এসো সংশোধনের পথে
Відкрити в Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Показати більше801
Підписники
Немає даних24 години
Немає даних7 днів
-130 день
Архів дописів
হযরত থানভী রহঃ বলেন, কোনো প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে যখন অন্তর প্রশান্ত ও উন্মোচিত না হয়, তখন পরিষ্কার ভাষায় জবাব দিবে যে, এর উত্তর আমি জানি না। কারণ, সব প্রশ্নের উত্তর দেওয়া জরুরী নয়। তাছাড়া আমি জানি না, এটাও তো একটা উত্তর। কিন্তু মন প্রশান্ত হোক বা না হোক, মানুষ উত্তর দেওয়াকে জরুরী মনে করে। এটা জায়েয নয়।মন প্রশান্ত না হওয়া পর্যন্ত কোনো মাসআলার জবাব দিবে না।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৬৯২
http://t.me/pathofisla
আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মতিন বিন হুসাইন দাঃ বাঃ বলেন, বহুতহি আফসোসের কথা! ছবি তোলে আজকাল টুপিওয়ালা দাড়িওয়ালা মানুষরাও। ছবি তোলা নিঃসন্দেহে গুনাহের কাজ। বুখারী শরীফের এই শেষ পৃষ্ঠাতেই রয়েছে, রাসূলে পাক ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম বলেছেন, যারা ছবি তোলে কেয়ামতের দিন আল্লাহপাক বলবেন, এর ভিতরে রূহ দাও। রূহ দিতে পারবে না তো তাদের উপর আযাব নাজিল হবে, নাঊযুবিল্লাহ। কেন আমরা এই বাড়াবাড়ি করছি ভাই! আলেম হয়ে, তালেবে এলেম হয়ে, হাজী সাহেব হয়ে, মুসলমান হয়ে গুনাহের কাজ কেন করবো!.....
t.me/khanqahdhaka
http://t.me/pathofisla
সন্তানের তরবিয়াতে দ্বীনদার মায়ের ভূমিকা (একটি শিক্ষণীয় ঘটনা)
একদিন রাতের বেলা গাড়িতে সফর করছিলাম। আমার এক সিট বা দুই সিট পিছনে একজন মহিলা তার ছোট বাচ্চা নিয়ে বসা ছিল। বাচ্চারা তো অবুঝ। তারা নানা রকম বায়না ধরে। বাবা মাকে বিরক্ত করে। সেই বাচ্চাও এই একই কাজ করছিল।
এইরকম পরিস্থিতিতে সব বাবা-মাই বাচ্চার মনোযোগ অন্য দিকে সরানোর জন্য ভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে আসে। তো সেই মহিলাও একই কাজ করলো। সে বাচ্চাকে বলছিল, ঐ যে দেখো আমাদের সাথে চাঁদ যাচ্ছে, তাঁরা যাচ্ছে, গাছের ফাঁকে লাল-নীল আলো যাচ্ছে। বাচ্চা তখন চুপ হয়ে গেলো। অল্প কিছুক্ষণ পরে বাচ্চাটি বললো,'আম্মু! আল্লাহ্ যাচ্ছে না?'
এই কথা শুনে আমার মন আনন্দে ভরে গেলো। তখন যে মনের অবস্থা কি হয়েছিল তা ভাষায় ব্যক্ত করার মত নয়! সেই মহিলার কথা-বার্তায় বোঝা যাচ্ছিল যে, সে পুরোপুরি দ্বীনদার নয়। তারপরও বাচ্চাকে অল্প হলেও দ্বীনী তা'লীম দেওয়ার কারণে আজকে এই ছোট্ট বাচ্চাটির মুখ থেকে আল্লাহ্ তা'আলার নাম বের হলো।
ফায়দাঃ মা যদি পরিপূর্ণ দ্বীনদার হয় তাহলে বাচ্চার জীবন ছোটবেলা থেকেই দ্বীনের আলোয় আলোকিত হতে থাকে। আর ভবিষ্যৎ জীবনেও এই তা'লীম তরবিয়াতের সুদূরপ্রসারী প্রভাব পরিলক্ষিত হতেই থাকে।
http://t.me/pathofisla
যবান যাঁর সিক্ত ছিল যিকিরের বৃষ্টিতে(৫৭৮.৬ এমবি)
মাসিক আল কাউসার
এপ্রিল-মে ২০১৯
লেখাটির লিংকঃ https://www.alkawsar.com/bn/article/2388/
