uk
Feedback
জ্ঞান - Knowledge

জ্ঞান - Knowledge

Відкрити в Telegram

🙂🙂🙂

Показати більше
1 997
Підписники
Немає даних24 години
+27 днів
+130 день
Архів дописів
মাঝে মাঝে ১৬-১৭ বছরের পড়াশোনা আমাদের কাজে লাগেনা।😬 অথচ কয়েকমাসের কোর্স এবং কয়েক বছরের পরিশ্রম আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। 🤗

সিনেমা দেখে কান্না করে, ক্রিকেট খেলা দেখেও কান্না করে ! অথচ ফিলি*স্তিনে হাজার হাজার নিরিহ মানুষকে হত্যা করা হচ্ছে, এ নিয়ে তারা কোনো চিন্তাও করে না - বিনোদনে বুদ হয়ে থাকা মুনাফিক। @ আব্দুল্লাহ ইবনে

আপনারা প্রত্যেক পোস্টে আপনাদের পছন্দ অনুযায়ী রিয়েকশন দিলে পোস্ট করতে অনুপ্রাণিত হবো।

Assalamualaikum

জীবনে চলার পথ হচ্ছে দুইটি। ১. তোমার আশেপাশে যা হচ্ছে হয় তুমি তা মেনে নাও, ২. অথবা সেটাকে পরিবর্তন করার জন্য রুখে দাড়াও । মনে রাখবেন- পথ এ দুটিই। Masood Sayedee

" সব মেয়েদের পড়ার এবং সতর্ক থাকার অনুরোধ " ১। সবার আগে নিজের ক্যারিয়ার গড়বেন। এই জিনিসে কোন কম্প্রোমাইজ করবেন না, মরে গেলেও না। ২। আত্মসম্মান, আত্মমর্যাদা কক্ষনো বিসর্জন দিবেন না। তাতে মরে যেতে হলে, যাবেন। ৩। চোখ বন্ধ করে পুরুষকে বিশ্বাস করবেন না। (গনহারে trust এর কথা বলছি, trustworthy man অবশ্যই আছে) পুরা ফেরেশতা মার্কা স্যার, বাবার বন্ধু, মামার ফ্রেন্ড, বড় ভাইয়ের বন্ধু, একদম ফ্যামিলি পার্সন, এরকম-এমন কারো সাথে একা কোথাও থাকবেন না। Be careful who you trust, the devil was once an angel. ৪। বান্ধবীর বাড়ীতে যেতে হলে পরিবারকে জানান। ফোন নাম্বার মা, বাবা, বড় ভাই, বোন কে দিয়ে যান। সবসময় নিরাপদে যত দ্রুত সম্ভব বাড়ীতে ফিরবেন। রাতে চেষ্টা করবেন না থাকার। থাকলেও বাড়ির পরিবেশ দেখে নিয়েন। ৫। নিজের gut feelings -কে সব সময় প্রাধান্য দিবেন। দেখে কিছুই মনে হয় না, খুব ভাল মানুষ, কিন্তু মন কেন যেন ব্যাক্তিটাকে পছন্দ করে না। এমন হলে সেই ব্যাক্তি থেকে ১০০ হাত দূরে থাকেন। trusting your 'Gut Feeling' is often the best strategy to save yourself. ৬। নিজের আবেগ সব সময় নিয়ন্ত্রণে রাখবেন। মেয়েরা আবেগের কারনে ভিক্টীম হয়। ৭। ফ্যামিলিকে সব সময় পাশে রাখবেন। ফ্যামিলিকে, বিশেষ করে মাকে বন্ধু বানান। তার সাথে সব যেন শেয়ার করা যায় এমন ভাবে সম্পর্ক করবেন বাবা মার গোপনে কিছু কইরেন না। victim হলে আপনি হবেন। তখন বাবা মা এটাই ভাববে "মেয়েটা আমাদের বলল না কেন!!" ৮।৷ কাউকে বিশ্বাস করার আগে ১০০ বার ভাববেন। You read it right. ১০০ বার। ৯। নিজেকে ভালবাসেন। এটা খুব দরকার। আপনি কালো, শর্ট, মুখে ব্রন --বিলিভ মি এগুলা কিচ্ছু না। আল্লাহ আপনাকে যেভাবে বানিয়েছেন আপনি সেভাবেই সুন্দর। আপনার মেধা, ব্যাক্তিত্ব দেখে যেন একটা ছেলে দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেকে ঐভাবে তৈরি করেন। ১০। সব সময় সত্যকে পাশে রাখবেন। মিথ্যা অনেক সহজ। অন্যায় অনেক আনন্দ দেয়। কিন্তু তা সব সময় ক্ষণিকের জন্য। সত্য সব সময়ের জন্য। তা যত কষ্টের হোক। ১১। জীবন অস্বাভাবিক সুন্দর। হতাশা, unexpected crisis, unexpected incident এগুলা লাইফের পার্ট। ও আচ্ছা, এমন হইল। ঠিকাছে। এরপর কি?-- লাইফের প্রতি এমন attitude রাখলে লাইফ আর সুবিধা করতে পারে না। পেইন দেবার আগে ভাবে এরে পেইন দিয়া লাভ নাই। Collected

