Saifullah war update 🇵🇸
Відкрити в Telegram
রাসূল (ﷺ) বলেছেন, "আমার পক্ষ থেকে একটি আয়াত হলেও তা পৌঁছিয়ে দাও।" [বুখারি ৩৪৬১] আল্লাহ তা'আলা বলেন - তার কথার চেয়ে উত্তম কার কথা হতে পারে যে মানুষকে আল্লাহর দিকে আহবান করে। (সুরা হা মিম সাজদাহ : ৩৩) @saifullahwarupdate
Показати більше1 193
Підписники
Немає даних24 години
-87 днів
-430 день
Архів дописів
হিযবুল্লাহ'র সিংগেল স্ট্রাইকে ইজ্রাইলি ৪০১তম আর্মর্ড ব্রিগেডের ৫২তম ব্যাটেলিয়ন কমান্ডার সহ ৪ সন্ত্রাসী মৃত্যুর কথা জানিয়েছে ইজ্রাইল
🚫 ⚡️⚡️⚡️⚡️⚡️⚡️
Yaffa অঞ্চলে, সকালে, বেশ কয়েকটি সামরিক টার্গেটে মিসাইল স্ট্রাইক চালিয়েছে ইয়েমেন আনসারআল্লাহ সশস্ত্র বাহিনী।
🔽 এখন থেকে, লোহিত সাগরে,
ইজ্রাইলি সকল ধরণের জাহাজের বিরুদ্ধে নেভাল ব্লকেড ঘোষণা করেছে ইয়েমেন।
যেকোনো ইজ্রাইলি লিংক জাহাজের মুভমেন্ট সামরিক টার্গেট হিসেবে বিবেচিত হবে।
+2
দিলকাশ মানজার
ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খলিফা ‘সিরাজউদ্দিন হাক্কানি’ এবং গোয়েন্দা বিভাগের মহাপরিচালক ‘আবদুল হক ওয়াসিক’ সৌদি আরবে হজ পালন উপলক্ষে সফরের সময় সিরিয়ার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘আনাস খাত্তাব’ এবং গোয়েন্দা প্রধান ‘হুসাইন সালামা’ এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠকে উভয় পক্ষ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছেন।
বিপ্লবীদের দলগুলো একতাবদ্ধ হোক। মুসলমানদের বন্ধন দৃঢ় হোক। ইসলামী রাজনীতির অঙ্গনে তালেবান অতুলনীয়, তবে সিরিয়ার ব্যাপারেও আমরা যথেষ্ট আশাবাদী। তাদের প্রতি সুধারণা রাখি।
অপরাধীকে শাস্তি দেয়ার উদ্দেশ্য কখনোই কেবল এটা নয় যে, তার অন্যায়ের বদলা নেয়া হবে। অপরাধের শাস্তি দেয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো, সমাজ থেকে পরিপূর্ণভাবে অপরাধকে নির্মূল করা।
কথা হলো, একজনের শাস্তির মাধ্যমে সমাজ কীভাবে সংশোধন হবে? যে শাস্তি পেয়েছে, সে কষ্ট ভোগ করেছে। অন্য অপরাধী কীভাবে এই কষ্টের অনুভূতি নিজের ভেতরে ধারণ করবে? কীভাবে সে ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে অপরাধ থেকে নির্লিপ্ত হবে? এই প্রশ্নের উত্তরে শরীয়া আইনের কর্মপন্থা খুবই ইফেক্টিভ এবং কার্যকর।
শরীয়া আইন বলে, অপরাধীকে জনসম্মুখে শাস্তি দাও। মানুষকে জড় করে তার শাস্তি বাস্তবায়ন করো। যখন তার গলা কা.টা দেহ ছটফট করবে, খাদ্যনালী আর শাহরগ থেকে ফিনকি দিয়ে লাল র.ক্ত ছড়িয়ে পড়বে, যখন তার মাতা-পিতা, স্ত্রী-সন্তান হাউমাউ করে কাঁদতে কাঁদতে আকাশ-বাতাস ভারী করে ফেলবে—তখন এই দৃশ্য দেখে অন্যান্য অপরাধীর কলিজা কেঁপে ওঠবে। ভবিষ্যতে সে অপরাধ করার আগে হাজারো বার ভাববে। তার চোখের সামনে অপরাধীর র.ক্তমাখা মাথাবিহীন দেহ ভাসতে থাকবে। যা তার মনে তীব্র ভয় সঞ্চার করে তাকে অপরাধ করা থেকে বিরত রাখবে।
অপরদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার নামক উদ্ভট আইন বলে, অপরাধীকে জনসম্মুখে শাস্তি দেয়া যাবে না। এতে সাধারণ মানুষের বিরক্তির কারণ হবে। মানুষ অযথা আতংকিত হবে। প্রকাশ্য শাস্তি একধরনের ভায়োলেন্স। সুতরাং শাস্তি দিতে হবে গোপনে।
মানবাধিকারের নাম করে শাস্তি গোপন করতে গিয়ে এমন গোপন হয়েছে যে, মানুষ জানতেও পারে না অমুক অপরাধীর শাস্তি হয়েছে। কদাচিৎ কারো শাস্তি কার্যকর হলেও তার প্রসেসিং এতটাই বিলম্বিত হয় যে, মানুষ বিরক্ত হয়ে তার খোঁজ নেয়াও ছেড়ে দেয়। যার ফলে এধরণের শাস্তি অপরাধীর অন্তরে নূন্যতম ভয়েত সঞ্চার করতে পারে না। ফলে অপরাধীও অপরাধ করতে ভয় পায় না।
এজন্য আমরা বলি, যদি পরিপূর্ণভাবে অপরাধ নির্মূল করতে চান, তাহলে রাষ্ট্রে ইসলামি আইন প্রতিষ্ঠা করুন। কিসাসের বিধান চালু করুন। নিহতের অভিভাবক নিজ হাতে হ.ত্যাকারীর দেহ থেকে কল্লা আলাদা করে ফেলবে। আর এই দৃশ্য পুরো শহরের মানুষ, প্রয়োজনে সারাদেশের মানুষ দেখবে। ইন শা আল্লাহ অপরাধের মাত্র শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।
কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো, এদেশের মানুষ মরতে রাজি, ধর্ষ.ণের শিকার হতে রাজি, দুর্নীতির কবলে পড়তে রাজি, তবু শরীয়া শাসন বাস্তবায়ন হোক তাতে রাজি না। সুতরাং যতদিন তারা তাদের এই মানসিকতা থেকে বের হতে না পারবে, ততদিন তাদের উপর এসব অন্যায় অনাচার চলতে থাকবে।
আফগানিস্তানের বলখ প্রদেশের কেন্দ্র শহরের পঞ্চম নিরাপত্তা জোনের আওতাধীন এলাকা থেকে পাঁচজন সশস্ত্র ডাকাতকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ওই ডাকাতরা কিছুদিন আগে একটি বাড়ি থেকে কিছু নগদ অর্থ ও স্বর্ণালংকার চুরি করেছিল।
গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে তিনটি পিস্তলও উদ্ধার করা হয়েছে।
গাজার মুজাহিদকে নবীজির ﷺ দাওয়াত, অতঃপর শাহাদাত
১৯ বছর বয়েসী এক হা'মাস যোদ্ধা: স্বপ্নে তার দেখা হলো নবীজি ﷺ এঁর সাথে!
যোদ্ধার চাচাতো ভাই আহমদ নায়েফ লিখে—
আমরা পাঁচজনের ছোট্ট একটি টিম ছিলাম। আমাদের মোতায়েন করা হয়েছিল পূর্ব গাজার শিজাইয়্যাহ এলাকায়।
সঙ্গে ছিল ১০টি ট্যাংক ও এপিসি ধ্বংস করার মতো গো'লাবারুদ। দুই সপ্তাহের মধ্যে আল্লাহর রহমতে আমরা তা করেও ফেলি। একে একে ধ্বংস করে ফেলি দখলদারদের ৯টি মারাকাভা-৪ ট্যাংক।
বাকি ছিল একটিমাত্র শেল। ইয়াসীন-১০৫ এর। হঠাৎ আমাদের সামনে উদয় হলো একটি নামির ক্লাস এপিসি। যা ১৬ জন করে দখলদার সেনা বহন করতে পারে।
আমাদের মাঝে শুরু হলো নীরব প্রতিযোগিতা—কে ছুঁড়বে এই শেষ আরপিজি শেল।
আর এপিসির অবস্থানও এমন জায়গায় ছিল, সেখানে সশরীরে পৌঁছে ওটার গায়ে শেল রেখে আসা ছাড়া উপায় ছিল না। আর স্বাভাবিক-ই এক্ষেত্রে একরকম নিশ্চিত ছিল, যে শেল নিয়ে যাবে, সে আর ফিরে আসবে না, শ'হীদ হয়ে যাবে।
শাহাদাতের এই আকাঙ্ক্ষা আরও তীব্র করে তুলছিল আমাদের মধ্যকার প্রতিযোগিতাকে।
দলনেতা লটারির নির্দেশ দিলেন। আমরা লটারি করলাম। একজনের নাম উঠল।
অমনি আমার চাচাতো ভাই মাটিতে গড়িয়ে কান্না শুরু করল! অনেক চেষ্টা করেও আমরা ব্যর্থ হলাম ওকে থামাতে। জিজ্ঞাসা করলাম, কেন কাঁদছো?
