Average Human Being
Открыть в Telegram
বই কাউকে নৈতিক বানাতে পারে না। কেউ যতই বই পড়ুক না কেন "অন্তরে বিশ্বাস" না থাকলে অনৈতিকই থেকে যাবে।
Больше704
Подписчики
Нет данных24 часа
-37 дней
-1030 дней
Загрузка данных...
Похожие каналы
Облако тегов
Нет данных
Возникли проблемы? Пожалуйста, обновите страницу или обратитесь к нашему support-менеджеру .
Входящие и исходящие упоминания
---
---
---
---
---
---
Привлечение подписчиков
ноябрь '24
ноябрь '24
+4
в 0 каналах
октябрь '24
+21
в 3 каналах
Get PRO
сентябрь '24
+24
в 3 каналах
Get PRO
август '24
+237
в 7 каналах
Get PRO
июль '24
+553
в 13 каналах
| Дата | Привлечение подписчиков | Упоминания | Каналы | |
| 29 ноября | 0 | |||
| 28 ноября | 0 | |||
| 27 ноября | +1 | |||
| 26 ноября | 0 | |||
| 25 ноября | 0 | |||
| 24 ноября | 0 | |||
| 23 ноября | 0 | |||
| 22 ноября | 0 | |||
| 21 ноября | +1 | |||
| 20 ноября | 0 | |||
| 19 ноября | +1 | |||
| 18 ноября | 0 | |||
| 17 ноября | 0 | |||
| 16 ноября | 0 | |||
| 15 ноября | 0 | |||
| 14 ноября | 0 | |||
| 13 ноября | +1 | |||
| 12 ноября | 0 | |||
| 11 ноября | 0 | |||
| 10 ноября | 0 | |||
| 09 ноября | 0 | |||
| 08 ноября | 0 | |||
| 07 ноября | 0 | |||
| 06 ноября | 0 | |||
| 05 ноября | 0 | |||
| 04 ноября | 0 | |||
| 03 ноября | 0 | |||
| 02 ноября | 0 | |||
| 01 ноября | 0 |
Посты канала
প্রথম আলোর সামনে ওনারা কোনও গন্ডগোল করেননি, খাওয়া-দাওয়ার আয়োজন ছিল আর সাধারণ জমায়েতে প্রতিবাদ করছিল।
সাধারণ প্রতিবাদ করার জন্য পুলিশ আর আর্মি এই কাজ করলো এইটা একটা কলঙ্ক।
প্রতিবাদ জানাই এই ধরনের ঘটনার।
| 2 | আইইউটির তিনটা ছেলে মারা গেছে আজকে।
কীভাবে মারা গেছে জানেন?? পিকনিকে যাইতে গিয়ে? কী ভাবতেছেন? গাড়ি এক্সিডেন্ট হইছে?? নাহ। সেরকম কিছু না। ছেলেগুলো ইলেক্ট্রিক শক খেয়ে মারা গেছে।
কোথায় ইলেক্ট্রিক শক খাইছে জানেন?? পিকনিকে যাচ্ছিলো ছেলেগুলা আনন্দ করে। বাসের মধ্যে ছিলো। বাসেই ইলেক্ট্রিক শক খাইছে। কী ভাবতেছেন? বাসে কোনভাবে সর্ট সার্কিট হইছে?? নাহ। সেরকম কিছু হয় নাই। রাস্তা থেকে ঝুলে থাকা তার দোতলা বাসে লেগে হইছে।
একজনকে বাঁচাতে গিয়ে আরো তিনজন মারা গেছে। হইতে পারতো বাসের সবাই মারা গেছে। হওয়া অস্বাভাবিক ছিলো না।
কি একটা অদ্ভুত দেশে বাস করি ভাই! রিক্সায় করে বাড়ি ফেরার পথে পাশের বিল্ডিং থেকে ছোঁড়া ইটে মরে মানুষ, অফিস থেকে বাসায় ফেরার পথে আন্ডারকনস্ট্রাকশান বিল্ডিং থেকে কংক্রিট পড়ে মরে, বিয়ে করে বৌ নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে বাসের উপর ফ্লাই ওভারের রেলিং পড়ে মরে, বারান্দায় খেলতে খেলিতে গ্রিল ধরে শক খেয়ে বাচ্চা মরে, ম্যানহলে পড়ে মরে বাসে করে পিকনিকে যাওয়ার সময় রাস্তা থেকে ঝুলে থাকা ইলেক্ট্রিক তার বাসে লেগে মরে!