http://t.me/pathofisla
আব্দুল্লাহ আহসান,
রামপুরা,ঢাকা।
551 নং উত্তর:
মসজিদের মাইকে এলান করা সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৬)
বিশ্ববিখ্যাত দাঈ, পাকিস্তানের তাবলীগ-জামাতের মুরুব্বী হযরত হাজী আবদুল ওয়াহহাব রহঃ
একবার পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফ ক্ষমতায় থাকাকালীন হাজী সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করার জন্য রায়বেন্ড মারকাযে উপস্থিত হলেন। হাজী সাহেব তাকে দীনের দাওয়াত দিলেন এবং আল্লাহ্র রাস্তায় সময় লাগানোর তাশকীল করলেন।
নওয়াজ শরীফ বললেন, 'সময় তো আমার হবে না, তবে আপনার জন্য এই সামান্য হাদিয়া নিয়ে এসেছি। এই যে তিনশত আশি কোটি রুপির চেক, মেহেরবানী করে গ্রহণ করুন।' হাজী সাহেব প্রতিউত্তরে বললেন, মিয়াঁ সাহেব! আপনার রুপির আমার প্রয়োজন নেই, আমার তো প্রয়োজন আপনার সময়ের; আপনি শুধু আমাকে তিন দিন সময় দিয়ে দিন! নওয়াজ শরীফ বললেন, 'জানেন তো কী ব্যস্ততা! আমার কাছে সময় নেই, আমি আপনার কাঙ্ক্ষিত তিন দিন দিতে পারব না।' হাজী সাহেব বললেন, তাহলে আপনার এই দানেরও আমার কোন জরুরত নেই! আপনি এটা ফিরিয়ে নিন।
নওয়াজ শরীফ তো আর জানতেন না যে, এই মুকুটহীন সম্রাটের কাছে মাটির ঢেলা আর স্বর্ণমুদ্রায় কোন পার্থক্য নেই! এজন্য তিনি সম্পদের গর্বে মদমত্ত হয়ে বললেন, হাজী সাহেব! সম্ভবত এতো মোটা অংকের হাদিয়া ইতোপূর্বে আপনাকে কেউ দেয়নি! হাজী সাহেব তৎক্ষণাৎ জবাব দিলেন, এতো বড় হাদিয়া সম্ভবত আজ পর্যন্ত কেউ ফিরিয়েও দেয়নি! যান, আপনার রুপি নিয়ে আপনি চলে যান। আপনার রুপির আমার কোনও প্রয়োজন নেই। অগত্যা নওয়াজ শরীফ ব্রিফকেস বগলদাবা করে সদলবলে প্রস্থান করলেন।
জামি'আ রাহমানিয়া আরাবিয়া শিক্ষাসমাপনকারীদের সমন্বয়ে গঠিত রাবেতায়ে আবনায়ে রাহমানিয়া - এর মুখপত্র
দ্বিমাসিক রাবেতা
পৃষ্ঠা ৩৮
জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি ২০১৯ ঈসায়ী
http://t.me/pathofisla
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর আল্লাহপাকের গভীর মহব্বতে লেখা কবিতা: হতে চাহি এদেশ তরে আমি নিরুদ্দেশ
হাফেয রাকীবুল হাসানের কণ্ঠে
(ডুবে যাবি নূর সাগরে একেক সিজদা মাঝে
থাকিস যদি গুণাহমুক্ত সদা তাকওয়া সাজে)
(হৃদয় ছুঁয়ে যায়........)
http://t.me/KhanqahBDKobita
http://t.me/pathofisla
শাইখুল হাদীস আল্লামা মুফতি ত্বক উসমানী (দাঃ বাঃ) এর ইলমের গভীরতা || মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন (দাঃ বাঃ)
t.me/hakimacademyintl
http://t.me/qaumimalfuzat
মুহাম্মাদ রফিকুল ইসলাম,
ঢাকা।
541 নং উত্তর:
রুমে প্রানীর ছবি থাকলে নামাজের হুকুম সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
অহেতুক কাজকর্ম দ্বারাও বুযুর্গদের কষ্ট হয়
হযরত থানভী রহঃ বলেন, এক বুযুর্গ এক লোকের বাড়িতে তাশরীফ নিয়ে যান। দরজার নিকটে পৌছে ডাক দেন। ভিতর থেকে উত্তর আসে, সে বাড়িতে নেই।
তিনি জিজ্ঞাসা করেন, কোথায় গেছে?