# আপনি ১০০ মানুষের উপর ফুল ছুঁড়ে মা'রলে ৯৫ জন আপনাকে ফুল ছুঁড়ে মা'রবে এর মধ্যে ৫ জন আপনাকে পাথর ছুঁড়ে মা'রবে। হ্যাঁ আমি মানুষের বিহেভিয়ারের কথা বলতেছি। আপনি দূনিয়াতে যত ভালো বিহেভ করেন না কেন, কিছু মানুষ আপনার সাথে খারাপ বিহেভ করবেই। # # কিন্তু প্রবলেম একটাই, ৯৫ জন ফুল ছুঁড়ে মা'রলেও তাদের ছেড়ে ৫ জন পাথর ছুঁড়ে মা'রার লোকের দিক ফোকাস থাকে। এই ৫ জনের জন্য পুরো লাইফে নেগেটিভ প্রভাব পরে। তখন মনে হয় সবাই খারাপ, তখন মনে হয় আমি কেন ভালো ব্যবহার করবো? # # সলুয়েশন হচ্ছে 'এক্সেপটেন্স' এই ৫ মানুষ দূনিয়াতে পাবেন। তাদের ইগনোর করে সামনে বাড়তে থাকুন। লার্ন টু ইগনোর।

কোল্ড ড্রিংক্সের PH লেভেল যতকম হবে তত অ্যাসিডিক হবে। যদি ৫ এর নিচে PH হয় তাহলে আপনার দাঁতের ১২ টা বাজায় দিবে, বডিতে যত হার্ড পার্ট আছে এইগুলোকেও খতম করে দিতে পারবে। *নরমাল পানির PH 6.5–8.5 এটা নরমাল, আর কোকের PH 2.52 এটা অনেক অনেক অ্যাসিডিক। পেপসির এর PH 2.53, ফান্টার PH 2.73, স্প্রাইটের PH 3।* ইন্ডিয়াতে কীটনাশক এর পরিবর্তে কোকাকলা, পেপসি তাদের জমিতে ব্যবহার করে। কৃষকের মোতাবেক কীটনাশকের চেয়ে কোকাকলা, পেপসি অনেক সস্তা এবং কীটনাশকের চেয়ে বেশি ইফেক্টিভ। বাচ্চাদের জন্য বেশি ক্ষতিকর, তাদেব বডি ভালো করে গ্রো হয়নি তাদের এইসব খাওয়াচ্ছে। এইসব ড্রিংস বর্জন করুন, বাচ্চাদের তো আরো আগে না। *এই পোস্টটি শেয়ার করুন।* *Evidence* https://www.omicsonline.org/open-access/harmful-effects-of-soft-drinks-on-human-health-117278.html

