uk
Feedback
ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

Відкрити в Telegram

Official Telegram Channel of Bangladesh Islami Chhatrashibir,Rajshahi University Branch. Social Media link : Facebook : www.facebook.com/RUShibir77 Twitter : www.x.com/RUShibir77 YouTube : www.youtube.com/@RUShibir77

Показати більше
3 841
Підписники
Немає даних24 години
-117 днів
-5830 днів

Триває завантаження даних...

Хмара тегів
Немає даних
Виникли проблеми? Будь ласка, оновіть сторінку або зверніться до нашого support-менеджера.
Вхідні та вихідні згадування
---
---
---
---
---
---
Залучення підписників
червень '26
червень '26
+6
в 0 каналах
травень '26
+10
в 0 каналах
Get PRO
квітень '26
+83
в 0 каналах
Get PRO
березень '26
+9
в 0 каналах
Get PRO
лютий '26
+27
в 0 каналах
Get PRO
січень '26
+32
в 0 каналах
Get PRO
грудень '25
+33
в 0 каналах
Get PRO
листопад '25
+22
в 0 каналах
Get PRO
жовтень '25
+33
в 0 каналах
Get PRO
вересень '25
+42
в 0 каналах
Get PRO
серпень '25
+56
в 0 каналах
Get PRO
липень '25
+36
в 0 каналах
Get PRO
червень '25
+40
в 0 каналах
Get PRO
травень '25
+42
в 0 каналах
Get PRO
квітень '25
+35
в 0 каналах
Get PRO
березень '25
+44
в 0 каналах
Get PRO
лютий '25
+52
в 0 каналах
Get PRO
січень '25
+57
в 0 каналах
Get PRO
грудень '24
+44
в 0 каналах
Get PRO
листопад '24
+61
в 0 каналах
Get PRO
жовтень '24
+118
в 0 каналах
Get PRO
вересень '24
+549
в 0 каналах
Get PRO
серпень '24
+1 299
в 0 каналах
Get PRO
липень '24
+479
в 0 каналах
Get PRO
червень '24
+77
в 0 каналах
Get PRO
травень '24
+95
в 0 каналах
Get PRO
квітень '24
+113
в 0 каналах
Get PRO
березень '24
+115
в 0 каналах
Get PRO
лютий '24
+176
в 0 каналах
Get PRO
січень '24
+229
в 0 каналах
Get PRO
грудень '23
+1 786
в 0 каналах
Дата
Залучення підписників
Згадування
Канали
14 червня0
13 червня+2
12 червня0
11 червня0
10 червня0
09 червня0
08 червня0
07 червня0
06 червня+1
05 червня+2
04 червня0
03 червня0
02 червня+1
01 червня0
Дописи каналу
ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে "শহীদ ভাইদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ এবং ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়।" ২১ শহীদের রক্তস্
+7
ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার পক্ষ থেকে "শহীদ ভাইদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ এবং ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়।" ২১ শহীদের রক্তস্নাত ময়দান রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২১ জন ভাই শাহাদাত বরণ করেন। শহীদ ভাইদের পরিবারের ঈদকে কিছুটা স্বস্তিদায়ক করতে ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার দায়িত্বশীলবৃন্দ প্রতি ঈদে পরিবারগুলোতে সাক্ষাৎ করতে যান। প্রতিবছরের ন্যায় এবছর ও শহীদ পরিবারে সাক্ষাৎ করতে যান শাখা সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসানসহ দায়িত্বশীলবৃন্দ। এসময় তারা শহীদ আইয়ুব আলী, শহীদ মুস্তাফিজুর রহমান(যশোর), শহীদ মুস্তাফিজুর রহমান(চুয়াডাঙ্গা), শহীদ আসলাম হোসাইন, শহীদ রবিউল ইসলাম ভাইয়ের পরিবারে সাক্ষাৎ করেন এবং ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

2
