ru
Feedback
Nirjhor Archive

Nirjhor Archive

Открыть в Telegram

Strategic Communication Architect Open to all, but influenced by none. 27nirjhor@gmail.com

Больше
2 347
Подписчики
+824 часа
+287 дней
+8030 день
Архив постов
🟠 গ্লোবাল টিভি গ্লোবাল টেলিভিশনের সিএনই ফেরদৌস মামুনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে দাবি করা হয়েছে, তিনি একই সঙ্গে হেড অব নিউজ, সিএনই ও অ্যাসাইনমেন্ট এডিটরের 'চেয়ার' নিয়ন্ত্রণ করছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রীর বাড়ির পাশে বাড়ি এবং বিএনপি সরকারের প্রেস উইংয়ের সঙ্গে 'ঘনিষ্ঠ' যোগাযোগের কথা বলে ভয় দেখিয়ে তিনি প্রথমে হেড অব নিউজের দায়িত্ব 'দখল' করেন এবং পরে অ্যাসাইনমেন্ট এডিটরেরর পদও নিজের নিয়ন্ত্রণে নেন। অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, তার বিরুদ্ধে প্রতিনিধি নিয়োগে অর্থ লেনদেন, সংবাদ প্রচারে অর্থ নেওয়া, দুর্নীতি এবং সংবাদ বিভাগে একক নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার অভিযোগ রয়েছে। তার কারণে সংবাদ বিভাগে স্থায়ী সম্পাদকীয় নেতৃত্ব গড়ে উঠছে না এবং টেলিভিশনে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে বলেও অভিযোগকারীর দাবি। এছাড়াও নিউজরুমে অপেশাদার আচরণ ও নতুন যুগের সাথে নিউজকে 'খাপ' খাওয়াতে না পারারও অভিযোগ তোলা হয়েছে। শুধু মাত্র বিএনপির প্রভাবে তিনি পুরো টেলিভিশন দখল করে আছে বলে মনে করা হচ্ছে। এসব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত জরুরি হয়ে দাড়িয়েছে। রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কেউ গণমাধ্যমে বসলে সেটা হয় 'এডিটোরিয়াল ক্যাপচার'

🔴নয়া দিগন্ত নয়া দিগন্ত নিয়ে আগের পোস্টের পর আরও লিখিত অভিযোগ আসছে। সেখানে বলা হয়েছে নয়া দিগন্তে বেতন বকেয়ার সংকট শুধু ডিজিটা
🔴নয়া দিগন্ত নয়া দিগন্ত নিয়ে আগের পোস্টের পর আরও লিখিত অভিযোগ আসছে। সেখানে বলা হয়েছে নয়া দিগন্তে বেতন বকেয়ার সংকট শুধু ডিজিটাল বিভাগে নয়, বিভিন্ন বিভাগে বিদ্যমান। অভিযোগ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে অনেক কর্মীর ৫-৬ মাসের বেতন বকেয়া এবং পুরোনো কর্মীদের কারও কারও ২০ মাসেরও বেশি বেতন পাওনা রয়েছে। বেতন দিতে না পারলেও উচ্চ বেতনে নতুন নিয়োগ অব্যাহত রয়েছে, ফলে অতিরিক্ত জনবল ও ব্যয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে অফিস সংস্কার, অপরিকল্পিত ব্যয়, বেতন বৈষম্য, মার্কেটিং আয়ের হিসাবের স্বচ্ছতার অভাব এবং নিয়মিত অডিট না করার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগকারীর মতে, অতিরিক্ত নিয়োগ ও দুর্বল আর্থিক ব্যবস্থাপনার কারণে প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক সংকট আরও গভীর হচ্ছে। মালিকানা ও ব্যবস্থাপনা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অভিযোগকারী। অভিযোগকারীর দাবি, কাগজে-কলমে মালিকানা থাকলেও কার্যকর সিদ্ধান্ত গ্রহণ কয়েকজন নির্বাহী কর্মকর্তার হাতে কেন্দ্রীভূত এবং মালিকপক্ষের কার্যকর ভূমিকা সীমিত।

