uk
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Відкрити в Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Канал চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 15 372 підписників, посідаючи 3 629 місце в категорії Політика та 1 480 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 15 372 підписників.

За останніми даними від 04 липня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на -256, а за останні 24 години на -3, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 14.08%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 3.95% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 2 165 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 608 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 28.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 05 липня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Політика.

15 372
Підписники
-324 години
-627 днів
-25630 день
Архів дописів
এভাবেই বর্ধিত হোক দুই দেশের সম্পর্ক।
এভাবেই বর্ধিত হোক দুই দেশের সম্পর্ক।

ওসমান হাদির হত্যা চেষ্টাকারীদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বিকেল ৩:০০টায় মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন- এ অংশগ্রহণ করুন। স্থান: রামপুরা ব্রিজ

আল্লাহই ভালো জানেন
আল্লাহই ভালো জানেন

ওসমান হাদীর প্রতি ফোঁটা রক্তকে সাক্ষি রাইখা আল্লাহর নামে কসম কাইটা একটা কথা বলে গেলাম। আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতাকর্মীদের সামনে খুব খারাপ দিন আসছে। আমরা আমাদের ধৈর্য্যের সর্বোচ্চ সীমা অতিক্রম করে আসছি। আমরা যখন রক্তের বদলা নিব, তখন আপনাদের সবচেয়ে নিরাপদ আশ্রয়স্থল হবে পুলিশ থানা হাজত। আমরা অনেক ধৈর্য ধারণ করছি। আমরা শান্তি চেয়েছিলাম, বিচার চেয়েছিলাম,আপনারা সংঘাত বেছে নিলেন। আজকের পর থেকে বাংলাদেশের কোনো অভিধানে টকশোতে মব বলে কিছু নাই‌।

ভাইয়ের কথা মনে পড়লেই কান্না আসে
ভাইয়ের কথা মনে পড়লেই কান্না আসে

একদম।
একদম।

জীবন বাচাতে পোস্টারিং ক্যাম্পেইন দেখতে দেখতে ফুরিয়ে যাওয়া বছরের শেষ সময়ে আছি আমরা। পাড়া-মহল্লায় ছাত্র-তরুণরা শীতকালীন ছুটিতে
জীবন বাচাতে পোস্টারিং ক্যাম্পেইন দেখতে দেখতে ফুরিয়ে যাওয়া বছরের শেষ সময়ে আছি আমরা। পাড়া-মহল্লায় ছাত্র-তরুণরা শীতকালীন ছুটিতে এসময় অবসরে যেই অপসংস্কৃতিকে উৎসবের মতো করে উদযাপন করে, তা হলো- থার্টি ফার্স্ট নাইট। এ রাতে উদযাপনের নামে হওয়া আতশবাজি আর পটকার শব্দে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকিতে পড়ে বৃদ্ধ ও শিশুরা। শত শত পাখির মৃত্যু আর যত্রতত্র অগ্নিকান্ডের ঘটনা প্রতি বছরের নিয়মিত ঘটনায় রুপ লাভ করেছে। এই রাতের ভয়াবহতা নিয়ে সচেতনতা ক্যাম্পেইন এর জন্য 'উৎসবের আড়ালে' লিফলেট ইতোমধ্যেই বিতরণ করেছেন অনেকেই। কিন্তু ভালো ভিজ্যুয়াল সমৃদ্ধ পোস্টার যা জনসচেতনতা সৃষ্টিতে কার্যকরী ভূমিকা পালন করবে, সেটা তৈরিতে Islamic Revival Front এর রিসার্চ ও মিডিয়া টিম এর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটু দেরিতে হলেও পোস্টারটি প্রকাশ করা হলো। আল্লাহ ভাইদের কবুল করুক। সকলের ব্যবহারের জন্য পোস্টারের এআই ফাইল সহ ড্রাইভ লিংক দেয়া হলো৷ যেন স্থানীয় পর্যায়ে আপনারা নিজেদের নামে কাজ করতে পারেন।