পুরাটা জুলাই মাস দাঁত কেলাইতে কেলাইতে জনগনের বন্ধু পুলিশ মারলো হাজার হাজার মানুষ। সেই পুলিশেরা এখনো সেই দাঁত কেলাইতে কেলাইতে বেতন তুলতেছে, ফ্যামিলি নিয়ে ট্যুর দিচ্ছে। অথচ গুলি খাওয়া কেউ না কেউ বিনা চিকিৎসায় এখনো মরতেছে হাসপাতালের বারান্দায়।
এই দেশে জীবনের নিরাপত্তা শব্দটার থেকে বড়ো প্রহসন আর কিছু নাই।
রিমানা | 147 |
| 3 | জামাত vs বিএনপি vs ছাত্রসমাজ Cold War দেখতেছি।
অদ্ভুত বিষয় হচ্ছে এদের কারো নিজের দলের মধ্যেই কোনো ইউনিটি নাই। বিএনপির রুট লেভেলের লোক শহীদ হয়, আর ফখরুল-রিজভী লীগ চাটে, বঙ্গবন্ধু চাটে। শিবিরের সাথী-কর্মীরা লীগ পিডাইলো, জীবন দিল জুলাইয়ে, জামাতের আমীর এসে লীগ চাটে। সমন্বয়করা মাস্টারমাইন্ড বের করলো, তাদের দীর্ঘ পরিকল্পনা, পাঠচক্র, প্রশিক্ষণের কথা বললো, আমি ৫ আগস্টের পর থেকে দেখতেছি হাসিনাকে সরায় ওরা কি করবে সেটার কোনো ভালো পরিকল্পনাই ওরা করে নাই৷ ওরা জানেই না ইন্টারিমকে কিভাবে কাজে লাগানো যাইতে পারে। এজন্য বিএনপি আর নজরুল গ্যাং সব দখল করে বসে আছে।
এবার আসি লীগের কথায়। মানুষ খুন করা যুবলীগ, পার্লামেন্টে বসে টাকা মারা আওয়ামী, ব্যবসায়ী লীগ, আফসোস লীগ, ফেমিনিস্টলীগ, শ্রমিকলীগ প্রত্যেকের মধ্যে কোলাবোরেশানটা অসাধারণ।
রাস্তার টোকাই ছাত্রলীগ, সে পোস্টে পোস্টে কমেন্ট করতেছে, রাতের আধারে হাসিনার বিরুদ্ধে লেখা দেয়াললিখন মুছে দিচ্ছে। গুলশান-বনানীর পশ ইন্টেলেকচুয়াল, সে বলে যাচ্ছে লীগের অপরাধীদের শাস্তি দিয়ে লীগকে আবার ফেরত আসতে দেওয়া উচিৎ। মিলিটারির লীগ, সে সিকিউরিটি এনালিস্টদের দিয়ে ওয়াকারকে বলাচ্ছে চুপ্পুকে সরানো যাবে না। যে যার পার্পাস সার্ভ করতেছে৷ এই ইউনাইটেড এফোর্ডের ফলে একটা টোকাইয়ের দলের সাথে আপনারা পারতেছেন না।
বিম্পি-জামাতের বুইড়াগুলার ভিশন নাই, খাটাস। কিন্তু লীগের বুইড়াগুলারে দেখেন। আজ পর্যন্ত কোনো লীগের বুইড়ারে একটা টোকাও কেউ মারতে পারে নাই। পারবেও না। ওরা যত বড় ইতরই হোক, ওরা কনসিসটেন্ট।
সংগৃহীত | 239 |
| 4 | এই দেশে একটা সুন্দর বউ আর প্রেম ভালোবাসা হোলসাম ভাবে সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রেজেন্ট করতে পারলে আপনার সাত খুন মাফ! পুরা জুলাই নিশ্চুপ থাকা প্রীতম হাসান কত গালি খাইল, ৫ আগস্টের পর বউ এর সাথে একটা মিরর সেলফি দিল আর সবাই ভুলে গেল তার নিরবতা। আয়মান সাদিক কেমনে নিজের বউ এর কাছে মাফ চায় শুনে শিশুমনিরা তো পাগল হয়ে গেছে। এরা যে কালো ডিপি দিয়ে পুরা সময় ভেগে বেরায়ছে কেও মনে রাখে না কারন ভাইয়া আপুর বৈবাহিক জীবন অনেক কিউট তো!