চাদাবাজির ও বিশৃংখলার অভিযোগে বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে বের করে দেয়া হয় কাদের গণি চৌধুরীকে। এরপর তাকে কোলে তুলে নেয় বসুন্ধরা। বসুন্ধরাকে সে তারেক রহমানের সাথে যোগাযোগ করিয়ে দেয়ার কথা বলে , ব্যাপক টাকা-পয়সা মাইরা ফেইল খাইলে সেখান থেকে বের করে দেয়া হয়। সেই কাদের গণি হইছে রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থার প্রধান। যাস্ট এইটুকুই। তবে লোকটা লাস্ট কয়েক মাস ধরে যে পরিমাণ চাটাচাটি করছে, সেই তুলনায় পদ ছোট হইয়া গেছে। :3

সময় টিভির কর্মীদের জন্য একটা খারাপ সংবাদ আসতে পারে। তাদের সহযোদ্ধা আফজালের মধ্যস্ততায় সাংবাদিকতার আরেক বোঝা হিসেবে পরিচিত একটা নিউজ চ্যানেলের বিতর্কিত প্রধান আসতে পারেন 'সিওও' হিসেবে। তার মানে হেড অব নিউজ ও সিইও এর পাশাপাশি আরও এক পিস ঢাকার সাংবাদিকতার 'বোঝা' অফিসে আনার ট্রাই করতেছে সময় টিভির 'সর্বমিত্র' হিসেবে পরিচিত আফজাল। যার উপহার অগ্রিম সে বাগাইয়া নিছে। 😉 এদিকে যেই চ্যানেলের হেড অব নিউজের কথা বলা হচ্ছে , তিনি গত এক সপ্তাহ ধরে তার 'কফিলের' সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যেন তার পরিণতি 'কাদের গণি চৌধুরীর' মত না হয়। মানে হুট করে 'কিক' না খাওয়া লাগে।

Create post Nirjhor Archive সময় টিভির কর্মীদের জন্য একটা খারাপ সংবাদ আসতে পারে। তাদের সহযোদ্ধা আফজালের মধ্যস্ততায় সাংবাদিকতার আরেক বোঝা হিসেবে পরিচিত একটা নিউজ চ্যানেলের বিতর্কিত প্রধান আসতে পারেন 'সিওও' হিসেবে। তার মানে হেড অব নিউজ ও সিইও এর পাশাপাশি আরও এক পিস ঢাকার সাংবাদিকতার 'বোঝা' অফিসে আনার ট্রাই করতেছে সময় টিভির 'সর্বমিত্র' হিসেবে পরিচিত আফজাল। যার উপহার অগ্রিম সে বাগাইয়া নিছে। ;) এদিকে যেই চ্যানেলের হেড অব নিউজের কথা বলা হচ্ছে , তিনি গত এক সপ্তাহ ধরে তার 'কফিলের' সাথে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে যেন তার পরিণতি 'কাদের গণি চৌধুরীর' মত না হয়। মানে হুট করে 'কিক' না খাওয়া লাগে। copy

🟠নয়া দিগন্ত দৈনিক নয়াদিগন্তের ডিজিটাল বিভাগের সাংবাদিকদের ২ থেকে ৪ মাসের বেতন বকেয়া রয়েছে বলে লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। এমনকি গত মাস এবং চলতি মাসের বেতন এখনও কর্তৃপক্ষ পরিশোধ করেনি বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। বেতন চাইতে গেলে কতৃপক্ষ বলছে, আয় নেই। অপেক্ষা করেন। কতৃপক্ষের কাছে বারবার ধরণা দিয়েও কোন সুরাহা না পেয়ে বিপর্যস্ত সাংবাদিকরা বলে জানিয়েছে। পত্রিকাটির পক্ষ থেকে নাকি বলা হয়েছে, "নিজেদের ইনকাম দিয়ে নিজেরা চলেন।" পত্রিকাটি দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশন এর অধীনে পরিচালিত হয়। দিগন্ত মিডিয়া করপোরেশন এর প্রধান উদ্যোক্তা ও চেয়ারম্যান ছিলেন জামায়াত নেতা মীর কাসেম আলী।