ও বললো, আমি চেয়েছিলাম বিষয়টি গোপন রাখতে। কিন্তু তা আর পারলাম কই? আফসোস!
গতরাতে আমি প্রিয় নবীজী ﷺ কে স্বপ্নে দেখেছি। তিনি আমার নাম ধরে বলছিলেন, তোমাকে দাওয়াত। আগামীকাল দুপুরের খাবার তুমি আমার সঙ্গে খাবে।
তো আমি একরকম নিশ্চিত ছিলাম, লটারিতে শেলটি আমার ভাগেই পড়বে। কিন্তু তা তো হলো না।
একথা বলে ও আবার কাঁদতে শুরু করল।
যার নাম উঠেছিল, আমরা ওকে বোঝাতে লাগলাম। সে শেল দিয়ে দিতে রাজি হলো। কিন্তু শর্ত দিলো—তুমি নবীজী ﷺ এঁর কাছে যখন পৌঁছবে, আমার শাফায়াতের জন্য তাঁর কাছে একটু সুপারিশ করবে।
যাইহোক, শেল নিয়ে আমার ভাই রওয়ানা হলো। আমরা দূর থেকে ওকে দেখতে লাগলাম। সফলভাবেই ও ওটাকে ডিটোনেট করতে সক্ষম হলো।
দাউদাউ করে জ্ব'লতে লাগলো হায়নাদের নামির ক্লাস এপিসি। স্পষ্ট চোখে আমরা গলে গলে পড়তে দেখলাম ওটার বডি আর্মারকে।
আমরা জানতাম না যে এখানে সাধারণ সেনাদের সাথে আইডিএফ ওদের বিশেষ ইউনিটও মোতায়েন করেছে। মুহূর্তে সক্রিয় হয়ে উঠলো ওরা।
কাকতালীয়ভাবে ওরা আগে আমাদের চারজনের অবস্থান লক্ষ্য করেই এগুতে লাগল! আমরা শাহাদাতের প্রস্তুতি নিয়ে ফেললাম।
হঠাৎ দেখি, আমার চাচাতো ভাই ভাঙা বিল্ডিংয়ের আড়াল ছেড়ে বের হয়ে আসলো এবং আমাদের ঠিক উল্টো দিকে দৌড়াতে শুরু করল।
ও জানতো আমরা এখানে আছি। হায়নাদের চোখ আমাদের থেকে ফেরানোর জন্যেই কাজটা করেছিল ও।
তারপর আমরা ধীরে ধীরে সরে এলাম শিজাইয়্যাহ থেকে। জানতাম না, আমার ভাইয়ের সাথে শেষপর্যন্ত কী হয়েছে।
তিনদিন পর আইডিএফ সাময়িক সেনা উইথড্র করল। আমরা শিজাইয়্যাহ গেলাম। গিয়ে ওর লা'শ উদ্ধার করে একটা বাড়ির ভেতর দাফন করলাম।
মাসকয়েক পর যুদ্ধবিরতি হলো। নিয়মানুযায়ী আমরা আবার সেখানে গেলাম—জাবালিয়ায় আমাদের পারিবারিক কবরস্থানে ওর লা'শ দাফন করার জন্য।
যখন কবর খোঁড়লাম, দেখলাম এখনো ওর লা'শ থেকে র'ক্ত ঝরছে! দেখতে অবিকল প্রথম দিনের মতো দেখাচ্ছে!