ঠিক করেছি যাই হোক তাই হোক, একটা সুন্দর বউ বিয়ে করে সারাদিন হোলসাম ছবি পোস্ট করব সারাদিন যাতে অদূর ভবিষ্যতে কোন অকাজ করলে যাতে পার পেয়ে যেতে পারি!
মাহদী আমীন খান | 234 |
| 5 | স্ত্রী তখন রান্নাঘরে ছিলো। আমার চিৎকার শুনে দৌড়ে এলো। কারণ স্ত্রীর নাম ধরে বহুদিন ডাকি নি।
ও আশ্চর্য হয়ে বললো, "কী হয়েছে তোমার? ডাকছো কেনো?"
সে কথার জবাব না দিয়ে কাঁধ থেকে অফিসের ব্যাগ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে স্ত্রীকে ঝট করে পাঁজা কোলে তুলে নিলাম। বিয়ের শুরুর দিকে যেমন করতাম।
সে ততোক্ষণে আমার উদ্দেশ্য বুঝে গেছে।
সে লজ্জায় লাল হয়ে বললো, "ছেলেটা ঘুমাচ্ছে। ও জেগে যাবে। কী করো, কী করো?"
স্ত্রীকে পাঁজা কোলে করে রুমে যেতে যেতে আচ্ছন্ন স্বরে বলতে লাগলাম, "ভালোবাসি এষা। ভালোবাসি।"
পরদিন ডাক্তারের কাছে গেলাম।
ডাক্তার বললেন, "এখনো তো এক মাস পার হয় নি।"
হেসে বললাম, "সমস্যা দূর হয়ে গেছে। আমি এখন বুঝতে পেরেছি কেনো পুরুষেরা স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে? অতীতের ভুল আর কখনো করবো না।"
ডাক্তার বললেন, "স্বাগতম আপনাকে। আপনার সংসারের জন্য আন্তরিক শুভ কামনা রইলো।"
ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে খুশিয়াল গলায় বললাম, "ধন্যবাদ আল্লাহ। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।"
"আলোকবর্তিকা"
- রুদ্র আজাদ | 360 |
| 6 | আমার স্ত্রী দেখতে অসুন্দর নয়। তবু কেনো জানি তাকে এখন আর ভালো লাগে না। আমাদের বিয়ে হয়েছে পাঁচ বছর হলো। তিন বছর বয়সী একটা ছেলে সন্তান রয়েছে।
অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দিতে চলে যাই। ফিরি রাত করে। কারণ বাসায় যেতে ইচ্ছে করে না। অথচ বিয়ের শুরুর দিকে শুধুমাত্র স্ত্রীর টানে অফিস থেকে বেরিয়ে ছুটতাম বাসার দিকে। অফিস না থাকলে সারাদিন বাসায় থাকতাম। ওকে নিয়ে ঘুরতে যেতাম। কী যে ভালো লাগতো স্ত্রীকে তখন!
