মানহাজুস সালাফ
Відкрити в Telegram
السلام عليكم ورحمة الله وبركاته রাসুল (সাঃ) বলেছেন, “প্রচার কর, যদি একটিমাত্র আয়াতও হয়।” (বুখারী, হা/৩৪৬১) আমাদের অন্যান্য চ্যানেলগুলো সাবস্ক্রাইব করুন Link - https://t.me/salafipdfbd/11003
Показати більше7 515
Підписники
-224 години
+257 днів
+8830 день
Архів дописів
7 522
শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যাহকে কেউ একজন একবার কাফিরদের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলো, “তারা কি কিয়ামত দিবসে হিসাবের সম্মুখীন হবে, নাকি হবে না?”
তিনি জবাব দিলেন: এই মাস'আলায় পরবর্তী যুগের ইমাম আহমদের অনুসারী (হাম্বলী ফক্বিহ)-দের মধ্যে কিছু বাদানুবাদ হয়েছে। যারা বলেন যে, তাদেরকে (কাফিরদেরকে) হিসাবের সম্মুখীন হতে হবে না - এই মতের প্রবক্তাদের মধ্যে আছেন আবু বকর আব্দুল আযিয, আবুল হাসান আত তামিমি, ক্বাযী আবু ইয়া'লা সহ অন্যান্যরা। আর যারা বলেন যে- তাদেরকেও হিসাবের সম্মুখীন করা হবে -এ মতের পক্ষে আছেন হাম্বলিদের মধ্যে আবু হাফস আল বারমাকি, এছাড়াও আবু সুলায়মান আদ দিমাশকি এবং আবু তালিব আল মাক্কী। এই মাস'আলায় মতপার্থক্যের জায়গা তৈরির পিছনে কারণ হলো: "হিসাব" শব্দটি দ্বারা যেমনিভাবে তাদের নিকটে তাদের কৃতকর্মগুলো প্রদর্শন এবং সেই অনুসারে প্রতিদান প্রদানকে বুঝানো হয়, আবার এই শব্দটি দিয়ে (মিযানের পাল্লায়) ভালো কাজ এবং মন্দ কাজের ওযন করানোকেও বুঝানো হয়।
যদি 'হিসাব' শব্দটিকে কেউ প্রথম অর্থে (অর্থাৎ সকল কৃতকর্ম প্রদর্শন এবং তদানুসারে প্রতিদান প্রদান) ব্যবহার করে, তাহলে নি:সন্দেহে কাফিরদেরকেও হিসাবের সম্মুখীন করা হবে। কিন্তু যদি কেউ দ্বিতীয় অর্থকে (অর্থাৎ ভালোকাজ এবং মন্দকাজ উভয়কে মীযানের পাল্লায় ওযন করানো) নির্দেশ করে এবং সে বুঝাতে চায় যে, “কাফির ব্যক্তিবর্গের কর্ম-লিপিতেও এমন কিছু ভালোকাজ আছে যা তাকে কোনো একসময় জান্নাতের পথে নিয়ে যাবে”, সেক্ষেত্রে এটি সুস্পষ্টভাবে ভুল। কিন্তু সে যদি এই শব্দটি দ্বারা বুঝায়, তারা (কাফিররা) হিসাবের মাধ্যমে স্তরভেদে ভিন্ন ভিন্ন শাস্তির মুখোমুখি হবে যেমন: যে লোকটির পাপের পরিমাণ বেশি সে কঠিনতর শাস্তির মুখোমুখি হবে অপর কোনো ব্যক্তির তুলনায় যার পাপ প্রথমোক্ত ব্যক্তির তুলনায় কম অথবা, যার কিছু কিছু ভালো কাজ আছে এবং এর বদৌলতে সে প্রথমোক্ত ব্যক্তির তুলনায় লঘু শাস্তি পাবে, তাহলে তা সঠিক। যেমনিভাবে, আবু তালিব আবু লাহাবের সাপেক্ষে লঘুতর শাস্তি পাবে। কারণ আল্লাহ তা'আলা বলেছেন:
اَلَّذِیۡنَ کَفَرُوۡا وَ صَدُّوۡا عَنۡ سَبِیۡلِ اللّٰهِ زِدۡنٰهُمۡ عَذَابًا فَوۡقَ الۡعَذَابِ
“যারা কুফরী করে এবং আল্লাহর রাস্তায় বাধা দেয়, আমি তাদেরকে আযাবের উপর আযাব বাড়িয়ে দেব।” (সূরা নাহল, আয়াত ৮৮)
এবং তিনি আরও বলেছেন,
إِنَّمَا ٱلنَّسِىٓءُ زِيَادَةٌۭ فِى ٱلْكُفْرِ ۖ