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯তমবারের মতো পিছিয়েছে।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ ১২৯তমবারের মতো পিছিয়েছে।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর থেকে তারেক রহমানের সাথে খাতির করাইয়া দিবে বলে অলিগার্ক মেঘনাকে বুঝাইয়া একাত্তর টিভির গদি দখল করেছিলো শফিক আহমেদ। এরপর আর পিছু ফিরে তাকাতে হয় নাই। কাদের গণির সাথে মিলে গড়ে তোলে এক বিশাল সিন্ডিকেট। যাদের কাজ ছিল ধান্দা আর লুটপাট। এই সিন্ডিকেটে আছে আরও কিছু 'বিএনপিপন্থী' সাংবাদিক। এমনও মাসও গেছে শফিকের ব্যাংক একাউন্টে বেতনের চেয়ে ৩০ গুণ বেশিও টাকা ঢুকেছে। আমরা সেই প্রমাণও পেয়েছি। নিজেকে তারেক রহমানের কাছের লোক এবং 'আসল' বিএনপি পরিচয় দিয়েই এসব করে বেড়াইছে। আজকে দেখা গেছে , নিজেদের লোকজনের সাথেও 'প্রতারণা' করেছে শফিক। তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে যে, ঢাকা ওয়াসায় বিএফইউজের প্রতিনিধি হিসেবে নিয়োগ নেওয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতি বা বিভ্রান্তিকর তথ্য ব্যবহার করেছে। ঢাকা ওয়াসায় বিএফইউজের প্রতিনিধি সাধারণত সংগঠনের নির্বাচিত নির্বাহী কমিটির মাধ্যমে মনোনীত হয়ে থাকেন। বর্তমানে বিএফইউজের ১৯ সদস্যের নির্বাচিত নির্বাহী কমিটি থাকলেও শফিকুল ইসলামের নিয়োগের বিষয়ে সভাপতি, মহাসচিবসহ নির্বাহী কমিটির সংশ্লিষ্ট কেউ অবগত ছিলেন না। বিএফইউজে মনে করছে, নির্বাহী কমিটির অনুমোদন বা মনোনয়ন ছাড়া সংগঠনের নামে ওই নিয়োগ দেওয়া হয়ে থাকতে পারে এবং এর মাধ্যমে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা করেছেন। একটা লোক টানা দুই বছরে ধরে 'বিএনপির সাংবাদিক' পরিচয় দিয়ে আর কত প্রতারণা করলে বিএনপির আসলে তাকে অপরাধী মনে হবে? নাকি বিএনপি নেতাদের ভিডিও আছে শফিকের কাছে?

photo content

সাংবাদিকতা, বাকস্বাধীনতা, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সারাদেশে বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটরের স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষক ও গ
সাংবাদিকতা, বাকস্বাধীনতা, মানবাধিকার ও গণতান্ত্রিক অধিকার রক্ষায় সারাদেশে বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটরের স্বেচ্ছাসেবী পর্যবেক্ষক ও গবেষক হিসেবে যুক্ত হওয়ার সুযোগ। স্বেচ্ছাসেবীরা মাঠপর্যায়ে ও অনলাইনে - সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর হামলা, হুমকি ও হয়রানির তথ্য সংগ্রহ করবেন - বাকস্বাধীনতা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় বাধার ঘটনা নথিবদ্ধ করবেন - সংবাদ ও গণমাধ্যমের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ ও গবেষণায় সহায়তা করবেন - নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে একটি নিরপেক্ষ জাতীয় গণমাধ্যম পর্যবেক্ষণ নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করতে ভূমিকা রাখবেন কারা যুক্ত হতে পারবেন? মানবাধিকার, গণতন্ত্র, বাকস্বাধীনতা ও স্বাধীন গণমাধ্যমে বিশ্বাসী যেকোনো তরুণ এই উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। গণমাধ্যমে কী ঘটছে, তা শুধু দেখা না; নথিবদ্ধ করুন, বিশ্লেষণ করুন এবং জানুন। 👉 আগ্রহীরা নিচের ফরমটি পূরণ করে বাংলাদেশ মিডিয়া মনিটরের সঙ্গে যুক্ত হতে পারেন। https://forms.gle/rj8NqSFAuyJSHg7S9

উত্তরায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে গ্রীন টিভির তিন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আজমপুর বটতলা অবৈধ নির্মাণসংক্রান্ত সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে কাজী আরিফ হাসান ও আজমীর হোসেন অমিতসহ কয়েকজন তাদের ওপর চড়াও হন। এ সময় সংবাদকর্মীদের মারধর করা হয় এবং তাদের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চালানো হয়। একপর্যায়ে তাদের ক্যামেরা ভাঙচুরও করা হয়। পুলিশ এসে উদ্ধার করলেও, এখন উত্তরা পূর্ব থানা মামলা নিতে টালবাহানা করছে।

