uk
Feedback
চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Відкрити в Telegram

আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Показати більше

📈 Аналітичний огляд Telegram-каналу চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24

Канал চব্বিশের যোদ্ধা • Warriors of 24 (@warriorsof24) у мовному сегменті Бенгальська є активним учасником. На даний момент спільнота об'єднує 15 415 підписників, посідаючи 3 622 місце в категорії Політика та 1 467 місце у регіоні Бангладеш.

📊 Показники аудиторії та динаміка

З моменту свого створення невідомо, проект продемонстрував стрімке зростання, зібравши аудиторію у 15 415 підписників.

За останніми даними від 29 червня, 2026, канал демонструє стабільну активність. Хоча за останні 30 днів спостерігається зміна кількості учасників на -226, а за останні 24 години на -11, загальне охоплення залишається високим.

  • Статус верифікації: Не верифікований
  • Рівень залученості (ER): Середній показник залученості аудиторії становить 13.00%. Протягом перших 24 годин після публікації контент зазвичай збирає 3.51% реакцій від загальної кількості підписників.
  • Охоплення публікацій: В середньому кожен допис отримує 2 005 переглядів. Протягом першої доби публікація в середньому набирає 542 переглядів.
  • Реакції та взаємодія: Аудиторія активно підтримує контент: середня кількість реакцій на один пост – 29.

📝 Опис та контентна політика

Автор описує ресурс як майданчик для висловлення суб'єктивної думки:
আমরা ১৯৭১ এর স্বাধীনতা যুদ্ধ দেখিনি, তবে ২০২৪ এ এসে স্বৈরাচারীর বিরুদ্ধে যুদ্ধ দেখেছি। আর এই ২৪ এর যুদ্ধ থেকে আমরা সদা-সর্বদা প্রস্তুত জনসাধারণের মাঝে সঠিক তথ্য পৌঁছে দিতে।

Завдяки високій частоті оновлень (останні дані отримано 30 червня, 2026), канал підтримує актуальність та високий рівень охоплення публікацій. Аналітика показує, що аудиторія активно взаємодіє з контентом, що робить його важливою точкою впливу в категорії Політика.

15 415
Підписники
-1124 години
-537 днів
-22630 день
Архів дописів
সত্য হতে পারে, কেঁচো খুঁড়লে সাপ বেরিয়ে আসবে এজন্য প্রশাসন নিশ্চুপ।
সত্য হতে পারে, কেঁচো খুঁড়লে সাপ বেরিয়ে আসবে এজন্য প্রশাসন নিশ্চুপ।

ওবায়দুল কাদেরকে পালাতে সহযোগিতা করা নিয়ে জুলাই বিপ্লবের অগ্রপথিক এবং এনসিপি নেতা সারজিস আলম জড়িত মর্মে আমি একটি পোস্ট করেছিলাম। শুধু সারজিস একা নন, সেখানে পুলিশের পদস্থ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা, সেনাবাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার লোকজনও জড়িত ছিল। অর্থাৎ সার্জিস একা নন। এটা আমার বক্তব্য ছিল না, পুলিশের একাংশের একটি রিপোর্টের ভিত্তিতে আমি এই তথ্য প্রকাশ করেছিলাম। ঐ পোস্ট করার পর সারজিসের পক্ষ নিয়ে সর্বপ্রথম প্রতিবাদ করেছিলেন আমার মা। তিনি আমাকে নিষেধ করেছিলেন সারজিসকে নিয়ে কিছু না লিখতে। এরপর আমার স্ত্রী, শালা-শালী সবাই সারজিসের হয়ে আমার সাথে ক্যাচাল করেছে। আপনাদের অনেকেই বিভিন্ন পোস্টে কমেন্ট করে সারজিসের বিষয়টি নিয়ে বারবার আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন, কিন্তু আমি চুপ থেকেছি। পুলিশের উপর মহল থেকেও আমাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে এবং সারজিস নিজে ফোন করে বলেছিলেন ভাই, বিষয়টি ভিত্তিহীন, আপনি একটা পোস্ট করে রিকোভার করে দিলে ভাল হয়। এতকিছুর পরও আমি এবিষয়ে আর কিছুই লিখিনি কারণ আমি আমার বক্তব্য থেকে সরে আসিনি। আজ সকালে সারজিস আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে ফোন করেছিলেন, কিন্তু আমি ঘুমিয়ে থাকায় তার কল রিসিভ করা সম্ভব হয়নি। পরে তিনি নীচের ম্যাসেজটি দিয়েছেন.......... "ভাই আপনি জানেন আপনি আমাকে নিয়ে যে পোস্ট করেছিলেন সেটা ভিত্তিহীন ছিল। আমি জানিনা সেটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল কিনা। কিন্তু পরবর্তীতে আপনার অন্তত একটা পোস্ট দেওয়া উচিত ছিল যে আপনি আমাকে নিয়ে যে পোস্ট করেছিলেন তার সত্যতা খুঁজে পাননি। এজন্য ফেসবুকে অন্তত আপনার স্যরি বলা উচিত ছিল।" আমি সত্যতা পেয়েছি কি না এবিষয়ে সারজিস আলম কীভাবে নিশ্চিত হলেন? বরং, সারজিস সম্পর্কে নতুন আরও অনেক অভিযোগ পেয়েছি যা রীতিমতো আমাকে হতাশ করেছে! কিন্তু উপযুক্ত প্রমাণ না থাকায় সেসব নিয়ে কোন কথা বলিনি। নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকে এয়ারপোর্ট হয়ে পালিয়ে যেতে সহযোগিতার অভিযোগ সত্যিসত্যিই হতাশাজনক! যাইহোক, ওবায়দুল কাদের পালিয়ে যাওয়ার বিষয়টি নিয়ে সরকারের বিভিন্ন সংস্থা তদন্ত করেছে কিন্তু এখানে এমনসব ব্যক্তি জড়িত যা প্রকাশ করা হলে প্রশাসনিক শৃঙ্খলা ভেঙে পড়বে। পাশাপাশি বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকেও বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান চলছে। আগুন কখনো চাপা থাকেনা, ধোঁয়া উড়বেই। সুতরাং, সত্য চাপা থাকবেনা, এটা একসময় বের হয়ে আসবেই। আমিও চাই আমার বক্তব্য মিথ্যা প্রমাণিত হোক। তবে এখন পর্যন্ত আমি নিশ্চিত যে বিষয়টি অসত্য নয়, সেজন্য আমি দুঃখ প্রকাশ করতে পারছি না। Meer Zahan - মীর জাহান