শাহাদাতের সময়ে আমার ভাইয়ের বয়েস ছিল মাত্র ১৯ বছর।
রহিমাহুল্লাহ!
প্রযুক্তির শরীয়া-সম্মত জনবান্ধব ব্যবহার
ইমারতে ইসলামি আফগানিস্তানের টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয় নতুন একটি বিষয় চালু করেছে। মোবাইলে যখন কল করা হয়, তখন রিং হওয়ার আগে ‘মেয়েদেরকে জোরপূর্বক বিবাহ দেয়া’ বিষয়ে আমিরুল মুমিনিন মোল্লা হিবাতুল্লাহ আখুন্দ যাদাহ এর নির্দেশনা চলতে থাকে।
সেই নির্দেশনায় স্পষ্ট ঘোষণা করা হয় যে, কোনো মেয়েকে তার সম্মতি ছাড়া জোরপূর্বক বিবাহ দেয়া যাবে না। দিলে কঠোর শাস্তির সম্মুখীন হতে হবে।
সামাজিক সচেতনতা এবং নারী নির্যাতন দূর করার লক্ষ্যে এমন একটি মহৎ উদ্যোগ নিয়েছে ইমারা সরকার। অথচ হাসিনার আমলে এদেশের মানুষের জোর করে শেখ মুজিবের ভাষণ শোনা লাগতো।
বছরখানেক আগে গাজীপুরের কাপাসিয়ার এক প্রবাসীর বাড়িতে বাসা ভাড়া নিয়েছিল ফোরকান মিয়া। তিনটা ছোট ছোট মেয়ে এবং স্ত্রীকে নিয়ে এখানেই থাকতো সে।
ফোরকান প্রাইভেট কার চালাতো। মাঝেমধ্যে সেটা ভাড়াও দিতো। এই টাকা দিয়েই বেশ ভালোই চলছিল সংসারটা।
কিন্তু গাজীপুরে থাকাকালীন সময়ে আশেপাশের কিছু বন্ধুবান্ধবের দেখাদেখি ফোরকান মাদক নেয়া শুরু করে।
মাদক সেবনের প্রথম দিকেও ফোরকান সংসারে টাকাপয়সা দিতো। কিন্তু দিন যতই যাচ্ছিল ফোরকানও মাদকসহ অন্যান্য নেশায় জড়িয়ে পড়তে শুরু করে।
তখন আর সংসারে তেমন একটা টাকাপয়সা দিতো না সে। প্রাইভেট কার চালিয়ে যে টাকা ইনকাম করতো সে টাকায় তার মাদকের খরচেই চলে যেতো।
সে মাদকের প্রতি এতটাই নেশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল যে মাদকের টাকার জন্যে তার বউকে নিয়মিত মারধর করতো। আত্মীয় স্বজন এবং এলাকাবাসীরা মিলে সেগুলো অনেকবার মিটমাটও করে দিয়েছিল কিন্তু ফোরকানের মাদকের নেশা যায়নি।
ফোরকান এর আগেও প্রতিবেশীদের সামনেই তার বউকে বাপের বাড়ি থেকে যৌতুকের টাকা আনতে মারধর করেছে, পিটিয়েছে। কারণ তার মাদক কেনার টাকা লাগবে।
ফোরকানের বউয়ের বাবার বাড়ির আর্থিক অবস্থা খুব বেশি একটা ভালো না। তাই সে যৌতুকের টাকা দিতে পারেনি। এজন্যে ফোরকান নিয়মিতই তার বউকে মারধর করতো, বাচ্চাদেরকে অবজ্ঞা করতো, ঠিকমতো ভরণপোষণ দিতো না।
এভাবেই দিনদিন পারিবারিক কলহ বাড়ছিল শুধু।
গতকাল রাতে ফোরকান তার শালাকে কল দিয়ে গার্মেন্টসে চাকরি দেয়ার কথা বলে বাসায় নিয়ে আসে। রাতের তার শালা বাসায় চলে আসে।
এরপরই আনুমানিক মধ্য রাতের দিকে ফোরকান তার স্ত্রী, তিন সন্তান এবং শালাকে নির্মমভাবে জ*বাই করে হ*ত্যা করে।