উত্তর আসে, জানা নেই।
তখন এই বুযুর্গ শুধু এতোটুকু ব্যাপারে ত্রিশ বছর পর্যন্ত কাঁদতে থাকেন যে, আমি 'কোথায় আছে?' এই অহেতুক প্রশ্ন কেন করলাম। আমার আমলনামায় একটা অহেতুক কথা লিপিবদ্ধ হলো। অথচ মুমিনের শান হলো, (আল্লাহ্ তা'আলার ইরশাদ)
'যারা অহেতুক বিষয় থেকে দূরে থাকে।' (সূরা মু'মিনূন, আয়াত-৩)
এবার বুঝুন! যার একটা অহেতুক কথায় এই পরিমাণ কষ্ট হয়, তার গুণাহের কষ্ট কী পরিমাণ অনুভূত হবে?
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ১১০৬
পৃষ্ঠা ৪৮৪
http://t.me/pathofisla
বয়ান বা কথা বলার জন্য যে সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয় সেই সময়ের বেশী না বলা। নফসের তাকাজা যাতে না পূরা হয় সেদিকে খেয়াল রাখা। (২.৭ এমবি)
-হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর মানিকগঞ্জী দাঃ বাঃ
(অন্যদিকে হযরতওয়ালা হারদুঈ রহঃ ইরশাদ করেনঃ
দশ মিনিট ওয়াজের এ‘লান হলে দশ মিনিটেই ওয়াজ সমাপ্ত করা উচিৎ। কেননা, এরূপ ঘোষণা ওয়াদার অন্তর্ভূক্ত, সুতরাং ওয়াদা পূরণ করা আবশ্যকীয়। অনেকে স্বল্প সময় মনে করে ওয়াজে শরীক হয়। বিশেষ প্রয়োজনের কারণে বেশী সময় শরীক হওয়া সম্ভব হয় না। ওয়াজ দীর্ঘ হলে অস্থিরতার কারণ হয়, এদিকে মজলিস থেকে উঠে যাওয়া লজ্জার কারণ, বিধায় উঠেও যেতে পারে না।পরিণামে অন্য সময় এরূপ এ‘লানে বিশ্বাস করতে পারে না। এতে বক্তার প্রতি অনাস্থা আসে। কথা এবং কাজের মিল না থাকার কারণে খারাপ ধারণা সৃষ্টি হয়। তাই ঘোষণা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ওয়াজ সমাপ্ত করা উচিৎ।
মালফূযাতে মুজাদ্দিদে দ্বীন
মালফূয ৮৫
-মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ)
http://t.me/khanqaSN
http://t.me/pathofisla
এক সেকেন্ডের জন্যও আল্লাহ্র জিকির থেকে গাফেল না থাকা। (৬.৩ এমবি)
-হযরত প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ
http://t.me/pathofisla
অহঙ্কারের একটি বিস্ময়কর চিকিৎসা
হযরত থানভী রহঃ বলেন, এক ব্যক্তি 'কিরাণায়' যখন বাইআত হতে আসে, তখন অন্য একজনের হাতে করে মিষ্টি নিয়ে আসে। আমি বুঝতে পারি যে, তার মধ্যে আত্নম্ভরিতা ও অহঙ্কারের জীবাণু আছে।
ঘটনাক্রমে আমাকে কয়েক জায়গায় যেতে হয়। আমি তাকে বলি যে, আমি এখানে অবসর পাইনি, আমাকে ওমুকের ওখানে যেতে হবে, সেখানে গিয়ে হয়তো বাইআত করতে পারবো। সেখানে চলুন। সুতরাং মিষ্টির পাত্র হাতে নিয়ে তিনি আমার সঙ্গে চললেন। সেখানে পৌছেও আমি একই কথা বলি যে, কি বলবো, এখানেও তো অবসর পেলাম না। অমুক জায়গায় চলুন। মোটকথা এভাবে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত মিষ্টির পাত্রসহ বাড়ী বাড়ী তাকে ঘোরালাম এবং ইচ্ছা করে বাজারের পথ হয়ে যাচ্ছিলাম। সে ব্যক্তি হাতে মিষ্টির পাত্র নিয়ে সাথে সাথে ঘুরছিল।
