এসো সংশোধনের পথে
Відкрити в Telegram
এই চ্যানেলে বিভিন্ন আল্লাহ্ওয়ালাদের বয়ান, মালফূয, দ্বীনী পরামর্শ এবং মূল্যবান নসীহত আপলোড দেওয়া হয়।
Показати більше801
Підписники
Немає даних24 години
Немає даних7 днів
-130 день
Архів дописів
এক মিনিটে একটি মাসআলা
মাসআলা ১৯
মুহাম্মাদ হাসানাত,
মানিকগঞ্জ।
1676 নং উত্তর:
ঘুড়ি উড়ানো সংক্রান্ত।
লিংক:
t.me/mufteesofee
বয়ান পেতে:
t.me/khankahbd
মা ও বোনদের রুমে প্রবেশের ক্ষেত্রে নাবালেগ ও সাবালক সকলেই অনুমতি নিয়ে রুমে প্রবেশ করবে, বা শব্দ করে তাদেরকে অবগত করে ঘরে প্রবেশ করবে, এটাই কোরআনে কারিমের বিধান,
✾•┈┈┈┈┈┈┈•✺•┈┈┈┈┈┈┈•✾
হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম।
https://t.me/MuftiMasudKasemi
ঘুমের আগে ইউটিউব দেখবো না , বরং দোয়া পড়বো, ঘুম থেকে উঠে মেসেজ চেক করব না, বরং মিসওয়াক করে ওযু করে নামায আদায় করব!
✾•┈┈┈┈┈┈┈•✺•┈┈┈┈┈┈┈•✾
হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম।
https://t.me/MuftiMasudKasemi
11.8.2020
হস্তমৈথুন করা গুনাহে কবিরা। হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার আমল সম্পর্কে কিছু কথা।
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য)
হস্তমৈথুন সম্পর্কে আরো তিনটি পোষ্ট
♥♥♥
https://t.me/alokitojibon/585
https://t.me/alokitojibon/1261
https://t.me/alokitojibon/1299
key word for search : হস্ত মৈথুন
পোষ্ট নং ১৩৫৩
দ্বীনদারীর ফলে বোধ-বুদ্ধি সঠিক হয়
হযরত থানভী রহ. বলেন, যে দ্বীনের অনুগামী হয় না, তার জাগতিক বুঝও নষ্ট হয়ে যায়। আর দ্বীনদার ব্যক্তি জাগতিক বিষয়ে অনভিজ্ঞ হলেও সব বিষয়ে তার বুঝ সঠিক হয়। হালাল রুজির মধ্যেও এই প্রভাব রয়েছে। পক্ষান্তরে হারাম রুজির কারণে জ্ঞান-বুদ্ধি বিকৃত হয়ে যায়।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৭৮৩
পৃষ্ঠা ৩৬৫
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
০৯/০৮/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
9.8.2020
পাবলিক ভয়েস এবং ইনসাফ24.com এর নোংরামি সম্পর্কে সচেতন হোন।
কারো নামের সাথে কাসেমী লাগানো দেখলেই তার প্রতি আকৃষ্ট হওয়া ঠিক না।
- মুহাম্মাদ রবিউল আকরাম
(মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. এর সোহবতধন্য)
ছবিমুক্ত এডমুক্ত পত্রিকা পড়ার উপায় সম্পর্কে অডিও ♥♥♥
https://t.me/alokitojibon/1281
key word for search : ছবি
পোষ্ট নং ১৩৫০ ভিডিও ♦ পোর্টাল
যাদের ফজরের নামায নিয়মিত ছুটে যায় তাদের করণীয় সম্পর্কে-
আমি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামায আদায় করি। কিন্তু প্রায় সময়েই ফজরের নামায যথাসময়ে বা জামা'আতের সাথে আদায় করতে পারি না। তার প্রথম কারণ হল-ঘুম, দ্বিতীয়তঃ শারীরিক নাপাকী। এখন কথা হলো- ফজরের নামায সূর্যোদয়ের পর আদায় করলে কি নিয়মে পড়তে হবে? কাযা নিয়ত করতে হবে কি? ঘুম থেকে জাগার সাথে সাথে বা নাপাকী থেকে পবিত্র হওয়ার সাথে সাথে যদি আদায় করি (সূর্যোদয়ের পর), তাহলে কি কাযা পড়তে হবে?