আর এখন ওর দিকে তাকাতে ইচ্ছে করে না। কথা বলতে ইচ্ছে করে না। ও আশেপাশে থাকলে বিরক্ত লাগে।
বাইরে থাকা অবস্থায় ওর ফোন এলে ধরি না। মেসেজ পাঠালে দেখি না। আর বাসায় থাকা অবস্থায় ও কিছু বললে অনাগ্রহের সাথে হু হা করে চুপ করে থাকি।
আর রাতে যদি ও কাছে আসতে চায় আমি রূঢ় ভাষায় বলি, "জ্বালাতন করো না। সারাদিন অফিস করে ক্লান্ত হয়ে আছি। ঘুমাতে দাও।"
আসলে ক্লান্তি ট্লান্তি কিছু না। স্ত্রীকে ভালো লাগে না এটাই মূল কথা।
কেনো এমন হচ্ছে বুঝতে পারছি না। এই সমস্যা যে একা আমার হচ্ছে তা নয়। আমি আরো অনেক পুরুষের মধ্যে এই সমস্যা দেখেছি। তাদের কেউ কেউ স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে পরকীয়া করছে। আমি নিজে এখনো পরকীয়া করি নি। তবে করার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।
কেনো পুরুষেরা একটা সময় স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে এটা জানার জন্য আমি যতো পুরুষের সাথে কথা বলেছি তাদের সবার উত্তর ছিলো এরকম, "এটাই তো স্বাভাবিক। এক জিনিস কী আর বেশিদিন ভালো লাগে?"
তাদের উত্তরটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নি। কারণ এক জিনিস বেশিদিন ভালো না লাগা যদি স্বাভাবিক হতো তাহলে স্ত্রীদের ক্ষেত্রেও সেটা হতো। কিন্তু তা তো হচ্ছে না।
স্ত্রীরা বিয়ের যতো বছর পরই হোক তারা ঠিকই আগ্রহ নিয়ে স্বামীর সাথে কথা বলতে চায়। ঘুরতে যেতে চায়। মিলিত হতে চায়।
একটা সময় আমার মনে হলো এটা কি পুরুষের কোনো মানসিক সমস্যা? ডাক্তার দেখালে কি ভালো হয়ে যাবে?
আমি দ্বিধান্বিত মনে একদিন গোপনে এক মানসিক ডাক্তারের কাছে গেলাম।
ডাক্তার আমার সমস্যার কথা শোনার পর বললেন, "আপনি কি আল্লাহকে বিশ্বাস করেন?"
বললাম, "জী করি।"
"আল্লাহর একটা নির্দেশের কথা আপনাকে বলবো। যদি মানতে পারেন তাহলে আপনার এই সমস্যা দূর হয়ে যাবে। কোনো ওষুধপত্র লাগবে না। গ্যারান্টি দিচ্ছি।"
"কী সেটা?"
"সুরা আন নূরে আল্লাহ বলেছেন, 'হে নবী, পুরুষদের বলে দাও, তারা যেনো নিজেদের দৃষ্টিকে সংযত করে রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থানসমূহের হেফাজত করে। এটা তাদের জন্য বেশি পবিত্র পদ্ধতি'।"
এরপর ডাক্তার দৃঢ় কণ্ঠে বললেন, "আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি এক মাস পালন করুন। তারপর নিজেই পরিবর্তন বুঝতে পারবেন।"
সন্দেহ নিয়ে বললাম, "এটাতেই কাজ হয়ে যাবে?"
ডাক্তার হেসে বললেন, "অবশ্যই হবে। তবে আমাকে কথা দিতে হবে আল্লাহর এই নির্দেশ আপনি নিখুঁত ভাবে পালন করবেন। কোনো ফাঁকি দেবেন না।"
"কথা দিলাম। ফাঁকি দেবো না। নিখুঁত ভাবে পালন করবো।"
শেষে ডাক্তার বললেন, "এক মাস পর আমার কাছে আসবেন।"
