Al Asar
Відкрити в Telegram
নিশ্চয়ই মানুষ ক্ষতির মধ্যে নিপতিত। তবে তারা ব্যতীত, যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে, পরস্পরকে হকের উপদেশ দেয় এবং পরস্পরকে ধৈর্যের উপদেশ দেয়’ (সূরা আসর)
Показати більше1 393
Підписники
Немає даних24 години
-67 днів
-2430 днів
Архів дописів
1 393
কথিত এক গবেষণায় জানা গেছে: পুরুষরা নারীর চেয়ে বেশি স্নেহশীল আর প্রেমময়। নারী যখন স্বামীর সাথে ঝগড়া করে, তখন সমস্ত পুরুষ জাতকে ঘৃণা করে বলে:
‘‘তোমরা পুরুষ জাতটাই এমন’’।
(বেটি মানুষ🥂)
আর পুরুষ যখন স্ত্রীর সাথে ঝগড়া করে, তখন সে নির্দিষ্ট ‘একজন’ ছাড়া পৃথিবীর বাকি সব ‘ইয়েজাতির’ প্রতি ‘ইয়ে’ অনুভব করে।
(ব্যাটা মানুষ 🥂)
#Atik_Ullah
1 393
শেষের গল্প: এতিমের সম্পদ ভক্ষণের পরিণতি
পর্ব: ১২
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
শেষের গল্প: দুই বন্ধুর কবর
পর্ব: ১১
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
শেষের গল্প: হাস্যোজ্জ্বল মৃতদেহ
পর্ব: ১০
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
বলছি, সাইদ বিন মুসাইয়িবের কন্যার কথা। স্বামী তখনও তালিবে ইলম। প্রথম রাত কাটানোর পোর সকালে চাদর পরলেন সাইদ বিন মুসাইয়িবের ইলমের দরসে যোগ দেবেন ইলম শেখার জন্য।
স্ত্রী জানতে চাইলেন, ‘কোথায় যাচ্ছেন?’
স্বামী : আপনার বাবার দরসে, ইলম শিখতে।
স্ত্রী : এখানে বলুন, আমিই আপনাকে সাইদের ইলম শিখিয়ে দিচ্ছি।
তিনি সাইদ বিন মুসাইয়িবের কাছে যা শিখতেন, সেটা তার মেয়ের কাছে পেলেন একই রকমে।
এভাবেই একজন শিক্ষিত মুসলিম নারী তার স্বামী ও সন্তানদের ইলম শিখিয়ে ঘর আলোকিত করতে পারেন।
.
বইঃ ডাক দিয়ে যাই তোমায় হে মুসলিম তরুণী
1 393
শেষের গল্প: সিজদায় মৃত্য
পর্ব: ৯
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
শেষের গল্প: ৩০ বছর পর
পর্ব: ৮
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
শেষের গল্প: কিশোরের শেষ কথা।
পর্ব: ৭
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
শেষের গল্প: আগুনের কাফন
পর্ব: ৬
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
শেষের গল্প: স্ট্রেচার আঁকড়ে ধরা মৃতদেহ।
পর্ব: ৫
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
শেষের গল্প: পিতামাতার সুন্দর মৃত্যু
পর্ব: ৪
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
শেষের গল্প: লাল পিঁপড়ায় ঢাকা লাশ
পর্ব: ৩
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
শেষের গল্প: চোখের কোণে অশ্রু
পর্ব: ২
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
শেষের গল্প: ভূমিকা
পর্ব: ১
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
Repost from Al Asar
মৃত্যু নিয়ে সাহিত্যিকদের মধ্যে অনেক ভাবনা বিলাস আছে।
তাদের কারো কাছে মৃত্যু মানে যেন
বাদামী মাটিতে শুয়ে, ঘাসের বিছানায় লুটিয়ে পড়ে
মাথার উপরে নীল আকাশ দেখতে থাকা-- আর এভাবেই দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়া।
এরপর চারিদিকে নীরব, নিশ্চুপ, যেখানে নৈঃশব্দেরা খেলা করে!
