uk
Feedback
এসো সংশোধনের পথে

এসো সংশোধনের পথে

Відкрити в Telegram

এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।

Показати більше
801
Підписники
Немає даних24 години
Немає даних7 днів
-130 день
Архів дописів
গণমাধ্যমে ছবি প্রকাশ : যা বললেন মাওলানা আব্দুল মালেক দা.বা. ১৭ অক্টোবর, ২০১৯ ইসলাম টাইমস ডেস্ক : গণমাধ্যমে ছবি ছাড়া চলবে না। চলার জন্য ছবি দিতে হবে- এ ধরনের মানসিকতাকে এক ধরনের হীনমন্যতা আখ্যায়িত করেছেন বাংলাদেশের খ্যাতনামা আলেম মারকাযুদ্ দাওয়াহ আলইসলামিয়া ঢাকার শিক্ষাসচিব মাওলানা আব্দুল মালেক। আজ সকালে মারকাযুদ দাওয়াহর এক ঘরোয়া মজলিসে তিনি একথা বলেন। মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, গণমাধ্যমে বিশেষত ইসলামী গণমাধ্যমে ছবি প্রকাশ করা, ছবি ছাড়া চলবে না এ ধরনের মনোভাব পোষণ করা -এক ধরনের হীনমন্যতা। আমরা মনে করি অন্যদের ‘নাহজে’ না চললে সফল হওয়া যাবে না। এটা ভুল। বরং আমরা সফল তখনই হতে পারব যখন আমরা আমাদের ‘নাহজের’ উপর চলতে পারব। মাওলানা আব্দুল মালেক পাকিস্তানের ছবিবিহীন পত্রিকা ‘রোজনামায়ে ইসলাম’ কে উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন- এই পত্রিকায় ছবি প্রকাশ হয় না। এই পত্রিকা তো বেশ ভালভাবেই চলছে। মাওলানা আব্দুল মালেক বলেন, ইসলামী মিডিয়াগুলোতে ছবির বিষয়ে অবহেলা অসেচতনতা কখনোই কাম্য নয়। মজলিসে উপস্থিত ছিলেন মারকাযের উস্তায মাওলানা মুতিউর রহমান, মাওলানা ফয়জুল্লাহ, এবং কুমিল্লা তালীমুদ্দীন একাডেমির উস্তায মাওলানা আনোয়ার হুসাইন প্রমুখ ।

ইত্তেফাকুল উলামা বৃহত্তর মোমেনশাহী ফুলবাড়ীয়া উপজেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত সীরাতুন্নাবী ﷺ সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন হযরত মাওলানা মুহাম্মাদুল্লাহ হাফেজ্জী হুজুর রহঃ এর ২৪ বছরের স্নেহধন্য খাস খলিফা হযরত মাওলানা আবদুল হক দাঃ বাঃ (পেশ ইমাম ও খতিব বড় মসজিদ, মোমেনশাহী)। বিষয়ঃ আল্লাহ্‌র রাসূল ﷺ এর সীরাতকে নিজেদের জীবনে বাস্তবায়ন করা স্থানঃ আমতলী ঈদগাহ্ ময়দান, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহী তারিখঃ ১০/১০/১৯ ঈসায়ী বিঃ দ্রঃ বয়ানের শুরুর দিকে কিছুটা সাউন্ডের ত্রুটি রয়েছে। মোবাইলের রেকর্ডিং হিসেবে বয়ানে আশে-পাশের কিছু শব্দ মূল বয়ানের সাথে একত্রিত হওয়ায় রেকর্ডিং কোয়ালিটি মধ্যম। http://t.me/pathofisla