নেওয়া হোক
নেওয়া হোক

🚨ভয়াবহ এলার্মিং একটা বিষয় শেয়ার করসি।আজকে বিজয় দিবস উপলক্ষে যে প্যারাট্রুপিংয়ের আয়োজন করেসে এর মধ্যে একজন সেনাবাহিনীর নাম হল
+1
🚨ভয়াবহ এলার্মিং একটা বিষয় শেয়ার করসি।আজকে বিজয় দিবস উপলক্ষে যে প্যারাট্রুপিংয়ের আয়োজন করেসে এর মধ্যে একজন সেনাবাহিনীর নাম হলো Ibnulovhi, তার কিছু পোস্ট আমি স্কিনশট শেয়ার করলাম এই সৈনিকের অস্ত্রের মুখে বাংলাদেশ কতোটা নিরাপদ প্রশ্ন রেখে গেলাম অথর্ব ইন্টারিমের কাছে। জুলাই যোদ্ধাদের নিয়ে এমন কোন নোং*রামি নেই যা করেনি। এরা যে গোপনে আওয়ামী লীগকে গেরিলা ট্রেনিং দিচ্ছেনা সেটা কিভাবে বিশ্বাস করা যায়??? আমি ছোট মানুষ এই বিষয়টা কতোটা রীচ হবে জানিনা। ভয়াবহ ব্যাপার।

মনটা শক্ত করেন, কিছু কথা বলি- হাদী ভাই আর ফিরবে না এটাই ধরে নেন। যেকোন মুহূর্তেই একটা খারাপ খবর শুনতে পাবেন হয়তো। যেহেতু আমরা মুসলিম তাই আল্লাহর উপর অবশ্যই ভরসা রাখি। কিন্তু মাঝেমধ্যে বাস্তবতাও মেনে নিতে হয়। হাদী ভাইয়ের মাথায় এখনো গুলির কিছু অংশ রয়ে গেছে। শরীরের কন্ডিশন ভালো না তাই নতুন করে অপারেশন করে সেই গুলির অংশ বের করা সম্ভব না। তাছাড়া সিঙ্গাপুরের এই হাসপাতালের চিকিৎসকরাও নতুন কোন চিকিৎসা দিতে পারছে না। যুক্তরাজ্যের কুইন এলিজাবেথ হসপিটালে নিলে হয়তো বেটার চিকিৎসা দেয়া যেত কিন্তু সেটাও এই মুহুর্তে সম্ভব না। এখন কৃত্রিমভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস চালিয়ে আর কয়েকদিন বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে, যাস্ট এটুকুই। এর বেশি কিছু না। মনটা আরও শক্ত রাখেন এবারে কিছু শক্ত কথা বলি- যেহেতু এখনো কোন অপরাধীকে সরকার ধরতে পারেনি তার মানে অবশ্যই রানিং বড় বড় নেতারা এর পিছনে জড়িত আছে, সরকারি বাহিনীরাও জড়িত আছে। নয়তো এত তাড়াতাড়ি সবকিছু করা সম্ভব হতো না। তাই আমাদের কাজ হবে DGFI, NSI, সরকারেরর আমলা, মন্ত্রী, নেতা কারা কারা জড়িত আছে সেটা বের করা। তারপর এদেরকে ধরে পিটাতে পিটাতে জেলে ভরা, তারপর বিচার করে সব জনগণের সামনে ফাঁসি দেয়া। দেশে কোন আইন নেই সেটা আমরা বেশ ভালো করেই বুঝে গেছি। আইন দেখাতে গিয়েই অনেক ভাই-বোনকে হারিয়েছি, হাদী ভাইকে হারাচ্ছি। আজকে আমরা কঠোর না হলে কালকে হয়তো হাসনাত ভাই, নাহিদ ভাই কিংবা আপনার আপন ভাইকে গুলি করবে। কিন্তু সেটা আমরা হতে দিব না। তার আগেই প্রত্যেকটাকে ধরে ধরে নিজেরাই বিচার করব। কারা কারা জড়িত সেটাও আমাদের সোর্সরাই বের করবে সমস্যা নেই। আমাদেরকেই এটা করতে হবে। আমাদের সব লেখক টিম থাকবে। আগে লিখতাম এখন লেখার পাশাপাশি রাজপথেও নামব। কয়েকদিনের মধ্যেই আমরা এক হয়ে সবকটাকে পিটিয়ে পিটিয়ে জেলে ভরব, দোষী হলে জনগণের সামনে ওপেনলি ফাঁসি দিব। তখন সে ডাকে আপনারা আসবেন তো? মনে রাইখেন আজকে যদি পাশ কাটিয়ে যান তাহলে কালকে দেখবেন আপনার আপন ভাইকে গুলি করে মেরে ফেলা হয়েছে কিন্তু বিচার পাচ্ছেন না! —ইব্রাহিম খলিল শাওন।

