কোরবানী নিষিদ্ধ করার পর এবার আজানের উপর বিধি নিষেধ আরোপ করেছে। শব্দ দূষণের অজুহাতে মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়া হচ্ছে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অসংখ্য মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে।
এই নিয়ে মুসলিম সমাজে ব্যাপক ক্ষো'ভ ও ঘৃ'ণার সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু কেউ ভয়ে মুখ খোলার এবং প্রতিবাদ করার সাহস করছেন না। কারণ মুখ খুললেই কথিত ‘গু*ণ্ডা দমন’ আইনে তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। এই তো কয়দিন আগে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী মুসলিম প্রতিবাদীদের উদ্দেশ্য করে বলেছেঃ ‘গু*ণ্ডা দমন আইনে আমি এমন ব্যবস্থা নেব, যাতে একদিন নয় এই গুণ্ডাদের তিন পুরুষ মনে রাখে’
7 877
জাহিলিয়্যাতের সময়কার একটি প্রচলন আমরা সকলেই জানি—কন্যাশিশুকে জীবন্ত কবর দেওয়া।
আর আজ ২০২৬!
নবজাতক কন্যা হোক বা পুত্র; গর্ভে থাকুক বা জন্ম নিক—অ্যাবরশন, ডাস্টবিনে ফেলে কুকুরের খাদ্য বানানো, সুউচ্চ দালান থেকে ফেলে হত্যা করা—কিছুই যেন বাদ পড়ছে না।
ইসলামকে ভুলে যে ‘আধুনিক সমাজ’ গড়ে উঠেছে, তা যেন আইয়্যামে জাহিলিয়াতের সময়কার নির্মমতাকেও হার মানায়।
রাস্তায় নিক্ষিপ্ত আজ নবজাতকের লাশ! - এ পাশবিকতা জাহিলিয়্যাতের হত্যাযজ্ঞকেও হার মানায়
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
7 877
আ/ফ-গ|নিস্তানে হ|মল| চালিয়ে নিস্পাপ শি**শুহ#ত্যা : পাকিস্তানী বা-হি/নীর বর্বরতা ও নৃশংসতা
বুধবার গভীর রাতে ইসলামী রাষ্ট্র আফগানিস্তানে হা ম লা চালিয়ে ফুলের মত নিস্পাপ শি**শুদেরকে হ#ত্যা করেছে সেক্যুলার পাকিস্তানী আ&র্মি। ইসলামী রাষ্ট্র, ইসলামী শাসনব্যবস্থা এবং ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে তাদের এ শত্রুতা নতুন নয়।
মা-র্কি"ন আগ্রাসনের বিশ বছরের পুরোটা সময়জুড়েই পাকিস্তানের সেক্যুলার আর্মি এবং সেক্যুলার সরকার আফগানিস্তানে ইসলামের বিজয়কে প্রতিহত করার উদ্দেশ্যে আ মে রি কাকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করে গেছে, কিন্তু আল্লাহ তায়ালার ইচ্ছায় তাদের মনিব আমেরিকা লাঞ্চিত ও পরাজিত হয়ে লেজ গুটিয়ে পালিয়েছে।
মনিব আ মে রি কা পলায়ন করার পরেও তাদের ভৃত্য পাকিস্তানী সেক্যুলাররা ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে শত্রুতা অব্যাহত রেখেছে।
এভাবে অবলীলায় ফুলের মত নিস্পাপ শি**শুদেরকে যারা হ#ত্যা করে তাদেরকে ঘৃণা করা এবং প্রতিরোধ করা প্রতিটি মুমিনের ঈমানী দায়িত্ব। তবে অনেক অবুঝ মানুষ আছে, যারা পাকিস্তানি আ&র্মির যৌক্তিক সমালোচনাও সহ্য করতে পারেনা। তাদেরকে আমরা অনুরোধ করব, এই নিস্পাপ শি**শু ও অসহায় না~রীদের কথা ভাবুন-যাদেরকে পাকিস্তানী সে/ক্যুলাররা অবলীলায় হ#ত্যা করেছে।
এটাও মাথায় রাখা জরুরী যে, পাকিস্তানি সেক্যুলারদের বিরোধিতা করার অর্থ কোনোভাবেই ই/ন্ডি'য়াকে সমর্থন করা নয়। বরং পাক-ভারত উপমহাদেশে ই/ন্ডি'য়াই আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু। ই/ন্ডি'য়ার বিরুদ্ধে কাশ্মীরে সম্মানিত মু^জ|হিদগণ লড়াই অব্যাহত রেখেছেন।
এবং ক্রমাগত প্রস্তুতি গ্রহণের মাধ্যমে সক্ষমতা বৃদ্ধির চেষ্টা করে যাচ্ছেন। কিন্তু খোদ পাকিস্তানী সেক্যুলাররাই বারবার কাশ্মীর জি/হ|দকে ধ্বংস করার চেষ্টা করেছে, ই/ন্ডি'য়াকে সুরক্ষিত রেখে মাঝে মাঝে কেবল কাশ্মীর ইস্যু দিয়ে নিজস্ব রাজনৈতিক ফায়দা হাসিল করতে চেয়েছে। আল্লাহর রাস্তার মু^জ|হিদ, ইসলামপন্থী এবং ইসলামী শাসনব্যবস্থার বিরুদ্ধে পাকিস্তানী সেক্যুলাররাও ই/ন্ডি'য়ার মতই আচরণ করে। আফগানিস্তানে বর্বর আক্রমণ করার মাধ্যমে এ সত্যকে তারা আবারো প্রমাণ করেছে।
এ প্রসঙ্গে আমাদের আগের পোস্টে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য এসেছে। গুরুত্ব সহকারে সে পোস্টটি পড়তে, পোস্টটি নিয়ে আলোচনা পর্যালোচনা এবং শেয়ার করতে পাঠকবর্গের কাছে সবিশেষ অনুরোধ করছি।
আগের পোস্টের লিংক কমেন্টে দেওয়া আছে।
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
7 877
লেজকাটা শেয়ালগুলোকে থামান!!! || Shaikh Tamim Al Adnani
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
7 877
আসুন শোকরগোযার বান্দা হই-
