uk
Feedback
Al Asar

Al Asar

Відкрити в Telegram

নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। তবে তারা ব্যতীত, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দেয় এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়’ (সূরা আসর)

Показати більше
1 393
Підписники
Немає даних24 години
-67 днів
-2430 день
Архів дописів
Al Asar
1 393
photo content

Al Asar
1 393
photo content

Al Asar
1 393

Al Asar
1 393
photo content

Al Asar
1 393
আল্লাহ_মাজলুম_মুসলিমদের_সাহায্য_করেন_না_কেন_Shaikh_Tamim_Al_AdnaniMP3.mp38.05 MB

Al Asar
1 393
পথভ্রষ্ট_নেতা_নেত্রীদের_অনুসরণ_করে_সত্য_থেকে_বিমুখ_থেকো_না_┇_Shaikh.mp310.27 MB

Al Asar
1 393
জঙ্গি_বলতে_তাগুত_শয়তানরা_কী_বোঝায়_Shaikh_Tamim_Al_AdnaniMP3_160K.mp37.14 MB

Al Asar
1 393
শীতকাল_মুমিনের_জন্য_নেকি_লাভের_সুবর্ণ_সুযোগ_Shaikh_Tamim_Al_AdnaniMP3.mp34.02 MB

Al Asar
1 393
⏰ আইয়্যামে বীজ রিমাইন্ডার! আজ রাতে সাহরী খেয়ে, আগামীকাল থেকে রোযা ইন শা আল্লাহ। রোযা রাখা অবস্থায় বেশি বেশি ফিলিস্তিনি ভাই-বো
⏰ আইয়্যামে বীজ রিমাইন্ডার! আজ রাতে সাহরী খেয়ে, আগামীকাল থেকে রোযা ইন শা আল্লাহ। রোযা রাখা অবস্থায় বেশি বেশি ফিলিস্তিনি ভাই-বোনদের জন্য দু'আ করব ও শত্রুদের উপর বদ-দুয়া পাঠাব ইন শা আল্লাহ। https://t.me/juhod

Al Asar
1 393

Al Asar
1 393
Repost from Ammarul Hoque
আল্লাহ তায়ালা বলেন, ٱلَّذِینَ قَالَ لَهُمُ ٱلنَّاسُ إِنَّ ٱلنَّاسَ قَدۡ جَمَعُوا۟ لَكُمۡ فَٱخۡشَوۡهُمۡ فَزَادَهُمۡ إِیمَـٰنࣰا وَقَالُوا۟ حَسۡبُنَا ٱللَّهُ وَنِعۡمَ ٱلۡوَكِیلُ যাদেরকে (মুমিনদেরকে) লোকেরা বলেছে যে, শত্রুরা তোমাদের বিরুদ্ধে হামলে পড়তে একসাথে আসছে! ভয় করো তাদের আক্রমণ! এই সংবাদ মুমিনদের ঈমান আরো বাড়িয়ে দিয়েছিল। মুমিনরা বলেছে, আমাদের জন্য আল্লাহই যথেষ্ট এবং তিনিই আমাদের অভিভাবক। -সূরা আলে ইমরান:৭৩

Al Asar
1 393
দ্বীনের_অভাব_পূরণের_যোগ্য_হয়ে_বেড়ে_উঠুন_Shaikh_Tamim_Al_AdnaniMP3.mp310.78 MB

Al Asar
1 393
পুরা ভিডিও টা শোনার চেষ্টা করি। অশ্লীলতার লাগাম টেনে ধরুন। ড. নাবীল