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ​শহীদ শরীফুজ্জামান নোমানী হত্যাকাণ্ডের বিচার ও খুনি ছাত্রলীগ-প্রশাসনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি ​২০০৯ সালের ১৩ মার্চ বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন সেক্রেটারি শরীফুজ্জামান নোমানীকে সুপরিকল্পিত ও নৃশংসভাবে হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ এবং অবিলম্বে খুনিদের বিচারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। ​আজ ১৩ মার্চ (শুক্রবার) এক যৌথ বিবৃতিতে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল ও সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসান এই দাবি জানান। নেতৃবৃন্দ বলেন, "২০০৯ সালের এই দিনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এক কলঙ্কজনক অধ্যায় রচিত হয়েছিল। তৎকালীন ক্ষমতাসীন দলের ছাত্রসংগঠন ছাত্রলীগের ক্যাডারবাহিনী এবং প্রশাসনের একশ্রেণির দলদাস শিক্ষক ও কর্মকর্তার প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদে মেধাবী ছাত্রনেতা শরীফুজ্জামান নোমানীকে অত্যন্ত বর্বরভাবে শহীদ করা হয়েছিল। এই হত্যাকাণ্ড ছিল ক্যাম্পাসে ভিন্নমত ও আদর্শিক নেতৃত্বকে স্তব্ধ করার এক সুপরিকল্পিত রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।" ​নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "দীর্ঘ ১৭ বছর পার হলেও এই বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করা হয়নি। তৎকালীন প্রশাসন খুনিদের রক্ষা করতে এবং মামলার তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে যে ভূমিকা পালন করেছিল, তা স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে বিচারহীনতার এক নিকৃষ্টতম উদাহরণ। এই রাজনৈতিক লেজুড়বৃত্তি এবং ক্ষমতার অপব্যবহার শিক্ষার পরিবেশকে বিষাক্ত করে তুলেছে। আমরা মনে করি, শহীদ নোমানী হত্যার বিচারহীনতার এই সংস্কৃতিই ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতির নামে নৈরাজ্য, টেন্ডারবাজি ও সহিংসতার পথ প্রশস্ত করেছে।" ​নেতৃবৃন্দ উল্লেখ করেন, "বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, কোনো সুনির্দিষ্ট হত্যাকাণ্ডের বিচার ব্যতিরেকে ইনসাফ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। শহীদ নোমানী হত্যার নেপথ্যে থাকা পরিকল্পনাকারী এবং সরাসরি অংশগ্রহণকারী ছাত্রলীগ ক্যাডারদের পাশাপাশি তৎকালীন প্রশাসনের যারা তথ্যপ্রমাণ লোপাট ও খুনিদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছিল, তাদের প্রত্যেককে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। শহীদের রক্ত কখনো বৃথা যায় না; আমরা বিশ্বাস করি, ইনসাফ প্রতিষ্ঠার এই লড়াই অব্যাহত থাকবে এবং খুনিরা জনতার আদালতে ও আইনের কাঠগড়ায় বিচার পাবেই।" ​পরিশেষে নেতৃবৃন্দ বলেন, "ক্যাম্পাসে ন্যায়বিচার, গণতন্ত্র ও নিরাপদ শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে শহীদ নোমানীর আদর্শ আমাদের অনুপ্রাণিত করবে। আমরা রাজপথের সকল গণতান্ত্রিক ও ইসলামী শক্তিকে এই বিচারহীনতার অপসংস্কৃতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। একই সঙ্গে আমরা শহীদ শরীফুজ্জামান নোমানীর রুহের মাগফিরাত কামনা করছি এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি।" ​বার্তা প্রেরক ​মেহেদী সজীব প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
847
3
Немає тексту...
526
4