প্রতিদিন প্রতিনিয়ত কতশত নেয়ামতের মধ্যে ডুবে আছি আমরা। জীবনের শুরু থেকে আজ পর্যন্ত কত নেয়ামত যে ভোগ করেছি তার কোন হিসেব নেই। কত নিপুণভাবে তিনি আমাদের সৃষ্টি করেছেন। কত প্রজ্ঞার সাথে আমাদের অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো বানিয়েছেন।
শুধু সৃষ্টি করেই তিনি ছেড়ে দেননি, দুনিয়াতে বেঁচে থাকার জন্য যত কিছুর প্রয়োজন সব কিছুর ব্যাবস্থা করেছেন। শিশুকালে যখন আমি খাবার খেতে পারতামনা তখন তিনি আমার জন্য মায়ের বুকে দুধ পাঠিয়েছেন। সবার ভেতর আমার প্রতি মমতা ঢেলে দিয়েছেন, আমি একটু কান্না করলেই ছুটে আসতো সবাই।
তিনি চাইলে আমদেরকে অন্যন্য প্রাণীর ন্যায় বাকশক্তিহীন বানাতে পারতেন। কিন্তু না, তিনি দয়া করে বাকশক্তিসম্পন্ন বানিয়েছেন, যার মাধ্যমে মনের সব কথা প্রকাশ করতে পারি আমরা। শোনার জন্য দুটি কান দিয়েছেন, দেখার জন্য দুটি চোখ দিয়েছেন, হাঁটার জন্য দুটি পা দিয়েছেন, এগুলো ছাড়াও প্রয়োজনীয় আরো অনেক অঙ্গ আছে। সবই তিনি বিনামূল্যে দান করেছেন। এই অঙ্গগুলো এত দামী যে, কোটি টাকা খরচ করেও এরমত বা এর বিকল্প কিছু পাওয়া সম্ভব নয়। এসবের মূল্য সেই বোঝে যে একবার পাওয়ার পর হারিয়েছে।
শুধু তাই নয়, অক্সিজেনের মত দামী জিনিসটাও তিনি একেবারে বিনামূল্যে দান করেছেন। চন্দ্র সূর্য গাছ-পালা পশু পাখি ইত্যাদি সৃষ্টিকে আমাদের সেবায় নিয়োজিত করে দিয়েছেন। মোটকথা আমাদের যত কিছুর প্রয়োজন সব কিছুর ব্যাবস্থাই তিনি করেছেন। প্রতিনিয়ত আমরা এমন জানা অজানা অসংখ্য নেয়ামতের মধ্যে ডুবে আছি।
যদি গণনা করতে শুরু করি তাহলে গুনে শেষ করতে পারবোনা। যদি লিখতে বসি তাহলে কলম শেষ হয়ে যাবে তবু নেয়ামতের কথা লিখে শেষ করা যাবেনা। জীবন শেষ হয়ে যাবে তবু তার নেয়ামতেসমূহের বর্ণনা শেষ হবেনা। এই সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা সূরা নাহলের ১৮ নাম্বার আয়াতে বলেছেন-
وَ اِنۡ تَعُدُّوۡا نِعۡمَة اللّٰهِ لَا تُحۡصُوۡهَا ؕ اِنَّ اللّٰهَ لَغَفُوۡرٌ رَّحِیۡمٌ
তোমরা আল্লাহর নি‘মাতসমূহকে গণনা করলে তার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না; আল্লাহ অবশ্যই বড়ই ক্ষমাশীল, বড়ই দয়ালু। -সুরা নাহল ১৮
অপর এক আয়াতে তিনি বলেন-
وَ لَوۡ اَنَّ مَا فِی الۡاَرۡضِ مِنۡ شَجَرَۃٍ اَقۡلَامٌ وَّ الۡبَحۡرُ یَمُدُّهٗ مِنۡۢ بَعۡدِهٖ سَبۡعَة اَبۡحُرٍ مَّا نَفِدَتۡ كَلِمٰتُ اللّٰهِ ؕ اِنَّ اللّٰهَ عَزِیۡزٌ حَكِیۡمٌ
দুনিয়ার সব গাছ যদি কলম হয় আর সমুদ্র (কালি হয়) আর তার সাথে আরো সাত সমুদ্র যুক্ত হয়, তবুও আল্লাহর (প্রশংসার) কথা (লেখা) শেষ হবে না। আল্লাহ মহাপরাক্রমশালী, মহাপ্রজ্ঞার অধিকারী। - সুরা লুকমান ২৭
এত এত নেয়ামত ভোগ করার পরও আমরা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করিনা। দুঃখের বিষয় হল, শোকর যে করতে হবে এই অনুভূতিও নেই অনেকের মাঝে। তারা মনে করেন এসব নেয়ামত কেউ দয়া করে দেয়নি, বরং সে নিজেই এর হকদার।
আবার আমরা যারা এগুলোকে নেয়ামত মনে করি তারাও পরিপূর্ণরূপে শোকর আদায় করিনা, করতে পারিওনা। তবে পারিনা বলে বসে থাকা তো কোন মুমিনের শান হতে পারেনা। আল্লাহ তাআলার কাছে তাওফিক চাইতে হবে। দুঃখের বিষয় হল আমরা অনেক সময় তাওফিকও চাইনা।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুয়াজ রাদিয়াল্লাহু আনহুকে শোকর আদায়ের তাওফিক লাভের জন্য চমৎকার একটি দোয়া শিখিয়েছেন। সুনানে আবু দাউদে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে, হাদিসটি হলঃ
عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، أَنَّ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَخَذَ بِيَدِهِ وَقَالَ " يَا مُعَاذُ وَاللهِ إِنِّي لأُحِبُّكَ وَاللهِ إِنِّي لأُحِبُّكَ " . فَقَالَ " أُوصِيكَ يَا مُعَاذُ لَا تَدَعَنَّ فِي دُبُرِ كُلِّ صَلَاةٍ تَقُولُ : اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ "
মুয়াজ ইবনে জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত। একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত ধরে বললেন, হে মুয়াজ! আল্লাহর শপথ আমি অবশ্যই তোমাকে ভালবাসি, আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাকে ভালবাসি। তিনি বললেন, হে মুয়াজ! আমি তোমাকে অসিয়ত করছি, তুমি প্রত্যেক নামাযের পর এই দোয়াটি পড়বে, কখনো ছাড়বেনা।
اللَّهُمَّ أَعِنِّي عَلَى ذِكْرِكَ وَشُكْرِكَ وَحُسْنِ عِبَادَتِكَ
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমাকে আপনার জিকির করতে, আপনার শুকরিয়া আদায় করতে এবং উত্তমভাবে আপনার ইবাদাত করতে সাহায্য করুন। - আবূ দাউদ ১৫২২