জবাবঃ ঘুমের কারণে প্রতিদিন ফজরের নামায কাযা হবে- এটা শরীয়তের দৃষ্টিতে গ্রহণযোগ্য কোন উযর নয়। কারণ-ঘুম থেকে উঠার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ কোন কঠিন ব্যাপার নয়। এর জন্য উচিত যে, যাদের উঠতে কষ্ট হয়, তারা রাত্রে একটু আগেভাগেই নিদ্রা যাবে এবং ফজরের সময় উঠার জন্য এলার্ম ঘড়ি ব্যবহার করবে বা আশে পাশের লোকজনকে ডেকে দেয়ার জন্য অনুরোধ করবে।
এটা অত্যন্ত দুঃখজনক যে, আল্লাহ্র সন্তুষ্টির জন্য অনেকে সকালে ঘুম থেকে উঠতে পারে না। কিন্তু দুনিয়াবী বিশেষ দরকারে বা নিজের কলিজার টুকরা সন্তানদিগকে খৃষ্টানদের স্কুলে পড়ানোর জন্য ইংরেজ ও খোদার দুশমনদের হাতে পৌঁছে দিয়ে তাকে জাহান্নামে পৌঁছানোর ব্যবস্থাকে পাকাপোক্ত করার জন্য ফজরের কয়েক ঘন্টা আগে জেগে রেডী হতেও কোন কষ্টবোধ করে না। বরং খুশী থাকে। আবার অনেকে চাকুরী রক্ষার জন্য অনেক আগে ঘুম থেকে উঠে পড়ে। অনেক দূরে কোথাও যেতে যানবাহন ধরার জন্য খুব ভোরে উঠে। এগুলো কিভাবে সম্ভব হয়? আল্লাহ্র সন্তুষ্টি কি গান্ধা দুনিয়া থেকে নিম্নমানের হয়ে গেলো?
নাপাকীর প্রশ্নও অনর্থক। কারণ- নামাযের ১৫/২০ মিনিট আগে উঠেও পাক হওয়া সম্ভব। সুতরাং সর্বাবস্থায়ই আপনাকে ফজরের পূর্বেই উঠতে হবে এবং এর জন্য ব্যবস্থা করতে হবে। সব রকম ব্যবস্থা গ্রহণ করার পরেও যদি কদাচিৎ কখনও ঘুম না ভাঙ্গে এবং সূর্যোদয়ের পরে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার ঘটনা ঘটে যায়, তাহলে এমন পরিস্থিতিতে সূর্যোদয়ের পরে ফজরের নামায কাযা পড়ে নিবেন। ওয়াক্ত চলে যাওয়ার পর কাযা পড়া ছাড়া আর কোন ব্যবস্থা নেই। (প্রমাণঃ মুসলিম শরীফ, ১ঃ২৩৮)
-ফাতাওয়ায়ে রাহমানিয়া (১ম খণ্ড)
মুফতী মনসূরুল হক দা: বা:
পৃষ্ঠাঃ ৩৫৮-৩৫৯
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুল আশরাফ
প্রথম প্রকাশঃ শা'বান ১৪২৪ হিজরী
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
০৪/০৮/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
মাতৃসেবার নামে যেভাবে বিভিন্ন এনজিও আমাদের সরলমনা মা বোনদের ধোঁকা দিচ্ছে তার কিছু নমুনা।
-হযরত মুফতী মাহমুদুল হাসান গনবী দা: বা:
http://t.me/pathofisla
আলেমদের মৌন সমর্থন শরী‘আতের দলীল নয়
হযরতওয়ালা মুফতী মনসূরুল হক দামাত বারাকাতুহুম বলেন, কোন বড় আলেমের মৌন সমর্থন শরী‘আতের দলীল ও হুজ্জত নয়। একমাত্র নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের মৌন সমর্থনই হুজ্জাত ও দলীল হিসেবে গ্রহিত হবে।
কিন্তু সাধারন মানুষ এগুলো না জেনে আলেমদের মৌনতাকেও দলীল মনে করে। বলতে থাকে অমুক বড় আলেমের সামনে এ কাজ করলাম তিনি তো কিছুই বললেন না। সুতরাং আলেমের জন্য কোন শরী‘আত গর্হিত কাজ দেখে চুপ থাকা অনুচিৎ। সঙ্গে সঙ্গে সঠিক মাসআলা বলতে হবে।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব-৩৭)
