uk
Feedback

Не попадись на ботовода! Telemetrio знаходить і позначає такі канали мітками 👉 Хочеш бачити мітку, оформляй підписку

It's time to wake up

It's time to wake up

Відкрити в Telegram

জাগ‌তে হ‌লে জান‌তে হ‌বে। ইনশাআল্লাহ আমরা জানবো। (হে মুসলিমগণ,) তোমরা হীনবল হয়ো না এবং চিন্তিত হয়ো না । তোমরা প্রকৃত মুমিন হলে তোমরাই বিজয়ী হবে । [সুরা আল ইমরান: ১৩৯]

Показати більше
2 366
Підписники
-224 години
-107 днів
-2730 днів
Архів дописів

🇵🇸Glorious 7th October
🇵🇸Glorious 7th October

📍বিপরীতে ইরানের গেমটা ছিল খুবই সূক্ষ্ম মাইন্ডগেম। নেতানিয়াহুর ভাষণ শুরু হওয়ার সাথে সাথে তারা যখন ওয়াক আউট করে, তখন তারা টেবিলের উপর জেনারেল কাসেম সোলায়মানির একটা ছবি রেখে যায়। কোনো গায়ে পড়া আচরণ না, কোনো জোর-জবরদস্তি না, তারা জাস্ট নিজের সীমানায়, নিজের ডেস্কের উপর নিজেদের হিরোর ছবি এমনভাবে রেখে দিয়েছে, যেটা নেতানিয়াহু যতক্ষণ পোডিয়ামে থাকবে, ততক্ষণ তার সামনে থাকে তাকে বিড়ম্বনা দিবে। জাস্ট এটুকুই। এরপর বাকি কাজটা মিডিয়াই করেছে। পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়া তো বটেই, ইভেন অফিশিয়াল ভিডিওর ক্যামেরাম্যানও নেতানিয়াহুকে দেখিয়েই এরপর ক্লোজ আপ শটে ইরানের খালি ডেস্কের উপর রাখা কাসেম সোলায়মানির ছবিতে জুম করেছে। এটা হচ্ছে মাত্র সাত দশক আগে অবৈধভাবে জন্ম নেওয়া ইসরায়েলের কৃত্রিম "হাসবারা"র লেভেলের সাথে ইরানের সহস্র বছরের জেনুইন বুদ্ধিমত্তার লেভেলের পার্থক্য। কা‌র্টিসি: সোজা‌ম্মেল হো‌সেন তোহা

📍গেম সবাই খেলে। কিন্তু ইরানিদের মতো সূক্ষ্ম মাইন্ড গেম সবাই খেলতে পারে না। গতকাল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসরায়েল এবং ইরান দু
📍গেম সবাই খেলে। কিন্তু ইরানিদের মতো সূক্ষ্ম মাইন্ড গেম সবাই খেলতে পারে না। গতকাল জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে ইসরায়েল এবং ইরান দুজনেই একে অপরের সাথে গেম খেলেছে। কিন্তু দুই গেমের মধ্যে পার্থক্য ছিল আকাশ-পাতাল। ইসরায়েলের গেমটা ছিল স্থূল, গায়ে পড়া, অভদ্র আচরণ। ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূত একটা স্টারলিঙ্ক ডিভাইস নিয়ে নিজেই সরাসরি ইরানি প্রতিনিধির দিকে এগিয়ে গেছে। সে তাকে সেটা উপহার দিতে চেয়েছে। ইঙ্গিতটা এরকম, ইরানের সরকার যেহেতু ইন্টারনেটে রেস্ট্রিকশন দিয়ে রেখেছে, তাই স্টারলিঙ্ক ডিভাইসটা তার কাজে লাগবে। কিন্তু ইরানি প্রতিনিধি তার তার এই যেচে পড়ে উপহার দেওয়ার জবাবে কিছু বলা তো দূরের কথা, তার দিকে ঘুরেও তাকায়নি। তাকে পুরোপুরি ইগনর করে অন্যদিকে তাকিয়ে ছিল। ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতকেই শেষে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যেতে হয়। বলাই বাহুল্য, যেচে পড়ে এই ধরনের আচরণ রীতিমতো অভদ্রোচিত। খারাপ সম্পর্ক আছে - এরকম সব দেশের প্রতিনিধিরা যদি এইভাবে সরাসরি এগিয়ে গিয়ে প্রতিদ্বন্দীকে উস্কে দেওয়ার চেষ্টা করে, তাহলে শেষপর্যন্ত সেটা সার্কাস আর হাতাহাতিতেই রূপ নিবে।

