এসো সংশোধনের পথে
Відкрити в Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Показати більше801
Підписники
Немає даних24 години
Немає даних7 днів
-130 день
Архів дописів
কিছু আবেগ কিছু ব্যাথা...
প্রায় বছর খানেক আগে একজন অসুস্থ আল্লাহ্ওয়ালা আলেমে দ্বীনকে দেখতে যাওয়ার তাওফিক হয়েছিল। আমরা দুইজন হুযুরকে দেখতে গিয়েছিলাম। সাথে ছিল সামান্য কিছু ফল-ফ্রুট।
অনুমতির জন্য প্রথমে তাঁর ছেলেকে ঘরে পাঠানো হলো। অনুমতি মিললে দু'জনে মিলে ঘরের দিকে গেলাম। হুযুরের পেছনে কতো নামায পড়েছি, কতো বয়ান শোনে চোখ টলমল করেছে কিন্তু কখনো হুযুরের বাসায় যাওয়া হয়নি। এই প্রথম হুযুরের বাসার উদ্দেশ্যে যাচ্ছি। মনে মনে কতো চিন্তা যে বাসাটা হয়তো এরকম হবে নয়তো ওরকম হবে। চিন্তা করতে করতে জীর্ণ-শীর্ণ একটি টিনের ঘরের সামনে গিয়ে দাঁড়ালাম। ঘরের সামনে দিয়ে প্রবাহমান ময়লা পানির নালা।
যাইহোক। সালাম দিয়ে ঘরে ঢুকলাম। হুযুর এমনিতেই হালকা গড়নের মানুষ। খাটের উপর পায়জামা আর গেঞ্জি পরিহিত অবস্থায় শুয়ে ছিলেন। আমাদেরকে দেখে খুব খুশি হলেন। অত্যন্ত অসুস্থ থাকা সত্ত্বেও শোয়া থেকে হালকা উঠে আমাদের সাথে মুসাফাহা করলেন। ভালোভাবে কথা বলতে পারছিলেন না। আমরা এই অবস্থা দেখে আর কথা বলছিলাম না।
কিছুক্ষণ নীরবেই কেটে গেলো। চোখ মেলে ভালো মতো ঘরটা দেখছিলাম। ঘরের বিভিন্ন জায়গায় পুরোনো টিনগুলো দেবে গিয়েছিলো। মেঝের বিভিন্ন স্থানে ফাঁটল ছিলো। ঘরের খুঁটিগুলো যে বেশ পুরোনো হয়ে গেছে তা দেখামাত্রই বোঝা যাচ্ছিলো। হুযুর তার কর্মজীবনের সুদীর্ঘ ১০ বছরাধিক কাল তার চার ছেলেমেয়েসহ এই ভাড়া নেয়া জীর্ণ-শীর্ণ টিনের ঘরেই কাটিয়ে দিয়েছেন। এর মধ্যে কতো অভাব অনটন, বাঁধা-বিপত্তি, মাস শেষে বেতনের সামান্য কিছু টাকা সময়মতো না পেয়ে সবাইকে নিয়ে কষ্ট সহ্য করা, জুমার সময় হক কথা বলার কারণে কতো জনের চোখ রাঙ্গানো বরদাশত করতে হয়েছে তার কোন ইয়ত্তা নেই।
মনে মনে ভাবছিলাম হুযুর এতো ইলমের অধিকারী অথচ তাঁর পোশাক আশাকে কখনো বুঝতে পারিনি মুকুটবিহীন এই সম্রাট এই জীর্ণ ঘরেই জীবনের বড় একটা অংশ পার করে দিয়েছেন। এটাই দেখা গেছে আল্লাহ্ তা'আলার আশেক বান্দাদের দুনিয়ায় সামানা কম হয়ে থাকে।
পাশেই বসা ছিলো হুযুরের নাবালেগ ছোট্ট বাচ্চা। বসে বসে হাসছিলো। দুনিয়াদার ব্যক্তি সন্তানের জন্য হাজার কোটি টাকার সম্পদ রেখে গেলেও এই চিন্তায় বিভোর থাকে যে আমার মৃত্যুর পরে আমার সন্তানের কি হবে! ছোট্ট এই শিশুটির মনে কি এই চিন্তা ছিলো যে, আমার বাবা চলে গেলে আমরা কোথায় গিয়ে উঠবো?