ইনশাআল্লাহ আমরা পাঁচ ওয়াক্ত নামাযের পর দোয়াটি পড়ার চেষ্টা করবো। আল্লাহ তাআলা যেন আমাদের সবাইকে তাঁর শোকরগোযার বান্দা হিসেবে কবুল করেন।
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
7 877
আর বাস্তবেও তাই, ভা/র'তে গুণ্ডা রাজই চলছে। সেখানে মুসলিমদের তৃতীয় শ্রেণির নাগরিক বানিয়ে রাখা হয়েছে, তাদের সাথে পশুর ন্যায় আচরণ করা হয়। কোন কারণ ছাড়া তাদেরকে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয়, তথ্য প্রমাণ ছাড়া শুধুমাত্র হিন্দুদের নালিশের ভিত্তিতে মুসলিমদের ঘর-বাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়। মসজিদ মাদ্রাসা বন্ধ করে দেওয়া হয়, অবৈধ বলে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়।
এই তো কিছুদিন আগে মিডিয়ায় রিপোর্ট হয়েছে, ভা/র'তে ৪৫ দিনে ২৩ টির বেশি মসজিদ মাদ্রাসা গুঁড়িয়ে দিয়েছে সেখানকার হিন্দুত্ববাদী সন্ত্রাসী সরকার।
মোট কথা এমন কোন জুলুম নেই যেটি ভা/র'তের মুসলিমদের উপর করা হচ্ছেনা। সেখানকার মুসলিমরা দাঁতে দাঁত চেপে জুলুম সহ্য করে যাচ্ছেন আর একজন মুক্তির ঝাণ্ডাবাহী বীর মুজাহিদের অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন।
-
আমরা কি পারিনা ভা/র'তের ভাইদের মুক্ত করার জন্য বজ্রকঠিন শপথ নিতে, পার্শ্ববর্তী আরাকানের মজলুম ভাই বোনদের হারানো জমিন ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য এক পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হতে?
আমাদের সবাইকে এক হতে হবে, মজলুমদের মুক্ত করার জন্য এবং দ্বীন কায়েমের জন্য সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিতে হবে। কিন্তু যদি অলসতা আর অবহেলা করি তাহলে আমাদেরকেই ভুগতে হবে।
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
7 877
আমাদের পার্শ্ববর্তী পশ্চিমবঙ্গে ভাল নেই মুসলিমরা, প্রতিনিয়ত তাদেরকে কোনঠাসা করার জন্য গেরুয়া সন্ত্রাসী বাহিনী নতুন নতুন ষ/ড়য'ন্ত্র নিয়ে মাঠে নামছে। তাদের মুসলিম পরিচয় মুছে ফেলার জন্য নানান ধরণের ষ/ড়য'ন্ত্র করছে।
কয়দিন আগে প্রকাশ্যে ঈদের নামাজ ও গরু কোরবানী নিষিদ্ধ করার পর এবার আজানের উপর বিধি নিষেধ আরোপ করেছে। শব্দ দূষণের অজুহাতে মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়া হচ্ছে, রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় অসংখ্য মসজিদ থেকে মাইক খুলে নেওয়ার দৃশ্য প্রকাশ্যে এসেছে।
এই নিয়ে মুসলিম সমাজে ব্যাপক ক্ষোভ ও ঘৃণার সৃষ্টি হয়েছে, কিন্তু কেউ ভয়ে মুখ খোলার এবং প্রতিবাদ করার সাহস করছেন না। কারণ মুখ খুললেই কথিত 'গুণ্ডা দমন' আইনে তাদেরকে হয়রানি করা হচ্ছে। এই তো কয়দিন আগে রাজ্যের মূখ্যমন্ত্রী মুসলিম প্রতিবাদীদের উদ্দেশ্য করে বলেছেঃ
'গুণ্ডা দমন আইনে আমি এমন ব্যবস্থা নেব, যাতে একদিন নয় এই গুণ্ডাদের তিন পুরুষ মনে রাখে'
এই বক্তব্য শুনে এটি কি একজন মূখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য নাকি বখাটে গুণ্ডার বক্তব্য সেটি আপনি পার্থক্য করতে পারবেন না। মনে হবে এটি কোন গুণ্ডার প্রতিপক্ষকে দেওয়া হুমকিসূচক বক্তব্য।
7 877
পূর্ব-তুর্কিস্তান: মানবতার প্রবেশ যেখানে নিষিদ্ধ || Shaikh Tamim Al Adnani
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
7 877
কাশ্মীরের এই মহান মু/জা/হিদদের মত পুরো উম্মাহকেই বুঝতে হবে, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহর দাবীতে প্রতিষ্ঠিত হওয়া পাকিস্তানের পবিত্র জমিনকে আ মে রি কার এই গোলামদেরকে হাত থেকে মুক্ত করা ছাড়া কাশ্মীরকেও আজাদ করা যাবেনা, আফগানিস্তানের ইসলামী শাসনব্যবস্থাকেও নিরাপদ ও স্থিতিশীল রাখা যাবেনা, পাকিস্তানেও ইসলামী শরীয়াহ বাস্তবায়ন করা যাবেনা, এবং বিশ্বজুড়ে একক ইসলামী খেলাফত ফিরিয়ে আনার পথও সুগম হবেনা।
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
7 877
ইসলামপন্থী থেকে আ মে রি কার দালালে পরিণত হওয়া আহমাদ শাহ মাসুদের ছেলেকে দিয়ে বিদ্রোহ করানোর চেষ্টা করেছে। গোপনে দায়েশের খারেজীদেরকে পরোক্ষভাবে লজিস্টিক সাপোর্টের ব্যবস্থা করে তাদের দ্বারা ক্রমাগত চোরাগুপ্তা হামলা করিয়ে আফগানিস্তানকে অস্থিতিশীল বানাতে চেয়েছে।
এই নাপাক বাহিনীর অপকর্মের ফিরিস্তি এখানেই শেষ নয়। গোলামির উপর জন্ম নেওয়া এই বাহিনীর অসংখ্য অপকর্মের মধ্য থেকে সামান্য কিছু আমরা এখানে উল্লেখ করছি.....
