uk
Feedback
Bangladesh Media monitor

Bangladesh Media monitor

Відкрити в Telegram

Media Watchdog and Think Tank Telegram: https://t.me/bdmediamonitor

Показати більше
Країна не вказанаКатегорія не вказана
208
Підписники
-124 години
+27 днів
+530 день
Архів дописів
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১২২ বার পিছিয়ে যাওয়া রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার এমন এক লজ্জাজনক দৃষ্টান্ত, যা
সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন ১২২ বার পিছিয়ে যাওয়া রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার এমন এক লজ্জাজনক দৃষ্টান্ত, যা সরকার ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অক্ষমতা, অনীহা এবং দায়হীনতাকে স্পষ্টভাবে প্রকাশ করে। সরকার বদলেছে, বাহিনী বদলেছে কিন্তু সত্য উদঘাটনের ন্যূনতম সদিচ্ছাও জন্মায়নি। এক যুগের বেশি সময় ধরে দুই সাংবাদিকের হত্যার বিচার এগোয়নি এটি গণমাধ্যমের নিরাপত্তা, ন্যায়বিচার এবং রাষ্ট্রের জবাবদিহির ওপর সরাসরি আঘাত। ১২২ বার সময় নেওয়া মানে ১২২ বার সত্যকে দমন করা, আর এ দায় অতীত ও বর্তমান সব সরকারেরই।

The Bangladesh Media Monitor expressed deep concern over this serious incident involving vandalism, looting, and physical assault, identifying the attack as a threat to journalist safety https://bdmediamonitor.org/reporters-house-attacked-in-nabiganj/

ঢাকায় গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় লাইভ সংবাদ প্রচারের সময় সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। মাঠে দাঁড়িয়
ঢাকায় গত কয়েকদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় লাইভ সংবাদ প্রচারের সময় সাংবাদিকদের ওপর ধারাবাহিক হামলা উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। মাঠে দাঁড়িয়ে সত্য তুলে ধরা রিপোর্টারদের টার্গেট করে মারধর, ক্যামেরা ভাঙচুর, মোবাইল ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনা শুধু গণমাধ্যম নয়, মানুষের জানার অধিকারকেও আঘাত করছে। সংবাদ সংগ্রহের সময় সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা রাষ্ট্র ও সমাজ দু’পক্ষেরই দায়িত্ব। এ ধরনের হামলা গণতন্ত্র, জবাবদিহি ও স্বচ্ছতাকে দুর্বল করে দেয়। বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর এসব ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করছে এবং অবিলম্বে ন্যায়বিচার, সুরক্ষা ও দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছে।

বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেলের ভিডিও দেখে বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর নিশিচত হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন "নি
+5
বিভিন্ন স্যাটেলাইট চ্যানেলের ভিডিও দেখে বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর নিশিচত হয়েছে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন "নির্বাচনের দিন গণভোট হলে 'নির্বাচনের জেনোসাইড' হওয়ার সম্ভাবনা।" তবে অনেকগুলো গণ্যমাধ্যম এটাকে ভুলভাবে উপস্থাপন করেছে। অনেকেই পরে সংবাদটি কোন কারণ না দেখিয়ে সরিয়ে নিয়েছে আবার কেউ কেউ পরিবর্তন করে দিয়েছে। ২/১টি গণমাধ্যমে এখনও ভুল ও বিভ্রান্তিকর সংবাদটিই প্রচার হচ্ছে।

🔴LIVE: Reporter Assaulted Live While Covering Madrasah Conflict https://bdmediamonitor.org/reporter-assaulted-live-while-covering-madrasah-conflict/

বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর একটি স্বাধীন নন-প্রফিট উদ্যোগ, যা বাংলাদেশের প্রেস ফ্রিডম , সেন্সরশিপ , প্রোপাগান্ডা , ম্যানিপুলেশন এবং
বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর একটি স্বাধীন নন-প্রফিট উদ্যোগ, যা বাংলাদেশের প্রেস ফ্রিডম , সেন্সরশিপ , প্রোপাগান্ডা , ম্যানিপুলেশন এবং সাংবাদিকদের ওপর সহিংসতা মনিটর করে। আমরা রাজনৈতিক ইনফ্লুয়েন্স , মিডিয়া অ্যাবিউজ ও হুমকির ঘটনা তদন্ত করে রিপোর্ট, অ্যানালাইসিস এবং কেস স্ট্যাডি তৈরি করি। আমাদের সেফটি ট্র্যাকার সাংবাদিকদের ওপর ছোট-বড় প্রতিটি আক্রমণ নথিভুক্ত করে ভবিষ্যতের অ্যাকাউন্টেবিলিটি নিশ্চিত করার জন্য। স্বাধীন সাংবাদিকতা রক্ষা করা মানে মানুষের রাইট টু ইনফরমেশন নিরাপদ রাখা। আপনার ছোট একটি সাপোর্ট সত্য, সুরক্ষা এবং ট্রান্সপারেন্সি আরও শক্তিশালী করে। যোগাযোগ: bdmediamonitor@proton.me এবং WhatsApp/Signal/Telegram: +601133469597

দৈনিক যায়যায়দিন আজ 'মসজিদের শহর' বনাম 'পোস্টারের শহর' শিরোনামে ৪ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করে। শিরোনাম
দৈনিক যায়যায়দিন আজ 'মসজিদের শহর' বনাম 'পোস্টারের শহর' শিরোনামে ৪ মিনিট ৩৮ সেকেন্ডের একটি ভিডিও প্রতিবেদন প্রকাশ করে। শিরোনাম দেখে মনে হতে পারে প্রতিবেদনের লক্ষ্য অনিয়ন্ত্রিত পোস্টার ব্যবহারের কারণে সৃষ্ট পরিচ্ছন্নতা সংকট তুলে ধরা এবং এ বিষয়ে জনমতের প্রতিফলন ঘটানো। কিন্তু না, এই পোস্টের লক্ষ্য ভিন্ন। লক্ষণীয় যে এই ভিডিওতে জামায়াত ছাড়া অন্য সবার পোস্টার দেখানো হয়। অন্যদিকে, বিএনপির পোস্টারে বারবার ফোকাস করে নেগেটিভ ইম্প্রেশন তৈরির চেষ্টাও লক্ষণীয়। 'মসজিদের শহর' বনাম 'পোস্টারের শহর' তুলনা দেওয়ার কারণটাও কি জামায়াতের ধর্মীয় ন্যারেটিভকে প্রমোশন করা, সেই প্রশ্ন থেকে যায়। ভিডিও দেখে এমন ধারণা হতে পারে যে জামায়াত কোনো পোস্টার ব্যবহার করে না, শহরটারে দৃষ্টিকটু না করে 'মসজিদের শহর' কে রক্ষা করছে এবং অন্যরা (বিশেষ করে বিএনপি) সেটা নষ্ট করতেছে। বাস্তবতা হচ্ছে সবার আগে আসনভিত্তিক প্রার্থী নির্বাচন করে প্রচারণা চালানো দল জামায়াতে ইসলামকে উপস্থাপন না করেও কৌশলে তাদের নির্বাচনী প্রচারণা চালানো সংবাদ মাধ্যমের নিরপেক্ষতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার কাঠামোয় সাজানো কালবেলার বিশেষ পৃষ্ঠা দৈনিক কালবেলা পত্রিকার ২০ নভেম্বর ২০২৫-এর একটি সংখ্যায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্মদিন উপলক্ষে একটি সম্পূর্ণ পৃষ্ঠা বরাদ্দ করা হয়েছে, যা আদতে একটি রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কনটেন্ট বা প্রোপাগান্ডা হিসেবেই বিবেচ্য। এই কনটেন্টের মূল উদ্দেশ্য শুধুমাত্র