যেখানে সবকিছু থেমে যায়, মৃত্যু যেন শুধুই একটা বিরাট যতিচিহ্ন!
আর কোন আগামীকাল নেই, কোনো গতকাল নেই, কোনো ভাবনা নেই
সময় ভুলে শুধু শান্তি আর শান্তি!
কিন্তু বাস্তবতা হলো-- মৃত্যু কোনো সমাপ্তি নয়।
শুধুই এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থার দিকে যাত্রার শুরু।
মুমিনের জন্য মৃত্যু উপহারস্বরূপ,
কিন্তু কাফেরদের জন্য মৃত্যু মানে এক ভয়ংকর বাস্তবতার সামনে দাঁড়ানো।
মানুষ ঘুমিয়ে আছে, বেখেয়াল হয়ে আছে,
জেগে উঠে কেবল মৃত্যুতে।
"শেষের গল্প" সিরিজে আমরা জানবো এমনই কিছু ভালো মৃত্যু এবং কিছু ভীতিকর মৃত্যুর ঘটনা। বেশিরভাগ ঘটনা বর্ণনা হয়েছে সৌদি আরবের জেদ্দার শায়েখ আব্বাস বাতাওয়ী রাহিমাহুল্লাহ থেকে।
তিনি দীর্ঘ ৩০ বছর জেদ্দার সবচেয়ে বড় কবরস্থানের তত্ত্বাবধায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নিজে সরাসরি বহু মানুষের মৃতদেহ গোসল দিয়েছেন, আর তার অধীনে কাজ করেছে আরো অনেকে। এভাবে দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে নির্বাচিত কিছু শিক্ষনীয় ঘটনা পেশ করা হচ্ছে এই সিরিজে।
সংক্ষিপ্ত কিন্তু অন্তর্ভেদী এই আলোচনাগুলো হতে পারে আমাদের জন্য পরিবর্তনের রসদ।
মৃত্যুর থেকে বড় উপদেশ যে আর কিছু নেই!
#Rain_Drops
1 393
Repost from Al Asar
Happy ending. এই শব্দজোড়া শুনলে কী মাথায় আসে?
সিনেমার শেষ দৃশ্য কিংবা উপন্যাসের শেষ পাতায় সুন্দর এক সমাপ্তি? যেখানে সত্য আর ন্যায়ের জয় হয়, বিচ্ছেদ আর বিরহকে ম্লান করে সুখ আর ভালোবাসা স্থান করে নেয়।
মানুষ গল্প খুব ভালোবাসে। তারচেও ভালোবাসে গল্পের শেষে মধুর সমাপ্তি। প্রবাদই তো আছে, সব ভালো যার শেষ ভালো।
একটু তলিয়ে চিন্তা করলে দেখবেন, আপনার জীবনটাও একটা গল্পই বটে। এই গল্পের শেষটা কেমন হবে কখনো ভেবেছেন কী? এই যে এত এত মানুষ দুনিয়ার বুকে আসছে আর যাচ্ছে, কার গল্পটা হ্যাপি এন্ডিং পাচ্ছে? কার গল্পের শেষটা শেষ নয় আফসোস?
