uk
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Відкрити в Telegram

🙂🙂🙂

Показати більше
1 997
Підписники
+224 години
+47 днів
+230 день
Архів дописів
১৯৯০ সালের মাঝামাঝি পর্যন্ত বাংলাদেশে এসএসসি এবং এইচ এসসি পরীক্ষায় পাশের হার ছিল ৩০ -৪ ০% মানে প্রতি ১০০ জন পরীক্ষা দিলে ৩০ জন পাশ করতো । জাস্ট পাশ। মানে ১০০ তে ৩৩ নম্বর । এর মধ্যে ৭৫% পাইলে বলা হতো ষ্টার মার্ক্স্ পাওয়া। ১০০ তে পচাত্তর পাওয়া বেশ কঠিন ব্যাপার ছিল। সব সাবজেক্টে ৭৫ পাওয়া ছেলে মেয়েদের দেখতে বাসায় মানুষ আসতো। ফাস্ট ফরওয়ার্ড করেন ২০২৫ সালে । এখন পাশের হার একশ ছুঁই ছুঁই করে পারলে। সবাই সব সাবজেক্টে ৮০ এর বেশি পায়। প্রতি বছর লাখে লাখে ছেলে মেয়ে " ভালো " রেজাল্ট করে বের হচ্ছে। এদের প্রায় কেউ ইংরেজি পড়তে বা লিখতে পারে না , বলা তো দূরের কথা। এতো মানুষ পাশ যেহুতু করছে , তারা গ্রাজুয়েট ডিগ্রিও নিয়ে ফেলছে একই ভাবে। এখন শহর ভর্তি শিক্ষিত বেকার , যারা অফিস জব ছাড়া অন্য কাজ করতে লজ্জা পায়। এই সিচুয়েশনের কারণে আগে শুনতাম ৩৫ হাজার টাকায় গ্রাজুয়েট ছেলে কাজ করে, এখন সেটা ২ ০ হাজার , ১ ৫ হাজার হয়ে ৮ হাজারে এসে নেমেছে। মানুষ খালি একটা অফিস জব চায় , দরকার হলে বিনা বেতনে, জাস্ট সিভিতে লিখার জন্যে। এই অবস্থার রাজনৈতিক , অর্থনৈতিক , সামাজিক , প্রতিটি সাইড এফেক্ট ভয়াবহ। গত পনেরো বছরের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের ফলাফল আগামী মিনিমাম ২৫ বছর ধরে দিতে হবে দেশকে, যদি এর মধ্যে ব্যাপক হারে ম্যানুফ্যাকচারিং কাজ তৈরী না হয় কিংবা প্রবাসী শ্রমিক হিসেবে কয়েক মিলিয়ন বাংলাদেশী বিদেশে যেতে না পারে। বাংলাদেশের পরীক্ষা ব্যবস্থা এই মুহূর্তে কঠিন করে দিতে হবে , এবং পাশের হার সেই আগের ৩০ - ৪০ পার্সেন্ট নিয়ে যেতে হবে, যাতে যার পড়াশুনা করার কথা না , সে যেন খামাখা এইচ এস সির পরে আর গ্রাজুয়েশন করতে না যায়। কথা টা শুনতে খারাপ লাগলেও এইটাই দুনিয়ার নিয়ম । আমেরিকায় মাত্র ৫০ % মানুষ ১২ ক্লাসের পরে আরও পড়াশুনা করে। বাকি ৫০% কাজে ঢুকে যায়। বাংলাদেশেও আগে তাই হতো। সেখানে ফিরে যেতে হবে। @collected

কসম ভঙ্গ করলে কাফফারা দিতে হবে। ★ একটি কসমের কাফফারা হল, দশজন গরীব মিসকীনকে দু বেলা তৃপ্তিসহ খানা খাওয়ানো। অথবা তাদের প্রত্যেককে এক জোড়া করে কাপড় দেওয়া। এ দুটির সমার্থ্য না থাকলে এক নাগাড়ে তিনটি রোযা রাখা। -সূরা মায়েদা : ৮৯; কিতাবুল আসল ৩/২৩৮, ৩/১৯৬; আলমাবসূত, সারখসী ৮/১৫৭; ইলাউস সুনান ১১/৪২৬; রুহুল মাআনী ৭/১৪

আসসালামু আলাইকুম। আমি একজন মধ্যবয়সী নারী খুজছি যিনি বাসার সকল কাজে হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে সারাদিন থাকতে পারবেন। থাকা খাওয়া এবং উপযুক্ত সন্মানী দেয়া হবে৷ ঠিকানা: পোস্তগোলা, জুরাইন ঋষিপাড়া শেষ মাথা, ফজলুল উলুম কওমি মাদ্রাসার পাশে। কারো যদি পরিচিত কেউ থাকে যিনি হেল্পিং হ্যান্ড হতে ইচ্ছুক৷ তাহলে অনুগ্রহপূর্বক 01963007901 এই নাম্বারে যোগাযোগ করলে হবে

