Bangladesh & World Defence News (BWDN)
Відкрити в Telegram
আসসালামু আলাইকুম সবাইকে স্বাগতম ❤️ সামরিক, সমর-রাজনৈতিক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ে প্রতি সেকেন্ড এর আপডেট পেতে আমাদের চ্যানেলে জয়েন করুন।
Показати більше3 781
Підписники
-124 години
-97 днів
-2430 день
Триває завантаження даних...
Схожі канали
Хмара тегів
Немає даних
Виникли проблеми? Будь ласка, оновіть сторінку або зверніться до нашого support-менеджера.
Вхідні та вихідні згадування
---
---
---
---
---
---
Залучення підписників
серпень '26
серпень '26
+62
в 1 каналах
липень '26
+87
в 0 каналах
Get PRO
червень '26
+47
в 0 каналах
Get PRO
травень '26
+53
в 0 каналах
Get PRO
квітень '26
+74
в 1 каналах
Get PRO
березень '26
+87
в 0 каналах
Get PRO
лютий '26
+107
в 1 каналах
Get PRO
січень '26
+56
в 1 каналах
Get PRO
грудень '25
+173
в 0 каналах
Get PRO
листопад '25
+42
в 0 каналах
Get PRO
жовтень '25
+56
в 0 каналах
Get PRO
вересень '25
+99
в 0 каналах
Get PRO
серпень '25
+109
в 0 каналах
Get PRO
липень '25
+130
в 0 каналах
Get PRO
червень '25
+218
в 2 каналах
Get PRO
травень '25
+124
в 2 каналах
Get PRO
квітень '25
+93
в 2 каналах
Get PRO
березень '25
+131
в 1 каналах
Get PRO
лютий '25
+73
в 1 каналах
Get PRO
січень '25
+173
в 2 каналах
Get PRO
грудень '24
+316
в 3 каналах
Get PRO
листопад '24
+245
в 2 каналах
Get PRO
жовтень '24
+339
в 1 каналах
Get PRO
вересень '24
+217
в 1 каналах
Get PRO
серпень '24
+1 022
в 1 каналах
Get PRO
липень '24
+539
в 4 каналах
Get PRO
червень '24
+106
в 0 каналах
Get PRO
травень '24
+154
в 1 каналах
Get PRO
квітень '24
+171
в 2 каналах
Get PRO
березень '24
+151
в 2 каналах
Get PRO
лютий '24
+344
в 2 каналах
| Дата | Залучення підписників | Згадування | Канали | |
| 26 серпня | +3 | |||
| 25 серпня | +1 | |||
| 24 серпня | 0 | |||
| 23 серпня | +5 | |||
| 22 серпня | +2 | |||
| 21 серпня | +2 | |||
| 20 серпня | +5 | |||
| 19 серпня | +2 | |||
| 18 серпня | +2 | |||
| 17 серпня | +3 | |||
| 16 серпня | +3 | |||
| 15 серпня | +2 | |||
| 14 серпня | +2 | |||
| 13 серпня | +2 | |||
| 12 серпня | +3 | |||
| 11 серпня | +2 | |||
| 10 серпня | +2 | |||
| 09 серпня | +3 | |||
| 08 серпня | +3 | |||
| 07 серпня | +2 | |||
| 06 серпня | +4 | |||
| 05 серпня | 0 | |||
| 04 серпня | +2 | |||
| 03 серпня | +1 | |||
| 02 серпня | +2 | |||
| 01 серпня | +4 |
Дописи каналу
ন্যাটো সদস্যভুক্ত দেশে আক্রমণের প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। যেকোনো মুহূর্তে প্রথম আক্রমণের শিকার হতে পারে পোল্যান্ড।
