Online Edu.360📚 পরিবার
Відкрити в Telegram
1 071
Підписники
Немає даних24 години
Немає даних7 днів
-730 день
Архів дописів
এবার ইভ্যালুয়েশনের আগে শেষ সেটিং! ২২ লক্ষ পরীক্ষার্থীর মধ্যে তাহলে প্রকৃত উত্তীর্ণ হওয়া যোগ্য প্রার্থীরা কতবার বঞ্চিত হলো? প্রথমদিকের খরিদ্দারদের একবার সেট্ করা হলো প্রকৃত যোগ্যদের সরিয়ে। দ্বিতীয়বার আবার সেট করা হলো আরো কিছু সংখ্যক যোগ্যদের হটিয়ে! প্যানেল কিন্তু একাধিকবার এভাবেই কলুষিত হলো! কিছু যোগ্য একদম মেইন লিস্ট থেকে ছিটকে ওয়েট লিস্টেড্! আবার কিছু যোগ্য যারা প্রকৃত ওয়েটলিস্টেড হওয়ার কথা তারা একদম আউট!
এবার প্যানেল প্রকাশ হলো! প্যানেল 2016 IX-X, XI-XII ! আচ্ছা, এইদিকে কমিটির হাত থেকে Appointment এর ক্ষমতা হস্তান্তর করে কেন্দ্রিভূত করা হয় মধ্যশিক্ষা পর্ষদকে। Appinting Authority হয়ে যায় মধ্য শিক্ষা পর্ষদ! SSC রিকমেন্ড করবে পর্ষদকে। আর পর্ষদের চেয়ারম্যান Appointment Letter ইস্যু করবে ক্যান্ডিডেটদের আর ম্যানেজিং কমিটি সহ অন্যান্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে। হেড অফ দ্য ইন্স্টিটিউশন জয়েন করাবেন। তারপর পদ্ধতিগতভাবে Approval দেবেন District Inspector of Schools (SE)। এবার মেইন প্যানেল প্রকাশের পর তো আর হাত থাকেনা এস এস সির। টাকা দিয়ে চাকরি পাওয়ার রীতি কিন্তু ইতিমধ্যেই সুপারহিট হয়ে যায় অনায়াসে। মানুষের সম্পূর্ণ বিশ্বাস হয়ে যায়! কারণ বন্ধুবান্ধব তো একে অপরকে চিনবে। একে অপরের মেধা সম্পর্কে নিজেরাই ওয়াকিবহাল থাকবে। বিশেষ করে সেম সাবজেক্টের হলে তো আরো বুঝবে। তাই টাকা দিয়ে কে প্যানেলভুক্ত হলো সেটা পরীক্ষার্থীরা বুঝতে পারবে। এই বিশ্বাসের ফলে আবার কিছু মানুষ দালালের মাধ্যমে মহাদালাল, মহাদালালের মাধ্যমে বিশ্বদালালকে ধরে চাকরি নিল মোটা টাকার বিনিময়ে। সরাসরি পর্ষদের কাছ থেকে Appointment Letter ! আর Recommendation Letter? Duplicate তৈরি হলো বা অরিজিনাল (কারণ SSC অস্বীকার করেছে তারা নাকি এইসব রিকমেন্ডেশন ইস্যু করেনি। এই ব্যাপারে নাকি পর্ষদ জানে। আর পর্ষদের তৎকালীন চেয়ারম্যান ডক্টর কল্যাণময় গাঙ্গুলি তাই জেলে)।
শুরু হয় জয়েনিং! ২০১৮, ২০১৯, ২০২০ অবধি জয়েনিং হতেই থাকে। কোরোনার সময়েও কিছু কিছু জয়েনিং হয়েছিল! ওয়েটিং লিস্টের বহু পেছনে থাকা ক্যান্ডিডেটরাও 'লং জাম্প' দিয়ে এগিয়ে এসে ক্রিকেট মাঠে দূর থেকে এসে ঝাঁপিয়ে পড়ে ক্যাচ্ ধরার মতো খ্যাচ্ করে চাকরি 'ক্যাচ' করে।
( পরের কিস্তি 'ট্রান্সফার' এর। কোরোনাকালের 'উৎসশ্রী' যার সঙ্গে যুক্ত আছে আরেকটি শিক্ষাসংকট যার নাম 'রোস্টার')
-------- মহম্মদ মনিরুল ইসলাম নাদিম