photo content

এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে বই পড়ে, যে মেয়ে গভীরভাবে অনুভব করে, আর যে মেয়ে লেখে। কখনও শিক্ষিত, মোহিনী, ভ্রমাত্মক , পাগলাটে মে
এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে বই পড়ে, যে মেয়ে গভীরভাবে অনুভব করে, আর যে মেয়ে লেখে। কখনও শিক্ষিত, মোহিনী, ভ্রমাত্মক , পাগলাটে মেয়ের প্রেমে পড়ো না। এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে ভাবতে পারে, যে জানে সে কি জানে এবং উড়তে জানে; যে মেয়ে নিজের সম্পর্কে নিশ্চিত। এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে প্রেমের সময় হাসে বা কাঁদে, জানে কীভাবে আত্মাকে পরিণত করতে হয় শরীরে; সে মেয়েকে ছেড়ে দাও যে বিপজ্জনকভাবে কবিতা ভালোবাসে, অথবা একটি পেইন্টিং-এর ধ্যানে ঘন্টার পর ঘন্টা সময় কাটায় এবং যে সঙ্গীত ছাড়া বাঁচতে পারে না।... এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে তার শরীরের গঠন ও মুখের আদল ছাড়াই সুন্দর। এমন মেয়ের প্রেমে পড়ো না যে তীব্র, মনোরম, স্বচ্ছ এবং অপ্রাসঙ্গিক। এমন কোনও মেয়ের প্রেমে পড়ো না। কারণ যখন তুমি এমন একটি মেয়ের প্রেমে পড়বে, তুমি তার সঙ্গে থাকো বা নাই থাকো, সে তোমাকে ভালোবাসুক বা নাই ভালোবাসুক, এমন মেয়ের কাছ থেকে তুমি কখনওই ফিরতে পারবে না। মূল: মার্তা রিবেরা গাররিদো অনুবাদ: গৌতম মিত্র ছবি: William Oliver (British, 1804-1853).

ফোনের চার্জ ৩৫/৪০/৫০% এমন থাকার পরেও ফুল চার্জের জন্য চার্জে লাগানোতে কোনো ক্ষতি নেই। বরং ফোনের চার্জ ৫০% এর নিচে না নামতে দিতে পারলে ভালো। আপনার ব্যাটারি যদি দীর্ঘ সময় ভালো রাখতে চান, তবে :— ফোনের চার্জ ৫০%/৪০% এর নিচে নামতে দেওয়া উচিত না। এর আগেই চার্জ করুন।(যদি সম্ভব হয়) :— ২০% এর নিচে নামতে দেওয়া কোনোভাবেই উচিত না। :—এবং সবসময় ফুল চার্জ করাও উচিত না। ৮০/৯০% এমন হলে চার্জার খুলে ফেলুন। অর্থাৎ সাধারণত ৩০% হলেই চার্জ দেওয়া শুরু করুন আর ৮০%/৯০% হলে খুলে ফেলুন। :— ফোনে ফাস্ট চার্জিং মোড এর অপশন থাকলেও মাঝে মাঝে ধীরগতিতে বা নরমাল মোডে চার্জ করুন। :— চার্জে লাগিয়ে ফোন ব্যবহার করা থেকে অবশ্যই বিরত থাকুন। :— চার্জে বসিয়ে একটু পর পর তুলে নেওয়া,আবার দেওয়া, আবার তুলে নেওয়া —এরকম করা থেকে বিরত থাকুন। :— ফুল চার্জ হয়ে যাওয়ার পরও চার্জে লাগিয়ে রাখা থেকে বিরত থাকুন।এতেও ব্যাটারির ক্ষতি হয়।(তবে কিছু কিছু ফোনে এই সিস্টেম থাকে যে— ফোন ফুল চার্জ হওয়ার পর চার্জিং সিষ্টেম অটো-ডিসকানেক্ট হয়ে যায়।ওই সকল ফোনে এটা সমস্যার কারণ না হতে পারে।) ধন্যবাদ।