হযরতওয়ালা হারদুঈ রহ. এর অধিনস্তদের তারবিয়াত ও সুন্নাতের প্রতি সীমাহীন মুহাব্বতের ছোট্ট একটি শিক্ষণীয় ঘটনা
-হযরত মাওলানা আমিনুল হক দা: বা:
খলিফাঃ প্রফেসার হযরত হামীদুর রহমান দা: বা:
বিঃ দ্রঃ রেকর্ডিং কোয়ালিটি মধ্যম তবে বোঝা যায়। খাস মজমা থেকে নেয়া।
http://t.me/pathofisla
তাকবীরে তাশরীক
যিলহাজ্জ মাসের ৯ তারিখ ফজরের নামায থেকে শুরু করে ১৩ তারিখ আসরের নামায পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামাযের পর সকল সাবালক পুরুষ, মহিলার জিম্মায় উক্ত তাকবীর একবার বলা ওয়াজিব। তিনবার বলা ওয়াজিব নয়। পুরুষগণ উচ্চস্বরে আর মহিলাগণ নিম্নস্বরে পড়বে।
তাকবীরে তাশরীক এই:
اَللهُ اَكْبرُ اَللهُ اَكْبرُ ، لَاۤ اِلٰهَ اِلَّا اللهُ وَاللهُ اَكْبَرُ اَللهُ اَكْبرُ وَ لِلّٰهِ الْحَمْدُ
(সূত্রঃ আদ্দুররুল মুখতার: ২/১৭৭-১৮০)
বি.দ্র.: এই বছর যিলহাজ্জ মাসের ৯ তারিখ অর্থাৎ ৩১ জুলাই ২০২০ ঈসায়ী শুক্রবার ফজরের নামায থেকে নিয়ে যিলহাজ্জ মাসের ১৩ তারিখ অর্থাৎ ০৪ আগষ্ট ২০২০ ঈসায়ী মঙ্গলবার আসরের নামায পর্যন্ত প্রত্যেক ফরয নামাযের পর সকল সাবালক পুরুষ, মহিলার জিম্মায় উক্ত তাকবীর একবার বলা ওয়াজিব।
https://play.google.com/store/apps/details?id=com.islami_jindegi
মামাতো বোন,খালাতো বোন,চাচতো বোন,ও তাদের সঙ্গে তাদের বান্ধবীদের ফটো মোবাইলে রাখলে কি কোন গুনাহ হবে?
✾•┈┈┈┈┈┈┈•✺•┈┈┈┈┈┈┈•✾
হযরত মাওলানা মুফতি মাসউদুর রহমান কাসেমী দামাত বারকাতুহুম।
@MuftiMasudKasemi
মালিকের নিয়মিত কাজ করে যাওয়া উচিত, উপভোগের প্রত্যাশী বা কিছু হলো কি না তা দেখা উচিত নয়
হযরত থানভী রহ. বলেন, কাজে মগ্ন থাকা দরকার। 'কাইফিয়াত' আছে কি নাই, স্বাদ ও উপভোগ লাভ হচ্ছে কি না, বা কোনো ফলাফল হচ্ছে কি না এসব দেখার প্রয়োজন নেই।
বিষয়টি একটি দৃষ্টান্তের মাধ্যমে বুঝুন। রাতের বেলা আটা পেষণকারী আটা পেষে। কিন্তু আটা যাতা দিয়ে বের হচ্ছে কি না, তা তার জানা থাকে না। বা কতোটুকু আটা জমা হলো তাও তার জানা থাকে না। সে শুধু পেষার কাজেই মগ্ন থাকে। সকাল বেলা যখন দেখে, তখন জানতে পারে যে, যাতার চতুর্দিকে আটা স্তুপ হয়ে আছে। কিন্তু সারারাত যদি সে যাতা এক চক্কর ঘুরিয়ে দেখতে থাকতো যে, কতো আটা পেষা হলো এবং কতো আটা জমা হলো, তাহলে সারারাতে এক পোয়া আটাও পেষা হতো না।
তাছাড়া নিজেকে যার নিকট অর্পণ করেছে, তার প্রতি বিশ্বাস, আনুগত্য ও ভক্তি-শ্রদ্ধা ছাড়া কাজ হতে পারে না। বিজ্ঞ ব্যক্তি যখন বলেছে যে, কাজ হচ্ছে তাহলে নিশ্চিন্ত থাকা উচিত।
কামালাতে আশরাফিয়া
মালফূয ৪২৭
পৃষ্ঠা ১৯২
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
২৪/০৭/২০ ঈ.