| 2 | ব্যারিস্টার আরমান, তুমি যখন হাসিনার আয়না ঘরে বন্দী ছিলে তোমার জন্য শত-শত জাতীয়তাবাদী এবং ইসলামিস্ট অনলাইন এ্যাক্টিভিস্ট নিজেদের বিপদের তোয়াক্কা না করে প্রতিবাদ করেছে, তোমার মুক্তি চেয়েছে। দুদিন আগেও জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তোমার সমর্থনে লিখেছি।
কিন্তু বাস্তবে তুই একটা মাদার্সুদ মুনাফেক। মানুষের বিশ্বাসের মূল্য তোর কাছে নেই। তুই ফ্যাসিবাদের একনিষ্ঠ দালাল আনিসের সাথে একখান ফটুক তুলে জাতে উঠতে চাস? | 305 |
| 3 | কার কফিন এইটা জানেন? তাহলে বলি, এইটা বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যের নিদর্শনের অন্যতম বলি ফেলানির কফিন। কি করা হয়েছিল জানেন? ফেলানিকে মেরে বর্ডারের কাটা তারে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিল। দিনটা ছিল ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি। ফেলানির লাশ কাটা তারে ৫ ঘন্টা ঝুলেছিল।
সেই স্মৃতিকে অম্লান রাখতে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে সেই ফেলানির লা*শকে প্রতিকী হিসেবে রাখা হয়েছিল। এটা আমরা সবাই দেখেছি। বিএনপি সরকার এই প্রতিকী ফেলানির লাশকে সরিয়ে ফেলেছে। কিন্তু কোন উদ্দেশ্যে, কাকে খুশি করার জন্য এই চিহ্ন সরিয়ে ফেলেছে, সেটার জবাব বিএনপিকে দিতে হবে । উপরে উপরে বিএনপি ভারতকে ধুয়ে দেয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বিবৃতি দেয়। কিন্তু তলে তলে ভার**দের দাদাদের যদি খুশি করার উদ্দেশ্যে এইটা করা হয়ে থাকে। তাহলে জেনে নিতে হবে , বিএনপির পতনও আসন্ন। ভারতীয় আধিপত্যবাদের কবর হয়েছে এই দেশে। সেটাকে মাথা চাড়া দিয়ে উঠানোর আর সুযোগ দেওয়া হবে না। | 602 |
| 4 | 🇮🇷 🇺🇸 একজন সাধারণ ইরানি সৈন্য বা পুলিশ কর্মকর্তা, যাঁর রেশন বলতে এক টুকরো রুটি, অর্ধেক আলু, কিছু ডিম, এবং যিনি সম্ভবত কয়েক মাস ধরে বেতন পাননি, তিনিও কোনো অভিযোগ করেন না এবং নিখুঁতভাবে নিজের কর্তব্য পালন করে যান।
স্বদেশের প্রতি ভালোবাসা কেনা-বেচা করা যায় না। আমেরিকানরা বিলাসবহুল যুদ্ধে অভ্যস্ত, কিন্তু সময় বদলে গেছে। এটা আর ২০০১ সাল নয়। | 582 |
| 5 | মেহেরপুর সদর উপজেলার ইছাখালী সীমান্ত থেকে আব্দুল হান্নান (৬০) নামের এক কৃষককে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালের এই ঘটনার প্রতিবাদ হিসেবে ভারতীয় দুই নাগরিককে আটক করে বর্ডার গার্ড ব্যাটালিয়ন বিজিবির কাছে হস্তান্তর করেছে সীমান্তের বাসিন্দারা।
বিজিবপ চুড়ি পড়ে বসে থাকুক। | 587 |
| 6 | ইন্ডিয়ার ডিপ্লোম্যাটদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে মনে হইতেছে, ওরা বুঝে গেছে যে বাংলাদেশ পার্মানেন্টলি বদলায়ে গেছে চব্বিশের পরে।
ওরা বুঝে গেছে, একাত্তরের পরে যেইভাবে দেশটারে ওরা ব্যবহার করতে পারছে, চব্বিশের পরে আর সেইটা ওরা পারবে না।
একাত্তরে যেইটা সম্পূর্ণ হয় নাই, যেই কালচারাল আর পলেটিক্যাল মুক্তি আর সার্বভৌমত্ব অর্জন হয় নাই, সেইটা আমরা চব্বিশের জুলাইতে অর্জন করছি।
চব্বিশের ওজন একাত্তরের চাইতে তো বেশিই হওয়ার কথা।
একাত্তর শুরু হইছিলো পাকিস্তানের আধিপত্যের বিরুদ্ধে মুক্তির সংগ্রাম দিয়ে। সেই সংগ্রাম আর মুক্তিযুদ্ধের পরম্পরায় আমরা নতুন দেশ পাইছি।
