uk
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Відкрити в Telegram

🙂🙂🙂

Показати більше
1 996
Підписники
-124 години
+27 днів
+230 день
Архів дописів
সামগ্রিক ভাবে সু বলতে জুতা বোঝানো হয়। বাংলা ভাষায় সবগুলোকে জুতা বললেও ইংরেজিতে এদের গঠন অনুসারে আলাদা করে নামকরণ করা আছে। যেমন: বুটস, স্নিকার্স, স্যান্ডেলস, ফ্লিপফ্লপ, স্লিপার্স, স্লাইডারস ইত্যাদি। স্নিকার্স একধরনের কেডস জাতীয় জুতা। এগুলো হালকা হয়। ট্রেইনিং,জিম, ও রানিং এর কাজে ব্যবহৃত হয়। তাই বৃটিশ ইংরেজিতে এগুলো ট্রেইনার নামে পরিচিত। বিঃদ্রঃ বাংলায় জুতা বলে থাকলেও ইংরেজিতে বলার সময় এদের প্লুরাল ফর্ম ব্যবহার করা হয়।

আমারা মেযেরা কখনোই ব্যাডা মানুষের কষ্ট টা বুঝি? তারা হাজার চিন্তা মাথায় নিয়ে ঘুরে কিন্তু তারা সেটা আমাদেরকে বলে না। তাদের দেখলেও সেটা বোঝা যায় না। আমাদের সাথে একটু ঠিকভাবে কথা না বললে আমরা শুরু করে দেই তার সাথে নতুন কাওকে পেয়েছে হয়ত তাই এখন আর আমাকে ভালো লাগে না। আমরা কি আদো তাদের বোঝার চেষ্টা করি কই জনই বা করে উল্টে আরো তাদের সাথে রাগ দেখাই। কেনো আমরা কি চাইলে তাদের বুঝতে পারি না তাকে আর কিছু দিয়ে হেল্প করতে পারেন বা না পারেন মানসিক ভাবে শান্তনা তো দিতে পারেন। এই যে এত বিচ্ছেদ কেন হয় বলতে পারেন আসলে একটা মেয়ে অপর পাশের মানুষ টাকে জানার বা বোঝার চেষ্টা করে না। কিছু হতে না হতেই ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিবে ছেলে রা বেইমান। আসলেই কি তারা বেইমান? এই যে আমারা যে হুট করেই বলে ফেলি একটা ছেলের সাথে সারাজীবন কাটাবো কথাটা বলে ফেলা যতটা সহজ করাটা কিন্তু ততটাই কঠিন। লেখাঃ নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক।

আজ ভোরে জাবালিয়ার বিদ্ধস্ত এক হাসপাতালের ভগ্নপ্রায় অপারেশন থিয়েটারে সন্তান জন্ম দিয়েছেন ফাতিমা। রুমের নিভু নিভু আলোতে ডাক্তাররা যখন সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানকে দেখলেন, চোখেমুখে তাদের আনন্দের জোয়ার বয়ে গেল। দৌঁড়ে গিয়ে এক নার্স ফাতিমার স্বামীকে সংবাদ দিলেন, মিষ্টি আনো যুবাইর, আল-কুদসের আরও একজন প্রহরী এসেছে দুনিয়ায়, তোমার ছেলে হয়েছে। রাতভর অপেক্ষমান স্বামী খুশিতে দিশেহারা হয়ে গেলেন। দীর্ঘ ১৭ বছরের সন্তানের অভাব অবশেষে আল্লাহ দূর করলেন। একে আল-কুদসের জন্যই উৎসর্গ করার ঘোষণা দিলেন তিনি। এদিকে ফাতিমা নার্সকে বললেন, একটা কলম এনে দিন আমাকে। এখনই লাগবে। কলম আনা হলো। ফাতিমা কলম দিয়ে সদ্য ভূমিষ্ঠ ছেলের বাহু আর উরুতে তার নাম লিখে দিলেন— সাইফুল্লাহ। পরদিন ভোর—চারদিকে হইচই, কান্নার আওয়াজ, সবাই দিগ্‌বিদিক দৌড়াচ্ছে। জাবালিয়ার সেই বিদ্ধস্ত হাসপাতালে ভোররাতে আবারও হামলা হয়েছে। ইস-রাইলী মিসাইল একের পর এক এসে পড়েছে হাসপাতালের ওপর। সবাই যার যার স্বজনদের খুঁজে বেড়াচ্ছেন। তাদের মধ্যে যুবাইরও আছে। স্ত্রী আর সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানকে খুঁজে বেড়াচ্ছে সেই সকাল থেকে। সকাল গড়িয়ে দুপুর, দুপুর গড়িয়ে বিকালে দুজনেরই খোঁজ পাওয়া গেল। দুজনেরই চেহারা বিদ্ধস্ত হয়ে আছে, চেনার উপায় নেই। তবে ছেলের হাতে লেখা সাইফুল্লাহ নামটি এখনো জ্বলজ্বল করছে। আর তার একটা আঙুল মায়ের আঙুলে জড়িয়ে আছে। হে ধরণি! এবার তো দ্বিধা হও! হয় নিজে ধ্বংস হও, নাহয় জালিমদের ধ্বংস করাে।

কোর্ট ম্যারিজ করলে কেয়ামতের আগ পর্যন্ত কাবিননামা কখনোই পাবেন না। কারন কোন ম্যারিজ আইনত বৈধ কোন বিয়ে না। এটা এক প্রকার দলীল করা টাইপ বিয়ে ঘোষণা দেয়া মাত্র। সেটাও অফিশিয়াল নয়। কাবিননামা এবং আইনত বৈধ বিয়ে করতে চাইলে কাজী অফিসে কাজী দ্বারা রেজিষ্ট্রেশন করে বিয়ে করতে হবে। ovida