চিন্তা করতে করতে হঠাৎ হুযুরের বড় ছেলে মেহমানদারীর জন্য কিছু হালকা খাবার নিয়ে আসলো। তখন হুযুরও আমাদেরকে মুখে দিতে বললেন। তাড়াতাড়ি করে খেয়ে আমরা ঘর থেকে বেরিয়ে আসলাম।
ঘটনাক্রমে সেই রাতটি ছিলো ঈদের রাত। সারা বাজার জুড়ে মানুষজন ঈদের কেনাকাটায় ব্যস্ত ছিলো। কতো টাকা পয়সা হয়তো তারা প্রয়োজনের চেয়ে অপ্রয়োজনেই খরচ করছিলো। কিন্তু এরকম অনের পরিবার ছিলো যারা না খেয়ে থাকলে অথবা হাজার কষ্টেও কারো কাছে হাত পাতে না।
যে হযরতদের সাথে একবার মুসাফাহা করার জন্য, তাঁদেরকে মাহফিলে দাওয়াত দেয়ার জন্য পিছনে পিছনে ঘুরে ক্লেশ পোহাতে হয়, তাদের পরিবারের সদস্যদের তেলতেলে চেহারার গহীনে কি কখনো কষ্টের ছাপ উপলব্ধি করতে পেরেছি?
Edited: ক্ষণিকের মেহমান
০৯/০২/২১ ঈ.
http://t.me/pathofisla
পর্দার ব্যবস্থা করার সামর্থ্য না থাকলে কি করবে
জনৈক ব্যক্তি লেখে যে, হযরত আমি খুব গরীব। স্ত্রী আছে, কিন্তু স্ত্রী বেপর্দা থাকে। পর্দার ব্যবস্থা করার মতো সামর্থ্য নেই। এখন আমি কি করবো? হযরত থানভী রহ. বললেন, পর্দার ব্যবস্থা করার যেহেতু সামর্থ্য নেই, তাই তা মাফ। তবে স্ত্রীকে বুঝিয়ে দিবে, না-মাহরাম কোনো পুরুষের সামনে পড়লে চেহারা, দুই হাত ও দুই পা ছাড়া একটি চুলও না-মাহরামের সামনে খোলা জায়েয নেই।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৭৪৭
পৃষ্ঠা ৩৪৮
Edited: ক্ষণিকের মেহমান
০৮/০২/২১ ঈ.
http://t.me/pathofisla
ূত পরস্থিতির কারণে বইটির প্রকাশনার কাজ স্থগিত ছিল। ইনশাআল্লাহ কিছুদিনের মধ্যে বইটি বাজারজাত হবে। বইটি পেতে Punoray Prokashon-এর অফিসিয়াল পেইজে নক করে রাখুন।
মুহতারাম আইনুল হক কাসেমী
Whatsapp এ
''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/BniZD8fL16N3DEnL8Pz8zK
দিরিলিস আরতুগরুল নিয়ে কিছু কথা...!
গত বছরের রজব মাস। গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজে সিলেটের একঝাঁক নবীন-প্রবীণ আলেম প্রতিনিধিদল গিয়েছিলাম বসুন্ধরা ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারে। সেখানে রাতযাপন করেছিলাম। রাতে মাদরাসা কর্তৃপক্ষের আন্তরিকতাপূর্ণ মেহমানদারিগ্রহণের পর মেহমানখানায় সকলেই শুয়েছিলাম লাইন ধরে। বিশাল একটা মশারি টানিয়ে। যদিওবা এই মশারি কোনো কাজে আসেনি; ক্লান্ত-শ্রান্ত মেহমানদের অবচেতন দেহের হাত-পায়ে জায়গা নিয়ে আচ্ছামতো রাতভর খেদমত করেছিল মশারদল।
একজন মাওলানা আমার পাশেই শুয়েছিলেন। দীর্ঘ রাত পর্যন্ত তাকে স্মার্টফোনের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকতে দেখে কিছুটা বিরক্তিবোধ করছিলাম। তিনি আমার বিরক্তিবোধ আঁচ করতে পারলেন। আমাকে বললেন- তিনি জনপ্রিয় তুর্কি সিরিয়াল 'দিরিলিস আরতুগরুল' দেখছেন। আমি এই সিরিয়াল দেখি কি না জিজ্ঞেস করলে উত্তরে তিনি আশাহত হলেন। এরপর তিনি খুব সংক্ষেপে সিরিয়ালটির ফজিলত তুলে ধরতে লাগলেন। এমনভাবে তিনি বলে যেতে লাগলেন, মনে হলো, যেন বিরাট বড় পুণ্যের কাজ করে চলছেন! বলতে বলতে একসময় তিনি বলেই ফেললেন- আমার মনে হয়, আল্লাহ তাআলা যদি এই সিরিয়ালের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের জান্নাত দান করেন, তাহলে শুধুমাত্র এই সিরিয়ালে অভিনয় করার কারণেই দান করবেন!