একজন নেতার জন্মদিন উদযাপন নয় বরং সেটিকে রাজনৈতিক পুঁজি হিসেবে ব্যবহার করে পাঠকের মনস্তত্ত্বে প্রভাব ফেলা। এই সংখ্যায় দেখা যায়, তারেক রহমানকে 'আদর্শ রাজনীতিক', 'গণতন্ত্রের যাত্রী' এবং 'মানুষের হৃদয়ের নেতা' হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা 'গ্লিটারিং জেনারেলিটিজ' কৌশলের একটি স্পষ্ট উদাহরণ। এই কৌশলে ব্যবহার করা হয় এমন সব ইতিবাচক শব্দ বা বাক্যাংশ যা আপাতদৃষ্টিতে প্রশ্নাতীত মনে হয় অথচ বাস্তব মূল্যায়নের সুযোগ সীমিত রাখে। এটি পাঠকের আবেগ স্পর্শ করে এবং চিন্তাভাবনার চেয়ে অনুভূতিকে প্রাধান্য দেয়। এছাড়া এই সংখ্যার সকল লেখক, মতামতদাতা এবং উৎস স্পষ্টভাবে একমুখী, দলীয় পক্ষপাতদুষ্ট। কোনো বিকল্প দৃষ্টিভঙ্গি, প্রশ্ন, বিতর্ক বা সমালোচনামূলক বিশ্লেষণ অনুপস্থিত। এটিকে 'কনফার্মেশন বাইয়াস' এবং 'চেরি পিকিং' বলা হয়। যেখানে শুধুমাত্র সেই তথ্য ও মতামত বেছে নেয়া হয় যা একটি পূর্বনির্ধারিত বর্ণনাকে সমর্থন করে। এই প্রোপাগান্ডা ব্যবস্থাকে আরও সূক্ষ্ম করে তোলে একটি গুরুত্বপূর্ণ সত্য। সেটি হল এই পত্রিকার প্রকাশক মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু নিজেই বিএনপির মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী (শরীয়তপুর-৩)। অর্থাৎ মিডিয়া এবং রাজনীতি এখানে স্পষ্টভাবে জড়িত। এতে যে 'কনফ্লিক্ট অফ ইন্টারেস্ট' তৈরি হয়, তা শুধু সাংবাদিকতার মৌলিক নীতির লঙ্ঘন নয় বরং পাঠকদের বিভ্রান্ত করার একটি স্পষ্ট চেষ্টা। সংবাদপত্রটি যে কোনো স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের মতো দায়িত্বশীল আচরণ করেনি, তা এই প্রচারমূলক কনটেন্ট থেকেই পরিষ্কার বোঝা যায়। পত্রিকার কাঠামোগত বিন্যাস ও দৃশ্য উপস্থাপনাও (ভিজ্যুয়াল লেআউট) লক্ষ্য করার মতো। তারেক রহমানের একাধিক ছবি, তার কর্ম ও বক্তৃতার উচ্ছ্বসিত ব্যাখ্যা এবং বিশাল জনসমাগমের দৃশ্য পাঠকের চেতনায় একনায়কতান্ত্রিক নেতৃত্বের এক ইতিবাচক ভাবমূর্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করে। এটি 'ব্যান্ডওয়াগন এফেক্ট' তৈরি করতে চায় যাতে পাঠক মনে করেন, তিনি যদি এই 'নেতাকে' সমর্থন না করেন, তবে তিনি হয়তো গণমানুষের বিপরীতে অবস্থান করছেন। সার্বিকভাবে এই প্রচেষ্টা সাংবাদিকতার নিরপেক্ষতা, স্বচ্ছতা এবং দায়িত্ববোধের প্রশ্ন তোলে। এটি স্পষ্ট করে যে কিছু সংবাদমাধ্যম আদতে রাজনৈতিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট পক্ষের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ফলে, গণমাধ্যমে প্রচারিত যেকোনো তথ্য বা বার্তা গ্রহণ করার আগে তার উৎস, প্রেক্ষাপট এবং উদ্দেশ্য বুঝে নেওয়া এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং একান্ত প্রয়োজন।