http://t.me/pathofisla
দিলকে গভীরভাবে নাড়া দেয়ার মতো খুছুছি মজলিসের সংক্ষিপ্ত ইসলাহী নসীহত
-আরেফবিল্লাহ হযরত মাওলানা শাহ্ সাঈদ নূর দা: বা:
বিষয়ঃ
০১. দ্বীন প্রচারের ক্ষেত্রে উলামায়ে কেরাম হবে স্বাধীনচেতা, কারো পরোয়া করবে না
০২. অন্যের চিন্তা না করে নিজের চিন্তা করা, নিজের আখিরাত গুছানো চাই
স্থানঃ খানক্বাহে নূরিয়া আখতারিয়া আশরাফিয়া, পূর্ব মিতরা, মানিকগঞ্জ
তারিখঃ ২৫ জিলক্বদ ১৪৪১ হিজরী ১৭/০৭/২০ ঈসায়ী জুমাবার বাদ মাগরিব
http://t.me/khanqaSN
💎💎💎অমূল্য রতন💎💎💎💎
"নফসকে পরাস্ত করা কাফেরকে পরাস্ত করার চেয়েও ভারী।"
-মাওলানা আবদুল মতীন বিন হুসাইন ছাহেব দা.বা. খতিব, বাইতুল হক জামে মসজিদ, ঢালকা নগর, ঢাকা।
http://t.me/pathofisla
"মাওলাবিহীন জীবন বন্ধু পশুদের জীবন
মাওলাপ্রেমের অগ্নি করে জীবনকে জীবন।"
-শাহ্ আবদুল মাতিন বিন হুসাইন দা: বা:
http://t.me/pathofisla
মোবাইলের স্ক্রিনে ছবি সেভ করে রাখা সম্পর্কে- ♥♥♥
প্রশ্ন
মোবাইলের স্ক্রিনে পুরুষ বা
মহিলার ছবি সেভ করে রাখার হুকুম
কী?
উত্তর:
স্ক্রিনে ছবি সেভ করে রাখলে
ছবির প্রদর্শনী হয় এবং ছবি খুলে
রাখা হয়। যা রহমতের ফিরিশতার
আগমন থেকে বঞ্চিত হওয়ার কারণ।
এছাড়া শরীয়তে ছবির প্রকাশ ও
প্রদর্শন নিষেধ করা হয়েছে। অতএব,
স্ক্রিনে মানুষ বা কোন প্রাণীর
ছবি সেভ করে রাখা থেকে বিরত
থাকা জরুরি।
আর স্ক্রিনের ছবিটি
যদি কোনো মহিলার হয় তবে
গায়রে মাহরামদের জন্য ছবিটি
দেখা এবং অন্যদের দেখানোর
ভিন্ন গুনাহ হবে। এতে ছবি
প্রদর্শনের গুনাহ ছাড়া পর্দা
লংঘনের গুনাহ হয়। তাই এ থেকে
বিরত থাকা আরো বেশী জরুরি।
-সহীহ বুখারী ২/৮৮০; আলমাদখাল
ইবনুল হাজ ১/২৭৩; বাদায়েউস
সানায়ে ১/৩০৪; ফাতাওয়া
হিন্দিয়া ৫/৩৫৯
- উত্তর প্রদানে
মুফতী মেরাজ তাহসীন দা: বা:
Whatsapp এ
''ইসলামী জীবন'' গ্রোপ(এখানে মুফতী আবদুল মালেক দা.বা. এর আলকাউসার পত্রিকা এবং মুফতী মনসূরুল হক দা.বা. এর লেখাসহ বিভিন্ন ইসলামী বিষয় পোষ্ট করা হয়ে থাকে) এর পোষ্ট নিয়মিত পেতে নিচের লিংকে জয়েন হোন https://chat.whatsapp.com/Cjrl3wEsdXvHj27BxbJgBa
কেমন ছিলেন আমাদের আকাবিরগণ (পর্ব - ১১)
হযরত মুফতী রশীদ আহমাদ লুধিয়ানভী রহঃ
একবার হযরতের দরবারে দক্ষিণ নাযিমাবাদ থেকে জনৈক ব্যক্তি এলো। বয়স্ক মানুষ। সাদা ধবধবে চুল। বাহ্যিকভাবে বেশ দ্বীনদার মনে হলো। প্রচুর অর্থ-বিত্তের মালিক। হযরতের সাথে বেশ দূরের কোনো আত্নীয়তা রয়েছে; বলে জানালো। লোকটি হযরতের কাছে তার ছেলের বিয়ে পড়িয়ে দেয়ার এবং বরযাত্রী হওয়ার আবেদন করলো।
হযরত বললেন, 'বর্তমানে বিয়ের আসরগুলোতে ছবি তোলার মহামারী ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে গেছে। এজন্যে আমি সেখানে অংশগ্রহণ করি না'।
