এসো সংশোধনের পথে
Відкрити в Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Показати більше801
Підписники
Немає даних24 години
Немає даних7 днів
-130 день
Архів дописів
শাওয়ালের ছয় রোযার ফযীলত
হযরত আবু আইয়ূব আনসারী রাঃ সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, হুযুর সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন- যে ব্যক্তি রমযানের রোযা রাখার পর শাওয়াল মাসে ছয়টি রোযা রাখে সে যেন সারাটি বছরই রোযা রাখল। (মুসলিম শরীফ, মিশকাত শরীফ- ১৭৯ পৃঃ)
🌿ছয় রোযার মাসায়েল🌿🌿
০১. রমযানের পর শাওয়াল মাসে ছয়টি নফল রোযা রাখার অনেক ফযীলত রয়েছে। এটাকে আমাদের পরিভাষায় ছয় রোযা বলা হয়। এ ছয় রোযা রাখার ব্যাপারে অনেকে এরূপ মনে করেন যে, ঈদের পরের দিন হতেই এই ছয় রোযা রাখা আরম্ভ করলে প্রতিশ্রুত সাওয়াব পাওয়া যাবে, নতুবা নয়। এ ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। বরং পুরো শাওয়াল মাসের মধ্যে যে কোন সময় আদায় করতে পারলেই সে সাওয়াব পাওয়া যাবে। ঈদের পরের দিন থেকেই আরম্ভ করুক বা কয়েক দিন পর আরম্ভ করুক। পরপর রাখুক অথবা ভিন্ন ভিন্ন যেভাবেই রাখুক পূর্ণ সাওয়াব পাওয়া যাবে। (যাওয়ালুচ্ছিনাহ্)
০২. অনেকে এই ছয় রোযার মধ্যে নিজের আগের ক্বাযা রোযারও হিসেব করে। মনে করে- ছয় রোযাও আদায় হয়ে যাবে, ক্বাযাও (আদায়) হয়ে যাবে। এই ধারণাটিও সঠিক নয়। যদি ক্বাযার নিয়্যাত করে, তাহলে ছয় রোযার ফযীলত অর্জিত হবে না। সুতরাং এই দুই ক্ষেত্রের জন্যে পৃথক পৃথক রোযা রাখতে হবে। (যাওয়ালুচ্ছিনাহ্)
০৩. ছয় রোযা ঈদের কয়েকদিন পরে আরম্ভ করা উত্তম। কারণ এতে নাসারাদের রোযার সাথে সাদৃশ্যতা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। (শাইখ আবদুল হক্ব মুহাদ্দিসে দেহলভী রহ. রচিত 'লুমআত')
তোহ্ফায়ে রমযান
(রোযার গুরুত্ব ও ফযীলত, সাহরী-ইফতার, সদক্বায়ে ফিতর, যাকাত, ই'তিকাফ, শবে ক্বদর, ঈদ ও ছয় রোযার আহকাম)
পৃষ্ঠাঃ ৪১
রচনায়ঃ হযরত আলহাজ্ব মাওলানা মুহাম্মাদ ওমর দাঃ বাঃ
উস্তাদুল হাদীস ওয়াল ফিক্বহ-
হাটহাজারী মাদরাসা, চট্টগ্রাম
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবায়ে হেজাজ
হাটহাজারী, চট্টগ্রাম
http://t.me/pathofisla
সহীহ হাদীসে বর্নিত আমলের মাধ্যমে সারা বছর প্রতি রাতেই কদরের রাতের ফাযায়েল অর্জন করা সম্ভব-১
---
রাসূলুল্লাহ ছাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন -যে ব্যক্তি এশার পর চার রাকাত নামায পড়ল, সে যেন কদরের রাত্রে চার রাকাত নামায পড়ল। এই হাদীসটি মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবাতে আছে। হাদীসটির সনদ সহীহ। এই হাদীসটি বেশ কয়েকজন সাহাবী বর্ণনা করেছেন- হযরত আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ রাযি. , হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাযি. , হযরত