uk
Feedback
Bangladesh Media monitor

Bangladesh Media monitor

Відкрити в Telegram

Media Watchdog and Think Tank Telegram: https://t.me/bdmediamonitor

Показати більше
Країна не вказанаКатегорія не вказана
208
Підписники
-124 години
+27 днів
+530 день
Архів дописів
Editor Shot Dead at Point-Blank Range Details: https://tinyurl.com/3ruw89fz
Editor Shot Dead at Point-Blank Range Details: https://tinyurl.com/3ruw89fz

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ যখন ব্যক্তিগত সম্পর্ক, স্থানীয় আনুগত্য আর আবেগকে গণমাধ্যম পর্যন্ত টেনে আনে, তখন সাং
আসন্ন জাতীয় নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ যখন ব্যক্তিগত সম্পর্ক, স্থানীয় আনুগত্য আর আবেগকে গণমাধ্যম পর্যন্ত টেনে আনে, তখন সাংবাদিকের দায়িত্ব কোনো দল বা পক্ষের মুখপাত্র হওয়া নয় বরং দলিল অর্থাৎ তথ্য, নথি, প্রত্যক্ষ প্রমাণ ও যাচাইযোগ্য সত্যের ওপর দাঁড়িয়ে সংবাদ করা। মতাদর্শ, সমর্থন বা ব্যক্তিগত বিশ্বাস ভোটকেন্দ্রে থাকতে পারে, কিন্তু রিপোর্টে তার জায়গা নেই। কারণ দল বদলাতে পারে, ক্ষমতা পাল্টায়, কিন্তু দলিল থাকে এবং ভবিষ্যৎ সেই দলিল দিয়েই বিচার করে সাংবাদিকতার বিশ্বাসযোগ্যতা। তাই নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতার একমাত্র নিরাপদ অবস্থান হলো আবেগের নয়, প্রমাণের পক্ষে দাঁড়ানো। দল নয়, দলিলের পক্ষে।

সামাজিকভাবে মর্যাদাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে নিয়ে সংবাদ করতে গেলে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলো প্রাইভেসি এবং ডেটা প্রোটেকশন । জাতীয় পরিচয়পত্র বা এনআইডিতে থাকা তথ্যগুলো যেমন নাম, জন্মতারিখ, ঠিকানা ও পরিচয় নম্বর সবই পার্সোনালি আইডেন্টিফায়েবল ইনফরমেশন হিসেবে বিবেচিত। এই ধরনের তথ্য সংবাদে প্রকাশ করতে হলে অবশ্যই শক্তিশালী পাবলিক ইন্টারেস্ট দেখাতে হয়। শুধুমাত্র পরিচয় নিশ্চিত করার অজুহাতে এনআইডি কার্ড ব্লার না করে ব্যবহার করা নৈতিকভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। এই কাজটিই করেছে দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড। সামাজিকভাবে মর্যাদাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীকে নিয়ে করা একটি সংবাদে এনআইডি কার্ড ব্লার না করে ব্যবহার করেছে। এ ধরনের ক্ষেত্রে প্রায়ই বলা হয় যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি নিজেই এনআইডি দেখাতে সম্মতি দিয়েছেন। কিন্তু এখানে 'সম্মতি' বিষয়টি গভীরভাবে বিবেচনা করা জরুরি। সামাজিক ও অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে অনেক সময় এই সম্মতি হয় ইনইকুয়াল কনসেন্ট বা অসম সম্মতি। অর্থাৎ তারা প্রকৃত অর্থে ঝুঁকি বোঝার সুযোগ বা 'না' বলার ক্ষমতা রাখেন না। তাই এমন সম্মতিকে নৈতিক সাংবাদিকতার মানদণ্ডে বৈধ বলা যায় না। এনআইডি প্রকাশের ফলে যে ক্ষতি হতে পারে, সেটাকে বলা হয় 'সেকেন্ডারি হার্ম '। এর মধ্যে রয়েছে সামাজিক অপমান, ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের ঝুঁকি, ডিজিটাল হয়রানি, এমনকি রাষ্ট্রীয় নজরদারির আশঙ্কা। সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিক সরে গেলেও, এই ক্ষতিগুলো থেকে যায় দীর্ঘমেয়াদে। বিশেষ করে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর ক্ষেত্রে এই ক্ষতির মাত্রা বহুগুণ বেশি হয়। অনেক সময় এনআইডি কার্ড দেখানোকে জবাবদিহিমূলক সাংবাদিকতা বলে দাবি করা হয়। বাস্তবে এটি অনেক ক্ষেত্রে হয়ে ওঠে প্রমাণ দেখানোর নামে গোপনীয়তা ভাঙা। অথচ জবাবদিহি নিশ্চিত করার বিকল্প উপায় রয়েছে। যেমন অফিসিয়াল নথি, কর্তৃপক্ষের বক্তব্য, তালিকাভিত্তিক তথ্য বা পরিচয় ব্লার করা ডকুমেন্ট। ব্যক্তিগত পরিচয় উন্মুক্ত করা জবাবদিহির পূর্বশর্ত নয়। এই ধরনের সংবাদের মূল ফোকাস হওয়া উচিত কাঠামোগত বৈষম্য, ব্যক্তির এনআইডি কার্ড নয়। যখন সাংবাদিকতা ক্ষমতাহীন মানুষের পরিচয় উন্মুক্ত করে, তখন সেটি আর নৈতিক সাংবাদিকতা থাকে না। বরং তা হয়ে ওঠে ক্ষমতার ভাষায় দুর্বলকে উন্মুক্ত করে দেওয়ার একটি প্রক্রিয়া।

