আকাবির-কথন
Відкрити в Telegram
Показати більше
Країна не вказанаКатегорія не вказана
1 220
Підписники
+424 години
+347 днів
+4630 днів
Архів дописів
1 220
চাচাকে প্রতি নামাজের আগে-পরে এই মসজিদেই দেখা যায়। হাতে তাসবীহ। যেন দুনিয়ার কোনো টেনশন নেই। চিন্তা নেই। কেমন যেন প্রশান্ত অন্তর। সুকুনে ভরপুর। দেখলে ঈর্ষা লাগে...
ঈদের দিন। আমি, রায়হান, আনাস-সহ আরও দুয়েকজন বিকেলে গিয়েছিলাম ইয়াসীন মসজিদে। উদ্দেশ্য ছিল একটু ঘুরাঘুরি। সাথে নিজেদের কয়েকটা সুন্দর ছবি তোলা। সেদিন ডিএসএলআর ক্যামেরা থাকায় ইচ্ছেটা আরও প্রবল ছিল। কার যেন ছবি তোলা হচ্ছিল। ক্যামেরার পেছন থেকে চোখে পড়ল চাচাকে। মনে হলো একটা ছবি তুলে রাখা যাক। এমন মানুষ, এমন সুযোগ জীবনে বারবার আসবে না। একজনকে চাচার দিকে দাঁড় করিয়ে ছবি তোলার বাহানা করে চাচার ছবিটা তোলা হয়েছিল।
একসময় ভালো বইছবি তোলার শখ জেগেছিল। সেই কারণে রেডমি নোট সেভেন প্রোও কিনেছিলাম। এই ছবি তোলার আইডিয়াটাও আমার ছিল। এই স্মৃতি যখনই মনে পড়ে, বেশ ভালোলাগা কাজ করে নিজের অজান্তেই।
চাচা এখন কেমন আছেন জানি না। দোয়া করি আল্লাহ ভালো রাখুক। আফিয়ত, ঈমান ও আমলের সাথে বাকি যিন্দেগী কাটানোর তাওফীক দিন।
1 220
বোনেরা শোনেন,
আমি অনেক আমলদার নারীর দাফনে শরীক হয়েছি, যাদের লাশ কবরস্থ করেছে বেগানা পুরুষ। তাই যদি সুন্নত শরীয়ত অনুযায়ী কবরস্থ হতে চান, পৃথিবীর শেষ মুহূর্তটায় বেগানা পুরুষের স্পর্শ থেকে বাঁচতে চান, ঘরে মেহনত করুন। আত্মীয়দের ওপর মেহনত করুন। নিজ ঘরে তালীম করুন, আত্মীয়দের ঘরে তালীম চালুর চেষ্টা করুন। লিস্ট করে দাওয়াতী কাজ করুন। দ্বীনী বই ছড়িয়ে দিন। দ্বীনি ভিডিও হোয়াটসঅ্যাপে নিকটাত্মীদের পাঠাতে থাকুন। মাহরাম-অনলি গ্রুপ করে নিয়মিত দাওয়াহ করুন।
একটা দিন আসবে, আপনার আশপাশে একঝাঁক দ্বীনদার মাহরাম থাকবে। অনেক হাফেজ আলেম থাকবে। পরিবারের আল্লাহওয়ালা ব্যক্তিরা আপনাকে কবরস্থ করবে। কবরে ফেলে এসে ভুলে যাবে না। নিয়মিত আমলের হাদিয়া পাঠাতে থাকবে।
এগিয়ে যান।
© মুহাম্মদ হোসাইন
1 220
মাঠভর্তি গরু, গাছের ছায়ায় রাখালরা আড্ডা দিচ্ছে, এই চমৎকার দৃশ্যটা গ্রাম থেকে কীভাবে যে হারিয়ে গেল...
এখন আর এত গরুও দেখা যায় না, রাখালও দরকার পড়ে না।
