uk
Feedback
সমকামী গল্প

সমকামী গল্প

Відкрити в Telegram

গল্পঃ গুলো নিয়ে কারোর কোনো মতামত থাকলে আমাকে message করতে পারো @Panutaru_bot Email us: panutaru319@gmail.com অন্যান্য channel গুলো: https://t.me/addlist/WK8ntttrKkkzOTZl https://t.me/mytelegramchannelslink

Показати більше
নতুন বাংলা গল্পСітка:নতুন বাংলা গল্পКраїна не вказанаКатегорія не вказана
1 596
Підписники
Немає даних24 години
Немає даних7 днів
Немає даних30 днів
Архів дописів
আঙ্কেল : আমার ফ্ল্যাটে আসবে, খেয়ে দেয়ে রেডি থাকবে, ১ টা র মধ্যে গাড়ি পাঠিয়ে দেবো। নাও আর কথা না এই বার কাজ ভালো করে চোখ মুখ মুছে ঠোঁটে লিপস্টিক টা ভালো করে লাগিয়ে ঘরে যাও। অমিত অনেকক্ষন ধরে অপেক্ষা করে আছে। এই কথোপকথনের সময় আমি যে জেগে আছি এটা আমার মা রা সেদিন রাতে টের পায় নি। তবে সেদিনের ঐ কথা গুলো শোনার পর আমার বুঝতে বিন্দু মাত্র বাকি রইল না যে আমার মা তার জীবনের উপর থেকে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছে।

রবি আঙ্কল আবদার জারি রাখলো, কম অন ইন্দ্রানী, প্লিস ওটা পরো, সবাই পরে আজকাল, তুমি তো দেখেছ ঐ রুমা সায়নি দের। তুমি পিছিয়ে থাকবে কেনো। তোমাকেও ওদের মতন জায়গা মত শরীর দেখাতে হবে, যাও আর দাড়িয়ে থেক না, ওটা এই শাড়ির সঙ্গে পড়ে নাও, আঁচল দিয়ে ঢেকে ঢুকে গাড়িতে বসে যাবে। তারপর ওখানে গিয়ে ....." মা আর আপত্তি করলো না। দুরু দুরু বুকে ঐ স্পেশাল ভাবে বানানো ব্লাউজ টা পড়ে নিল। তারপর আঁচল দিয়ে ঢেকে ঢুকে, আঙ্কল এর নিয়ে আসা গাড়ি করে বেরিয়ে পড়লো। এর আগে অবধি সাধারণত যত রাত ই হোক মা বাড়ি ঠিক ফিরে আসতো, আঙ্কেল নিজেই তাকে ড্রাইভ করে বাড়ি ছেড়ে দিয়ে যেত। কিন্তু সেই রাতে আঙ্কেল মা কে নিয়ে আর বাড়ি ফিরে এলো না। তূমুল দুঃচিন্তায় রাত আড়াইটা অবধি আমি জেগেই কাটালাম। বার বার তার ফোনে ট্রাই করে গেলাম। এগারোটার পর থেকেই মার লাইন নট রিচেবেল শোনাচ্ছিল। সারা রাত বাড়ির বাইরে কাটিয়ে পরদিন বেশ বেলা করে ক্লান্ত ও বির্ধস্ত অবস্থায় মা বাড়ী ফিরল। আর ফিরেই নিজের পার্সোনাল আলনার দেরাজ খুলে দুটো ব্যাথার ট্যাবলেট খেয়ে, বাসি জামা কাপড় চেঞ্জ করে শাওয়ার নিতে গেলো। মার অবস্থা দেখে আমি আর কথা বাড়ালাম না। সে রীতিমত কষ্ট করে পা চেপে চেপে হাঁটছিলো। তার চোখ রাত জাগার ফলে লাল টক টকে হয়েছিল। বাড়ি ফেরার পর মায়ের মুখ ও শরীর দিয়ে ভুর ভুর করে মদের গন্ধ পারছিলাম। বাড়ির মধ্যে মা কে কোনো দিন এমন অবস্থায় দেখতে পাবো সেটা স্বপ্নেও ভাবিনি। যাই হোক এই প্রথম রাত বাড়ির বাইরে কাটানোর সপ্তাহ খানেক পর, রবি আঙ্কল বলা নেই কওয়া নেই, হটাৎ ই তার ঐ বন্ধু কে যিনি আমাদের সাথে পুরী গেছিলেন, তাকে সন্ধ্যে বেলায় বাড়িতে এনে হাজির করলো। আমার উপস্থিতির কারণে মা ঐ আঙ্কল আসতে ভীষণ ই লজ্জা পেয়ে গেছিল। যদিও আমার সামনে কিছু বললো না। দিব্যি সাধারণ ভাবে ওদের কে আপ্যায়ন করে ওপরে মানে আমাদের বাড়ির দো তলায় নিজের ঘরে নিয়ে গেলো। আঙ্কেল তার ড্রাইভার কে দিয়ে মদ অনিয়েছিলেন। মা অপরে গিয়ে ওদের কে বসিয়ে যত্ন করে গ্লাসে পেগ বানিয়ে সার্ভ করতে লাগলেন। মা র শোওয়ার ঘর ছিল আমাদের বাড়ির দো তলায়, আর আমারটা তলায়, আঙ্কেল রা ওপরে যাওয়ার আগে আমাদের সঙ্গে একসাথে বসেই ডিনার সেরেছিলেন। তারপর আমি আমার