শুনো ভাই, এসএসসি পাশ করছো? যথেষ্ট পড়াশোনা হইছে, এইবার কিছু টেকনিক্যাল স্কিল শিখো বিদেশ চলে যাও। আর যারা ইন্টারমিডিয়েট দিয়ে ফেলেছো, পড়াশোনা করার একমাত্র উদ্দেশ্য যদি টাকা ইনকাম হয় , তাহলে তুমিও দেশের বাইরে চলে যাও। ৫-৬ বছর বিদেশ করে তুমি যখন ৪০-৫০ লাখ টাকার মালিক হইবা, তখন দেশে আইসা দেখবা তোমার বন্ধু গ্রাজুয়েশন শেষ করে কুড়ি হাজার টাকা সেলারির চাকরির পেছনে ছুঁটছে। সুতরাং পড়াশোনার অজুহাতে যত সময় নষ্ট করবা, জীবন থেকে তত পিছায়ে যাইবা। এই দেশে যে পরিমাণ জনসংখ্যা, যত সংস্কারই হোক, বেকারত্বের হার দিন দিন বেড়েই যাবে। তবে তুমি যদি নিজের উপর ১০০% কনফিডেন্ট থাকো এবং দীর্ঘ পড়াশোনায় ধৈর্য্য ধরে রাখতে পারো এবং ট্যালেন্টেড হও, এক হাজারে যে একজনের চাকরি হয় তুমি হয়তো সেইটা হতে পারবা। আর নাহলে অযথাই এই দেশে থাইকো না। এই কথাগুলা শুধুমাত্র মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত ফ্যামিলির ছেলেদের জন্য, যাদের জীবনে টাকাপয়সার দরকার আছে।

photo content

#Workshop_on_Parenting@bdknowledge

রাস্তাঘাটে চলাফেরা করতে যেসকল স্মার্ট টিপস আপনাকে একদিন সাহায্য করতে পারে :) ১) অপরিচিত কোন ব্যাক্তির গাড়ি থেকে দূরে থাকুন । অপরিচিত কোন ব্যাক্তি যদি আপনাকে জোর করে তার গাড়ি তে উঠতে সে আপনাকে লিফট দিবে । তাহলে তার চেহারা যতোই মায়াবী হৌক যেই বয়সীই হৌক , যে জেন্ডারেরই হৌক না কেন আপনার ঠিকই জানা আছে পরের রুল , তাইনা ? ২) প্রটেকটিভ আইটেম সাথে রাখুন প্রতিদিন । নিজেকে বাচানোর অ্যাবিলিটি জোগার করুন । একটা পেপার স্প্রে বানানো কঠিন কিছু না । আপনার ব্যাগে পেপার স্পে এবং ফ্ল্যাশ লাইট রাখতে পারেন আপনার সিচ্যুয়েশন এর উপর ডিপেন্ড করে আপনি অ্যান্টি কাটার ও রাখতে পারেন অথবা লাইসেন্স প্রাপ্ত পিস্তল । ৩) সেলফ ডিফেন্স শিখুন । আজকাল ইউটিউব থাকতে কোন প্রয়োজন নেই বাইরে সেলফ ডিফেন্স শিখার । আপনি রাস্তায় নিজেকে প্রটেক্ট করতে Bare Knuckle boxing, Wung Chun , Krav maga ,BJJ, Foul Tactis & No rules টাইপ্স টেক্টিস আয়ত্ব করতে পারেন । ট্রাস্ট মি ৩ মাসেই বস হয়ে উঠবেন । ৪) কেও রাস্তায় আপনাকে ডিস্টার্ব করলে দয়া করে তার প্রতি দয়াশীল হবেন না । রাস্তা দয়াশীল মানুষ কে বেশী ভালনারেবল মানে । আপনি এদের ধমক দিয়ে ইগ্নোর করে চলে আসুন । কেও যদি কোন কিছু বিক্রি করার জোর চেষ্ঠা করে তাহলে এমন ভাব ধরুন যে জিনিস টা নোংরা দেখবেন আপনা আপনিই উক্ত লোক টি চলে যাবে। ৫) বন্ধু বলেই যে তাকে ট্রাস্ট করে যেখানে খুশী সেখানে চলে যাবেন তা হতে পারেনা । আজকাল বন্ধুরাই বেশী আরেক বন্ধুর ক্ষতি করে থাকে । তাই বিকেয়ারফুল উইথ ইউর ফ্রেন্ডস টু......। ৬) পরিচিত দের নাম্বার দরকারি নাম্বার সমূহ মুখস্ত রাখুন । কোনভাবেই সেলফোনের উপর ডিপেন্ড হবেন না । ইমার্জেন্সি সিচ্যুয়েশন এ সেলফোনের সময় কই ? ৭) পাবলিকলি রাখুন অনলাইন ডেটিং। আপনি যদি কাওকে অনলাইন অ্যাপ্সে পান তাহলে তার সাথে ডেটিং করতে কখনোই সিসি ক্যামেরা নাই এমন জায়গাইয় যাবেন না । সিসি ক্যামেরা সমৃদ্ধ এলাকা দিয়ে যাবেন । ৮ ) আপনার প্রাইভেসি প্রটেক্ট করুন । এমন স্কিল অর্জন করুন যেভাবে নিজের পারসোনাল ইনফো শেয়ার না করা লাগে । নিজের এমন কিছু শেয়ার করবেন না যাকে আপনি চেনেন না । ৯) কেও আপনাকে ধরলে বা বিপদে পরলে বাচান বা আমাকে হেল্প না করুন বলে বলতে পারেন আগুন আগুন। এক রিসার্চে দেখা গেছে মানুষ "হ্যাল্প , হ্যাল্প "এসব শুনে খুব কমই আসে তার চেয়ে বেশী "আগুন আগুন" এসব শুনলে মিনিটে পুরো এলাকা ভরে যাবে । এতে আপনি রক্ষা পাবেন আপনার সাথে খারাপ কিছু হওয়া থেকে । ১০) নিজেকে লো প্রফাইল রাখুন । গলায় গোল্ডের চেইন হাজারো জুয়েলরি পরে রাস্তায় বের হইয়েন না । এতে রাস্তার ত্রাস গুলো আপনাকে ভাববে হেটে যাওয়া মানি ব্যাগ । শো অফ করে দুনিয়াতে কোন লাভ নাই । এসব সাময়িক আপনাকে বড় করবে কিন্তু কোন একটা এক্সিডেন্ট একদম আজীবন আপনার ক্ষতি করবে । আজকাল গলা টান দিয়ে ছিন্তাই , ক ব্জি কেটে পার্স ছিন্তাই এসব ঘটনা অহরহ ঘটে । ১১) ত্রাস হয় এরকম এলাকা দিয়ে গেলে আপনার মানি ব্যাগে অল্প কিছু টাকা রাখেন । আর বাকী টাকা আর ক্রেডিট কার্ড গুলো মোজার ফাকে গুজে রাখুন অথবা গোপন ব্যাগে রাখুন যা বের করতে আপনারই অনেক সময় লাগে । ছিন্তাই কারী খুব তাড়াতাড়ী ভাগতে চায় এতে আপনার শুধু মাত্র কিছু টাকা যাবে । ১২) যেকোন বিপদের মুহুর্তে স্বাভাবিক নিশ্বাস নিন । মনে রাখবেন ঠান্ডা মাথায় ভাল বুদ্ধি নিতে পারবেন <3 আমরা চাই আপনি সবসময় সেইফ থাকেন এবং আপনার প্রিয়জন রাও যাতে সেইফ থাকে । প্রিয়জন দের সাথে শেয়ার করতে পারেন। <3 ধন্যবাদ @loocksmaxbd