আসবো কথা দিয়ে ডাক্তারের চেম্বার থেকে বেরুলাম। চেম্বার থেকে বেরুনোর সময় দেখলাম একটা যুবতী রূপবতী মেয়ে একজন বৃদ্ধাকে নিয়ে ডাক্তারের চেম্বারে ঢুকছে।
মেয়েটার দেহ দুর্দান্ত আকর্ষণীয়। আমি লোলুপ দৃষ্টিতে মেয়েটার পুরো অঙ্গের দিকে তাকাতে গেলে আচমকা মনে পড়ে গেলো আল্লাহর নির্দেশের কথা। আমি সঙ্গে সঙ্গে চোখ সরিয়ে নিলাম। এবং মাথা নিচু করে হেঁটে চলে গেলাম।
এরপর পথে ঘাটে যদি কোনো মেয়ের দিকে চোখ পড়তো তবে চোখ সরিয়ে নিতাম। দৃষ্টি নত করে হাঁটতাম।
এভাবে দুদিন যাওয়ার পর অনুভব করলাম নারী শরীর দেখার জন্য ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। কিন্তু তখনো স্ত্রীর প্রতি টান বোধ করি নি। অস্থিরতা দূর করার জন্য মোবাইল হাতে নিলাম। এবং পর্ণ দেখার সিদ্ধান্ত নিলাম। তারপর হস্তমৈথুন করে নিজেকে শীতল করবো।
গুগলে পর্ণ ওয়েবসাইটের নাম লিখে সার্চ করার মুহূর্তে আল্লাহর নির্দেশের কথা মনে পড়ে গেলো। সাথে সাথে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলাম। এবং মোবাইল রেখে দিলাম।
এর পরদিনের কথা বলি। আপনাদের বলেছিলাম, আমি পরকীয়া না করলেও পরকীয়ার দিকে এগিয়ে যাচ্ছি। ঘটনা হলো, আমার এক বন্ধুর পরিচিত এক মেয়ের সাথে গোপন এক সম্পর্ক গড়ে উঠতে শুরু করেছে।
মেয়েটি প্রবল যৌন আকর্ষণীয়। ঠিক করেছিলাম মেয়েটিকে নিয়ে কয়েকদিনের জন্য কক্সবাজার থেকে ঘুরে আসবো। আমি যে বিবাহিত এটা মেয়েটিকে বলি নি।
সেই মেয়েটি ঐদিন সন্ধ্যায় ফোন দিলো। আমি তখন অফিস থেকে বেরিয়েছি। ওর ফোন দেখে মনটা খুশিতে ভরে উঠলো। কিন্তু ফোনটা ধরার সময় মনে পড়লো আল্লাহর নির্দেশের কথা।
তৎক্ষণাৎ মনকে শক্ত করলাম। এবং ফোনটা ধরলাম না। মেয়েটা যতোবারই ফোন দিলো ধরলাম না।
এভাবে দৃষ্টি সংযত রেখে এবং লজ্জাস্থান হেফাজত করে পনেরো দিন কাটানোর পর লক্ষ্য করলাম আমার মাথায় স্ত্রীর ভাবনা ছাড়া আর কিছু কাজ করছে না।
সেদিন অফিস থেকে বেরিয়ে বন্ধুদের আড্ডায় না গিয়ে উন্মাদের মতো ছুটলাম বাসার দিকে।
বাসায় ঢুকেই ব্যাকুল হয়ে ডাকলাম, "এষা, কোথায় তুমি?" | 280 |
| 7 | এরা মানুষ? | 245 |
| 8 | ! | 389 |
| 9 | https://t.me/AverageHumanBeingBangladeshi/306 | 446 |
| 10 | "When you play with a gentleman, you play like a gentleman. But when you play with bastards, make sure you play like a bigger bastard. Otherwise, you will lose."
Md Rafi | 462 |
| 11 | বেগম জিয়া বক্তব্য দিচ্ছেন। সমাবেশ শেষের দিকে। চাহিদা অনুসারে কর্মসূচি না হওয়ায় কর্মীদের উৎসাহে কিছুটা ভাটা পড়েছে। তরুণ কর্মীদের অনেকে ফিরে যাচ্ছে।
এমন সময় বেগম জিয়া হঠাৎ বলে উঠলেন, এই মুহূর্ত থেকে যদি এখানে অবস্থান কর্মসূচি দেই আপনারা কী রাজি হবেন?
