uk
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Відкрити в Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Канал চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 15 378 підписників, посідаючи 3 633 місце в категорії Політика та 1 476 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 15 378 підписників.

За останніми даними від 03 липня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на -254, а за останні 24 години на -12, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 13.96%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 3.89% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 2 147 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 599 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 28.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 04 липня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Політика.

15 378
Підписники
-1224 години
-667 днів
-25430 день
Архів дописів
আমরা আশাবাদী, এয়ারপোর্ট থেকে যে রোড হয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে হাদীকে নিয়ে আসা হবে সেই সম্পূর্ণ রাস্তায় হাদিকে বিদায় জানাতে জনতা স্রোত দেখা যাবে।

শহিদ ওসমান হাদীকে সর্বসাধারণের সাক্ষাতের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আনা হবে।

শহিদ ওসমান হাদীকে বহনকারী বিমানটি সন্ধ্যা ৬ টা নাগাদ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে। আমাদের জুলাই জজবার প্রাণ, স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষার অকুতোভয় বীরকে গ্রহণ করতে আমরা সবাই এয়ারপোর্ট থেকে শাহবাগগামী রাস্তার দুইপাশে সুশৃঙ্খলভাবে অবস্থান গ্রহণ করবো। সেখান থেকে শহিদ ওসমান হাদীকে সর্বসাধারণের সাক্ষাতের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে আনা হবে। - ইনকিলাব মঞ্চ

সান্ত্বনা দিয়ে দিল
সান্ত্বনা দিয়ে দিল

সব দোষ গাজার ডিলারের
+1
সব দোষ গাজার ডিলারের

এই কারনে এনএসপি স্থগিত রেখেছে
এই কারনে এনএসপি স্থগিত রেখেছে

নাইস বন্ধু তুমি এমপি হও
নাইস বন্ধু তুমি এমপি হও

জুলাই বি*প্লবী শরীফ ওসমান হাদীর স্ত্রী যখন অন্তঃসত্ত্বা, তখনই গণঅ*ভ্যুত্থানে ঝাঁ*পিয়ে পড়েছিলেন শরীফ ওসমান হাদী। তার এত বড় বি*প্লবী হয়ে ওঠার পেছনে তার স্ত্রীর অবদানও কম নয়। মৃ'ত্যুর সাথে পা*ঞ্জা লড়া ওসমান হাদীর স্ত্রীকে কেউ কোথাও না দেখে অনেকেই প্রশ্ন তুলছিলেন কেন তার স্ত্রী ক্যামেরার সামনে আসছেন না? খোঁজ নিয়ে জানা গিয়েছে ওসমান হাদীর স্ত্রী এতটাই পর্দানশীন নারী যে তিনি কোন অবস্থাতেই পর্দা ভাঙতে রাজি নন। অনেকেই আবার ভেবেছেন হাদীর স্ত্রী হয়তো এমন পরিস্থিতিতে প্রচণ্ডভাবে ভে*ঙে পড়েছেন। তবে মারফিয়া নামের হাদীর এক পরিচিত নারী সম্প্রতি জানিয়েছেন, হাদী ভাইয়ের স্ত্রী অনেক বেশি স্ট্রং। তাকে আর কে কি সান্ত্বনা দিবে? তিনিই সবাইকে সান্ত্বনা দিচ্ছিলেন। ভাবি বলেছেন, "আপনাদের ভাইকে বলে আসছি, কোটি কোটি মানুষ তোমার জন্য দোয়া করছে। এবার বিছানা থেকে উঠে এসো।" একজন ওসমান হাদী হয়ে ওঠার পেছনে ভাবীর ভূমিকা ছিল অনেক। সাংসারিক কোন অশান্তি ভাইকে দেন নাই। অভিমান ঝ'গড়া অন্তত আমি শুনি নাই। ভাই যে এত কাজ করতে পারতেন, দৌড়াতে পারতেন, তার পিছনে ভাবির কোনো বাঁধা ছিল না। ওসমান ভাই একদিন আমাকে বলতেছিল, "এই যে আপা দেখেন, আপনার ভাবির একটা ক্রিম লাগবে, এটা আমি দিতে যাবো সেইটা আমি ভুলে গিয়েছি।" প্রেগনেন্ট একটা মানুষ তার যত্নটাও আমি নিতে পারিনি, ঔষধ টা দিতে ভুলে গিয়েছি। কিন্তু আপনার ভাবি রাগ, অভিমান করেনি। দুইদিন পর মনে পড়ায়, দৌড়াইয়া গিয়া দিয়ে এসেছি। এমনই ছিল ওসমান হাদী, এমনই ছিল তাদের দাম্পত্য জীবন। আমাদের ভাতিজা কতটা সৌভাগ্যবান যে, এমন একজন সাহসী, ধৈর্যশীল নারীর গর্বে জন্মে নিয়েছে। - নিউজ থেকে সংগৃহীত

হাদি ভাই 💔 দেশের জন্য জীবনটাই উৎসর্গ করে দিলে 😰

উত্তাল শাহবাগ, জনতার স্রোত শাহবাগে খাবার, পানি, জুস, স্যালাইন যে যা পারেন নিয়ে যান৷ ডাকসু একা সবকিছু করে যাচ্ছে আমাদের সবার জায়গা থেকে এগিয়ে আসা উচিত৷

মব মব...
মব মব...

