uk
Feedback
Sumon Kais

Sumon Kais

Відкрити в Telegram

I'm a content creator

Показати більше
4 268
Підписники
-324 години
-177 днів
-4930 день
Архів дописів
ইসরাইলি গ/নহ/ত্যা/র ডিটেইলস নিয়ে রর্কাইভ জে/ন/সা/ই/ড নামে একটা সাইট ছিলো যা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ইসরাইল আমেরিকা মিলে। সেটার নত
ইসরাইলি গ/নহ/ত্যা/র ডিটেইলস নিয়ে রর্কাইভ জে/ন/সা/ই/ড নামে একটা সাইট ছিলো যা বন্ধ করে দেয়া হয়েছে ইসরাইল আমেরিকা মিলে। সেটার নতুন ডোমেইনে মুক্তি পেয়েছে সব মিলিয়ে ২৬৩১২ টা ভিডিও সেখানে দেয়া হয়েছে। যান গিয়ে দেখে সসেন কি কি করেছে গাজার সাধারন নাগরিকদের সাথে। লিঙ্ক কমেন্টসে দেয়া আছে...।

সাপে নেউলে সম্পর্কে থাকা ইউএই এবং ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের মধ্যে ফোনালাপ হয়েছে। এটা আমি কেন সেয়ার করছি? কারন আছে এবং সেটা আমাদের সাথে বেশ রিলেট করে। দেখেন যুদ্ধ চলাকালীন ইরান যে কয়টা আরব কান্টিরকে টার্গেট করেছে তার মধ্যে সবচেয়ে বেশি করে ছে এই সংযুক্ত আরব আমিরাতকে। আবার এখন যখন রিজনাল শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রয়োজন হয়েছে, যুদ্ধ বন্ধ হয়ে গেছে তখন মিসাইল আঘাত হজম করা দেশটাও আলোচনায় বসতে হচ্ছে। এখানে ডিপ্লোম্যাসি তার সফলাত দেখায়। এবং এটা ছাড়া পৃথিবী আসলেই অচল। মিসাইলে ক্ষতি যা হবার হয়েছে কিন্তু চাইলেই কি ইরানকে উপ্রে ফলতে পারবে আরব আমিরাত? নাকি ইরান পারবে আরব আমিরাত কে? না পারবে না। কিন্তু চাইলে একসাথে এখনো চলা সম্ভব। এবার আসেন আমাদের বেলায়, হাসিনার ১৫ বছরে আমাদের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছে ভারত। এমন কোন খাত নেই যেখানে ভারত আমাদের ক্ষতি করেনি। আমরা ভারতের সেই দাসকে তো উপ্রে ফেলেছি। কিন্তু ভারতকে কি উপ্রে ফেলতে পারবো? না পারবোনা। কিন্তু কি করতে পারবো? একটা প্রতিবেশি হিসাবে তার সাথে যতটা সম্ভব নেগোসিয়েশন করে চলতে তো পারবো। আর এখানেই আশে ডিপ্লোম্যাসি। এটা এমন এক জিনিস যা করতে গেলে আপনার চরম শত্রুর সাথেও এক টেবিলে বসে কথা বলতে হয়, থান্ডা মাথায় ভাবতে হয় কীভাবে আপনার শত্রুকে বসে আনতে হবে, কীভাবে আপনার অধিকার আদায় করে নিতে হবে। কিন্তু যদি গাউরামি করেন অপর পক্ষও গাউরামি করবে তখন সমাধান কিছুই হবেনা। ইরান রিজনাল শান্তি ফিরিয়ে আনায় অনেক ধর্য্য নিয়ে কাজ করে যাচ্ছে। তার সবচেয়ে নোংরা শত্রুটার সাথে এখন এক টেবিলে বসেছে। আলোচনা করছে, দেনা পাওনা মিটানোর চেস্টা করে যাচ্ছে। একই কাজটা করে যাচ্ছে আরব আমিরাত, কাতার, সৌদি আরব। কারন আপনি কত প্রান ঝরাবেন? আমরা ৫ই আগস্ট পরবর্তি এই যায়গায় এখনো সঠিক পথে এগুতে পারিনি, যতটা দ্রুত পেরেছে ইরান। এটাই আমাদের সবচেয়ে বড় ডিপ্লোম্যাটিক দুর্বলতা। দিল্লি না ঢাকা বলে স্লোগান দিয়ে হয়তো একটা শ্রেণিকে খুশি করা সহজ। কিন্তু এই স্লোগান আমার সিমান্ত শান্ত করবেনা কোন ভাবেই। লাশ পড়া কোন ভাবেই বন্ধ হচ্ছেনা। কারন অপর প্রান্তের মানুষের গায়েও রক্ত আছে। দিল্লি না ঢাকা যতটা নাক ভারত বিরোধী তার চেয়েও বেশি ঢাকা চেন্টিরক মটিভেশন। এটা করতে পারলে আগামীতে ঢাকাকে কন্ট্রোল করে অনেক রাজনৈতিক ফায়দা লোটা সম্ভব। সেটা অন্য আলাপ হয়তো একদিন এসব নিয়ে কথা বলবো। তবে আমাদের বুঝা উচিত ভারত আমাদের সবচেয়ে বড় শত্রু এবং সবচেয়ে বড় প্রতিবেশি। তাই আমরা শত্রুকে মোকাবেলার প্রস্তুতি নিজের মত করে নিতে হবে, স্লোগানে নয়। আর প্রতিবেশির সাথে কানেক্টিভিটি এন্ড কোঅপারেশন দ্রুত বাড়াতে হবে। মনে রাখবে ভারতের সব মানুষ আমাদের শত্রুনা। কিন্তু ভারতে ফরেন ফলিসি মাস্ট আমাদের জন্য এনিমি এলিমেন্টা বহন করে। ইরান আমেরিকা আর জিসিসি কান্টিরগুলার ডিপ্লোম্যাসি থেকে আমাদের শিক্ষা নেয়া উচিত।