সেমিনারের প্রধান আলোচক রাবির অধ্যাপক ড. মো. আবুল হাশেম স্যার বলেছিলেন; শিবিরের দায়িত্বশীলরা এত বড় বড় দায়িত্ব পালন করার পরও যে পড়াশোনা করে এত সুন্দর তথ্য বহুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করতে পারে এটা অবিশ্বাস্য, অবিস্মরণীয়। এছাড়া পলাশী ট্র্যাজেডি, এপ্রিল ফুল, ছুটি বিতর্ক : প্রেক্ষিত বাংলাদেশ ইত্যাদি বিষয়ে তার লেখা স্থানীয় জাতীয় পত্রিকাতে প্রকাশিত হয়েছে। তার ব্যক্তিগত ডায়েরীতে অসংখ্য কবিতা লেখা আছে। ➤ চারিত্রিক মাধুর্যে অনন্য :- তার চারিত্রিক গুণাবলি ও আচার ব্যবহার নবীর সাহাবীদের মতই ছিল। এলাকাবাসী তার সম্পর্কে বলেছে; নোমানী বাসায় এসে আগে আমাদের খোঁজ খবর নিত, সালাম দিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরত। এলাকার জানাযার নামাজে সে নিজেই ইমামতি করত। অথচ আমরাই তার জানাযায় শরীক হয়েছি। বড় ভাই তার সম্পর্কে বলেন; নোমানী অপরকে খুব সহজেই আপন করে নিত। কী অপরাধ ছিল তার প্রিয় ভাই নোমানীর? কেন তাকে নির্মমভাবে কুপিয়ে হত্যা করা হলো? তিনি তো শুধু তার প্রিয় ভাই ফরহাদকে বাঁচাতে চেয়েছিলেন। আজ বিবেকবান মানুষ কিছুতেই মেনে নিতে পারছে না এই নারকীয় তাণ্ডবতা ও হিংস্রতা। জীবনের সবচেয়ে প্রিয় এবং মূল্যবান জীবনের চেয়ে প্রিয় ইসলামী আন্দোলন ও শাহাদাতের রক্তমাখা এ পথ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বীন কায়েমের অতন্দ্র প্রহরীদের প্রাণের স্পন্দন যতদিন থাকবে, ততদিন শহীদ নোমানীর সংগ্রামী জীবনের ইতিহাস স্বর্ণালি অক্ষরে লেখা থাকবে। শহীদ নোমানীর প্রতি ফোঁটা রক্ত মতিহারের সবুজ চত্বরে অভিশপ্ত ঘাতকদের প্রতি অভিশাপের তীর প্রতিনিয়ত নিক্ষিপ্ত হবে। ➤ এক নজরে শহীদ শরীফুজ্জামান নোমানী :- নাম : শরীফুজ্জামান নোমানী পিতা : মু. হাবিবুল্লাহ মাস্টার মাতা : মোছাম্মাৎ রেজিয়া খাতুন ভাইবোন : ৪ ভাই ২ বোন ( তিনি পঞ্চম) স্থায়ী ঠিকানা : আন্ধারিয়া পাড়া (উত্তর), কাঠাখালী, ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান : নবীনগর বিএচ দাখিল মাদ্রাসা (৮ম শ্রেণী পর্যন্ত), ছনকান্দা দাখিল মাদ্রাসা (দাখিল উত্তীর্ণ), কাতলাসেন কাদেরিয়া আলিয়া মাদ্রাসা (আলিম উত্তীর্ণ), রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (অনার্স ও মাস্টার্স উত্তীর্ণ - ইসলামী শিক্ষা, এমবিএ দ্বিতীয় সেমিস্টারে অধ্যয়নরত) সাংগঠনিক মান : সদস্য সর্বশেষ দায়িত্ব : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সেক্রেটারি আক্রান্ত হওয়ার স্থান : শের-ই-বাংলা হল, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় আঘাতের ধরন : রামদা, কিরিচ, হকিস্টিক, লাঠি-সোটা দিয়ে আঘাত করলে মাথার মগজ বের হয়ে যায়। যাদের আঘাতে শহীদ : ছাত্রলীগের গুণ্ডাবাহিনী শহীদ হওয়ার তারিখ : ১৩ মার্চ ২০০৯ (দুপুর সাড়ে ১২ টা) যে শাখার শহীদ : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।
505
5
শহীদ শরীফুজ্জামান নোমানী : স্মৃতির পাতায় যার নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা ➤ ঘটনার সূত্রপাত :- ১৯৮২ সালের ১১ মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের গুণ্ডাদের সশস্ত্র আক্রমণে শহীদ ছাত্রশিবিরের চারজন নেতারকর্মীর শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিয়ে ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণ শোকর‍্যালি ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি ইমাজ উদ্দিন মণ্ডল ও মাইনুল ইসলাম ভাই সেদিন অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। নোমানী ভাইকে সেদিন শহীদ আইয়ুব আলী ভাইয়ের বাসা চুয়াডাঙ্গায় পাঠানো হয়েছিল। র‍্যালি শেষে যখন কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি চত্বরে সমাবেশ চলছে ঠিক সেই মুহূর্তে ছাত্রলীগের একটি মিছিল ছাত্রশিবিরের সমাবেশের কাছে এসে শিবিরের বিরুদ্ধে মিছিল-স্লোগান দিতে থাকে। কিছুক্ষণের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল ছোঁড়া শুরু হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা, প্রক্টর, পুলিশের উপস্থিতি ছিল নির্বিকার। ছাত্রশিবিরের দায়িত্বশীলগণ চরম ধৈর্যের সাথে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে ক্যাম্পাসে পড়ালেখার পরিবেশ অব্যাহত রাখার প্রচেষ্টা