🔴 এই ফেসবুক ফটোকার্ড ও শিরোনামের মাধ্যমে প্রাণ-আরএফএল এর জাগো নিউজ প্রভাকে সাইবার হেনস্থা করতেছে। পাঠককে বিভ্রান্ত তো করছেই।
+2
🔴 এই ফেসবুক ফটোকার্ড ও শিরোনামের মাধ্যমে প্রাণ-আরএফএল এর জাগো নিউজ প্রভাকে সাইবার হেনস্থা করতেছে। পাঠককে বিভ্রান্ত তো করছেই। ফটোকার্ড দেখে মনে হবে , চুক্তিভিত্তিক বিয়ে আসলেই করেছে। শিরোনাম দেখে মনে হবে সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আর ভেতরে ইন্ট্রোতে অন্য আলাপ।

একটা সময় ভালো সাংবাদিকতা মানে ছিল একটা ভালো রিপোর্ট। এখন ভালো রিপোর্ট মানে মিলিয়ন ভিউ। এটাই ভালো (ভাইরাল) সাংবাদিকতা। ভালো রিপোর্টের পুরস্কার জিততে হলে সাংবাদিককে ভালো রিপোর্টের চেয়ে কিভাবে মিলিয়ন ভিউ আসবে সেদিকেই খেয়াল রাখতে হয়। দুর্মূল্যের বাজারে ভালো রিপোর্ট লিখে পেট চালানো যাবে না, এটা আপনারাও যত দ্রুত বুঝবেন, তত যলদি সবই 'ভালো' লাগবে। আপনারা দেশ রুপান্তরের ভিউ বেশি পাওয়া রিপোর্ট নিয়ে হাসতেছেন, প্রায় সব অফিসে এখন ভিউই ভালো রিপোর্ট। কাজেই রিয়ালিটি মাইনা লওন ছাড়া কিচ্ছু করনের নাই বাজান।

একটা বিষয়ও আবারও ক্লিয়ার করি, নির্ঝর আর্কাইভ পেইজের অনেক এডমিন থাকলেও মূল যে তার নাম মুনওয়ার আলম নির্ঝর। জাওয়াদ নির্ঝর না। আপনারা অনেক সময়ই এটা ওলট-পালট করে ফেলেন। জাওয়াদ নির্ঝর ভাই এবং আমি মুনওয়ার আলম নির্ঝর এক যুগের বেশি সময়ের কলিগ। আমাদের দুই জনেরই টেলিভিশনে স্পোর্টস রিপোর্টিংয়ের একটা ক্যারিয়ার আছে, স্পেশালি ক্রিকেট বিটের। এছাড়াও করাপশন ইন মিডিয়ার সাথে একদম শুরু থেকে কাজ করার অভিজ্ঞতাও আমার আছে। কাজেই প্ল্যাটফরম গুলিয়ে ফেললে ঝামেলা হয়ে যায়। অনেকেই আমার মেইমে জাওয়াদ ভাইয়ের কাছে অভিযোগ পাঠান যেটা আমি চেষ্টা করে তাকে পৌছে দিতে। কিন্তু হুমকি-ধামকি বা গালাগালি করার সময় আপনারা একটু সতর্ক হয়ে তারপর করবেন। একজন আজকে আমাকেই (জাওয়াদ ভাই ভেবে) বলছিলো , কিভাবে শায়েস্তা করা হবে সেই বিষয়ে। মামলা হবে, তুলে নেয়া হবে, এখানে মেইল করা হবে, ওখানে প্রেমপত্র, ঢিচকাউ ঢিচকাউ। আমি লজ্জায় তারে বলতে পারি নাই, ভাই আমি জাওয়াদ নির্ঝর না আমিই মুনওয়ার আলম নির্ঝর। আশা করি এই পোস্ট দেখে তার ভুল-ভ্রান্তি ভাংবে। উনি মনে মনে হয়তো আজ রাতে ঘুমানোর সময় বলবেন, নাম দেখে আগেই কেউ করিস নে ভেউ, আড়ালে তার হতে পারে অন্য কেউ।