বই পড়াকে আকর্ষণীয় ও ইফেক্টিভ করার কিছু কৌশল : 🔹 বই পড়ার জন্য বাসায় পছন্দমত কোনো স্থান নির্বাচন করে নেওয়া। 🔹 সামর্থ্য থাকলে বাসার কোনো স্থান বা রুমকে স্টাডি রুম হিসেবে নির্দিষ্ট করে নেওয়া। 🔹 দৃষ্টিনন্দন সেলফ বানিয়ে নিলে তা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয় এবং পড়ার প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সাহায্য করে থাকে। 🔹 মাঝেমধ্যে নিরিবিলি ও প্রাকৃতিক মনোভিরাম স্থানে যেয়ে বই পড়া যেতে পারে। 🔹 বইয়ে হাত রেখে বা স্পর্শ করে পড়া হলে মনোযোগ বৃদ্ধি পায় ৷ 🔹 আন্ডারলাইন করার জন্য কলম বা পেন্সিলের পাশাপাশি মার্কার ব্যবহার করলে তা দৃষ্টিকে একপ্রকার আনন্দ দেয় এবং অধ্যয়নে মনোযোগ আনয়নে সহায়তা করে। 🔹 সবসময় নিঃশব্দে না পড়ে সশব্দেও পড়ার অভ্যাস করে নেওয়া যেতে পারে। শব্দ করে পড়লে একসাথে চোখ এবং কান দুইটি ইন্দ্রিয় ব্যবহৃত হয়। ফলে তা অন্তরে অধিকতর স্থায়ী হয়। 🔹 পড়তে বসার পূর্বে সকলপ্রকার connectivity-এর সামগ্রীকে নিষ্ক্রিয় করে রাখা। 🔹 পড়াকে ছোট ছোট অংশে বিভক্ত করে নিলে পড়ায় গতি বৃদ্ধি হয় এবং মনোযোগ বাড়ে। 🔹 সম্ভব হলে সুন্দর ও আকর্ষণীয় কাভারের বই নির্বাচন করা, কেননা তা বইয়ের প্রতি আকর্ষণ বাড়িয়ে দেয়। এবং বই প্রিন্ট করিয়ে নিলে সম্ভব হলে মনোরম ও মনোমুগ্ধকর কাভারের সাথে প্রিন্ট করিয়ে নেওয়া। 🔹 প্রতিদিন রাতে পরবর্তী দিনের পড়ার রুটিন করে স্টিকি নোটে লিখে দৃশ্যমান কোনো স্থানে সেঁটে দেয়া গেলে খুব ভালো হয়। 🔹 পড়ার ক্ষেত্রে এমন পরিমাণ নির্দিষ্ট করা যা নিজের তুলনামূলক সামগ্রিক সামর্থ্যের চেয়ে বেশি হবে না। 🔹 পড়তে কষ্ট হলে বা কঠিন হলে দিনের একাধিক অংশে পড়া শেষ করার চেষ্টা করা। 🔹 সর্বোপরি নির্দিষ্টকৃত অংশ শেষ করার প্রাণপণ চেষ্টা করা। 🔹 কঠিন বই হলে পড়তে সময় নেয়া, কেননা তা আত্মস্থ হতে সময় লাগে। প্রয়োজনে একাধিকবার পড়া। 🔹 পঠিত বিষয় মনে রাখার জন্য তা আমলে পরিণত করা। 🔹 পঠিত বিষয়বস্তু কারো সাথে আলোচনা করা। এতে তা সহজে মনে থাকে। [Aslaf Academy এর The Art of Reading কোর্স থেকে] টিপসগুলো ভালো লেগে থাকলে পরিচিতজনের সাথে শেয়ার করুন। আরো এমন টিপস-ট্রিকস পেতে আসলাফ একাডেমির পেইজে চোখ রাখুন...

#positivemindset •আমাদের সমালোচকরা আমাদের শক্তিশালী করে তোলে! •আমাদের ভয় আমাদের সাহসী করে তোলে! •আমাদের বিদ্বেষীরা আমাদের জ্ঞানী করে তোলে! •আমাদের শত্রুরা আমাদের সক্রিয় করে তোলে! •আমাদের বাধা আমাদের উৎসাহী করে তোলে! •আমাদের ক্ষতি আমাদের ধনী করে! •আমাদের হতাশা আমাদের নিয়োগ করে! •আমাদের অদেখা সম্পদ আমাদের দেয় পরিচিত শান্তি! • আমাদের বিরুদ্ধে যা কিছু পরিকল্পনা করা হয়েছে তা আমাদের জন্যই কাজ করবে 💙💜

সংগৃহীত : মুমিন মুসলমানদের জন্য সূরা হুজুরাত থেকে নয়টি সুন্দর উপদেশ। আপনি নিশ্চয়ই জানেন যে যখন একটি কাঁচের পাত্র ভেঙে যায়, ভাঙার সচকিত শব্দটি অবিলম্বে অদৃশ্য হয়ে যায়, কিন্তু যেখানে কাচের টুকরোগুলি ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকে, তার উপর দিয়ে কেউ হেটে গেলে তিনি আঘাত প্রাপ্ত হন, বা পা কেটে যায়! একইভাবে, যখন আমি এমন কিছু কথা বলি যা কারো আবেগ এবং অনুভূতিতে আঘাত করে, তখন আমার কথাগুলির শব্দ অদৃশ্য হয়ে যায়, কিন্তু তা অন্যের হৃদয়ে দীর্ঘকাল ধরে বাজতে থাকে আর বেদনা হতে থাকে। অতএব, যা ভাল তা ছাড়া আর কিছু না বলি এবং কোন মুসলিম ভাই-বোনকে বা অন্যদেরকে কিছু বলার আগে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা সূরা হুজুরাতে (আচরণের সূরা) যে নয়টি উপদেশ ও নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন তা সর্বদা মনে রাখি। আল্লাহর দেয়া সেই ৯টি উপদেশ কি কি? ১) "ফা তাবাইয়ানু"-মানে তদন্ত করুন। যখনই আপনি অন্যের সম্মন্ধে একটি তথ্য পাবেন তা সত্যি কিনা তা নিরীক্ষা ও যাচাই করুন, যাতে আপনি তা অন্যকে বলে দিয়ে অজ্ঞতাবশত অন্য মানুষের ক্ষতি না করে ফেলেন। ২) "ফা আসলিহু"-মানে মীমাংসা করুন। কোন উল্টা পাল্টা কথা কারো বিষয়ে উঠে এলে বিশ্বাসীরা ভাই ভাই হিসাবে অন্য ভাইদের সাথে তা মিটিয়ে দিন যাতে আপত্তিকর কথা কেউ না ছড়ায়। ৩) "ওয়া আকসিতু"- মানে ন্যায়পরায়ণতা অবলম্বন করুন। যখনই মানুষের মধ্যে বিবাদ হয় তখনই তা মীমাংসার চেষ্টা করুন এবং উভয় পক্ষের মধ্যে ন্যায়বিচার করে দিন, কারণ আল্লাহ জাল্লাহ শানুহু ন্যায়পরায়ণতাকারীদের ভালবাসেন। ৪) "লা ইয়াসখার"- মানে মানুষকে উপহাস করবেন না, যাকে নিয়ে হাসছেন তিনি বা তাঁরা আল্লাহর কাছে আপনার চেয়ে উত্তম হতে পারে। ৫) "ওয়া লা তালমিজু"- মানে একে অপরকে অপমান করবেন না। ৬) "ওয়া লা তানাবাজু"- মানে একে অপরকে আপত্তিকর নামে ডাকবেন না। (অমুক জন্তুর বা অমুক চরিত্রের মানুষের বাচ্চা ইত্যাদি।) ৭) "ইজতানিবূ কাছীরাম মিনাজ্জান্নি" মানে নেতিবাচক অনুমান এড়িয়ে চলুন, কারো সম্মন্ধেই কোন নষ্ট অনুমান করা গুনাহ। ৮) "ওয়ালা-তাজাছছাছূ" - মানে একে অপরের উপর গুপ্তচরবৃত্তি করবেন না। এই আয়াতের হুকুমে না জানিয়ে কারো কথোপকথন রেকর্ড করা ইসলাম বিরোধী গুনাহের কাজ। তেমনি গুনাহ হচ্ছে কান লাগিয়ে গোপন কথা শোনার চেষ্টা করা। ৯) "ওয়া লা ইয়াগতাব" মানে একে অপরের সম্পর্কে গীবত করবে না।