চালাতে থাকেন। কিন্তু ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসে তাদের দখলদারিত্ব কায়েমে মরিয়া হয়ে ওঠে। এরই মধ্যে তারা চারদিক থেকে অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের টেন্টে জড়ো হতে থাকে। ছাত্রশিবিরের জনশক্তিদেরও সতর্ক হতে বলা হয়। বিকেলের দিকে পরিস্থিতি শান্ত হলে পুলিশের সহযোগিতায় তারা হলে অবস্থান করে। কিন্তু ষড়যন্ত্র এখানেই থেমে থাকেনি। রাত্রে অস্ত্র উদ্ধারের নামে বেছে বেছে ছাত্রশিবিরের রুমগুলোতে তল্লাশি চালায় পুলিশ। কিন্তু কিছু না পেয়ে সেদিন পুলিশ ফিরে যায়। পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝতে পেরে শাখা সভাপতি জরুরি ভিত্তিতে নোমানী ভাইকে চুয়াডাঙ্গা থেকে ফিরে আসতে বলেন। পরের দিন ১২ মার্চ দিবাগত রাতে চলে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান। প্রতিটি হলের গেটে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের অস্ত্রে সজ্জিত রেখে পুলিশ হলে গ্রেপ্তার অভিযান চালায়। বেছে বেছে ছাত্রশিবিরের প্রায় শতাধিক নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করে ছাত্রলীগের জন্য হল উন্মুক্ত করে দিয়ে যায়। যেন অবশিষ্ট অল্প কিছুসংখ্যক ছাত্রশিবির কর্মীদের ওপর হত্যাযজ্ঞ চালাতে পারে ছাত্রলীগ। এটা দায়িত্বশীলরা আগেই বুঝতে পেরেছিলেন। সত্যিই তাই হলো। হল তল্লাশি করে যখন পুলিশ হল ছেড়েছে ১৩ মার্চ সকাল ৭টায়, সর্বপ্রথম খবর এলো তারা সোহরাওয়ার্দী হল ও জোহা হল আক্রমণ করেছে। খুব দ্রুত শাখা সভাপতি বিনোদপুর থেকে নোমানী ভাইয়ের নেতৃত্বে কিছু ভাইদের তিন হল চত্বরের কাছে পাঠালেন আর সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ আলম ভাইয়ের নেতৃত্বে কিছু ভাইদের শের-ই-বাংলা হলের সামনে পাঠালেন। কয়েকজন ভাইকে নিয়ে শাখা সভাপতি বিনোদপুর থাকলেন। সকাল ৯টায় তারা হামলা চালাল বিনোদপুরে। শাখা সভাপতির নেতৃত্বে দৃঢ়তার সাথে প্রতিরোধ চালিয়ে যাচ্ছিল ইসলামী আন্দোলনের কর্মী ভাইয়েরা। নোমানী ভাই কিছু ভাইকে নিয়ে গোটা ক্যাম্পাস থেকে সন্ত্রাসী বাহিনীকে তাড়িয়েছেন। এমন সময় খবর এলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ আলমসহ ১১ জনকে তারা শের-ই-বাংলা হলে জিম্মি করে পৈশাচিক কায়দায় নির্যাতন করছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাদেরকে হত্যা করবে। তাদেরকে উদ্ধারের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু শান্তিকামী শিক্ষক, হলের প্রভোস্ট ও হাউস টিউটরগণ সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত সরাসরি ভাইস চ্যান্সেলরের বাসভবনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসনের কাছে অব্যাহত অনুরোধ সত্ত্বেও হলে জিম্মি হয়ে পড়া নির্যাতিত ছাত্রদের উদ্ধারের কোনো প্রকারের সহযোগিতা পাননি। শাখা সভাপতি বারবার অনুরোধ জানালেও বিশ্ববিদ্যলায়ের প্রশাসন পদক্ষেপ নেয়নি এবং পুলিশ তাদের অসহায়ত্বের কথা প্রকাশ করে। এক পর্যায়ে শাখা সভাপতি কিছু ভাইদের নিয়ে তাদের উদ্ধারের উদ্দেশ্যে শের-ই-বাংলা হলে প্রবেশের চেষ্টা করলে তারা ফরহাদ আলমের মাথায় পিস্তল ও রামদা ঠেকিয়ে বলে ভেতরে ঢুকলে একদম শেষ করে দেব। ফলে তারা পেছনে ফিরে আসতে বাধ্য হয়। এমতাবস্থায় ১১টা ৩০ মিনিটে নোমানী ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন ও পুলিশের সাথে কথা বলে আটককৃতদের সাথে দেখা করার জন্য শের-ই-বাংলা হলে যাওয়ার পথে পুলিশের উপস্থিতিতে সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা নোমানী ভাইসহ মাহবুব, আবু রায়হান, জিন্নাহ ও আশরাফ হোসেনকে টেনে হেঁছড়ে হলের পূর্ব প্রাচীরের দিকে নিয়ে যায়। সন্ত্রাসীদের হাতে থাকা হকিস্টিক, চাপাতি, রামদা দিয়ে নোমানী ভাইয়ের মাথায় আঘাত করলে মাথা কেটে মগজ বের