Save Bangladeshi Hindus
Открыть в Telegram
Our main objective:- To present authentic information about the ongoing situation of Hindus in Bangladesh.🇧🇩
Больше5 508
Подписчики
Нет данных24 часа
-277 дней
-13030 дней
Архив постов
বরিশাল সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের ইংলিশ ডিপার্টমেন্টে ১ম বর্ষে অধ্যায়নরত "আলমা বিন আনিস" নামের এই ছেলে তার ফেইসবুকে ওপেনলি হিন্দুদের জ*বাই করার পোস্ট করার পরেও কলেজ কতৃপক্ষ, প্রশাসনের কোনো পদক্ষেপ দেখা যায়নি! শুনা যাচ্ছে ঐ কলেজের হিন্দু শিক্ষার্থীরা ভয়ে কিছু বলতেও পারছেনা...
©
এই জ *ঙ্গি অনুসারী পোস্ট ডিলিট করে দিয়েছে। বাট আইডি লিংক👇
https://www.facebook.com/share/19YtkPeHhR/?mibextid=wwXIfr
ধন্যবাদ প্রশাসনকে!🌸
সোর্স: https://www.facebook.com/share/p/1BHzLCBtPx/?mibextid=wwXIfr
এই পোস্টে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর Pankaj Paul এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে 👇
https://www.facebook.com/share/p/1HZ6PYvzzn/?mibextid=wwXIfr
⚠️ সতর্কবার্তা ⚠️
উল্লিখিত স্ক্রিনশটটি আমার নয়। আমার আইডি কখনোই পাবলিক ছিল না — সবসময় প্রাইভেট ছিল এবং এখনও আছে। অথচ উল্লিখিত স্ক্রিনশটটিতে স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে পোস্টটি “Public” করা এবং এডিট করে লাগানো। অতএব, স্পষ্টভাবে বলা যায়, আমাকে ফাঁসানোর উদ্দেশ্যে কুচক্রী মহল আমার নাম ও ছবি ব্যবহার করে ভুয়া পোস্ট ছড়িয়েছে।
এই ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপচেষ্টা বাংলাদেশের হিন্দুদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে চালানো হচ্ছে, কিন্তু প্রতিবারের মতো এবারও তারা ব্যর্থ হয়েছে।
আমি বাংলাদেশ প্রশাসনের প্রতি অনুরোধ জানাই —
আমার বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও অপপ্রচার চালানো ব্যক্তিদের দ্রুত গ্রেফতার করে শাস্তির ব্যবস্থা করুন।
এছাড়া, ম্যাসেঞ্জারে কিছু ব্যক্তি সত্য-মিথ্যা, যাচাই-বাছাই না করেই আমাকে প্রা/ণ না/শের হু/মকি দিচ্ছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক ও নিন্দনীয়।
বিঃদ্রঃ এই পরিস্থিতির কারণে বাধ্য হয়ে আমি প্রোফাইল ছবি পরিবর্তন করেছি।
#SaveBangladeshiHindus
©Pankaj Paul
ওনার পোস্টের কমেন্ট থেকে নেওয়া👇
আমার মতো অনেকেই হয়তো এমন পরিস্থিতির শিকার হয়েছেন, কিংবা হচ্ছেনও।
ছোটবেলা থেকে আমি খুব বেশি ধর্মীয় শিক্ষা পাইনি — আর সেই সুযোগটাই কাজে লাগাতে চেয়েছিল আমার কিছু বিধর্মী বন্ধু ও তাদের পরিবার। তারা আমাকে নানা প্রলোভন দেখাত, বলত — “তুমি যদি আমাদের ধর্মে আসো, আমরা তোমাকে দেখব, সাহায্য করব।” এমনকি তারা বিভিন্ন ধর্মীয় নেতাদের সাথেও আমার যোগাযোগ করিয়ে দিত।