সতর্কতা মূলক পোস্টঃ NID কার্ড সংশোধনের কথা বলে অনেকের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। অথচ তারা জানে না NID কার্ড গ্রুপের কেউ চাইলেও সংশোধন করতে পারবে না এমন কি Head অফিস থেকেও। সংশোধন করার ক্ষমতা আছে ক্যাটাগরি "ক" নিজ উপজেলা নির্বাচন অফিসার ক্যাটাগরি "খ" নিজ জেলা নির্বাচন অফিসার ক্যাটাগরি "গ" নিজ বিভাগীয় নির্বাচন অফিসার ক্যাটাগরি "ঘ" মহাপরিচালক এক অফিসারের কাজ অন্য অফিসার Approve করতে পারবে না সে সিনিয়র হলেও। অথচ প্রতারকরা সব উপজেলা, জেলার কাজ নিয়ে করে দেওয়ার প্রতিশ্রতি দেয়, যেটা বাস্তবে অসম্ভব। সুতরাং কারো সংশোধনের প্রয়োজন হলে নিজ উপজেলাতে যোগাযোগ করুন। অনলাইনে সংশোধনের জন্য কাউকে টাকা দিলে প্রতারিত হবেন ১০০০%। ধন্যবাদ।

একটা ভাবির সাথে কথা বলছিলাম। ভাবির বিয়ের কথা বলায় ভাবি বলল আমার বিয়ের সময় আমার ফুফু আমাকে দুইটা উপদেশ দিয়েছিল। ১.যতই যাই হোক রাগ করে স্বামী/শ্বশুর বাড়ি থেকে বের হয়ে যাবি না।(বের হয়ে যাওয়া সহজ।কিন্তু ঢোকা অনেক কঠিন।অনেকের অনেক কথা শুনতে হবে সেই সাথে নিজেরও লজ্জা লাগবে) ২.না খেয়ে থাকবি না।(ওখানে কেউ তোকে তোষামোদ করতে আসবে না।এমনি মন খারাপ তার মধ্যে না খেয়ে শরীর খারাপ করলে তখন কে দেখবে তোকে?) ৩:স্বামী কখনো তার স্ত্রীকে অন্যের সামনে অপমান করতে পারবে নাজ।দুজনের ভিতরে যাহ হবে চার দেওয়ালের মাঝেই থাকে। বাইরে যেতে দিি নাহ। আরেকটা আন্টি গল্প করছিল তার বাবা তাকে বিয়ের সময় উপদেশ দিয়েছিল যে,রাগ করে স্বামীর বাসা থেকে আমার বাসায় আসতে চাইলে তোমার জন্য আমার বাড়ির দরজা বন্ধ কিন্তু খুশিমনে যখন ইচ্ছে তখন আসতে পারো।(মেয়ের রাগ দেখে বাসায় ঢুকতে দেওয়া মানে তার রাগকে প্রশয় দেওয়া।আর এই রাগই এক সময় বিচ্ছেদ ঘটায়।তখন সেই মা-বাবায় সন্তানের কাছে বোঝা হয়ে দাঁড়ায়) কি সুন্দর নসিহত! বিবাহিতরা এরকম সুন্দর সুন্দর নসিহত গুলা জানাতে পারেন।এতে করে অবিবাহিতরাও কিছু শিখবে।C))