মুসলমানী করতে আসা বেশিরভাগ বাচ্চাই ভাবে, এই সার্জারীতে তার সম্পদের মুন্ডপাত করা হবে। আর এই ভয় থেকেই তারা আসলে কো অপারেট করতে চায় না। কারণ আসার আগে তার বাবা মা তাকে বলে "আরে কিছু না, আংকেল একটু দেখবে!" বাচ্চা এটা ভালোই বুঝে যে আংকেলের কোনো ঠ্যাকা পড়ে নাই তার সম্পদ এক ঝলক দেখার জন্য এই এলাহী আয়োজন করার। আপনি যতই বললেন, "আংকেল কিছু করবেনা, শুধু দেখবে!" বাচ্চার মনে ততোই ভয় জন্মায়, তাকে অন্ধকারে রেখে তার সম্পদ এই সার্জন আংকেলের কাছে বেঁচে দিচ্ছে তার বাবা মা। আজ এই পাষন্ড তার আজন্ম লালিত সম্পদ উপড়ে নিবে!!!! এমনকি জ্ঞান ফেরার পরই বাচ্চা ব্যান্ডেজ দেখে অনেকসময় বলেই বসে "কাইট্টা লাইলোরে!!!"। বলেই শুরু করে তিড়িং বিড়িং! আমি তো এতে বাচ্চার কোনো দোষই দেখিনা। ভেবে দেখেন তো, আপনার যদি কখনও মনে হয়, কেউ আপনার সাথে এমন করছে, আপনি নিতে পারবেন? জিগসও তো এতোটা স্কেরি কাজ করতো না। কিন্তু কেন ভাই? বাচ্চাকে একটু কাউন্সিলিং করে আনা যায় না?? বাচ্চাকে এটা বোঝানো যায় যে তার অতিরিক্ত চামড়া শুধু "সরিয়ে" দেয়া হবে? এবং এরপর তার সম্পদ তারই থাকবে, বরং হবে আগের চেয়েও ফেয়ার এন্ড হ্যান্ডসাম! দুনিয়াতে মানুষ তখনই আপনাকে কোঅপারেট করবে, যখন আপনি তাকে মোটিভেশান দিতে পারবেন। ভালো মোটিভেশান আর ইন্সপাইরেশান দিলে মানুষ এক পায়ে এভারেস্ট জয় করে ফেলে সেখানে এক সারকামসিশান কি এমন কষ্ট! মোটিভেশান না দিয়ে আপনারা দিচ্ছেন ভুজুংভাজুং , "আংকেল একটু দেখবে" "একটা পিপড়া কামড় দিবে" "একটা পাখি গান গাবে!" এইসব কি গোজামিল কথাবার্তা! এইসব গোজামিল বাচ্চারা বুঝে। আজ এক বাচ্চা বললো, আংকেল যদি দেখতেই চায়, তাহলে ছবি তুলে নিয়ে যাক, যত খুশি দেখুক, কিন্তু আপনারা আমাকে অপারেশান থিয়েটারে নিয়ে যাচ্ছেন কেন??? তাকে চিৎপটাং করে নেয়ার সময় সে কাঁদতে কাঁদতে একটা কথাই বললো, "এ কেমন বেইমানী!!!" ----------- © Dr. Zaman Sunny

রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: তোমরা নিজেদের অপেক্ষা নিম্ন অবস্থার লোকের প্রতি তাকাও। এমন ব্যক্তির দিকে তাকিয়ো না যে তোমাদের চাইতে উচ্চ পর্যায়ের। তাহলে এ পন্থা অবলম্বনই হবে আল্লাহর নি'আমাতকে অবজ্ঞা না। করার এক উপযোগী মাধ্যম। সহীহ বুখারী ৬৪৯০, মুসলিম ৮-(২৯৬৩)

মেয়েটা মোটা বলে তাকে মুটকি, ভোটকি, হাতি, জলহস্তী এইসব কুৎসিত নামে ডাকা হয়। মেয়েটা মোটা, তাই সে সুন্দর না। বড়জোর তাকে সুইট, কিউট বলে সান্ত্বনা পুরস্কার দেয়া হয়। স্কুলে-কলেজে, ফাস্টফুড দোকানে, অনুষ্ঠানে সবাই মোটা মেয়েটার খাওয়ার দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকায়। ভাবখানা এমন, মেয়ে মোটা তার মানে সব খাবার সে একাই খাচ্ছে। সুযোগ পেলেই সবাই চিকন হবার জন্য একগাদা উপদেশ দেয়। মোটা মেয়েটার মায়ের কানে কানে বলে, ইয়ে ভাবী মেয়েকে জিমে পাঠান, রোজ সকালে হাঁটতে বলুন। কেউ মোটা মেয়ে বিয়ে করলে আত্মীয় প্রতিবেশীদের কানাঘুষার শেষ থাকে না, ওমুকের বৌ ভালো, কিন্তু মোটা। এই কিন্তুটা জুড়ে দিয়ে তারা বুঝিয়ে দেয়, বৌ মোটা তাই সুন্দর না । মেয়েটা যতোই উচ্চ শিক্ষিত, গুণী, মেধাবী হোক না কেন, মেয়ে মোটা এটাই তার অপরাধ। বাবা মায়ের ঘুম হারাম হয়ে যায় , আত্মীয়রা মেয়ের জন্য পাত্র খুঁজতে গেলে মোটা ছেলে খোঁজে। তাদের সবারই বদ্ধমূল ধারণা, এই মেয়েকে কোন চিকন ছেলে বিয়ে করবে না, শুধু চিকন কেন, কোনো ভালো (?) ছেলেই বিয়ে করবে না। তাই যেমন-তেমন একটা ছেলে পেলেই সবাই খুশি হয়ে বলে,… ছেলেটা হাতছাড়া হবার আগেই বিয়ে দাও। বাধ্য হয়েই মেয়েরা নিজেদের চিকন বানাবার রেসে সামিল হয়। জিমের ছাঁচে ফেলে নিজের তুলতুলে শরীরটাকে, দুই লিটারের কোকের বোতল বানাবার জন্য উঠে পড়ে লাগে। প্রত্যেক শরীরের নিজস্ব সৌন্দর্য আছে, স্বাভাবিকভাবেই কেউ পাতলা, কেউ মোটা, কেউ মাঝারি গোছের হয়। কেউ একটু ভোজন রসিক বলে স্থুল স্বাস্থ্যের অধিকারী হয়ে যায়, সেটাও সুন্দর। অথচ জিরো ফিগার কিংবা স্লিম ফিগার না হলে মেয়েটা সুন্দর না, এমন একটা ফালতু ধারণা সবার মনেই ঢুকে গেছে। আমাদের অগ্রজ, মা-খালা-দাদী-নানীরা তো মোটা ছিল, তার মানে কি তারা কুৎসিত ছিল? তাদের আবেদন কম ছিল? মোটেও না, বরং তাদের স্থুল শরীর, ভরাট গাল, আঙ্গুলের ভাঁজ, লম্বা চুল দেখে মুগ্ধ হতেই হতো। খুব সাদামাটা সাজেও তাদের অনেক সজীব, অনেক আকর্ষণীয় মনে হতো। মোটা হওয়াটা শরীরের জন্য ক্ষতিকর, মানছি, কিন্তু কেউ যদি মোটা হয়ে খুশি থাকে, তবে তাকে সেভাবেই থাকতে দিন। কোকের জন্য কোকের বোতলই ঠিক আছে, মানুষের সৌন্দর্য কোকের বোতল না। মেয়ে যেমন আছে তেমনই সুন্দর। শুধু দেখার মতো সুন্দর চোখ থাকলেই দেখতে পাবেন... 2 of my friends committed to suicide ...reason depression ... Fit থাকা important but এইটার জন্য একটা মানুষ কে মানসিক ভাবে sick করে ফেলার কি আছে? তার confidence level down করার কি আছে? just চিন্তা করি আমার বাপ ভাই রা আর কিছু আশেপাশের মানুষরা কেমনে এত জীবন পার করতেছে। মানুষ একটু মানুষ হোন ~