এখান থেকে পাঠক সহজেই বুঝতে পারবেন, কেন শরীয়াহ এবং খিলাফাহকামী প্রতিটি মুসলিম এই নাপাক বাহিনীকে ঘৃণা করে, কেন তারা পাকিস্তানের সেক্যুলার স্ট্যাবলিশমেন্টের বিরোধিতা করে।
১। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্রিটেনের পক্ষে উসমানী খেলাফতের বিরুদ্ধে যু*দ্ধ করেছিল ব্রিটেন শাসিত পাক-ভারত উপমহাদেশের পাঞ্জাব রেজিমেন্ট, পরবর্তীতে এই গাদ্দার রেজিমেন্টের একাংশকে অন্তর্ভুক্ত করেই গঠিত হয় পাকিস্তানি আর্মি। জন্মলগ্ন থেকেই গোলামি এবং গাদ্দারীর উত্তরাধিকার বহন করে আসছে এই বাহিনী।
২। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশে নির্বিচারে গণহ*ত্যা চালিয়েছে এবং বহু নারীর সম্ভ্রমহানি করেছে এই গোলাম বাহিনী।
৩। ১৯৭০ সালের সেপ্টেম্বারে জর্ডান সেনাবাহিনী যখন ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী যোদ্ধা ও শরণার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যপক অভিযান চালায় তখন বিমান দিয়ে বোম্বিং করে ফিলিস্তিনের আজাদীর স্বপ্ন নিভিয়ে দেওয়ার যু*দ্ধে অংশ নেয় পাকিস্তান বিমান বাহিনীর পাইলটরা। ইতিহাসের এই কালো অধ্যায় ব্ল্যাক সেপ্টেম্বর নামে পরিচিত
৪। আ মে রি কার প্রক্সি এই গোলামবাহিনীই আফগানভূমিতে মা-র্কি"ন আগ্রাসনে আ মে রি কার পক্ষে সবচেয়ে বড় ভূমিকা পালন করেছে, নিজেদের জল, স্থল ও আকাশপথ আ মে রি কাকে ব্যবহার করতে দিয়ে ইসলামী শাসনব্যবস্থা উৎখাত করতে সহায়তা করেছে, এবং লক্ষ লক্ষ আফগান নারী-পুরুষ ও শিশু হ*ত্যা করতে সাহায্য করেছে।
৫। মোল্লা আব্দুল গণী বারাদার হাফিজাহুল্লার মত উচ্চপদস্থ মর্যাদাবান তা/লে-বান নেতাদেরকে বন্দী করে অকথ্য নির্যাতন করেছে আ মে রি কার ঘনিষ্ঠতম প্রক্সি এই পাকিস্তানী বাহিনী।
৬। এই বাহিনীই উম্মাহর নির্যাতিতা বোন ড. আফিয়া সিদ্দিকাকে গ্রেফতার করে আ মে রি কার কাছে বিক্রি করে দিয়েছে, কারাগারে তাকে মা-র্কি"ন নরপশুদের কাছে লোমহর্ষক নির্যাতনের মুখোমুখি করেছে।
৭। মোল্লা আব্দুস সালাম জাইফ একজন ডিপ্লোম্যাট হওয়া সত্ত্বেও তাকে গ্রেফতার করে নির্যাতন করে আ মে রি কার কাছে বিক্রি করে দিয়েছিল এই নির্লজ্জ বাহিনী।
৮। বিশ্বের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গেরিলা যু*দ্ধ বিশেষজ্ঞ, কাশ্মীর ফর আইকন কমান্ডার ইলিয়াস কাশ্মীরী রহিমাহুল্লাহকে গ্রেফতার করে অকথ্য নির্যাতন চালায় এই নিকৃষ্ট সেনাবাহিনী। ইলিয়াস কাশ্মীরীর প্রতিষ্ঠিত কাশ্মীর জি/হা-দের অন্যতম সফল ও সক্রিয় মুক্তিকামী সংগঠন ৩১৩ ব্রিগেডের উপর অতর্কিত গাদ্দারীমূলক হামলা চালিয়ে তাঁদের ঘাঁটি দখল করে কাশ্মীরের স্বাধীনতা আন্দোলনকে স্তিমিত করে দেয় পাকিস্তানী বাহিনী ।
৯। পাকিস্তানের কাবায়েল অঞ্চলে হাজার হাজার নারী-শিশু-বৃদ্ধদেরকে নির্বিচারে গণহ*ত্যা করেছে এই খুনী বাহিনী।
১০। ওয়াজিরিস্তান-বেলুচিস্তান সহ সমগ্র পাকিস্তানের হাজার মানুষকে গুম করেছে এই অসভ্য বাহিনী, পাকিস্তান আর্মির দ্বারা সংঘটিত গুমের পরিমাণ এমনকি শেখ হাসিনার গুমবাহিনীর চেয়েও অনেক অনেক বেশি।
১১। শুধুমাত্র ইসলামী শরীয়াহ চাওয়ার 'অপরাধে' জামিয়া হাফসা এবং লাল মসজিদে মা বোনদের উপরে পর্যন্ত গণহ*ত্যা চালিয়েছে এই পাশবিক বাহিনী।