ইন্ডিয়া কিন্তু ভারতের সাথে আসলেই জিতে নাই 😁 সিনিয়র সাংবাদিক যেহেতু বলছে তাহলে ঠিকই বলছে।

হাদীর ডান কানের উপর দিয়ে গুলি প্রবেশ করে অপর কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়। এতে 'ব্রেইনস্টেম' ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এবং বুলেটের শার্পনেল সেখানে আটকে আছে এখনও। ডাক্তার আমাকে যা বলেছেন তা হলো, ওটা ব্রেইনের "আনঅ্যাপ্রোচেবল এরিয়া"। শার্পনেল বের করতে সেখানে পৌঁছানোর জন্য এমনসব টিস্যু কাটতে হবে, যাতে তাৎক্ষণিক মৃত্যু হবে। আর যদি সেটাকে রেখে দেয়া হয়, তাহলে ইনফ্লেমেশন থেকে মৃত্যু হবে। এবং ব্রেইনের যেসব ড্যামেজ অলরেডি হয়েছে, তাতে আর কখনোই 'জীবিত' মানুষ ফিরবে না, চোখ খোলা, কথা বলা, চিন্তা করা - কিছুই না। আমরা সাধারণ ভাষায় এটাকে মৃত্যুই বলি। আর্টিফিশিয়াল যেসব সিস্টেম দিয়ে বর্তমানে শরীরকে টিকিয়ে রাখা হয়েছে, সেসব সিস্টেম সত্ত্বেও ব্রেইনস্টেম ইনফ্লেমেশন (প্রদাহ) এর কারণে ক্লিনিকাল ডেথ হবে। আমি ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করলাম, বিদেশের কোথাও এটা ঠিক করতে পারবে না? তিনি বললেন, না। এইরকম পেশেন্টকে জীবিত ফেরানোর কোনো ট্র্যাক রেকর্ড কোথাও নাই। _____ একাধিক ডক্টরের থেকে আমি এ বিষয়গুলো নিশ্চিত করতে পারছি। (সিঙ্গাপুরে যদি হাদী চোখ খোলে - তবে তা দুনিয়ার মেডিকেল ইতিহাসের অলৌকিক ঘটনা হবে) আগেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছি, এখনও বলছি, গণক্ষোভ সামাল দিতেই মেডিকেল আলাপের ভিতরে জনগণকে বিজি করতে সরকার তাকে বিদেশ পাঠিয়েছে। নাহলে দেশের নিউরোসার্জনরাও বলে দিয়েছিলো, এই রোগীর বেঁচে ফেরা অসম্ভব। কেবল সাপোর্ট সিস্টেম দিয়ে 'ক্লিনিকালি জীবিত' রাখা যেতে পারে, সেটাও কিছুদিনের জন্য। সিঙ্গাপুর থেকে মৃত ঘোষণা হলে তখন যেন জনগণের ক্ষোভটা পুরোটা সরকারের উপর না যায়, যেন মানুষ নিজেদের বুঝ দিতে পারে যে: সরকার তো চেষ্টা করেছে! কিন্তু এবার ভারতের টার্গেটে বুড়োরা নয়, তরুণ, মেধাবী, সম্ভাবনাময় ছাত্ররাই মারা পড়বে। তাহলে দ্বিতীয় বিপ্লবের জন্য কিসের অপেক্ষা? প্রত্যেকেই কি এই ভেবে বসে থাকবে যে, "হাদী হাই প্রোফাইল ছিলো, তাই তাকে মেরেছে, আমি নীরিহ, আমাকে মারবে না?" ঠিক যেভাবে হাসিনার জুলুমের ১৫ বছরে মানুষ ভাবত, "শিবির মরেছে, আমি অরাজনৈতিক, আমাকে হাসিনা গুম খুন করবে না", until July happened. আমরা কি আবারও জুলাই-পূর্ব বিভক্তিতে ফিরে গেছি? এই সমাজে কিসাস প্রতিষ্ঠা না হলে অপরাধ প্রিভেন্ট হবে না। জুলাইয়ের ১৪০০ হত্যাকাণ্ডের জন্য শাহবাগ মোড়ে পাবলিকলি ১৪০০-টা মৃত্যুদণ্ড কার্যকর না করা পর্যন্ত হাদীরা মরতেই থাকবে। ব্রিটিশ জুডিশিয়ারির মারপ্যাঁচ দিয়েই তো হাদীর খুনীরা বেরিয়ে এসেছে। প্রথম বিপ্লব তো তথাকথিত 'নিয়মতান্ত্রিক সরকার ও নিয়মতান্ত্রিক আদালত' এর মধ্যে পর্যবসিত হয়েছে। দ্বিতীয় বিপ্লব কি একটি বিপ্লবী সরকার ও বিপ্লবী আদালতে পরিণত হবে না? আর কত দেরী? - নুরে আলম মাসুদ