হয়ে যায় এবং সেখানেই চিরনিদ্রার সুখ অনুভব করেন আমাদের প্রিয় ভাই শরীফুজ্জামান নোমানী। (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্নাইলাইহি রাজিউন)। ➤ বহুমুখী প্রতিভার অধিকারী নোমানী :- নোমানী ভাই শুধু ছাত্র হিসেবে ভাল ছাত্রই ছিলেন না, তিনি একজন দক্ষ সংগঠক এবং নিষ্ঠাবান দায়িত্বশীল ও অনন্য প্রতিভার অধিকারি ছিলেন। রমজানে সদস্যদের নিয়ে আয়োজিত ‘জাতি গঠনে রমজানের ভূমিকা’ শীর্ষক এক সেমিনারে তিনি চমৎকার এক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেছিলেন।
405
6
Немає тексту...
391
7
আমাদের পায়ের নিচের মাটি থেকে মাথার ওপরের আসমান পর্যন্ত সকল ক্ষমতাসীন পদে আজ ইসলাম বিরোধীরা অবস্থান করছে। তবে ভয় পাবার কিছু নে
আমাদের পায়ের নিচের মাটি থেকে মাথার ওপরের আসমান পর্যন্ত সকল ক্ষমতাসীন পদে আজ ইসলাম বিরোধীরা অবস্থান করছে। তবে ভয় পাবার কিছু নেই আসমানের ওপর যিনি আছেন তিনি আমাদের পক্ষে। #WeAreNomani #Chhatrashibir
432
8
১৯৮২ সালের ১১ই মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের নবাগত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে 'সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ' এর নামে ছাত্র
১৯৮২ সালের ১১ই মার্চ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশিবিরের নবাগত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে 'সর্বদলীয় ছাত্রসংগ্রাম পরিষদ' এর নামে ছাত্রলীগ, জাসদ ছাত্রলীগ, ছাত্র মৈত্রী, ছাত্র ইউনিয়নের পরিকল্পিত যৌথ হামলায় শাহাদাত বরণ করেন ছাত্রশিবিরের প্রথম শহীদ সাব্বির আহমদ। একনজরে- • শহীদের নাম: শহীদ সাব্বির আহমদ • শাহাদাৎ ক্রম: ০১ • সাংগঠনিক মান: সদস্যপ্রার্থী • আহত হওয়ার স্থান: রাবির প্রশাসনিক ভবনের সামনে • অস্ত্রের ধরন: ছুরি, লাঠি, বল্লম, হকিস্টিক, রড ইত্যাদি • যাদের আঘাতে শহীদ: ছাত্র ইউনিয়ন, ছাত্রলীগ ও ছাত্রমৈত্রী • শহীদ হওয়ার স্থান: ঘটনাস্থল • শাহাদাতের তারিখ: ১১ মার্চ ১৯৮২; সকাল ১১টা • স্থায়ী ঠিকানা: উপশহর, বোয়ালিয়া, রাজশাহী #ShaheedDay #11March #Chhatrashibir
969
9
শহীদ মাইদুল ইসলাম: মতিহারের ত্যাগের প্রেরণা। ​রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামী ছাত্রশিবিরের আজকের এই সুসংহত অবস্থানের পেছনে মিশে আছে এক রক্তাক্ত দীর্ঘশ্বাস। মতিহারের এই সবুজ চত্বরকে দ্বীনি আন্দোলনের জন্য উর্বর করতে আমাদের ২২ জন প্রিয় ভাই তাঁদের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়েছেন। আজ আমরা রাকসু নির্বাচনে যে বিশাল বিজয় আমরা অর্জন করেছি, তা মূলত সেই সকল শহীদদের আত্মত্যাগেরই ফসল।আজ সেই মহান আত্মাদের একজনকে স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। ​১লা ফেব্রুয়ারি আমরা হারিয়েছিলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্রশিবিরের ২০তম শহীদ, শহীদ মাইদুল ইসলাম ভাইকে। ​নীলফামারী জেলার ‘সুখধন’ নামক এক নিভৃত পল্লী থেকে বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে তিনি পা রেখেছিলেন এই ক্যাম্পাসে। বাবা-মায়ের সাত সন্তানের মধ্যে দ্বিতীয় মাইদুল ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিকে সাফল্যের স্বাক্ষর রেখে তিনি ভর্তি হয়েছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি বিভাগে। সেখানেও তিনি মেধার স্বাক্ষর রেখেছিলেন অনার্সে অর্জন করেছিলেন প্রথম শ্রেণিতে দ্বিতীয় স্থান। ​​সংগঠনের প্রতিটি দায়িত্ব পালনে তিনি ছিলেন অকুতোভয় ও চৌকস। বিভিন্ন মসজিদে নামাজের ইমামতি করতেন। ছুটিতে বাড়িতে গেলেও তিনি সেখানে ইসলামের সুমহান আদর্শের প্রচার করতেন ছাত্রদের মাঝে। জুমার খুতবায় যখন তিনি দাঁড়াতেন, গ্রামের মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো তাঁর কথা