যদি চাও আমি রাজনীতি বাদ দিয়ে ফুল-পাখি নিয়ে কবিতা লিখি, তাহলে আমাকে পাখিদের গান শুনতে হবে। আর পাখিদের গান শুনতে পাবার জন্য বোমারু বিমানগুলোর গর্জন বন্ধ হতে হবে। --- ফিলিস্তিনি কবি মারওয়ান মুখাওয়াল।

📍📍🇵🇸 এক বছর আগে, ৩০শে আগস্ট, ‘ইসরায়েল’ গাজা শহরের রিমাল এলাকার একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলা চালিয়ে হামাসের দীর্ঘদিনের স
📍📍🇵🇸 এক বছর আগে, ৩০শে আগস্ট, ‘ইসরায়েল’ গাজা শহরের রিমাল এলাকার একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলা চালিয়ে হামাসের দীর্ঘদিনের সামরিক মুখপাত্র হুযাইফা সামির আবদুল্লাহ আল-খালুত, যিনি আবু ওবাইদা নামে পরিচিত, তাকে শহীদ করেছিল।

এরা কি ব‌লে শুনুন!

photo content
+1

অথচ পিএম ইসলামিক মূল্যবোধ, পরিবারের গুরুত্বের কথা প্রায়ই ব‌লেন।

শামা ওবায়েদ একদম সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, ট্রান্সজেন্ডারদের অন্তর্ভুক্ত করা তাদের ৩১ দফা, নির্বাচনী ইশতেহার এবং বিএনপির আদর্শের অংশ। বিষয়‌টি কিন্তু আত‌ঙ্কের এবং আশ‌নি সং‌কেত!

Repost from Sorwar Alam
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যেখানে গাজা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে।
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড একটি মানচিত্র প্রকাশ করেছে, যেখানে গাজা এবং অধিকৃত পশ্চিম তীরকে ইসরায়েলের অংশ হিসেবে দেখানো হয়েছে। @SorwarAlam[mh]

📍📍ফ্রান্সের ভার্সাই প্রাসাদে G-7 সামিট মিটিং এর মাঝখানেই ইরানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন ট্রাম্প। এসময় তিনি বলেন:
এটা সহজ ছিল না, এটুকু আমি আপনাদের বলতে পারি।