সৃষ্টির পর থেকে পশ্চিমবঙ্গ স্কুল সার্ভিস কমিশনের Regional Level Selection Test (RLST) হয়েছিল মোট ১২টি। পুরো পশ্চিমবঙ্গকে ৫টি অঞ্চল (Region) এ ভাগ করা হয়েছিল। ৫টি আঞ্চলিক দপ্তর ছিল। হেড অফিস ছিল সল্টলেকে অবস্থিত আচার্য সদন! সারা পশ্চিমবঙ্গের জন্য অভিন্ন প্রশ্নপত্র হতো। পরীক্ষার পরিচালনা, মূল্যায়ন এবং হেড অফিসের নির্দেশ মতো ৫টি আঞ্চলিক দপ্তর একই দিনে মেরিট লিস্ট প্রকাশ করত। Recommendation Letter পাঠাতেন আঞ্চলিক দপ্তরের সেক্রেটারি/চেয়ারম্যান। নিয়োগ করতেন স্কুলের ম্যানেজিং কমিটি। অনুমোদন (Approval) দিতেন সংশ্লিষ্ট জেলার District Inspector of Schools (SE)। বাম জমানায় শুরু হয়ে ২০১৩ তে শেষ নিয়োগ এই পদ্ধতি অনুসরণ করে।
তারপর হঠাৎই সমস্ত রিজিওনাল কমিশনকে পঙ্গু করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো। সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো রিজিওনাল কমিশনের মূল কাজগুলোকে কেন্দ্রিকরণ করে সবকিছুই করবে সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশন যার হেড অফিস্ আচার্য সদন সল্ট লেক্। Regional Level Selection Test (RLST) বন্ধ করে চালু হলো State Level Selection Test (SLST)! পুরো প্রক্রিয়াকে Centralize করা হলো কলকাতায়। সেন্ট্রাল স্কুল সার্ভিস কমিশন 1st SLST পরীক্ষার প্রক্রিয়া শুরু করলো সম্পূর্ণ নতুন প্রক্রিয়ায়। তিনটে স্তরে। Upper Primary Level, IX-X Level আর XI-XII Level ।
ব্যাস্! ২০১৩ র পর থেকে SSC না হওয়ায় প্রতি বছর কলেজ ইউনিভার্সিটি থেকে গ্র্যাজুয়েট আর পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিগ্রির ছাত্র ছাত্রীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে। একদিকে সৃষ্টি হল সমস্ত স্কুলের শূন্য পদের এক বিশাল ব্যাকলগ, আর অন্যদিকে লক্ষ লক্ষ গ্র্যাজুয়েট আর পোস্ট গ্র্যাজুয়েট উইথ বি এড্।শুরু হলো টাকা তোলা। Ruling Partyর বেশ কিছু নেতামন্ত্রীর নেতৃত্বে স্থানীয় কিছু Agent এর মাধ্যমে চাকরি বিক্রির আন অফিসিয়াল নোটিফিকেশন হলো। কম্পিটিশনটা আর পরীক্ষায় সীমাবদ্ধ থাকলো না। কম্পিটিশন শুরু হলো কে কত দিয়ে চাকরি কিনতে পারে।
নিলাম শুরু হলো। ধার্য্য রেট ১০ লাখ! তার উপর যে যত দিতে পারে! প্রথম দিকে অহংকারী পয়সা ওয়ালারা ইনভেস্ট করে দিলো! একের পর এক চাকরি কেনাবেচা শুরু হয়। খবর ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। চাহিদা দেখে রেট চড়চড়িয়ে বাড়তে থাকে। ১২, ১৪, হয়ে ১৬ লাখ পর্যন্ত উঠতে থাকে। এবার এজেন্টরা চাকরির দালালি করতে শুরু করে। বর্তমানের বিরোধীদলের বিশাল বড় এক নেতা (তখনকার সরকারি দলের বিশাল বড় নেতা) পুরো উত্তরবঙ্গের দায়িত্ব পান টাকা তোলার। কত কোটি টাকা তোলা হয়েছিল শুধু উত্তরবঙ্গ থেকে, যোগ করতে বসলে সাধারণ ক্যালকুলেটর শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করবে। স্কর্পিওর পর স্করপিও ভর্তি টাকা গেছে কোলকাতায়।