আয়েশা রাযি. , হযরত বারা ইবনে আযেব রাযি. , হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর রাযি. , হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস রাযি. , হযরত আনাস রাযি. সহ আরো বিভিন্ন সাহাবী এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। এ হাদীসের সনদ বুখারী শরীফ, মুসলিম শরীফের শর্তানুযায়ী সহীহ। এত বড় ফাযায়েল! প্রতিদিন এ আমলটি করার সুযোগ আছে।
যে ব্যক্তি এশার ফরয নামায পড়ল, এরপর দুই রাকাত সুন্নত পড়ল, এরপর সে চার রাকাত নফল পড়ল। এক সালামে পড়া উত্তম। তবে দুই সালামেও পড়ার সুযোগ আছে। অর্থাৎ দুই, দুই রাকাত করে পড়ারও সুযোগ আছে। যেভাবে সুবিধা হয় আমরা আমল করার চেষ্টা করি।
অনেক বেশি ফজিলতের বিষয়। এশার পরে কেউ চার রাকাত পড়লো, সে যেন কদরের রাত্রে চার রাকাত পড়ল। আর কদরের রাত হাজার মাসের চেয়ে উত্তম। ১০০০ মাসে প্রায় ৩০০০০( ত্রিশ হাজার) রাত হয়। যে এশার পরে চার রাকাত পড়ল, সে যেন লাগাতার প্রায় ৩০০০০( ত্রিশ হাজার) রাত প্রতি রাতে চার রাকাত করে নফল পড়লো। এটা তো অনেক বড় বিষয়! এটা আল্লাহপাক জাল্লা জালালুহু আমাদের জন্য অনেক বড় সুযোগ করে দিয়েছেন। অল্প সময়ে অনেক বেশি নেকী হাসিল করার সুযোগ। অনেক বড় সুযোগ, আল্লাহ তা'য়ালা আমাদেরকে কদর করার জন্য তৌফিক দান করেন।
এশার পরে কিছু নফল নামায পড়ার অভ্যাস করা চাই। সাধারণত দেখা যায় যে, মানুষ এশার ফরয পড়ে, এরপর দুই রাকাত সুন্নত পড়ে, এরপর বিতির পড়ে। শতকরা ৯০ ভাগ বা এরও বেশি লোক এরকম করে থাকে। এশার পরে নফল পড়ার অভ্যাস অনেকেরই একেবারেই কম। যাহোক এটা অনেক বেশি ফজিলতের আমল। এ আমল নিজেরা করার চেষ্টা করি, আর আমাদের প্রিয়জনদেরকে, ঘরওয়ালাদেরকে, অপর মুসলমান ভাইয়ের নিকট পৌঁছানোর জন্য চেষ্টা করি। অনেক ভাই আছেন আমল করার খুব আগ্রহ কিন্তু অনেক সময় না জানার কারণে সে বিষয়টা আমল করতে পারেন না। তো এত বড় ফযিলতের আমল যা বহু মুসলমান জানেন না। এজন্য এর ব্যাপক প্রচার হওয়া দরকার। আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সকলকে তৌফিক দান করেন।
যার হিম্মত কম সে দুই রাকাত পড়তে পারে। ৪ রাকাত পড়ার জন্য চেষ্টা করি, না পারলে দুই রাকাত পড়লেও ইনশাআল্লাহ তা'য়ালা পরিপূর্ণ ফাজাযেল না পাওয়া গেলেও, ফাজাযেল পাওয়া যাবে। আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সকলকে তৌফিক দান করেন।
আর নফল নামায বসে পড়ারও সুযোগ আছে। দাঁড়িয়ে পড়লে তো পূর্ণ সওয়াব পাওয়া যাবে। আর বিনা ওজরে বসে পড়লে অর্ধেক সওয়াব পাওয়া যাবে। এজন্য দাঁড়িয়ে পড়ার জন্য-ই চেষ্টা করা, আর দাঁড়িয়ে পড়তে না পারলে, কমসে কম বসে বসে পড়া। চার রাকাত পড়তে না পারলেও, কমসে কম দুই রাকাত পড়া। দেখা যাবে যে, দুই রাকাত করে অভ্যাস করলে, এক মাস, দুই মাস পর দেখবে যে, চার রাকাত না পড়লে আর ভালো লাগছে না। আল্লাহ তা'য়ালালা আমাদের সকলকে খুব তৌফিক দান করেন।
বাস্তবতা হলো, এশার পরে নফল পড়া আসলেই অনেক কঠিন কাজ। এজন্যই বেশিরভাগ লোক পড়তে সক্ষম হয় না। এজন্য আল্লাহ তা'য়ালার কাছে বেশি করে দু'আ করা। চলাফেরা, ওঠা-বসায় কিছু দিন বেশি বেশি করে দু'আ করা যে, "ইয়া আল্লাহ এশার পরে এত বড় ফযীলতের নামায, সহীহ হাদীসে এসেছে কিন্তু আমি তো এর উপর আমল করতে পারছি না। আপনি আমাকে হিম্মত দান করেন , তৌফিক দান করেন।" এভাবে কিছুদিন বেশি বেশি করে দু'আ করতে থাকা। তাহলে দেখা যাবে, ইনশাআল্লাহ তা'য়ালা আমল করা সহজ হয়ে যাবে। আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সকলের উপর খুব রহম করেন, খুব তৌফিক দান করেন। আমীন…
- রবিউল আকরাম গুফিরালাহু
(লেছানে হাকীমুল উম্মত মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন দা.বা. এর স্নেহধন্য খাদেম)
সহযোগিতায় - মুনতাছির
http://t.me/islamejebon
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ০৫ঃ
আয়েশা - যাত্রাবাড়ি, ঢাকা
৪৭৭৮. প্রশ্ন
আমার বাবা একজন নওমুসলিম। বাবার বংশের সবাই বৌদ্ধ। মাস দেড়েক আগে আমার এক বৌদ্ধ ফুফু ও ফুফাত ভাই আমাদের বাড়িতে বেড়াতে আসে। সবাই একসাথে দুপুরের খাবার খাই। খাওয়ার একপর্যায়ে পানি পানের জন্য ফুফুর পান করা পানির গ্লাসে মুখ দিতে গেলে মা ইশারা দিয়ে নিষেধ করেন। ফলে আমি অন্য গ্লাস দিয়ে পানি পান করি। পরে মা আমাকে বিষয়টি খুলে বলেন- ‘তোমার ফুফু ঐ গ্লাসে মুখ দিয়ে পানি পান করার কারণে অবশিষ্ট পানি নাপাক হয়ে গেছে। কারণ, অমুসলিম হল অপবিত্র।’
তো প্রশ্ন হল, আমার মার আপত্তিটি কি ঠিক? এক্ষেত্রে সঠিক মাসআলাটি জানালে কৃতজ্ঞ হব।
উত্তরঃ
আপনার মার কথাটি ঠিক নয়। অমুসলিমদের মুখের লালা অপবিত্র নয়। তাই অমুসলিমদের খাদ্য-পানীয়ের অবশিষ্টাংশ নাপাক নয়।
উল্লেখ্য যে, কুরআনুল কারীমে কাফেরদেরকে যে নাপাক বলা হয়েছে তা তাদের আকীদা ও বিশ্বাসের অপবিত্রতার কারণে; এজন্য নয় যে তাদের শরীরে নাপাকি না থাকলেও তা নাপাক গণ্য হবে।
-মাবসুত, সারাখসী ১/৪৭; শরহুল মুনয়া পৃ. ১৬৬; বাদায়েউস সনায়ে ১/২০১; ফাতাওয়া খানিয়া ১/১৮; আদ্দুররুল মুখতার ১/২২২
মাসিক আলকাউসার
শাবান-রমযান ১৪৪০ || এপ্রিল-মে ২০১৯
প্রশ্নটির লিংকঃ
https://www.alkawsar.com/bn/qa/answers/detail/2925/
http://t.me/pathofisla
প্রতিবেশীর বাড়ি থেকে গান বাজনার আওয়াজ আসলে আমার করনীয় কি?
নিয়মিত পোস্ট পেতে join হোন নিচের লিংকে
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
🔘🔘বিবির মতো চেহারা🔘🔘🔘
হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ বলেন, হারদুই হুজুর রহ. বলতেন, তুমি যে (দাঁড়ি কেটে) তোমার বিবির মতো চেহারা বানালে এর জন্য তো লজ্জা হওয়ার কথা। জুমু‘আর নামায পড়তে গেলে কী নিজের বিবির সালোয়ার কামিজ পড়ে যাওয়া কি লজ্জার ব্যাপার না?