যখন আমি তাকে খুব নাজেহাল করলাম এবং খুব বুঝতে পারলাম যে, হ্যাঁ এখন তার অন্তর থেকে এ জঘন্য জীবাণু বের হয়ে গেছে, তখন মুরীদ করলাম এবং আমার এ আচরণের কারণও তার সামনে তুলে ধরলাম। সুতরাং অহঙ্কারের মতো এতো মারাত্নক ব্যাধি-যা বহু বছরের সাধনা ও মুজাহাদার মাধ্যমেও যায় না- এই ব্যবহারের মাধ্যমে আল্লাহ্র মেহেরবানীতে দুই ঘন্টার মধ্যে চলে যায়।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৭৬০
পৃষ্ঠা ৩৫৩
http://t.me/pathofisla
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ৫)
হযরত মাওলানা ইলিয়াস রহঃ এর (সম্মানিতা) নানী এবং মা
হযরতের (হযরত মাওলানা ইলিয়াস রহঃ) নানী বিবি আমাতুর রহমান- যিনি ছিলেন মাওলানা মুযাফ্ফর হুসাইন রহঃ এর কন্যা। যাকে তাঁর বংশে সাধারণত "উম্মী বী" নামে ডাকা হত, তিনি ছিলেন একজন রাবেয়া চরিত্রের নারী। শেষ বয়সে তাঁর অবস্থা হয়েছিল এমন যে, তিনি কখনও নিজে খাবার চেয়ে খেতেন না। কেউ এনে রেখে দিলে খেয়ে নিতেন। ঘর ছিল বড়। কাজের চাপ এবং অধিক ব্যস্ততার কারণে কারও খেয়াল না- হলে ক্ষুধার্ত বসে থাকতেন। একবার কেউ বলল- আপনি এরূপ দূর্বল-নিঃস্ব অবস্থায় থাকেন কিভাবে? তখন তিনি বললেন, আলহামদুলিল্লাহ! (আল্লাহ্র শোকর) আমি তাসবীহ-তাহলীলের দ্বারা আহার করে নিই।
স্বয়ং মাওলানার মাতা মহোদয় খুবই ভাল হাফেযায়ে কুরআন ছিলেন। তিনি কুরআন হিফয করেছিলেন বিয়ের পর। আর এতই ইয়াদ ছিল, কোনও সাধারণ হাফেয তাঁর সম্মুখে দাঁড়াতে পারত না। নিয়ম ছিল, রমাযানে প্রতিদিন পূর্ণ কুরআন শরীফ এবং অতিরিক্ত দশ পারা পড়ে নিতেন। পড়া এত চালু ছিল যে, ঘর-দুয়ারের কাজকর্ম ও ব্যবস্থাপনায় বিঘ্ন ঘটত না এবং তিলাওয়াতের সময়ও হাতে কোনো কাজ চালিয়ে যাওয়ার অভ্যাস ছিল। এসব পূণ্যময়ী ঈমানদীপ্ত রমণীদের ঈমান-আমল, আখলাক-চরিত্র ও জীবনধারার সুফলে তাদের প্রভাবময় সংশ্রবের অবারিত কল্যাণে হযরত মাওলানা ইলিয়াস রহঃ এর মতো বুযুর্গ তৈরী হয়েছেন, যার মাধ্যমে বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর বিরাট উপকার এবং প্রভূত কল্যাণ সাধিত হয়েছে।
ওলীআল্লাহ্দের মা
পৃষ্ঠা ৮
মূলঃ সাইয়্যেদ আবুল হাসান আলী নদভী রহঃ
অনুবাদঃ রাবেয়া বিনতে সালমান
প্রকাশনায়ঃ আল-ইরফান পাবলিকেশন্স
ইসলামী টাওয়ার, ১১ বাংলাবাজার, ঢাকা-১১০০
http://t.me/pathofisla
হযরত থানভী রহঃ এর বিশিষ্ট খলিফা হযরত ডাঃ আবদুল হাই আরেফী রহঃ একবার তাঁর এক মুরীদের বাড়িতে খানা খাওয়ার পরে খানার খুব তারিফ করলেন। তখন পর্দার আড়াল থেকে সেই মুরীদের স্ত্রীর কান্নার আওয়াজ শোনা গেলো.............
নিজের বাড়ির চাকর, গাড়ির ড্রাইভার এবং অন্যান্য অধিনস্ত ব্যক্তিদের হকের ব্যাপারে সজাগ দৃষ্টি রাখা একান্ত জরুরী। (০.৯৪ এমবি)
-হযরত মুফতী মিজানুর রহমান কাসেমী দাঃ বাঃ
http://t.me/pathofisla
তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর আল্লাহপাকের গভীর মহব্বতে লেখা কবিতা: এবাদতের স্বাদ
হাফেয রাকীবুল হাসানের কণ্ঠে
( কি মধুময় আল্লাহ্ তোমার রমজানের হর রোজা,
তুমি নিজেই রোজাদারের একেক রোজার জাযা )
(হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া কবিতা........)
http://t.me/KhanqahBDKobita
http://t.me/pathofisla