লোকটি ছবি না তোলার নিশ্চয়তা দিলো। হযরত বললেন, 'যদি বিয়ের অনুষ্ঠান চলাকালে কোনো ছবি তোলা হয় তাহলে আমি কিন্তু মাঝপথ থেকেই তোমাদেরকে ছেড়ে উঠে যাবো। এখনই চিন্তা-ভাবনা করো। পরবর্তীতে কোনোভাবে হেনস্তা হলে আমায় কিছু বলতে পারবে না'। লোকটি এরপরও পূর্ণ নিশ্চয়তা দিলো। সে দৃঢ়তার সাথে বললো যে, আমি দায়িত্ব নিচ্ছি। কোনোভাবেই ছবি তুলতে দেয়া হবে না।
হযরত মুফতী ছাহেব লোকটির সাথে গেলেন। দক্ষিণ নাযিমাবাদ থেকে শুষ্কপথে বরযাত্রীদল মনোড়া পৌঁছুলো। নৌবাহিনীর জনৈক ক্যাপ্টেনের মেয়ের সাথে বিবাহ হবে। মনোড়া পৌছার পর দেখা গেলো যে, একটি বিশাল মাঠে অনেক বড় শামিয়ানা টাঙ্গানো হয়েছে। অনুষ্ঠানস্থলের বিভিন্ন অংশে বেশ কয়েকজন ক্যামেরাম্যান ক্যামেরা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
হযরত বললেন, যতক্ষণ পর্যন্ত শয়তানের এই সবগুলো হাতিয়ার তাদের কাছ থেকে নিয়ে আমার কাছে সোপর্দ না করা হবে ; ততক্ষণ পর্যন্ত আমি শামিয়ানার নিচে যাবো না। যেহেতু এমনটি হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো না। এজন্যে হযরত বললেন, আমি অমুক মসজিদে চলে যাচ্ছি। আপনারা অনুষ্ঠান শেষে ফেরার সময় আমাকে সাথে নিয়ে যাবেন। লোকটি হযরতকে খুব তোষামোদ করলো যে, আমরা আপনার দিকে তাকিয়ে বিয়ে পড়ানোর জন্যে অন্য কারো ব্যবস্থা করিনি। ঠিক আকদের মুহূর্তে বিয়ে পড়ানোর জন্যে দ্বিতীয় কাউকে ব্যবস্থা করা খুবই মুশকিল। আর এতে আমার বেইজ্জতি হবে।
হযরত বললেন, 'যা-ই ঘটুক; বিয়ে পড়ানো তো দূরের কথা, আমার পক্ষে এই শামিয়ানার ভেতরেই যাওয়া সম্ভব না'।
কথাগুলো বলে হযরত ওই মসজিদে চলে গেলেন। সেখানে যাওয়ার পর হযরতের মনে হলো যে, এ জাতীয় লোকদের সঙ্গী হওয়াও তো জায়েয নয়। কেননা আল্লাহ্ ইরশাদ করেছেন,
فَلاَ تَقعُد بَعدَ الذِّکرٰی مَعَ القَومِ الظّٰلِمِینَ
(সূরা আন'আমের ৬৮ নং আয়াতের শেষাংশ)
তখন হযরত সেখান থেকে উঠে লঞ্চযোগে কেমাড়ি পৌঁছুলেন। ওখান থেকে একটি ট্যাক্সি নিয়ে বাড়ি চলে এলেন।
পরবর্তী দিন সেই লোক হযরতের কাছে এসে বললো, আমরা ফেরার সময় আপনাকে অনেক খুঁজেছি। না পেয়ে খুবই পেরেশান হয়েছি। হযরত বললেন, 'এটি হলো তোমাদের কৃতকর্মের প্রতিফল'।
দেখুনঃ ডিজিটাল ছবি ও ইলেকট্রিক মিডিয়া সম্পর্কে ইসলামের বিধান
পৃষ্ঠা ২৬ - ২৭
মূলঃ মাওলানা মুফতী ইহসানুল্লাহ শায়েক
মুফতীঃ জামিয়াতুর রশীদ আহসানাবাদ, করাচী, পাকিস্তান
অনুবাদঃ মাওলানা আবদুল্লাহ আল ফারূক
উসতাযুল হাদীছ, দারুল উলূম রামপুরা, ঢাকা
প্রকাশনায়ঃ মাকতাবাতুল আযহার
আদর্শনগর,মধ্যবাড্ডা, ঢাকা
প্রকাশকালঃ সেপ্টেম্বর ২০১৩ ঈসায়ী
সহযোগীতায়ঃ হাফেয মুফাখখারুল ইসলাম
Edited: ক্ষণিকের মেহমান🕯
২৬/০৪/১৯ ঈ.
Repost
http://t.me/pathofisla