4️⃣ মিলিয়ে যাওয়া বা প্রশান্তি পর্ব: এ পর্যায়ে যৌনাঙ্গের রক্ত প্রবাহ কমে যায় এবং পূর্বের স্থায় ফিরে আসে। যদি অবস্থায় চরম আনন্দ বা অর্গাজম হয় তা হলে সব কিছু তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যায়। কিন্তু অর্গাজম না হলে দুই থেকে ছয় ঘন্টা সময় লাগে পূর্বের স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে। এতে কিছুটা বিরক্তিবোধ আসে। মেজাজ খিট খিটে হয়ে যায়। অর্গাজম হলে নারী পুরুষ উভয়েই খুব স্বাচ্ছন্দ বোধ করে। মাংসপেশী রিলাক্স হয়ে যায়। সার্বিকভাবে একটা প্রশান্তির অনুভূতি হয়। 🟩 রিফ্রাক্টরী পিরিয়ড: অর্গাজমের পরে কিছু সময়ের জন্য পূনঃরায় যৌন উত্তেজনা হয় না। এটা কয়েক সেকেন্ড থেকে কয়েক ঘন্টা হতে পারে। এই সময়কে রিফ্রাক্টরী পিরিয়ড বলে। এটা শুধু পুরুষের ক্ষেত্রে হয়। মহিলাদের ক্ষেত্রে কোন রিফ্রাক্টরী পিরিয়ড নাই। তাই মহিলারা পর পর একাধিক অর্গাজম বা চরম আনন্দ অনুভব করতে পারে। . . ডা: মো: ফাইজুল হক Gov.Registered Ayurvedic, Unani and Homoeopathic Physician, Ayurved Tirtha Trained on Cognitive-Behavior Therapy (CBT) for Depression (DU) Trained on Therapeutic Counselling (Department of Clinical Psychology, University of Dhaka) 01972 859950 01712-859950

নারী পুরুষের যৌন আচরণ (১৮+ যৌনশিক্ষা বিষয়ক লেখা, এ বিষয়ে পড়তে আপনার সংকোচ বোধ হলে লেখাটি এড়িয়ে যান প্লিজ) . . 🟩 যৌন উদ্দীপনা: যৌন উদ্দীপনা শারীরিক ও মানসিক ব্যাপার। ছোটবেলা থেকে মন ও যৌনতার প্রবৃদ্ধির প্রকৃতি, যৌনতার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, নিজের স্ত্রী বা স্বামীর প্রতি দৃষ্টি ভঙ্গী এসবের উপর যৌনতার আনন্দ এবং যৌনতার শারীরিক দিকের গুণগত মান নির্ভর করে। যৌনকার্যের শুরুতে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং মাংসপেশী শক্ত হয়। যৌনকার্যের শেষে এই রক্ত প্রবাহ হ্রাস পায় এবং মাংসপেশী আবার স্বাভাবিক নরম অবস্থায় ফিরে আসে। মূলত মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম এটা নিয়ন্ত্রণ করে। কোন উত্তেজক ছবি দেখলে কিংবা বিপরীত লিঙ্গের পছন্দনীয় কাউকে দেখলে এমনকি মনে মনে এরকম কিছু চিন্তা করলে মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম উত্তেজিত হয়। ফলে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়। এতে যৌনাঙ্গ শক্ত ও উত্থিত হয়। যৌন আচরণ বা যৌন কার্যের পুরো চক্রটিকে চারভাগে ভাগ করা যায়: ইচ্ছা পর্ব, উত্তেজনা, চরম আনন্দ এবং মিলিয়ে যাওয়া বা প্রশান্তি পর্ব। 1️⃣ ইচ্ছা পর্ব এ পর্যায়টি মূলত মানসিক। এটা চেতনা, প্রেরণা ও ব্যক্তিত্বের উপর নির্ভর করে। পরিবেশ পরিস্থিতি ও ইচ্ছাকে প্রভাবিত করে। হরমোনও যৌন ইচ্ছাকে জাগিয়ে তোলে। পুরুষের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরণ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরণ যৌনতায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। পুরুষের ক্ষেত্রে মধ্যরাতে এবং সকালে শরীরে টেস্টোস্টেরণের মাত্রা বেশী থাকে। তাই এ সময় পুরুষের সর্বাধিক যৌন ইচ্ছা হয়। আবার যেহেতু প্রতিনিয়ত পুরুষের বীর্য উৎপন্ন হচ্ছে। তাই বেশ কয়েকদিন বীর্য স্খলনের ঘটনা না ঘটলেও বেশি বীর্যের চাপে যৌন ইচ্ছা দেখা দিতে পারে। 2️⃣ উত্তেজনা উত্তেজনা শারীরিক উদ্দীপক দিয়েও শুরু হতে পারে, যৌন কল্পনা দিয়েও শুরু হতে পারে। দুটোর যৌথ প্রভাবেও হতে পারে। শরীরের ত্বকে একে অন্যের স্পর্শ অনুভব মাত্রই শরীরে উত্তেজনা চাঙ্গা হতে থাকে। এই উত্তেজক অঙ্গগুলো হলো যৌনাঞ্চল, তলপেট, পশ্চাদদেশ এবং উরু। পুরুষের সবচেয়ে উত্তেজক স্থান হলো পুরুষাঙ্গের মাথা। নারীদের সবচেয়ে উত্তেজনাকর স্থান হলো- ভগাঙ্কুর বা ক্লাইটোরিস। নারীর অন্যান্য উত্তেজনাকর স্থানগুলো হলো- কান, চোখ, গাল, চিবুক, জিহবা, মুখ ঠোঁট, ঘাড়, বগল, স্তন, স্তনবৃন্ত, পেট, নাভী, উরু,পায়ের বিভিন্ন অংশ। ★ পুরুষের উত্তেজনা উত্তেজনার পর্যায়ে পুরুষের ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ উত্থিত হয়। স্তনের বোটা উত্থিত হয়। দুটি অন্ডকোষ আয়তনে শতকরা ৫০ ভাগ বড় হয়। পুরুষাঙ্গের রঙ উজ্জল ও লাল হয়ে যায়। নাড়ীর গতি এবং শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুততর হয়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশীতে সংকোচন হয়। পুরুষের মূল উত্তেজনা জমা হতে থাকে তার লিঙ্গে। এখানে উত্তেজনার সাথে সাথে শরীরের বিভিন্ন রক্তনালী থেকে রক্ত এসে লিঙ্গে জমা হতে থাকে এবং এটি শক্ত হতে থাকে। লিঙ্গের মাংস পেশীর ভেতর হাজার হাজার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নালী আছে। এগুলো রক্ত সংবহনের পর আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে যায় এবং এজন্যই লিঙ্গ পরিপূর্ণ শক্ত হয়ে যায়। তখন এটি শারীরিকভাবে উজ্জীবিত হয় যৌন মিলনের জন্য। ★ নারীর উত্তেজনা: মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনি পিচ্ছিল হয়। স্তনের বোঁটা উত্থিত হয়। স্তনের আয়তন শতকরা ৫০ ভাগ বৃদ্ধি পায়। যোনির একেবারে বাহিরের অংশ শক্ত হয়ে সরু হয়ে যায় এবং ভিতরের দিকটা ঢিলা হয়ে যায়। ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর উত্থিত হয়। যোনির রং উজ্জ্বল এবং লাল হয়। শ্বাস প্রশ্বাস এবং নাড়ীর গতি বৃদ্ধি পায়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশীতে সংকোচন হয়। উত্তেজনা চরমে পৌঁছার মুহুর্তগুলোতে তার যোনি ঠোট একটু একটু ফাঁক হতে থাকে। উত্তেজক পদার্থ যোনির ভেতর তৈরী হতে থাকে। এটি হলো যোনীরস বা মিউকাস। এই যোনিরস যোনিকে পিচ্ছিল করে তোলে এবং তখনই যোনি যৌনকার্যের উপযুক্ত হয়। 3️⃣ চরম আনন্দ বা অর্গাজম: এ পর্যায়ে যৌন আনন্দ চরম পর্যায়ে পৌঁছে এবং উত্তেজনা প্রশমিত হয়। প্রথমে অনিবার্য বীর্যপাতের একটা অনুভূতি হয়। তারপর চরম আনন্দ হয়। অতপর বীর্যস্খলন ঘটে। পুরুষের চরম আনন্দের সময় চার পাঁচ বার প্রোস্টেট, সেমিনাল ভেসিকল, ভাস এবং মূত্রনালীর সংকোচন হয়। মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনির একেবারে বাহিরের অংশ এবং জরায়ুর সংকোচন হয়। পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে পায়ু পথের স্ফিংটারের সংকোচন হয়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশী সংকুচিত হয়। রক্তচাপ ২০-৪০ মিমি বেড়ে যায়। নাড়ীর গতি প্রতি মিনিটে ১৬০ পর্যন্ত ওঠে। এটি চরম উত্তেজনার শীর্ষ পর্যায়। এ পর্যায়ে শরীরে এনডরফিন নামক একটি হরমোন নিঃসৃত হয়। তখন আর বীর্য ধরে রাখা যায় না। তবে পুরো ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রণ করে স্নায়ুতন্ত্র। চরম আনন্দ কয়েক সেকেন্ডকাল স্থায়ী হয়। মেয়েদের ১ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে।