বাচ্চাদের সাধারণত আমরা কি কি টিকা দিয়ে থাকি✅✅ EPI Schedule মনে রাখার সহজ টেকনিক :- Mnemonics : DPT হাঁটি হাঁটি পা পা MRT D = Diphtheria P = Pertussis T = Tetanus হাঁটি (H) = Hepatitis B হাঁটি (H) = Hemophilus Influenza B পা (P) = Pneumococcal Pneumonia পা (P) = Poliomyelitis M = Measles R = Rubella T = Tuberculosis 🖊️ কখন কোন টিকা দেওয়া হয়? Mnemonics : DPT হাঁটি হাঁটি পা পা MRT D = Diphtheria P = Pertussis T = Tetanus হাঁটি (H) = Hepatitis B হাঁটি (H) = Hemophilus Influenza B N.B: এই পাঁচটি Vaccine কে একত্রে Pentavalent Vaccine বলা হয়। রোগের নাম : ডিফথেরিয়া, হুপিংকাশি, ধনুষ্টাংকার, হেপাটাইটিস-বি, হিমোফাইলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা-বি টিকার নাম : পেন্টাভ্যালেন্ট টিকা (ডিপিটি, হেপাটাইটিস-বি, হিব) ডোজ : 0.5 এমএল ডোজের সংখ্যা : 3 ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ,১০ সপ্তাহ, ১৪ সপ্তাহ টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে (On upper & outer part of mid thigh - Left side) টিকার প্রয়োগ পথ : মাংসপেশী (Intramuscular-IM) 🖊️ পা (P) = Pneumococcal Pneumonia রোগের নাম : নিউমোকক্কাল নিউমোনিয়া টিকার নাম : পিসিভি টিকা (PCV) ডোজ : 0.5 এমএল ডোজের সংখ্যা : 3 ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ, 10 সপ্তাহ, 14 সপ্তাহ টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে (On upper & outer part of mid thigh -Left side) টিকার প্রয়োগ পথ : মাংসপেশী (Intramuscular - IM) 🖊️ পা (P) = Poliomyelitis রোগের নাম : পোলিওমাইলাইটিস টিকার নাম : ওপিভি (OPV) ডোজ : 2-3 ফোঁটা অথবা নির্দেশনা অনুসারে ডোজের সংখ্যা : ৪ ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : 4 সপ্তাহ টিকা শুরু করার সঠিক সময় : 6 সপ্তাহ, 10 সপ্তাহ, 14 সপ্তাহ টিকাদানের স্থান : মুখে টিকার প্রয়োগ পথ : মুখে 🖊️ M = Measles R = Rubella রোগের নাম : হাম ও রুবেলা টিকার নাম : এমআর টিকা ডোজ : 0.5 এমএল ডোজের সংখ্যা : 1 ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : টিকা শুরু করার সঠিক সময় : হামের টিকা 9 মাস বয়স পূর্ণ হলে এবং রুবেলার টিকা ১৫ মাস বয়স পূর্ণ হলে দেয়া হয়। টিকাদানের স্থান : উরুর মধ্যভাগের বহিরাংশে-ডান উরুতে ( Upper & outer part of right mid thigh - Right side) টিকার প্রয়োগ পথ : চামড়ার নীচে (Subcutaneous) 🖊️ T = Tuberculosis জন্মের সময়: জন্মের সময় সাধারণত বিসিজি টিকা দেওয়া হয়, যা যক্ষ্মা রোগ থেকে রক্ষা করে। রোগের নাম : যক্ষা (Tuberculosis) টিকার নাম : বিসিজি (BCG) ডোজ : 0.05 এমএল ডোজের সংখ্যা : 1 ডোজের মধ্যে ন্যূনতম বিরতি : - টিকা শুরু করার সঠিক সময় : জন্মের পর থেকে টিকাদানের স্থান : বাম বাহুর উপরের অংশে টিকার প্রয়োগ পথ : চামড়ার মধ্যে (Intra-dermal) টিকা নেওয়ার গুরুত্ব 1. টিকা বাচ্চাদের মৃত্যুহার কমাতে সাহায্য করে। 2. টিকা বাচ্চাদেরকে মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করে। 3. টিকা বাচ্চাদের স্বাস্থ্যকর জীবন যাপন করতে সাহায্য করে। সাধারণত স্বাস্থ্যকেন্দ্র, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং অনেক বেসরকারি হাসপাতালে বাচ্চাদের টিকা দেওয়া হয়। সময়মত টিকা নিন,আপনার সন্তানের সুন্দর জীবন উপহার দিন!সংগৃহীত

