1 996
Підписники
Немає даних24 години
+47 днів
+330 день
Архів дописів
1 995
আল্লাহ আমাকে ফুটফুটে একটা মেয়ে দিয়েছেন আলহামদুলিল্লাহ।
আমি ওর জীবনটা নষ্ট করতে চাইনা!
ওকে শুধুমাত্র দ্বীনি শিক্ষায় দীক্ষিত করতে চাই।
কোনোদিন ওকে বলবোনা তোকে ডাক্তার হতে হবে! ইঞ্জিনিয়ার হতে হবে! বা বড় অফিসার হতে হবে!
আমি ওকে শিখাবো অল্প খেয়েও ভালো থাকা যায়, একটু কম দামী জামা পরলে কিছু হয়না।
দুনিয়ায় মোহে পরে জীবনের সুখ যেনো ও বিসর্জন না দেয়!
দুনিয়ায় মানুষের কাছে স্মরণীয় - বরণীয় হয়ে থাকার জন্য নিজের সুখ, নিজের জীবন, নিজের আখিরাত বিসর্জন দেওয়ার কিছুই নেয়।
বরং শুধু আখিরাতকে টার্গেট করে, শুধুমাত্র আল্লাহকে সন্তুষ্ট করে তুই দুনিয়া ও আখিরাত ২ জায়গায়ই ভালো থাকতে পারবি।
আল্লাহ কবুল করলে আমি ওকে অল্প বয়সেই দ্বীনদার কোনো ছেলের হাতে পাত্রস্থ করতে চাই।
আমি চাইনা ও কখনো ওর রিজিক নিয়ে ভাবুক।
হ্যাঁ আমি প্রচন্ড মন খারাপ নিয়েই কথাগুলো লিখছি।
আমিতো মেজর সাহেব হওয়ার আগে আমি একজন মানুষ তাইনা???
তো মন খারাপ আমার হতেই পারে।
সারাজীবন ধরে মন খারাপ কে লুকায়ে রেখে খুব ভালো আছি এটা সবাইকে প্রদর্শন করে আমি জীবনে সফল নারীর খেতাব পেয়েছি ঠিকই, কিন্তু বরাবরই নিজের সাথে জুলুম করে গেছি।
আমি শুধু মানুষকে দেখাতেই চাইনা যে খুব ভালো আছি!
আমারও ইচ্ছা করে সত্যিকার অর্থেই ভালো থাকতে।
আমারও ইচ্ছা করে মেয়েটাকে বুকের মধ্যে নিয়ে ওকে, A B C D লেখা শেখাই।
দিন শেষে বরের সাথে গল্প করি সারাদিন কি কি করলাম।
আমার মনে পড়তেছেনা শেষ কবে আমি আর আমার বর নিশ্চিন্তে দু'জনে বসে ২ কাপ চা খাইছি।
আমার মনে পড়েনা ৩১ জানুয়ারি ২০২০ এর পরে,মানে যেই দিন আমার বিয়ে হয়েছিলো তার পরে কবে ২ চোখ ভরে সিজদাহ্'র বাবাকে দেখেছি। বিয়ের পরের দিনই জয়েনিং ছিলো। ২ জনের ২ শহরে।
ব্যস্ততায় আমাদের সেই সময় হয়ে ওঠেনা!
গত ৩ মাস আমার শেষ সম্বল আমার বাসার কাজের মহিলা চলে গেছে, কারণ সে আরো বেশি বেতনে কারও কাছ থেকে কাজের অফার পেয়েছে। এরপর আর আমি কাউকে ম্যানেজ করতে পারিনি।
মেয়েকে নিয়ে একা একা আমি পেরে উঠিনা।
অফিস করে দিন শেষে খুব ক্লান্ত হয়ে আমার যখন প্রচন্ড ঘুম পায়, তখন আমার মেয়ে আমার সাথে খেলতে চায়, আমার হাতে খেতে চায়, আমার সাথে গল্প করতে চায়।
আর আমি না পারি নিজেকে সময় দিতে, না পারি ওকে সময় দিতে!
তারপরেও যেহেতু মেয়ের প্রায়োরিটি অনেক বেশি, তাই ওর আবদারই পূরণ করে নিজের বিশ্রাম বাদ দিয়ে ওর কাজটা করতে যাই, এরপর যখন দেখি দুষ্টামি করে ৫ মিনিটের কাজ ২ ঘন্টার কাজ বানায়ে দিছে, তখন ওর উপর রাগ করে ওকে মারি।
এরপর ওর কান্না দেখে নিজেও কাঁদি। তখন আমার মেয়ে ওর কান্না থামিয়ে আমাকে শান্তনা দেয়, মা আমি আর কাঁদছি না!
তুমিও কেঁদোনা প্লিজ!
🙂
আর এই মেয়েকেই এমন একটা অসুস্থ শৈশব উপহার দিচ্ছি আমি।
কারণ আমার সবার কাছে শুনতে হবে আদিবা একটা অল রাউন্ডার।
বিশ্বাস করেন আমার টাকা পয়সায় কোনো বরকত দেখিনা আমি।
২ জন চাকরি করে যেই এক্সট্রা ইনকামটা আমাদের হয়, ২ জায়গায় সংসার মেইন্টেইন করতে গিয়ে, মাসে ২/১ বার যাতায়াত করতে গিয়ে আর কাজের লোক পালতে গিয়েই সেই টাকা শেষ হয়ে যায়।
তাইলে কেনো এতো কষ্ট করি আমরা???