এই রামাদান হোক আমাদের জীবনের গল্পের দিকে ফিরে তাকানোর রামাদান। আমাদের গল্পগুলোকে সুন্দর সমাপ্তির দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার রামাদান। আর এর জন্য জরুরি হচ্ছে সুন্দর সমাপ্তিগুলো থেকে অনুপ্রাণিত হওয়া, ভয় আর আফসোসে মিশে যাওয়া শেষগুলো থেকে শিক্ষা নেওয়া।
তাই এই রামাদান ১৪৪৪ হিজরীতে রেইনড্রপস আপনার জন্য নিয়ে এসেছে, সত্য ঘটনা অবলম্বনে সুন্দর ও ভীতিকর কিছু মৃত্যুর বিবরণী, শেষের গল্প।
আমাদের শেষগুলো হোক শুভ্র, সুন্দর আর অনন্তজীবনের এক সুখের শুরু, এই প্রত্যাশায় শুনুন, শোনান, ছড়িয়ে দিন, শেষের গল্প।
#Rain_Drops
https://youtube.com/playlist?list=PLrEnZj_8pclu4Wd0frgipbpDyjWPFMwya
1 393
ইমরান রাইহান
ঈদ
মীর্জা নাথনের বর্ণনা থেকে সেযুগের ঈদ-উৎসব সম্বন্ধে একটি ধারণা পাওয়া যায়। খুব আমোদ-স্ফূর্তির সঙ্গে ঈদের নতুন চাঁদকে স্বাগত জানানো হয়। মীর্জা নাথনের ভাষায় এটা বর্ণনা করা যেতে পারে; তিনি লিখেছেন, “দিনের শেষে সন্ধ্যা সমাগমে নতুন চাঁদ দেখা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে রাজকীয় নাকারা বেজে উঠে এবং গোলন্দাজ সেনাদলের সকল আগ্নেয়াস্ত্র থেকে ক্রমাগত তোপ দাগানো হয়। রাত্রির শেষভাগে, কামানের অগ্নদগীরণ শেষ হয় এবং এর পর শোনা যায় ভারি কামানের আওয়াজ। এটা ছিল দস্তুরমতো একটা ভূমিকম্প।” এথেকে বুঝা যায়, ঈদের আগমনে মুসলমানরা কত খুশি হতো। ঈদের দিনে সমস্ত মুসলমান আনন্দ স্ফূর্তিতে মসগুল থাকত। স্ত্রী পুরুষ, বালক বালিকা নির্বিশেষে প্রত্যেকে নতুন এবং উৎকৃষ্ট কাপড় পরিধান করত। চমৎকার পোশাক পরিচ্ছদে সজ্জিত হয়ে মুসলমানগণ প্রভাতে ঈদগাহ্ ময়দান বা ঈদের নামাজের স্থানে শোভাযাত্রা করে গমন করত। অবস্থাপন্ন ব্যক্তিরা পথেপথে টাকা পয়সা ও উপহার দ্রব্য ছড়িয়ে দিত এবং সাধারণ অবস্থার মুসলমানগণ গরিবদেরকে ভিক্ষা দিত। 'নওবাহার-ই-মুর্শিদকুলী খানী' গ্রন্থের লেখক আজাদ হোসেন বিলগ্রামীর বর্ণনায় এর উল্লেখ রয়েছে। তিনি বলেন যে, নবাব শুজাউদ্দিনের অধীনে ঢাকার সহকারী শাসনকর্তা 'ঈদগাহ ময়দানের দিকে শোভাযাত্রা করে যাওয়ার সময় দুর্গ থেকে এক ক্রোশপথে প্রচুর পরিমাণে টাকাপয়সা ছড়িয়ে যেতেন। এক বড় জামাতে মুসলমানগণ তাদের নামাজ পড়ত এবং আনন্দ আবেগে একে অন্যকে উৎসাহের সঙ্গে অভিবাদন জানাতো। গোলাম হোসেন তাবাতাবাঈয়ের বর্ণনায় ঈদ উৎসবে মুসলমানদের খুশি ও আনন্দস্ফূর্তির বিষয় প্রকাশ পেয়েছে। তিনি বলেন যে, প্রত্যেকেই এই দিনে উৎকৃষ্ট পোশাকে সজ্জিত হতো। নবাব আলিবর্দীর ভ্রাতুষ্পুত্র ও জামাতা নওয়াজিশ মুহম্মদ খান তার প্রিয়জনের মৃত্যুতে 'ঈদ- উল-আজহার দিনে নিরানন্দভাবে থাকেন। বৃদ্ধ নবাব তাকে নতুন কাপড় চোপড় পরাবার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। অতঃপর তিনি হারেমের বেগম এবং মহিলাদেরকে ঈদের আনন্দ- উৎসব উপযোগী কাপড় চোপড় নিয়ে তাকে উৎফুল্ল করে তুলতে পরামর্শ দেন।