📍📍৩. ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তি: দুই দেশ সর্বোচ্চ ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তি সম্পন্ন করার লক্ষ্যে আলোচনা চালাবে। উভয় পক্ষের সম্মতিতে এই সময়সীমা বাড়ানো যাবে। ৪. মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহার: সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত নৌ অবরোধ ও অন্যান্য বাঁধা অপসারণ শুরু করবে এবং ৩০ দিনের মধ্যে তা সম্পূর্ণভাবে প্রত্যাহার করবে। একই সময়ে ইরান যুদ্ধ-পূর্ব পর্যায়ে জাহাজ চলাচল পুনরুদ্ধার করবে। চূড়ান্ত চুক্তির ৩০ দিনের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের আশপাশের এলাকা থেকে নিজেদের বাহিনীও সরিয়ে নেবে। ৫. বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পুনরায় চালু: সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের পর ইরান সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে পারস্য উপসাগর ও ওমান সাগরের মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করবে এবং ৬০ দিনের জন্য কোনো অতিরিক্ত ফি আরোপ করবে না। কারিগরি ও সামরিক বাঁধা অপসারণ এবং মাইন নিষ্ক্রিয়করণের কাজের মাধ্যমে ৩০ দিনের মধ্যে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল পূর্ণমাত্রায় পুনরায় শুরু হবে। এছাড়া হরমুজ প্রণালীর ভবিষ্যৎ প্রশাসন ও সামুদ্রিক সেবা নিয়ে ইরান ও ওমান আলোচনা করবে। ৬. ৩০০ বিলিয়ন ডলারের পুনর্গঠন ও উন্নয়ন পরিকল্পনা: যুক্তরাষ্ট্র ও তার আঞ্চলিক অংশীদাররা ইরানের পুনর্গঠন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য কমপক্ষে ৩০০ বিলিয়ন ডলারের একটি চূড়ান্ত পরিকল্পনা গ্রহণ করবে, যা ভবিষ্যৎ চুক্তির অংশ হবে। ৭. সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার: চূড়ান্ত চুক্তির আওতায় সম্মত সময়সূচি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আরোপিত সব ধরনের নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে। এর মধ্যে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রস্তাব, আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার গভর্নর বোর্ডের সিদ্ধান্ত এবং যুক্তরাষ্ট্রের একতরফা প্রাথমিক ও গৌণ নিষেধাজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ৮. পারমাণবিক অস্ত্র না তৈরির অঙ্গীকার: ইরান পুনর্ব্যক্ত করেছে যে তারা পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন বা উন্নয়ন করবে না। দুই দেশ সমৃদ্ধ পারমাণবিক উপাদানের মজুদ নিষ্পত্তির বিষয়ে একটি পারস্পরিক গ্রহণযোগ্য ব্যবস্থা নির্ধারণ করবে। এর ন্যূনতম পদ্ধতি হিসেবে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার তত্ত্বাবধানে দেশীয় পর্যায়ে উপাদানগুলোর সমৃদ্ধি কমানোর প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। একই সঙ্গে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ এবং ইরানের পারমাণবিক চাহিদা সম্পর্কিত অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। ৯. চূড়ান্ত চুক্তির আগ পর্যন্ত বর্তমান অবস্থা বজায় রাখা: চূড়ান্ত চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত উভয় পক্ষ বর্তমান অবস্থা বজায় রাখবে। ইরান তার বিদ্যমান পারমাণবিক কর্মসূচি অপরিবর্তিত রাখবে এবং যুক্তরাষ্ট্র নতুন কোনো নিষেধাজ্ঞা আরোপ করবে না বা অঞ্চলে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করবে না। ১০. তেল রপ্তানিতে তাৎক্ষণিক ছাড়: সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সঙ্গে সঙ্গেই যুক্তরাষ্ট্র এমন ছাড়পত্র জারি করবে, যাতে ইরানের অপরিশোধিত তেল, পেট্রোলিয়াম পণ্য ও সংশ্লিষ্ট পণ্য রপ্তানি এবং ব্যাংকিং, বীমা, পরিবহনসহ সংশ্লিষ্ট সব সেবা পরিচালনা করা যায়। ১১. জব্দকৃত ইরানি তহবিল অবমুক্তকরণ: সমঝোতা স্মারক বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে ইরানের জব্দ বা সীমাবদ্ধ তহবিল ব্যবহারের জন্য সম্পূর্ণভাবে উন্মুক্ত করা হবে। আলোচনার সময় উভয় পক্ষ এই তহবিল অবমুক্ত করার প্রক্রিয়া নিয়ে একমত হবে। ১২. বাস্তবায়ন তদারকি ব্যবস্থা: সমঝোতা স্মারক এবং পরবর্তী চূড়ান্ত চুক্তির বাস্তবায়ন তদারকির জন্য একটি পর্যবেক্ষণ ব্যবস্থা গঠন করা হবে। ১৩. চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু: সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর এবং ১, ৪, ৫, ১০ ও ১১ নম্বর ধারার বাস্তবায়ন শুরু হওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান চূড়ান্ত চুক্তি নিয়ে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করবে। ১৪. জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের অনুমোদন: চূড়ান্ত চুক্তিকে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবের মাধ্যমে অনুমোদন ও আন্তর্জাতিক আইনি বৈধতা দেওয়া হবে। সূত্র: হোয়াইট হাউস