ঐযে আমাদের আই ওয়াশ করা হইছে!
দুনিয়াকে দেখাতে হবে তুমি অনেক সফল।
খালি এই টুকুই জানেন।
আর কিচ্ছুনা!
সফলতার সংজ্ঞা যে কি!!!
এই দুনিয়ায় কাছে শেখ হাসিনা সফল নারী!
মা আয়েশা রা: সফল নারী না!
মা খাদিজা রা: সফল নারী না!
বোন ফাতিমা রা: নারী না!
সফল নারী সেই যে দুনিয়ায় স্ট্যান্ডার্ডে সফল, সে সফল না যে আল্লাহর কাছে প্রিয়!
1 995
আশা করি সবাই ভালো আছেন। আমি সায়মন, বুটেক্সে টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে পড়াশোনা করছি — চতুর্থ বর্ষে।
এবারের এইচএসসি ২০২৫ ব্যাচের পরীক্ষার সময় ঘনিয়ে আসায় কয়েকটি টিউশন বন্ধ হয়ে গেছে। আগেও একই অভিজ্ঞতা হয়েছিল, তবে আলহামদুলিল্লাহ — তখন ফেসবুকের মাধ্যমেই নতুন টিউশন পেয়েছিলাম। সেই আশায় আবারও এই পোস্টটি দিচ্ছি। কেননা মিডিয়া থেকে টিউশন নিলে তার ৫০%-৬০% তাদেরকে দিয়ে দিতে হয়।
আমি মূলত ইন্টারমিডিয়েট(একাদশ-দ্বাদশ) ও এডমিশন প্রার্থী শিক্ষার্থীদের পড়িয়ে থাকি। গণিত, পদার্থবিজ্ঞান ও রসায়ন আমার প্রধান বিষয়। পাশাপাশি ইঞ্জিনিয়ারিং/ভার্সিটি ক্যান্ডিডেটদের প্রস্তুতির জন্যও পড়িয়ে থাকি।
🔹 প্রায় ৫ বছরের অধিক অভিজ্ঞতা
🔹 বর্তমানে উদ্ভাস কোচিং সেন্টারে গণিত শিক্ষক হিসেবে আছি
🔹 পূর্ববর্তী শিক্ষার্থীদের কেউ কেউ আজ বুয়েট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের শীর্ষ ভার্সিটিতে পড়ছে
🔹 এককভাবে অথবা গ্রুপে ক্লাস করার সুবিধা রয়েছে।
🎯 যারা এইচএসসি ও এডমিশন নিয়ে সিরিয়াস, তারাই যোগাযোগ করবেন।
📍 বনশ্রী, মহাখালী, গুলশান,মগবাজার, মালিবাগ,রামপুরা, মিরপুর মেট্রো এরিয়া, বাড্ডা,ফার্মগেট এসব এরিয়া এর আশেপাশে পড়াতে আগ্রহী।
📞 যোগাযোগ: 01406512634/Messenger এ knock দিলেও হবে।
(বি:দ্র: একটা ফ্রি ক্লাস করে যাচাই করার সুযোগ রয়েছে।)
1 995
★ডিউটি টাইম : ১০-৭ টা।
★সাপ্তাহিক একদিন ছুটি থাকবে।
★অফিস লোকেশন : বাড্ডা লিং রোড, ট্রপিকাল মোল্লা টাওয়ার।
★যোগাযোগ : +8801902906144.
1 995
"আল্লাহ কাউকে তার সাধ্যাতীত কোনো কাজের ভার দেন না।"
____(সূরা বাকারা, আয়াত: ২৮৬)
1 995
🔴 ঢাকায় যারা থাকেন বা যাচ্ছেন তারা যে সব বিষয়ে সাবধান হবেন!'