“নিশ্চয়ই কোনো মাসকে পিছিয়ে দেওয়া তো (তাদের জন্য) কুফরী বৃদ্ধিকরণ।” (সূরা তওবা, আয়াত ৩৭)
এবং জাহান্নামের রয়েছে ক্রমবর্ধমান নিম্নতর স্তর। কাজেই কতিপয় কাফিরের শাস্তি তাদের পাপের প্রাচুর্য এবং ভালোকাজের অভাবের কারণে অন্য কাফিরদের তুলনায় কঠোরতর হবে। সুতরাং কাফিরদের বেলায় 'হিসাব' শব্দটির অর্থ হবে তাদের প্রাপ্য শাস্তির বিভিন্ন স্তর প্রদর্শন, এমন অর্থ হবে না যা দ্বারা বুঝানো হয় যে, তারা জান্নাতে প্রবেশ করবে।
[মাজমু'উল ফাতাওয়া, ৪/৩০৫-৩০৬]
7 522
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন,“যে ব্যক্তি সম্মান অর্জন করতে চায়, সে যেন আল্লাহর আনুগত্যের মাধ্যমে তা সন্ধান করে উত্তম বাক্য ও সৎকর্মের দ্বারা।” [ইগাসাতুল লাহাফান, ২/৮৪]
7 522
যে সত্য সাক্ষ্য গোপন করে তার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন,
وَلَا تَكْتُمُوا الشَّهَادَةَ وَمَنْ يَكْتُمْهَا فَإِنَّهُ آثِمٌ قَلْبُهُ
“আর তোমরা সাক্ষ্য গোপন করো না। আর যে কেউ তা গোপন করে অবশ্যই তার অন্তর পাপী।” [১]
এই আয়াতে অন্তরকে পাপী কেন বলা হল তার ব্যাখ্যায় আল্লামা জারুল্লাহ যামাখশারী (রহ.) লিখেছেন, “সাক্ষ্য গোপন করা হলো: তা অন্তরে লুকিয়ে রাখা এবং তা মুখে প্রকাশ না করা। যেহেতু এটি এমন একটি গুনাহ যা অন্তর দ্বারা অর্জিত হয়, তাই তা অন্তরের প্রতি সম্বন্ধিত করা হয়েছে। কেননা কোনো কর্মকে সেই অঙ্গের প্রতি সম্বন্ধিত করা, যে অঙ্গ দ্বারা তা সম্পাদিত হয়, তা অধিক বাগ্মিতাপূর্ণ অভিব্যক্তি।” [২]
[১] সূরা আল-বাকারাহ, ২৮৩
[২] আল্লামা জারুল্লাহ যামাখশারী (রাহ.), আল কাশশাফ, ১/৩২৯ পৃ.
7 522
১২ই রবিউল আউয়াল - ঈদে মিলাদুন্নবী (বিদআত) সম্পর্কিত বইসমূহ।https://t.me/salafipdfbd/7693 https://t.me/salafipdfbd/7712 https://t.me/salafipdfbd/7711 https://t.me/salafipdfbd/7802 https://t.me/salafipdfbd/12327
7 522
তাফসীরে ইবনে আব্বাস কি বিশুদ্ধ সূত্রে প্রমানিত? | লাইভ তাহকিক দেখুন | Safinah Academy
7 522
ইমাম ইবনুল কাইয়্যিম (রহ.) বলেন,“রিজিক ও জীবন, দুটো যেন এক পয়সারই এপিঠ-ওপিঠ। কারণ, দুটোই নিশ্চিত। যতক্ষণ তুমি জীবিত আছো রিজিক আসবেই। একটি দরজা যদি বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে জেনে রেখো সেটা তাঁর প্রজ্ঞা। কারণ, আরেকটি দরজা ঠিকই খুলে যাবে তাঁর রহমতস্বরূপ। পুরষ্কার হিসেবে সেটা আরও বড় হতে পারে!” [আল-ফাওয়ায়িদ, ৭৯]
7 522
এই দেশের হানাফি মানেই বন্দুক গুলি সব নিজের বানানো কিন্তু ফায়ার করা হবে ইমাম আবু হানিফা (রহঃ) এর ঘাড়ের উপর রেখে!
— রোকনুল হক (হাদিস বিডি)
7 522
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,“যে ব্যক্তি সূদের দ্বারা সম্পদ বাড়িয়েছে, পরিণামে তার সম্পদ হ্রাসপ্রাপ্ত হবেই।” مَا أَحَدٌ أَكْثَرَ مِنَ الرِّبَا، إِلَّا كَانَ عَاقِبَةُ أَمْرِهِ إِلَى قِلَّةٍ [ইমাম ইবনু মাজাহ (রহ.), আস সুনান, হা/২২৭৯, শাইখ আলবানীর (রহ.) মতে সহীহ]