বোকার মতো এতক্ষণ তার কথাগুলো শুনে যাচ্ছিলাম আমি। কিন্তু তার শেষের এই কথা শোনে আমি তো পুরাই 'থ' বনে গেলাম! কী বলব, খুঁজে পাচ্ছিলাম না। আসলে আমি পুরাই পাথর হয়ে গিয়েছিলাম! একজন আলেম যে এভাবে জাহিলের মতো কথা বলতে পারে, তা এই মাওলানাকে না দেখলে হয়তো আমার বিশ্বাস হতো না! বিষয়টা এমন না যে, আমি দিরিলিস সম্পর্কে কিছুই জানি না। দিরিলিস সম্পর্কে আমি জানতাম। যদিও কখনো দেখিনি। কারণ, দেখার জন্য শরয়ি বৈধতা পাইনি। তা ছাড়া ইতিহাসের কোনো উৎসুক পাঠক এসব ফালতু ফিল্মের প্রতি আগ্রহী হয় না কখনও; সে তো আগ্রহী হয় সত্যনিষ্ঠ বাস্তব ইতিহাসের প্রতি।
যাক, দিনে দিনে দেখি- দিরিলিস আরতুগরুল সিরিয়ালের এই দুরারোগ্য ব্যধিতে আক্রান্ত আলেমসমাজের বিশাল একটা অংশ! এমনকী উল্লেখযোগ্য সংখ্যক তালিবুল ইলমরাও এই রোগে আক্রান্ত। শরয়ি দৃষ্টিভঙ্গির ধার না ধারে এরা এই সিরিয়ালকে ইসলামিকরণে ব্যস্ত। ইসলামের দোহাই দিয়ে শুধু নিজের জন্যই জায়েজ করছে না; রীতিমতো অপরের জন্যও জায়েজ বানিয়ে দিচ্ছে! আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হলো যে, কোনো কোনো উস্তাদ পর্যন্ত এই সিরিয়াল দেখার জন্য তালাবাদেরকে উৎসাহিত করছেন! তারও চেয়ে আশ্চর্যের ব্যাপার হলো যে, ইলম ও আমলের জীবন্ত নমুনা অনেক বুজুর্গ ফ্যামিলির কোমলমতি শিশু-কিশুররাও এই রোগে আক্রান্ত। তাদেরকে কাঠের টুকরা হাতে নিয়ে তরবারি চালনার কসরত করতে দেখা যায়!
ফেইসবুকেও অনেক মৌলবি এই সিরিয়াল দেখার প্রতি উৎসাহিত করছেন। কেউ কেউ তো জায়েজের ফতোয়াও দিয়ে দিচ্ছেন! সবই নীরবে প্রত্যক্ষ করছি। কিন্তু এঁদের ইলমের দৈন্যদশা এবং ফিকরের খঞ্জতা দেখে আফসোস করা ছাড়া করার মতো আর কিছুই নেই। অথচ, শরিয়তের ন্যূনতম ইলম থাকলেও তো এই সিরিয়ালের বৈধতার পক্ষে বলা কঠিন। কারণ, আর যাইহোক; সিরিয়ালে খোলামেলাভাবে নারীর প্রদর্শন রয়েছে। প্রেম-পিরিতির রগরগে উপস্থাপনা তো আছেই। এগুলো শরিয়তের কোন মূলনীতি সাপোর্ট করে?