১.ফার্মগেটে হঠাৎ দেখতে পেলেন, কতগুলো মানুষ একজন মানুষ কে আঘাত করে চলেছে আর সে আপনাকে বলছে ভাই সাহায্য করেন,আপনি দয়া দেখাতে গিয়ে রক্ষা করতে এগিয়ে গেলেই বিপদ হতে পারে,ওরা আপনাকে **** সব কিছু নিয়ে যেতে পারে, কারণ তারা সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র
২.ওভার ব্রিজ এর উপর মহিলা কাঁদছে যে,সে যার সাথে দেখা করবে তার মোবাইলে কল দিতে হবে কিন্তু, তাঁর কাছে টাকা নেই বলবে আপনার মোবাইল দিয়ে সেই লোকের নাম্বারে মিসকল দিলেও সে ব্যাক করবে আপনি কল দিলেন তো ফাঁদে পড়লেন,ওরা নিরীহ মানুষ দেখে তাদের নম্বর সংগ্রহ করে ও পরবর্তীতে সেই নাম্বারে কল করে লোভনীয় প্রস্তাব দেয়, রাজী হলে আপনাকে তাঁদের আস্তানাতে নিয়ে ব্লাক মেইল করবে
৩.শাহবাগ, মহাখালী, যাত্রাবাড়ী জ্যামে আটকে আছেন, নানা ধরণের লিফলেট যেমনঃ দুর্বলতা,রোগে, নানা লোভে আপনাকে ফাঁদে ফেলার ব্যবস্থা,
এমন বলে যে রুম ডেট এর ব্যবস্থা আছে
৪.রাস্তায় সুন্দর চোখ এর বোরকা আলি আপনার সাথে কথা বলতে চায়, প্রেমের প্রস্তাব নয়, কিন্তু ইসারা, যে আপনি ভাববেন একটু চেষ্টা করলে কাছে পাবেন, যদি তাই ভাবেন তবে ধরা পড়ার সম্ভাবনা শতভাগ আপনাকে তাঁদের আস্তানায় নিবে, তারপর আর কিছু আপনার করা লাগবে না, সব হারাবেন,মেয়ে দিয়ে ব্লাক মেইল করবে
৫.গাবতলি, সায়েদাবাদ, কিংবা সদরঘাট , মাওয়া, আরিচা, দৌলতদিয়া ফেরি ঘাটে বসে আছেন, দেখলেন যে বাইরে তাস, লুডু ইত্যাদি খেলছে, কাছে গেলেন কি ফেঁসে গেলেন
৬.যাত্রাপথে অপরিচিত লোক এর সাথে মতবিনিময় করবেন খুবই কম,আপনি যে স্থানে যাবেন সে স্থান যেন আপনার পরিচিত
৭.রেলগাড়ির ছাঁদে চলাচল করা থেকে বিরত থাকবেন, কারণ এক দল ছেলে পাওয়া যায়, যারা রেলের ছাদের উপর থেকে ছিনতাই করে ছাদ থাকে ফেলে দেয়
৮.লঞ্চ এ কম যাত্রী থাকলে উঠবেন না
৯.যারা দ্রুত যাতায়াত এর জন্য স্পীড বোট এ যাতায়াত করবেন তারা টাকা বা মুল্যবান কিছু সাথে নিবেন না কারণ দেখা গিয়েছে যে, এক দল আছে যারা বোট ছাড়ার পর নির্জন স্থানে বোট ভিড়িয়ে ছিনতাই করে আপনাকে নামিয়ে দিতে পারে
১০.হেঁটে যেতে হলে বিভিন্ন বাসের মাঝখান দিয়ে যাওয়া অনুচিত কারণ নেশাখোর ওঁত পেতে থাকে ছিনতাই এর জন্য
এছাড়াও যাতায়াতের সময় এ জাতীয় অন্যান্য ব্যাপারে সতর্ক থাকতে হবে,সচেতনতা সৃষ্টিতে শেয়ার করে সকলকে জানিয়ে দিন...🌬️
ধন্যবাদ💝
#সংগৃহীত
1 995
বেড়ে গেছে সড়ক দূর্ঘ*টনা! নিরাপত্তার জন্য সকল দুনিয়াবি মাধ্যম গ্রহণের পাশাপাশি এই সুন্নাহ আমলটি করতে পারেন।
নিজে শিখুন। সন্তান, ছাত্রছাত্রী সহ সবাইকে শিখান।
দরজায় স্টিকার কিংবা কাগজে লিখেও রাখতে পারেন।
১। একটি দুয়া আছে এমন, যিনি ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পড়বেন, ওই ব্যক্তিকে আল্লাহর পক্ষ থেকে বলা হয়:
তোমার আর কোনো চিন্তা নেই, তোমার সকল দায়িত্ব গ্রহণ করা হলো, (তোমাকে সঠিক পথ দেখানো হলো) এবং তোমাকে হেফাযত করা হলো। আর শয়*তান তার থেকে দূরে চলে যায়।
দুয়াটি হলো :
بِسْمِ اللّٰهِ، تَوَكَّلْتُ عَلَى اللّٰهِ، وَلَا حَوْلَ وَلَا قُوَّةَ إِلَّا بِاللّٰهِ
বিসমিল্লাহি, তাওয়াককালতু আলাল্লা-হি, ওয়ালা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ
অর্থ: আল্লাহ্র নামে (বের হচ্ছি)। আল্লাহর উপর ভরসা করলাম। আর আল্লাহর সাহায্য ছাড়া (পাপ কাজ থেকে দূরে থাকার) কোনো উপায় এবং (সৎকাজ করার) কোনো শক্তি কারো নেই।
(সুনান তিরমিযী: ৩৪২৬)
মাওলানা আবদুল্লাহ আল মনসুর