শুনত। ​মাইদুল ভাইয়ের মমতাময়ী মা স্বপ্ন দেখতেন তাঁর সন্তান একদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হবে, পরিবারের অভাব ঘুচাবে। কিন্তু ২০১৪ সালের ১লা ফেব্রুয়ারি আওয়ামী ফ্যাসিবাদের দোসর পুলিশ বাহিনীর দীর্ঘ ৫০ দিনের নির্মম গুম ও পৈশাচিক নির্যাতনেই থেমে যায় সেই স্বপ্ন। দীর্ঘ ৫০ দিন গুম থাকার পর বগুড়ার মোকামতলায় পড়ে তাঁকে তাঁর নিথর দেহ সেই হৃদয়বিদারক দৃশ্য আজও আমাদের হৃদয়ে রক্তক্ষরণ ঘটায়। ​শহীদ মাইদুল ভাইয়ের পিতার সেই অটল বিশ্বাস আমাদের পাথেয়। তিনি বলেছিলেন "এটা তার জন্য উত্তম মৃত্যু, আল্লাহর কাছে রয়েছে উত্তম ফয়সালা।" ​আজকের এই দিনে আমরা পরম করুণাময় আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানাই হে আল্লাহ! ইসলামী আন্দোলনের জন্য শহীদ মাইদুল ভাইয়ের এই ত্যাগ ও শাহাদাতকে আপনি কবুল করুন। তাঁকে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন। আমিন।
959
10
Немає тексту...
893
11
Немає тексту...
1 279
12
সম্প্রতি বিএনপি নেতা মোশাররফ আহমেদ ঠাকুর কর্তৃক প্রদত্ত নিকাববিরোধী কুরুচিপূর্ণ ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্যের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা। আজ (১২ জানুয়ারি) এক যৌথ বিবৃতিতে ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল ও সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসান এ প্রতিবাদ জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, "বিএনপি নেতা মোশাররফ আহমেদ ঠাকুরের মন্তব্য মুসলিম নারীদের পর্দাপ্রথার অবিচ্ছেদ্য অংশ নিকাব সম্পর্কে তাঁর অন্তর্নিহিত ইসলামবিদ্বেষী মনোভাবের বহিঃপ্রকাশ। তিনি তাঁর বক্তব্যে দাবি করেছেন “নিকাব মুসলমানদের পোশাক নয়। ইহুদি নারীরা যখন বেশ্যাবৃত্তি করত, তখন নিকাব পরত।” প্রকাশ্যে দেওয়া এই বক্তব্য ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ শরয়ী বিধান নিয়ে চরম মিথ্যাচার ও ইতিহাস বিকৃতির শামিল।" নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, 'হিজাব শুধু বাঙালি মুসলিম নারীর পোশাক নয়; বরং আবহমান কাল থেকে চলে আসা মুসলিম নারীদের ধর্মীয় পোশাকের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই পোশাক নিয়ে এমন অবমাননাকর বক্তব্য শুধু ইসলাম অবমাননাই নয়, বরং মুসলমানদের ধর্মীয় বিশ্বাস ও সংস্কৃতির ওপর সরাসরি আঘাত। মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে মুসলিম নারীদের পোশাক নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য সম্পূর্ণ অনভিপ্রেত ও অনাকাঙ্ক্ষিত।" নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, "আমরা লক্ষ্য করেছি সারা দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাসরুম, ভাইভা রুম ও অন্যান্য একাডেমিক কার্যক্রমে নিকাব পরিহিত শিক্ষার্থীরা নানা ধরনের হয়রানি, তাচ্ছিল্য ও বৈষম্যের শিকার হয়ে থাকেন। বিএনপি নেতার এই বক্তব্য সেইসব অন্যায় কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিকভাবে বৈধতা দেওয়ার শামিল।" সবশেষে নেতৃবৃন্দ বলেন, "বিএনপি নেতা মোশাররফ আহমেদ ঠাকুরের এই বক্তব্য দেশের ধর্মপ্রাণ মানুষের হৃদয়ে গভীর আঘাত হেনেছে। তাই আমরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি তাঁর প্রদত্ত এই ধর্ম অবমাননাকর বক্তব্যের যথাযথ বিচার করতে হবে এবং তাঁকে জাতির কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চাইতে হবে। একই সঙ্গে আমরা বিএনপির হাইকমান্ডের কাছে দাবি জানাই, উক্ত নেতার বিরুদ্ধে দলীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করুন । পাশাপাশি প্রশাসনের কাছে আরও দাবি জানাচ্ছি দেশের বিভিন্ন কর্মস্থল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হিজাবি ও নিকাবি নারীরা যে হয়রানি, তাচ্ছিল্য ও বৈষম্যের শিকার হন, তা বন্ধে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।"