শাহবাগ ঘেষা হয়ে বিএনপি বিশাল এক ধারাবাহিক পরাজয়ের দিকে ধাবিত হয়েছে। তাদের অনলাইন এক্টিভিস্টরা সবাইকে সফলভাবে জামাতি বানায়ে দিয়েছে। তাদের চোখে মাহমুদুর রহমান জামাতি। বাউলপন্থি ফরহাদ মজহার তো বিরাট জামাতি৷ সে সুবাদে এনসিপি জামাতি৷ ওসমান হাদির ইনকিলাব মঞ্চও জামাতি৷ সে সুবাদে মোনামি ম্যাম জামাতি৷ আজহারি জামাতি৷ আহমদুল্লাহ জামাতি৷ এমনকি জামাত ছেড়ে আসা এবি পার্টিও। আজকাল শুনি পনের বছরের পোড় খাওয়া বিএনপির মাহদি আমিনও নাকি ছুপা জামাতি৷ শাফকাত রাব্বী অনিক, মাবরুর রশিদ বান্নাহ এরাও নাকি খুবই গুপ্ত জামাতি৷ এইটা ২০১২ সাল না যে আপনি কাউরে শিবির বা জামাত বলবেন আর সে ভয়ে খাটের তলায় ঢুইকা যাবে। উলটা হবে, সে জিদ কইরা শিবিররে ভোট দিয়া আইসা পড়বে। আজকে জগন্নাথের এক ছাত্রীর রিলস দেখলাম। সে কয়েকদিন আগে রাকিবকে ভোট দিতে চাইছিলো, আজকে আবার বলতেছে প্যানেল ধরে শিবিরকে ভোট দিছে। খোঁজ নিয়ে দেখেন একই কেইস! -সাইফুদ্দিন, যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী

না দেওয়া মানে আলীগ কে ফিরিয়ে আনার কৌশল।
না দেওয়া মানে আলীগ কে ফিরিয়ে আনার কৌশল।

এখানে আসলে নেতাটা কে? নুর ভাই তো সেই কনফিডেন্স নিয়ে আমার মতো পোস দিয়ে ছবি তুলছে। বাকি দুজন তো..
এখানে আসলে নেতাটা কে? নুর ভাই তো সেই কনফিডেন্স নিয়ে আমার মতো পোস দিয়ে ছবি তুলছে। বাকি দুজন তো..

তারেক রহমান দেশে আসার পরে লীগের বিরুদ্ধে কোন জোরালো বক্তব্য দেয়নি। কাহিনী তো ভালো ঠেকছে না!