কিন্তু চব্বিশ ছিলো একইসাথে সাতচল্লিশের মুসলমান আন্দোলন, ইন্ডিয়ার আধিপত্যের বিরুদ্ধে মুক্তির আন্দোলন আর হাসিনার পতনের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান।
সাতচল্লিশ আর একাত্তরে যা অসম্পূর্ণ ছিলো, চব্বিশে আইসা সেইটা সম্পূর্ণ হইছে।
চব্বিশের ওজন তাই সবচাইতে বেশি। | 525 |
| 7 | বাংলাদেশ সফরে এসেছেন ভারতীয় ‘র’-প্রধান পরাগ জৈন
বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সাম্প্রতিক টানাপোড়েনের মধ্যেই ঢাকায় এসেছেন ভারতের বহিঃগোয়েন্দা সংস্থা Research and Analysis Wing (RAW)-এর প্রধান পরাগ জৈন। চার সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দিয়ে রোববার সরকারি সফরে তিনি ঢাকায় পৌঁছেছেন। তিনি এবং তার প্রতিনিধি দল ঢাকার রেডিসন ব্লু হোটেলে অবস্হান নিয়েছেন। তার আবাসনের ব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সহযোগীতা করেছে বাংলাদেশী একটি সংস্হা।
বাংলাদেশের একটি গোয়েন্দা সংস্হার আমন্ত্রণেই এই সফর অনুষ্ঠিত হচ্ছে। তবে এখন পর্যন্ত ভারত বা বাংলাদেশ কোনো পক্ষই সফরটি নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো বিবৃতি দেয়নি (দিবেওনা)।
পরাগ জৈনের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধি দলে রয়েছেন অশ্বীন মুকুন্দ কোটনিস, রাহুল নেগি ও শৈবাল রায় চৌধুরী। গতকাল রোববার দুপুরে তারা Air India-এর একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। গতকাল দুটি দীর্ঘ বৈঠকে বসেছেন তারা যার মধ্যে একটি প্রায় ৪ ঘন্টা দীর্ঘ। এবং অপরটি একটি রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দের সাথে, এ বিষয়ে বাংলাদেশের গোয়েন্দারা জানতেন।
এই সফরটি বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ এটি এমন এক সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ককে নতুন করে স্থিতিশীল ও স্বাভাবিক করার জন্য কূটনৈতিক পর্যায়ে যোগাযোগ বাড়ছে।
একজন বর্তমান গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সরাসরি ঢাকা সফর সাধারণ কূটনৈতিক যোগাযোগের তুলনায় আলাদা মাত্রার গুরুত্ব বহন করে। বিশেষ করে দুই দেশের রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা সম্পর্কের বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই সফরকে ব্যাকচ্যানেল নিরাপত্তা যোগাযোগ পুনঃস্থাপন এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো নিয়ে সরাসরি আলোচনার সম্ভাব্য উদ্যোগ হিসেবেও দেখা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে শিডিউল বহির্ভূত একটি সফরে বাংলাদেশে এসেছিল ভারতীয় গোয়েন্দাদের একটি প্রতিনিধি দল। বিমানবন্দর থেকেই তাদের ফেরত পাঠায় বাংলাদেশের গোয়েন্দারা। | 414 |
| 8 | Немає тексту... | 354 |
| 9 | 🇬🇧🏴🇵🇸 যুক্তরাজ্যে ফিলিস্তিনপন্থী কর্মীরা স্কটল্যান্ডের অ্যাবারডিনে অবস্থিত আলট্রা আইঅ্যান্ডসি (Ultra I&C)-এর কার্যালয়ে জোরপূর্বক প্রবেশ করে ভবনটি ভাঙচুর করেছে এবং অফিসের বিভিন্ন আসবাবপত্র ও শত শত নথিপত্র নষ্ট করেছে।