আমাদের সোশাল মিডিয়া প্রোফাইলগুলোয় ফলো, সাবস্ক্রাইব করুন - ফেসবুক : https://www.facebook.com/aslafacademy ইউটিউব : https://www.youtube.com/@AslafAcademy লিংকডইন : https://www.linkedin.com/company/aslaf-academy/ ইন্সটাগ্রাম : https://www.instagram.com/aslafacademy/ টেলিগ্রাম : https://t.me/aslafacademyofficial

নারী পুরুষের যৌন আচরণ (১৮+ যৌনশিক্ষা বিষয়ক লেখা, এ বিষয়ে পড়তে আপনার সংকোচ বোধ হলে লেখাটি এড়িয়ে যান প্লিজ) . . 🟩 যৌন উদ্দীপনা: যৌন উদ্দীপনা শারীরিক ও মানসিক ব্যাপার। ছোটবেলা থেকে মন ও যৌনতার প্রবৃদ্ধির প্রকৃতি, যৌনতার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি, নিজের স্ত্রী বা স্বামীর প্রতি দৃষ্টি ভঙ্গী এসবের উপর যৌনতার আনন্দ এবং যৌনতার শারীরিক দিকের গুণগত মান নির্ভর করে। যৌনকার্যের শুরুতে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং মাংসপেশী শক্ত হয়। যৌনকার্যের শেষে এই রক্ত প্রবাহ হ্রাস পায় এবং মাংসপেশী আবার স্বাভাবিক নরম অবস্থায় ফিরে আসে। মূলত মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম এটা নিয়ন্ত্রণ করে। কোন উত্তেজক ছবি দেখলে কিংবা বিপরীত লিঙ্গের পছন্দনীয় কাউকে দেখলে এমনকি মনে মনে এরকম কিছু চিন্তা করলে মস্তিষ্কের লিম্বিক সিস্টেম উত্তেজিত হয়। ফলে যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ বেড়ে যায়। এতে যৌনাঙ্গ শক্ত ও উত্থিত হয়। যৌন আচরণ বা যৌন কার্যের পুরো চক্রটিকে চারভাগে ভাগ করা যায়: ইচ্ছা পর্ব, উত্তেজনা, চরম আনন্দ এবং মিলিয়ে যাওয়া বা প্রশান্তি পর্ব। 1️⃣ ইচ্ছা পর্ব এ পর্যায়টি মূলত মানসিক। এটা চেতনা, প্রেরণা ও ব্যক্তিত্বের উপর নির্ভর করে। পরিবেশ পরিস্থিতি ও ইচ্ছাকে প্রভাবিত করে। হরমোনও যৌন ইচ্ছাকে জাগিয়ে তোলে। পুরুষের ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরণ এবং মেয়েদের ক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন এবং প্রজেস্টেরণ যৌনতায় বিশেষ ভূমিকা রাখে। পুরুষের ক্ষেত্রে মধ্যরাতে এবং সকালে শরীরে টেস্টোস্টেরণের মাত্রা বেশী থাকে। তাই এ সময় পুরুষের সর্বাধিক যৌন ইচ্ছা হয়। আবার যেহেতু প্রতিনিয়ত পুরুষের বীর্য উৎপন্ন হচ্ছে। তাই বেশ কয়েকদিন বীর্য স্খলনের ঘটনা না ঘটলেও বেশি বীর্যের চাপে যৌন ইচ্ছা দেখা দিতে পারে। 2️⃣ উত্তেজনা উত্তেজনা শারীরিক উদ্দীপক দিয়েও শুরু হতে পারে, যৌন কল্পনা দিয়েও শুরু হতে পারে। দুটোর যৌথ প্রভাবেও হতে পারে। শরীরের ত্বকে একে অন্যের স্পর্শ অনুভব মাত্রই শরীরে উত্তেজনা চাঙ্গা হতে থাকে। এই উত্তেজক অঙ্গগুলো হলো যৌনাঞ্চল, তলপেট, পশ্চাদদেশ এবং উরু। পুরুষের সবচেয়ে উত্তেজক স্থান হলো পুরুষাঙ্গের মাথা। নারীদের সবচেয়ে উত্তেজনাকর স্থান হলো- ভগাঙ্কুর বা ক্লাইটোরিস। নারীর অন্যান্য উত্তেজনাকর স্থানগুলো হলো- কান, চোখ, গাল, চিবুক, জিহবা, মুখ ঠোঁট, ঘাড়, বগল, স্তন, স্তনবৃন্ত, পেট, নাভী, উরু,পায়ের বিভিন্ন অংশ। ★ পুরুষের উত্তেজনা উত্তেজনার পর্যায়ে পুরুষের ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ উত্থিত হয়। স্তনের বোটা উত্থিত হয়। দুটি অন্ডকোষ আয়তনে শতকরা ৫০ ভাগ বড় হয়। পুরুষাঙ্গের রঙ উজ্জল ও লাল হয়ে যায়। নাড়ীর গতি এবং শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুততর হয়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশীতে সংকোচন হয়। পুরুষের মূল উত্তেজনা জমা হতে থাকে তার লিঙ্গে। এখানে উত্তেজনার সাথে সাথে শরীরের বিভিন্ন রক্তনালী থেকে রক্ত এসে লিঙ্গে জমা হতে থাকে এবং এটি শক্ত হতে থাকে। লিঙ্গের মাংস পেশীর ভেতর হাজার হাজার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নালী আছে। এগুলো রক্ত সংবহনের পর আপনা থেকেই বন্ধ হয়ে যায় এবং এজন্যই লিঙ্গ পরিপূর্ণ শক্ত হয়ে যায়। তখন এটি শারীরিকভাবে উজ্জীবিত হয় যৌন মিলনের জন্য। ★ নারীর উত্তেজনা: মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনি পিচ্ছিল হয়। স্তনের বোঁটা উত্থিত হয়। স্তনের আয়তন শতকরা ৫০ ভাগ বৃদ্ধি পায়। যোনির একেবারে বাহিরের অংশ শক্ত হয়ে সরু হয়ে যায় এবং ভিতরের দিকটা ঢিলা হয়ে যায়। ক্লাইটোরিস বা ভগাঙ্কুর উত্থিত হয়। যোনির রং উজ্জ্বল এবং লাল হয়। শ্বাস প্রশ্বাস এবং নাড়ীর গতি বৃদ্ধি পায়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশীতে সংকোচন হয়। উত্তেজনা চরমে পৌঁছার মুহুর্তগুলোতে তার যোনি ঠোট একটু একটু ফাঁক হতে থাকে। উত্তেজক পদার্থ যোনির ভেতর তৈরী হতে থাকে। এটি হলো যোনীরস বা মিউকাস। এই যোনিরস যোনিকে পিচ্ছিল করে তোলে এবং তখনই যোনি যৌনকার্যের উপযুক্ত হয়। 3️⃣ চরম আনন্দ বা অর্গাজম: এ পর্যায়ে যৌন আনন্দ চরম পর্যায়ে পৌঁছে এবং উত্তেজনা প্রশমিত হয়। প্রথমে অনিবার্য বীর্যপাতের একটা অনুভূতি হয়। তারপর চরম আনন্দ হয়। অতপর বীর্যস্খলন ঘটে। পুরুষের চরম আনন্দের সময় চার পাঁচ বার প্রোস্টেট, সেমিনাল ভেসিকল, ভাস এবং মূত্রনালীর সংকোচন হয়। মহিলাদের ক্ষেত্রে যোনির একেবারে বাহিরের অংশ এবং জরায়ুর সংকোচন হয়। পুরুষ এবং মহিলা উভয়ের ক্ষেত্রে পায়ু পথের স্ফিংটারের সংকোচন হয়। শরীরের বড় বড় মাংসপেশী সংকুচিত হয়। রক্তচাপ ২০-৪০ মিমি বেড়ে যায়। নাড়ীর গতি প্রতি মিনিটে ১৬০ পর্যন্ত ওঠে। এটি চরম উত্তেজনার শীর্ষ পর্যায়। এ পর্যায়ে শরীরে এনডরফিন নামক একটি হরমোন নিঃসৃত হয়। তখন আর বীর্য ধরে রাখা যায় না। তবে পুরো ব্যাপারটি নিয়ন্ত্রণ করে স্নায়ুতন্ত্র। চরম আনন্দ কয়েক সেকেন্ডকাল স্থায়ী হয়। মেয়েদের ১ মিনিট পর্যন্ত হতে পারে। 4️⃣ মিলিয়ে যাওয়া বা প্রশান্তি পর্ব: এ পর্যায়ে যৌনাঙ্গের রক্ত প্রবাহ কমে যায় এবং পূর্বের স্থায় ফিরে আসে। যদি অবস্থায় চরম আনন্দ বা অর্গাজম হয় তা হলে সব কিছু তাড়াতাড়ি মিলিয়ে যায়। কিন্তু অর্গাজম না হলে দুই থেকে ছয় ঘন্টা সময় লাগে পূর্বের স্বাভাবিক অবস্থায় আসতে। এতে