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ১৩)
হাকীমুল উম্মত হযরত মাওলানা শাহ্ আশরাফ 'আলী থানভী রহ. এবং তাসাওউফ
হযরত হাকীমুল উম্মত রহ. এর কাছে চিঠি লেখা ও তাঁর পক্ষ থেকে জবাব
শৈশবে ভাইজান (হযরত যাকী কাইফী রহ.) যখন লেখা শেখেন, তখন ওয়ালিদ সাহেব রহ. (মুফতী শফী রহ.) তাঁকে দিয়ে সর্বপ্রথম হযরত থানভী রহ. এর কাছে চিঠি লেখান। হযরত থানভী রহ. তাঁর সেই চিঠির জবাবও দিয়েছিলেন। সে চিঠিখানিও এক স্বতন্ত্র সবক এবং ভাইজানের জন্যে তো এক মস্ত সম্পদ। হযরত থানভী রহ. সে চিঠিতে লিখেছিলেন-
"প্রিয় বৎস! আস-সালামু 'আলাইকুম। তোমার জন্যে দু'আ। তোমার লেখা দেখে দিল খুশি হয়েছে। তোমার 'ইলমী ও আমলী তারাক্কীর জন্য দু'আ করছি। হাতের লেখা আরও পরিষ্কার করবে। পত্রপ্রাপকের পক্ষে তা সহজ ও আরামদায়ক হয়। এ নিয়তে হস্তাক্ষর সুন্দর করলে ছওয়াবও পাওয়া যায়। দেখ, তোমাকে শৈশব থেকেই সুফী বানিয়ে দিচ্ছি। মাথাব্যাথার এ তাবিজ মাথায় বেঁধে রাখবে। ঘরের সকলকে সালাম ও দু'আ।"
-আশরাফ 'আলী
সাধারণ লোকে মনে করবে, তাসাওউফের সাথে হস্তাক্ষর সুন্দরের কী সম্পর্ক? কিন্তু এটা হযরত হাকীমুল উম্মত থানভী রহ. এরই বৈশিষ্ট্য। তিনি শরী'আত ও তরীকতের গুরুত্বপূর্ণ দাবি পূরণের প্রতি ভক্ত-অনুরক্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। সামাজিক আদব-কায়দা, আখলাক-চরিত্র, লেনদেনে স্বচ্ছতা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ইত্যাদি দ্বীনেরই অন্তর্ভুক্ত বিষয়।
তিনি দ্বীনের গুরুত্বপূর্ণ এসব বিষয়ের প্রতি নিজ ভক্তদের এমন এক সময়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন, যখন সাধারণভাবে চিন্তাই করা হত না যে, এগুলোও দ্বীনের অংশ। তিনি এসবের প্রতি এতো বেশী গুরুত্ব দিতেন যে, সুলূকের অযীফাসমূহ এবং নফল ইবাদত-বন্দেগীতে কারও কোনও ত্রুটি হলে সেজন্য তিনি তিরষ্কার করতেন না, কিন্তু সামাজিক আদব-কায়দা ও লেনদেন ইত্যাদিতে কোনও ত্রুটি হলে কিংবা অন্যের কষ্ট হয় এমন কোনও কাজ করে ফেললে তিনি তা কঠিনভাবে ধরতেন।
হযরত রহ. এর এ তা'লীম ও তরবিয়াত দ্বারা ভাইজান খুবই প্রভাবিত ছিলেন। তিনি নিজ চলাফেরায় সবসময় লক্ষ রাখতেন, যাতে তাঁর দ্বারা কারও কোনও প্রকার কষ্ট না হয়।
শাইখুল ইসলাম মুফতী তাকী উসমানী দাঃ বাঃ এর আত্নজীবনীমূলক রচনা 'আমার জীবনকথা' (১ম খণ্ড)
পৃষ্ঠাঃ ৬৪ - ৬৫
অনুবাদঃ মাওলানা আবুল বাশার মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুল আশরাফ
প্রকাশকালঃ জানুয়ারী ২০১৮ ঈসাব্দ
http://t.me/pathofisla
সংযম সাধনায় শুদ্ধ করে
রহমতে বরকতে হৃদয় ভরে
এলো রমজানের ঐ ঈদ
খুশির আমেজে ঐ পাপের দুয়ার খোলে না যেন ভাই কখনোই আর
থেমে যাক কুফুরীর গীত
কণ্ঠঃ মশিউর রহমান
http://t.me/pathofisla
ঈদের রাতের ফজিলত অনেক। এর কারন কি?
Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
http://t.me/pathofisla
🌸অটো চেয়ারম্যান🌸🌸
হযরত মুফতী মনসূরুল হক্ব দাঃ বাঃ বলেন, অনেকে না বুঝেই মাসআলা না জেনে চেয়ারে বসে নামায পড়ে। যাঁচাই করলে দেখা যাবে অধিকাংশের জন্যই চেয়ারে নামায পড়া জায়েয নাই। এটা একটা ফ্যাশন হয়ে গেছে। পুরো মসজিদ এখন কমিউনিটি সেন্টারে পরিনত হয়েছে। আর তারা অটো চেয়ারম্যান বনে গেছে। নামাযের আসল অর্থ হচ্ছে, নিজেকে মিটায়ে দেয়া। অথচ চেয়ারে বসে নামায পড়া তাকাব্বুরীর আলামত।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
http://t.me/pathofisla
২৯ রমযানে দু'টি গুরুত্বপূর্ণ আমল-
Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
http://t.me/pathofisla
সন্দেহ রোগের চিকিৎসা
হযরত থানভী রহঃ বলেন, সন্দেহ রোগীর জন্যে সবচে' বড়ো ঔষধ হলো, হালাল খানা খাওয়া। কারণ, হালাল খাদ্য অন্তরকে আলোকিত করে। আর অন্তর যখন আলোকিত হয়, তখন মানুষ হক ও বাতিলের মধ্যে তারতম্য করতে সক্ষম হয়।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৪৩২
পৃষ্ঠা ১৯৪
http://t.me/pathofisla
হযরত মাওলানা শামসুল হক ফরিদপুরী রহঃ এর যখন প্রেসিডেন্সী কলেজে পড়তেন তখন বাংলাদেশের বিখ্যাত বিজ্ঞানী জগদীশ চন্দ্র বসু অক্সিজেন ও হাইড্রোজেন মিলিয়ে এক ফোঁটা পানি তৈরী করে দেখিয়ে বললেন...........
-হযরত প্রফেসর হামিদুর রহমান দাঃ বাঃ
খলিফাঃ হযরত হাফেজ্জী হুজুর রহঃ এবং হযরতওয়ালা হারদুঈ রহঃ
http://t.me/pathofisla
তারাবীহর পারিশ্রমিকের প্রভাব
জনৈক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করে যে, তারাবীহর নামায পড়িয়ে পারিশ্রমিক নেওয়ার ফলে শুধু মাল হারাম হবে, নাকি নামাযও কবুল হবে না? এবং সতর্ক মুক্তাদী আলাদাভাবে সূরা তারাবীহ পড়বে, নাকি এমন জামাতে অংশগ্রহণ করবে?
হযরত থানভী রহঃ বললেন, ইমামের নামায বা যারা পারিশ্রমিক দিয়েছে তাদের নামায কবুল হবে না। যারা পারিশ্রমিক দেয়নি, তাদের নামায কবুল হবে। এই ওযরে জামাত ছাড়া উচিত নয়।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৭৪৮
পৃষ্ঠা ৩৪৯
http://t.me/pathofisla
তারাবীহের নামাযে কুরআন শরীফ শুনিয়ে পারিশ্রমিক নেওয়া সম্পর্কে একটি প্রশ্নের উত্তর
এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করলো, হাফেয ছাহেবরা যে, তারাবীহতে কুরআন শোনায় এবং মানুষ তাদেরকে কিছু দেয়, আলেমগণ একে কুরআন পাঠের পারিশ্রমিক সাব্যস্ত করে নাজায়েয বলেন। এটাকে যদি নির্ধারিত সময়ে আবদ্ধ থাকার পারিশ্রমিক গণ্য করা হয় তাহলে দোষ কী?
উত্তরে হযরত থানভী রহঃ বললেন, এটা নির্ধারিত সময় আবদ্ধ থাকার পারিশ্রমিক কী করে হতে পারে? কারণ, হাফেয ছাহেব যদি সারা মাস এখানে অবস্থান করে, কিন্তু তারাবীহতে কুরআন পাঠ না করে, তাহলে তো কেউ দিবে না। পক্ষান্তরে হাফেয ছাহেব সারা দিন বাইরে ঘোরা-ফেরা করে রাতে এসে কুরআন শুনিয়ে দিলে বিনিময় পাবে। এটা তো নির্জলাভাবে কুরআন পাঠের পারিশ্রমিক।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৬২৭
পৃষ্ঠা ২৮৪
http://t.me/pathofisla
তারাবীহ নামাযে এখন ধুমছে টাকা কালেকশন চলছে। এ কালেকশনে শরিক না হই-