আলট্রা আইঅ্যান্ডসি হলো একটি আমেরিকান প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি সংস্থা, যা মিশন-ক্রিটিক্যাল সফটওয়্যার, এনক্রিপশন এবং এজ-কম্পিউট পণ্যে বিশেষজ্ঞ। অভিযোগ রয়েছে যে, এটি ইসরায়েলের অন্যতম বৃহত্তম প্রতিরক্ষা সংস্থা এলবিট সিস্টেমস লিমিটেড (Elbit Systems Ltd.)-এর একজন অংশীদার। | 393 |
| 10 | সৌদি আরবে একটা সোফা তৈরির কারখানায় আগুন লেগে ১৭ বাংলাদেশী নিহত হয়েছে। ইন্না-লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন।
এর মধ্যে দশ জন হতভাগ্যের পরিচয় নিশ্চিত হয়েছে। সাতজনেরই বাড়ি নওগাঁ জেলায় আত্রাইয়ে।
আমি এই মর্মান্তিক ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করছি। নিহতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। নিহতদের পরিবার যেন এই শোক বহনের শক্তি পায়। খোদাতায়ালা যেন এই হতভাগ্য বাংলাদেশীদের সকল গুনাহ মাফ করে দেন।
এইটা কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনা। এই দুর্ঘটনার যথাযথ ক্ষতিপূরণ যেন সকল পরিবার পায় সেটা নিশ্চিত করার জন্য সরকারকে অনুরোধ করছি। | 408 |
| 11 | কত ত্যাগের পর এসেছে এই জুলাই!
জাদুঘরে তাদের নিয়ে কিছু কেন নেই? | 362 |
| 12 | ভারতের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্কের দোহাই দিয়ে যদি জুলাই যাদুঘর থেকে ওয়ান ইলেভেনের রেফারেন্স, ফেলানির স্কালপচার, বর্ডার কিলিং রুম, মোদি বিরোধী আন্দোলনের ইতিহাস সরাতে হয়। তাহলে পাকিস্তানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক রাখার জন্য কি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও সরিয়ে ফেলতে হবে? তাহলে বাংলাদেশ বলে তো আর কিছুই থাকে না।
তারপরেও কূটনৈতিক সম্পর্কের কি পরিস্থিতি তাও আমরা দেখছি। শত অনুরোধের পরেও হাসিনার প্রেস ব্রিফিং এরেন্জ করে দিলো ভারত। প্রধানমন্ত্রীকে দাওয়াত দেওয়া হলো সম্মেলনে অংশ নিতে, অথচ ইনভাইটেশনে একবারের জন্য ও 'প্রাইম মিনিস্টার' সম্বোধন করা হলো না।
কেন আমাদের আগ্রাসন বিরোধী লড়াই এবং শহীদদের ইতিহাস আড়াল করতে চান? আশা করি জবাব দিবেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ম | 342 |
| 13 | পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া সীমান্তে এক বাংলাদেশিকে বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠার পর উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এর প্রতিবাদে স্থানীয় গ্রামবাসীরা সীমান্ত পার হয়ে এক ভারতীয় নাগরিককে ধরে বাংলাদেশে নিয়ে আসে বলে জানা গেছে। পরে বিজিবি ও স্থানীয় প্রশাসন ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ চলছে। | 391 |
| 14 | নাম সজিবুর রহমান.
এক সময় তুখুর ছাত্রলীগ করতো. দিনাজপুরে পলিটেকনিকসহ উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলো.
২০২৪ এর 5 আগস্টের পর পালিয়ে ইন্ডিয়া যায়.
রিসেন্ট টেলিগ্রামের গ্রুপের বরাতে জানতে পারি দেশের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করে শেখ হাসিনা কে পিরিয়ে আনতে যোগ দেয় পাহাড়ের কুখ্যাত কুকিচিন বাহিনীর সাথে.
