uk
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Відкрити в Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Канал চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 15 522 підписників, посідаючи 3 615 місце в категорії Політика та 1 445 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 15 522 підписників.

За останніми даними від 17 червня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на -225, а за останні 24 години на -10, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 10.96%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 3.70% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 1 702 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 575 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 33.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 18 червня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Політика.

15 522
Підписники
-1024 години
-517 днів
-22530 день
Архів дописів
মিডিয়ায় প্রহসন চলছে! ঢাকা–১৩ আসনে একই মিডিয়া একবার মামুনুল হক সাহেবকে বিজয়ী ঘোষণা করে পোস্ট দিয়েছে, আবার কিছুক্ষণ পর ববি হাজ্জাকেও বিজয়ী বলে পোস্ট করেছে। ঢাকা–১৫ আসনেও একই চিত্র। কয়েকটি মিডিয়া জামায়াতের আমিরকে বিপুল ভোটে জয়ী বলে প্রচার করেছে, অথচ ওই আসনে বিএনপির প্রার্থী নিজ পেইজে নিজেকেই বিজয়ী দাবি করেছেন। অন্যদিকে, জামায়াতের অফিসিয়াল পেইজে এখন পর্যন্ত তাদের ৮০টি আসন এবং বিএনপি জোটের ৭৭টি আসনের দাবি করা হলেও প্রথম সারির মিডিয়াগুলোতে সেই চিত্র প্রতিফলিত হচ্ছে না। বরং সেখানে বিএনপির তুলনায় জামায়াত জোটের আসন সংখ্যা চার ভাগের এক ভাগেরও কম দেখানো হচ্ছে। কিছু কিছু মিডিয়া আবার পোস্ট দিয়ে পরে তা ডিলিটও করে দিচ্ছে। দেশের শীর্ষস্থানীয় মিডিয়াগুলোর এই বেহাল অবস্থা কেন? গভীর রাত; সারা দেশের মানুষ ফেসবুক, ইউটিউব ও টিভির সামনে বসে থাকলেও শতভাগ নির্ভরযোগ্য কোনো সংবাদ পাচ্ছে না।

>>>ব্রেকিং<<< ফলাফলের পেপারে সাইন করতে চান না কর্মকর্তা, বাইরে উত্তেজনা!; ঢাকা-৪ এর সব কেন্দ্রের যোগফলে এগিয়ে জামায়াত, ফলাফল স্থগিত!

জরুরী সংবাদ সম্মেলন (ঢাকা-১৭) প্রিয় সাংবাদিক ভাই ও বোনেরা, আজ রাত ২.৩০ টায় উদ্ভুত পরিস্থিতিতে জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে ঢাকা-১৭ এর সংসদ সদস্য প্রার্থী ডা: খালিদুজ্জামানের পক্ষ থেকে। আপনাদের সকলকে মগবাজারস্থ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় অফিসে সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করে জাতিকে সঠিক ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য তুলে ধরার অনুরোধ করা যাচ্ছে।

চাঁদপুরে ধানের শীষে একাধিক সিল মারা ব্যালট পেপার উদ্ধার

এটাও বিশ্বাস করতে হবে🤣
এটাও বিশ্বাস করতে হবে🤣

শিবিরের সেক্রেটারি ঠিকই জেগে পোস্ট দিচ্ছেন কিন্তু শিবিরের পোলাপানদের ইমাম ঘুমাচ্ছে আরামে😆👏

প্রশাসনের যোগসাজশে বিভিন্ন আসনে রেজাল্ট পরিবর্তন করা হচ্ছে। ঢাকা- ১৩,১৫,১৬, গাইবান্ধা -৪ সহ বিভিন্ন আসনে ইঞ্জিনিয়ারিং করা হচ্ছে। আমাদের ভাইয়েরা রাজপথে আছে। এই ইলেকশন জাতির জন্য আরেকটি কলঙ্ক রচনা করলো।

এদিকে অতীতে লীগের শিশ্ন চোষা নিউজ মিডিয়া নতুন শিশ্ন চুষতে একটি দলকেই জিতিয়েই দিয়েছে😆
এদিকে অতীতে লীগের শিশ্ন চোষা নিউজ মিডিয়া নতুন শিশ্ন চুষতে একটি দলকেই জিতিয়েই দিয়েছে😆

তারা ঢাকা-১৭ যেকোনো ভাবেই চায় তারেক সাহেবের সম্মান রক্ষা করতে। তারা ঢাকা-১৩ যেকোনো ভাবেই নিজেদের চায় কারন মামুনুল হক সাহেবের মতো একজন আলেম সংসদে গেলে তাদের ঘুম হারাম হয়ে যাবে। তারা ঢাকা-০৮ কে চায় তাদের ইগোর সর্বোচ্চটা মেইনটেইন করার জন্য। এই ইগোর সর্বোচ্চ লেভেল অতিক্রম করেছিলো কুমিল্লা-০৪ বিএনপির প্রার্থী মুন্সি সাহেব।