Hasiba Jannat কম কথা বলুন এবং বেশি শুনুন। নিজের সম্বন্ধে কখনোই বেশি বলতে যাবেন না। যতটা জিজ্ঞেস করছে ততটাই বলুন এবং ইচ্ছে না হলে সেটার ও অস্পষ্ট, অনিশ্চয়তা সূচক জবাব দিন। ইমোশনাল ইন্টেলিজেন্স হতে হবে। সবকিছুতে স্মার্টনেস দেখাতে হবে। সবার কাছে এভেলবল হওয়া যাবে না। সবার সাথে একমত হওয়া যাবে না, নিজের সেন্স থেকে লজিক্যালি চিন্তা করতে হবে। বেছে বেছে নিজের সম্পর্কে তথ্য শেয়ার করুন। হাঁটার স্টাইল এমন হতে হবে যেন আপনার কনফিডেন্স ১০০ থেকে ১০০. এক্সট্রা কমিউনিকেশন স্কিল থাকতে হবে।

12 টি অসাধারণ মুভি যা আপনার বুদ্ধি কয়েক গুণ বাড়াবে ::: ১। The Terminal এক পূর্ব ইউরোপীয় টুরিস্ট তার দেশে ঝামেলা হওয়ায় পাসপোর্ট ইনভ্যালিড হয়ে যায় এবং সে এয়ারপোর্টে লম্বা সময়ের জন্য আটকে পড়ে। একটা অচেনা দেশের বিমান বন্দরে সে কিভাবে টিকে থাকে এবং সেখানে আর কি কি ঘটে যায় তার জীবনে সেটা নিয়ে এই মুভি। .. ২। The Life of David Gale মৃত্যুদণ্ডের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা ডেভিড গেইল সহ-আন্দোলনকারীকে খুনের দায়ে নিজেই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত। সে এক সাংবাদিককে ডেকে জানায় সাতদিন পর তার দণ্ড কার্যকর হবে। সে যেন প্রমাণ যোগাড় করে তাকে বাঁচায়। প্রমাণ যোগাড় করতে গিয়ে এমন কিছু বেরিয়ে আসে যেটা কেউ ভাবতেও পারে নি। ৩। American Beauty একজন লুজার ধরণের ব্যক্তি তার মেয়ের বান্ধবীর প্রেমে পড়ে যাবার পর তার মধ্যে এক অন্যরকম পরিবর্তন আসে। সে সবাইকে বাঁশ দিতে শুরু করে। সাধারণ এক গল্পের ভিতরে লুকিয়ে আছে এক অদ্ভুত দর্শন। এই মুভিতে অভিনয় করে কেভিন স্পেসি অস্কার জিতেছিলেন। ৪। The Shawshank Redemption একজন আইনজীবী স্ত্রী এবং তার পরকীয়া প্রেমিককে হত্যার দায়ে জেলে যায়। কিন্তু সে খুনটা করে নি। জেলেই কি সে বাকি জীবন পঁচে মরবে? তারপর কি ঘটে? এটি একটি চরম হতাশার মাঝেও আশাবাদের গল্প। ৫। Braveheart এটি স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক উইলিয়াম ওয়ালেসের গল্প। মুভিটি দেখুন। গ্যারান্টি দিচ্ছি সাড়ে তিন ঘণ্টায় একবারও উঠতে ইচ্ছা করবে না। ৬। The Prestige ম্যাজিক নিয়ে মুভি। এটা নোলানের মাস্টারপিস। যেরকম গল্প, সেরকম চিত্রায়ন, সেরা কাস্টিং। ৭। The Butterfly Effect ইভান ট্রেবর্ন এর শিশুকালের কিছু ট্রমা আছে। সে একটা উপায় খুঁজে পায় যার মাধ্যমে সে অতীত ঘটনায় ফিরে গিয়ে বর্তমানকে পরিবর্তন করতে পারে। কিন্তু প্রতিটিই তাকে দুঃখজনক পরিণতিতে নিয়ে যায়। ৮। Memento কাহিনী কিছুই না। শুধুই মেকিং। আগে থেকেই বলে রাখি শতভাগ মনোযোগ নিয়ে দেখবেন। শর্টটার্ম মেমোরি এই সিনেমার মূল উপপাদ্য। তাই বলে আমির খানের 'গজনি'র সাথে মেলালে ভুল করবেন। ৯। L.A. Confidential এক মুভিতে রাসেল ক্রো, কেভিন স্পেসি, গাই পিয়ার্স। বুঝতেই পারছেন মুভিটা কি জিনিস হতে পারে। ক্রাইম থ্রিলার মুভি। ১০। Gone Baby Gone একটি শিশু অপহৃত হওয়া এবং তারপর সেটার ইনভেস্টিগেশন নিয়ে মুভি। শেষে এমন কিছু একটা হবে যেটা আপনি আশা করবেন না। ১১। Nocturnal Animals একজনকে মুভিটা সম্পর্কে বলেছিলাম 'অন্তরে ছুরি চালানো মুভি'। প্রচণ্ড কষ্ট দেয়া গল্প। চোখে পানি আসবে না। বুকটা হাহাকার করবে। ১২। Predestination আমার সবচেয়ে ভয়ংকর মুভির নাম সবার শেষে দিলাম। এককথায় একটি মাথায় গিট্টু লাগানো মুভি। দেখার পর মাথা ভো ভো করবে।