photo content

ভিড়, আবেগ আর রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক সময় সাংবাদিকেরা নিজের নিরাপত্তাকে দ্বিতীয় সারিতে ঠেলে দেন,
ভিড়, আবেগ আর রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে অনেক সময় সাংবাদিকেরা নিজের নিরাপত্তাকে দ্বিতীয় সারিতে ঠেলে দেন, যা মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। মনে রাখতে হবে, কোনো সংবাদই একজন সাংবাদিকের জীবন বা শারীরিক নিরাপত্তার চেয়ে বড় নয়। উত্তেজিত সমর্থক, হঠাৎ সংঘর্ষ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি বা ভুল বোঝাবুঝি মুহূর্তের মধ্যে বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই ভিড়ের গতিবিধি বুঝে অবস্থান নেওয়া, ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা এড়িয়ে চলা, একা না থাকা, পরিচয় স্পষ্ট রাখা এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেওয়াই পেশাদার সাংবাদিকতার অংশ। সাহস দেখানো জরুরি, কিন্তু অপ্রয়োজনীয় ঝুঁকি নেওয়া দায়িত্ব নয়। নিরাপদ থাকলেই সত্য তুলে ধরার সুযোগ থাকে।

Global TV Journalist Naznin Munni Receives Arson Threats https://bdmediamonitor.org/global-tv-journalist-naznin-munni-receives-arson-threats/

he development surfaced on December 23, 2025. https://bdmediamonitor.org/registration-of-bangla-edition-revoked/

ধর্ম মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাস, নৈতিকতা ও আত্মিক চর্চার বিষয় কিন্তু সংবাদ ও সাংবাদিকতা দাঁড়িয়ে থাকে তথ্য, যাচাই এবং জনস্বার্থ
ধর্ম মানুষের ব্যক্তিগত বিশ্বাস, নৈতিকতা ও আত্মিক চর্চার বিষয় কিন্তু সংবাদ ও সাংবাদিকতা দাঁড়িয়ে থাকে তথ্য, যাচাই এবং জনস্বার্থের উপর। যখন সংবাদকে ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করা হয়, তখন সত্য নয় আবেগ ও গোষ্ঠীগত চাপ প্রাধান্য পায়। এর ফল হিসেবে বাড়ে নজরদারি , আত্মনিয়ন্ত্রণ বা সেলফ সেন্সরশিপ আর দেরি হয় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য প্রকাশে। সাংবাদিকতা যদি ধর্মীয় অনুমতির অপেক্ষায় থাকে, তাহলে নাগরিকের জানার অধিকার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তাই সংবাদকে বিশ্বাসের নয়, দায়িত্বের জায়গা থেকেই মূল্যায়ন করা জরুরি. কারণ মুক্ত, স্বাধীন ও তথ্যভিত্তিক গণমাধ্যমই একটি গণতান্ত্রিক সমাজের সুরক্ষা। #PressFreedom #MediaUnderPressure #noreligiouscensorship #independentjournalism #democracyneedsmedia #bangladeshmediamonitor