৪। রেইন সসার: রেইন সসার একটি উল্টানো ছাতা সদৃশ জিনিস যা দিয়ে বৃষ্টির সময় পানি আহরণ করা যায়। এই পদ্ধতিটি পানি দূষিত হওয়ার সম্ভাবনা কমায় কারণ ছাদ কিংবা অন্যান্য খোলা পৃষ্ঠে ধুলা-ময়লা থাকে। রেইন সসার দিয়ে সংগ্রহকৃত পানি সরাসরি পান করা যেতে পারে। রেইন হারভেস্টিং সিস্টেম তৈরিতে খরচের পরিসর: ১) ছোট সিস্টেম: ১০,০০০ থেকে ৫০,০০০ টাকা। এর মধ্যে একটি ছোট ট্যাঙ্ক (৫০০-১০০০ লিটার), পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত। ২) মাঝারি সিস্টেম: ৫০,০০০ থেকে ১০০,০০০ টাকা। ২০০০-৫০০০ লিটারের ট্যাঙ্ক, পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত। ৩) বৃহৎ সিস্টেম (বাণিজ্যিক বা কৃষিকাজের জন্য): ১০০,০০০ থেকে ৫০০,০০০ টাকা বা আরও বেশি। বড় ট্যাঙ্ক (১০,০০০ লিটার বা তার বেশি), পাইপলাইন এবং ফিল্টারিং সিস্টেম অন্তর্ভুক্ত। রেইন হারভেস্টিং থেকে পানি সংগ্রহের পরিমাণ নির্ভর করে যে কয়টি বিষয়ের উপর: ১) বৃষ্টিপাতের পরিমাণ: বাংলাদেশে বছরে গড়ে ২০০০-৩০০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে অধিক পরিমাণ পানি সংগ্রহ সম্ভব। একটি ছোট বাড়ির ছাদে (৫০ বর্গমিটার) সঠিক ব্যবস্থাপনায় প্রতি বর্ষাকালে ৭৫,০০০-৮০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করা সম্ভব। ২) ক্যাচমেন্ট এরিয়ার সাইজ: আপনার বাড়ির ছাদ বা সংগ্রহের পৃষ্ঠতলের আকার অনুসারে পানির পরিমাণ নির্ধারিত হয়। উদাহরণস্বরূপ, যদি ১০০ বর্গমিটার ছাদ থাকে এবং বছরে ২০০০ মিমি বৃষ্টিপাত হয়, তবে আপনি প্রতি বছর প্রায় ২০০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করতে পারবেন। তবে বাস্তবে আপনি এই পানির মোটামুটি ৭০-৮০% সংগ্রহ করতে পারবেন। বাকিটা বৃষ্টির শুরুতে ছাদ পরিষ্কারের জন্য এবং পরে নানাভাবে লস যাবে। এক বছরে পানির পরিমাণ হিসাবের ফর্মুলা: পানির পরিমাণ (লিটার) = ক্যাচমেন্ট এরিয়ার আকার (বর্গমিটার) × বৃষ্টিপাতের পরিমাণ (মিমি) × সংগ্রহের দক্ষতা (৭০-৮০%) উদাহরণ: ১০০ বর্গমিটার ছাদ × ২০০০ মিমি বৃষ্টি × ৭৫% (সংগ্রহের দক্ষতা) = ১৫০,০০০ লিটার পানি (প্রতি বছর) পানি কতদিন ধরে সংরক্ষণ করা যায়? রেইন হারভেস্টিং সিস্টেমে সাধারণত পরিষ্কার ও ফিল্টার করা পানি ৬ মাস পর্যন্ত ব্যবহারযোগ্য থাকে। যদি স্টোরেজ ট্যাঙ্ক ভালোভাবে পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত রাখা হয় তাহলে পানি ১ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব। সংগৃহীত পানি কতদিন চলবে? সংগ্রহ করা পানি কতদিন চলবে তা নির্ভর করে দৈনিক পানির চাহিদার উপর। সাধারণত একটি পরিবারের দৈনিক পানি খরচের জায়গাগুলো হচ্ছে- খাওয়া ও রান্নার পানি, গোসল ও শৌচকার্য, কাপড় ও বাসনপত্র ধোয়া, বাগান পরিচর্যা ইত্যাদি। বাংলাদেশে একটি সাধারণ পরিবারে (৪-৫ জনের) দৈনিক পানির চাহিদা প্রায় ৩০০-৫০০ লিটার হতে পারে। যদি বর্ষা মৌসুমে ১৬০,০০০ লিটার পানি সংগ্রহ করা যায় এবং দৈনিক চাহিদা ৪০০ লিটার ধরা হয়, তাহলে এই পানি দিয়ে পরিবারটি ১৬০,০০০ ÷ ৪০০ = ৪০০ দিন (প্রায় ১৩ মাস) চলতে পারবে। আপনি যদি বৃষ্টির পানি শুধু আংশিক কাজে (যেমন বাগান, শৌচকার্য, কাপড় ধোয়া) ব্যবহার করেন, তাহলে এই পানিতে আরো দীর্ঘসময় ধরে চলবে। Muhammad Rahat Khan