টিভি পর্দায়ই যেনো মনে হলো, পুরো সমাবেশ একসাথে নেচে উঠেলো। সাংবাদিক আর সমাবেশে উপস্থিত অনেকের কাছে শোনা,বিভিন্ন দিক দিয়ে যারা ফিরে যাচ্ছিলো তারা সমাবেশের দিকে সোৎসাহে দৌড় দিলেন।
বেগম জিয়ার বডি ল্যাঙ্গুয়েজেই বোঝা যায়, তার এ জিজ্ঞাসা শুধু 'বলার জন্যই বলা' ছিলোনা।
কিন্তু সেদিন বাধ সাধলো বৃদ্ধ নীতি নির্ধারকের দল। কেউকেউ বললো, ম্যাডাম এইভাবে পলিটিক্স হয়না।
তারা নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি চায়। সংঘর্ষ চায়না। এদের চাপে খালেদা জিয়া ফিরে আসতে বাধ্য হলেন। বিএনপি সেদিন রাজনীতির যে মোড় থেকে ফিরে এসেছিলো, পরের দশ বছরে আর তার ধারেকাছেও যাওয়া হয়নি।
২৪ এর অগাস্টের আগে গত ১৬ বছরে হাসিনাকে আমি 'অনুরোধ' করতে দেখেছিলাম কেবল একবার। সময়টা ছিলো ১৩ সালের মে মাস। অগাস্টের মতো তীব্র না হলেও বাতাসে তখনও পাওয়া গিয়েছিলো পরিবর্তনের ঘ্রাণ।
৫ মে ঢাকায় অবরোধ আর শাপলা চত্বরে সমাবেশ ডাকে হেফাজত। ঠিক তার আগেরদিন ৪ মে মতিঝিলে সমাবেশ ডাকেন বেগম জিয়া। শেখ হাসিনা সেদিনও সত্যিই ভয় পেয়েছিলো। ভয় পেয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি আর হেফাজতকে সমাবেশ না করার অনুরোধ করেছিলো।
৪ মে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোটের সমাবেশ হয় মতিঝিলে। সবাই ধরেই নিয়েছিলো, আজ কিছু একটা হবে।সে কিছু একটা আসলে সেই অবস্থান কর্মসূচিই।তারা তত্ত্বাবধায়ক সরকারর দাবিতে রাজপথে বসে পড়বে। আর সে অবস্থান গিয়ে মিলবে পরদিন হতে যাওয়া হেফাজতের সমাবেশের সাথে। সম্ভবত পুরো সমাবেশে ১% কর্মীও ছিলোনা যারা এই প্রস্তাবের বিরুদ্ধে ছিলো।
বিএনপি আর হেফাজত এক না। হেফাজতের দাড়ি টুপিধারি অরাজনৈতিক, অপ্রশিক্ষিত কর্মীদেরর জঙ্গি তকমা দিয়ে লীগ যেভাবে ম্যাসাকার করেছিলো, সেরকম কিছু বিএনপির বেলায় করা সম্ভব ছিলোনা।কিংবা করতে গেলেও সেদিনকার পরিণতি ২৪ এর চেয়ে আলাদা হওয়ার সম্ভাবনা কমই ছিলো। আর হাসিনা যে সেইসময়ে নমনীয় হয়েছিলো, তা ঠিক এই সম্ভাবনা মাথায় রেখেই।
কিন্তু নিয়মতন্ত্র করা ভীতু আর বৃদ্ধ নীতি নির্ধারকদের পিছিয়ে যাওয়ায় বেগম জিয়া সেইদিন সে সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি। কিন্তু যেসব জুজু দেখিয়ে নেতারা সেইদিন বেগম জিয়াকে আটকেছিলেন, পরবর্তীতে তার কোনোটাই কী ঠেকানো গেছে?
★ তরুণ নেতাকর্মীরা সেইদিন চূড়ান্ত ফয়সালার পক্ষে ছিলো। কিন্তু বৃদ্ধ নীতি নির্ধারকরা আশঙ্কা করেছিলো, আজ দাঁড়াতে চাইলে কর্মীদের মরতে হবে। ব্যর্থ হয়ে ফিরে গেলে ঘরে থাকতে পারবেনা।
বিএনপির কর্মীদের কী এরপর মরতে হয়নি? তারা ঘরে থাকতে পেরেছে? তাদের জীবন দুর্বিষহ হয়নি?
★তাদের আশঙ্কা ছিলো, এমন সিদ্ধান্ত নিলে খালেদা জিয়াকে গ্রেফতার করা হতে পারে।
পিছিয়ে আসা বিএনপির ৭০+ নেতারা কি পরে খালেদা জিয়াকে রক্ষা করতে পেরেছে? সঠিক চিকিৎসা না দিয়ে খালেদা জিয়াকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়ার সময় কী করতে পেরেছে সেই নেতারা?