ফোরকান তার স্ত্রীকে জ*বাই করেছে জানালার গ্রীলের পাশে বেঁধে। তবে জ*বাই করার আগে হাত দুটো দড়ি দিয়ে শক্ত করে বেঁধে নিয়েছিল এবং মুখে কাপড়ের পট্টি লাগিয়ে স্কচটেপ দিয়ে শক্ত করে বেঁধেছিল যাতে কোনরকম আওয়াজ করতে না পারে।
ফোরকানের তার শালাকে জ*বাই করেছে বিছানার মধ্যেই। সম্ভবত সে ঘুমিয়ে ছিল। ঘুমের মধ্যেই গলার রগ কেটে জ*বাই করেছে।
আর ছোট ছোট ৩ টা বাচ্চাকে জ*বাই করেছে মেঝেতে ফেলে। বাচ্চা ৩ টার বয়স খুব বেশি না। একটার বয়স ১৪ বছর, একটার ১০ বছর এবং আরেকটার মাত্র ২ বছর।
বাচ্চাগুলোর গলার চারপাশে এখনো র*ক্ত জমাট বেঁধে শক্ত হয়ে আছে,নিথর দেহটা মেঝেতে এলোপাতাড়ি হয়ে পড়ে আছে। জ*বাই করার সময় নিশ্চয়ই প্রচন্ড যন্ত্রণা পাচ্ছিল ওরা।
নিজের বউ এবং বাচ্চাদেরকে জ*বাই করতে যাতে একটুও হাত না কাপে তাই ফোরকান জ*বাই করার আগে অনেকগুলো মাদক খেয়ে নিয়েছিল। সেগুলোও এখনো বিছানার পাশে পড়ে আছে।
ফোরকান এতটাই মাদক খেয়েছিল যে হিতাহিত জ্ঞান ভুলে সে উল্টাপাল্টা কাজ করেছিল। তার স্ত্রীকে জ*বাই করার সময় গয়নাও পড়িয়েছিল।
আর লা*শের পাশে প্রিন্ট করা কিছু কাগজপত্রও পাওয়া গিয়েছে যেগুলো মামলার নথিপত্র ছিল। সম্ভবত তাদের পারিবারিক কলহের মামলার নথিপত্রই।
সবাইকে নির্মমভাবে জ*বাই করার পর ভোরের দিকে ফোরকান নিজেই তার গ্রামের বাড়ি গোপালগঞ্জে বাবা-মাকে কল দিয়েছে। কল দিয়ে বলেছে- টাকা দিতে পারে না , তাই সব কয়টারে শেষ কইরা দিছি।
পরে তার বাবা-মা তড়িঘড়ি করে গাজীপুরে এসে দেখে সবাই জ*বাই করা অবস্থায় মরে পড়ে আছে। আর ফোরকানও ততক্ষণে গা ঢাকা দিয়ে পালিয়ে গেছে।
খবর পেয়ে বউয়ের বাবা-মাও এসেছে। তারা এসে এখন বিলাপ করে কান্নাকাটি করছে এবং চিৎকার করে করে বলছে- কোন জালেমের কাছে মেয়ে বিয়ে দিলাম! আমার ছেলে-মেয়ে, নাতি-নাতনি সবাইরে জ*বাই কইরা ফেলছে!
এজন্যেই মেয়ে বিয়ে দেয়ার আগে ছেলের টাকাপয়সার চেয়েও সবচেয়ে বেশি দেখতে হয় ছেলের চরিত্র, পরিবারির শিক্ষা। কেননা- আমাদের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জনই হচ্ছে বিশ্বস্ত লাইফ পার্টনার।
ভালো রেজাল্ট করলে, টাকা পয়সা হলে, গাড়ি বাড়ি করতে পারলে সেটাকে আমরা জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন মনে করি, সেলিব্রেট করি। অথচ জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হচ্ছে ভালো একজন জীবনসঙ্গী।
ফোরকানের সংসারটাও বেশ ভালোই চলছিল কিন্তু মাদকের নেশা এবং যৌতুকের লোভ তার পুরো পরিবারটাকে ধ্বংস করে দিল।
ফোরকান নেশায় এতটাই আসক্ত হয়ে পড়েছিল যে ধারালো ছু*রি দিয়ে বউ, বাচ্চাদেরকে নিজ হাতে জ*বাই করতে বিন্দুমাত্রও হাত কাঁপেনি তার
- Ibrahim Khalil Shawon
এই দশকে ২৮ বছরের একটা ছেলের অর্জনের খাতায় কী কী যোগ হতে পারে?