1 071
13
আসসালামু আলাইকুম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিয় শিক্ষার্থী ভাই ও বোনেরা, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির,
আসসালামু আলাইকুম। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রিয় শিক্ষার্থী ভাই ও বোনেরা, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা আয়োজন করতে যাচ্ছে এক বর্ণাঢ্য প্রকাশনা উৎসব। এই আয়োজনে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থী ভাই–বোনদের সাদর আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আপনাদের উপস্থিতি আমাদের আয়োজনকে আরও প্রাণবন্ত ও সফল করে তুলবে। 🗓 তারিখ: ১৩–১৬ জানুয়ারি, ২০২৬ ⏰ সময়: সকাল ৯:০০টা – রাত ৯:০০টা 📍 স্থান: বুদ্ধিজীবী চত্বর
882
14
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কর্তৃক বিজয়ের প্রথম প্রহরে সাইকেল র‍্যালি অনুষ্+5
মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কর্তৃক বিজয়ের প্রথম প্রহরে সাইকেল র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়। এসময় সাইকেল র‍্যালিটি পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিন করে। সাইকেল র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি ও রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, সেক্রেটারী মুজাহিদ ফয়সাল সহ শাখা পর্যায় ও হল-অনুষদের দায়িত্বশীলবৃন্দ।
1 712
15
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কর্তৃক ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরন অনুষ্ঠানের সময়সূচি। ত
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কর্তৃক ২০২৪-২৫ সেশনের শিক্ষার্থীদের নিয়ে নবীনবরন অনুষ্ঠানের সময়সূচি। তারিখঃ- ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ (শনিবার) সময়ঃ- উপহার সামগ্রী প্রদানঃ- সকাল ৮:৩০ থেকে ৯:১৫ আসন গ্রহনঃ- সকাল ৯:১৫ থেকে ৯:৩০ প্রোগ্রাম শুরুঃ- সকাল ৯:৩০ স্থানঃ- কাজী নজরুল ইসলাম অডিটোরিয়াম। উক্ত দিনে ২০২৪-২৫ সেশনের রেজিস্ট্রেশনকৃত সকলকে যথাসময়ে যথাস্থানে উপস্থিত হওয়ার আহবান রইলো।
1 242
16
’দুর্বার নেতৃত্বে গড়ি স্বপ্নের ক্যাম্পাস’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক আয়োজিত কেন্দ্রীয় ছাত্রসং+2
’দুর্বার নেতৃত্বে গড়ি স্বপ্নের ক্যাম্পাস’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির কর্তৃক আয়োজিত কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ভিসি এবং প্রো-ভিসিদ্বয়কে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন ছাত্রশিবিরের সম্মানিত কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদুল ইসলাম। ব্যস্ততার কারণে উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত না হতে পারায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মানিত ভিসি এবং প্রো-ভিসিদ্বয়কে ছাত্রশিবিরের উপহার সামগ্রী আজ পৌছে দেওয়া হয়েছে। এসময় উপস্থিত ছিলেন ছাত্রশিবির রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাংগাঠনিক সম্পাদক মেহেদী হাসান। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয় শাখার গবেষণা ও আন্তর্জাতিক সম্পাদক, মানবসম্পদ ব্যাবস্থাপনা সম্পাদক, প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক সহ বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
1 347
17
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। প্রিয় নবীন রাবিয়ান ভাই ও বোনেরা, আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে আপনারা সুস্থতা ও প্রফুল্লতার সা