ছুটে যাওয়ার মধ্যে অনেক উপকারিতা হালঃ আলহামদুলিল্লাহ! এখনও নিয়মতান্ত্রিকভাবে মামূলাত আদায় করে যাচ্ছি। মাঝখানে দুইদিন ছুটে গেছে। বহুদিন পর এরকম হল। যার ব্যাথা ও কষ্ট এখনও পর্যন্ত ভুলতে পারছি না। দয়া করে এস্তেকামাত বা দৃঢ়তার জন্য দু'আ করবেন। বিশ্লেষণঃ হঠাৎ কখনো ছুটে যাওয়া তরীকতের অন্যতম স্বাভাবিক আবশ্যকীয় বিষয়। আবশ্যকীয় বিষয় হওয়া ছাড়াও এতে রয়েছে অনেক কল্যাণকর দিক। যেমন একঃ নিজের অক্ষমতা প্রত্যক্ষ করা। দুইঃ উজব বা আত্নপ্রশংসার এলাজ। তিনঃ আগ্রহ বৃদ্ধি পাওয়া। চারঃ ছুটে যাওয়াতে ব্যথিত হওয়া-- যা বিশাল মুজাহাদা ও সাধনা হিসেবে গণ্য। পাঁচঃ অত্যন্ত সূক্ষ্ম ও গোপন রহস্যপূর্ণ কল্যাণ হল- বান্দাকে তাসলিম ও তাফবীয (ইতিবাচক ও নেতিবাচক সকল ফয়সালাকে সন্তুষ্টির সঙ্গে মেনে নিয়ে তাঁর (আল্লাহ্‌ তা'আলা) প্রতি সমর্পিত হওয়া)- এ অভ্যস্ত করা। এজন্য যেটা ছুটে গেছে, সেই ছুটে যাওয়ার উপরোক্ত কল্যাণ প্রাপ্তির ভিত্তিতে আপনাকে মুবারকবাদ দিচ্ছি। তারবিয়াতুস সালিক (আল্লাহ্প্রেমিকদের আত্নশুদ্ধির পথ) ৩য় খণ্ড -হযরত থানভী রহঃ পৃষ্ঠা ৯৬ http://t.me/pathofisla

একটি সুন্দর পরামর্শ- -মুফতী আমানুল হক দাঃ বাঃ http://t.me/pathofisla

কুরআনুল কারীম সম্পর্কে- -প্রফেসর হামীদুর রহমান দাঃ বাঃ খলিফাঃ হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহঃ এবং হযরতওয়ালা হারদুঈ রহঃ http://t.me/pathofisla

গুণাহ ত্যাগ করা যিকির শোগলের চেয়ে উত্তম হালঃ হুযূরের দু'আর বরকতে অধমের অবস্থা আগের চেয়ে ভালো। এ কারণে যে, আল্লাহ্‌র মেহেরবানীতে গুণাহের ঘাটতি এবং ইবাদত ও যিকিরের মধ্যে বৃদ্ধি ঘটছে। বেশিরভাগ সময় যিকিরের তাওফিক হয়ে যাচ্ছে। একটি পুরাতন গুণাহ যাতে খুব বেশি জড়িয়ে ছিলাম, আলহামদুলিল্লাহ সেটা ত্যাগ করার তাওফিক হয়েছে। যেটাকে আমি হাজার যিকির শোগলের চেয়েও বড় মনে করছি। এর উপর যেন স্থির থাকতে পারি এবং অন্যান্য গুণাহ ত্যাগ করার হিম্মত ও তাওফিক লাভ করতে পারি সে উদ্দেশ্যে হুযূরের দু'আ চাই। বিশ্লেষণঃ আপনার অবস্থা জেনে বিশেষত একটি পুরাতন গুণাহ ছেড়ে দেওয়ার কথা শুনে ভীষণ আনন্দিত হয়েছি। এটা একদম ঠিক কথা যে, গুণাহ ছেড়ে দেওয়া হাজার হাজার শোগলের চেয়েও অনেক উত্তম কাজ। আল্লাহ্‌ তা'আলা বরকত দান করুন। ইস্তেকামাতের (অটল থাকার) দু'আ করছি। আপনার হিম্মতও শর্ত। তারবিয়াতুস সালিক (আল্লাহ্‌প্রেমিকদের আত্নশুদ্ধির পথ) ৩য় খণ্ড -হযরত থানভী রহঃ পৃষ্ঠা ৭১ http://t.me/pathofisla