মেঘনা গ্রুপের অর্থায়নে শুরু হওয়া নাগরিক প্রতিদিনের 'ফান্ড' নিয়ে ঝামেলা শুরু করেছে শিল্প গ্রুপটি। ফলে বেতন নিয়ে নতুন করে সংকট শুরু হয়েছে। গত মাসের বেতন এখনও পরিশোধ করেনি প্রতিষ্ঠানটি। এরইমধ্যে একজন রিপোর্টার বেতন বুঝে না পেয়ে তার কাছে থাকা প্রতিষ্ঠানের ডিভাইস ফেরত দেননি। বেতন বুঝিয়ে না দিয়ে এগুলো ফেরত নিতে অফিসের পক্ষ থেকে হুমকি দেয়ার অভিযোগে আজকে পত্রিকাটির বিরুদ্ধে জিডি করেছেন ঐ রিপোর্টার। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বিভিন্ন অনিয়মে অভিযুক্ত মেঘনা গ্রুপ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে 'অপরিকল্পিত' ভাবে ইনভেস্ট করে এখন আস্তে আস্তে বন্ধ করে সংকট তৈরি করছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদের ছেলে সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদের বিরুদ্ধে লেখা একটি 'মন্তব্য প্রতিবেদন' প্রকাশ করেছিল শফিকুল আলম সম্পাদিত ইংরেজি সংবাদপত্র দ্য ডেইলি ওয়াদা। এরপর সেই লেখাটি তাদের সাইট থেকে সরিয়ে নেয়ার অভিযোগ ওঠে সোশ্যাল মিডিয়াতে। যা নিয়ে আলচনা-সমালোচনা হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম জুড়ে। এ প্রসঙ্গে জানতে পত্রিকাটির সম্পাদক শফিকুল আলমের সাথে যোগাযোগ করা হলে কল বা ম্যাসেজের তিনি কোন জবাব দেননি। লেখাটি সরাতে কোন হুমকি দেয়া হয়েছিলো কিনা জানতে যোগাযোগ করা হলে সাঈদ ইব্রাহিম আহমেদের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, পত্রিকার মালিকানা প্রতিষ্ঠান এমজিএইচ গ্রুপের সাথে যোগাযোগ করেছে তারা। কিন্তু কোন ভয়-ভীতি তারা দেখাননি লেখা সরানোর জন্য। বরং তারা জানতে চেয়েছেন, এমন 'AI জেনারেটেড' ইস্যু নিয়ে একটি লেখা প্রকাশের আগে তারা ক্রসচেক করেছেন কিনা? যার উত্তর দিতে পারেনি প্রতিষ্ঠানটি। এরপর দেখতে পান, লেখাটি সাইটে নেই। কিন্তু ইব্রাহিমের কমিউনিকেশন টিমের পক্ষ থেকে বারবার দাবি করা হয়েছে, লেখাটি রাখা বা না রাখা নিয়ে কোন কথাই বলা হয়নি। এমজিএইচ গ্রুপের একটি সূত্রে এই আলাপের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া গেলেও কি আলাপ হয়েছে তা জানা যায়নি। এমজিএইচ গ্রুপের মালিকানায় রয়েছে 'আলোচিত' ব্যবসায়ি আনিস আহমেদ গোর্কি ।

ইন্টেলিজেন্স ফেইলর কোর্স ছিল একটা আমার। সেখানে এই দেশের টপ থ্রি ফেইলরের মধ্যে দুইটা ছিল মো*সা*দ রিলেটেড। একটা এক প্যালিস্টানি টিচারকে প্রকাশ্যে গু*লি করা হ*ত্যা আরকটা প্যালিস্টানিকে কি*ড*ন্যা*প। আরেকটা কেস খুব বিখ্যাত আপনারা জানেন, কিম জং উনের ভাইকে এয়ারপোর্টে এসাসিনেট করা। এদেশে প্রচুর আরব পড়তে আসে। প্যালিস্টিনিরাও আসে। তাই এখানে প্রায়ই মো*সা*দ নানান অপারেশন চালায় বা চালানোর ট্রাই করে। এই ইন্টেলিজেন্স তাদের স্বার্থ ছাড়া আমেরিকার জন্যও কিছু করে না। এটা বললাম, এই কারণে যে আপনারা কথায় কথায় এরে ওরে রয়ের এজেন্ট, মোসাদের এজেন্ট ট্যাগ দিয়েন। মানে এজেন্ট ডিটেক্ট করা এতই সহজ! কিছু মানুষ হয়তো থার্ড পার্টি/ফোর্থ পার্টিকে তথ্য দেয় বাট তাকে এজেন্ট বলে না। আর সবচেয়ে বড় কথা হল, ইদানিং নতুন মো*সা*দ এজেন্টের ট্যাগ দেয়া শুরু হইছে যেটা আরও হাস্যকর। খুব ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করলে, আপনিও বুঝবেন এমন আত্মকেন্দ্রিক এজেন্সির বাংলাদেশে কি স্বার্থ? এক পয়সা ঢাইলাও লাভ নাই এখানে। আবেগ দিয়ে ট্যাগ দেয়া যায়, আবেগ দিয়ে এজেন্সি চলে না। আর মনে রাইখেন , আমি/আপনি যদি ইজিলি ধরেই ফেলতে পারি এ অমুক এজেন্সির এজেন্ট তাহলে সে আর এজেন্ট থাকে না। 😉