কয়েকটা সার্টিফিকেট। মারদাঙ্গা সুন্দরী প্রেমিকা কিংবা বউ। ব্যাংক অথবা বিসিএস চাকরি। বড়জোর স্কলারশিপ।
অথচ নাহিদ ইসলামের অর্জনের খাতায় কী নেই? ১৭ বছরের রেজিম চেঞ্জের নেতৃত্ব দেওয়া। মন্ত্রীত্ব। সংসদ সদস্য। বিরোধী দলের চিফ হুইপ। তুমুল সম্ভাবনাময় একটা দলের প্রধান। টাইম ম্যাগাজিনের বিশ্বের প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় চতুর্থ অবস্থান।
এগুলো জাগতিক অর্জন। আমি মনে করি নাহিদ ইসলামের সেরা অর্জন, এক দফার ঘোষণা দিয়ে তা কার্যকর করে দেখানো। ৫৮-৬০ বছরের নেতারা যা কল্পনাও করতে পারেনি।
ফেসবুকে ডাক দিয়ে কোটি মানুষকে রাস্তায় নামানো। যেই চেষ্টা বহু নেতা করেছেন। কিন্তু নেতার ডাকে কর্মী তো দূরে থাক, নেতা নিজেই নামেননি।
অথচ নাহিদ ইসলামের বাবা মিলিটারি পার্সন নন। আইজিপি নন। জিওসি নন। মন্ত্রী নন। প্রধানমন্ত্রী নন। একজন সাধারণ শিক্ষক।
আজ নাহিদ ইসলাম যেখানে দাঁড়িয়েছেন তা কেবল তার জ্ঞান, নেতৃত্বগুন, সাহস আর দৃঢ়তা দিয়ে অর্জন করা।
তারচেয়েও বড় অর্জন, গোটা প্রজন্মকে স্বপ্ন দেখাতে পেরেছেন তিনি। নিজেদের উপর বিশ্বাস ও আস্থা অর্জনের পথ দেখিয়েছেন। লাখো মানুষ ইতোমধ্যে তার ইমামতি মেনে নিয়েছেন। দ্রুতই তা কোটির ঘরে পৌঁছে যাবে ইনশাহআল্লাহ।
মানুষ নাহিদ ইসলামকে নিয়ে নানারকম কথা বলে। কিন্তু এখন পর্যন্ত কাউকে বলতে দেখলাম না, নাহিদ ইসলাম যখন কারো দিকে তাকান তার ভেতরটা পড়ে ফেলেন। এমনভাবে চোখের দিকে তাকিয়ে থাকেন, শত রিহার্সেল করেও মিথ্যা বলা যায় না তার সামনে। মানুষকে দেখার এই গুণটা যদি ধরে রাখেন ইনশাহআল্লাহ কোনো মিথ্যাবাদী তার সামনে দাঁড়াতে পারবে না।
নাহিদ ইসলামের পথচলা হোক সত্যবাদীদের নিয়ে, সত্যের সাথে। আল্লাহ তার সুস্থতা ও হায়াত বাড়িয়ে দিন। নাহিদ ইসলাম যতদিন এই বাংলার পথে প্রান্তরে ছুটে বেড়াবেন, বাংলার মানুষ হ্যামিলনের বাঁসিরে সুরে মোহিত হয়ে তার পিছে ছুটতে থাকবে। পথ হারাবে না বাংলাদেশ।
আজ ২৯ এ পা দিলেন নাহিদ ইসলাম। শুভ জন্মদিন নাহিদ ভাই।
Rumor Scanner এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকদের মারফতে যতটুকু জেনেছি, তাতে আজকে ছাত্রদল এবং শিবিরের উত্তেজনার মূল কারণ 'অরণ্য আবির' নামে একটি প্রোফাইল। তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের ক্র্যাক প্লাটুন হিসেবে পরিচয় দেন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বিএনপি সরকারের 'অপকর্মের' কাউন্ট করছে।
তবে সম্ভবত বট আইডি। ছবি তথ্য কিছু নেই। প্রোফাইল জন্ম হয়েছে ২০২৪ সালের ৭ অক্টোবর (লিঙ্ক কমেন্টে)। তো অরণ্য আবির নামক প্রোফাইল থেকে আজ একটি স্ক্রিনশট শেয়ার করা হয়, যাতে দাবি করা হয়, ডাকসুতে শিবিরের প্যানেল থেকে নির্বাচন করা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং জাইমা রহমানকে নিয়ে নোংরা এআই ছবি পোস্ট করেছে।