চাকরি ক্রয় বিক্রয় হয়ে পড়লো একটি খোলা রহস্য! সত্যিকারের কিছু মেধাসম্পন্নদের তখন দেখেছি আশাহত হতে। হোপলেস্ হয়ে যায় এগুলো শুনে শুনে। জমি জমা, মায়ের গয়না, স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তি বিক্রি করে তারাও "অযোগ্য"দের সঙ্গ ধরে নিজেদের মেধার উপর ভরসা করতে না পেরে লাখ লাখ টাকা ইনভেস্ট করতে শুরু করে! (তখন এটাও শোনা গেছে নেতা মন্ত্রীরা কোটা হিসেবে নাকি চাকরি কিনে নিয়ে বিক্রি করেছে।এই ব্যাপারে সত্যি মিথ্যা জানিনা!) তখন শিক্ষামন্ত্রী নর্থ বেঙ্গল ইউনিভার্সিটি থেকে হঠাৎ পি এইচ ডি পার্থ চট্টোপাধ্যায়!(এখন জেলে)! এতদিনে বোঝা গেল রিজিওনাল লেভেল থেকে স্টেট লেভেলে কেন নিয়ে যাওয়া হয়েছিলো।
আচ্ছা এবার আসা যাক্ টাকা পরিশোধ করা এবং চাকরির গ্যারান্টি দেওয়ার পদ্ধতিতে। প্রথমে বুকিং অ্যামাউন্ট্ দিয়ে বুক করে দিতে হতো। পরিবর্তে দালাল/উপদালালেরা বলতো বাকি টাকা ইন্টারভিউয়ের আগে পেমেন্ট করে দিতে হবে। যদি না দেয়? অরিজিনাল ডক্যুমেন্ট্ নিয়ে নেওয়া হতো ক্যান্ডিডেটদের কাছে। পরীক্ষার দিন চলে আসে। এস এস সি চেয়ারম্যানের উপরে বসিয়ে দেওয়া হয় মুখ্য উপদেষ্টা যা একদম অনিয়ম। মিষ্টার সিনহা।(এখন জেলে)। এবার কিভাবে কি করা হবে? তৈরি হয় নীল নক্সা! ব্লু প্রিন্ট্! কেননা সব ইভ্যালুয়েশন হবে OMR এর মাধ্যমে। বিভিন্ন ধরণের ইন্সট্রাকশনস আসে Downward Filteration পদ্ধতিতে। উপর থেকে চুঁইয়ে চুঁইয়ে একদম নিচু লেভেলের দালালের কাছে খাতায় কি করতে হবে ইন্সট্রাকশন আসে। তাদের মাধ্যমে TDHS (টাকা দেওয়া হবু শিক্ষকদের) দের কাছে। তাতেই বলে দেওয়া হয় OMR সাদা রাখতে হবে নাকি যেগুলো 100% জানা থাকবে শুধু সেই অশনগুলোই গোল করবে। যারা সত্যিকারের মেধাসম্পন্ন যাদের কোনও মতেই আটকানো যাবেনা তারাও নিজেদের মেধার উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা দেয় পরীক্ষার নিয়মে।
এবার আসে মূল্যায়নের সময়! কি করে কাদের মাধ্যমে কোন সংস্থার দ্বারা OMR ইভ্যালুয়েশন হয় এখন সব ওপেন হয়ে গেছে। এবার রেজাল্টের পালা! রেজাল্টের আগে আরেকবার ট্রাই মারা হোক! কিসের জন্য? টাকা তোলার জন্য। এবার পরীক্ষা না দিলেও চাকরি হবে -- দালালদের বক্তব্য। ১৮ লাখ! তাতেও কিছু সংখ্যক রাজি। আবার টাকা তোলা হয়।
Вже доступно! Дослідження Telegram за 2025 — головні інсайти року 