তা ছাড়া এই সিরিয়ালের ঐতিহাসিক বাস্তবতা তো রয়েই গেল। উসমানি সাম্রাজ্যের স্বপ্নদ্রষ্টা আরতুগরুল গাজির প্রকৃত ইতিহাসের সাথে এই সিরিয়ালের সম্পর্ক খুব একটা নেই বললে চলে। বড়জোর ১০% বলা যায়। কিংবা তারও চেয়ে কম। মিথ্যাচার, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, কল্পকাহিনি, অলিক আর আজগুবিকথাবার্তায় ভরপুর এই সিরিয়াল। এটি শুধু আমার একার কথা নয়; উসমানি সাম্রাজ্যের ইতিহাস নিয়ে ডক্টরেট ডিগ্রিধারী সমকালীন অনেক গবেষকই এটা বলেছেন। কেউ কেউ তো এই সিরিয়ালের অসারতা ও মিথ্যাচারিতা নিয়ে কলমও ধরেছেন। সর্বোপরি, এটাকে মিথ্যার বেসাতিপূর্ণ ফিল্মই ভাবতে হবে, যাকে তুর্কি-সভ্যতাকে শীর্ষাসনে দেখানোর জন্য নির্মাণ করা হয়েছে।
দিরিলিস আরতুগরুল সিরিয়াল দেখার অবৈধতা নিয়ে আরবের বেশ কিছু ইফতাবোর্ড ফতোয়া প্রদান করেছে। তদ্রুপ ফতোয়া দিয়েছেন আরবের অনেক শীর্ষ আলেম। ফতোয়া দিয়েছে ঐতিহাসিক দারুল উলুম দেওবন্দের ইফতাবিভাগ। অনুরূপ ফতোয়া দিয়েছে বাংলাদেশের শাইখ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের ফতোয়াবিভাগ। প্রয়োজনে অনলাইনে সার্চ করে দেখতে পারেন। তবুও নিজের খেয়ালখুশি মতো ফতোয়া দিয়ে হারামকে হালাল বানানো থেকে বিরত থাকুন।
প্রসঙ্গত উল্লেখ্য যে, উসমানি সাম্রাজ্যের স্বপ্নদ্রষ্টা আরতুগরুল গাজির জীবনোপাখ্যান নিয়ে আমি একটি বই লিখেছি। বইয়ে আরতুগরুল গাজির উত্থানকাল ঘিরে উসমানি সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠার বাস্তব ইতিহাস ফুটে উঠেছে। কিন্তু অনেকেই মনে করেন- বইটি আমি দিরিলিস সিরিয়াল দেখে লিখেছি। তাদের ভুলের অবসান ঘটাতে আমি বলছি- না, বইটি আমি সিরিয়াল দেখে লিখিনি; বইটি লিখেছি সংশ্লিষ্ট ইতিহাসের নির্ভরযোগ্য কিতাবাদি ঘাঁটাঘাঁটি করে। বইটি পড়লে আরতুগরুল গাজির সত্য ইতিহাস জানতে পারবেন। সিরিয়ালের অসারতা বুঝতে পারবেন।
পুনশ্চ : করোনাভাইরাস উদ্ভ
"জীবন মোদের অনুগ্রহ দয়াময় তোমার
আহা! কেন হইনি সাচ্চা বান্দাগো তোমার
এ অঙ্গ এই সুন্দর শরীর তোমার হাতের দান
সর্ব অঙ্গে ফুঁটে আছে ঐ হাতের নিশান।"
-আরেফবিল্লাহ্ শাহ্ আবদুল মাতিন বিন হুসাইন দা: বা:
http://t.me/pathofisla
মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম সাহেব।
সিলেট থেকে।
1806নং উত্তর:
বিষয়। ঔষধের কভারের মধ্যে প্রাণীর ছবি সম্পর্কে।
প্রশ্নঃ করুন
t.me/muftishofee24
উত্তর শুনুন
t.me/muftishofee
বয়ান পেতে
t.me/khanqah24
হে বন্ধু আল্লাহর নেয়ামত খেতে খেতে তোমার মুখের শক্ত দাঁত গুলো পড়ে যাচ্ছে,
কিন্তু আল্লাহর জিকির করতে করতে কোরআন তেলাওয়াত করতে করতে তোমার মুখের থুতু গুলো কোনদিন শুকায় নাই।
══════✾❖✾═════
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ
হযরত হাফেজ মাওলানা মুফতী শফী ছাহেব দামাত বারাকাতুহুম
যুক্ত হয়ে সঙ্গে থাকুন...