Al Asar
1 393
Repost from Mashwara Official
গতকাল বইমেলার শেষদিনে উস্তায Abdullah Ibn Nurul Islam হাফিযাহুল্লাহ জীবনকে সুন্দর করে গোছাতে ও আল্লাহর প্রিয় হওয়ার জন্যে যেসকল নাসীহাহ দিয়েছিলেনঃ ১) কুরআন কারীমঃ প্রতিদিন — অন্তত ১ পারা তিলাওয়াত করবে, আয়াতের বাংলা অনুবাদ/অর্থ সহ পড়বে অন্তত ৫ পৃষ্ঠা, তাফসীর পড়বে অন্তত ৫ আয়াতের। বাজারে যত ইসলামিক বই আছে তা সব হচ্ছে গণিতের লক্ষ লক্ষ অঙ্ক, আর কুরআন কারীম হচ্ছে সেসকল সূত্র যা দিয়ে এই লক্ষ লক্ষ অঙ্ক করা যায়। এজন্যে বই কেনার স্রোতের ঢেউয়ে ভেসে না গিয়ে কুরআন কারীমের চর্চা বাড়িয়ে দিও। ২) হাদিসঃ সহীহ বুখারী, সহীহ মুসলিম, মুয়াত্তা ইমাম মালিক গ্রন্থ ৩টি খুব ভালো করে নিয়মিত পড়বে, তবে মাসআলা জানার জন্যে না। ৩) ফর‍যে আইন ইলমঃ মুফতি তারেকুজ্জামান হাফিযাহুল্লাহর "ইসলামি জীবনব্যবস্থা" বইটি খুব ভালো করে পড়বে ও সম্ভব হলে হযরতের যত বই আছে (অনূদিত, সম্পাদিত) সবগুলো সংগ্রহ করে ভালো করে পড়বে। মাসআলা এদিক সেদিক না খুজে নির্দিষ্ট উস্তাযের অধীনে পড়বে ও তাকেই জিজ্ঞেস করবে। ৪) তাফসীরের জন্যে ইবনে কাসীর সবচেয়ে উত্তম, পড়লে সেখান থেকেই পড়বে, প্রশ্ন থাকলে জিজ্ঞেস করবে। ৫) দৈনিক ৫/১০ পৃষ্ঠা হলেও ইতিহাস পড়বে ও এর জন্যে সর্বোত্তম বই হচ্ছে "আল বিদায়া ওয়ান নিহায়া"। আমাদের দাঈদের মুসলিম উম্মাহর চেতনায় উজ্জীবিত হতে হলে ও সঠিক দৃষ্টিকোণ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হলে ইতিহাস জানার বিকল্প নেই। ৬) কুরআনের যে যে আয়াত "يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُو" দিয়ে শুরু হয়েছে (মোট ৮৯টি আয়াত প্রায়) সেগুলো খুব ভালো করে আয়ত্ত করবে ও সে অনুযায়ী আমল করবে। দেখবে তোমার জীবনে আমূল পরিবর্তন আসবে যদি জীবনে আয়াতগুলোর বাস্তবায়ন করতে পারো। ৭) যদি রিজকের ব্যাপারে প্রশস্ততা চাও তবে বাবা-মা ও আত্মীয় স্বজনের সাথে খুব ভাল আচরণ করবে। বেশি বেশি ইস্তেগফার পড়বে, কিন্তু এর চেয়েও বেশি পরিমাণে দরুদ পড়বে, শুধু এতটুকু হলেও পড়বে: "صَلَّى اللّٰهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ" রাব্বে কারীম আমাকে আমল করার তৌফিক দিন, আমিন... #AbdullahIbnNurulIslam #selfreminderm #SevenNaseehah #MashwaraOfficial