মঞ্জুর হত্যা মামলা ও ভারতের মধ্যস্ততা [বাংলাদেশের সাবেক গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের সাক্ষাৎকারভিত্তিক ধারাবাহিক লেখা] ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে এক সেনা অভ্যুত্থানে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নিহত হন। তখন চট্টগ্রামে অবস্থিত সেনাবাহিনীর ২৪তম পদাতিক ডিভিশনের জেনারেল অফিসার স্টাফ (জিওসি) ছিলেন মোহাম্মদ আবুল মঞ্জুর। জিয়াউর রহমান নিহত হওয়ার পর আত্মগোপনে যাওয়ার পথে তাঁকে পুলিশ আটক করে। এরপর ২ জুন মেজর জেনারেল মঞ্জুরকে হাটহাজারী থানার পুলিশ হেফাজত থেকে চট্টগ্রাম সেনানিবাসে নিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনার ১৪ বছর পর ১৯৯৫ সালে ২৮ ফেব্রুয়ারি মঞ্জুরের ভাই আইনজীবী আবুল মনসুর আহমেদ চট্টগ্রামের পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন। যেই মামলা খুব বেশি দূর আগাতে পারছিলো না। এরপর যে ঘটনা বলছি, সেটা ১৯৯৮ সালের আগস্ট মাসের এক রাতের। বাইরে তখন বৃষ্টি হচ্ছে গুড়িগুড়ি। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা (ধরি তার ছদ্মনাম ইসহাক) দুপুর থেকে অপেক্ষা করছেন ধানমন্ডি-৫ এর একজন ভারতীয় দূতাবাস কর্মকর্তার বাসার সামনে। যিনি তখন ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত। নাম তার রাজেশ মিশ্র, ফাস্ট সেক্রেটারি। তার বস তখন বিষ্ণু প্রসাদ। বিকেলে থেকেই বাসার সামনে অপেক্ষা করতে করতে সন্ধ্যা গড়িয়ে রাত হয়ে গেল। রাত ৮টা ৪৫ এর দিকে যখন ইসহাক ঠিক করলেন, চলে যাবেন ঠিক তখনই রাজেশ মিশ্রর দভত-০১২ নাম্বারের গাড়িটি বের হল। চলে গেল ধানমন্ডিতে ভারতীয় অফিসে। পিছুপিছু চলে গেলেন ইসহাকও। ঐ অফিসের সামনেই আরেকজন অফিসারকে পেয়ে গেলেন ইসহাক। তাকে সামনের দিকে থাকতে বলে নিজে বাইক নিয়ে চলে গেলেন পেছনের দিকে। কিছুক্ষণ পর গড়ি রেখে পেছনের ছোট গেট থেকে বের হয়ে আসলেন রাজেশ। রিক্সা নিয়ে চলে গেলে হোটেল শেরাটনের দিকে। সেখান থেকে একটু এগিয়েই দেখা গেল চিত্রনায়িকা কবরীর স্বামী বাবু সারোয়ার গাড়ি নিয়ে অপেক্ষা করছেন। সেই গাড়িতেই উঠলেন রাজেশ। গাড়ি চলতে লাগলো বাংলামটোরের দিকে। বাংলামোটর থেকে মগবাজারের দিকে মোড় নিলেন। আর গাড়িটি বৃষ্টির মধ্যেই বাইকে ফলো করছেন ইসহাক। গাড়িটা জনকন্ঠের বর্তমান বিল্ডিং এর আশেপাশের একটা বড় বিল্ডিঙয়ে ঢুকলো। ইসহাক পৌছাতে পৌঁছাতে বাবু-রাজেশ উপরে উঠে গেছে। দাড়োয়ানকে গিয়ে জিজ্ঞেস করা হলে, প্রথমে বলতে পারে না কোন ফ্লোরে