রুম থেকেই মা আর রবি আঙ্কল এর মধ্যে হোয়া একটা কথা কাটাকাটি শুনতে পেলাম। মা বলছিল," তুমি না বলে অমিত জী কে সোজা আমার বাড়িতে নিয়ে চলে আসলে। এটা কেনো করলে?" রবি আঙ্কেল জবাব দিলো," এরকম রিয়েক্ট করছ কেনো, আমি ভাবলাম বাড়িতে আনলে, তোমার সুবিধা হবে। তুমি তো আবার হোটেলে গিয়ে করবে না।" মা: এটা বাড়ি আমার রবি, এখানে আর আনবে না। রবি আঙ্কেল: সেটা বললে কি করে হয় সোনা, আমাদের কথাও তুমি একটু ভাব প্রতি সপ্তাহে এক দু দিন এ আমাদের খিদে কি করে মিটবে তুমিই বলো। আর উইকএন্ড এর জন্য অপেক্ষা করতে কেউ ই চাইছে না। সবাই ভালো টাকা দিতে চাইছে , তোমাকে ভালো বাসতে চাইছে, আর তুমি তাদের কে দূর ছাই করে অভয়েড করে যাচ্ছো। এত ভয়ের কী আছে বলো তো তোমার? আমার সাথে এবার আমার বন্ধু দের ও নিয়মিত খেয়াল রাখতে শুরু কর। আমি তোমাকে সব শিডিউল করে দেবো দেখবে কোনো প্রব্লেম হচ্ছে না। মা: বাজারে বেশ্যা কী কম পড়েছে? আমাকে নিয়ে তুমি আর তোমার বন্ধুরা এভাবে টানাটানি বন্ধ কর। আমার কথা টা কেনো বুঝতে পারছ না। আমি আর এটা চাইছি না। প্লিজ আমাকে এভাবে নষ্ট করে দিও না। আঙ্কেল: উফফ ইন্দ্রানী , বাজারের বেশ্যা আর তোমার মতন ভালো ঘরের গৃহবধূ এক জিনিস হলো। তুমি একটা পুরুষের সাথে কখনো সুখী থাকতে পারো না। এটা প্রমাণ করে দিয়েছি। আমি তোমাকেই সাহায্য করছি । তুমি তার পড়েও এখন সতী সাবিত্রী সাজার নাটক করে যাচ্ছ বলতো? মা: এসব তুমি কি বলছো? কি প্রমাণ করে দিয়েছ। মিথ্যে কথা বলছো। আঙ্কেল: ঠিক আছে আমি না হয় মিথ্যে বলছি। কিন্তু ঐ ছবি গুলো। হ্যা ঐ ছবি গুলো তো সত্যি কথা বলবে কী বলো। আচ্ছা ওগুলো যদি কখনো ভুল বশত নিখিল দার কাছে চলে যায় তখন কি হবে। মা: না......., এটা করতে পারো না। তুমি কথা দিয়েছিলে ওগুলো তুমি নিজের কাছে রাখবে আর তাড়াতাড়ি নষ্ট করে ফেলবে। রবি আঙ্কেল: হা হা হা....আমি কথা দিয়েছি, এখন তোমাকেও কথা দিতে হবে প্রতিদিন এই এক কাদুনি গাওয়া তোমাকে বন্ধ করতে হবে। সেই সাথে আমি যা যা বলবো সেসব বিনা প্রশ্নে মেনে চলতে হবে। বুঝলে ? আরে ঐ দেখো, তুমি কাদছ কেনো? আমার কথা লক্ষ্মী মেয়ের মতন মেনে চলা শুরু দেখবে সব কিছু ঠিক থাক চলছে। হি হি হি, তোমার স্বামী তোমাকে কি দিয়েছে বিয়ের এই কটা বছরে? আমরা তোমাকে ভরিয়ে দেবো। এই নাও দেখো এটা আজকের টা আর কালকের অ্যাডভান্স। দেখেছ তোমার রূপের কদর! আলমারিতে তুলে রেখে দাও। বাকি টা কাল পাবে। মা: কালকে? বাড়িতে কিন্তু হবে না বলে দিলাম।

পুরীর ঐ অভিজাত হোটেলে আমরা এরপর যতদিন আমার মা দিন রাত এক করে আঙ্কল দের সাথে এক রুমে দরজা বন্ধ করে মস্তি করেছিল। চোখের সামনে মায়ের নির্লজ্জ কাণ্ড কারখানা দেখে স্বাভাবিক ভাবে এই ছুটি ভোগ আমার কাছে একটা দুর্ভোগে পরিণত হয়েছিল। এই কদিন আঙ্কেল রা মা কে এমন ভাবে ব্যস্ত রাখলো, যে আমার মা বাবা কে কল করবার সময় পর্যন্ত পেলো না। আন্টির পরমর্শ মেনে যথাসম্ভব মাথা ঠাণ্ডা রাখবার চেষ্টা করেছিলাম। আমি ভেবেছিলাম মা র এই অধঃপতন হয়তো সাময়িক। মা যে ভুল করছে সেটা সে নিজেও উপলব্ধি করতে পারছে। আর এখান থেকে ফিরলে ঠিক সে নিজের ভুল টা শুধরে নেবে। কিন্তু হায়, আমার এই আশা সত্যি হল না। প্রথম কিছু দিন সামলে চললেও, রবি আঙ্কল কে আমার মা বেশিদিন ঠেকিয়ে রাখতে পারলো না। দুর্বল হয়ে সব কিছু খুলে দিয়েছিল, আঙ্কল এর ফোনের মেমোরি মায়ের সব নির্লজ্জ অশ্লীল ছবিতে ভর্তি হয়ে গেছিলো, আঙ্কল তার অ্যাডভান্টেজ নিতে শুরু করলো। সে ঐ ফটো গুলোর সাহায্যে মা কে কিছুতেই, আর সুস্থ্য জীবনে ফিরতে দিল না। আঙ্কল মা কে যৌনতার এমন নেশা ধরিয়ে দিয়েছিল যে আমার মার মতন ভালো সৎ ঘরোয়া টাইপ বিবাহিতা নারীও রবি আঙ্কল এর মতন স্বার্থপর মানুষের ফাঁদে পা দিল। তারপর ধীরে ধীরে মা পথভ্রষ্ট হয়ে আধুনিকতার নামে অশ্লীল বেলাল্লাপনা টে নাম লেখালো। পুরী থেকে ফেরার মাস দুয়েক এর মধ্যে আমার মা রবি আঙ্কল দের সপ্তাহ শেষের নৈশ পার্টির একটা গুরুত্বপূর্ণ সদস্য টে রূপান্তর হলো। একই সাথে মার আলমারি আঙ্কল দের দেওয়া দামি সব উপহারে ভর্তি হওয়া শুরু হল। আঙ্কেল দের গ্রুপে নিয়মিত হবার পর একদিন সন্ধ্যে বেলা মা ঘরের কাজকর্ম নিয়ে ব্যাস্ত আছে এমন সময় রবি আঙ্কল এসে তার রুমে ঢুকে বললো, " একি ইন্দ্রানী, তুমি এখনও রেডি হও নি। আমাদের কিন্তু অনেক টা রাস্তা যেতে হবে।" মা: না রবি, আমি তোমার সঙ্গে আজ যাবো না স্থির করেছি। আঙ্কেল: উফফ ইন্দ্রানী এখন না করলে হয়? আমার বন্ধুরা কি ভাববে। আমি প্রমিজ করে ফেলেছি। তোমাকে যেতেই হবে। মা: রবি তোমার বন্ধু বলে দুজন পর পুরুষের সাথে তুমি যা বলেছ করেছি। নতুন কাউকে শোয়ার জন্য আর নাই বা ফিট করলে। আমি পারবো না। আঙ্কেল: ওহ ইন্দ্রানী রোজ তোমার সেই এক ড্রামা। কম অন ডারলিং, হোয়াট আর ইউ ওয়েটিং ফর, কেউ যদি যেচে তোমার কাছে আসতে চাইছে, কাছে আসতে দাও। তোমার ছবি দেখে যদি কেউ তোমার রূপে পাগল হয়ে আমার পিছনে পড়ে, তাতে আমার কি দোষ। কে বলেছিল তোমাকে এত সুন্দর একটা ডবকা শরীর বানাতে, প্লিজ না কর না। এইবার টা করে দাও, পরের বার প্রমিজ শুধু তুমি আর আমি একসাথে কাটাবো। ঠিক আছে? এই বলে মার রাগ ভঞ্জন করতে রবি আঙ্কেল মা কে পিছন থেকে জড়িয়ে ধরলো। মা: আহ্ আহ্ ছাড়ো রবি, তুমি তো জানো, এভাবে ছুলে আমি তোমাকে আটকাতে পারি না। আমার দুর্বলতা টা এভাবে দিনের পর দিন লাগিয় না। রবি আঙ্কেল: যতক্ষণ না রাজি হবে কিছুতেই ছাড়বো না। আমি তো জানি তুমি আমাকে না করতে পারো না। আমার সুখের জন্য তুমি সব কিছু করবে, আহ্ ইন্দ্রানী আমার সোনা.... আরো মিনিট পাঁচেক টালবাহানার পর মা আঙ্কেল এর সঙ্গে ওর এক বন্ধুর ফার্ম হাউজ যেতে রাজি হয়ে গেলো। তারপর আরো কিছুক্ষন আদর আবেগঘন ব্যাক্তিগত মুহূর্ত আঙ্কেল এর সঙ্গে কাটানোর পর মা আঙ্কল কে থামিয়ে দিল। বললো এখন না রবি, রাতের বেলা বাকিটা করবে, আমায় রেডি হতে হবে, তুমি বাইরে বসার ঘরে বসো। এই বলে নিজের কাপড় ঠিক করতে করতে ওয়ারড্রব খুলে নতুন কেনা একটা ট্রান্সপারেন্ট শাড়ি বার করলো, গায়ে পড়ে থাকা ব্লাউজ এর উপরে পড়বার জন্য । রবি আঙ্কল বললো, ঠিক আছে ইন্দ্রানী আমি বাইরে বসছি। তবে তার আগে আমার একটা রিকোয়েস্ট আছে। এই শাড়ির সাথে ঐ নতুন বানানো পিঠ খোলা ব্লাউজ টা পড় না। তোমাকে আরো হট লাগবে। আমার বন্ধুরাও ইমপ্রেস হবে।" মা বিস্ময়ে আঙ্কল এর দিকে তাকিয়ে বলল, না না এটা আমাকে করতে বল না। ওটা পড়ে আমি বাইরে বেরোতে পারবো না। তোমার সামনে বাড়িতে হলে তাও ঠিক আছে।