তারা আমাকে নানা প্রশ্ন করত, কিন্তু তখন আমি ধর্মীয় শিক্ষার বাইরে থাকায় তাদের প্রশ্নগুলোর জবাব দিতে পারতাম না। ফলে ধীরে ধীরে নিজের ধর্ম সম্পর্কে বিভ্রান্তি তৈরি হতো, আর অন্য ধর্মের প্রতি এক ধরনের কৌতূহল ও আকর্ষণ জন্ম নিত।
কিন্তু ভগবানের অশেষ কৃপায় আমি রক্ষা পাই। আশেপাশের বাড়িতে ইসকন ভক্তরা আসলে লুকিয়ে গিয়ে দেখা করতাম ও কথা বলতাম ফলে একসময় কিছু ভক্তদের সঙ্গে পরিচয় হয়। আমি তাদের কাছেও সেই একই প্রশ্নগুলো করতে শুরু করি — যেসব প্রশ্ন বিধর্মী নেতারা করত। আশ্চর্যের বিষয়, ইসকনের ভক্তদের কাছ থেকে আমি প্রতিটি প্রশ্নের যথাযথ উত্তর পেতাম, যুক্তি ও শাস্ত্রসমর্থিত ব্যাখ্যা সহ।
তারপর সেই উত্তরগুলো আমি বিধর্মী বন্ধু ও তাদের নেতাদের জানিয়ে দিতাম। তারা আর কোনো যুক্তি দেখাতে পারত না। একসময় তারা নিজেরাই বুঝে নেয় — আর সময় নষ্ট করে লাভ নেই। এরপর থেকে তারা আমাকে এসব বিষয়ে বোঝানোর চেষ্টা বন্ধ করে দেয়, এমনকি বিধর্মী বন্ধুরাও আমাকে তাদের নেতাদের কাছে নিয়ে যাওয়া বন্ধ করে দেয়।
ভগবানের কৃপায় আমি ইসকনের আশ্রয়ে এসে সঠিক পথে ফিরে আসতে পেরেছি। কিন্তু সকলের জীবনে এমন কৃপা নাও আসতে পারে — ফলে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে ধর্মান্তরের পথে পা বাড়ায়। বাস্তবে, এমন বহু ভিক্টিমের সঙ্গে কথা বলেও আমি তা বুঝতে পেরেছি।
সর্বোপরি বলতে চাই — সন্তানের ধর্মীয় শিক্ষায় যেমন বাবা-মায়ের দায়িত্ব আছে, তেমনি সন্তানেরও আছে নিজের ধর্মকে জানার ও রক্ষার দায়িত্ব। অন্য ধর্ম নিয়ে গবেষণা করার আগে নিজের ধর্মকে জানুন, শাস্ত্র অধ্যয়ন করুন, আর যেসব সংগঠন সনাতন ধর্ম যথাযথভাবে প্রচারে নিয়োজিত আছে তাদের সঙ্গ গ্রহণ করুন।
অনেক বছর ধরে মনের ভেতরে চেপে রাখা এই কথাগুলো আজ বলে ফেললাম।
আমি কোনো নির্দিষ্ট ধর্মকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলিনি — শুধু আমার নিজের বাস্তব অভিজ্ঞতা শেয়ার করলাম, যাতে সনাতন সমাজ কিছুটা হলেও সচেতন হয়।
শেষে বলব, সব কিছুর জন্য কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা ইসকনকে। ❤️🙏
হরে কৃষ্ণ।
©Pankaj Paul
[ নোয়াখালী হি'ন্দু গ'ণহ'ত্যার ইতিহাস ]
➡️ নোয়াখালী দা'ঙ্গা (নোয়াখালী গ'ণহ'ত্যা, বা, নোয়াখালী হ'ত্যা'যজ্ঞ নামেও পরিচিত) ব্রিটিশ শাসন ১৯৪৬ সালের অক্টোবর-নভেম্বর সংগঠিত তৎকালীন পূর্ববঙ্গের নোয়াখালী ও ত্রিপুরা জেলায় স্থানীয়দের দ্বারা সংঘটিত ধারাবাহিক গ'ণহ'ত্যা, ধ'র্ষ'ণ, অ'পহ'রণ, হি'ন্দুদের জো'রপূ'র্বক ধ'র্মা'ন্তর, লু'টপা'ট এবং অ'গ্নি'সংযো'গের ঘটনা। কলকাতা দা'ঙ্গা'র রেশ ধরে এই ভয়াবহ দা'ঙ্গা ঘটে। যদিও এর পূর্ববর্তী কলকাতা দা'ঙ্গা ও পরবর্তী বিহার দা'ঙ্গার থেকে হ'তা'হত সংখ্যা অপেক্ষাকৃত কম। নোয়াখালী জেলার রামগঞ্জ, বেগমগঞ্জ, রায়পুর, লক্ষ্মীপুর, ছাগলনাইয়া ও সন্দ্বীপ থানা এবং ত্রিপুরা (বর্তমান বৃহত্তর কুমিল্লা) জেলার হাজীগঞ্জ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর, লাকসাম ও চৌদ্দগ্রাম থানার অধীনে সর্বমোট প্রায় ২০০০ বর্গকিলোমিটার এলাকা ক্ষ'তিগ্র'স্ত হয়।