তবে Rumor Scanner ফ্যাক্ট চেক করে জানায়, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ এমন কোনো পোস্ট দেননি। পোস্টটি দেওয়া হয়েছে, 'এহসান চৌধুরী' নামের একটি প্রোফাইল থেকে। অরণ্য আবির নামে প্রোফাইলটি স্ক্রিনশট এডিট করে আবদুল্লাহ আল মাহমুদের নাম দিয়েছে। (লিঙ্ক কমেন্টে।)
ঘটনা এখানে শেষ হতে পারত। কিন্তু অরণ্য আবিরের প্রোফাইল থেকে আবারও পোস্টটি শেয়ার করে ছাত্রদলকে প্রতিশোধ নেওয়ার আহ্বান জানায়। এতে লেখা হয়, "যদি চুড়ি না পরে থাকেন কোনো মায়ের গর্ভ থেকেই জন্ম নেন তাহলে উনার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়ে হলেও এই শিবিরের মানসিক বিকারগস্তদের আইনের আওতায় আনুন, ধন্যবাদ।"
তো এই ঘটনার পর আবদুল্লাহ আল মাহমুদ ফেসবুক পোস্টে দিয়ে জানান, তিনি তারেক রহমান এবং জাইমা রহমানকে নিয়ে পোস্টই দেননি। তিনি লেখেন, "একটা ছাত্রলীগ পান্ডা আমার নামের এডিটেড একটা নোংরা ফোটোকার্ড শেয়ার দিয়ে উস্কানিমূলক পোস্ট দিয়ে কমেন্টে আবার আমার আইডির লিংক দিয়ে রাখছে।" এরপর আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শাহবাগ থানায় যান এ ঘটনার ডিজি করতে।
তিনি সম্ভবত সেখানে প্রথমে হামলার মুখে পড়েন। এরপর জুবায়ের এবং মোসাদ্দেক নামের ডাকসুর দুই নেতা মাহমুদকে উদ্ধার করতে যান। তখন ছাত্রদল পরিচয় দেওয়া কিছু ছেলে সাংবাদিক, যুবায়ের এবং মোসাদ্দেককে বেধরক মারধর করে। তা ঠেকান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, শিপন আগলে রেখেছেন আক্রান্তদের। কিন্তু নিবৃত্ত করা যাচ্ছে না, হামলাকরীদের।
তো খুব সাধারণ প্রশ্ন হচ্ছে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নিজে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে নিষেধ করার পরও, তাঁকে আঘাত করে কী সংগঠনটির নেতাকর্মীদের কাউকে মারধর করার কথা? এটা তো কোনো যুক্তিতে আসে না। থানায় ঢুকে সাংবাদিক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদককে মেরেছে।
যারা ছাত্র রাজনীতি করে, তারা ক্যারিয়ার ঠিক রাখার জন্য সমিতি সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকদের খুশি রাখে। উল্টো তাদেরকে তো মারধর করার কারণই নেই। তো যারা থানায় দঙ্গল করেছে, তারা ছাত্র রাজনীতি করে- এটা যুক্তিতে টেকে না।
দ্বিতীয় প্রশ্ন হচ্ছে, আবদুল্লাহ মাহমুদ নামের ছেলেটি যদি ওই পোস্ট দিত, তাহলে কী সে জিডি করতে যেতো? (পোস্ট যে তিনি দেননি, তা ইতিমধ্যে ফ্যাক্টচেকে প্রমাণ হয়েছে)। ওদিকে যে এই ভুয়া স্ক্রিনশট ছড়িয়েছেন, সেই 'অরণ্য আবির' নামের প্রোফাইল থেকে শাহবাগ থানায় মারধরের ঘটনাকে ব্যাপক ভাবে উদযাপন করা হচ্ছে। এর মধ্যে চারটি পোস্ট দিয়ে উল্লাস প্রকাশ করেছে।
এই হলো পুরো ঘটনা।
Вже доступно! Дослідження Telegram за 2025 — головні інсайти року 