রবি আঙ্কেল মাকে ছাড়লো তো না বরং চ আরো চেপে ধরে, বলল, তুমি যত আওয়াজ করবে ততই নিজের ছেলের সামনে লজ্জার পাত্র হবে, তাই চুপ চাপ আদর করতে দাও, তোমাকে এর বদলে আমি খুশি করে দেবো, বুঝেছ।" আঃ আঃ আহঃওহঃ....এভাবে করো না ,প্লিজ লাগছে! আঙ্কেল বললো, প্রথম প্রথম কষ্ট হবে সোনা, পরে সব অভ্যাস হয়ে যাবে, বুঝলে। তখন এসব ছাড়া থাকতেই পারছো না। এবার সামনে ফেরো তোমার সুন্দর মাই গুলো কে ভালো করে সাবান মাখিয়ে, স্নান করিয়ে দি। মা: ছাড়ো এভাবে করো না, প্লিজ ও শুনতে পাবে। ভীষণ লজ্জা লাগছে। আঙ্কেল: লজ্জা ঘৃণা ভয় তিন থাকতে নয়, হা হা হা হা... কম অন ডারলিং, সব কিছুই তো দেখিয়ে ফেলেছ, আমার সামনে লজ্জা কিসের। আমার পরে আরো একজন আছে যে আজ তোমার সঙ্গে স্নান করবে। কে বুঝতে পারছ তো ? মা: আমি পারবো না প্লিজ না না এটা করো না। আঙ্কেল: আরে হবে না বলে কিছু আছে এই দুনিয়ায়। ঠিক পারবে। ভয় কিসের....উফফ তোমাকে যা লাগছে না। মন চাইছে এইরকম ভাবেই তোমাকে সারা জীবন ধরে রাখি। মা আরে করো কি আহ্ আহ্ মুখ সরাও ওখান থেকে, সেনসিটিভ স্পট আমার আহ আহ্ পারছি না। আঙ্কেল আর মায়ের প্রেমালাপ শুনে কান গরম হয়ে গেলো। আমি বিছানা ছেড়ে উঠে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে পড়লাম। সমুদ্র সৈকত থেকে ঘুরে মাথা ঠাণ্ডা করে ঘণ্টা খানেক পর যখন হোটেলে ফিরলাম মা আবার আঙ্কেল এর দের ঘরে আবার নিজেকে ব্যাস্ত করে নিয়েছে। ওদের রুমের দরজা অর্ধেক খোলা ভেজানো ছিল, আমি ওর সামনে এসে দাড়াতেই, ভেতর থেকে মদের গন্ধ পেলাম। আমার খুব দেখার ইচ্ছে হলো দরজা খুলে দেখবার, কিন্তু সাহস হলো না। সেই সাথে গ্লাসে মদ ঢালার শব্দ। রবি আঙ্কেল এর বন্ধুর গলা পেলাম, কি হলো ম্যাডাম আপনি খাচ্ছেন না যে, ড্রিঙ্ক পছন্দ হয় নি বুঝি? মার গলা পেলাম, আর গলার আওয়াজ শুনে বুঝতে পারছিলাম, মাও ওদের সঙ্গে বসে বেশ খানেক টা ড্রিঙ্ক করেছে। আর সেই মদ এর প্রভাব মার উপর বেশ ভালো করে পড়তে শুরু করেছে। মা বলল, অভ্যাস নেই... ভালো লাগছে না। উফসস উহহু..(একটু কেশে) আর খাবো না। রবি আঙ্কেল বলে উঠলো, কম অন ইন্দ্রানী, আরেকটু না খেলে আজ আমাদের দুজন কে নিতে পারবে না। মা জবাবে বললো, আমি মানষিক ভাবে এখনও না ঠিক প্রস্তুত নই। এরপর আঙ্কল রা সশব্দে হো হো করে হেসে উঠলো। আমি আর তারপর দাঁড়ালাম না এক ছুটে নিজেদের রুমে ফিরে এলাম। এদিকে বেলা হয়ে গেছিলো, লাঞ্চ করবো বলে মার জন্য অপেক্ষা করছিলাম। রুমা আন্টিরা নিজেদের রুমের ভেতরেই লাঞ্চ আনিয়ে নিয়েছিল। তাই একাই ডিনিং হলে অপেক্ষা করছিলাম অনেকক্ষন বাদে রবি আঙ্কেল লম্বা শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে আমার কাছে এসে বলে গেলো, মার জন্য অপেক্ষা করো না। তোমার মায়ের খিদে নেই বুঝলে, তুমি খেয়ে নাও। আমার হোটেল বয় দের তোমার কথা সব বলা আছে। যখন যা ইচ্ছে অর্ডার করে আনিয়ে নিও, আর ডিনার এর সময় ও তোমার মা আসতে পারবে না। তুমি তোমার সময় মত এসে ডিনার সেরে যেও কেমন, লক্ষ্মী ছেলে। মা আমার সঙ্গে বসে লাঞ্চ এবং ডিনার খেতে পারবে না শুনে আমার মন খারাপ হয়ে গেলো। ওদের রুমের কাছে শোনা কথা গুলো আমার কানে তখনও বাজছিল, তবুও কিসের যেন একটা সংকোচে মুখ ফুটে সেই ব্যাপারে আঙ্কল কে কিছু জিজ্ঞেস করতে পারলাম না। আঙ্কল চলে যাবার পর, আমি চুপ চাপ লাঞ্চ সেরে রুমে চলে গেলাম। সামান্য ভাত ঘুমের পর মার কথা ভাবতে ভাবতে সন্ধ্যে বেলা রুমে বসে টিভি দেখছি। রুম বয় এসে সবেমাত্র চা দিয়ে গেছে। সেই সময় রবি আঙ্কেল এসে আমাদের রুম থেকে আমার চোখের সামনে মার লাগেজ টা ওদের রুমে নিয়ে গেলো। আমি অবাক হয়ে শুধু তাকিয়ে রাখলাম। তারপর মা আর আঙ্কল দের রুম থেকে ছাড়া