নিজের দেশকে এইভাবে তারা ধ্বংস করে দিতে চায়. ধিক্কার তাদের জন্যে | 410 |
| 15 | জেনারেল ওয়াকারুজ্জামানকে অভিনন্দন। তিনি সফলভাবে আওয়ামী লীগের ৬০০+ নেতাকর্মী, তাঁর কোর্সমেট লে. জেনারেল আকবর, লে. জেনারেল সাইফ, লে. জেনারেল তাবরেজ শামস, মেজর জেনারেল কবির এবং মেজর জাহিদের হত্যাকারী ডিবি পুলিশের মনিরুলকে ভারতে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন।
তবে তিনি এখন হজ করেছেন, দাড়ি রেখেছেন। তারপরও আওয়ামীপ্রীতি/ভারতপ্রীতি এবং ভারত-আওয়ামী মতাদর্শের কোর্সমেটপ্রীতি একটুও কমেনি।
জি, তৎকালীন সাতক্ষীরা ম্যাসাকার (২০১৩) চলাকালীন ৫৫ ডিভিশনের জিওসি, রেবের(RAB) প্রাক্তন এডিজি এবং ডিজিএফআইয়ের সিটিআইবির ডিরেক্টর লে. জেনারেল মতিউর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হওয়ার পর জেনারেল ওয়াকার কৌশলে তাঁকে হাউস অ্যারেস্ট দেখিয়ে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন।
জেনারেল ওয়াকার—দ্য গ্রেটেস্ট গাদ্দার অব অল টাইম। দেখি, বিএনপির সঙ্গে তাঁর প্রেম কতদিন টিকে। | 1 |
| 16 | Немає тексту... | 520 |
| 17 | আহমদ ছফা তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে যে ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন সেটাই পারফেক্ট ছিল। তসলিমা নাসরিন ব্যক্তিজীবনে হীনমন্য এবং হিপোক্রেট টাইপের মানুষ। ১৯৯৪ সালের জানুয়ারিতে মীজানুর রহমান মীজান আহমদ ছফার সাক্ষাৎকার গ্রহন করেন। তখন তসলিমা নাসরিনের প্রসঙ্গ চলে আসে। মিজান আহমদ ছফাকে তসলিমার ভবিষ্যৎ জীবন নিয়ে জানতে চাইলে ছফা বলেন;
"তসলিমা নাসরিন ভবিষ্যতে মৌলবাদী হয়ে যাবেন"।
এই কথার ব্যাখ্যা এখন স্পষ্ট। তসলিমা দীর্ঘদিন ধরে ভা*রত আছে। সেখানে বসে পূজোর সময় মন্দিরে যাচ্ছে পূজো করছে। কেবল ইসলাম ধর্ম নিয়ে তার সমস্যা।অনেক বছর কলকাতায় আসতে পারেন না। এবার ঢাকঢোল পিটিয়ে সুবেন্দুর কোলে উঠে কলকাতায় আসলেন। এসেই সাক্ষাৎকার দিলেন। সেখানে তিনি বলেন;
" হিন্দু উ/গ্রবাদী/দের বিরুদ্ধে যদি প্রতিবাদ করতে হয়, সেখানে জনগণ যথেষ্ট আছে তারা তা করবেন। ,,,,,,,আমার দায়িত্ব পড়েনি সমস্ত মৌলবাদ নিয়ে আমি সমানভাবে প্রতিবাদ করব!"