মুসলমানগণ ত্যাগের উৎসরূপে 'ঈদ-উল-আজহা উদযাপন করে। এর উৎপত্তি হয়েছে পয়গম্বর ইব্রাহীমের সময় থেকে। আল্লাহর উদ্দেশ্যে হয়রত ইব্রাহীম প্রিয় পুত্র ইসমাইলকে কোরবানির আয়োজন করেছেন। মুসলমানগণ এই মহৎ দৃষ্টান্ত অনুসরণ করে। তারা প্রভাতে সুন্দর কাপড়-চোপড় পরিধান করে এবং তকবীর' উচ্চারণ করতে করতে ঈদগাহ ময়দানের দিকে শোভাযাত্রা করে গমন করে। সেখানে জামাতে তারা নামাজ আদায় করে এবং ভ্রাতৃত্বপূর্ণ মনোভাব নিয়ে আনন্দ প্রকাশ করে, পরস্পরকে আলিঙ্গন করে ও সম্ভাষণ জানায়। অতঃপর তারা গৃহে প্রত্যাবর্তন করে এবং তাদের সাধ্যানুসারে তারা কোনো পশু, যেমন, গরু, ছাগল, মহিষ বা উট কোরবানি করে। তারা গরিব দুঃখী, বন্ধু-বান্ধব ও আত্মীয়-স্বজনদের মধ্যে মাংস বিতরণ করে এবং গৃহে ভোজের অনুষ্ঠান করে। প্রত্যেক গৃহ ভোজানুষ্ঠান ও আনন্দ স্ফূর্তিতে মুখরিত হয়ে উঠে এবং সকল গৃহে আদর আপ্যায়ন চলতে থাকে। শুভেচ্ছা বিনিময়ের জন্যে তারা বাড়ি বাড়ি ঘুরে বন্ধুবান্ধব ও আত্মীয় স্বজনদের সঙ্গে মিলিত হয় এবং এই মহান উৎসবে তারা সকলে একত্রে আনন্দ করে। ঈদ-উল-আজহা' উৎসব উদ্যাপনের কথা বলতে গিয়ে মীর্জা নাথন লিখেছেন যে, নামাজান্তে খতিবের খুতবাহ্ পাঠ শেষ হলে, লোকেরা তাকে কাপড়-চোপড় ও টাকাপয়সা উপহার দেয়। গরিব দুঃখীদের সাহায্যের জন্য তার সম্মুখে টাকাপসয়া ছড়িয়ে দেওয়া হয়। দুঃস্থ লোকদের অনেকে এর দ্বারা তাদের অভাব দূর করে এবং সুখি হয়। পরস্পরের প্রতি সম্ভাষণে আকাশ বাতাস মুখরিত হয়ে উঠে। “ কোরবানি সম্পন্ন হবার পর বিরাট ভোজের ব্যবস্থা হয়। সুন্দর গায়ক মোহনী নর্তকী এবং নম্র স্বভাবের গল্প কথকদের মধুর আপ্যায়নের সঙ্গে দিনরাত ভোজানুষ্ঠান চলতে থাকে। শিল্প কারখানার বহু শ্রমিককে উপহার সামগ্রী প্রদানে তুষ্ট করা হয়।” মীর্জা নাথন আরো লিখেছেন “উৎসবের দিনে বন্ধুবান্ধব, আত্মীয়-স্বজন ও রাজকর্মচারীগণ একে অন্যের জায়গায় গমন করেন এবং ঈদের শুভেচ্ছা জানান। সেনাপতি শাজাত খান আনন্দ উৎসবের এই দিনটিতে বন্ধুবান্ধবদের আপ্যায়নের নিমিত্ত একটি সামাজিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন।
(বাংলার সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ইতিহাস, ২/১৯৫-১৯৭ - এম এ রহিম