পেল না। তাই বাধ্য হয়ে একা একাই সাড়ে ন টা নাগাদ ডিনার সারতে নিচে ডাইনিং হলে এসে উপস্থিত হলাম। সেই সময় আমি ছাড়াও ওখানে রুমা আন্টিরা ও ডাইনিং রুমে উপস্থিত ছিলেন। আমরা এক টেবিলেই ডিনার সারলাম। রুমা আন্টি আমাকে দেখেই, মুচকি হেসে বললো," তোমার মা ডাইনিং হলে আসতে পারলেন না বুঝি, আর তোমার আঙ্কল দের ও দেখতে পারছি না সাথে , বুঝেছি। মন খারাপ কর না। তোমার মা জাস্ট নিজের মত সুখী থাকতে চাইছে এই বিশেষ ভাবে। নিজের সুখ চাওয়া অপরাধ না। এটা তোমাকেও বুঝতে হবে। যা দেখছো, যা শুনছো, যদি পারো সেটা কে মন থেকে মেনে নাও, দেখবে অভ্যাস হয়ে যাবে।" " শোনো তোমার রাতে একটা রুমে একা শুতে যদি ভয় লাগে নি সংকোচে আমাদের রুমে এসে আমাদের সঙ্গে শুতে পারো। বুঝলে।।" আমি বিনয়ের সঙ্গে রুমা আন্টির প্রপোজাল এড়ালাম। পাছে রুমা আন্টি রা মার বিষয়ে আর কোনো বেফাঁস প্রশ্ন করে আমাকে লজ্জায় ফেলে দেয়, তাই ডিনার সেরে তাড়াতাড়ি নিজের রুমে ফিরে এলাম। মার সঙ্গে যা যা নোংরামি হচ্ছিল কিছুতেই মন থেকে সমর্থন করতে পারছিলাম না।

প্রথম বার এইরকম ট্রিপে যাচ্ছেন বোধ হয়? নেক্সট টাইম ওর সাথে গেলে আমার মতন ও আপনার ও এই রকম খেয়াল রাখবে। আর হ্যা একটা এডভাইস সবসময় মাথায় রাখবেন।।এই সব ট্রিপে কখনো ছেলে বা হাসব্যান্ড কে সঙ্গে আনবেন না। যে কাজে র জন্য যাওয়া সেটাই মন দিয়ে করতে পারবেন না। আমার মা এর পর আর কোনো কথা বাড়ায় নি। আমরা সারা রাত ট্রেন জার্নি করে,সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ পুরী পৌঁছেছিলাম। পুরীতে গিয়ে আংকেল রা বেশ অভিজাত হোটেলে নিয়ে গিয়ে আমাদের তুললো। হোটেলে তিনটে বারান্দা দিয়ে সামলে খোলা সমুদ্র দেখা যায় এরকম তিনটে রুম নেওয়া হয়েছিল। একটা রুমে আমি আর মা , অন্য রুমে রবি আংকেল আর তার এক বন্ধু আর তিন নম্বরে রুমা আণ্টি আর তার হাসব্যান্ড থাকবে ঠিক হয়েছিল। এমনিতে দিনের বেলা সবাই হোটেলের সামনের বীচে ঘুরলেও, সন্ধ্যে নামতেই হোটেলে ঢুকে যে যার রুমে ঢুকে গেলো। বহুদিন পর বেড়াতে এসে মা ভীষণ রিফ্রেশ ফিল করছিল। ঐ দিন সন্ধ্যে অবধি মা বেশ হাসি খুশি খোলামেলা থাকলেও। সন্ধ্যের পর রবি আংকেল তাকে আলাদা ডেকে কিছু একটা বলতেই মা দেখলাম চুপ চাপ হয়ে গেলো। রুমা আন্টিরা ডিনার খেতে বাইরে হলে এলো না। শুধু আমি আর মা রবি আংকেল আর তার এক বন্ধু ঠিক রাত সাড়ে নটা নাগাদ ডিনার খেতে বাইরে হলে আসলাম। রবি আংকেল এর ঐ বন্ধু দেখলাম ডিনার টেবিলে বসে সুপ খেতে খেতে মার দিকে বেশ লোলুপ দৃষ্টি তে তাকাচ্ছিল। আমার অস্বস্তি হলেও মা আর রবি আংকেল দেখলাম এই ব্যাপারে একেবারে ভাবলেস হীন। শেষে আমি একটা গলা খাকরানি দিতে ঐ আংকেল তার দৃষ্টি মার উপর থেকে সরিয়ে নেয়। অদ্ভুত ভাবে মা সেই রাতে ডিনারে সেভাবে কিছু খেলো ও না, ওর নাকি খিদে নেই। মা গভীর ভাবে কিছু একটা ভাবছিল চিন্তায় তার সুন্দর লাবণ্যময় মুখ টায় একটা আধার ছায়া নেমে এসেছিল। আমি, কি হয়েছে? শরীর খারাপ কিনা জিজ্ঞেস করায় মা আমার প্রশ্ন এড়িয়ে গেল। আমি মার এহেন আচরণে আমি উদ্বেগ প্রকাশ করলেও, রবি আংকেল দেখলাম একেবারে নির্বিকার। তাকে দেখে মনে হচ্ছিল। কিছুই যেনো হয় নি।। রাত এগারোটা নাগাদ সবে মাত্র আমার ঘুম টা এসেছে, এমন সময় রুমের দরজায় নক পেলাম। তারপর আংকেল দের ঘর থেকে মায়ের ডাক আসলো। রাত দুপুরে আড্ডা মারার অছিলায় মা আংকেল