১২। সামিউল হক হাক্কানী, হামিদুল হক হাক্কানী রহিমাহুমাল্লাহ সহ পাকিস্তানের বহু বড় বড় আলেম ওলামাকে গুপ্তহ*ত্যা করেছে এই রক্তপিপাসু বাহিনী।
১৩। এই বাহিনী পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে কারাগারে বন্দী করে রেখেছে। তার দলের সাধারণ নেতাকর্মীদের উপর চালিয়েছে অবর্ণনীয় নির্যাতন। অথচ ইমরান খান গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে ক্ষমতায় এসেছিলেন, এবং শরিয়াহপন্থি ব্যক্তিত্বও ছিলেন না। তার অপরাধ ছিল কিছুটা স্বাধীনচেতা হওয়া এবং পাকিস্তান আর্মির মত সর্বস্ব দিয়ে আ মে রি কার গোলামী করার ব্যপারে রাজি না হওয়া।
১৪। জাইশে মুহাম্মাদসহ পাকিস্তানের অভ্যন্তরে কাশ্মীরের আজাদীর জন্য কাজ করা সংগঠনগুলোকে সিস্টেম্যাটিকভাবে অকার্যকর করে রেখেছে এই গাদ্দার বাহিনী।
মূলত, ই"ন্ডি-য়ার হাত থেকে কাশ্মীরকে স্বাধীন করার পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা হল পাকিস্তানি আর্মি। কাশ্মীর জি/হা-দের শ্রেষ্ঠতম নেতৃবৃন্দ প্রায় সবাই জীবনের কোনো না কোনো পর্যায়ে এসে এই সত্য উপলধ্বি করতে বাধ্য হয়েছেন। পাকিস্তানের সেক্যুলার স্ট্যাবলিশমেন্টই যে কাশ্মীরের আজাদীর পথে সবচেয়ে বড় বাঁধা, সেই সত্যটা ইলিয়াস কাশ্মীরী থেকে বুরহানুদ্দীন ওয়ানী, আফজাল গুরু থেকে জাকির মুসা (রহিমাহুল্লাহ) - সকলেই বর্ণনা করে গেছেন।
7 877
পাক-বাহিনীর নাপাক আমল
সম্প্রতি পাকিস্তানের সেক্যুলার সরকার ইসলামাবাদে তা/লে-বান বিরোধী গোমরাহ, ফেমিনিস্ট, এবং সেক্যুলার শক্তিগুলোকে একত্রিত করে প্রকাশ্যে সম্মেলন আয়োজন করার উদ্যোগ নিয়েছিল। গতকাল এবং আজ (২৫ ও ২৬ অগাস্ট) দুই দিন ব্যাপী অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল এই সম্মেলন। পরবর্তীতে ইমারতে ইসলামিয়্যাহ আফগানিস্তানের কড়া প্রতিক্রিয়ার কারণে সম্মেলন স্থগিত করা হলেও এর মধ্য দিয়ে ইসলামী ইমারতের প্রতি পাকিস্তানের সেক্যুলার সরকারের শত্রুতা ও বিদ্বেষ সুস্পষ্টভাবে প্রকাশিত পেয়েছে।
ইসলামী শরীয়াহ দ্বারা পরিচালিত রাষ্ট্র ইমারতে ইসলামিয়্যাহ আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সেক্যুলার স্ট্যাবলিশমেন্টের এই শত্রুতা এবং ষঢ়যন্ত্র নতুন কিছু নয়।
মা-র্কি"ন আগ্রাসনের বিশ বছরের পুরোটা সময়জুড়ে পাকিস্তানের সেক্যুলার আর্মি এবং সেক্যুলার সরকার আ মে রি কাকে সবধরনের সহযোগিতা তো করেছেই, এমনকি তাদের মনিব আ মে রি কা লাঞ্চিত-পরাজিত হয়ে পলায়ন করার পরেও এই গোলামবাহিনী ষঢ়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে।
7 877
এরা সেখানকার সব ধরনের সামরিক স্থাপনা, অ$স্ত্রাগার, টানেল ও অ$স্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা ধ্বংস করে দেবে এবং এগুলো আর পুনর্নির্মাণ করতে দেবেনা। নিরপেক্ষ পর্যবেক্ষকদের তত্ত্বাবধানে গা*যার নির"স্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া পরিচালনা করা হবে। সকল অ$স্ত্র স্থায়ীভাবে নিষ্ক্রিয় করা হবে। যেন কখনো আর কেউ মসজিদে আক্বসা ও মাতৃভূমির মুক্তির জন্য প্রতিরোধে না দাঁড়াতে পারে।
এর আসল উদ্দেশ্য কী?