➡️ তৎকালীন অবিভক্ত নোয়াখালী ছিল বর্তমান বাংলাদেশের নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ফেনী নিয়ে এবং অবিভক্ত ত্রিপুরা জেলা ছিল বর্তমান কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়ীয়া অঞ্চল নিয়ে গঠিত।
➡️ হি'ন্দুদের উপর এই গ'ণহ'ত্যার শুরু হয়েছিল ১৯৪৬ সালের ১০ অক্টোবর কোজাগরি লক্ষ্মী পূজার দিন এবং প্রায় চার সপ্তাহ ধরে অব্যাহত ছিল। এতে প্রায় কমপক্ষে ৫,০০০ হি'ন্দু হ'ত্যা করা হয়েছে বলে অনুমান করা হয়। এছাড়া অনেক হিন্দু নারী ধ'র্ষণে'র শি'কার হন এবং হাজার হাজার হি'ন্দু নারী-পুরুষদের জো'রপূর্ব'ক ই'সলাম ধর্মে ধ'র্মান্ত'রিত করা হয়। প্রায় ৫০,০০০ থেকে ৭৫,০০০ বেঁ'চে থাকা আক্রান্তদের কুমিল্লা, চাঁদপুর, আগরতলা ও অন্যান্য জায়গার অস্থায়ী আশ্রয় শিবির গুলোতে আশ্রয় দেয়া হয়। এছাড়া প্রায় ৫০,০০০ হি'ন্দু আ'ক্রান্ত এলাকায় মানবেতর জীবন যাপন করতে থাকে। কিছু এলাকায় হি'ন্দুদেরকে স্থানীয় মু'সলিম নেতাদের অনুমতি নিয়ে চলা ফেরা করতে হত। জো'রপূ'র্বক ই'সলামে ধ'র্মান্ত'রিতদের কাছ থেকে জো'র করে লিখিত সাক্ষ্য রাখা হয়েছিল যেখানে লেখা ছিল তারা স্বেচ্ছায় ধ'র্মা'ন্তরিত হয়েছে। তাদেরকে একটি নির্দিষ্ট বাড়িতে বা ঘরে আবদ্ধ করে রাখা হয় এবং যখন কোন আনুষ্ঠানিক পরিদর্শক দল পরিদর্শনে আসে তখন তাদেরকে ওই নির্দিষ্ট বাড়িতে যাবার অনুমতি দেয়া হত। হি'ন্দু'দেরকে ওই সময় মু'সলিম লীগকে চাঁদা দিতে হতো যাকে বলা হয় জিজিয়া। (যা একসময় ভারতবর্ষে প্রচলিত ছিল। মু'সলিম শাসন আমলে হি'ন্দুরা নিজেদের নিরাপত্তার জন্য তৎকালীন শা'সকদের জিজিয়া নামক বাড়তি প্রদান করত।)।
➡️ বঙ্গীয় আইন সভার নোয়াখালী থেকে একমাত্র হি'ন্দু প্রতিনিধি হারান চন্দ্র ঘোষ চৌধুরী এই দা'ঙ্গা'কে হি'ন্দুদের প্রতি মু'সলিমদের প্রচণ্ড আ'ক্রো'শের প্রকাশ বলে বর্ণনা করেন। বাংলার সাবেক অর্থ মন্ত্রী ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় নোয়াখালী দা'ঙ্গাকে একটি সাধারণ সা'ম্প্রদা'য়িক দা'ঙ্গা হিসেবে দেখানোর বি'তর্ককে প্র'ত্যা'খান করেন। তিনি এ ঘটনাকে সংখ্যালঘু হি'ন্দু সম্প্রদায়ের উপর সংখ্যাগুরু মু'সলিমদের সুপরিকল্পিত এবং সুসংঘটিত আ'ক্রমণ বলে বর্ণনা করেন। ৪ নভেম্বর, ১৯৪৬ তারিখে ভারত ও বার্মার (বর্তমান মিয়ানমার) আন্ডার সেক্রেটারি আর্থার হেন্ডারসন হাউস অব কমন্সে উল্লেখ করেন, নোয়াখালী আর ত্রিপুরাজেলার (কুমিল্লা, চাঁদপুর ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সমন্বয়ে ছিল ত্রিপুরা জেলা) মৃ'তের সঠিক সংখ্যা নির্ণয় সম্ভব হয়নি। এই দুই জেলায় কয়েক হাজার বাড়ি লু'ট হয়েছে, শুধুমাত্র ত্রিপুরাতেই ৯,৮৯৫ টি ধ'র্মান্তকরনের ঘটনা নথিবদ্ধ হয়েছে; নোয়াখালীতে যার সংখ্যা অগণিত। এছাড়া হাজার হাজার হি'ন্দু না'রীদের অ'পহ'রণ করা হয়েছে।