জনগণ জামায়াত জোটকে দু'হাত ভরে দিয়েছে। তার ফলাফল ও দেখা গেছে রেজাল্ট ঘোষণায়। ডিপ স্ট্যাট তার খেলা শুরু করেছে। চারিদিকে সুনশান নীরবতা। জয়ী আসনগুলো পরাজয় দেখানোর জন্য ফাইনাল ঘষামাজা চলছে এখন। ভোট কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসারের সাইনকরা শীটের ২০ হাজার ভোটে হেরে যাওয়া প্রার্থীও এখন বিজয় মিছিল করছে। তার আগে মিডিয়া ট্রায়াল চলছে। অনেক মিডিয়া বিজয়ী ঘোষণা করা ফলাফল প্রকাশ করেও এখন ডিলেট করে দিচ্ছে। একটি সাজানো গোছানো আলট্রা ২০০৮ এর ঘোষণা শুনানোর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে জাতিকে। ওহে বিট্রেইড ন্যাশন! গোলামী ছাড়া আজাদী তোমার কপালে নাই যদিনা তুমি সজাগ হয় স্বেচ্ছায়

এখন রাত বাজে দেড়টা। এখনো জানা গেল না কত শতাংশ ভোট পড়েছে নির্বাচনে। অথচ ভোট গণনা শুরুর আগেই এটা জানা সম্ভব ছিল, জানানো সম্ভব ছিল। কিন্তু কেন সেটা প্রকাশ করা হলো না? গণভোটের ফল এখনও প্রকাশিত হয়নি। তাহলে কি গণভোটের ফলের সঙ্গে মিলানোর জন্যই ভোট কাস্টিং এর হার আস্তে আস্তে প্রকাশ করা হচ্ছে? -- সাংবাদিক মাসুদ কামাল

শিবিরের সাদিক ফরহাদরা আরামে ঘুমাচ্ছে😆

ব্রেকিং: সংসদে যাচ্ছে না জামায়াত ১৫০ আসনে পুনরায় নির্বাচনের দাবি নিয়ে মাঠে নামছে...

রিফ্রেশ দিলেই এমপি চেঞ্জ! 😂

জনতার(!) মেয়র ইশরাকের আসন ঢাকা-৬
জনতার(!) মেয়র ইশরাকের আসন ঢাকা-৬

ভোট গণনায় ভুল কেবল বিএনপি'র প্রার্থীদের ক্ষেত্রেই হচ্ছে। তাও তিন ডিজিটের তৃতীয় ও দ্বিতীয় ডিজিটে না; ঠিক প্রথম ডিজিটে। ধরেন, ৩৩৪ হয়ে যাচ্ছে ৭৩৪! কিংবা, ৬২৬ হয়ে যাচ্ছে ৮২৬! রেজাল্ট শিটে বিএনপি প্রার্থীদের ভোটের এই কাঁটাছেড়া নিয়ে কোনো মিডিয়ায় আলাপ নাই। পুরাদিন ধরে সেনাবাহিনীর ফিল্ডের লোকজন সচেষ্ট ভূমিকা রেখেছিল নির্বাচন ফেয়ার করতে। তারা ধন্যবাদ প্রাপ্য। কিন্তু সন্ধ্যার পর থেকেই নির্বাচন কমিশনের দায়িত্বরত এবং সিভিল প্রশাসনের সক্রিয় পক্ষপাতিত্ব দেখা যাচ্ছে। পুজা করার জন্য আমলাদের সবসময় একজন খোদা লাগেই। শেইম!

মেহেরপুর-১ এ ভোটে পরাজিত হয়েও রাজনৈতিক সৌহার্দ্যতা দেখিয়ে বিএনপির মাসুদ অরুণ সাহেব ফলাফল মেনে নিয়ে জামায়াতের মাওলানা তাজউদ্দী
+1
মেহেরপুর-১ এ ভোটে পরাজিত হয়েও রাজনৈতিক সৌহার্দ্যতা দেখিয়ে বিএনপির মাসুদ অরুণ সাহেব ফলাফল মেনে নিয়ে জামায়াতের মাওলানা তাজউদ্দীন খানকে মিষ্টিমুখ করায়। কিন্তু এখন মিডিয়া বলছে যে মাসুদ অরুণ জিতেছে!!! মিডিয়া এমন কেনো? নাকি তলে তলে কোনো নেগোসিয়েশন চলছে? ডিপস্টেট কি তারা খেলাটা শুরু করে দিয়েছে? মিডিয়ার কথা কেউ কানে দিবেন না আমাদের ভারতপন্থী এজেন্সির প্ল্যান এরা বাস্তবায়ন করছে!

যারা অলরেডি জয়ী হয়ে বিজয় মিছিল করে ফেলেছে তাদেরও এখন ফেল করিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কি একটা অবস্থা?