থিঙ্ক ফাস্ট এন্ড স্লো বইতে বলা হয়েছে মানুষের ব্রেইন দুইটা মুডে কাজ করে। একটা হল সিস্টেম ওয়ান এটা হল ফাস্ট মুড আর একটা সিস্টেম টু এটা স্লো মুড। সিস্টেম ওয়ান খুব তাড়াতাড়ি কোন কিছু প্রসেস করতে পারে। যেমন ধরেন কোন ইনফরমেশন বা কোন ডিসিশন বা জাসমেন্ট খুব অল্প সময়ের মধ্যেই নিতে পারে।আমরা যখন কোন কাজ বারবার করি সেই কাজগুলো বা বায়োলজিক্যালি আমরা কিছু বৈশিষ্ট্য পাই সেগুলো সিস্টেম ওয়ান এর পার্ট। এই কাজগুলো আমরা কোন প্রকার মেন্টাল ইফোর্ট ছাড়াই করতে পারি। যেমন ধরুন সাইকেল চালানো আপনাকে সব সময় সব কিছু সচেতন ভাবে চিন্তা করতে হয় না সাইকেল চালানোর ক্ষেত্রে শুরুর দিকে সচেতন ভাবে চিন্তা করতে হলেও চালাতে চালাতে বিষয়গুলো আপনার অটো পাইলট মুডে অর্থাৎ সিস্টেম ওয়ানের অংশ হয়ে যায়।দৈনন্দিন জীবনের অনেক কাজই দেখবেন করার ক্ষেত্রে আপনার সেরকম মনোযোগ দিতে হচ্ছে না কিন্তু কাজগুলো ঠিকই ভালোভাবেই করতে পারছেন। সিস্টেম ওয়ানের আরেকটা ভালো উদাহরণ আমরা বলতে পারি নামতা ছোটবেলায় বিভিন্ন সংখ্যার নামতা পড়ে আমরা মুখস্থ করি ফলে সেই ক্যালকুলেশন গুলা আমাদের সিস্টেম ওয়ানের অংশ হয়ে যায় তখন সেই ক্যালকুলেশন গুলো করার জন্য আমাদের সময় বা ইফোর্ট সেরকম লাগে না। কিন্তু এমন একটা সংখ্যার ক্যালকুলেশন করতে যান যেটার নামতা আপনার জানা নেই সেটার ক্যালকুলেশন কিন্তু আপনি দ্রুত করতে পারবেন? সিস্টেম ওয়ান খুব তাড়াতাড়ি কাজ করে এটা জানার পর মনে হতেই পারে জিনিসটা তো দারুন, সিস্টেম ওয়ান অবশ্যই দারুণ কিন্তু এটার কিছু সমস্যা আছে।এটা ফাস্ট কাজ করে ফলে এটা অনেক ভুল আউটপুট দেয়, এটার প্রভাবে মানুষ ভুল ডিসিশন নেয়। ধরেন একটা মানুষ সম্পর্কে আপনি চিন্তা করবেন যে সে কেমন, এখন একটা মানুষ কেমন সেটা অনেক প্যারামিটারের ভিত্তিতে হতে পারে সেই প্যারামিটারগুলা এনালাইস করতে হলে সময় লাগবে কিন্তু সিস্টেম ওয়ান এত এনালাইসিস এর মধ্যে দিয়ে যাবে না ,সে শর্টকাটে একটা আউটপুট দেবে যেটা অনেকক্ষেত্রে কার্যকরী হলেও আবার অনেক ক্ষেত্রে কার্যকরী না। যেমন ধরেন আপনার কোন এক বন্ধু বা কাছের মানুষের সঙ্গে অন্য একটা মানুষের ঝামেলা চলছে। এখন এই ঝামেলার জন্য যে কেউ দায়ী হতে পারে। কিন্তু আপনার ব্রেনে থাকা সিস্টেম ওয়ান এতকিছু ভাবার পেছনে সময় দেবে না , এনালাইস করবে না যেহেতু সে আপনার বন্ধু সে তো সে সঠিক, তাহলে অন্য ব্যক্তিটি ঝামেলাটা করেছে। অর্থাৎ আপনার ব্রেনের সিস্টেম ওয়ান বায়াস বা পক্ষপাতিত্ব মূলক সিদ্ধান্ত দেবে।