২। হাদিসে আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘর থেকে বের হওয়ার কথা বলা হয়েছে।
আয়াতুল কুরসি (সূরা বাকারার ২৫৫ নম্বর আয়াত) পাঠ করে ঘর থেকে বের হলে এর অনেক ফজিলত রয়েছে। যেমন:
▪️৭০,০০০ ফেরেস্তা তার চারপাশ ঘিরে রাখে এবং তাকে হেফাজত করে।
▪️বাড়িতে দারিদ্রতা প্রবেশ করতে পারে না।
▪️ঘুমানোর আগে পড়লে একজন ফেরেস্তা সারারাত তাকে পাহারা দেন।
▪️প্রতিটি ফরজ নামাজের পর পড়লে মৃ*ত্যু ব্যতীত কোন কিছু জান্নাতে যেতে বাধা দিতে পারবে না।
▪️ওজুর পর পড়লে আল্লাহর নিকট ৭০ গুণ মর্যাদা বৃদ্ধি লাভ করে।
▪️জান্নাতের দরজা খুলে যায়।
▪️ঘরে ও জীবনে বরকত বয়ে আনে।
সুতরাং, ঘর থেকে বের হওয়ার সময় আয়াতুল কুরসি পাঠ করা একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল, যা মুস*লিমদের জন্য নিরাপত্তার ও বরকতের কারণ।
1 995
মাদরাসা বাইতুস সালামে
মধ্য বাড্ডা আদর্শ নগর ক্লাব গলির উত্তর পাশে জরুরী ভিত্তিতে ১জন নূরানী ট্রেডিং প্রাপ্ত শিক্ষক লাগবে সময় ২.৩০ থেকে ৫ মিনিট পর্যন্ত হাদিয়া আলোচনা সাপেক্ষে হবে. যোগাযোগ করুন ☎️ ০১৭৯৯০৫৯৭১৫
1 995
🧠 নিজেকে উন্নত করতে প্রতিদিনের ৫টি মানসিক অভ্যাস
নিজেকে গড়ে তুলতে শুধু বাইরের পরিবর্তন নয়, দরকার ভেতরের যত্নও। প্রতিদিন কিছু ছোট অভ্যাস গড়ে তুললে মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি হয়, বাড়ে কর্মক্ষমতা ও আত্মনিয়ন্ত্রণ।
✅ ১. সকালে ঘুম থেকে উঠে ৫ মিনিট নিঃশ্বাস অনুশীলন:
মনকে শান্ত রাখে, উদ্বেগ কমায়। দিনের শুরুটাই বদলে যায়।
✅ ২. দিনে অন্তত ১০ মিনিট লেখালেখি (জার্নালিং):
নিজের ভাবনা, অনুভূতি ও পরিকল্পনা লিখলে আত্মজ্ঞান বাড়ে এবং মানসিক ভার লাঘব হয়।
✅ ৩. কাজের মাঝে ৫ মিনিট “ডিজিটাল ব্রেক”:
মোবাইল বা স্ক্রিন থেকে নিজেকে সরিয়ে একটু হাঁটা বা চোখ বন্ধ করে থাকা মানসিক চাপ কমায়।
✅ ৪. প্রতিদিন অন্তত একটি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ:
যে জিনিসগুলোর জন্য কৃতজ্ঞ, তা লিখলে বা ভাবলে মানসিক শক্তি বাড়ে।
✅ ৫. রাতে ঘুমানোর আগে আত্মপর্যালোচনা:
দিনের ভাল-মন্দ চিন্তা করে শেখার চেষ্টা করলে নিজের প্রতি সচেতনতা বাড়ে।
🧩 ছোট অভ্যাস, বড় পরিবর্তন আনতে পারে।
মানসিক সুস্থতাই সত্যিকারের প্রোডাক্টিভিটি আর সেল্ফ-ডিসিপ্লিনের ভিত্তি।
নিজেকে বদলাতে বড় কিছু নয়, দরকার ছোট ছোট অভ্যাসের ধারাবাহিকতা।
মানসিক শান্তি, উৎপাদনশীলতা আর আত্মনিয়ন্ত্রণ—এই তিনটি একসাথে গড়ে তোলে উন্নত 'আপনি'।
🌀 তাই আজ থেকেই শুরু করুন—ধীরে ধীরে, কিন্তু নিয়মিত।
1 995
১. অপমান নয়
শিশুর সামনে কাউকে অপমানজনক বা গালিভরা ভাষায় কিছু বলবেন না। এতে শিশু শিখে যায় রূঢ়ভাবে কথা বলাটাই স্বাভাবিক। সে নিজেও পরবর্তীতে সেই রকম ভাষা ব্যবহার করতে পারে।
২. তর্ক নয়
পরিবারের কোনো দ্বন্দ্ব বা ঝগড়া শিশুর সামনে করা উচিত নয়। শিশুর মনে এতে অস্থিরতা ও ভয় ঢুকে পড়ে। তারা নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে এবং সম্পর্ক নিয়ে নেতিবাচক ধারণা গড়ে তোলে।
৩. সত্য বলুন
শিশুদের সামনে মিথ্যা বললে তারা মনে করে মিথ্যা বলা স্বাভাবিক। ফলে তাদের চারিত্রিক গঠনে সততার অভাব দেখা দিতে পারে। সত্য বলা শিখিয়ে দিন ছোটবেলা থেকেই।
৪. সমালোচনা নয়
অন্যের দোষ বা খারাপ দিকগুলো শিশুদের সামনে বেশি বলা উচিত নয়। এতে শিশুদের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব গড়ে ওঠে এবং তারা অন্যকে মূল্যায়নের বদলে দোষ ধরতে শেখে।
৫. ভয় দেখাবেন না