photo content

সংবাদপত্রের গেট কিপারই যখন প্রোপাগান্ডা মুখপাত্র এই সংবাদটি দেখতে সাধারণ একটি অনুদান বিতরণের খবর হলেও, এটি রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডার একটি পরিপূর্ণ উদাহরণ। পুরো সংবাদে বারবার বোঝানো হয়েছে যে এনসিপি নেতা ও কুমিল্লা-১০ আসনের এমপি প্রার্থী জয়নাল আবেদীন শিশিরের ব্যক্তিগত চেষ্টাতেই ৩৩টি মসজিদ ও মন্দির অনুদান পেয়েছে। অথচ বাস্তবে সরকারি অনুদান একটি প্রাতিষ্ঠানিক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে বরাদ্দ হয়। সংবাদটি এমনভাবে লেখা হয়েছে যেন একজন নেতাই সবকিছুর কেন্দ্রবিন্দু। এটাই প্রোপাগান্ডার একটি পরিচিত কৌশল, যাকে বলা হয় "কাল্ট অব পারসন্যালিটি", বাংলায় যাকে বলা যায় 'ব্যক্তি পূজার কৌশল'। এখানে শিশিরকে একজন নেতার চেয়ে বড় কিছু হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। যিনি জনগণের জন্য কাজ করেন, এমনকি এমপি হওয়ার আগেই। এরপর আসি 'স্ট্যাকিং দ্য ডেক' কৌশলে। এই কৌশলে শুধু ইতিবাচক বা সুবিধাজনক তথ্যই সংবাদে তুলে ধরা হয়, যেন পাঠক অন্য কিছু ভাবার সুযোগ না পায়। এই প্রতিবেদনে নেতার প্রতি গ্রামের সাধারণ মানুষের অগাধ কৃতজ্ঞতা, প্রশংসা, তার প্রতি ভোট দেওয়ার আগ্রহ সবকিছুই দেখা যায়, কিন্তু কোথাও কোনো প্রশ্ন নেই। অনুদানের বরাদ্দে কোনো পক্ষপাত হয়েছে কি না, নির্বাচনী এলাকায় এই অনুদান দেওয়ায় নির্বাচনী বিধিমালা লঙ্ঘিত হচ্ছে কি না এসব কিছুই অনুপস্থিত। একমাত্র সুর, 'শিশির ভাই কত ভালো!' সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হলো, এই প্রতিবেদনটির মূল চরিত্র, অর্থাৎ এনসিপি নেতা শিশির নিজেই ওই সংবাদমাধ্যমটির 'সম্পাদকীয় বিভাগে' আছেন। মানে, তিনি নিজেই সেই 'গেট কিপার' যিনি ঠিক করেন, কোন খবর প্রকাশ পাবে, কোনটা নয়, কিভাবে পাবে। আর যখন গেট কিপার নিজেই রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে সংবাদ তৈরি করেন, তখন সংবাদমাধ্যম আর নিরপেক্ষ থাকে না, সেটি হয়ে ওঠে রাজনৈতিক হাতিয়ার। গেট কিপিং থিওরি অনুযায়ী, গেট কিপারের কাজ হলো সত্য যাচাই করে সংবাদ বাছাই করা। কিন্তু এখানে গেট কিপার নিজেই যখন প্রচারের বিষয় হন, তখন সাংবাদিকতা আর সাংবাদিকতা থাকে না, তা হয়ে যায় প্রোপাগান্ডার মঞ্চ। এই পুরো আয়োজনটি এক ধরনের 'হিডেন পলেটিক্যাল প্রোপাগান্ডা' বা 'গোপন রাজনৈতিক প্রচারণা' যেখানে সংবাদরূপে প্রচারণা চালানো হয়। পাঠক ভাবেন তারা একটি উন্নয়নমূলক সংবাদ পড়ছেন, অথচ তারা ধীরে ধীরে প্রভাবিত হচ্ছেন একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক বার্তার দিকে। এটি খুবই সূক্ষ্ম কৌশল, কারণ এখানে সরাসরি কিছু বলা হয়নি, কিন্তু বার্তা স্পষ্ট, 'শিশির ভাইয়ের মতো মানুষকে এমপি বানালেই উন্নয়ন হবে।' সুতরাং এই প্রতিবেদনের মাধ্যমে আমরা বুঝতে পারি, গণমাধ্যম কিভাবে একটি রাজনৈতিক প্রার্থীর পক্ষে নিরব প্রচারণা চালাতে পারে, কিভাবে গেট কিপার নিজেই সংবাদকে নিয়ন্ত্রণ করে প্রোপাগান্ডার ভাষা ব্যবহার করেন এবং কিভাবে সাধারণ পাঠক না বুঝেই রাজনৈতিক বার্তা মেনে নেন।

photo content

আহসান গ্রুপের চ্যানেল ডিবিসি নিউজের রিপোর্টার জিয়াদ মাহমুদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী থেকে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে নির্বাচনী সভা প্র
আহসান গ্রুপের চ্যানেল ডিবিসি নিউজের রিপোর্টার জিয়াদ মাহমুদের বিরুদ্ধে পটুয়াখালী থেকে আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে নির্বাচনী সভা প্রচার এবং সভায় উপস্থিত কর্মীদের সাথে খারাপ ব্যবহারের অভিযোগ দেয়া হয়ছে । ২৫ হাজার টাকার বিনিময়ে একজনের বক্তব্য তিনি প্রচার করেছে বলে লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে। ডিবিসির অতীত ইতিহাস বলে, এমন অভিযোগ তারা কখনই ব্যবস্থা রহণ করে না ফলে প্রতিষ্ঠানটিতে বিশৃঙ্খলা চরমে পৌঁছেছে।