★বুড়ো নেতারা দাবি করেছিলো, অবস্থান করতে চাওয়ার অর্থ আওয়ামিলীগের হাতে অস্ত্র তুলে দেয়া। তারা পরবর্তীতে আর বিএনপিকে রাজপথে দাঁড়াতে দেবেনা।
লীগ কি বিএনপিকে আর রাজপথে দাঁড়াতে দিয়েছে?
ঠিক যে যে জুজু দেখিয়ে সেদিন বিএনপির গান্ধীবাদি নীতি নির্ধারকরা খালেদা জিয়াকে আটকেছিলো তার কোনোটাই আটকানো যায়নি। পরের দশ বছরের ইতিহাস শুধু মাঠের কর্মীদের অত্যাচার আর বঞ্চনার ইতিহাস। বন্দুকযুদ্ধের নামে খুন করা জনি,কবীরদের মা-বোনের কান্নার ইতিহাস। গুম হওয়া সাতশো কর্মীর আর্তনাদে আসমান ভারী হওয়ার ইতিহাস।
নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতির দোহাই দেয়া বৃদ্ধ নেতাদের কারণে সেদিন বিএনপি রাজনৈতিক ট্রেন মিস করেছিলো। সেই বৃদ্ধ নেতাদের অনেকেই পরে দল ছেড়েছে। কেউকেউ টকশোবাজী করে সুশীল জীবন পার করেছে। সময়ে সময়ে যারা গ্রেফতার হয়েছে তাদের বেশিরভাগকেই কর্মীদের মতো ক্রসফায়ারের শিকার হয়ে খালে - জঙ্গলে পড়ে থাকতে হয়নি। তরুণদের সুরে কথা বলা ইলিয়াস আলীদের মতো গুমও হতে হয়নি।
যে সো কল্ড নিয়মতান্ত্রিক রাজনীতি আর সংবিধান তাদের লাখলাখ কর্মীর স্বাভাবিক জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পারেনি, তাদের অনেকে আজ সেই সংবিধানকে ১৬ কোটির রক্ষাকবচ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার করার ঘোষণা দেয়। যে সংবিধান মাথায় নিয়ে হাসিনা আমজনতার ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে তা নাকি পবিত্রগ্রন্থ।
মাঠের মানুষের পালস বুঝতে না পেরে বিএনপি যে ট্রেন মিস করেছিলো ১৪-তে, আজ ২৪ এ এসেও যদি তারা আবার সেই একই কাজ করে, তবে এবারের সংকটের ব্যাপ্তি আর দশ বছরের হবেনা। এবারের জিল্লতির মাত্রাও আর হিসাবের আওতায় থাকবেনা। এই সুশীলতা, সংবিধান প্রেম যেমন গত ১৬ বছর কোনো কাজে আসেনি, এবার ফেইল করলে সামনের ৩২ বছরেও তা কোনো কাজে আসবেনা।
স্টেইটম্যান হিসেবে শেখ মুজিব ব্যর্থ হলেও, সংগঠক হিসেবে মুজিব আসলেই ছিলেন দক্ষ। বাংলাদেশের রাজনীতিতে তার একটা কথা খুব খাটে - | 453 |
| 12 | ভুলিনা আমি কিছুই। | 267 |
| 13 | বিএনপি আসলেই বলদ! | 372 |
| 14 | সংবিধান বিশেষজ্ঞরা বলতেছেন, সংবিধান অনুযায়ী চুপ্পুকে অপসারণ করা সম্ভব না।
আমার প্রশ্নটা অন্য জায়গায়।
৫ তারিখ যদি চুপ্পু হালায় পালাইতো, তখন সেই সাংবিধানিক শূণ্যতা আমাদের আইনের অবতাররা কী দিয়ে পূরণ করতেন?