শহীদ শরিফ ওসমান হাদীর শাহাদাতের ঘটনায় জড়িতদের বিচার নিশ্চিত, সন্ত্রাসী আওয়ামী ফ্যাসিবাদ এবং ভারতীয় আধিপত্যবাদের মূলোৎপাটন না করা পর্যন্ত দেশের সকল ছাত্র-জনতাকে কোন ধরনের উসকানিতে পা না দিয়ে শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধভাবে প্রতিবাদ, প্রতিরোধ ও আন্দোলন জারি রাখার আহবান জানাচ্ছি। শহীদ হাদী ভাই কোন ভায়োলেন্সের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তিকে পরাজিত করতে চান নাই। তার আদর্শ ছিল মেধা-মনন, জ্ঞান দিয়ে ফ্যাসিবাদী ও আধিপত্যবাদী শক্তিকে পরাজিত করা। আমাদের সংগ্রাম দীর্ঘ। শহীদ হাদী যে লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য জীবন দিয়েছেন সাময়িক উত্তেজনা কিংবা সহিংসতা দিয়ে সে লক্ষ্য অর্জন করা যাবেনা। বরং যেকোনো হঠকারী কর্মকাণ্ড শহীদ ওসমান হাদী ও আমাদের সংগ্রামকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। তাই দেশবাসীর প্রতি অনুরোধ কোন ফাঁদে পা না দিয়ে শহীদ হাদী ভাইকে বুকে ধারণ করে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন জারি রাখুন। ~সাদিক কায়েম

ভারত সরকার আমেরিকার মত সোশ্যাল মিডিয়া চেক করে আপকামিং দিন গুলোতে ভিসা দিবে বাংলাদেশীদের। এই সিদ্ধান্ত দ্রুত সময়ের মধ্যে তারা IMPLEMENTATION করবে।

৩২ আজকের মধ্যে নিঃশেষ করুন এরপর মার্চ টু টুঙ্গিপাড়া
৩২ আজকের মধ্যে নিঃশেষ করুন এরপর মার্চ টু টুঙ্গিপাড়া

মাজার পূজারি,বাউল,ভন্ড দরবেশ বাবা এদের কারণে প্রথম আলোর ভবনে আগুন লেগেছে। এরা সিদ্ধির নামে যেখানে সেখানে গঞ্জিকা সেবন করে। আমাদের তদন্তে জানা গেছে এরা গত শীতের রাতে প্রথম আলোর অফিসের সামনে গাজার আসর বসায়। একপর্যায়ে তাদের কল্কি আর গাজার আগুন থেকে দুর্ঘটনাবশত পুরো ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেই আগুন বিশাল দাবানলের মত বেড়ে যায়। এটা দেখে এলকাবাসি সহ ছাত্রজনতা এগিয়ে আসে আগুন নেভাতে। সুতরাং আমরা ধরে নিতেই পারি এই ঘটনায় মাজার পূজারি ও বাউল পাগলারা জড়িত। এদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হোক 😁

মাজার পূজারি,বাউল,ভন্ড দরবেশ বাবা এদের কারণে প্রথম আলোর ভবনে আগুন লেগেছে। এরা সিদ্ধির নামে যেখানে সেখানে গঞ্জিকা সেবন করে। আমাদের তদন্তে জানা গেছে এরা গত শীতের রাতে প্রথম আলোর অফিসের সামনে গাজর আসর বসায়। একপর্যায়ে তাদের কল্কি আর গাজর আগুন থেকে দুর্ঘটনাবশত পুরো ভবনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। সেই আগুন বিশাল দাবানলের মত বেড়ে যায়। এটা দেখে এলকাবাসি সহ ছাত্রজনতা এগিয়ে আসে আগুন নেভাতে। সুতরাং আমরা ধরে নিতেই পারি এই ঘটনায় মাজার পূজারি ও বাউল পাগলারা জড়িত। এদের অবিলম্বে গ্রেফতার করা হোক 😁

একটা কথা দলের গান্ডুদের ক্লিয়ারলি বলে দিতে চাই শহীদ হাদী ভাইকে নিয়ে নতুন করে এমন অবান্তর মন্তব্য করার আগে হাজারবার ভেবে দেখবেন। অন্যথায় কঠোর পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবো। নিজেদের লাগাম নিজেরা টেনে ধরার চেষ্টা করেন আমাদের ধরতে হলে এমন ভাবে ধরব যা কল্পনা ও করতে পারবেন না। হাদী ভাই এই দেশের ২০ কোটি জনগণের হাদী ভাইকে নিয়ে কোন প্রকার এমন ভিত্তিহীন কথা সহ্য করব না মোটেও না।

শহীদ ওসমান হাদির এই বক্তব্য আপনাকে শুনতেই হবে। সময়ের সাথে অনেক বেশী প্রাসঙ্গিক বক্তব্য।