টাইমলাইনে রেখে দিন কাজে লাগবেঃ ১ বিঘা = ২০ কাঠা( ৩৩ শতাংশ) ; ❍ ১ কাঠা = ৭২০ বর্গফুট (৮০ বর্গ গজ) ❍ 1 মাইল = 1.61 কি.মি ; ❍ 1 কি.মি. = 0..62 ❍ 1 ইঞ্চি = 2.54 সে..মি ; ❍ 1 মিটার = 39.37 ইঞ্চি ➲ ৬ফুট = ১ ফ্যাদম ➲ ১ বর্গহাত = ১গন্ডা ➲ ২০গন্ডা = ১ছটাক ➲ ১৬ছটাক = ১কাঠা ➲ ২০কাঠা = ১বিঘা ➲ ১৪৪বর্গইঞ্চি = ১বর্গফুট ➲ ৯ বর্গফুট = ১ বর্গগজ ➲ ৪৮৪০বর্গগজ = ১একর ➲ ১০০শতক = ১একর ➲ ৬৪০একর = ১বর্গমাইল ➲ ২৪৭ একর = ১বর্গকিমি ➲ ১০০০০বর্গমি = ১০০এয়র ➲ ১মিটার = ৩৯.৩৭ইঞ্চি ➲ ১২ইঞ্চি = ১ফুট ➲ ৩ফুট = ১গজ ➲ ৭.৯২ ইঞ্চি = ১ লিংক ➲ ২৫ লিংক = ১ রড ➲ ৪ রড = ১মাইল ➲ ১০ চেইন = ১ফার্লং ➲ ৮ ফার্লং = ১মাইল ➲ ৯ বর্গফুট = ১বর্গগজ ➲ ১৬০০বর্গগজ = ১বিঘা ➲ ৮০বর্গগজ = ৭২০বর্গফুট = ১কাঠা ➲ ১মিলিয়ন=১০লক্ষ ➲ ১কোটি=১০মিলিয়ন ➲ ১বিলিয়ন=১০০কোটি ➲ ১ট্রিলিয়ন=১লক্ষ কোটি ➲ ১৭৬০গজ=১মাইল ➲ ১ইঞ্চি=২.৫৪সে.মি. ➲ ১ মাইল=১.৬১ কি.মি. ➲ ০.৬২মাইল = ১ কি.মি. ➲ ১৬ আউন্স = ১পাউন্ড ➲ ২৮ পাউন্ড = ১কোয়ার্টার ➲ ৪কোয়ার্টার = ১ হন্দর ➲ ২০হন্দর = ১বৃটিশ টন ➲ ১০০কিলোগ্রাম = ১কুইন্টাল ➲ ১০০০কিলোগ্রাম = ১মেট্রিক টন ➲ ১পাউন্ড = ০.৪৫৩৬কেজি ➲ ১কেজি = ২.২পাউন্ট=১.০৭সের ➲ ১সের = ০.৯৩কিলোগ্রাম ➲ ৫বর্গগজ = ১ছটাক ➲ ৪০ কেজি =১ মন ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||| ❍ ১ পক্ষ = ১৫ দিন; ❍ ১ মাস = ২ পক্ষ ❍ ১ মাস = ৪ সপ্তাহ; ❍ ১ মাস = ৩০ দিন ❍ ১ ঋতু = ২ মাস = ৪ পক্ষ = ৮ সপ্তাহ = ৬০ দিন ❍ ১ বছর = ১২ মাস = ২৪ পক্ষ = ৩৬৫ দিন = ৫২ সপ্তাহ ❍ ১ অধিবর্ষ = ৩৬৬ দিন ❍ ১ যুগ = ১২ বছর ; ❍ ১ অর্ধযুগ = ৬ বছর; ❍ ১ অর্ধ-শতাব্দী = ৫০ বছর ; ❍ ১ শতাব্দী = ১০০ বছর ❍ ১ কুড়ি = ২০টি ❍ ১ রিম = ২০ দিস্তা = ৫০০ তা ❍ ১ ভরি = ১৬ আনা ; ❍ ১ আনা = ৬ রতি ❍ ১ গজ = ৩ ফুট = ২ হাত ❍ ১ কেজি = ১০০০ গ্রাম ❍ ১ কুইন্টাল = ১০০ কেজি ❍ ১ মেট্রিক টন = ১০ কুইন্টাল = ১০০০ কেজি ❍ ১ লিটার = ১০০০ সিসি ❍ ১ মণ = ৪০ সের ❍ 1 কে.জি = 2.20 পাউন্ড ; ❍ 1 সের = 0.93 কিলোগ্রাম ❍ 1 মে. টন = 1000 কিলোগ্রাম ; ❍ 1 পাউন্ড = 16 আউন্স ❍ 1 গজ= 3 ফুট ; ❍ 1 একর = 100 শতক ❍ 1 বর্গ কি.মি.= 247 একর ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||| ১ মিলিয়ন(Million) = ১০০০ হাজার= ১০ লক্ষ = ১,০০০,০০০ = ১+৬ শূন্য ১ বিলিয়ন(Billion) = ১০০০ মিলিয়ন = ১০০ কোটি= ১,০০০,০০০,০০০ = ১+৯ শূন্য ১ ট্রিলিয়ন(Trillion) = ১০০০ বিলিয়ন = ১ লক্ষ কোটি