বা কার গেছে। কারণ তার বক্তব্য ছিল, অনেক লোকই আসে তাই সে ওত গুরুত্ব দেয় নাই। এরপর শুরু হয় অপেক্ষার পালা। রাত ১১টার দিকে নিচে নেমেই দ্রুত গাড়িতে ওঠে চারজন মানুষ। এবার দাড়োয়ান তাদের থামিয়ে জিজ্ঞেস করে কোন বাসায় গিয়েছিলো। আর এই সুযোগেই গাড়ির ভেতরে বসা চার জনকেই গার্ডের রুম থেকে দেখে নেন ইসহাক। গাড়িতে ছিলেন, রাজেশ মিশ্র, বাবু সারোয়ার , পীর মজিবুর রহমান চিশতী ও ড্রাইভার। বাবু সারোয়ার জানান, তারা আইনজীবী আবুল মনসুর আহমেদের বাসায় গিয়েছিলেন। আর এই ফাকে ইসহাক ইন্টারকমে কল দিয়ে নিজেকে বাবু সারোয়ারের গাড়ির ড্রাইভার পরিচয় দিয়ে জিজ্ঞেস করেন, তারা নেমেছেন কিনা তার বাসা থেকে। তিনিও নিশ্চিত করেন, হ্যা তারা মাত্রই নেমে গেছেন। এখানে বাবু সারোয়ার ছিলেন মূল 'সেতু' দুই গ্রুপের মাঝে। বাবুর সম্পর্কে বলা হতো, তিনি এম্বাসী থেকে নিয়মিত তার পছন্দের 'বোতল' পেতেন। এটা সেসময় খুব চর্চিত ছিল ঢাকার ইন্টেলিজেন্স পাড়ায়। পরের দিন সিচুয়েশন রিপোর্টে আগের রাতের ঘটনাগুলোকে মঞ্জুর হত্যা মামলার প্রেক্ষাপটের সঙ্গে মিলিয়ে বিশ্লেষণ করেন ইসহাক। তিনি শুধু কোথায় কে গিয়েছিলেন সেটি লেখেননি। বরং আগের তথ্য, সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের পরিচয়, তাঁদের গতিবিধি, সাক্ষাতের স্থান এবং মঞ্জুর হত্যা মামলার দীর্ঘ অগ্রগতি সবকিছুকে পাশাপাশি রেখে সম্ভাব্য একটি যোগাযোগ-চিত্র দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন। যেটা পরে আস্তে আস্তে আরও পরিষ্কার হয়। ইন্টারনালি এই রিপোর্ট বেশ প্রশংসিত হয়েছিলো তখন । আর এরপর থেকে ধীরে ধীরে মামলাটা চাপা পরে যায়। যদিও ১৯ বছর পর বিচারিক কাজ শেষে ২০১৪ সালে সেটি রায়ের পর্যায়ে এসেছিল। কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণ একটা মামলা আজও নিষ্পত্তি হয়নি।

বসুন্ধরার ইস্ট-ওয়েস্ট মিডিয়া গ্রুপের মালিকানাধীন দৈনিক বাংলাদেশ প্রতিদিন সাংবাদিক ও কর্মীদের ছাঁটাই অব্যাহত রেখেছেন। 'ছাঁটাই লোটন' হিসেবে পরিচিত পাওয়া পত্রিকাটির সম্পাদক লোটন একরাম যোগদানের পর থেকে ৩০ জনের উপরে ছাঁটাই করেছে পত্রিকাটি। প্রতিষ্ঠানটি আজকেও ৮ জনকে টারমিনেশন লেটার দিয়েছে বলে অভিযোগের পাশাপাশি ডকুমেন্টস পেয়েছি আমরা। এর আগে লোটন একরাম যোগদানের পর দুই দফায় ২৫ জনের উপরে ছাঁটাই করেছিলো বাংলাদেশ প্রতিদিন। যদিও সেখান থেকে ৫ জনকে তারা আবার নানান শর্তে ফিরিয়েছিলেন। ছাঁটাই হওয়ারা কবে বেতন ও ক্ষতিপূরণ পাবেন সে বিষয়ে কিছুই বলা হয়নি।