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ। প্রিয় নবীন রাবিয়ান ভাই ও বোনেরা, আশা করি আল্লাহর অশেষ রহমতে আপনারা সুস্থতা ও প্রফুল্লতার সাথে বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের মূল্যবান সময় অতিবাহিত করছেন। বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের পথচলা আরও সুন্দর, স্বার্থক ও স্বপ্নময় করে তোলার উদ্দেশ্যে ‘বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়’ ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতায় শীঘ্রই আয়োজন করতে যাচ্ছে "নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন" প্রোগ্রাম। ২০২৪-২৫ সেশনের সকল নবীন শিক্ষার্থী ভাই-বোনকে উক্ত আয়োজনে সাদর আমন্ত্রণ জানানো যাচ্ছে। অনুষ্ঠানের তারিখঃ ১৫/১১/২০২৫ (শনিবার) স্থানঃ কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নিচে দেওয়া গুগল ফর্মটি পূরণ করার অনুরোধ রইল। নবীনবরনে রেজিষ্ট্রেশন করার শেষ সময়ঃ ৬ নভেম্বর (রাত ১২ঃ০০ পর্যন্ত) গুগল ফর্ম লিংকঃ https://docs.google.com/forms/d/1cwa3aLsNYKptFKsSAFAwN0tE7DCgtZziLnuph3tBJp4/edit?ts=68d77911 বিঃদ্রঃ যারা পূর্বে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন, তারা নতুন করে রেজিষ্ট্রেশন করার প্রয়োজন নেই।
1 273
18
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কর্তৃক ২০২৪-২৫ সেশনের সকল নবীন ভাই-বোনদের নিয়ে আয়োজিত "নবীন বরণ ও ক্যা
বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কর্তৃক ২০২৪-২৫ সেশনের সকল নবীন ভাই-বোনদের নিয়ে আয়োজিত "নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন" প্রোগ্রামের অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন- মোঃ আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক, বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির। সহ-সভাপতি (ভিপি), ডাকসু। অনুষ্ঠানের তারিখঃ ১৫/১১/২০২৫ (শনিবার) স্থানঃ কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য নিচে দেওয়া গুগল ফর্মটি পূরণ করার অনুরোধ রইল। নবীনবরনে রেজিষ্ট্রেশন করার শেষ সময়ঃ ৬ নভেম্বর (রাত ১২ঃ০০ পর্যন্ত) গুগল ফর্ম লিংকঃ https://docs.google.com/forms/d/1cwa3aLsNYKptFKsSAFAwN0tE7DCgtZziLnuph3tBJp4/edit?ts=68d77911 বিঃদ্রঃ যারা পূর্বে রেজিষ্ট্রেশন করেছেন, তারা নতুন করে রেজিষ্ট্রেশন করার প্রয়োজন নেই।
1
19
কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে "+4
কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা কর্তৃক বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদে "দারসুল কুরআন" প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়। দারস পেশ করেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন প্রফেসর ড. আবুল হাশেম স্যার। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি ও রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, বিশ্ববিদ্যালয় সেক্রেটারী মুজাহিদ ফয়সাল, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ মেহেদী হাসান সহ অন্যান্য দায়িত্বশীলবৃন্দ।
1 530
20
নোয়াখালীতে কুরআন তালিম প্রোগ্রামে হামলার প্রতিবাদে " দারসুল কুরআন " প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। সময়: বাদ মাগরিব স্থান: বিশ্ববিদ্য
নোয়াখালীতে কুরআন তালিম প্রোগ্রামে হামলার প্রতিবাদে " দারসুল কুরআন " প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হবে। সময়: বাদ মাগরিব স্থান: বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ উক্ত "দারসুল কুরআন" প্রোগ্রামে সবাইকে অংশগ্রহণ করার আহবান জানাচ্ছি। আয়োজনে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।
1 221