photo content

Bangladesh is seriously considering buying the Chinese J-10CE fighter jets for air force modernisation.
Bangladesh is seriously considering buying the Chinese J-10CE fighter jets for air force modernisation.

ICONIC And a memory of a lifetime for many generations 🙏🔻
ICONIC And a memory of a lifetime for many generations 🙏🔻

কথা ছিলো হিংসার রাজনীতি বন্ধ করে সম্প্রীতির পথে এগুবে নতুন সরকার। কিন্তু তারা সম্প্রীতিকে মাটিচাপা দিয়ে হিংসাকেই উগ্রে দিলো..
কথা ছিলো হিংসার রাজনীতি বন্ধ করে সম্প্রীতির পথে এগুবে নতুন সরকার। কিন্তু তারা সম্প্রীতিকে মাটিচাপা দিয়ে হিংসাকেই উগ্রে দিলো... পতন এভাবেই শুরু হয়, সেটা ঘটতে একটু সময় লাগে ততক্ষণে মধুচন্দ্রিমা অস্ত যায় এবং অন্ধকার থেকে আর বের হওয়া সম্ভব হয়না। হাসিনার তাই হয়েছিলো। আশ্রয়ণ প্রকল্প কারা করেছে তার চেয়ও গুরুত্তপুর্ন এখানে কারা থাকার সুযোগ পেয়েছে...... !!