শিশুদের ভুল করলে ভয় দেখিয়ে নয়, বরং ধৈর্য ধরে বুঝিয়ে বলা উচিত। ভয় দেখালে তারা আত্মবিশ্বাস হারায় এবং নিজের ভুল স্বীকার করতে ভয় পায়।
৬. অর্থকথা নয়
পরিবারের অর্থনৈতিক সমস্যা নিয়ে শিশুর সামনে আলোচনা না করাই ভালো। এতে তাদের মনে দুশ্চিন্তা বা অনিরাপত্তার অনুভব তৈরি হয়, যা মনঃসংযোগ ও বিকাশে বাধা দেয়।
৭. তুলনা নয়
শিশুকে অন্য কারো সঙ্গে তুলনা করা তাদের আত্মসম্মান ও আত্মবিশ্বাসে আঘাত করে। প্রত্যেক শিশু আলাদা, তাদের নিজের মতো গড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়া উচিত।
৮. গঠনমূলক প্রশংসা
শিশুকে প্রশংসা করুন, তবে সেটা হোক গঠনমূলক ও উৎসাহমূলক। অকারণে বাড়াবাড়ি প্রশংসা করলে তা তাদের বাস্তববোধ কমিয়ে দিতে পারে।
৯. ব্যক্তিগত কথা নয়
দাম্পত্য কলহ বা ব্যক্তিগত গোপন কোনো বিষয় শিশুর সামনে আলোচনা করা ঠিক নয়। এতে তারা মানসিকভাবে চাপ অনুভব করে এবং অপ্রয়োজনীয় তথ্য নিয়ে বিভ্রান্ত হয়।
১০. ভদ্র ভাষা ব্যবহার করুন
আপনার ব্যবহৃত ভাষা যেন সবসময় ভদ্র ও পরিশীলিত হয়। শিশুরা যা শুনে, তাই শেখে। তাই অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করলে তারাও তা অনুসরণ করতে পারে।
১১. ধর্ম নিয়ে নেতিবাচকতা নয়
শিশুর মনে সব ধর্মের প্রতি সম্মানবোধ গড়ে তুলুন। কোনো ধর্ম নিয়ে নেতিবাচক মন্তব্য করলে তারা অসহিষ্ণু হয়ে উঠতে পারে।
১২. নেগেটিভ খবর নয়
খুন, ধর্ষণ বা ভয়ংকর কোনো ঘটনা শিশুকে বলা উচিত নয়। এতে তারা আতঙ্কিত হয় ও রাতে ঘুমের সমস্যা হতে পারে।
১৩. রূপ নিয়ে কটুক্তি নয়
কাউকে কালো, মোটা বা অন্য কোনো বাহ্যিক বিষয় নিয়ে উপহাস করবেন না। এতে শিশুর মনেও একই ধরণের বিচারবোধ জন্মায়, যা পরবর্তীতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।
১৪. ভুলে রাগ নয়
শিশু ভুল করলে তার ওপর চিৎকার বা শাস্তি না দিয়ে ধৈর্য ধরে বোঝান। এতে তারা নিজের ভুল বুঝতে ও সংশোধন করতে শেখে।
১৫. নিন্দা নয়
অন্য কারো পেছনে সমালোচনা বা নিন্দা করবেন না। শিশুরা মনে করে এটি স্বাভাবিক আচরণ এবং তারা অন্যদের সম্মান করতে শেখে না।
১৬. উপেক্ষা নয়
শিশুর কথা গুরুত্ব দিয়ে শুনুন। এতে তারা বুঝতে পারে যে তাদের কথা মূল্যবান, যা আত্মবিশ্বাস বাড়ায়।
১৭. ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ নয়
শিশুকে শাসনের পরিবর্তে যুক্তি দিয়ে বোঝান। ভয় দেখিয়ে নিয়ন্ত্রণ করলে তারা শুধু সাময়িকভাবে কথা শুনবে, মনের ভেতর বিদ্রোহ জমবে।
১৮. উপহাস নয়
শিশুর কাজ বা কথা নিয়ে হাসাহাসি করা উচিত নয়। এতে তারা আত্মমর্যাদা হারায় ও নিজেদের প্রকাশে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়ে।
১৯. সম্মান শেখান
শিশুকে শেখান, সব শ্রেণি-পেশার মানুষই সম্মানের যোগ্য। গৃহকর্মী, রিকশাওয়ালা বা অন্য যেকোনো মানুষকে সম্মান করলে শিশুর মূল্যবোধ উন্নত হয়।
২০. ভালোবাসা থাকুক
আপনার প্রতিটি কথায় যেন মমতা ও সহানুভূতি থাকে। শিশুরা ভালোবাসা থেকেই শেখে এবং মানবিক গুণাবলি অর্জন করে।
শিশুদের সামনে কথাবার্তায় সচেতনতা শুধু একটি অভ্যাস নয়, এটি একটি দায়িত্ব। তারা আমাদের প্রতিচ্ছবি। তাদের সামনে সদাচরণ মানেই আগামী প্রজন্মকে ইতিবাচক ও মানবিক করে গড়ে তোলা। আপনার প্রতিটি ভালো কথা, কোমল আচরণই শিশুর ভবিষ্যতের ভিত্তি মজবুত করে।
Collected
1 995
হুসনা, হানিফ ও হামিদ—তাঁরা চাইলে হয়তো নিচে নেমে বাঁচতে পারতেন। তাঁদের জীবনের কত কিছু বাকি ছিল—বিয়ে, ক্যারিয়ার, ভবিষ্যতের স্বপ্ন। কিন্তু পারিবারিক ভালোবাসা ছিল তাঁদের কাছে মুক্তির চেয়েও পবিত্র। বাবা-মাকে রেখে যাওয়া ছিল তাঁদের কাছে অসম্ভব এক নির্মমতা।