ই/স-রা'য়েল ও আ-মে~রিকা তাদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ও অ$স্ত্র ব্যাবহার করেও মাত্র সাড়ে তিনশ বর্গ কিলোমিটারের ছোট্ট গা*যাকে দখল করতে পারেনি। এখনো সেখানে জি-হ|দের আগুন দাউদাউ করে জ্বলছে, যেই আগুন কখনো নিভে যাওয়ার নয়। প্রতিদিন সেখানে ই/স-রা'য়েলের সেনা প্রাণ হারাচ্ছে, সামরিক সরঞ্জাম ধ্বংস হচ্ছে। এভাবে চলতে থাকলে ই/স-রা'য়েল বেশি দিন টিকতে পারবেনা। অচিরেই পরাজয়ের ঘোষণা দিয়ে গা*যা ছাড়তে হবে। তাই তারা তাদের একনিষ্ঠ গোলামদের সহায়তায় গা*যা দখল করতে চায়। সেজন্যই মূলত এই পরিকল্পনা।
এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে গা*যার নিয়ন্ত্রণ থাকবে কথিত ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যা/বি/ল|ইজেশন ফোর্স (আইএসএফ) এর হাতে। এরা নিয়ন্ত্রণ হাতে নেওয়ার পর সর্বপ্রথম গা*যার যুবকদের নির"স্ত্র করবে এবং সমস্ত অ$স্ত্রাগার ও টানেল ধ্বংস করবে।
এরপর যুবকদের মগজ ধোলাইয়ের জন্য আন্তঃধর্মীয় সংলাপ শুরু করবে। যেন আর কেউ আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় জি-হ|দে শরীক হতে না পারে। আর কেউ দখলদারদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে না পারে। যুবকরা মগজ ধোলাইয়ের শিকার হয়ে যাবতীয় কু"ফ"র শিরককে সহজেই মেনে নিতে পারে।
এভাবে যখন গা*যা পরিপূর্ণভাবে আ-মে~রিকার নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে তখন সমন্বিত বাহিনী নিজ প্রভূ আ-মে~রিকার ইশারায় সরে আসবে। তখন ই/স-রা'য়েল বিনা বাধায়, বিনা প্রতিরোধে গা*যাকে দখলে নিতে পারবে।
-
এই হল কু"ফ"ফারদের পরিকল্পনা, আর নিশ্চয়ই আল্লাহ তাআলা উত্তম পরিকল্পনাকারী।
আমরা বিশ্বাস করি, আল্লাহ তাআলা কখনো শহীদদের র@ক্তকে বৃথা যেতে দেবেন না। গা*যা*য় যে লাকখের কাছাকাছি নারী, শিশু ও মু~জ|হিদ শহীদ হয়েছেন তাদের সাথে পা~কিস্তান, সৌ~দি, মি/শর, তু~রস্ক, ই'ন্দো~নেশিয়ার মত রা&ষ্ট্রগুলোর সে/ক্যুলার আ&র্মি ও শাসকরা গা$দ্দ|রী করলেও আল্লাহ তাআলা অবশ্যই এই র@ক্তকে ফলবান বৃক্ষ বানাবেন। যেই বৃক্ষের ফল ফুল, ডাল পালারা কখনো আল্লাহর শত্রুদের গা*যা*য় শান্তিতে থাকতে দেবেনা, গা$দ্দ|রদের গা$দ্দ|রী মেনে নেবেনা। তারা শুধুমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় মসজিদে আ"ক্বসা সহ দখলকৃত সকল ভূমি উদ্ধার করবে।
আয় আল্লাহ আপনি গা*যাকে আরেকটি পশ্চিম তীর হওয়া থেকে রক্ষা করুন। গা*যার মু~জ|হিদদেরকে কু"ফ"ফারদের যাবতীর ষড়/যন্ত্র ও গা$দ্দ|রদের গা$দ্দ|রী থেকে হেফাজত করুন।
প্রিয় ভাইয়েরা, আমরা যারা গা*যা থেকে দূরে আছি, সবাই দোয়া কবুলের মুহুর্তগুলোতে গা*যা ও ইসলামী ইমারতের জন্য আল্লাহর কাছে রোনাজারী করে বেশি বেশি দোয়া করি। আল্লাহ তাআলা যেন আমাদেরকে অক্ষমতা দূর করে শক্তি দান করেন তার জন্য চেষ্টা ও দোয়া অব্যহত রাখি। আমাদের ফি-লি/স্তিনি ভাইয়েরা যেমন গা*যা ফ্রন্টে আ-মে~রিকা - ই/স-রা'য়েল জোটের বিরুদ্ধে লড়ছেন, আমরাও নিজেদের নিকটবর্তী অঞ্চলগুলোতে আ-মে~রিকাবিরোধী হক্বপন্থী মু~জ|হিদদের সঙ্গী হয়ে আল আ"কসা উদ্ধারের প্রচেষ্টায় শরীক হই।
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
7 877
কেন হা/ম|সকে নির"স্ত্র করে গা*যায় যৌথ বাহিনী মোতায়েন করতে চায় ট্রা#ম্প? –
-
ই/স-রা'য়েল, আ-মে~রিকা, জা"র্মা"নী ও অন্যন্য কু"ফরী শক্তি দুই বছর ধরে তাদের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, সেনাবাহিনী ও অ$স্ত্র শস্ত্র ব্যবহার করেও গা*যা*য় এখন পর্যন্ত তেমন কোন সফলতার দেখা পায়নি। ই/স-রা'য়েল সেখানে প্রতিনিয়ত প্রচুর পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতির শিকার হচ্ছে কিন্তু লজ্জায় স্বীকার করতে পারছেনা। তাই এখন পরাজয়ের লজ্জা ঢাকতে এবং বিনা বাধায় গা*যাকে দখলে নিতে নতুন প্রতারণা নিয়ে হাজির হয়েছে।
এই পরিকল্পনার প্রধান সহযোগী হল পা~কিস্তান, সৌ~দি, তু~রস্ক, মি/শর, ই'ন্দো~নেশিয়া সহ মুসলিম নামধারী কতগুলো আ-মে~রিকার একনিষ্ঠ গোলাম রা&ষ্ট্র।
পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, তিন দিনের মধ্যে হা/ম|স ও অন্যন্য জি-হ|দী দলকে ট্রা#ম্পের প্রস্তাব মেনে অ$স্ত্র ছাড়তে হবে। তারা গা*যার কোন কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করতে পারবেনা। এর পরিবর্তে সেখানে দায়িত্ব নেবে আরব ও অন্যন্য দালালদের সমন্বয়ে গঠিত ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যা/বি/ল|ইজেশন ফোর্স (আই/এস/এফ)। আর সেখানে সরকারের দায়িত্ব পালন করবে ট্রা#ম্প ও টনি ব্লেয়ারের নেতৃত্বাধীন সরকার।
7 877
আল্লাহ যখন ভালোবাসেন... | by Shaikh Tamim Al Adnani
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
7 877
এই অঞ্চলের সীমান্ত আছে আ ফ গা নি স্তানের সাথে, এবং ঐতিহাসিকভাবেই এই ভূমি মূলত দারুল ইসলাম আ ফ গা নি স্তানের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ব্রিটিশরা ডুরাল্ড লাইন তৈরী করার মাধ্যমে আ ফ গা নি স্তানের বর্তমান ভূমি থেকে কাবায়েলকে বিচ্ছিন্ন করেছিল।
কিন্তু আফগান মু-জ|হিদরা কখনোই ব্রিটিশদের এঁকে দেয়া ডুরাল্ড লাইন স্বীকার করেন নি। খাইবার-পাখতুনখোয়া প|কি/স্তানি সেক্যুলারদের হাত থেকে ছুটে গেলে ই^ন্ডিয়ার দখলে চলে যাবে-এমন দাবী করা চূড়ান্ত পর্যায়ের অবাস্তব কথা। মনে রাখতে হবে, এই ভূমি আসলে দারুল ইসলাম আ ফ গা নি স্তানেরই একটা অংশ। ই^ন্ডিয়া তো দূরের কথা, আমে^রি'কাও যদি আসে এটা দখল করতে, অপমানজনক পরাজয় ছাড়া আর কোনো কিছু নিয়ে ফিরতে পারবেনা ইনশাআল্লাহ।
সেক্যুলার গোলামদের হাত থেকে আজাদ হলে এই ভূমি শরীয়ার ছায়াতলে আশ্রয় নেবে। ই^ন্ডিয়ার হি^ন্দুত্ববাদীদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও প্রতিশোধের এক নতুন দূর্গ হয়ে ওঠবে ইনশাআল্লাহ। এমনকি ই^ন্ডিয়া যদি প|কি/স্তানের অন্য কোনো অংশেও হামলা চালায়, এই ভূমির মু-জ|হিদরা সবার আগে রুখে দাঁড়াবেন এবং সবচেয়ে বেশি জানের নাজরানা পেশ করবেন বি ইজনিল্লাহ। কাশ্মীরকে কেন্দ্র করে ই^ন্ডিয়ার বিরুদ্ধে প|কি/স্তানের মানুষ যত যু*দ্ধ করেছেন প্রতিটি যু*দ্ধ সাক্ষী দিবে-কাবায়েলের সাহসী সন্তানদের পবিত্র রক্তে প্রতিটি ময়দান সবচোয়ে বেশি সিঞ্চিত হয়েছে।
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
[প্রথম ও দ্বিতীয় পর্বের লিংক কমেন্টবক্সে দেওয়া আছে]
7 877
নাপাক বা^হিনীর মি^থ্যা ন্যারেটিভ বনাম প্রকৃত বাস্তবতা – ৩
-
প|কি/স্তান আ^র্মি নিজেদের কায়েমী স্বার্থ টিকিয়ে রাখতে যেসব ন্যারেটিভ সবচেয়ে বেশি প্রচার করে সেটা হল ই^ন্ডিয়ার জুজুর ভয় দেখানো। প|কি/স্তান আ^র্মির অবৈধ হ|মলার বিরুদ্ধে পাল্টা প্রতিরোধ করলেই নাকি দেশটা দুর্বল হয়ে যাবে, ই^ন্ডিয়ার পেটে চলে যাবে!! সম্প্রতি মুফতী আব্দুর রহিম সাহেবের শাগরেদ মাওলানা তারেক মাসউদ সাহেবও এই ধরনের কথা প্রচার করছেন। কিন্তু কেউ যদি বিবেক কাজে লাগিয়ে একটু চিন্তা করে তাহলেই এসব কথার ফাঁক-ফোকর স্পষ্ট হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।
কাবায়েলি এলাকা যদি প|কি/স্তানের সেক্যুলার গোলামদের হাত থেকে পুরোপুরি ছুটে গিয়ে মু-জ|হিদদের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠিত হয়, এতে প|কি/স্তানের মুসলিমদের লাভ আছে, ক্ষতি নেই। বরং আমে^রি'কার গোলাম সেক্যুলার শ|সকদের হাত থেকে আজাদী অর্জন করাটা মুসলিম উম্মাহর জন্য বিশাল কল্যাণ বয়ে নিয়ে আসবে ইনশাআল্লাহ। এর মধ্য দিয়ে ইসলামী রাষ্ট্রের সীমানা বর্তমান আ ফ গা নি স্তান থেকে আরো বিস্তৃত হয়ে কাবায়েলী এলাকাতেও প্রসারিত হবে বি ইজনিল্লাহ।
এই ভূমি প|কি/স্তানের সেক্যুলারদের হাত থেকে ছুটে গেলে ই^ন্ডিয়ার হাতে যাওয়ার যৌক্তিক কোন সম্ভাবনাই নেই।
7 877
খ, বয়সে তরুণ ও চিন্তা-বুদ্ধিতে অপরিণত।
৪। আধুনিক খ|রে'জীদের একটি বৈশিষ্ট্য হল, তারা কথায় কথায় ভিন্নমতের মুসলিমদের খ|রে'জী আখ্যা দেয়। তাদের পছন্দের সে'ক্যু'লার শাসকদের হারাম ও অন্যায় কর্মকাণ্ডের বিরোধীতা করলেই খ|রে'জী আখ্যা দেয়, এভাবে তারা নিরপরাধ মুসলিমদের খ|রে'জী আখ্যা দিয়ে হ/ত্যাকে জায়েজ করে তোলে।
-
খ|রে'জীদের প্রথম ও প্রধান যে বৈশিষ্ট্য সেটি বর্তমানে অনেক ব্যক্তি ও দলের মাঝে বিদ্যমান। গণতান্ত্রিক, অগণতান্ত্রিক, সামাজিক, রাজনৈতিক, জিহাদী কিংবা দাওয়াতি কাজ করা অনেক ব্যক্তির মাঝেই এই বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