Al Asar
1 393
জুময়া রিমাইন্ডার : সূরা কাহাফ দুরুদ ও দোয়া

Al Asar
1 393
পরিবারে ইসলামের চর্চা মাওলানা আতীক উল্লাহ ১: অভিজ্ঞ একজন আলিম (মুফতি)-এর সাথে পারিবারিকভাবে যুক্ত থাকা আবশ্যক। যাকে মাঝেমধ্যে দাওয়াত দিয়ে বাড়িতে আনা যাবে। প্রয়োজনে যার কাছে গিয়ে মাসয়ালা চাওয়া যাবে। পরামর্শ করা যাবে। সময়সুযোগ মতো হুজুর বাড়িতে এসে অল্পসময় দ্বীনি কথা শোনাবেন। কোনও অসঙ্গতি চোখে পড়লে, হেকমতের সাথে ধরিয়ে দেবেন। ২: আলিমকে দাওয়াত দেয়ার সময় তার আহলিয়াকেও দাওয়াত দেয়া জরুরী। তাহলে বাড়ির মহিলাগন হুজুরের আহলিয়ার সাথে পরিচিত হবেন। প্রয়োজনে তাঁর মাধ্যমে হুজুরের কাছ থেকে মাসয়ালা জেনে নেবেন। আমি এই কাজের মাধ্যমে শুধু নিজেই লাভবান হচ্ছি তা নয়, একটি দাঈ পরিবার গড়ে উঠতেও সাহায্য করছি। ৩: সবজান্তা নিষ্পাপ হুজুর খুঁজলে, জীবনেও মিলবে না। সাধ্যানুযায়ী চেষ্টা ও দোয়া করার পর, আল্লাহ যাকে মিলিয়ে দেন, ভাল। নিজের অবস্থানের আশপাশের হুজুর হওয়া জরুরী। যখন তখন তাকে পাওয়া যাবে। কাছেপিঠে অভিজ্ঞ কাউকে পাওয়া না গেলে, দূরের কারো শরণাপন্ন হতে হবে। কয়েকবাড়ি মিলে। কয়েকমহল্লা মিলে হুজুরকে সসম্মানে আনতে হবে। ব্যাপক আয়োজনের তো দরকার নেই। এলাকার যুবকশ্রেণী চাইলে, অতি অনায়াসে এই ব্যবস্থা করা সম্ভব। ৪: সচেতন (প্র্যাকটিসিং) মুসলিম হয়েও একজন আলিমের সাথে ব্যক্তিগত যোগাযোগ না থাকাটা খুবই দুঃখজনক। আমাদের উপন্যাস ‘ইশকুল অব লাভে’ বিষয়টি বলার চেষ্টা করেছিলাম। হয়তো ওভাবে বলতে পারিনি। প্রকাশিতব্য উপন্যাস ‘দোস্ত, জানেমানেও’ এ-বিষয়টা তুলে আনার চেষ্টা করেছি। এই উদ্দেশ্য সামনে রেখে ঘরোয়া মাহফিল নামে আমরা একটি গ্রুফও খুলেছিলাম। বেশিদূর অগ্রসর হতে পারিনি। ইন শা আল্লাহ শিঘ্রি সচল হবে। ৫: ইসলামচর্চার এটাই আবহমান ধারা। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাল থেকেই এই ধারা চলে আসছে। বর্তমানে সমাজে হুজুরদের দাওয়াত করে খাওয়ানোর যে ধারা প্রচলিত আছে, এটা কিন্তু সেই নববী ধারারই পরিবর্তিত রূপ। শুধু খাওয়া-দাওয়াটুকু বাকি আছে, বাকি মূল উদ্দেশ্য অন্তর্হিত হয়ে গেছে। ৬: একজন হুজুরের সাথে কীভাবে সম্পর্ক গড়ে উঠবে? হুট করে গিয়েই বলব, হুজুর আপনাকে আমাদের পারিবারিক হুজুর হতে হবে, এভাবে? উঁহু! হুজুরের সাথে প্রথমে কিছুদিন এমনি সৌজন্য সাক্ষাত করতে হবে। সম্ভব হলে তাওফীক অনুযায়ী হাদিয়া প্রদানও হতে পারে। ধীরে ধীরে সম্পর্কটা পাকা করে তুলতে হবে। তারপর বাড়িতে আনার উদ্যোগ নিতে হবে। ৭: সম্ভব হলে, পুরো পাড়া বা মহল্লার সবাই একজোট হয়ে একজন হুজুরের সাথে সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারি। মাসে অন্তত একবার হলেও হুজুরকে ঘরে বা মহল্লায় আনা জরুরী। হাজারো পরিবার আছে, তিনপুরুষ মিলেও একবার কোনও হুজুরকে বাড়িতে আনার সৌভাগ্য হয়নি। না না, খাবার-দাবারের ‘মোল্লাপ্রথার’ কথা বলছি না, হুজুরের কাছ থেকে নসীহত শোনার উদ্দেশ্যে দাওয়াতের কথা বলছি। ৮: আমরা বিখ্যাত, তুমুল ব্যস্ত শিডিউলড, পেশাদার বক্তা হুজুরের কথাও বলছি না। ব্যস্ততার কারণে তাদেরকে সবসময় মনের মতো করে পাওয়া যায় না। হুজুর বাছাই করতে হবে, অনলাইন-মিডিয়ার প্রভাব ও মোহমুক্ত হয়ে। ৯: আর হাঁ, এই ব্যবস্থা শুধু আওয়াম মানে জেনারেল শিক্ষিত পরিবারের জন্যই নয়, আলিম পরিবারের জন্যও জরুরী। ঘরের মানুষকে সবসময় সব কথা বলা যায় না। ঘরের মানুষ সবসময় কাছের মানুষের নসীহত গুরুত্বও দিতে চায় না। বাইরের কেউ এসে নসীহত করলে, বাড়তি গুরুত্ব থাকে। ১০: মানছি, পরিবারের সবাই অনলাইনে বিখ্যাত ব্যক্তিগনের বয়ান শোনেন। তারপরও বলব, অফলাইনে একান্ত ঘরোয়া আয়োজন দরকার। হাতের কাছে পাওয়া হুজুরদের হয়তো অনলাইনের মতো তেজালো ওজস্বী চৌকস স্টাইল নেই, হয়তো গুছিয়ে কথাও বলতে পারেন না, এতসব সত্ত্বেও ঘরোয়া আয়োজন দরকার। ১১: বেশিরভাগ অভিজ্ঞ আলিম কিন্তু এভাবে ঘরে ঘরে যেতে রাজি হবেন না। এই সমস্যা বা অচলাবস্থা অবসানের একটাই উপায়, হুজুরের সাথে প্রথমে ব্যক্তিগত ঘরোয়া সম্পর্ক গড়ে তোলা। হুজুরের জড়তা সংকোচ ভাঙানো। তারপর ঘরে তোলা। ইস্তেখারা ও হেকমতের সাথে অগ্রসর হলে, কোনও কাজই অধরা থাকে না। ১২: যাদের কথা বলার কিছুটা হলেও যোগ্যতা আছে, তাদের উচিত উম্মতের ডাকে সাড়া দেয়া। বড় দুর্দিন যাচ্ছে। উম্মাহর বৃহত্তর স্বার্থের দিকে তাকিয়ে হলেও গণমানুষের কাছাকাছি নিয়ে যাওয়া উচিত। ১৩: বিশুদ্ধ নববীধারায় হুজুর দাওয়াত দিয়ে ঘরে আনার সুন্নতী রেওয়াজ কিন্তু এখনো নির্দিষ্ট মহলে সীমিত পরিসরে হলেও বিদ্যমান আছে। এখন প্রয়োজন এর ব্যাপক প্রচলন। রাব্বে কারীম আসান করুন। কবুল করুন। https://t.me/iftekharjamil/188