রোগ সংক্রামক নয় হযরত থানভী রহঃ বলেন, সংক্রামক ব্যাধি বলে কিছু নেই। প্রথম রোগাক্রান্ত ব্যক্তিকে যেভাবে আল্লাহ তা'আলা রোগগ্রস্ত করেন, ঠিক একইভাবে আল্লাহ্ তা'আলাই দ্বিতীয়জনকেও নিজ কুদরতেই রোগগ্রস্ত করেন। পরস্পরের মেলামেশার কারণে কোনো রোগ হয় না। এগুলো ভিত্তিহীন ধারণা মাত্র। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৩৪১ পৃষ্ঠা ১৫৯ http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ! (পর্ব - ২২) হযরত মাওলানা ইউসুফ বিননূরী রহঃ এর কুরআনে কারীমের প্রতি ভালবাসা একবার হযরত মাওলানা ইউসুফ বিননূরী রহঃ কথা প্রসঙ্গে বললেন, ছাত্রজীবনের কথা। যখন আমি দারুল উলূম দেওবন্দে পড়িতাম তখনকার একটি ঘটনা। শুক্রবার। ফজরের নামায পড়লাম ছোট্ট একটি মসজিদে। পাঞ্জেগানা মসজিদে। যেখানে পাঁচ ওয়াক্তের নামায ও জামাত হয়। কিন্তু জুমআর নামায পড়া হয় না। আমি ফজর পড়তে সে মসজিদে চলে গেলাম। ফজরের পর এক কোণে আমার চাদরটি বিছিয়ে তাতে বসে পবিত্র কুরআন তিলাওয়াত করতে শুরু করলাম। জুমআর আগ পর্যন্ত আর উঠলাম না। এক বসাতে জুমআ পর্যন্ত কুরআন শরীফ তিলাওয়াতে কাটিয়ে দিলাম। সেই একই বৈঠকে ২৬ পারা তিলাওয়াত করলাম। যেহেতু জুমআর নামাযের জন্য অন্য মসজিদে যাওয়া জরুরি ছিল, তাই এক খতম পূর্ণ করতে পারলাম না। অন্যথায় এক খতম পূর্ণ করেই উঠতাম। কিন্তু বাধ্য হয়ে জুমআ আদায় করতে অন্য মসজিদের দিকে রওনা হলাম। উক্ত ঘটনা থেকে ঐ সমস্ত ছাত্রের শিক্ষা গ্রহণ করা উচিত, যারা বৃহস্পতিবার দিন এলেই পড়া-লেখায় শিথিল হয়ে যায়। আর শুক্রবার দিন তো পড়ার কথা ভাবতেই চমকে উঠে। এভাবে সপ্তাহতে একটি শুক্রবার করে বছরে জীবন থেকে কত দিন বেমালুম হারিয়ে যায়। আরও দুঃখ হয় তাদের জন্য যারা শুক্রবার দিনটি খেলার পিছনে কাটিয়ে দেয়। বিভিন্ন খেলায় মেতে উঠে। বিশেষ করে ক্রিকেট নামের অহেতুক খেলার আগ্রহ ও প্রভাব আজ দ্বীনী মাদরাসার তালেবুল ইলমদের মাঝেও পরিলক্ষিত হচ্ছে। এটা বড়ই দুঃখজনক! দ্বীনী মাদরাসার তালেবুল ইলম তো ঐসব মহান ব্যক্তির উত্তরসূরী, যাঁরা মাদরাসার ছুটির দিন একই বৈঠকে ২৬ পারা কুরআন শরীফ তিলাওয়াত করেছেন। যাঁরা মাদরাসার ছুটির দিনগুলো কাজে লাগিয়ে হাফেযে কুরআন হয়েছেন। আল্লাহ্‌ তা'আলা আমাদেরকেও এমন উচ্চ হিম্মত ও সাহস দান করুন। আমিন! কুরআন প্রেমিকদের অমর কাহিনী -মাওলানা মুহাঃ মুয়াজ্জম হুসাইন ফারূকী (জামি'আ নূরীয়া ইসলামিয়া, আশরাফাবাদ, কামরাঙ্গীরচর, ঢাকা-১৩১০) প্রকাশকালঃ ২০১৩ ঈসায়ী (১ম প্রকাশ) প্রকাশনায়ঃ রাহনুমা প্রকাশনী http://t.me/pathofisla