তাঁরা জানতেন, এই সিদ্ধান্তের মানে মৃত্যু। তবু তাঁরা বেছে নিলেন একসাথে চলে যাওয়ার পথ। হয়তো তাঁরা বিশ্বাস করতেন, একসঙ্গে থাকলে মৃত্যুও ভয় পাবে।
সেদিনের গ্রেনফেল অগ্নিকাণ্ডে ৭২ জনের মৃত্যু ঘটে, যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যুক্তরাজ্যের সবচেয়ে বড় আবাসিক অগ্নিকাণ্ড। সরকারি তদন্তে বিল্ডিং রেগুলেশন, ফায়ার সেফটি গাইডলাইন এবং হাউজিং কাউন্সিলের গাফিলতি বেরিয়ে আসে। হুসনা ও তাঁর পরিবারের মৃত্যু সেই ব্যর্থতার একটি নির্মম প্রতীক।
হুসনার নামে চালু হয়েছে মেমোরিয়াল স্কলারশিপ। লন্ডনের Portobello Road-এ তাঁদের পরিবারের একটি মুরাল আঁকা হয়েছে—হাত ধরাধরি করে দাঁড়িয়ে আছে পাঁচটি ছায়ামূর্তি।
এই গল্প কেবল একটি ট্র্যাজেডি নয়। এটি একটি ভালোবাসার মহাকাব্য। একটি পরিবার, যাঁরা শেষ মুহূর্তে একে অপরকে ছেড়ে যাননি। একসাথে মৃ/ত্যুকে গ্রহণ করেছেন, যেন মৃ/ত্যুর মধ্যেও জীবনের পূর্ণতা খুঁজে পান।
হাকিম প্রতি শুক্রবার কফির কাপ হাতে নিয়ে ল্যাটিমার রোডের বেঞ্চে গিয়ে বসেন—বাবাকে নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। বেঞ্চের পেছনে খোদাই করা লেখা—Here lived a family who loved each other beyond life itself. 14.06.2017.
কালেক্টেড
© ডাঃ শামীমা'স অনলাইন ক্লিনিক
1 995
গ্রেনফেলের এক বাংলাদেশি পরিবারের অমর গল্প –
লন্ডনের আকাশটা সেই রাতে নীল ছিল না। ২০১৭ সালের ১৪ জুন রাত ১২টা ৫৪ মিনিটে যখন গ্রেনফেল টাওয়ারের দ্বিতীয় তলা থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়ল, তখন শহরের অন্য প্রান্তে হয়তো কিছু মানুষ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ছিলেন, কেউ হয়তো ইফতারের ক্লান্তি মুছে নিয়ে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন, কেউ বা ভাবছিলেন আগামীকালের পরিকল্পনা। কিন্তু সেই ভবনের ২১ তলায় বসবাস করা এক পরিবার জানত না—এই রাতই হবে তাঁদের জীবনের শেষ অধ্যায়।
লন্ডনের ল্যাটিমার রোড। শহরের এই প্রান্তে ছিমছাম গলি, রাস্তাঘাটে ভিক্টোরিয়ান আমলের ঘরবাড়ির ছায়া, আর তার মাঝে দাঁড়িয়ে থাকা এক বিশাল ধূসর ভবন—গ্রেনফেল টাওয়ার। এই টাওয়ারটিতে বহুজাতিক মানুষের বসবাস, নানা গল্প, নানা স্বপ্ন। সেই আকাশছোঁয়া টাওয়ার এখন শুধু ছাইয়ের স্তূপ নয়, স্মৃতির মিনার।
যে তলায় আগুন ধরেছিল, তার অনেক ওপরে, ২১ তলার এক কোণে ছিল কামরু মিয়া পরিবারের শান্তিময় বাসা। জানালার পাশে ছিল রাবেয়া বেগমের ছোট্ট গাছপালা, কামরু মিয়ার বইয়ের তাক, আর দেয়ালে টাঙানো ছিল বাংলাদেশের মানচিত্র। এখান থেকেই তাঁরা প্রতিদিন নিচের ব্যস্ত শহরটাকে দেখতেন—বাস চলেছে, মানুষ হাঁটছে, পৃথিবী যেন যন্ত্রচালিত এক টিকটিকির মতো এগিয়ে যাচ্ছে।
কামরু মিয়া দেশে শিক্ষকতা করতেন। ১৯৯৭ সালে স্ত্রী ও সন্তানদের নিয়ে যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমান। বিভিন্ন রেস্তোরাঁয় কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করতেন। রাবেয়া বেগম বাসায় বসে সেলাইয়ের কাজ ও পরিবারের দেখাশোনা করতেন। তাদের বাড়ি সিলেটের বালাগঞ্জ উপজেলায়।
প্রথমে তারা ছিলেন নটিং হিলের একটি ছোট্ট ফ্ল্যাটে, তারপর বিভিন্ন ভাড়া বাড়ি ঘুরে ২০০৯ সালে তাঁরা উঠেন গ্রেনফেল টাওয়ারে, ২১ তলার ফ্ল্যাট ১৯৬-এ। ইতিমধ্যে কামরু মিয়া অবসর নিয়েছেন, বাড়িতেই থাকতেন। সকালে উঠে কুরআন তেলাওয়াত করেন, বাংলা পত্রিকা পড়েন। রাবেয়া বেগম রান্না করতেন ছেলেমেয়েদের পছন্দের খাবার।