Bangladesh Media Monitor Condemns 'Black Night' Attacks on Press We condemn in the strongest possible terms the unprecedented
Bangladesh Media Monitor Condemns 'Black Night' Attacks on Press We condemn in the strongest possible terms the unprecedented attacks, arson and attempts on the lives of journalists at the offices of leading media outlets last night, a night we designate as a 'Black Night' in the history of Bangladesh. Setting fire to newsrooms and physically assaulting editors and media workers is a direct assault on the core of a free press. Bangladesh Media Monitor expresses its strongest condemnation and abhorrence of this barbaric violence. Targeting the media in such a manner is a dire warning for democracy. We urgently call upon the interim government to immediately arrest those involved in this violence and ensure the highest level of security for all media houses. Any attempt to silence the independent press will be resisted.

ধ্বংসস্তূপ
ধ্বংসস্তূপ

No Friday Print Edition for Prothom Alo and Daily Star https://bdmediamonitor.org/no-friday-print-edition-for-prothom-alo-and-daily-star/

New Age Editor Nurul Kabir Physically Harassed by Mob https://bdmediamonitor.org/new-age-editor-nurul-kabir-physically-harassed-by-mob/

In addition to the legal threat, the Vice-Chancellor reportedly intimidated him in various other ways. https://bdmediamonitor.org/vc-threats-reporter-over-inquiry-into-recruitment-fraud/

চেইঞ্জ টিভি নামে একটা ফেসবুক পেইজ থেকে এই ফটোকার্ডটি প্রকাশ করা হয়েছে। যাতে কোন নিউজ লিংক বা তথ্যসূত্র বা কোন প্রমাণ ছিল না। দ্রুতই সংবাদটি ছড়িয়ে পড়ে ফেসবুকে। এখনে পেইজটির দাবি করা 'গোলাম রাব্বানীর' ভেরিফায়েড প্রোফাইল থেকেও কমেন্টস পাওয়া যায়। সে দাবি করে এটা 'বানোয়াট' তথ্য। আমরা আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য পেইজটিতে দেয়া তাদের ওয়েবসাইটে প্রবেশ করেও এমন কোন প্রতিবেদন খুঁজে পাইনি। এরপর আমরা ওয়েবসাইটের নিচে দেয়া ফোন নাম্বারে যোগাযোগ করলে সেটিও বন্ধ পাই। এখন পর্যন্ত এই ধরনের ছবি বা পোস্টকে বলা যায় 'ডিজইনফরমেশন' বা ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো। এর উদ্দেশ্য সাধারণত বিভ্রান্তি ছড়ানো, রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ানো বা কোনো ব্যক্তির ভাবমূর্তি নষ্ট করা। এ ধরনের ভুয়া পোস্টে সাধারণত কিছু মিল থাকে। যেমন, কোনো নির্ভরযোগ্য উৎস থাকে না, উস্কানিমূলক ভাষা ব্যবহার করা হয় এবং পরিচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিদের নাম ব্যবহার করে বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করার চেষ্টা করা হয়। এসব কৌশল প্রচারণা বা প্রোপাগান্ডার সাধারণ বৈশিষ্ট্য। পেইজটি যদি কোন প্রমাণ সামনে না আনতে পারে ততক্ষণ পর্যন্ত এটা রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা হিসেবে বিবেচিত হবে। এই প্রোপাগান্ডার ফলে অনেক সময়ই 'ব্যক্তিগত' ক্ষতির ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া আমরা আরও দেখেছি এই কার্ডটিকে অনেক ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজ/প্রোফাইল থেকে প্রচার করে 'ইকো চেম্বার' তৈরি করা হয়েছে। যেটা যেকোন আক্রমণের বা 'ডিজিটাল মব' তৈরির প্রথম ধাপ।