ছবির ব্যাপারে সাহাবীরা কতটা কঠোর ছিলেন? হযরত আবদুল্লাহ ইব‌নে মাসউদ রা: ‌সম্পর্কে বর্নিত আছে যে, তি‌নি কো‌নো ঘ‌রে ফ‌টো দেখ‌তে পে‌য়ে ফেরত চ‌লে আস‌লেন। (ঘ‌রের ভেতর তি‌নি প্র‌বেশ ক‌রেন‌নি)। [স‌হিহ বুখা‌রি] হযরত আবু মাসউদ আনসারী রা: থে‌কে ব‌র্ণিত আ‌ছে যে, এক ব্য‌ক্তি তাঁর জন্য খাবার প্রস্তুত ক‌রে আমন্ত্রণ জানা‌লেন। তি‌নি জান‌তে চাই‌লেন: ঘ‌রে কোন ছ‌বি আ‌ছে কি? আমন্ত্রক জানাল: হ্যা। তি‌নি তার ঘ‌রে প্র‌বে‌শে অস্বীকৃ‌তি জানা‌লেন। এরপর ওই ব্য‌ক্তি ছ‌বি‌টি ভে‌ঙ্গে ফেল‌লেই তি‌নি তার ঘ‌রে প্র‌বেশ কর‌লেন।(সুনা‌নে বায়হা‌কি, খ: ৭, পৃ: ২৬৮)

হালঃ আমার দ্বারা যতোটুকু সম্ভব ছিল, আমার ভাষা যেটুকু ছিল, আমার হালত জানিয়ে দিলাম। আমার আফসোসের বিষয় এটাই যে, অন্যদের হালতের সঙ্গে যখন নিজের হালত মিলিয়ে দেখি নিজের হালতকে একেবারে বাজে মনে হয়। এই মাহরূমী বা বঞ্চনার কারণে কখনো কখনো ভীষণ কান্না পায়। (হযরত থানভী রহঃ কর্তৃক উক্ত হালতের) বিশ্লেষণঃ বাহ! আপনার এই আফসোস, এই হৃদয়ের কান্না দিয়েই আপনি ছাড়িয়ে গেছেন সবাইকে। শুকরিয়া আদায় করুন। তারবিয়াতুস সালিক ৩য় খণ্ড -মাওলানা শাহ্ আশরাফ আলী থানভী রহঃ পৃষ্ঠা ৪৪ http://t.me/pathofisla

তরজুমানে আকাবির আরেফবিল্লাহ শায়খুল হাদীস শায়খুল উলামা হযরত মাওলানা শাহ আবদুল মতীন বিন হুসাইন সাহেব দামাত বারাকাতুহুম এর আল্লাহপাকের গভীর মহব্বতে লেখা কবিতা: জান্নাতের মসনদ হাফেয রাকীবুল হাসানের কণ্ঠে