তারা আ/মে'রিকা, ইসরায়েল এবং ভারতের কুফফারদের সাথেও অতটা দুশমনি রাখেনা যতটা ভিন্ন মতের মুসলিমদের সাথে রাখে। এই লোকগুলোর আলাপ আলোচনা, কথা ও কাজে কাজে ভিন্ন মতের মুসলিমদের সাথে দুশমনির বিষয়ে যত পরিমাণ কর্মতৎপরতা দেখা যায় ক|ফে'রদের বিষয়ে তার সিকিভাগও দেখা যায়না। ক|ফে'ররা যে আমাদের শত্রু এটি তাদের কথা ও কাজ থেকে বোঝার উপায় নেই।
এই ভাইদের মধ্যে খ|রে'জীদের আরো একটি বৈশিষ্ট্য পাওয়া যায়, সেটি হল- তারা কুরআন হাদীসকে সালাফদের ব্যখ্যা ও বুঝের আলোকে বুঝতে চায়না, বরং নিজের বিকৃত বুঝ ও পছন্দের আলেমদের অপব্যখ্যাকেই কুরআন হাদীস বোঝার জন্য যথেষ্ট মনে করে।
এসবের মাধ্যমে ইসলামের বিভিন্ন বিধানের ভুল ব্যাখ্যা দাঁড় করানো বা আংশিক অস্বীকার করা এবং নিজেদের অন্যায় ও ভুল কাজকে ইসলামের লেবেল লাগিয়ে ইসলামী বানানোর চেষ্টা করা তাদের নিত্যদিনকার কাজ।
-
খ|রে'জীরা কখনো নিজেদের খ|রে'জী মনে করেনা, তারা মনে করে তারাই সবচেয়ে বেশি বোঝে, তাদের কর্মপদ্ধতিই উম্মাহর জন্য বেশি কল্যাণকর। তাদের কাজের মাধ্যমেই ইসলামের বেশি উপকার হবে। কিন্তু বাস্তবতা হল তাদের কাজের কারনে ইসলাম সব সময় ক্ষতিগ্রস্ত হয়, ইসলামের বিজয়ধারা বাধাগ্রস্ত হয়।
তাই যারা সচেতন মুসলিম তাদের উচিত নিজ দল ও মতের কর্মপদ্ধতিকে সাহাবায়ে কেরাম ও সালাফদের কষ্টিপাথরে যাচাই করে নেওয়া।
আমাদের কর্মপদ্ধতি, বুঝ ও সিদ্ধান্ত কি সালাফদের কাজ ও বুঝের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নাকি বিচ্ছিন্ন। আমাদের কাজ কর্মে কি উম্মাহর প্রতি দরদ বোঝা যায় নাকি শুধু নিজ দলের প্রতিই দরদ দেখা যায়, আমরা কি উম্মাহর সবাইকে সাথে নিয়ে ইসলামের জন্য কাজ করতে আগ্রহী নাকি শুধু নিজ দলকেই হকের পতাকাবাহী মনে করি আর বাকি সবাইকে গোমরাহ মনে করি এবং সুযোগ পেলে দমনের মানসিকতা লালন করি। আমার দল কি নিরপরাধ মুসলিমদেরকে খ|রে'জী আখ্যা দিয়ে হ/ত্যাযোগ্য করে তুলে? সে'ক্যু'লারিজম ও লিবারেলিজমের ভিত্তিতে রচিত কু/ফ'রী সংবিধানের বৈধতায় বিশ্বাস করে? এই সংবিধানের অধীনস্থ সরকারের উপর উলুল আমরের হুকুম প্রয়োগ করে? ওয়ার অন টেররের প্রজেক্টে গর্বের সাথে অংশগ্রহণ করে?
উপরের বৈশিষ্টগুলো নিশ্চিতভাবেই খ|রে'জীদের বৈশিষ্ট-যারা মুমিনদের হ/ত্যা করে আর ক|ফে'রদেরকে ছেড়ে দেয়। যদি আমার দলের চিন্তা চেতনায় এই ধরণের বিষ থাকে তাহলে দ্রুত সেই দল থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া আমার কর্তব্য। এরপর যারা উম্মাহকেন্দ্রিক কাজ করে, ছোট-খাট মতপার্থক্য ভুলে উম্মাহর স্বার্থে সবার সাথে মিলে কাজ করতে চায়, নিজ দলের স্বার্থের চেয়ে উম্মাহর স্বার্থকে প্রাধান্য দেয় তাদের সাথে যুক্ত হওয়ার চেষ্টা করা উচিত। আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে মুমিনদে প্রতি কোমল এবং ক|ফে'রদের প্রতি কঠোর হওয়ার সাহাবাওয়ালা সিফাত অর্জনের তাওফিক দান করুন, আমীন।
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
7 877
খ|রে'জী কোন নির্দিষ্ট দল নয়, চিন্তাধারার নাম,
আধুনিক খ|রে'জী মতাদর্শীদের চেনার উপায়
কিছু মানুষ মনে করে- নির্দিষ্ট দল ও ঘরানার সাথে সাথে যারা সম্পর্ক রাখে তারাই শুধু খ|রে'জী, এরা ছাড়া আর কেউ খ|রে'জী নয়, খ|রে'জী হতে পারেনা।
কিন্তু বাস্তবতা হল খ|রে'জীয়্যত শুধু নির্দিষ্ট একটি দল ও ঘরানার বৈশিষ্ট্য নয়, বরং এটি এক ধরনের আত্মিক ও চিন্তাগত ব্যাধি, যা কিছু চিন্তাধারা, দৃষ্টিভঙ্গি ও বৈশিষ্ট্যের সমন্বিত রূপ।
যেমন-
১। ক|ফে'রদের চেয়ে মুসলিমদের সাথে বেশি দুশমনি রাখা, নিজ দল বা মতের না হলে হ/ত্যা করা, হ/ত্যার বয়ান তৈরি করা। আর ক|ফে'রদেরকে ছেড়ে দেওয়া, তাদেরকে বড় শত্রু মনে না করা।
২। কবীরা গুনাহের জন্য ক|ফে'র মনে করা, তবে সব গুনাহের ক্ষেত্রে তাকফীরের দৃষ্টিভঙ্গি আমাদের জানামতে কোন খ|রে'জীই রাখেনা। তারা বরং নির্দিষ্ট কিছু কবীরা গুনাহকে কু/ফ'রী মনে করে, সেসব গুনাহের জন্য অন্যকে তাকফীর করে।
৩। হাদীসের আলোকে তাদের আরো দুটি বৈশিষ্ট্য হল-
ক, কুরআনুল কারীমের প্রকৃত উদেশ্য ও মর্ম অনুধাবন না করা, অর্থাৎ সালাফদের বুঝের আলোকে বুঝ গ্রহণ না করা, বরং নিজের বুঝ বা পছন্দের আলেম/স্কলারের বুঝকে যথেষ্ট মনে করা।
7 877
হে হতাশাগ্রস্থ ব্যক্তি, তোমাকে বলছি || Shaikh Tamim Al Adnani
© শায়েখ তামিম আল আদনানীহাফিজাহুল্লাহ..