দের রুমে গেলো। আধ ঘন্টা পর ছুটতে ছুটতে রুমে এসে ওয়াশ রুমে গিয়ে বেসিন খুলে চোখে মুখে জলের ঝাপটা দিচ্ছিল আর মুখ এর ভেতর লিস্টারিন দিয়ে কুলকুচি করছিল। সেই সময় মায়ের চুল খোলা আর নাইটির সামনের দুটো বোতাম খোলা ছিল। মা এসে যখন মুখ ধুতে ব্যাস্ত এই সময় আমাদের রুমের দরজা খোলা পেয়ে রবি আংকেল ভেতরে চলে এসেছিল। আমি সজাগ ছিলাম বিছানায় পড়ে শুধু ঘুমানোর ভান করে ওদের কান্ড কারখানা দেখছিলাম। আঙ্কল মা কে ওয়াশ রুমের দরজায় বললো, কম অন ইন্দ্রানী, তোমার মুখে এসব একটু আধটু নিতে হবেই। এত ঘেন্না পিত্তি পেলে চলবে? অভ্যাস করে ফেলো। তুমি না নেশা এখন তাই কাটিয়ে দিলে। এখন চলো তো আসল কাজ এখনও বাকি।" মা কিছুক্ষন থমকে থেকে আংকেল কে বললো তোমার বন্ধু ও যে আমার সাথে করবে এ কথা তো তুমি এর আগে বলো নি, শুধু তোমার আর আমার মধ্যে হবে এটাই কথা হয়েছিল। তোমার বন্ধুর সঙ্গে আমি পারবো না।" আংকেল জবাবে বললো, " এই ব্যাপার? আরে চলো না। চেনা লোক, কোন ভয় নেই। আরে চলো চলো। সব অভ্যাস হয়ে যাবে' মা মন্ত্র মুগ্ধের মত আংকেল এর সঙ্গে আবার বেরিয়ে গেল। তারপর সারা রাত আংকেল দের সঙ্গেই কাটালো। বলাই বাহুল্য মা কে সেই রাতে ঘুমাতে দেওয়া হলো না। সকাল বেলা মা বির্ধ্বস্ত অবস্থায় রুমে ফিরলো। তার শরীর চুল মুখ চোখের দিকে তাকানো যাচ্ছিল না। মা ওয়াশ রুমে শাওয়ার নিতে গেলো। আংকেল ও মায়ের পিছন পিছন আমাদের রুমে আসলো। কিছুটা জোর করেই মায়ের সঙ্গে ওয়াশরুমে র ভেতর ঢুকে দরজাটা বন্ধ করে দিল। কয়েক মুহূর্ত পর থেকেই মৃদু শীৎকার ওয়াশ রুমের বন্ধ দরজার ভেতর থেকে ভেসে আসতে আরম্ভ করলো। মা চাপা স্বরে বলছিল, " আহ্ আহ্...কি করছো রবি! সারা রাত ধরে আমাকে জ্বালিয়েও তোমার খিদে মেটে নি। আহ্ আহ্ কি করছো, ছাড়ো আমাকে, ছেলে যথেষ্ট বড়ো হয়েছে সে সব বুঝতে পারবে.. আহ্ আহ্ লাগছে প্লিজ ছাড়ো আমাকে.....।"

এরপর মিনিট খানেক চুপ, কোনো কথা শুনতে পেলাম না। তারপর মায়ের সামান্য কাশির শব্দ ভেসে আসলো। মা বললো, ইসস... কী তেতো, কী বিচ্ছিরি স্বাদ। এই বিষ তোমরা খাও কি করে। তুমি ওটার মধ্যে কোল্ড ড্রিঙ্ক মিশিয়েছ আমার কেমন একটা হচ্ছে। আঙ্কল বললো, " আসলে তোমার অভ্যাস নেই তো। আমার সঙ্গে কদিন ডেইলি নাও। দেখবে এই বিষ কেই অমৃত সমান মনে হচ্ছে। চলো বিছানায়... আর কথা না।" মা: আলো টা নিভিয়ে দাও প্লিজ আমার ভীষণ লজ্জা করছে। আহহহ.....মা গো....। এরপর মিনিট খানেক পর মার গলায় একটা মৃদু শীৎকার আর তারপরেই আংকেল এর গলা পেলাম, আহ কি টাইট তোমার গুদ ইন্দ্রানী। ২২ বছরের বিবাহিত নারীর এত টাইট গুদ হতে পারে ধারণা ছিল না। জায়গা মত আমার যন্ত্র টা পৌঁছেছে কি না বলো। মা বললো," আহহহ ...পুরো তাই এসেছে।। আস্তে করো প্লিজ। অনেক দিন করি না। কষ্ট হবে। আঙ্কল: স্বামী কত দিন করে না বলোতো। মা: আহ আহ: শেষ করেছিল চার বছর আগে। আঙ্কল: নিখিল দা একটা আস্ত গাধা, ঘরে এরকম একটা হট বউ ফেলে উনি বাইরে কাটাচ্ছেন। উফ অবশ্য দাদা থাকলে এই শরীর কি আমার ভাগ্যে জুটতো কি বল অ্যা।। হা হা হা। এরপর মায়ের শীৎকার আর আংকেল এর মার শরীরের বিভিন্ন পার্টস নিয়ে নোংরা লাইভ বর্ননা ভেসে আসতেই কয়েক মুহূর্তে আমার কান লাল হয়ে গেল। আমি আর চক্ষু লজ্জা হারিয়ে বিবেকের তাড়নায় ওখানে লুকিয়ে দাঁড়িয়ে মা আর আংকেলের এর যৌনমিলন এর পুরো টা শুনতে পারলাম না। অবশ্য যত টুকু শুনেছি