প্রাথমিক পর্যায়ের লোকদের জন্যে উপকরণ গ্রহণ করাই সমীচীন ও তার ব্যাখ্যা হযরত থানভী রহঃ বলেন, আমাদের মতো আধ্যাত্নিকতার পথের প্রাথমিক পর্যায়ের পথিকদের জন্যে উপায়-উপকরণ গ্রহণ করাই অধিকতর উপযোগী। উপায়-উপকরণ গ্রহণের ক্ষেত্রে বিস্তারিত বিশ্লেষণে যাওয়া অর্থাৎ মনের অবস্থা সবল হলে উপকরণ অবলম্বন না করা এবং দূর্বল হলে গ্রহণ করা ইত্যাদি মনকে বিক্ষিপ্ত ও বিচলিত করে। কারণ, তখন সবসময় চিন্তা করতে হবে যে, এখন মনের অবস্থা সবল নাকি দূর্বল। এ ধরণের বিচলিতকর অবস্থা প্রাথমিক পর্যায়ের লোকদের জন্যে ক্ষতিকর। আর অনেক সময় মন সবল আছে নাকি দূর্বল, এ সিদ্ধান্ত করতে চিন্তা করতে হবে। তখন এটা আরো বেশী পেরেশানীর কারণ হবে। কোনো কোনো সময় এ সিদ্ধান্ত গ্রহণে ভুল হয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে প্রকাশ পাবে। তখন প্রবল আক্ষেপ সৃষ্টি হবে। এটা আরো বেশী ক্ষতিকর। আবার কতক সময় উপকরণ অবলম্বন না করেও কামিয়াবী হাসিল হলে 'উজুব' তথা আত্নশ্লাঘা সৃষ্টি হয়। যা সর্বাধিক ক্ষতিকর। তাই উপকরণ অবলম্বন না করার মতো একটি অপ্রয়োজনীয় কাজের জন্যে নিজেকে এতোগুলো বিপদের আশংকায় ফেলা তরীকতের উসূলের পরিপন্থী। পক্ষান্তরে উপকরণ অবলম্বন করার মধ্যে এসব কিছু থেকে নিরাপত্তা রয়েছে। তাছাড়া এতে নিজের অক্ষমতা, দূর্বলতা ও অসহায়ত্ব সামনে আসে, তরীকতের মধ্যে এটি কাঙ্ক্ষিত ও সহযোগীও। তবে যারা এ পথে সুদৃঢ় ও প্রতিষ্ঠিত, তাদের জন্যে ভিন্ন বিধান রয়েছে। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ২৫৩ পৃষ্ঠা ১২৯ http://t.me/pathofisla

কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ২১) হযরত হাতেম আসেম রহঃ এর শিক্ষণীয় অবিস্মরণীয় ঘটনা -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দাঃ বাঃ http://t.me/khanqaSN http://t.me/pathofisla

দুনিয়াবী নিয়তে বুযুর্গদের সাথে সম্পর্ক রাখা উচিত নয় হযরত থানভী রহঃ বলেন, বুযুর্গদের সাথে সম্পর্ক থাকলে দ্বীনী সংশোধন তো হয়ই, দুনিয়ারও বরকত হয়। কিন্তু দুনিয়ার ঝুট-ঝামেলার সাথে সম্পর্ক জুড়বে না। যেমন হজ্জে যাওয়ার সময় বোম্বে দেখা এবং জাহাজ ভ্রমণ করার ইচ্ছা থাকা উচিত নয়। কিন্তু যে ব্যক্তি হজ্বে যাবে, তার পথে বোম্বেও পড়বে এবং জাহাজের সফরও ভাগ্যে জুটবে। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৭৫৯ পৃষ্ঠা ৩৫৩ http://t.me/pathofisla

কোকাকোলা পেপসি সম্পর্কে সতর্ক হোন- - মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. প্রধান মুফতী ও শাইখুল হাদীস, জামিয়া রহমানিয়া,মুহাম্মাদপুর,ঢাকা। http://t.me/qaumimalfuzat http://t.me/alokitojibon

ফেসবুকে যারা অনর্থক প্রানীর ছবি আপলোড করে তাদের এই কাজ হাদীসের আলোকে কতটুকু গ্রহনযোগ্য? Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে t.me/alokitojibon t.me/dinimazlis