ইতালির ভেনিস নগরী বৃষ্টির পানির উপর নির্ভরশীল ছিল। ভেনিসকে ঘিরে যে উপহ্রদটি আছে তার পানি লবণাক্ত। তাই ভেনিসের প্রাচীন অধিবাসীরা বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের একটি সিস্টেম বানায়। বৃষ্টি হলে এটাতে বিশেষভাবে তৈরী পাথরের পৃষ্ঠ দিয়ে চুইয়ে পানি পড়ত। তারপর তা বালির একটি স্তরের মাধ্যমে ছাঁকা হয়ে কূপে জমা হত। বৃষ্টির পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা প্রাচীনকাল থেকেই হয়ে আসছে। এটা নতুন কিছু নয়। বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করে পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষণ করে রাখাকে বর্তমানে রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং বলা হয়। বিশ্বব্যাপী রেইনওয়াটার হারভেস্টিংয়ের জনপ্রিয়তা এখন বাড়ছে। থাইল্যান্ড, আর্জেন্টিনা, ব্রাজিল, ভারত, চীন, অস্ট্রেলিয়া, ইসরায়েল এবং আফ্রিকার কিছু দেশ রেইনওয়াটার হারভেস্টিং প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে ব্যবহার করছে। রেইন হারভেস্টিং দ্বারা বিশাল পরিমাণে পানি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করা সম্ভব। সিস্টেমটি সঠিকভাবে পরিচালনা এবং রক্ষণাবেক্ষণ করলে দীর্ঘসময় ধরে সংরক্ষিত পানি ব্যবহারোপযোগী রাখা যায়। থাইল্যান্ডে বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রেইন হারভেস্টিং করা হয়। সেদেশের সরকার ৮০’র দশক থেকেই বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ ব্যাপকভাবে জনপ্রিয় করতে উদ্যোগ নিয়েছিল। তামিলনাড়ুতে ২০০১ সালে প্রতিটি বিল্ডিংয়ে বৃষ্টির পানি সংগ্রহের ব্যবস্থা রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। সেখানকার সব পল্লি অঞ্চলে রেইন হারভেস্টিং কাজে লাগানো হয়। সমগ্র তামিলনাড়ুতে পোস্টারিংয়ের মাধ্যমে বৃষ্টির পানি সংগ্রহে মানুষকে সচেতন করা হয়। বৃষ্টির পানি হলো আল্লাহর নিয়ামত যা কারেন্ট, জ্বালানি, বিল ইত্যাদি খরচ ছাড়াই পাওয়া যায়। সঠিক প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা গেলে এটিই সবচেয়ে নিরাপদ বিশুদ্ধ পানির উৎস। খাওয়া, ধোয়ামোছা, রান্নাবান্না, গোসল, গাছপালা ও পশুপাখিকে সরবরাহ ইত্যাদি কাজে বৃষ্টির পানি ব্যবহার করা যায়। বাংলাদেশেও রেইন হারভেস্টিং অত্যন্ত উপযোগী ও কার্যকর। বাংলাদেশের অনেক শহুরে এলাকায় ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বিপজ্জনকভাবে নিচে নেমে যাচ্ছে। রেইন হারভেস্টিং এর মাধ্যমে বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ করা হলে ভূগর্ভস্থ পানির উপর চাপ কমানো যাবে। বর্তমানে সিঙ্গাপুর, টোকিও, সিডনি এইসব শহরে নতুন ভবন নির্মাণ করলে রেইনওয়াটার হার্ভেস্টিং সিস্টেম