আগে আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার করেন তারপর ভোট চাইতে আইসেন
আগে আমার ভাইয়ের হত্যার বিচার করেন তারপর ভোট চাইতে আইসেন

জবির শান্তা মেয়েটা একটু আগে 'নারায়ে তাকবির' স্লোগান দিতে দিতে কেঁদেই দিলো! শান্তার কাছ থেকে সেদিন মাইক কেড়ে নেওয়া হয়েছিলো নারায়ে তাকবির স্লোগান দেওয়ায়। #WeAreHadi #WeAreOsmanHadi@Warriorsof24

জানিয়ে দাও অন্ধকার জগতের রাজাদের, এ হাওয়ার দিক এবার বদলাতে চলেছে... - সাদিক কায়েম

জবির ওকমাত্র ছাত্রী হলে ভিপি, জিএস, এজিএসসহ মেজরিটিতে ছাত্রী সংস্থার বিজয়।

"আর পারছি না গুরু সেই ডাকসু থেকে শুরু"
"আর পারছি না গুরু সেই ডাকসু থেকে শুরু"

ইরানে অস্ত্র চুরি করতে গিয়ে সো কল্ড প্রটেস্টকারীরা মারা খায়।

ইরানে প্রটেস্টকারীরা কুরআন পুড়িয়ে দেয়।

প্রধানমন্ত্রী যিনিই হোন না কেনো আপাততঃ ঢাবি ভিসি নিরাপদ !
+1
প্রধানমন্ত্রী যিনিই হোন না কেনো আপাততঃ ঢাবি ভিসি নিরাপদ !

ইরানে নাবালক প্রটেস্টকারী সাধারণ জনতার হাতে আটক হওয়ার পর প্যান্ট ভিজিয়ে ফেলে।

ওসমান হাদী হত্যার বিচার চেয়ে সারা বাংলা যেভাবে সোচ্চার হয়েছিল, তা এত অল্পতেই ম্রিয়মাণ হয়ে যাবে ভাবিনাই। নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা, গণভোট এইসব নিয়াও আর আগ্রহ জাগেনা। যতসব চোর-ডাকাত পার্লামেন্টে যাওয়ার আরেকটা আনুষ্ঠানিকতা হইতে যাচ্ছে কেবল এই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন।রাজনীতি যাদের কাছে জোচ্চুরির একেকটা প্রজেক্ট তাদের দিয়ে প্ল্যান মারাইয়া লাভ নাই।দেশের তলা সারাজীবন ঐ কানা হয়েই থাকবে। রাজনীতিই যাদের ক্যারিয়ার তাদের জন্য দেশটা কেবলই একটা তলাবিহীন ঝকঝকা ঝুঁড়ি বানানোর প্রকল্প।

আমাদের একটু চ্যাটগ্রুপ রয়েছে যেখানে সবাই মনখুলে স্বাধীনভাবে সবকিছুর সমালোচনা করে থাকেন। আমরা সেই জুলাই থেকে আপনাদের সাথে নিয
আমাদের একটু চ্যাটগ্রুপ রয়েছে যেখানে সবাই মনখুলে স্বাধীনভাবে সবকিছুর সমালোচনা করে থাকেন। আমরা সেই জুলাই থেকে আপনাদের সাথে নিয়ে এখানে স্বৈরাচার বিরোধী কর্মকাণ্ড চালিয়ে এসেছি। আপনার যারা আমাদের সাথে শুরু থেকে আছেন টার জানেনই সবকিছু।তাই রচনা না লিখে কাজের কথায় আসা যাক। আমাদের গ্রুপে লীগের কামলা থেকে শুরু করে সব শ্রেণির মানুষ ই আছেন। আপনারা চাইলে লীগের পক্ষে বলেন বা বিএনপির পক্ষে বলেন এতে কোনো সমস্যা নেই। কিন্তু দয়া করে কেউ বাজে ভাষার ব্যবহার করবেন না । যুক্তি দিয়ে সমালোচনা করবেন।এটা একটা পাবলিক গ্রুপ, এখানে অশালীন ভাষা প্রয়োগ না করাই সমীচীন। কেউ অহেতুক গালাগালি করে গ্রুপের পরিবেশ নষ্ট করলে কোনোরকম ওয়ার্নিং ছাড়াই বিনা নোটিশে ব্যান করে দেওয়া হবে ।

ইরানে সো কল্ড প্রটেস্টকারীদের হাতে অস্ত্র।

ইরানে বড়সড় প্রোটেস্ট চলছে। প্রোটেস্টে ভয়ানক রূপ নিয়েছে। ইরানের অনেক স্থানে প্রোটেস্ট কারীরা পুলিশের অনেক সদস্যকে গুলি করে হত্যা করেছে।