📍📍📌 হোয়াইট হাউস যুক্তরাষ্ট্র–ইরান ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে: ১. স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও সামরিক অভ
+3
📍📍📌 হোয়াইট হাউস যুক্তরাষ্ট্র–ইরান ১৪ দফা সমঝোতা স্মারকের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করেছে: ১. স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ও সামরিক অভিযান বন্ধ: যুক্তরাষ্ট্র, ইরান এবং চলমান যুদ্ধে জড়িত তাদের মিত্ররা লেবাননসহ সব ফ্রন্টে অবিলম্বে ও স্থায়ীভাবে সামরিক অভিযান বন্ধ করার ঘোষণা দেবে। ভবিষ্যতে একে অপরের বিরুদ্ধে কোনো যুদ্ধ, সামরিক অভিযান, শক্তি প্রয়োগ বা শক্তি প্রয়োগের হুমকি না দেওয়ার অঙ্গীকার করবে। একই সঙ্গে লেবাননের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দেবে। ২. পারস্পরিক সার্বভৌমত্বের প্রতি সম্মান: যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একে অপরের সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতাকে সম্মান করবে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ থেকে বিরত থাকবে।

📍📍ইসরায়েল বৈরুতে হামলা চালানোর পর, ইরানের স্পিকার কালিবাফ কাতারের সাথে পারমাণবিক আলোচনা স্থগিত করে। ইরানের সামরিক বাহিনী ইসরাইলে হামলা চালানোর জন্য তৈরি হয়। এরপর ট্রাম্প শেষ মুহূর্তে হামলা না চালাতে অনুরোধ করেন এবং অবিলম্বে ও সম্পূর্ণরূপে ইরানের ওপর থেকে নৌ অবরোধ তুলে নেন, যা চুক্তি অনুযায়ী ৩০ দিনের মধ্যে পর্যায়ক্রমে তুলে নেওয়ার কথা ছিল। একই সাথে ট্রাম্প লেবাননের অখন্ডতা ও লেবানন থেকে ইসরাইলি সৈন্য প্রত্যাহারের বিষয়টি মেনে নেন। সূত্র: আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বরাতে আল জাজিরা।

📍📍🇺🇸/🇮🇷/🇵🇰 ব্রেকিং: পাকিস্তান ঘোষণা করেছে যে ইরান এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক সম্মতি দেয়া হয়েছে, এবং এটি শুক্রবার, ১৯শে জুন স্বাক্ষরিত হবে। এর মাধ্যমে উভয় পক্ষ লেবাননসহ সকল রণাঙ্গনে সামরিক অভিযানের অবিলম্বে ও স্থায়ী সমাপ্তি ঘোষণা করছে।

📍📍তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে যাচ্ছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান! 🇧🇩🇹🇷 আগামীকাল বৃহস্পতিবার তিন দিনের সফরে ঢাকা
📍📍তিন দিনের সফরে বাংলাদেশে যাচ্ছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান! 🇧🇩🇹🇷 আগামীকাল বৃহস্পতিবার তিন দিনের সফরে ঢাকায় যাচ্ছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর তুরস্কের কোনো পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এটাই প্রথম ঢাকা সফর। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসবেও হাকান ফিদানের এটা প্রথম বাংলাদেশ সফর। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এছাড়া পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদসহ সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন বলে কথা রয়েছে। আগামী ৬ জুন সফরের শেষ দিনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করবেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যে বিভিন্ন খাতে একে অপরের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা রয়েছে। তবে বাংলাদেশের সঙ্গে প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে চায় তুরস্ক। হাকান ফিদানের ঢাকা সফরে প্রতিরক্ষা ইস্যুটি গুরুত্ব পাবে। উল্লেখ্য, চলতি বছর এপ্রিলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান তুরস্ক সফর করেছিলেন। সে সময় তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান ড. খলিলুর রহমান। সূত্র: আমার দেশ

💥💥বাহরাইনের আকাশে ইরানি মিসাইল।