ইন্সটল করা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে। বাড়িওয়ালারা রেইন ওয়াটার হার্ভেস্টিংয়ের জন্য যে টাকা ইনভেস্ট করবে তা দুই-তিন বছরের মধ্যে উঠে আসবে। এককালীন খরচের মাধ্যমে একটি রেইন হারভেস্টিং প্ল্যান্ট স্থাপন করলে বছরের পর বছর এর সুফল ভোগ করা যায়। একটি সাধারণ বাড়ির জন্য রেইন হারভেস্টিং সিস্টেম তৈরি করলে কী পরিমাণ পানি রিজার্ভ করা যাবে এবং সেটি কতদিন চলবে তা নির্ভর করে বাড়ির ছাদের আকার, এলাকায় বৃষ্টিপাতের পরিমাণ এবং পরিবারের দৈনন্দিন পানির চাহিদার উপর। সাধারণত, রেইন হারভেস্টিং প্ল্যান্টের ৩ টি অংশ থাকে: ১। ক্যাচমেন্ট এরিয়া: যে পৃষ্ঠে সরাসরি বৃষ্টিপাত হয় তাকে ক্যাচমেন্ট এরিয়া বলে। এটা আপনার বাড়ির ছাদ, উঠান কিংবা ভূপৃষ্ঠও হতে পারে। ক্যাচমেন্ট এরিয়া আপনার হার্ভেস্টিং সিস্টেমের জন্য রেইন ওয়াটার কালেক্ট করে। রুফটপ হার্ভেস্টিংয়ে ক্যাচমেন্ট এরিয়া হলো ছাদ। ২। স্টোরেজ: সংগ্রহ করা বৃষ্টির পানি স্টোরেজ ট্যাঙ্কে ডাইভার্ট করা হয়। ৩। ফিল্টারিং সিস্টেম: বৃষ্টির পানি সাধারণত বিশুদ্ধ। কিন্তু উন্মুক্ত ক্যাচমেন্ট এরিয়া থেকে এই পানিতে ধুলাবালি, ময়লা, লতাপাতা ইত্যাদি মিশে। তাই এই পানি খাওয়ার আগে ফিল্টার করা জরুরী। কিছু DIY (Do it yourself) রেইন হারভেস্টিং মডেল: ১। রেইন ব্যারেল: বৃষ্টির পানি সংরক্ষণের সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো ‘রেইন ব্যারেল’। এই সিস্টেমের জন্য অতিরিক্ত জায়গা ও রক্ষণাবেক্ষণ কোনোটিই প্রয়োজন নেই। কেবল বাজার থেকে একটি ব্যারেল কিনে ছাদ থেকে পানি নামার পাইপের নীচে স্থাপন করলেই হলো। রেইনওয়াটার হারভেস্টিং শুরু হয় বাড়ির ছাদ থেকে। তাই ছাদ পরিষ্কার রাখা প্রথম কাজ। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এর ক্যাপাসিটি খুব কম, মাত্র ২০০-৩০০ লিটার। আর এটাতে ফিল্টারিং সিস্টেম থাকেনা। ২। রুফটপ রেইন হারভেস্টিং: রুফটপ রেইন হারভেস্টিং হচ্ছে সবচেয়ে প্রচলিত পদ্ধতি, যার মাধ্যমে বাড়ির ছাদ থেকে বৃষ্টির পানি সংগ্রহ করা হয়। এই প্রক্রিয়ায় ছাদে পড়া বৃষ্টির পানি পাইপের মাধ্যমে একটি স্টোরেজ ট্যাঙ্কে জমা করা হয়। DIY হলে এটায় জটিল প্রযুক্তির প্রয়োজন হবে না। কিছু সাধারণ উপকরণ এবং সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে নিজেই কম খরচে বানাতে পারবেন। পরে আপনার প্রয়োজন অনুযায়ী কাস্টমাইজও করতে পারবেন। ৩। সোলার+রেইন হার্ভেস্টিং: বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য সৌর প্যানেল স্থাপন করা হলে একটা বিশাল এরিয়া ঢাকা পড়ে যায়। এক্ষেত্রে সোলার প্যানেলকে ওয়াটার ক্যাচমেন্ট এরিয়ায় রুপান্তর করা যেতে পারে। তখন বৃষ্টির সময় সৌর প্যানেলের পৃষ্ঠ থেকে পানি আহরণ করা যাবে।