photo content

১৬ই ডিসেম্বর কেবল ইতিহাস নয়, দায়বদ্ধতাও। যখন সাংবাদিক আক্রান্ত হয়, তখন গণতন্ত্র দুর্বল হয়। আর নির্বাচনী সহিংসতার সময়ও সত্যের
১৬ই ডিসেম্বর কেবল ইতিহাস নয়, দায়বদ্ধতাও। যখন সাংবাদিক আক্রান্ত হয়, তখন গণতন্ত্র দুর্বল হয়। আর নির্বাচনী সহিংসতার সময়ও সত্যের পক্ষে দাঁড়ানোই আজকের বিজয়।

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। আওয়ামী লীগ আমলে সরকারপন্থী সাংবাদিকরা সুবিধা পেয়েছে, আর 'ক্ষমতাকে
বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। আওয়ামী লীগ আমলে সরকারপন্থী সাংবাদিকরা সুবিধা পেয়েছে, আর 'ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা' সাংবাদিকরা মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের ভয় ও সেলফসেন্সর পরিবেশ তৈরি করেছিলো গণমাধ্যমে। সরকার পরিবর্তনের পর কিছু প্রোপাগান্ডিস্ট সাংবাদিক গ্রেপ্তার হলেও আন্তর্জাতিকভাবে তা অনেক সময় রাজনৈতিক প্রতিশোধ হিসেবে দেখা হয়েছে। মূল চ্যালেঞ্জ হলো প্রতিশোধের ছাপ ছাড়াই প্রোপাগান্ডা সাংবাদিকতার জবাবদিহি নিশ্চিত করা, যেখানে স্পষ্ট আইন, স্বচ্ছতা ও স্বাধীন তদারকি দরকার। বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা দেখায়, ফৌজদারি শাস্তির বদলে দেওয়ানি প্রতিকার, নৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও সংশোধন বেশি কার্যকর। তাই ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামোই বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারে। বিস্তারিত পড়ুন: https://tinyurl.com/mpm5jppx

বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। আওয়ামী লীগ আমলে সরকারপন্থী সাংবাদিকরা সুবিধা পেয়েছে, আর 'ক্ষমতাকে
বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি গণমাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করেছে। আওয়ামী লীগ আমলে সরকারপন্থী সাংবাদিকরা সুবিধা পেয়েছে, আর 'ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা' সাংবাদিকরা মামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন। ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টের ভয় ও সেলফসেন্সর পরিবেশ তৈরি করেছিলো গণমাধ্যমে। সরকার পরিবর্তনের পর কিছু প্রোপাগান্ডিস্ট সাংবাদিক গ্রেপ্তার হলেও আন্তর্জাতিকভাবে তা অনেক সময় রাজনৈতিক প্রতিশোধ হিসেবে দেখা হয়েছে। মূল চ্যালেঞ্জ হলো প্রতিশোধের ছাপ ছাড়াই প্রোপাগান্ডা সাংবাদিকতার জবাবদিহি নিশ্চিত করা, যেখানে স্পষ্ট আইন, স্বচ্ছতা ও স্বাধীন তদারকি দরকার। বৈশ্বিক অভিজ্ঞতা দেখায়, ফৌজদারি শাস্তির বদলে দেওয়ানি প্রতিকার, নৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও সংশোধন বেশি কার্যকর। তাই ভারসাম্যপূর্ণ কাঠামোই বাংলাদেশে গণতন্ত্র ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করতে পারে। বিস্তারিত পড়ুন: https://tinyurl.com/mpm5jppx