Remember those guys in the picture, they will be new BCB mafia near future. Tamim already become Kim jong un of BCB
Remember those guys in the picture, they will be new BCB mafia near future. Tamim already become Kim jong un of BCB

পুতিন জিংপিং এবং মালিটিপোলার ওয়ার্ল্ড | Sumon Kais | Eagle Eyes বিশ্ব ব্যাবস্থাকে নতুন করে সাজাচ্ছে পুতিন এবং জিংপিং। কীভাবে
পুতিন জিংপিং এবং মালিটিপোলার ওয়ার্ল্ড | Sumon Kais | Eagle Eyes বিশ্ব ব্যাবস্থাকে নতুন করে সাজাচ্ছে পুতিন এবং জিংপিং। কীভাবে তারা আজকের বিশ্বকে নতুন রুপ দিতে যাচ্ছেন, এবং কীভাবে তাদের প্লান বাস্তবায়ন করে যাচ্ছেন তার পুর্ন বর্ননা উঠে আসছে আজকের ভিডিওতে। https://youtu.be/IxdHaz4qmDA Thanks For Watching দেখার জন্য ধন্যবাদ. #putin #xijinping #donaldtrump

ইরানের সাথে লাগতগে এসে যেভাবে হরমুজেই আটকে আছে ইরান। | Eagle Eyes ইরান এবং আমেরিকা এখন সব কিছু ছাড়িয়ে হরমুজ নিয়ে সবচেয়ে বেশি
ইরানের সাথে লাগতগে এসে যেভাবে হরমুজেই আটকে আছে ইরান। | Eagle Eyes ইরান এবং আমেরিকা এখন সব কিছু ছাড়িয়ে হরমুজ নিয়ে সবচেয়ে বেশি আলচনা করছে যে কীভাবে এখান থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। না ইরান ছাড়ছে না আমেরিকা ছাড়ার কোন প্লান করছে। আর এই দুইয়ের মাঝে সবচেয়ে বেশি আটকে আছে সারা পৃথিবীর ইকোনোমি। https://youtu.be/petM66VYqfg Thanks For Watching দেখার জন্য ধন্যবাদ. #iran #america #hormuz

কারন এই পোলারে শিখানো হইছে এইটাই নীতি, এভাবেই চলতে হয়। কোথা থেকে শিখেছে সে? উত্তর তার বিশ্ববিদ্যালয়য়ের বর্তমান মবস্টাররা এবং
কারন এই পোলারে শিখানো হইছে এইটাই নীতি, এভাবেই চলতে হয়। কোথা থেকে শিখেছে সে? উত্তর তার বিশ্ববিদ্যালয়য়ের বর্তমান মবস্টাররা এবং অতীতের লীগের টেররা এই শিক্ষার মূল হোতা। কিন্তু এইটা কোথাও শিখানো হয়নাই যে মব একটা সমাজের স্থিতিশিলতাকে ভেঙ্গে দিয়ে একটা নীতিহীন জানোয়ার সমাজে পরিনত করতে পারে। এবং এর পর সেই সমাজের নিয়ন্ত্রন কারো হাতে থাকেনা, না পুলিশ, না আইন বিচার, কোন কিছুই তখন কাজ করেনা। বেটা নাম বদলাইয়া সর্বমিত্র থেকে সর্বমব রাখ

photo content

সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে শিক্ষার চেয়ে শিক্ষা ধ্বংসের কার্যক্রম নিয়ম করে হচ্ছে। শরিরে ক্যান্সার রেখে যেমন ম
সম্ভবত পৃথিবীর একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয় যেখানে শিক্ষার চেয়ে শিক্ষা ধ্বংসের কার্যক্রম নিয়ম করে হচ্ছে। শরিরে ক্যান্সার রেখে যেমন মানুষ সুস্থ থাকতে পারেনা তেমনি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করে দিয়ে সেখানে শিক্ষা কার্যক্রম অন্তত চলতে পারেনা। এভাবে চলতে থাকলে অচিরেই এই বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবছর টপ মব স্টার থেকে প্রাচ্যের টপ টে/র/র জন্ম দানের আতুর ঘরে পরিনত হবে। একসময়ের বিষাক্ত নাজমুল, সাদ্দাম, ইনান, লেখনদের চেয়েও বেশি বিষাক্ত বিষ এই বিশ্ববিদ্যালয় লালন করছে এখন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দীয় ছাত্র সংসদের "সাহিত্য ও সংস্কৃতি" সম্পাদক এই ছেলে। আমার ধারনা তার পদবি সম্পর্কে এবং শিক্ষকদের সম্মানদান সম্পর্কিত শিক্ষা ছাড়া বাকি সব শিক্ষা তার রয়েছে। ছবি আব্দুল কাদেরর পোষ্ট থেকে নেয়া...