সেটাই অনেক। আমার মা কোনোদিন নিজের শারীরিক সুখের জন্য এত ডেসপারেট হয়ে উঠতে পারে আমি স্বপ্নেও ভাবতে পারি নি। নিজের কানে যা শুনলাম অনেক ক্ষন অবধি নিজের বিশ্বাস ই হচ্ছিল না। পরে মা আংকেল কে বলেছিল, তার আংকেল এর সঙ্গে শুয়ে মনে হচ্ছিল, জীবনে প্রথম বার সেক্স করেছে। আংকেল স্বভাবতই এরপর থেকে আমাদের বাড়িতে যখন খুশি তখন প্রবেশের অনুমতি পেয়ে গেছিলো। এমন কি আমাদের বাড়িতে এসে মার সঙ্গে রাত কাটানোর লাইসেন্স ও মা ছেড়ে দিয়েছিল। রক্তের স্বাদ পাওয়া শ্বাপদের মতন আংকেল ও মার সুন্দর হট শরীর তাকে ভোগ করতে পেয়ে, তাকে ফুল এক্সপ্লয়েদ না করে ছাড়ল না। প্রথম যৌন মিলনের মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে পুরি তে বেড়াতে নিয়ে গেছিলো। এই ট্রিপ টা তে বাবা কে ওরা রাখে নি। আমাকে ও বাদ দিচ্ছিল। শেষে মার ইচ্ছাতে আমাকেও আংকেল সঙ্গে করে নিয়ে যায়। তখন আমার ফাইনাল এক্সাম হয়ে গেছিলো। হাতে অফুরন্ত সময় ছিল কাজেই আমি যেতে আপত্তি করি নি। আমাদের সঙ্গে ঐ ট্রিপ টায় আরো দুজন আংকেল আর একজন আণ্টি গেছিলো। একজন আংকেল আর আণ্টি কাপল ছিল। অন্তত পরিচয় সেরকম ই দিয়েছিল। এরা সবাই ছিল রবি আংকেল এর বন্ধু। প্রত্যেকেই ছিল বড়ো ব্যবসায়ী আর বিশেষ অবস্থাপন্ন ব্যাক্তি। আর সঙ্গে যে আণ্টি গেছিলো তার নাম ছিল রুমা মিত্র। মায়ের থেকে অনেক কম বয়েস ছিল। পুরি যাওয়ার সময়, ট্রেনে রুমা আণ্টি আর মায়ের পাশাপাশি সিট পড়েছিল। আমি আপার বার্থ এ শুয়েছিলাম। মা রুমা আণ্টি কে জিগ্যেস করেছিল, নতুন বিয়ে হয়েচে না তোমার ? দাদা তো খুব খেয়াল রাখছে দেখছি।। রুমা আণ্টি হেসে মাথা নেড়ে বললো, " হ্যা সে একরকম বিয়েই বলতে পারেন। আমাদের ফুলসজ্জা টা না বার বার হয়।" মা হতবাক হয়ে রুমা আন্টির দিকে

রবি আঙ্কল প্রায় প্রতিদিন আমাদের বাড়িতে আসে আমার মা কে সঙ্গ দিতে কিন্তু আমি সেটা মেনে নিতে পারি না। প্রথম প্রথম সব ঠিক থাক চলছিল, কিন্তু আস্তে আস্তে রবি আংকেল এর বদ খেয়াল গুলো যত তাড়াতাড়ি সামনে আসছিল, আমার মা নিজেকে চরম নষ্টামির দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। ব্যাপার টা একটু খুলে বলা যাক। কর্ম সূত্রে বেশির ভাগ সময় বাইরে কাটায় আর আমি মা বাবার একমাত্র পুত্র বিটেক করছি, স্বভাবতই আমরা বাপ ছেলে মিলে মা কে আগের মতন সময় দিতে পারি না। আমার মা ইন্দ্রানী তাই মাঝে পড়ে ভীষণ একা হয়ে গেছিল। আঙ্কল আশায় তার একাকীত্ব দূর হয় বটে মা স্বভাব আর চরিত্রর ভালো রকম পরিবর্তন আসে এই রবি আংকেল এর সঙ্গ দোষে। এই রবি আঙ্কল আমার নিজের কাকা না। সম্পর্কে উনি আমার মেশো হয়, আমার মাসীর স্বামী। কিন্তু তাদের বিয়ে টা বেশিদিন টেকে নি।।কি একটা কারণে বনিবনা না হওয়ায় একটা মালতি ন্যাশনাল কোম্পানি তে কর্মরত ছোটো মাসী রবি আংকেল কে ডিভোর্স দিয়ে অফিস থেকে ট্রান্সফার নিয়ে বাইরে চলে যায়। ছোটো মাসী চলে যাওয়ার পর রবি আংকেল মায়ের মতন ই খুব একা হয়ে যায়। আঙ্কল আমাদের বাড়ির পাশের পাড়াতেই একটা ফ্ল্যাট কিনে থাকতো। আঙ্কল কিসের একটা ব্যাবসা করতো। খুব ভালো টাকা রোজগার করতো। আর সুযোগ পেলেই, আমাদের বাড়িতে এসে আমার মা কে বউদি বউদি করে খুব খাতির দারি করতো। মা নিজের ছোট বোন ডিভোর্স দিয়ে আলাদা হয়ে যাওয়ার পর রবি আঙ্কল কে একটু সিম্পথির চোখে দেখতো। এর ফলে খুব অল্প সময়ে র মধ্যে আংকেল