হারাম ক্ষেত্র আল্লাহর জামালের প্রকাশস্থল নয় হযরত থানভী রহঃ বলেন, কতক ধর্মদ্রোহীর মনে এই প্রশ্ন জেগেছে যে, সবকিছু যেহেতু আল্লাহর গুণ ও সৌন্দর্যের প্রকাশস্থল, তাই কোনো জিনিস দেখা হারাম নয়। এ প্রসঙ্গে হযরত বলেন যে, সবকিছুর মধ্যে আল্লাহ তা'আলার সৌন্দর্য প্রকাশিত হলেও আল্লাহ্‌ নিজেই যখন নিষেধ করেছেন যে, এই আয়নার মধ্যে আমাকে দেখো না, তাই তাঁর হুকুম তামীল করতে হবে। কামালাতে আশরাফিয়া মালফূয ৭১০ পৃষ্ঠা ৩২৯ http://t.me/pathofisla

*ফেসবু‌কে সেল‌ফি আপ‌লোড ও তা‌তে ক‌মেন্ট করার শরয়ী বিধান; এক‌টি গুরুত্বপূর্ণ প্রামা‌ণিক ফ‌তোয়া।* " বিসমিহী তাআলা " প্রশ্ন : মুহতারাম মুফতী সাহেব, জামিয়া বিন্নুরী টাউন করাচী। আসসালামু আলাইকুমুস... বর্তমান সময়ে ফেসবুক ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। লোকেরা সেখানে নিজেদের ছবি আপলোড করে। অত:পর ফ্রেন্ডলিস্টে থাকা বন্ধুরা এতে 'মাশাআল্লাহ' 'খুব ভালো লাগছে'- জাতীয় কমেন্ট করে। প্রশ্ন হলো, এরকম কমেন্ট করা কি কবীরা গুনাহ নয়? বিনীত : সিদ্দীক্বুল্লাহ। উত্তর : হামদ ও সালাতের পর... প্রকাশ থাকে যে, খুব প্রয়োজন ছাড়া প্রাণীর ছবি তোলা হারাম। ফেসবুকে দেওয়ার জন্য নিজের ছবি তোলা 'শরঈ প্রয়োজন' এর পর্যায়ে পড়ে না। অতএব ফেসবুকে নিজের ছবি আপলোড করা নাজায়েয, হারাম। আর সে ছবিতে কমেন্ট করে 'মাশাআল্লাহ' ইত্যাদি বলাও নাজায়েয ও গুনাহের কাজ। সুতরাং প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় ছবি পোস্ট করা এক গুনাহ। আর ছবিতে লাইক করা, কমেন্টে 'মাশাআল্লাহ' লেখা অন্য গুনাহ। হাদীসের গ্রন্থসমূহে ছবি হারাম হওয়ার বিষয়ে কঠোর কথা বলা হয়েছে। বুখারী শরীফে আছে: أشد الناس عذابا يوم القيامة الذين يضاهون بخلق الله. ( পৃষ্ঠা:৮৮০, খণ্ড : ২, প্রাচীন সংস্করণ) অর্থাৎ : কেয়ামতের দিন সর্বাধিক কঠিন শাস্তি তাদের হবে, যারা সৃষ্টির ক্ষেত্রে আল্লাহর সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করে। (মাজাহেরে হক জাদীদ অবলম্বনে, ২৪৭/৪, প্রকাশক : দারুল ইশাআত) এবিষয়ে মুসলিম শরীফের একটি হাদীস: إن من أشد الناس عذابا يوم القيامة الذين يشبهون بخلق الله . ( পৃষ্ঠা:২০০, খণ্ড:২, অধ্যায় : تحريم تصوير صورة الحيوان ) অর্থাৎ : কেয়ামতের দিন সর্বাধিক কঠোর শাস্তি তাদের হবে, যারা সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে আল্লাহর সাথে সাদৃশ্য গ্রহণ করে। (মাজাহেরে হক জাদীদ অবলম্বনে, ২৪৭/৪) শরহুন নূরী কিতাবে আছে যে, "আমাদের ইমামগণ ও অন্যান্য আলেমগণ বলেন, প্রাণীর ছবি তৈরি করা খুবই হারাম। এটি একটি কবীরা গুনাহ। কেননা, এটির উপরই হাদীসে উল্লেখিত ধমকি বর্ণিত হয়েছে। ছবি যেভাবেই বানানো হোক না কেন, সর্বাবস্থায় তা হারাম। যেহেতু তাতে আল্লাহর সৃৃষ্টি করার সাথে সাদৃশ্য আছে। ছবির ছায়া থাক বা না থাক তার হুকুমে পরিবর্তন আসবে না। এবিষয়ে আমাদের মাজহাবের সারকথা এতটুকুই। আর জুমহুর সাহাবা, তাবিঈন ও পরবর্তীদের ভাষ্যও এটি। ইমাম সাওরী, ইমাম মালেক, ইমাম আবু হানিফা প্রমুখ ইমামের মাজহাবও তাই। রচনায় : সাইয়িদ নূর তাজ শাহ, মুতাখাসসিস: ফিকহে ইসলামী, জামিয়াতুল উলূমিল ইসলামিয়া বিন্নুরী টাউন, করাচী। রচনাকাল :২০. ০৮. ১৪৩৬ হিজরী। ০৮.০৬.২০১৫ ঈসায়ী। সত্যায়নে : মুফতী আব্দুল কাদির সাহেব দা.বা.। মুফতী, জামিয়া বিন্নুরী টাউন, করাচী। ভাষান্তরঃ মাওলানা জা‌মিল দা.বা; বাংলা‌দেশ। http://t.me/islamejebon http://t.me/pathofisla