তসলিমা বেছে বেছে প্রতিবাদ করবেন। যেমন ভা*রতের সংখ্যালঘু মুসলিম ও খ্রিস্টানদের নিপীড়ন নিয়ে কিছু বলবেন না। মনিপুরে মানুষের স্বাধীনতার পক্ষে কথা বলবেন না। কাশ্মীরের মজলুমের জন্য কথা বলবেন না। গাজা বাসীদের উপর নিপীড়ন নিয়ে কথা বলবেন না। কেনো বলবেন না বুঝতে পেরেছেন? তসলিমা নাকি অসাম্প্রদায়িক! তিনি উ*গ্র হি/ন্দুত্ব/বাদের পেইড এজেন্ট হয়ে কাজ করার পরেও তিনি অসাম্প্রদায়িক থাকবেন। কিভাবে? মিডিয়ার বদৌলতে।
তসলিমার সাহিত্য নিয়ে ছফাকে প্রশ্ন করলে ছফা বলেছিলেন;
"তসলিমার কোন বক্তব্যই চিন্তা প্রসূত নয়। ভারতবর্ষ টাকা দিয়ে তাদের কথা তসলিমাকে দিয়ে বলিয়েছেন।এখন ইউরোপ টাকা দিয়ে তাদের কথা তসলিমাকে দিয়ে বলাচ্ছেন। টাকা পাওয়া নিয়ে তসলিমার কথা। যে টাকা দেবে সে তার কথা বলবে।এটা এক ধরনের পতিতাবৃত্তি। এক সময় ইউরোপ আমেরিকা তসলিমাকে ছুড়ে দেবে।সে সময় আরবের কোন এক শেখ তাকে টাকা দিয়ে কিনে নেবে"।
আহমদ ছফা তসলিমার উত্থান বিষয়ে বলেন;
"ভারতীয়রা বাবরি মসজিদ ভাঙার গ্লানি এবং লজ্জা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য তসলিমাকে সৃষ্টি করেছে। আবার দেখুন কমিউনিজমের পতনের পর ইসলামের বিরুদ্ধে প্রচার অভিযান পশ্চিমারা শুরু করেছে। তসলিমা সেখানে উপলক্ষ মাত্র"।
এই হচ্ছে তসলিমার অসাম্প্রদায়িকতার চরিত্র! এই হচ্ছে নারীবাদি তসলিমা!
@ Abdul Kader Zilani | 608 |
| 18 | Немає тексту... | 455 |
| 19 | প্রথম আলো জয় বাঙলা করা যাবে না। প্রথম আলোর চেয়ে বেটার একটি পত্রিকা বানান; যারা এটা বলে এরা সবাই একেকটা আরশাফুল। তাদের পলিটিক্স নিয়ে জ্ঞান স্কুল বয় লেভেলের। এদের সিরিয়ালি নিয়েন না।
প্রথমত, দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পরে জার্মানির এলিট দুইটা পত্রিকা ডেয়ার আংগরিফ, এবং ফলকিশার বেওবাখটারকে জয় বঙ্গোবল্টু করে দেওয়া হয়। কোন জার্মান বলে নাই আমরা আংগরিফের চেয়ে ভাল পত্রিকা বানাবো, এই ২ টা থাক।
দ্বিতীয়ত, প্রথম আলুদের পেছনে ভারতসহ একাধিক দেশের বিশাল আর্থিক, এবং ইন্টালেকচুয়াল ইনভেস্টমেন্ট আছে। পত্রিকাটা শিখন্ডি করে এর পেছনে আছে মাল্টিমিলিয়ন ডলারের বুদ্ধিজীবী, বই, এক্টিভিজম বাণিজ্য।
বাংলাদেশের ব্যাপারে ভারত যতটা কনসার্নড, অন্যকোন দেশ তার সিকিভাগও না। কারন বাংলাদেশের হাতে ভারতের মুরগির মাথা। এই মাথার নিরাপত্তার জন্য ভারত বাংলাদেশের মূলধারায় ঢুকতে যে কোন ইনভেস্ট করতে রাজি তার সিকিভাগও কোন দেশ করবে না।
একটা মাল্টি মিলিয়ন ডলারের ইকো-সিস্টমকে চেক দিতে আরেকটা ইকো-সিস্টেম করার মত ইনভেস্টমেন্ট আপনার কোথায়? এত টাকাই কারো নাই। এটা করা অসম্ভব।