আর মার মধ্যে বেশ ভাব জমে গেলো। ক্রমে ক্রমে আংকেল যত বেশি আমার মায়ের সঙ্গে মিশে ঘনিষ্ঠ হচ্ছিল মা যেনো ততই আংকেলের পাতা মোহ মায়া আর কামের জালে ধরা পরছিল । আর বাইরে খুব বেশি প্রয়োজন ছাড়া বেরোতে পছন্দ করতো না। সেই মা আংকেল এর সঙ্গে প্রতিদিন শপিং সিনেমা লংড্রাইভ এ বেড়াতে লাগলো। আঙ্কল সেফ দুই মাসের ব্যবধানে মার সঙ্গে তার সম্পর্ক টা আপনি আজ্ঞে থেকে তুমিতে নামিয়ে এনেছিল। মার ওয়ার্দ্রব ভরে যাচ্ছিল আংকেল এর দেওয়া দামি সব উপহারে। আঙ্কল যেমন দুই হাত ভরে মায়ের ঘর দামি উপহার আর পোশাক অাভূষনে সাজিয়ে দিচ্ছিলো তেমনি তার থেকে সমান ভাবে আদায় ও করে নিচ্ছিল। আমার বাবার বাড়িতে অনুপস্থিতির সুযোগে মা একটু একটু করে নিজের বাঁধন আংকেল এর সামনে খুলে দিচ্ছিল। যে মদ সিগারেট তার চক্ষুশূল ছিল, সেটাও বাড়িতে আমদানি করেছিল আংকেল এর মন রাখতে। একদিন আংকেল ডিনার করতে এসে, ডিনার করার পরেও অনেকক্ষন বাড়িতে ছিল। আমার সন্দেহ হলো আমি শুনতে পেলাম মায়ের ঘরের দরজায় চুপি চুপি দাড়িয়ে কান লাগিয়ে মা আংকেল কে বলছে। " রবি এই ব্যাপার টা নিয়ে একেবারে নিচ্ছিত নই। আর তোমার ফোন টা রাখো তো। রোজ রোজ আমার ফটো গুলো তুলে তুমি কি সুখ পাও বলো তো। আঙ্কল: সুন্দর জিনিসের ছবি মানুষ কেনো তোলে। আমাকে তোমার ভালো লাগে তাই তুলছি। এই শোন না, শাড়ির আচল টা তুমি বুকের উপর থেকে একটু সরাও না। আচল টা তোমার মাই জোড়া কে, উন্নত ভিভাজিকাকে ঢেকে রেখেছে। ওটার ও ছবি তুলবো। এই প্রমাণ সাইজে র মাই জোড়া র ফটো দেখলে যে কারোর টা দাড়িয়ে যাবে...। মা: তুমিও না ভীষণ নোংরা। মুখে কিছু আটকায় না। তাই না? তুমি আরেক বার ভাবো। আমার মনে হচ্ছে আমাদের মধ্যে যেটা হতে চলেছে এটা মোটেও ঠিক হচ্ছে না।" ইন্দ্রানী তুমি কি আমার ভালোবাসা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করছো। এই ক মাসে আমি কি জোর করেছি তোমাকে? একবার শুরু করেই দেখো না। এই নিষিদ্ধ প্রেমের জোয়ারে কত সুখ আছে তুমি বুঝতে পারছো না ইন্দ্রানী।" মা বললো, " জানি তোমার কথা চুপ চাপ মেনে নিলে আমার সুখ। তবুও বোঝই তো এসব শুরু করা আমার মতন এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের নারীর পক্ষে কতটা মুশকিল। একটু এদিক থেকে ওদিক হলে সর্বনাশ হয়ে যাবে।" রবি আংকেল গ্লাসে মদ ঢালতে ঢালতে বললো, " আরে কিচ্ছু হবে না। আজকাল এসব কোনো ব্যাপার না। জমানা পাল্টে গেছে। জানো তো পরক্রিয়া এখন আর অপরাধ নয়। আর তুমি তো কোনো সাধারণ নারী নও। তুমি অনন্যা। তোমার রূপের আগুনে তুমি আমার মতন শত পুরুষ কে সুখী করতে পারো। আর তারা তোমাকে পেতে কি করতে পারে তোমার কোনো ধারণা নেই। আস্তে আস্তে সব কিছু অভ্যাস হয়ে যাবে। চলো আজকেই তোমার ভয় ভাঙিয়ে দিচ্ছি।এসো আমরা বিছানায় যাই।" মা চমকে উঠে বললো, না না আজকে আমি মানষিক ভাবে তৈরি নই। কাল হবে।" আঙ্কল: এই তো, আজ নয় কাল এই করে তুমি আমাকে ঘোরাচ্ছ। তোমার প্রবলেম টা কি বলো তো।। এত সুন্দরী নারী হয়ে যৌন সুখ পেতে চাইছো না কেনো। মা: আমার এখনও ভয় করছে। আঙ্কল: উফফ ইন্দ্রানী তুমিও না। কিচ্ছু ভেবো না। আমার কাছে ভয় কাটানোর ওষুধ আছে। এই নাও কোল্ড ড্রিঙ্কস এ একটু নিট অ্যালকোহল মিশিয়ে দিয়েছি, এটা খেলে সব ঠিক হয়ে যাবে। বাকি টা আমি বিছানায় ম্যানেজ করে নেব। মা: আমি ওটা খাবো না.... আমাকে জোর করো না।

photo content

Hi