আমিও আগে বলছি একদিন গালি শুনার পর আর কাউ কি কিছু বলি না

photo content

Selim TT.pdf3.65 KB

ফাইন্যান্স ম্যানেজমেন্টের ওপর যা বই পড়েছি তার সামারি মোটামুটি এরকম: ১. আয়ের চেয়ে বেশি ব্যয় করবেন না। ২. কখনো ঋণ করবেন না। ৩. আয়ের একটা নির্দিষ্ট অংশ (১৫-২০%) বিনিয়োগ করুন। ইনডেক্স ফান্ড বিনিয়োগের জন্য নিরাপদ। নিচের এই পয়েন্টগুলো একইভাবে গুরুত্বপূর্ণ : ১. প্রত্যেক মাসের বাজেট করুন। ২. ছয় মাসের ইমার্জেন্সি ফান্ড হাতে রাখুন। ৩. লোক দেখানোর জন্য কখনোই কোনো পণ্য কিনবেন না। ৪. যেই জিনিস আপনি নগদ টাকা দিয়ে কেনার ক্ষমতা রাখেন না, সেটা ক্রেডিট কার্ড দিয়ে কিনবেন না। ক্রেডিট কার্ড একটা ফাঁদ। এটা থেকে সাবধান। ৫. প্রয়োজন এবং বিলাসিতার মধ্যে পার্থক্য বুঝুন। 'ইমপালসিভ বায়িং' (এটা ছাড় দিয়েছে/দেখতে সুন্দর, কিনে ফেলি) থেকে দূরে থাকুন। ৬. Asset তৈরি করুন; Liability না। (Asset হচ্ছে সেটা যেটা আপনার পকেটে টাকা ঢুকায়। আর Liability হচ্ছে সেটা, যেটা আপনার পকেট থেকে টাকা বের করে নেয়।) বোনাস ফিলোসোফি: ১. আপনার আর্থিক স্বচ্ছলতার ৮০% নির্ভর করে আপনার আচরণের ওপর। আপনি যদি দশ হাজার টাকা ম্যানেজ করতে না পারেন, আপনাকে দশ লাখ টাকা দিলেও আপনি পারবেন না। ২. আপনাকে আসলেই বদ্ধপরিকর হতে হবে, মানসিকভাবে বিশ্বাস করতে হবে যে আপনি আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হবেন এবং সে অনুযায়ী কাজ করতে হবে। বিশ্বাস করুন, বড় বড় যত বই-ই লিখুক, ঘুরেফিরে কথা একই। ওপরের এই কয়টা পয়েন্টের সাথে আরো দুএকটা কমন কথাবার্তা এবং এগুলোই সেল করা হচ্ছে বছরের পর বছর ধরে। মজার ব্যাপার কী জানেন? এগুলা আসলে কাজ করে। বিশ্বাস হয় না? নিজে প্রয়োগ করে দেখুন।

FB_IMG_17532725017417454.jpg3.78 KB

photo content

🌿 জীবনকে সহজ করে দেখার ১০টি সহজ সত্য : ১। যেখানে নিজেকে সবচেয়ে ভালো লাগে, সেখানেই থাকো। ২। কারও মুখে হাসি ফোটানোই অনেক বড় কাজ। ৩। নিজের মনের কথা শোনো, সবাইকে খুশি করতে যেও না। ৪। সব সময় কথা বললেই সব বোঝানো যায় না। ৫। চুপ থাকাটাও একটা শক্তি। ৬। জীবনের প্রতিটা সমস্যা কিছু না কিছু শেখায়। ৭। খারাপ দিন গেলেও, সামনে ভালো দিন আসবেই। ৮। ব্যর্থতা মানেই তুমি শিখছো—এটাই সফলতার শুরু। ৯। আমি হয়তো ভুল করি, কিন্তু আমি ভালো কিছু খুঁজেই যাচ্ছি। ১০। এই দুনিয়া চিরদিনের নয়, তাই এখন থেকেই জীবনটাকে মূল্য দাও।

ডায়াবেটিস….!! অনেকেই জানতে চেয়েছেন ডায়াবেটিস কিভাবে ডায়াগনসিস করা হয়? ডায়াবেটিস রক্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ডায়াগনসিস করা হয়। রক্তের সুগার কত ( mmol/L)হলে ডায়াবেটিস বলা হয়: ✅ ১. Fasting Blood Sugar ( সাধারণত ৮ ঘণ্টা খালি পেটে থেকে রক্ত দিতে হয় ): * স্বাভাবিক: < 5.6 mmol/L * Prediabetes ( IFG): 5.6 – 6.9 mmol/L ** ডায়াবেটিস: ≥ 7.0 mmol/L ✅ ২. 2-Hour OGTT / 2PPBS( ৭৫ গ্রাম গ্লুকোজ খাওয়ার ২ ঘণ্টা পর): * স্বাভাবিক: < 7.8 mmol/L * Prediabetes ( IGT): 7.8 – 11.0 mmol/L ** ডায়াবেটিস: ≥ 11.1 mmol/L ✅ ৩. HbA1c (৩ মাসের গড় গ্লুকোজ): * স্বাভাবিক: < 5.7% * Prediabetes: 5.7% – 6.4% ** ডায়াবেটিস: ≥ 6.5% ✅ ৪. Random Blood Sugar (যেকোনো সময়): ডায়াবেটিস নির্ণয়যোগ্য: ≥ 11.1 mmol/L, যদি উপসর্গ থাকে (যেমন বারবার প্রস্রাব, পিপাসা, ওজন কমা)। পরে আবার উপরের পরীক্ষা করে নিশ্চিত করা হয়। ✅ মনে রাখবেন: একবারের পরীক্ষায় সব সময় নিশ্চিত না হয়ে, চিকিৎসক সাধারণত পুনরায় পরীক্ষা করেন নিশ্চিত হবার জন্য। অধ্যাপক ডা. সমীর কুমার কুন্ডু হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ।