photo content

যে 4 টি মাইন্ডসেট থাকে হাইলি ডিসিপ্লেনেড পিপলদের!! 1) তাদের ফোনে অতিরিক্ত অ্যাপ থাকে না। তারা দরকারি অ্যাপ ছাড়া সব আনিন্সটল করে দেয়। আমি নিজেও ইন্সটাগ্রাম আনিন্সটল করে দিয়েছি। দরকারি কাজের সময় ফোন DnD মোডে দিয়ে উল্টায়া রাখে৷এভাবেই তাদের PROGRESS হয় বিভিন্ন জিনিস SUBSTRACTION এর মাধ্যমে৷ 2) থেমে গেলেই BREAKUP করেন। নাহ প্রেম ভালবাসার ব্রেকাপ করার কথা বলছিনা৷ যেসব কাজ করতে করতে স্টাকড হয়েগেছেন সেসব কাজ ছোট ছোট করে ভেঙে ভেঙে করেন। প্রতিদিন ছোট ছোট করে সেসব কাজ করেন। যেমন ধরেন বই লিখছেন। তো প্রতিদিন এক পাতা করে লিখবেন ১ মাসেই আপনি বই কমপ্লিট করে ফেলবেন৷ আমার কঠিন লাগতো মেশিন ডিজাইন। আমি প্রতিদিন এক টা একটা করে ম্যাথ করতাম। যার ফলাফল হিসেবে আমি টপার হই৷ তো এবার বুঝলেন? স্টাক হয়েগেলে ব্রেক করে কাজ করবেন৷ REMEMBER PROGRESS IS BEST MOTIVATOR 3) LESS but BETTER এই মাইন্ডসেট মূলত একটু রিস্কি। তবে খুবই কার্যকর। কোনটা বেশী ম্যাটার্স আপ্নার কাছে!? প্রথমেই এটা চ্যালেঞ্জিং বলব৷ কারণ FOMO ( FEAR OF MISSING OUT) থাকে৷ যেমন :. আমি আজ সকালে এই একটা কাজ করতে পারবোনা ( Multitask করলেই সমাধান হয়ে যাবে) আমি বিজনেসে ন্যারো টাইপ প্রোডাক্ট নিয়ে ফোকাস করতে পারবনা আর ( কেমন হবে বাকী 3 টা আইডিয়া নিয়ে করলে? যদি হিট হয়!) যখন আপনি () এ দেয়া নতুন জিনিস ইম্যাজিন করেন তখন আপনার ডপামিন হিট করে। যারফলে আপনি একটা কাজই ঠিকভাবে পারেন না। তাই দয়া করে অল্প কাজ বেশী ভালো ভাবে করেন। 4) value কে প্রাধান্য দিন ফিলিংস থেকে! নতুন কোডিং শিখবেন। আচ্ছা এই কোডিং শিখা কি আপনার জীবনে ভ্যালু অ্যাড করবে? অবশ্যই!! অপরদিকে চুমকির সাথে চ্যাটিং করা, বন্ধুর সাথে চা খাওয়া এগুলা কি জীবনে ভ্যালু অ্যাড করবে? মোটেও না৷ তারাই আপ্নাকে ইগ্নোর করবে আকাইম্মা বলবে। সো ভ্যালু অ্যাড করে যেগুলা সেগুলা করেন। অবশ্যই প্যারাসাইকোলজি (Parapsychology) এর সকল পোস্ট পেতে এবং গ্রুপ না হারাতে লাভ রিয়্যাক্ট দিন। এখানেই একমাত্র এই টাইপ গাইড লাইন পাবেন। যা দুনিয়ার কোথাও নাই৷