━━━━ • ✿ • ━━━━
❒ বয়ানঃ t.me/khanqah24
❒ প্রশ্নঃ t.me/muftishofee24
❒ উত্তরঃ t.me/muftishofee
ছোট বয়ানঃ t.me/muftishofeebd
★প্রিয়জনদের কাছে শেয়ার করে সদকায়ে জারিয়ায় শরিক হোন। জাযাকাল্লাহ্★
🎤 অপ্রয়োজনীয় ফেসবুক, গেমিং ও ইউটিউবে ব্যস্ততা জুয়া খেলার নামান্তর, যারা এগুলো করে এদেরকে সালাম দেওয়া নিষেধ।
⏰ সময়ঃ ০৬:২০
📌 পোস্ট নং-২৭
✦আলোচক✦
─━━━━━━⊱✿⊰━━━━━━─
মুফতী মাসউদুর রহমান কাসেমী
মুহাদ্দিস
সৈয়দপুর জামিয়া এমদাদিয়া
মাদ্রাসা,বিক্রমপুর ,ঢাকা।
─━━━━━━⊱✿⊰━━━━━━─
──────⊱◈◈◈⊰──────
চ্যানেলঃ মাজালিসে আবরার
──────⊱◈◈◈⊰──────
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৩৮)
🔉🔉অডিও মালফূয ৯০🔉🔉🔉
হযরত থানভী রহ. এর বিশিষ্ট খলিফা হযরত আতহার আলী রহ. কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত মোমেনশাহীর ঐতিহ্যবাহী জামি'আ ইসলামিয়ার উস্তাদ হযরত মাওলানা মাহমুদুর রহমান রহ. অনর্থক কাজ থেকে কিরকম পরহেজ করতেন ছোট্ট এই ঘটনাটি তার প্রমাণ।
-আরেফবিল্লাহ্ শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
http://t.me/khanqaSN
http://t.me/pathofisla
ওয়াজ মাহফিলের আজীমুশ্বান ইসলাহী নসীহত যা থেকে আখিরাতমুখী কোন বান্দা সবক না নিয়ে পারে না
-আরেফবিল্লাহ্ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
বিষয়ঃ
০১. ছোট্ট থেকে ছোট্ট গুণাহ এবং ছোট্ট থেকে ছোট্ট নেক কাজ আমার অজান্তেই সংরক্ষিত হয়ে যাচ্ছে
০২. গোলাম কখনো গোলামের দাম নির্ধারণ করতে পারে না, গোলামের মালিকই পারেন নির্ধারণ করতে (আত্নপ্রশংসা ও অন্যের প্রশংসায় ফুলে যাওয়ার কুফল ও এলাজ)
০৩. জানাজা নামাযের সময় মুর্দাকে সামনে রেখে দীর্ঘ সময় কথা বলা, নামাযের পরে লাশ দেখানো অন্যায় কাজ
০৪. সকলের সাথে তাল মিলিয়ে চলছি, অন্যায় দেখেও না দেখার ভান করে থাকলে শেষ পরিণতি হবে ভীষণ ভয়াবহ।
স্থানঃ বটতলা, মুক্তাগাছা, মোমেনশাহী
সময়ঃ ২৩ জুমাদাল উলা ১৪৪২ হিজরি ০৭/০১/২১ ঈসায়ী বাদ ইশা
http://t.me/khanqaSN
🎤 গীবতের ভয়াবহতা
⏰ সময়ঃ ০২:৪৯
📗 মালফূজাত নং - ১৩০
──────⊱◈◈◈⊰──────
মুফতী মনসূরুল হক দাঃবাঃ
শাইখুল হাদীস ও প্রধান মুফতী
জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া
মুহাম্মদপুর,ঢাকা।
──────⊱◈◈◈⊰──────
চ্যানেল লিংক
•┈•✾•━━━✾✺✾━━•✾•┈•
https://t.me/muftimansoor
•┈•✾•━━━✾✺✾━━•✾•┈•
🎤 যুবকদের ধ্বংস
⏰ সময়ঃ ০১:৪৩
📗 মালফূজাত নং - ১২৩
──────⊱◈◈◈⊰──────
মুফতী মনসূরুল হক দাঃবাঃ
শাইখুল হাদীস ও প্রধান মুফতী
জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া
মুহাম্মদপুর,ঢাকা।
──────⊱◈◈◈⊰──────
চ্যানেল লিংক
•┈┈••✾•━━━✾✺✾━━•✾••┈┈•
মাজালিসে মানসূর
•┈┈••✾•━━━✾✺✾━━•✾••┈┈•