বড়ো ছেলে হামিদ ট্যাক্সি চালক, মেজো ছেলে হানিফ স্থানীয় এক রেস্তোরাঁর ম্যানেজার, ছোটো ছেলে হাকিম পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছিল, আর মেয়ে হুসনা লেস্টার ইউনিভার্সিটিতে এমবিএ করছিলেন। হুসনা সপ্তাহান্তে কাজ করতেন এক এল্ডারলি কেয়ার সেন্টারে। একমাস পর তাঁর বিয়ে, সবকিছু প্রস্তুত। ১৫ জুলাই লেস্টারের গ্র্যান্ড হোটেলে অনুষ্ঠানের দিন নির্ধারিত। নিমন্ত্রণপত্রের ডিজাইন, খাবারের তালিকা, এমনকি মেহেদির গানের লাইন পর্যন্ত হুসনা নিজে ঠিক করে রেখেছিলেন।
২০১৭ সালের ১৩ জুন, এক মঙ্গলবার রাত। বাড়ির সকলে ছিলেন একত্রে, শুধু হাকিম ছিলেন বন্ধুর বাড়িতে। রাবেয়া রান্নাঘরে, হানিফ ফোনে কথা বলছেন, হুসনা শেষ করছিলেন তাঁর বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের কাজ। হঠাৎ রাত ১২:৫০-এ নিচতলা থেকে এক প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দ। জানালা দিয়ে হামিদ দেখে নিচে ধোঁয়ার কুণ্ডলী উঠছে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
ফায়ার ব্রিগেডে ফোন করা হয়। নির্দেশ আসে—"Stay inside." তখনো কেউ জানে না, এই সিদ্ধান্ত হবে মৃত্যুর এক নির্বাক ফরমান। আগুন ক্রমশ ছড়িয়ে পড়ছে। রাত ১:৪৫ নাগাদ ফ্ল্যাট ছেড়ে নামার সুযোগ ছিল। কিন্তু ৮২ বছরের কামরু মিয়া তখন বিছানায়, চলাফেরায় অক্ষম। রাবেয়াও শ্বাসকষ্টে ভুগছেন। সন্তানরা কি তাঁদের রেখে চলে যাবে?
হানিফ ফোন করেন কাজিন সামিরকে—"ভাই, আমরা বের হতে পারছি না... বাবা-মাকে নিয়ে অপেক্ষা করছি... হয়তো এটাই শেষ।"
রাত ৩টা ৮ মিনিটে হাকিমের ফোনে বোন হুসনার শেষ কল আসে। কণ্ঠে ছিল ভয়ের ছায়া, কিন্তু শব্দে অদ্ভুত শান্তি: “আগুন লেগেছে, আমরা ফ্ল্যাটে আটকা পড়েছি। যদি কখনো কষ্ট দিয়ে থাকি, ক্ষমা করে দিও। সম্ভবত আমরা বাঁচব না।”
রাত ৩:১০। হানিফ একটি ভয়েস নোট পাঠান—"সামির, শোন... আমাদের সময় শেষ। হুসনা বলছে, তার বিয়ের dress-টা যেন তার best friend সোহাগীকে দিয়ে দিতে... বাবা-মাকে আমরা ছেড়ে যেতে পারব না। Don't cry... আমরা together আছি।"
ভোর চারটায় যখন ফায়ারফাইটাররা ২১ তলায় পৌঁছান, তখন তাঁদের চোখের সামনে এক ধ্বংসস্তূপে দেখা যায় পাঁচটি দেহ—জড়াজড়ি করে থাকা। কামরু মিয়ার হাতে খোলা কুরআন, হুসনার পাশে ছড়িয়ে থাকা বিয়ের নিমন্ত্রণপত্রের অংশ। যেন এক পরিবার ইতিহাসের বুকেই ভালোবেসে নিঃশেষ হয়েছে।
নিহতরা ছিলেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক—বাবা কামরু মিয়া (৮২), মা রাবেয়া বেগম (৬০-এর কোঠায়), এবং তাঁদের তিন সন্তান—হানিফ (২৬), হামিদ (২৯) ও হুসনা (২২)।
পরিবারটি অন্তত এক ঘণ্টা সময় পেয়েছিল পালানোর জন্য। রাত ১টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত তাঁদের নিচে নামার সুযোগ ছিল। কিন্তু রাবেয়া বেগম অসুস্থ, কামরু মিয়া প্যারালাইসিসে আক্রান্ত এবং চলাফেরায় অক্ষম। সন্তানরা সিদ্ধান্ত নেয়—তাঁরা বাবা-মাকে রেখে যাবেন না। তাঁরা একসঙ্গে এদেশে এসেছেন, একসঙ্গেই যাবেন।
1 995
এ্যানিমিয়া মনে হচ্ছে।ইকো করার আগে একটা CBC, একটা PBF করিয়ে দেখুন। আর নিজে নিজে চিকিৎসক না হয়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হউন।
1 995
“ছেড়ে দেওয়া মানে হেরে যাওয়া নয়,
বরং নিজেকে এমন কিছুর জন্য প্রস্তুত করা
যেটা তোমার জন্য আরও ভালো।”
1 995
কোরবানী স্পেশাল পোস্টঃ
দুর্ঘটনায় শরীরের অঙ্গ বিছিন্ন হলে কি করবেন?