"সমবয়সী সম্পর্ক - Same Age Relationship" Same Age Relationship ব্যাপারটাকে সবাই পজিটিভ ভাবে নেবার চেয়ে সবাই নেগেটিভ ভাবে আগে নেয়। Same Age Relationship কথাটি শুনলে সবার আগে যে চিন্তাটি মাথায় আসে,"এ রিলেশনের কোনো ভবিষ্যৎ নেয়।" কিন্তু Same Age relationship গুলো অনেক সুন্দর হয় কারণ একে অপরকে বুঝতে যেমন সুবিধা হয়, তেমনিই যত তাড়াতাড়ি ঝগড়া বাধে আর ঠিক তত তাড়াতাড়ি মিল হয়ে যায়। আবার Same Age Relationship মানে, একসাথে পাশাপাশি হেঁটে দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে মুচকি হাসির মাধ্যমে একটি অসম্ভব সুন্দর মুহূর্ত তৈরি করা।এখানে রোমাঞ্চকর মুহূর্তগুলোই বেশি থাকে। আবার অনেকে বলে ছেলের বয়স মেয়েটির বয়স থেকে বেশি হলে ছেলেটিকে ধরে ধরে বোঝাতে হয় না। এখানে আমি একটা উদাহরণ দিতে পারি,"মনে করুন একটি কাপল পার্কে গিয়েছে ঘুরতে।যেখানে স্বামী তার স্ত্রী থেকে ৫-৮ বছরের সিনিয়র।সেখানে একটি দোলনা আছে।দোলনাটাতে স্ত্রীর উঠে দোল খেতে খুব ইচ্ছা করছে।যখন এ কথাটি তার স্বামীকে জানায়.. তখন তার স্বামী তাকে বলে,এখন দোল খেলে লোকে বলবে ভালোবাসার শো অফ করছে।এভাবেই নিরবে ঘুচে যায় স্ত্রীর বিভিন্ন ইচ্ছা।" উদাহরণ শেষে বলতে পারি যে,সমবয়সী কাপলগুলোর ইচ্ছাগুলো প্রায় একই রকমই হয়। আসলে বিবাহে বয়স,উচ্চতা বা ওজন ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়,যতটা গুরুত্বপূর্ণ বোঝাপড়া বা বন্ধুত্ব। কারণ বিবাহটি আপনি মানুষের সাথে করবেন. তার বয়স,উচ্চতা বা ওজনের সাথে নয়। এক সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে যে,যারা বিবাহের পূর্বে একে অপরের বন্ধু ছিলো.পরে তারা বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছে,তারাই সব থেকে খুশি ও আনন্দিত। মূলত সম্পর্কে বয়স বিষয়টা কোনো পাত্তা পায় না। এজন্য সব থেকে যেটা বেশি জরুরি সেটা হলো বন্ধুত্ব এবং মনের মিল। যে আপনাকে বুঝতে পারবে এবং যার সাথে নির্দ্বিধায় সবকিছু Share করতে পারবেন.যদি এমন কেউ পেয়ে থাকেন তবে আপনাকে তাকেই বিয়ে করা উচিত। Couple: Riaz & Noushin