চুপ্পুই কি তাহলে সেই উদ্দীপক? বাংলাদেশের জন্য যার গুরুত্ব অপরিসীম? | 479 |
| 15 | একটা প্রাণ থেকে যদি ক্রিকেট বেশি গুরুত্বপূর্ণ আপনার কাছে, মনে হয় জীবন নিয়ে আরেকটু ভাবার সময় হয়েছে। | 502 |
| 16 | আবুল মনসুর আহমদ বেচে থাকলে মাহফুজ আনামের কাজকর্ম দেখে কেন ঐদিন রাত্রে তিনি ঘুমায়ে গেলেন না তা নিয়া দিনরাত আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে শেখ মুজিব ছাড়া আর কারো পোলাপান এত খারাপ হয় নাই।
মুহাম্মাদ সজল | 414 |
| 17 | যুগে যুগে সব রাজা বাদশাই সার্কাসের আয়োজন করত। মূল সমস্যা থেকে মানুষের ফোকাস সরানোর জন্য। ক্রিকেট বা এসব হচ্ছে আধুনিক সার্কাস।
দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য একজন খেলোয়ারের থেকে একজন কৃষকের অবদান বেশি। ভূল মানুষকে আইডিওলাইজ করা বন্ধ করেন।
জাকির হোসাইন | 338 |
| 18 | হাসনাত আব্দুল্লাহ শেখ মুজিবকে নেতা ডেকেছে ২০২০ সালে।
এরপর ২০২৪ সালে এসে সেই মুজিববাদের বিরুদ্ধেই উনারা বিপ্লব করেছেন।
এইটা যদি হিপোক্রেসি হয়, তাহলে মুজিবের চে বড় হিপোক্রেট আর কে ছিলো?
মুহাম্মদ আলী জিন্নাহরে কায়েদে আজম ডেকে, নেতা ডেকে, পাকিস্তান বানানোর আন্দোলন করে আবার সেই পাকিস্তানের বিরুদ্ধেই মুজিব বিদ্রোহ করে নাই?
সার্জিস আলম একসময় ছাত্রলীগ করেছে। এরপর সেই ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছে।
মুজিবও তো মুসলিম লীগ করতো।
এরপর সেই মুসলিম লীগের বিরুদ্ধে মুজিব যুদ্ধ করে নাই?
কোন রাজনৈতিক নেতা ভুল করে নাই?
বরং বলা যায়, কোন মানুষটা ভুল করি নাই?
জামাতের বর্তমান আমির তো ছিলো ছাত্র ইউনিয়নের লোক। বুঝেন? কই ছাত্র ইউনিয়ন আর কই জামায়াতে ইসলামী?
ভুল করা রাজনীতিতে খারাপ না। রং সাইড চুজ করা রাজনীতিতে কখনোই খারাপ না।
খারাপ হলো রং সাইড ধরে বসে থাকা। ভুল স্বীকার না করে সেই ভুল আকড়ে ধরে থাকা।
মানুষকে হতে হয় প্রবাহমান নদীর মতো। বদ্ধ পুকুর না।
হাসনাত সার্জিসরা বঙ্গবন্ধুকে বঙ্গবন্ধু ডেকেছেন ২০২০ সালে। আর ২০২৪ সালে মুজিব চুদি না বলে স্লোগান দিয়ে মুজিববাদের দেয়াল ধ্বংসও করেছেন তারা।
এইটাকে হিপোক্রেসি বলে না, ডেভেলপমেন্ট বলে। গ্রো আপ করা বলে।
অসাধারণ মানুষরাই নিজেকে গ্রো আপ করাতে পারে। নিজের চিন্তা অতিক্রম করতে পারে। সাধারণ মানুষেরা পারে না।
শেখ মুজিবকে বঙ্গবন্ধু অনেকেই ডেকেছে। কেউ বঙ্গবন্ধু ডেকে সুবিধা নিয়েছে, কেউ বঙ্গবন্ধু ডেকে গণহত্যার সহযোগী হয়েছে, কেউ বঙ্গবন্ধু ডেকে পা চেটেছে আর দালালি করেছে।
আর হাসনাত ২০২০ এ বঙ্গবন্ধুকে নেতা ডেকে ২০২৪ সালে বঙ্গবন্ধুর ফ্যাসিবাদকেই দেশছাড়া করে ফেলেছে।
পার্থক্যটা বুঝছেন তো?
সাদিকুর রহমান খান | 455 |
| 19 | Yeah | 358 |
| 20 | সাকিব, মাশরাফির মতো অনৈতিক ব্যক্তিদের টেস্ট/বিপিএল খেলা হবে জুলাই অভ্যুত্থানের নৈতিক পরাজয়। | 413 |