Dear "Daily Star" Can you please promote him from fan to aircondition?
Dear "Daily Star" Can you please promote him from fan to aircondition?

সংসদে যারা গাড়ি বিলাসিতায় মত্ত তারা নিশ্চয়ই জানেন UN ব্যাকেড এই রিপোর্টের মানে কি? আমি কিন্তু এখন পর্যন্ত এইসব বিষয় নিয়ে সংসদ
সংসদে যারা গাড়ি বিলাসিতায় মত্ত তারা নিশ্চয়ই জানেন UN ব্যাকেড এই রিপোর্টের মানে কি? আমি কিন্তু এখন পর্যন্ত এইসব বিষয় নিয়ে সংসদে কোন কথা বলতে শুনিনি।

Indonesia is preparing to impose tolls on the Strait of Malacca—the world's most important maritime strait. approximately 25%
Indonesia is preparing to impose tolls on the Strait of Malacca—the world's most important maritime strait. approximately 25% to 40% of global trade runs through this strait. Trump single-handedly killed the free maritime world trade. Capitalists must be happy with that; it will be a money-making machine for them.

গতকাল সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে যা লিখেছিলাম সেটার মূল অর্থ ছিল এই সংরক্ষিত আসনে জনগনের গণতান্ত্রিক অধিকারকে পুরাপুরিভাবেই হরন ক
গতকাল সংরক্ষিত নারী আসন নিয়ে যা লিখেছিলাম সেটার মূল অর্থ ছিল এই সংরক্ষিত আসনে জনগনের গণতান্ত্রিক অধিকারকে পুরাপুরিভাবেই হরন করা হয়েছে। এবং তাসনিম জারা সেটাই আজকে উল্লেখ করেছেন। যারা মানুষের স্বার্থে রাজনীতি করতে চায় তারা জানে কিভাবে ক্ষমতায় যাওয়া উচিত আর কিভাবে ক্ষমতা পাওয়ার অফার ফিরিয়ে দিতে হয়। তাসনিম জারাকে ধন্যবাদ, তিনি নষ্ট হয়ে পচে যাওয়া ক্ষমতা লোভী নারী সমাজ থেকে নিজেকে দূরে রাখতে পেরেছেন। যেদিন জারারা ক্ষমতায় যাবে সেদিন অনেক নারীর মুখশ উন্মোচিত হবে...