প্রশ্নটি অতি গুরুত্বপুর্ন। দৈনন্দিন জীবনে কাজ করতে গিয়ে অনেকেই দুর্ঘটনায় আক্রান্ত হন এবং এতে শরীরের অঙ্গ বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে পারে। যেমন যারা মিল/ কল কারখানায় কাজ করেন, অসাবধানতা বসত মেশিনের ভেতর হাত ঢুকে গিয়ে আঙ্গুল, কিংবা কখনো কখনো পুরো হাত ই বিচ্ছিন্ন হতে পারে। হাতের আঙ্গুল ছাড়াও মাথার চামড়া বা স্ক্যাল্প, পুরুষদের যৌনাঙ্গ খুব কমনলি বিচ্ছিন্ন হয়ে থাকে।
বিচ্ছিন্ন অঙ্গটি আধুনিক মাইক্রো সার্জিক্যাল টেকনিক ব্যবহার করে পুনস্থাপন করা সম্ভব যাকে আমরা ' রিপ্লান্টেশন' সার্জারী বলি। এর পুর্ব শর্ত হচ্ছে বিছিন্ন হওয়া অঙ্গটি চিকিৎসার পুর্বে যথাযথ সংরক্ষন করা।
১ দিন পর কুরবানীর ঈদ। মাংশ কাটতে গিয়ে এ সময় দুর্ঘটনা বসত অঙ্গ বিচ্ছিন্ন হতে পারে। কাজেই অধিকতর সতর্কতার বিকল্প নেই।
বিচ্ছিন্ন হওয়া অংগটি কিভাবে সংরক্ষন করবেন?
১। প্রথমেই বিছিন্ন হওয়া অঙ্গটি পানিতে, বা সম্ভব হলে স্যালাইন দিয়ে ভাল ভাবে পরিস্কার করতে হবে।
২। এরপর স্যালাইন দিয়ে ভেজানো একটি পরিস্কার গজ বা কাপড় বা তোয়ালে দিয়ে অঙ্গটি ভাল ভাবে মুড়িয়ে নিতে হবে।
৩। মোড়ানো অঙ্গটি এরপর একটি এয়ার টাইট ব্যাগে স্থানান্তর করতে হবে। এক্ষেত্রে পলিব্যাগ ব্যবহার করা যেতে পারে।
৪। এরপর আরেকটি ব্যাগে কিছু বরফ নিতে হবে এবং পলিব্যাগে রাখা অঙ্গটি সবশেষে বরফের ব্যাগের ভেতর রাখতে হবে এবং ভাল ভাবে এয়ারটাইট করে নিতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যেন কোনভাবেই অঙ্গটি সরাসরি বরফের সংস্পর্শে না আসে।
এভাবে সংরক্ষন করে দ্রুত হাস্পাতালে যোগাযোগ করতে হবে। জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউট, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এর বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগ, নিটোর প্রভৃতি সরকারী প্রতিষ্ঠানের পাশাপাশি ইদানিং বেসরকারী ভাবেও রিপ্লান্টেশন সার্জারী করা হচ্ছে।
ছবিতে বিছিন্ন অঙ্গ সংরক্ষনের পদ্ধতি দেখানো হয়েছে।
- Dr Mosabbir Ahmed Khan
1 995
মুআজ ইবনুল জাবাল রাযি. আল্লাহ তাআলার কাছে বলতেন, হে আল্লাহ, আপনি জানেন যে আমি এ জন্য বাঁচতে চাইনি যে, দুনিয়াতে দিন কাটাব, বাগান দেখাশোনা করব, বিয়ে করব; বরং আমি দুনিয়াতে বেঁচে থাকতে চেয়েছি রোজা রাখার জন্য, রাতে নামাজ আদায়ের জন্য এবং সফর করে করে উলামায়ে কেরামের মজলিসে উপস্থিত হওয়ার জন্য।
[নারীজীবনের সুখ-সংগ্রাম : ৬৩]
Вже доступно! Дослідження Telegram за 2025 — головні інсайти року 