গভীর রাতে বাসা থেকে ডিবি অফিসে তুলে নিয়ে যাওয়া দৈনিক ভোরের কাগজের অনলাইন এডিটর মিজানুর রহমান সোহেলের সহধর্মিণী সুমাইয়া সীমার স্বামীকে মুক্ত করার আকুতি।

বেসরকারি টেলিভিশন দেশ টিভি যে পদ্ধতিতে এক স্কুলশিক্ষক ও এক স্কুলছাত্রীর সংবেদনশীল সম্পর্কের খবর প্রচার করেছে, তা সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও পেশাদারিত্বের এক গুরুতর সংকটকে সামনে আনে। প্রতিবেদনে ছাত্রীটির মুখমণ্ডল প্রকাশ করা, অশালীন অঙ্গভঙ্গির ভিডিও ব্লার না করে প্রচার করা এবং নোংরা ভাষায় লেখা ব্যক্তিগত মেসেজের স্ক্রিনশট পরিচয়সহ দেখানো সবই শিশু সুরক্ষা নীতিমালা, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা, দায়িত্বশীল সম্পাদনার মতো মৌলিক সাংবাদিকতা নীতির লঙ্ঘন। শিশু আইন ২০১৩ ও আন্তর্জাতিক 'চাইল্ড প্রোটেকশন গাইডলাইন' অনুযায়ী অপ্রাপ্তবয়স্ক ভিকটিমের পরিচয় প্রকাশ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এর উদ্দেশ্য শিশুকে সামাজিক অপমান, ভবিষ্যৎ হয়রানি ও মানসিক চাপ থেকে রক্ষা করা যা এখানে সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষিত হয়েছে। সংবেদনশীল কনটেন্ট নিয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে যে সংযম, সতর্কতা ও প্রেক্ষাপটগত যাচাই প্রয়োজন, সেই সম্পাদকীয় বিচারবোধও এখানে অনুপস্থিত। ব্লারহীন অশালীন ভিডিও ও মেসেজ প্রচার কেবল দর্শকের মানসিক নিরাপত্তা ক্ষুণ্ণ করে না, এটি গণমাধ্যমকে 'সেন্সেশনালিজম' এর দিকে ঠেলে দেয় এবং জনস্বার্থের বদলে কৌতূহল জাগানো ফুটেজকে প্রাধান্য দেয়। এর ফলে ভিকটিমকে পুনরায় ভিকটিমাইজ করা হয়, পরিবারের ওপর সামাজিক চাপ বাড়ে এবং সামগ্রিকভাবে মিডিয়ার ওপর জনগণের আস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটর মনে করে, এমন প্রতিবেদনের মাধ্যমে সংবাদমাধ্যম তার মানবিক দায়িত্ব, নৈতিক বাধ্যবাধকতা এবং শিশু অধিকারের প্রশ্নে গভীরভাবে ব্যর্থ হয়েছে। সংবেদনশীল বিষয়ে কাজ করার ক্ষেত্রে পরিচয় গোপন রাখা, প্রয়োজনীয় অংশ ব্লার করা, ভিকটিমের মর্যাদা রক্ষা করা এবং আইনি-নৈতিক নির্দেশনা মেনে চলা, এগুলোর কোনো বিকল্প নেই বরং দায়িত্বের অপরিহার্য অংশ। এছাড়াও গণমাধ্যম অনেক সময় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি/ভিডিও হুবুহু তুলে দেয়। তখন তারা দাবি করে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যএম ছড়িয়ে পড়েছে। তখন তারা ভুলে যায় গণমাধ্যম আর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক নয়। এসব ঘটনা দেখিয়ে দেয় যে আমাদের মিডিয়া ইকোসিস্টেমে এখনও নৈতিক সম্পাদনার স্পষ্ট সংকট এবং প্রশিক্ষণের ঘাটতি রয়েছে।

photo content

photo content
+5

photo content
+9

photo content
+9