Telegram এ নিয়মিত অডিও পেতে join হোন নিচের লিংকে
t.me/alokitojibon
t.me/dinimazlis
http://t.me/pathofisla
নিজেকে আল্লাহ্র হাতে সঁপে দিবে (শবে কদরে রাত্র জাগরণ করার সহজ উপায়)
হযরত থানভী রহঃ বলেন, শবে কদরে ঘুম না আসার ব্যবস্থা হলো, বিভিন্ন প্রকারের আমল শুরু করে দিবে, যাতে মনোযোগ বিক্ষিপ্ত থাকে। কিছু সময় নফল নামায পড়লো, এরপর কুরআন তিলাওয়াত করলো, তারপর যিকির করতে আরম্ভ করলো, তারপর ওয়ায করতে বা শুনতে আরম্ভ করলো। প্রফুল্লতা ফিরিয়ে আনার জন্যে যদি এর মাঝে মাঝে কিছু কথাও বলে তবুও কোনো সমস্যা নেই। যেমন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হযরত আয়েশা রাঃ এর সাথে কথা বলতেন। কথা বলা উদ্দেশ্য ছিলো না, মনে প্রফুল্লতা সৃষ্টির জন্যে তিনি এমনটি করতেন। মনকে প্রফুল্ল রেখে রাত জাগবে।
আর যদি এমন ক্লান্তি চলে আসে যে, ঘুম নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তাহলে ঘুমিয়ে নিবে। কারণ, হাদীস শরীফে এসেছে যে, فَلیَرقُد 'তাহলে যেন সে শুয়ে পড়ে।' এমতাবস্থায় শোয়ার মধ্যেই ফযীলত রয়েছে। সর্বাবস্থায় 'আবদিয়াত' উদ্দেশ্য। তা ঘুমানোর মধ্যে হোক, বা জাগার মধ্যে হোক। নিজেকে আল্লাহ্র হাতে সঁপে দিবে। যেমন হুকুম হবে তেমন করবে। নফসের অনুগমনে কিছুই করবে না। এটাই আবদিয়াত।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৫৫১
পৃষ্ঠা ২৪৪
http://t.me/pathofisla
ক্বুরআন নাজিলের মাস এই মাহে রমজান
শবে কদরের মাস এই মাহে রমজান...
কণ্ঠঃ মশিউর রহমান
http://t.me/pathofisla
দ্বীনের খাদেমদের সর্বপ্রথম নিজেদের তাকওয়া অর্জনের প্রতি চৌকান্না থাকা চাই
যে দ্বীনের কথা বলবে, দ্বীনের খেদমত করবে, দ্বীনের তালিম দিবে তার ভিতরে তাকওয়া যত বেশি থাকবে, এ রকম ব্যক্তির দ্বারা দ্বীনী খেদমত হলে সেই খেদমতের দ্বারা ব্যাপক ফায়দা হয়। সেই দ্বীনী খেদমতের তাছির, প্রভাব ব্যাপক হয়। সে নিজেও উপকৃত হয়, মানুষও বেশুমার উপকৃত হয়।
আল্লাহ তা'য়ালা আমাদের সকলকে তাকওয়ার দৌলত খুব দান করেন।
তার মানে কি যার মধ্যে তাকওয়া নাই, সে দ্বীনের খেদমত করবে না? তালীম করবে না? দ্বীনী কথা বলবে না? বিষয়টা এরকম না। সে কিছু কিছু দ্বীনের খেদমত করবে, তবে সে মূলত তাকওয়া অর্জনের প্রতি জোর দিবে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যেতে পারে, সে তার সময়ের ১২ আনা খরচ করবে তাকওয়া অর্জনের পথে, আর ৪ আনা সময় খরচ করবে দ্বীনী খেদমতের পথে। তকওয়া অর্জনের আগ পর্যন্ত ব্যালেন্স রক্ষা করে চলবে। ব্যালেন্স রক্ষা না করলে দেখা যাবে যে, নিজের বড় ক্ষতি হয়ে গেছে। নিজের ভিতরে বড়ত্ব পয়দা হইতেছে, যা খুব মারাত্মক ক্ষতিকর বিষয়। আল্লাহ তা'আলা আমাদের সকলকে হেফাজত করেন।
-মুহতারাম রবিউল আকরাম দাঃ বাঃ
হযরত মাওলানা শাহ্ আবদুল মতিন বিন হুসাইন দাঃ বাঃ এর স্নেহধন্য খাস শাগরেদ
http://t.me/islamejebon
http://t.me/pathofisla
৪০ মিনিটের জুমার বয়ান।
২৪/০৫/১৯ ঈসায়ী
-মাওলানা সালাহ্ উদ্দীন দাঃ বাঃ
ইমাম ও খতিবঃ বড় পুকুরপাড় জামে মসজিদ, ফুলবাড়ীয়া, মোমেনশাহ
বিষয়ঃ যাকাত না দেওয়ার শাস্তি
http://t.me/pathofisla