সংসদে সংরক্ষিত নারী কোটা সংসদীয় সরকার ব্যাবস্থায় এযাবৎ কালের সবচেয়ে বড় স্ক্যাম। এবং গণতান্ত্রিক সরকার ব্যাবস্থায় এটাই সবচেয়ে বড় অগণতান্ত্রিক ব্যাবস্থা। এটা না নারীদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, না সংসদীয় সরকার ব্যাবস্থাকে কার্যকর করছে। সর্বসাকুল্যে গণতান্ত্রিক ব্যাবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ করছে আর সরকারকে আরও বেশি অকার্যকর এবং বিতর্কিত করছে। এতে শুধু মাত্র কিছু মানুষের সংসদে যাওয়ার পথ তৈরি হয়েছে আর ক্ষমতার অপব্যাবহারের সাথে রাষ্ট্রীয় সম্পদের সবচেয়ে বাজে ব্যাবহার করার পথ তৈরি করেছে। খুজে দেখেন যেসব নারীরা এই কোটায় সংসদে যাচ্ছে তাদের সাথে প্রান্তিকের চরম স্ট্রাগল করা নারীদের কোন সম্পর্ক নাই। প্রান্তিকের নারীরা জানেনা সংসদে কি হচ্ছে, আর সংসদের যাওয়া নারীরা জানেনা প্রান্তিকের স্ট্রাগল কি। তাহলে এরা সংসদে গিয়ে কি আইন প্রনয়নে লড়াই করবে? কার জন্য লড়াই করবে? তবে চটকদার কথার ভঙ্গিমা আর সোসাল মিডিয়ায় ভাইরাল ফুটেজ খোর এবং নেতাদের তোষামোদকারী নারিরাই এখানে বেশি। খুব অল্প সংখ্যক যুগ্য নারী এই কোটায় সংসদে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে এটা মানতে হবে। যে কোটা ব্যাবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলন করে হাজারও ছাত্র জনতা মৃত্যু দেখেছে এবং আহত হয়েছে তাদের কমিট্মেন্টের সাথেই সবচেয়ে বড় প্রতারনা এই সংরক্ষিত নারী আসন। কোটাকেই যদি সংসদের মত সর্বোচ্চ যায়গায় স্থান দিবেন তবে জুলাইয়ের ঘাড়ে চেপে কেন সরকার প্রতিষ্ঠা? জুলাইয়ের কোর আইডিয়া যেটা দিয়ে জুলাই শুরু হয়েছে সেটাই ছিলো কোটা বিরোধিতা, সেই কোটাকে বহাল রেখে সংসদ পরিচালনা করাতো জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি... এবং ছাত্র নেতারাও সেখানে ক্ষমতা পেয়ে গাদ্দারিটাকে মেনে নিচ্ছে। অতীত বলছে এই নারী আসনের দুই তৃতীয়াংশকে পাঁচ বছর পরে জনতা আবিস্কার করবে ঘুষ, চাঁদাবাজি, দুর্নিতী, স্বজনপ্রীতি এবং রাস্টিয় রাষ্ট্রীয় লুণ্ঠন ও অপব্যাবহারের সাথে জরিত। ১৯৭২ সালে ১৫টা সংরক্ষিত নারী আসন দিয়ে এই কোটা শুরু হয়, ২০১১ সালে ১৫ এমেন্ডম্যান্টে করা হয় ৪৫-৫০ যা ছিলো হাসিনার কারবার। মুজিব, হাসিনার সব খারাপ কিন্তু তাদের রেখে যাওয়া ক্ষমতাটা খুব ভালো, এই আর কি...।। কোটা না মেধা... ক্ষমতা ক্ষমতা...

চাঁদাবাজি, লুটতরাজি, ঘুষ, দখলদারি এসবের ভিডিও যদি করেন তাহলে বিপদে কে পরে? জী, কথিত রাজনৈতিক দলের নেতা নামের সন্ত্রাসীরা, আবা
চাঁদাবাজি, লুটতরাজি, ঘুষ, দখলদারি এসবের ভিডিও যদি করেন তাহলে বিপদে কে পরে? জী, কথিত রাজনৈতিক দলের নেতা নামের সন্ত্রাসীরা, আবার সরকারী আমলা নামের দুর্নিতিবাজ চোরেরা। তাহলে সেগুলো ঠেকাবেন উপায়? এমন আইন করেন যাতে সাপ ও মরবে লাঠিও ভাংবেনা। সো সেই আইন নিয়ে মন্ত্রী হাজির। ভিডিও করলেই দেখবেন আপনি কন্টেন্ট ক্রিয়েটর হয়ে যাবেন। এবং জেল জরিমানা সব গুনতে হবে। আইনের নামটা সাইবার আইন না দিয়ে বরং "সার্ভাইব আইন" দিতে পারেন। কারন এই আইনের চিপা দিয়ে সার্ভাইব করবে অপরাধীরাই।

photo content

ইরানের আগাতে আমেরিকা...