Al Asar
1 393
সুসংবাদ_গুরাবাদের_জন্য_Shaikh_Tamim_Al_AdnaniMP3_160K.mp36.19 MB

Al Asar
1 393
একটি_উন্মুক্ত_কারাগারের_ইতিহাস_.pdf3.93 MB

Al Asar
1 393

Al Asar
1 393
Repost from Mohammad Abid
মুক্তি পাওয়া আমেরিকান জিম্মিদের জন্য সাক্ষাৎকার প্রশ্ন- হামাসের বন্দুকধারীরা কি আপনাকে ধর্ষণ বা হয়রানি করার চেষ্টা করেছিল? জিম্মি: না, আমরা গাজায় প্রবেশ করার পর থেকে আমরা পুরুষ হামাস যোদ্ধাদের কাউকে দেখিনি। আমাদেরকে মহিলা ব্যাটালিয়নের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছিল, যারা আমাদের পাহারা দিয়েছিল এবং আমাদের চিকিৎসা ও খাবার সরবরাহ করেছিল এবং এমনকি মহিলা গোয়েন্দা অফিসাররাই আমাদের জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল। প্রশ্ন: কিন্তু আমরা এর আগে হামাসের জন্য কোনো নারী নিয়োগ দেখিনি? জিম্মি: হামাসের নারী যোদ্ধাদের একটি ব্যাটালিয়ন রয়েছে, এবং তাদের উচ্চ স্তরের প্রশিক্ষণ এবং নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট জ্ঞান রয়েছে। তারা আমাদের সাথে সমস্ত সম্মানের সাথে আচরণ করেছে এবং আমরা তাদের কাছ থেকে কোন ভয় বা নির্যাতনের শিকার হইনি। আমরা কেবল ভয় পেয়েছি ইসরায়েলের বিমান হামলা, যা আমাদের আতঙ্কিত করেছিল। হামাসের মহিলারা কারাগারগুলি পাহারা দিয়েছিল এবং সুরক্ষার জন্য আমাদের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে গিয়েছিল। বিমান হামলা থেকে আমাদের রক্ষা করার জন্য, যা ছিল ক্রমাগত এবং বিভীষিকাময়। প্রশ্ন: জিম্মিদের সঙ্গে হামাসের কাউকে খারাপ ব্যবহার করতে আপনি দেখেছেন? জিম্মি: না, আমি হামাসের দ্বারা জিম্মিদের সঙ্গে কোনো খারাপ ব্যবহার করতে দেখিনি এবং আমি কোনো জিম্মিদের সঙ্গে হামাসের ব্যবহার সম্পর্কে কোনো মিথ্যা কথা বলতে পারি না। আমি তাদের দ্বারা কোনো খারাপ ব্যবহারের শিকার হইনি এবং আমি অন্য কোনো জিম্মিকেও তাদের দ্বারা খারাপ আচরণের শিকার হতে দেখিনি। আমরা একদল নারী জিম্মির সাথে ছিলাম, যার সংখ্যা ছিল মাত্র ৭০। বোমা হামলার তীব্রতা বৃদ্ধির পরে, আমাদেরকে বেশ কয়েকটি স্থানে বিভক্ত করে রাখা হয়েছিল। জিম্মিদের চারজন করে করে আলাদা আলাদা স্থানে রাখা হয়েছিল। পরবর্তীতে আমাদের সঙ্গে বাকি জিম্মিদের আর দেখা হয়নি। From: Conflict_Watch_Bangla