চামড়া ছিলে মরিচ ডলা দিয়ে এখন আর ছেলেকে ভিডিও করে পাঠানো হবে।
চামড়া ছিলে মরিচ ডলা দিয়ে এখন আর ছেলেকে ভিডিও করে পাঠানো হবে।

একটা দলের মুখ দিয়ে ভারতের বিষয়ে কথাই বের হয়না। তারা নাকি দেশ চালাবে! মিয়াউ 😹

সাদিকের ৩ নম্বর দাবির কিছুই তো হলোনা। ৩ নম্বর দাবি পূর্ণ না হওয়ার করবে উপবিষ্ঠাদের পদত্যাগ করা বাঞ্চনীয়।

চাটাচাটি আনলিমিটেড
চাটাচাটি আনলিমিটেড

দেশ জুড়ে পালিত হলো ১৬ ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের ভালোবাসা দিবস 🇧🇩
+2
দেশ জুড়ে পালিত হলো ১৬ ই ডিসেম্বর বাংলাদেশের ভালোবাসা দিবস 🇧🇩

ভারতবিরোধী সকল কণ্ঠস্বরকে হত্যা করার প্ল্যান ইন্ডিয়ার
ভারতবিরোধী সকল কণ্ঠস্বরকে হত্যা করার প্ল্যান ইন্ডিয়ার

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন কর্তৃক চাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) জনাব ইব্রাহীম হোসেন রনির দিকে আক
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দিন মহসিন কর্তৃক চাকসুর সহ-সভাপতি (ভিপি) জনাব ইব্রাহীম হোসেন রনির দিকে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে তেড়ে আসা এবং শাখা ছাত্রদল সেক্রেটারি জনাব আব্দুল্লাহ আল নোমান কর্তৃক অশ্রাব্য ভাষায় গালির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (চাকসু)।

মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাই-কমিশন আগামীকাল বিকেল ৩ টা, রামপুরা ব্রিজ। সবাই চলে আসবেন