🧨🧨সতর্কবাণী🧨🧨🧨 সারকথা এই যে, যাহার দ্বারাই নফস মজা লাভ করিতে শুরু করে, অনতিবিলম্বে তাহার নিকট হইতে দূরে সরিয়া যাইবে। কারণ, নফস যেখানে সামান্য স্বাদও অনুভব করে তাহা বিপদের আশঙ্কামুক্ত নয়। শত্রুকে স্বল্প পরিমাণ আনন্দিত দেখিলেও তাহা বরদাশত করা উচিত নয়। কারণ, সামান্য একটু আনন্দ উপভোগের দ্বারাই নফসের শক্তি সঞ্চয় হয়। অতঃপর সে ঐ শক্তির জোরে বড় কোন পাপের দিকে টানিয়া লইয়া যাইবে। যেভাবে হালকা হালকা জ্বর যাহা অনুভব করা দুষ্কর, তাহা অত্যন্ত ভয়ানক। কারণ, ভালোভাবে টের না পাওয়ার দরুন মানুষ উহার চিকিৎসা হইতে গাফেল থাকে। তদ্রুপ যাহার প্রতি নফসের হালকা হালকা আকর্ষণ হয় তাহার সাহচর্যও অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। (তাহার সহিত উঠা-বসা, বাক্যালাপ, নির্জনতা, দৃষ্টিপাত ইত্যাদি বিপদের অশনি সংকেত।) কারণ, স্পষ্ট ও প্রবল আকর্ষণের সকল ক্ষেত্র হইতেই সালেক (খোদাঅন্বেষী) অবশ্যই দূরে সরিয়া যায়। কিন্তু এখানে হালকা আকর্ষণের দরুন উহা হইতে সাবধানতা অবলম্বনে তাহার তওফীক হয় না। এভাবে হালকা হালকা মাত্রায় শয়তান তাহার আত্নার মধ্যে বিষ প্রয়োগ করিতে থাকে। অবশেষে এমন এক পর্যায়ে উপনীত হয় যে, নফস অত্যন্ত শক্তিশালী হইয়া অতি সহজে তাহাকে বড় বড় ও মারাত্নক মারাত্নক পাপের দিকে টানিয়া লইয়া যায় এবং উহাতে লিপ্ত করিয়া তাহার সর্বনাশ ঘটাইয়া দেয়। আত্নার ব্যাধি ও প্রতিকার -আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ হাকীম মুহাম্মাদ আখতার ছাহেব রহঃ তরজমাঃ মাওলানা শাহ্ আবদুল মতিন ছাহেব দাঃ বাঃ পৃষ্ঠাঃ ৩১-৩২ http://t.me/pathofisla