★মানসিক সমস্যা সমাচার!! ★বাংলাদেশে অন্তত ৩ কোটি মানুষ কোন না কোন মানসিক সমস্যায় ভুগছেন! আর মানসিক ব্যাধিতে আক্রান্তদের মধ্যে তরুণদের সংখ্যাই বেশি। ♠ কতিপয় কারণকে এজন্য বিবেচনা করা যায়- (১) অস্থিরতা, (২) ব্যক্তিজীবনের অনিয়ম, (৩) বেকারত্ব,, (৪) বিশৃঙ্খলা, (৫) নানামুখী চাপ,, (৬) অপ্রাপ্তি, (৭) অধিক পাওয়ার লোভ লালসা (৮) আশা হারিয়ে ফেলা (৯) পারস্পরিক সম্পর্কে বহুমুখী জটিলতা (১০) বিচারহীনতা [ ♠♠ এসব কারণের অনেকগুলোর উৎপত্তি - নিম্নোক্ত বিষয় থেকে… যেগুলোকে ধ্বংসাত্মক কাজ হিসেবে- রাসূলুল্লাহ্ (ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) চিহ্নিত করে সতর্ক করেছিলেন--- ♦ মনের খেয়ালখুশি অনুসরণ→ (ব্যক্তিজীবনের অনিয়ম, সকল বিশৃঙ্খলা, বিচারহীনতা!) ♦ লোভ করা→ (অনেককিছু চেয়ে জীবনের বহু অপ্রাপ্তি, আশাহত হওয়া, বেশী পাওয়ার জন্য অস্থিরতা) ♦ অহংকারী হওয়া→ (ইগো দেখাতে যেয়ে সম্পর্কে জটিলতা বৃদ্ধি„ পারস্পরিক সম্পর্কে নানান চাপ, অল্প যে কোনকিছু তুচ্ছ মনে হয়!) ♦ জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলালুদ্দীন আহমাদ জানিয়েছেন, বাংলাদেশে ১৮.৭ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক এবং ১২.৬ শতাংশ শিশু-কিশোর কোন না কোন মানসিক রোগে ভুগছে। ♦ দেশে প্রতি বছরে গড়ে ১০ হাযারেরও বেশি মানুষ আত্মহত্যা করে থাকে। Dr. Mohidul Hasan Maruf, MBBS(RpMC) FCPS training (Internal Medicine) Medical officer, Rajshahi Medical College Hospital

এইযে আপনারা হেলদি রিলেশন আর টক্সিক রিলেশন ডিফাইন করেন,আচ্ছা আপনারা কি মনে করেন যেই সম্পর্ক গুলারে হেলদি জানেন সেই সম্পর্কটা বারো মাস সুস্থ থাকে?বছরের পর বছর দুইটা মানুষ একসাথে থাকে কিন্তু তাদের মধ্যে কোনো তিক্ততার পিরিয়ড আসেনা?টক্সিক রিলেশন ছাইড়া পালাইতে বলেন,টক্সিক কোনটারে বলে?কোনো সম্পর্ক কি শুরু থেকেই টক্সিক থাকে? মানে শুরুতে হেলদি থাকে,যেই একটু আকটু মিষ্টতা কমে গেলো ওমনি পালায় যাইতে হবে? ইজ ইট লভ?টক্সিক হওয়া রিলেশন টাও শুরুর দিকে সমুদ্রের উথালপাথাল ঢেউ এর মতন হিলার ছিলো,হেলদি ছিলো! শীতকালে যখন সেই সমুদ্রের ঢেউ থাকেনা তখন আর আপনি সমুদ্রপ্রেমী না? আপনার আমার মা বাপ যে একটা গোল্ডেন জুবিলী সিলভার জুবিলী কাটায় দিচ্ছে একসাথে,তাদের কাটানো সেই পুরাটা সময় হেলদি না,তাদের মধ্যেও দিন মাস গেছে টক্সিক,হয়তো আর্থিক বা পারিবারিক টানাপোড়েনে সেই পিরিয়ডটা বছর পর্যন্ত গড়াইছিলো। আপনি আমি জানি না,আর তারাও জানেনা হেলদি কি টক্সিক কি; শরীরে যতক্ষণ ভাইরাস ব্যাকটেরিয়া না ঢুকে ততক্ষন আপনি হেলদি,কিন্তু ঢুকে গেলেই আপনি অসুস্থ!ছোঁয়াচে রোগ হইলে তো কথাই নাই,আপনি নিজেই তখন টক্সিক!তো অসুস্থ হইলেই কি শরীর ছেড়ে পালাই যান?নাকি অন্য কাউকে দিয়ে দেন শরীরের মালিকানা? সুস্থ হইতে চেষ্টা করেন,ওষুধ খান,থেরাপি নেন,ভালো ভালো খাবার খান। সম্পর্কের বেলায় ভিন্ন কেন?সম্পর্ক অসুস্থ হইলে সুস্থ করেন,টক্সিক টক্সিক কইরা অন্যের মাথার মধ্যে টক্সিসিটি পুশ করবেন না আল্লাহর ওয়াস্তে! লেখা:মুনতাহার হোসেন জুবলী

# ইন্টারনেট থেকে আপনাকে একটা হীরা খুঁজে দিবো। আপনি anxiety, stress থাকবে না, এমন জিনিস আপনাকে দিবো আপনি খুশি হয়ে যাবেন। এমন একটা মিউজিক ৩ মিনিট শুনলে anxiety symptoms চলে যাবে। # Dr. Andrew Hubermen অনেকেই চিনে থাকবেন। Dr. Andrew Hubermen মতে এটির ইফেক্টিভনেস ৬৫%। এইটুকু ইফেক্টিভনেস anxiety, stress এর জন্য যে মেডিকেশন দেয় সেটার হয়। যখন আপনার anxiety, stress ফিল হবে ইউটিউবে গিয়ে সার্চ করবেন "**Marconi Union -Weightless**" এই মিউজিকটি শুনবেন। এটা কোন বাইনোরাল বিট না বা সাবলিমিনাল না। আমি এটা প্রথম শুনার পর অনেক রিলেক্স ফিল লেগছিল। অনেকে এটাকে ইন্টারনেটে সোনার হরিণ মনে করে। এমন মাস্টারপিস পোস্ট পেতে সাথেই থাকুন # লিঙ্ক কমেন্ট সেকশন।

'নেককার স্ত্রী হলো রাজার মাথায় থাকা সোনার তাজের মতো, যা রাজার শানশৌকত বাড়িয়ে দেয়। আর বদকার স্ত্রী হলো বৃদ্ধের পিঠে ভারী বোঝার মতো, যার ভারে বৃদ্ধ কুঁজো হয়ে যায়।' . — আব্দুর রহমান ইবনু আবযা (রহ.) . সূত্র: মুসান্নাফ ইবনে আবী শায়বাহ, ১৭৪২৮