➡️ মহাত্মা গান্ধী নোয়াখালীতে ক্যাম্প করেন এবং সা'ম্প্রদা'য়িক সম্প্রীতি পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য নোয়াখালী ও এর আশেপাশের এলাকাগুলো ঘুরে দেখেন। যদিও এই শান্তি প্রতিষ্ঠার চেষ্টা ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়। কংগ্রেস সভাপতি আচার্য্য কৃপালনির স্ত্রী সুচেতা কৃপালনি নোয়াখালীতে নারী উদ্ধার করতে যান। বেঁ'চে যাওয়া হিন্দুদের আত্মবিশ্বাস নষ্ট হয়ে যায় এবং তারা কোনদিন তাদের নিজেদের গ্রামে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেনি। এর মধ্যে কংগ্রেস নেতৃত্ব ভারত বিভাগ মেনে নেন যার ফলে শান্তি মিশন এবং আ'ক্রা'ন্তদের জন্য ত্রাণ কার্যক্রম পরিত্যক্ত হয়। বেশির ভাগ বেঁ'চে যাওয়া ও ক্ষ'তিগ্র'স্ত হি'ন্দু'রা তাদের বাড়ি-ঘর ফেলে পশ্চিম বঙ্গ, ত্রিপুরা এবং আসামে চলে আসে।
তথ্য~উইকিপিডিয়া।
ধন্যবাদ।
#SaveBangladeshiHindus
Save Bangladeshi Hindus গ্রুপে ইংরেজিতে দক্ষ ও দায়িত্বশীল কয়েকজন পরিচালক প্রয়োজন।
শর্তাবলী:
• নিজের আইডি কার্ড / মা-বাবার আইডি কার্ড
• শিক্ষাগত যোগ্যতা / পেশা
• মোবাইল নম্বর (হোয়াটসঅ্যাপসহ)
• মেইন ফেসবুক আইডি লিংক
যদি আগ্রহী হন, অনুগ্রহ করে কমেন্ট করুন।
মুল পোস্ট লিংকঃ--👇
https://www.facebook.com/share/p/17GQHuYNLP/?mibextid=wwXIfr
আজ বাংলাদেশের জাতীয় সংবাদমাধ্যমে ( Daily Ittefaq ) ইনি বলেন হিন্দু-মুসলিম ভাই ভাই, কীন্তু ইসকন নাকি হিন্দুদের ভাই না, ইসকন নাকি হিন্দুদের বড় শ"ত্রু, তাই ইসকনকে এই দেশে নি"ষি"দ্ধ করতে হবে!! এছাড়া আরও অনেক কু"রু"চিপূর্ণ মন্তব্য করেন এই Lite Version!!
তো জানতে ইচ্ছে করে এমন মন্তব্য করার জন্য পকেটে কত গেলো!? কোনদিনতো দেখলাম নাহ হিন্দুদের অধিকার নিয়ে কথা বলতে! হঠাৎ কোথায় থেকে মিডিয়ার সামনে উদিত হয়ে যেমন খুশি তেমন মন্তব্য করে বসলো!!
মনে হচ্ছে এসব কথাবার্তা কেবলই পদ-প্রতিষ্ঠা আর অর্থের আশায় বলা।
আসলে, Lite Version-এর মতো ঘরের শ"ত্রু থাকলে বাইরের শ"ত্রুর আর প্রয়োজন হয় না। বাইরের তুলনায় এরা অনেক বেশি ক্ষ"তিকর।
যাই হোক, শুভবুদ্ধির উদয় হোক।
©Pankaj Paul
ঠাকুরগাঁও সদর, জগন্নাথপুর ইউনিয়ন-১৭, ৬নং ওয়ার্ড সিংগিয়া ঘোষপাড়ায় বাংলাদেশ প্রশাসনের আদেশে রাত ১২:৪০ মিনিটে দুর্গা প্রতিমায় মহিষাসুরের দাড়ি জোরপূর্বক উচ্ছেদ করা হয়েছে। হিন্দুরা কি আর স্বাধীনভাবে পূজা করতে পারবেনা?
📍ঠাকুরগাঁও
📅 30.09.25
পোস্ট লিংকঃ-👇
https://x.com/sbhpage/status/1972879206490185800?s=46