নেলসন ম্যান্ডেলার দশ সূত্র। ১. ডিমান্ড রেসপেক্ট। যে তোমাকে শ্রদ্ধা করবে না তার মুখের উপর দরজা বন্ধ করে দাও। সশব্দে বন্ধ করে দাও। ২. তাদের ভুল প্রমাণ করো। যারা বলে তুমি পারবে না, তোমার প্রথম দায়িত্ব হচ্ছে তাদের ভুল প্রমাণ করা। এর জন্য শুধু জেদ থাকলেই চলবে, আর কিছু লাগবে না। ৩. সময়কে ভালোবাসো। জীবনটা খুব দীর্ঘ নয় যে শুয়েবসে কাটাবে। চোখের পাতা পড়ছে, এক ভগ্নাংশ সেকেন্ড চলে যাচ্ছে। তাই সময়টা ব্যবহার করো। প্রতিটি মানুষ মৃত্যুশয্যায় সময় নিয়ে আফসোস করে। এর ব্যতিক্রম কখনো হয়নি, হবেও না। ৪. বিড়ালটি কালো না সাদা জানার দরকার নেই। আমার কাজটি হওয়াটাই জরুরি। তাই আমি সে পদ্ধতিতেই এগুবো যেটা আমাকে সফল করবে। বিড়ালটি কি সাদা না কালো তা আমার জানার দরকার নেই, শুধু সেটা ইঁদুর মারতে পারলেই হলো। তবে দুষ্ট বিড়াল হলে চলবে না, মানে, অসৎ পথ হলে চলবে না। ৫. বদলে দিতে চাও? আগে নিজে বদলাও। অনেককিছুই বদলে দিতে ইচ্ছে করে তাই না? তাহলে আগে নিজে বদলাও। আত্মশুদ্ধি ছাড়া অন্যকে শুদ্ধ করা যায় না। একজন মাতাল আরেকজন মাতালকে উপদেশ দিতে পারে না। দিস ইজ অ্যাবসার্ড। ৬. বড়ো মানুষ সব সময় বড়ো নয়। বড়ো মানুষকেই হিরো বানাতে হবে তা নয়।।যিনি তোমার ভালো চান, তিনিই তোমার হিরো। কারণ তিনিই তোমাকে পথ দেখাবেন। পত্রিকার ছবি থেকে উঠে এসে বিখ্যাত মানুষটি কখনোই তোমার হাত ধরে সামনের দিকে এগিয়ে নেবেন না। ৭. টেইক অ্যা স্টান্ড- নিজের মতে শক্ত থাকো। যদি তোমার মত ন্যায্য হয়, তাতেই অটল থাকো। সুপারি গাছের মতো বাতাস যেদিকে দোলে সেদিকে দুলবে না, মড়াৎ করে কোমর ভেঙে যাবে। ৮. আবেগ নয়, মগজ খাটাও। বেশিরভাগ ইমোশনাল সিদ্ধান্তের পরিণতি খারাপ হয়। তাই সিদ্ধান্ত নিতে হবে মাথা খাটিয়ে, তাহলেই পথের নিশানা পাবে। মাঝে মাঝে আবেগকে মগজের নিচে কবর দিতে হয়। ৯. নিঃশ্বাসের সাথে বিশ্বাস বদলিও না। তোমার বিশ্বাস হতে হবে অটল বিশ্বাস। যখন যার কোলে তাকে চুমু খেয়ে নিজের বিশ্বাস বদলে ফেলা মানে আত্মার মরণ। এটা করলে তুমি আর মানুষ থাকো না, মানুষের ছায়া হয়ে বেঁচে থাকো মাত্র। ১০. নীতির জন্য মৃত্যু, উজ্জ্বল মৃত্যু। আমি জানতাম যেকোনো মুহূর্তে আমার ফাঁসি হতে পারে, কিন্তু আমি আপোষ করিনি। নীতির জন্য আমার মৃত্যু হলেও তা হতো উজ্জ্বল মৃত্যু, যাকে ইতিহাস সম্মান করতো। Collected

প্রতিদিন সকালে এক ঘণ্টার একটি অলঙ্ঘনীয় রুটিন বানিয়ে নিন এভাবে, এমনভাবে যে কোনো অবস্থায়ই আপনি এটি লঙ্ঘন করবেন না, ইং শা আল্লাহ। . ১) ৩০ মিনিট শুধু কুরআন তিলাওয়াত করবেন, হৃদয় দিয়ে। ২) ১৫/২০ মিনিটের একটি সুন্দর লেকচার শুনবেন। ৩) ১৫/২০ মিনিট একটি গুরুত্বপূর্ণ বই পড়বেন। . এভাবে এক বছর চলুন। জীবনের চিত্রপট পরিবর্তন হয়ে যাবে, ইং শা আল্লাহ। আপনি পরিশুদ্ধ হয়ে উঠবেন, সময়গুলো বারাকাহপূর্ণ হয়ে উঠবে, আপনি জ্ঞানী ও প্রজ্ঞাবান হয়ে উঠবেন, ইং শা আল্লাহ। ~ প্রফেসর মুখতার আহমেদ (হাফি.)