তৃতীয়ত, আলু চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজির সাথে জরিত। বেশ কয়েক বছর আগে নিউজ হয়েছিলো আলু ২০০ কোটি বা এমন বিশাল কোটা টাকার সম্পদ মাত্র ১/২ কোটি দিয়ে লিখে নিছে। আপনি এই রকম চাঁদাবাজি করতে পারবেন না। আর করলে আপনি হয়ে উঠবেন আরেক মনস্টার।
আমি নতুন পত্রিকা করার বিরুদ্ধে না, ডোন্ট গেট মি রঙ, অবশ্যই করেন। কিন্তু পত্রিকা বের করে আলুর মত কমপ্লেক্স ইকো-সিস্টেমকে বিট করবেন এটা পাগলামি।
জার্মানিতে যে রাস্তায় সমাধান হয়েছিলো, এখানেও সেটাই লাগবে। নিৎশের ভাষায়—Schöpferische Zerstörung (শিওপ্ফারিশে সেয়্শ্টোইরুং) তথা ক্রিয়েটিভ ডেসট্রাকশন। | 568 |
| 20 | মিথ্যা অপবাদ দিয়ে হত্যা করা মরনোত্তর প্রমোশন প্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জাহিদ তো মরে গিয়ে বেচে গেছেন। উনার স্ত্রী পারিবারিক, সামাজিক, মানসিক সবদিক থেকে এদের জন্য লাঞ্ছিত হয়েছেন। ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বরে মেজর জাহিদ কে হাতকড়া পড়া অবস্থায় ষোলটা গুলি করা হয়। ২০১৭ সালে জানুয়ারিতে ব্রিগেডিয়ার জাহিদের স্ত্রীকে জেলে পাঠায় হাসিনা। ব্রিগেডিয়ার জাহিদের দুই মেয়ে, বড় মেয়ের বয়স ৭ এবং ছোটটা এক বছরের। ছোট মেয়েটা মিসেস জাহিদের সাথে জেলেই বড় হয়। জেলে যখন মাকে দেখতে যেত বড় মেয়ে শুধু কান্নাকাটি করতো। বড় মেয়ে মামার বাসায় বড় হতে থাকে। ২০২০ সালে সেপ্টেম্বরে মিসেস জাহিদ জামিন পায়। জামিন পাওয়ার ছয় মাসের মধ্যে ডিবি অফিসে মিসেস জাহিদকে ডাকা হয়। সেখানে আমেনা মহসিন এবং একজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রভাষক (আই আর এর নামটা কনফার্ম করতে হবে) মিসেস জাহিদকে নানা রকম প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে। আপনার কখন থেকে এই পরিবর্তন। আপনি কখন থেকে হিজাব শুরু করেছেন। আপনার হাজব্যান্ড কি আগে থেকে এমনই ছিল? এর কিছুদিন পর হঠাৎ করে আদালতে হিয়ারিং হয় এবং মিসেস জাহিদের জামিন বাতিল হয়। জামিন বাতিল হওয়া শুনে মিসেস জাহিদের মা অসুস্থ হয়ে পড়ে। বছরখানেকের মধ্যে মিসেস জাহিদকে আবার জেলে পাঠানো হয়। ২০২২ সালে মিসেস জাহিদ যখন জেলে তখন উনার মা মারা যায়। জেলে থাকার কারণে উনি উনার বাবা, মাকে শেষবারের মতো দেখতে যেতে পারেননি। ২০২০ সালে মিসেস জাহিদের বাবা মারা যায়। মেজর জাহিদ মারা যাওয়া কিছুদিন পরে উনার বাবা মা ও ছেলের শোকে মারা যায়। হাসিনার আমলে কত কষ্টের এতো যন্ত্রণার মধ্যে দিয়ে এক একটা পরিবার জীবন যাপন করেছে।
আমরা মনে করি আমরা অনেক ত্যাগ করেছি। এই ত্যাগের কাছে আমাদের লড়াই কিছু না।
মেজর জাহিদের খুনের বৈধতা উৎপাদন করেছে প্রথম আলো। প্রথম আলোর ক্ষমা নাই। | 442 |
